বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্যের নায়কদের খুঁজতে কমিশন হচ্ছে
১৯নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনের নেপথ্যে যারা রয়েছে তাদের খুঁজতে কমিশন গঠন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশন চলাকালে এ তথ্য জানান তিনি। আইনমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর খুনের সঙ্গে জড়িত দেশি-বিদেশি চক্রান্তকারী নেপথ্য নায়কদের খুঁজে বের করতে কমিশন গঠন করা হবে। ইতোমধ্যে কমিশন গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে- কমিশন কাদের নিয়ে কীভাবে গঠিত হবে। কমিশনের কাজের পরিধি কী হবে ইত্যাদি নির্ধারণে সংশ্লিষ্টরা কাজ করে যাচ্ছেন। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রায়ের প্রসঙ্গ টেনে আনিসুল হক বলেন, সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে প্রচলিত আইনে এবং প্রচলিত আদালতেই হত্যাকারীদের বিচারের ব্যবস্থা করা হয়। বিচার প্রক্রিয়া শেষ করে হত্যাকারীদের সাজা ইতোমধ্যে কার্যকর করা হয়েছে। তবে এখনও যেসব খুনি বিভিন্ন দেশে পালিয়ে এবং আশ্রয় গ্রহণ করে আছে, তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার সব প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।
ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় মজনুর যাবজ্জীবন
১৯নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর কুর্মিটোলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় একমাত্র আসামি মজনুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া আসামিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক মোছা. কামরুন্নাহার এ রায় দেন। গত ১২ নভেম্বর এ মামলায় একমাত্র আসামি মজনুর আত্মপক্ষ সমর্থন এবং রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে একই আদালত রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করেন। গত ৫ নভেম্বর এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২৪ সাক্ষীর ২০ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন। চলতি বছর ১৬ মার্চ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির পরিদর্শক আবু বকর সিদ্দিক অভিযোগপত্র দাখিল করেন। গত ২৬ আগস্ট আসামি মজনুর বিচার শুরু হয়। এরপর ২০ সেপ্টেম্বর মামলার বাদী ও ধর্ষণের শিকার ছাত্রীর বাবার সাক্ষ্যর মাধ্যমে এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। পরদিন ভুক্তভোগী সাক্ষ্যে মজনুকে ধর্ষক হিসেবে শনাক্ত করেন। গত ৫ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৭টার দিকে কুর্মিটোলা বাসস্ট্যান্ডে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস থেকে নামার পর ওই ছাত্রীকে মুখ চেপে পার্শ্ববর্তী একটি স্থানে নিয়ে যায় অজ্ঞাত ব্যক্তি। সেখানে তাকে অজ্ঞান করে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়। পরে ১০টার দিকে তার জ্ঞান ফিরলে তিনি নিজেকে নির্জন স্থানে অবিষ্কার করেন। সেখান থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় নিজ গন্তব্যে পৌঁছালে রাত ১২টার পর তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে তিনি বাসায় ফেরেন।
কাল জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী
১৯নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সশস্ত্র বাহিনী দিবস-২০২০ উপলক্ষে আগামীকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) সহকারী পরিচালক রাশেদুল আলম খান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রীর ওই ভাষণ বাংলাদেশ টেলিভিশন/সংসদ টিভি থেকে লিঙ্ক নিয়ে সরাসরি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে সম্প্রচার করার জন্য সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে। স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়েছিল বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী। দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন করা হয়।
আজ থেকে শুরু হচ্ছে ফায়ার সার্ভিস সপ্তাহ
১৯নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সারাদেশে আজ বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) থেকে শুরু হচ্ছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ-২০২০। এবার এর প্রতিপাদ্য রাখা হয়েছে প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা প্রস্তুতি, দুর্যোগ মোকাবেলায় আনবে গতি। মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর ২১ নভেম্বর পর্যন্ত এ সপ্তাহ উদযাপন করবে। এ উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর মিরপুর-১০ এ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স ট্রেনিং কমপ্লেক্সে এ সপ্তাহের উদ্বোধন করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব মো শহিদুজ্জামান এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ হোসাইন উপস্থিত থাকবেন। ফায়ার সার্ভিস সপ্তাহ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ তাঁর বাণীতে ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের আধুনিক সরঞ্জাম সরবরাহ ও উন্নত প্রশিক্ষনের উপর গুরুত্বারোপ করে বলেছেন, সরকার এ লক্ষ্যে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে তিনি আশা করেন। তিনি বলেন, শিল্পায়ন ও নগরায়নের ব্যাপকতার ফলে দেশে দুর্ঘটনার হার ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিভিন্ন দুর্যোগে উদ্ধারকাজ পরিচালনায় দেখা দিচ্ছে নিত্যনতুন চ্যালেঞ্জ। এসকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের আধুনিক সরঞ্জাম সরবরাহ ও উন্নত প্রশিক্ষণ অত্যন্ত জরুরি। সরকার এ লক্ষ্যে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে আমি আশা করি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাণীতে বলেন, আমি আশা করি, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কর্মীরা নতুন উদ্যমে সাহস, সততা, দক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন এবং নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার বাস্তবায়নের মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সহায়তা করবেন। শেখ হাসিনা বলেন, প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট সকল দুর্যোগ-দুর্ঘটনার বিষয়ে জনসাধারণকে সচেতন করার লক্ষ্যে ১৯ নভেম্বর থেকে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ ২০২০ উদযাপিত হচ্ছে জেনে তিনি আনন্দিত। এ উপলক্ষে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তিনি শুভেচ্ছা জানান। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সূত্রে জানা যায়, এবারের সপ্তাহ পালনের মূল লক্ষ্য জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো এবং ফায়ার সার্ভিসের কার্যক্রমে তাদের সম্পৃক্ত করা। এ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে তিন দিনব্যাপী সারাদেশে নানা ধরনের কর্মসূচি পালন করা হবে।
শীতে করোনা মোকাবিলার প্রস্তুতি আছে: প্রধানমন্ত্রী
১৮নভেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ ও শীতকালে সংক্রমণ বৃদ্ধির যে আশঙ্কা করা হচ্ছে তা মোকাবিলায় ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার (১৮ নভেম্বর) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে চট্টগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য দিদারুল আলমের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের দূরদর্শী নেতৃত্ব, সময়োচিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও দক্ষ ব্যবস্থাপনায় এখন পর্যন্ত কোভিড-১৯ বিশ্ব মহামারিকে সফলভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব হয়েছে। এ মুহূর্তে বাংলাদেশে কোভিড-১৯ এর প্রকোপ কিছুটা কমে এলেও যেকোনো মুহূর্তে তা আসন্ন শীতকালে আবার বেড়ে যেতে পারে বলে বিশেজ্ঞরা অভিমত ব্যক্ত করেছেন। ইতোমধ্যে ইউরোপ ও আমেরিকায় দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ ও শীতকালে সংক্রমণ বৃদ্ধির যে আশঙ্কা করা হচ্ছে তা মোকাবিলায় ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আসন্ন শীত মৌসুমে যাতে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ না বাড়তে পারে সেজন্য নো মাস্ক, নো সার্ভিস নীতি বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, সারাদেশের পয়েন্ট অব এন্ট্রিসমূহ যথা- বিমান, স্থল, নৌবন্দরসমূহে আগত যাত্রীদের স্ক্রিনিং কার্যক্রম ২১ জানুয়ারি থেকে অব্যাহত আছে। বিদেশ থেকে আগত যাত্রীদের ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোভিড-১৯ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ প্রিপেয়ার্ডনেস অ্যান্ড রেসপন্স প্ল্যান (বিপিআরপি) তৈরি করা হয়েছে। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। করোনার বর্তমান ও আসন্ন শীতকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশব্যাপী গৃহীত কার্যক্রম সমন্বয়ের লক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে ৬টি কমিটি গঠন করা হয়েছে। করোনা প্রতিরোধে ভ্যাকসিন সংগ্রহের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ৩ কোটি ভ্যাকসিন আমদানির লক্ষ্যে ৫ নভেম্বর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট ও বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, করোনা সংক্রমণ রোধে দেশব্যাপী সরকারিভাবে চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কোয়ারেন্টিন কার্যক্রম অব্যাহত আছে। ঢাকাসহ সারাদেশে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় মোট ৩৬১টি কোয়ারেন্টিন সেন্টার প্রস্তুত আছে। এসব প্রতিষ্ঠানে মোট ৩১ হাজার ৯৯১ জনকে কোয়ারেন্টিনে রাখা যাবে। মহামারি চলাকালে ঝুঁকি মোকাবিলায় অপ্রয়োজনীয় জমায়েত, সভা, সেমিনার সীমিত রাখা, মসজিদ, মন্দির, বিবাহ, খেলাধুলা, সিনেমা, থিয়েটার ও রাজনৈতিক সমাবেশ নিরুৎসাহিত করা হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। করোনা সংক্রমণ রোধে ব্যানার, লিফলেট, এক্স স্ট্যান্ড, ডিজিটাল ব্যানার, পেপার ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রচার-প্রচারণা করা হয়েছে এবং তা অব্যাহত আছে বলে জানান তিনি। সরকারি দলের আরেক সদস্য এ কে এম রহমতুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, করোনাকালে আমরা উন্নয়ন সহযোগী দেশগুলোর কাছ থেকে জরুরি আপদকালীন অর্থায়নের ব্যবস্থা করতে পেরেছি। করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় বাংলাদেশ জাপানের কাছ থেকে আপদকালীন সহায়তা হিসেবে ২ হাজার ৭২০ কোটি টাকা আর্থিক সহায়তা পাচ্ছে। কোভিড-১৯ প্রতিরোধের জন্য এশিয় ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) ৬০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, করোনা ভাইরাসের টিকা ও চিকিৎসা সামগ্রী সংগ্রহের জন্য এডিবি আরও ৩০ লাখ মার্কিন ডলার সহায়তা দিচ্ছে। করোনাকালে কর্মসংস্থানের জন্য বিশ্ব ব্যাংক ১০৫ কোটি মার্কিন ডলার দিয়েছে। আবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছ থেকে তৈরি পোশাক খাতের জন্য ১১০ মিলিয়ন ইউরো সহায়তা পেয়েছি। জার্মানি ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন তৈরি পোশাক ও চামড়া শিল্পের জন্য ১১৩ মিলিয়ন ইউরো সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এছাড়া এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক আমাদের জন্য ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে।
ওটিটি প্ল্যাটফর্মকে নিয়মের মধ্যে আনতে কমিটি করা হবে
১৮নভেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম বা ওভার দ্য টপ (ওটিটি) প্ল্যাটফর্মকে নিয়ম-নীতির মধ্যে আনতে একটি কমিটি করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। বুধবার (১৮ নভেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নিয়ে কাজ করা দেশের বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, মানুষকে সুষ্ঠু সুন্দর বিনোদন দিতে পারে একইসঙ্গে দেশ ও সমাজ গঠন, তরুণদের মনন গঠন, দেশকে স্বপ্নের ঠিকানায় নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এই প্ল্যাটফর্মগুলো কিভাবে কাজ করতে পারে সে নিয়ে একটি কমিটি করে দেবো। এই কমিটি শুধু নিয়ম-নীতির মধ্যে আনার জন্য কাজ করবে তা নয়। আমাদের দেশে এই ওটিটি প্ল্যাটফর্ম কিভাবে প্রমোট হয়, উদ্যোক্তারা আসে, দেশে এ ধরনের প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়, সে বিষয়ে তারা সাজেশন দেবে। এটিই আজকের বৈঠকের সিদ্ধান্ত। তথ্যমন্ত্রী বলেন, ওভার দ্য টপ বা ওটিটি প্ল্যাটফর্ম মানুষের ব্যবহারের জন্য অনেক বেশি সুবিধাজনক। এজন্য মানুষ ধীরে ধীরে এই প্ল্যাটফর্মে অভ্যস্ত হচ্ছে। এই বাস্তবতায় আমরা দেখতে পাচ্ছি যে ওটিটি কনটেন্ট নিয়ে অনেক পত্র-পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। যা আমাদের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে কৃষ্টি ঐতিহ্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় এসেছিল। তখন আমরা সবাইকে সতর্ক থাকতে বলেছিলাম৷ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এই ওটিটি প্ল্যাটফর্মকে একটি নিয়ম-নীতির মধ্যে আনার জন্য উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ভারতেও ওটিটি প্ল্যাটফর্মে কোন কিছু আপলোড করার আগে একটি নিয়ম-নীতির মধ্য করার জন্য প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। আমাদের আজকের বৈঠকের উদ্দেশ্য হচ্ছে ওটিটি প্ল্যাটফর্মকে কীভাবে একটি নিয়ম-নীতির মধ্যে নিয়ে আসা যায়। একইসঙ্গে আমাদের দেশীয় উদ্যোক্তাদের এ বিষয়ে উৎসাহিত করা যায়। আমাদের দেশে এখন অন্য দেশের ওটিটি প্ল্যাটফর্ম এসে কাজ করছে জানিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, তারা আমাদের দেশ থেকে রাজস্ব নিয়ে চলে যাচ্ছে। আমাদের দেশে কোন জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম না থাকায় নির্মাতারাও বিদেশি ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে অনেক ক্ষেত্রে বাধ্য হচ্ছে। এ বাস্তবতায় আমরা চাই এখাতে আমাদের উদ্যোক্তারা এগিয়ে আসুক। পাশাপাশি আমাদের দেশে বিশ্বমানের ওটিটি প্ল্যাটফর্ম গড়ে উঠুক। যেটি শুধু আমাদের দেশের মানুষদের বিনোদন দেবে তা নয়, বিশ্ব প্রেক্ষাপটে যাতে অন্য দেশ থেকেও আমরা রাজস্ব অর্জন করতে পারি সেই জায়গায় নিয়ে যাওয়ার জন্য আমাদের উদ্যোক্তারা কাজ করবে। চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদফতরের (ডিএফপি) মাধ্যমে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম করা যায় কি না সেটা নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। আজকে আমরা প্রাথমিকভাবে আলাপ আলোচনা করেছি। এ নিয়ে আমরা যারা বেসরকারি উদ্যোক্তা রয়েছে যারা ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নিয়ে কাজ করে তাদের ডেকেছি। সেখানে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম কিভাবে নিয়ম-নীতির মাধ্যমে সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয় সেজন্য একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, সহসা আমরা একটি বড় কমিটি করে দেবো। বর্তমানে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম থেকে সরকার কোন রাজস্ব পাচ্ছে কিনা- জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ওটিটি প্ল্যাটফর্মে আমাদের দেশ থেকে যেগুলো আপলোড করা হচ্ছে সেগুলো থেকে ১৫ শতাংশ ভ্যাট পাচ্ছে। কিন্তু যেগুলো বিদেশ থেকে আপলোড করা হচ্ছে সেগুলো থেকে কোন ভ্যাট পাচ্ছি না। বিশেষ করে যারা এই প্ল্যাটফর্ম চালায় তারা কোন ট্যাক্স দিচ্ছে না।
বাংলাদেশ ধর্মনিরপেক্ষতার মূলনীতি থেকে সরবে না: জয়
১৮নভেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শেখ হাসিনার আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, বাংলাদেশ তার প্রতিষ্ঠাকালীন ধর্মনিরপেক্ষতার মূলনীতি থেকে সরে যেতে পারে না। তিনি বলেন, আমরা যে ধর্মেরই হই না কেন, আমরা সবাই বাঙ্গালি। মঙ্গলবার রাতে ইয়াং বাংলা আয়োজিত জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে সেন্টার ফর রিচার্স এন্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) চেয়ারম্যান সজীব ওয়াজেদ জয় যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে তরুণ সংগঠকদের উদ্দেশ্যে জয় বলেন, প্রতিবার আপনাদের দেখে আমি অনুপ্রাণিত হই। তিনি বলেন, আমাদের দেশে নালিশ করার একটা সংস্কৃতি রয়েছে। কিন্তু এই তরুণরা নালিশ না করে সমাজের সমস্যা সমাধানে নিজ মেধা ও পরিশ্রম দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। জয় বলেন, অন্যের দিকে তাকিয়ে না থেকে নিজে নেতৃত্ব দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। সিআরআই চেয়ারম্যান সজীব ওয়াজেদ যারা এখানে পুরস্কার পেয়েছেন এবং যারা পাননি তাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার। আপনারা সেই কাজটি করছেন। জয় আরো বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে যখন বিভিন্ন উন্নত দেশে মৃত্যুর হার অনেক বেশি, সেখানে আমাদের মৃত্যুর হার কম। একটি মৃত্যুও অবশ্য কাম্য নয়। তারা তাদের মেধাবী ডাক্তারদের কথা শোনেনি। কিন্তু আমরা শুনেছি। করোনা পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনৈতিক ধারা এখনো উন্নতির দিকে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অনেক উন্নত দেশ বড় ধরনের অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। কিন্তু নেতৃত্বগুণে আমরা এখনো উন্নতি করছি। দেশ ও সমাজের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাওয়া তরুণদের ৩০টি সংগঠনকে আজ জয় বাংলা ইয়ুথ অ্যাওয়ার্ড দেয়া হয়। মঙ্গলবার রাতে ইয়াং বাংলা আয়োজিত ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে এই ৩০টি সংগঠনকে বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। ডা. নুজহাত চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিআরআই ট্রাস্টি নসরুল হামিদ বিপু। বিজয়ীদের কাছে সার্টিফিকেট, ক্রেস্ট ও ল্যাপটপ পৌঁছে দেয়া হবে। এ ছাড়াও শীর্ষ মনোনয়ন পাওয়া সকল তরুণ সংগঠন পাবে সার্টিফিকেট। প্রায় তিন লাখ সদস্য, ৫০ হাজারের বেশি স্বেচ্ছাসেবী এবং ৩১৫টির বেশি সংগঠনকে সঙ্গে নিয়ে চলা- ইয়াং বাংলার লক্ষ্য- ভিশন-২০২১ এ দেশের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে তরুণ প্রজন্মকে সরাসরি অন্তর্ভুক্ত করা এবং তাদের নতুন ধারণা ও উদ্ভাবনকে বিশ্বে তুলে ধরা।- বাসস
চতুর্থ পরীক্ষায়ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর করোনা নেগেটিভ
১৮নভেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চতুর্থবার কোভিড-১৯ (করোনাভাইরাস) পরীক্ষায় ফলাফল নেগেটিভ এসেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের। এর আগের তিনবারের পরীক্ষায় একবার করোনা পজিটিভ এসেছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। তবে ফল নেগেটিভ এসেছিল অন্য দুবার। মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) গভীর রাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, গত শনিবার (১৪ নভেম্বর) আইইডিসিআরে প্রথম পরীক্ষায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীনের কোভিড-১৯ পরীক্ষার ফল পজিটিভ আসে। পরদিন রোববার (১৫ নভেম্বর) রাজারবাগ সম্মিলিত পুলিশ হাসপাতালে তাদের করোনা পরীক্ষায় দুজনেরই ফলাফল নেগেটিভ আসে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, এর পরদিন সোমবার (১৬ নভেম্বর) রাজধানীর ডিএমএফআর মলিকিউলার ল্যাব অ্যান্ড ডায়াগনস্টিকসে তৃতীয় দফায় পরীক্ষা করা হলে মন্ত্রীর করোনা নেগেটিভ আসে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মঙ্গলবার চতুর্থ দফায় আইইডিসিআরে মন্ত্রীর কোভিড-১৯ পরীক্ষা করা হলে এর ফলাফল নেগেটিভ আসে। মন্ত্রী এবং জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব সুস্থ আছেন। ওনাদের শরীরে কোভিডের কোনো লক্ষণ নেই।
সংসদে বিল পাস: আকাশপথে দুর্ঘটনায় মৃত্যুতে ক্ষতিপূরণ বাড়ছে ছয় গুণ
১৮নভেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আকাশপথে পরিবহনের সময় দুর্ঘটনায় যাত্রী আহত বা নিহত হলে এবং ব্যাগেজ নষ্ট বা হারিয়ে গেলে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ বাড়াতে এ-সংক্রান্ত আইনের খসড়ায় অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় সংসদ। গতকাল সংসদে আকাশপথে পরিবহন (মন্ট্রিল কনভেনশন) বিল-২০২০ সংসদে পাসের প্রস্তাব করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী। পরে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। এর আগে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী বিলের ওপর দেয়া জনমত যাচাই-বাছাই কমিটিতে পাঠানো এবং সংশোধনী প্রস্তাবগুলোর নিষ্পত্তি করেন। আগে আকাশপথে পরিবহনের সময় যাত্রীর মৃত্যু বা আঘাতপ্রাপ্ত হলে ক্ষতিপূরণ ছিল ২০ লাখ ৩৭ হাজার ৬০০ টাকা। বিলটি পাসের ফলে এ ক্ষতিপূরণ ১ কোটি ১৭ লাখ ৬২ হাজার ৩৩৪ টাকা হবে। নতুন আইন কার্যকর হলে ফ্লাইট বিলম্বের কারণে পরিবহনকারীর দায় ২০ ডলারের পরিবর্তে ৫ হাজার ৭৩৪ ডলার, ব্যাগেজ বিনষ্ট বা হারানোর জন্য প্রতি কেজিতে ২০ ডলারের পরিবর্তে ১ হাজার ৩৮১ ডলার এবং কার্গো বিমানের মালামাল বিনষ্ট বা হারানোর জন্য প্রতি কেজিতে ২০ ডলারের পরিবর্তে ২৪ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। যাত্রীর মৃত্যুর ক্ষেত্রে তার সম্পত্তির বৈধ প্রতিনিধিত্বকারী ব্যক্তির মধ্যে এ আইনের বিধানের আলোকে ক্ষতিপূরণের অর্থ ভাগ করা যাবে। সংশ্লিষ্ট উড়োজাহাজ পক্ষ বা বীমাকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে অথবা আদালতের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ আদায় করা যাবে। আকাশপথে পরিবহনের ক্ষেত্রে কোনো দুর্ঘটনায় যাত্রীর মৃত্যু বা আঘাতপ্রাপ্ত হলে এবং ব্যাগেজ নষ্ট বা হারানোর ক্ষেত্রে ওয়ারশ কনভেনশন-১৯২৯-এর আলোকে দেশে বর্তমানে প্রচলিত দ্য ক্যারেজ বাই এয়ার অ্যাক্ট-১৯৩৪, দ্য ক্যারেজ বাই এয়ার (ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন) অ্যাক্ট-১৯৬৬ এবং দ্য ক্যারেজ বাই এয়ার (সাপ্লিমেন্টারি কনভেনশন) অ্যাক্ট-১৯৬৮ আছে। এ তিনটি আইনের আলোকে প্রাণহানী, আঘাত ও ব্যাগেজ নষ্ট বা হারানোর ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ কম ছিল। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে ১৯৯৯ সালে মন্ট্রিল কনভেনশন গ্রহণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ ওই কনভেনশনে ১৯৯৯ সালেই স্বাক্ষর করে। ১৯৯৯ সালে মন্ট্রিল কনভেনশন গ্রহণের পর দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও বাংলাদেশে তা অনুসমর্থন হয়নি। মন্ট্রিল কনভেনশনটি অনুসমর্থন করে নতুন আইন প্রণয়ন করলে মৃত্যু, আঘাত ও মালামাল হারানো বা নষ্ট হওয়ার ক্ষেত্রে যথাযথ ক্ষতিপূরণ পাওয়া সহজ হবে। মন্ট্রিল কনভেনশন রেটিফিকশন করে প্রণীত খসড়া আইনটি অনুমোদিত হলে যাত্রীর মৃত্যু বা আঘাত, ব্যাগেজ ও কার্গোর ক্ষতি বা হারানোর ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের হার পূর্বের তুলনায় অনেক বৃদ্ধি পাবে। গত জুন ২৩ জুন বিলটি সংসদে তোলা হয়। পরে বিলটি এক মাসের মধ্যে পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। গত জানুয়ারিতে বিলটিতে অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা। বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কনভেনশনের আলোকে নতুন আইন না হওয়ায় কোনো দুর্ঘটনার জন্য বর্তমানে প্রচলিত আইনে প্রাপ্ত ক্ষতিপূরণের পরিমাণ খুবই কম এবং তা আদায়ের পদ্ধতি অস্পষ্ট, সময়সাপেক্ষ ও জটিল। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য আকাশে চলাচলকারী যাত্রীর অধিকার সুরক্ষা ও মালামাল পরিবহন সুনিশ্চিতকরণ, যাত্রীর মৃত্যুর কারণে পরিবারকে প্রদেয় ক্ষতিপূরণ প্রায় ছয় গুণ বৃদ্ধি এবং আদায় পদ্ধতি সহজ করতে আইনটি প্রয়োজন।

জাতীয় পাতার আরো খবর