মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে ঢাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশ
১৬নভেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীতে মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাসহ কঠোর অবস্থানে যাওয়ার জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। সোমবার (১৬ নভেম্বর) মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব একথা জানান। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হসিনার সভাপতিত্বে ভার্চ্যুয়াল মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী এবং সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রিসভার সদস্যরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই বৈঠকে অংশ নেন। এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, কোভিড (করোনা ভাইরাস) নিয়ে বলা হয়েছে আরেকটু স্ট্রিক্ট ভিউতে যেতে হবে। সংক্রমণ একটু বেড়েও যাচ্ছে মনে হচ্ছে। সেজন্য আরেকটু সতর্কতা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। শীতে করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় মাস্ক ব্যবহারে কঠোর হওয়ার নির্দেশনা দিয়ে আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরইমধ্যে খুলনাসহ কয়েকটি জেলায় মাস্ক ব্যবহারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে জেল-জরিমানা করা হচ্ছে। ঢাকায় করোনার বিষয়ে কোনো সেফটি মেজার্স দেখা যাচ্ছে না- এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, অলরেডি আমরা গতকাল (রোববার, ১৪ নভেম্বর) বলে দিয়েছি যাতে ঢাকাতেও বিভিন্ন জায়গায় মোবাইল কোর্ট বা ল-এনফোর্সিং এজেন্সি আরেকটু স্ট্রং হয়। কবে থেকে এটা দৃশ্যমান হবে- প্রশ্নে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আশা করি আগামী দুই থেকে তিনদিনের মধ্যে দেখা যাবে। প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন সময় মাস্ক ব্যবহারে কঠোর হওয়ার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।
করোনা-পরবর্তী বিশ্বের জন্য নতুন ধরনের ব্যাংক প্রয়োজন: ড. ইউনূস
১৬নভেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা পরবর্তী সমাজব্যবস্থায় শ্রমিকদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে নতুন ধরনের ব্যাংক গঠন করা প্রয়োজন বলে মনে করেন শান্তিতে নোবেলজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। খবর- ডিডব্লিউ। তার মতে, এই মহামারির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত লাখো-কোটি শ্রমিককে সহায়তার জন্য এমন ব্যাংক তৈরি করা দরকার। করোনা পরবর্তী বিশ্বের জন্য অত্যন্ত সাহসী ও দৃঢ় চিন্তাভাবনা এবং পরিকল্পনার প্রয়োজন বলে মনে করেন ড. ইউনূস। থমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশনের বার্ষিক আয়োজন- ট্রাস্ট কনফারেন্সে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি। এই অর্থনীতিবিদ বলেছেন, এই সঙ্কট আমাদের জন্য সুন্দর, সবুজ ভবিষ্যতের পথ তৈরি করেছে। করোনা পরবর্তী সমাজে তিনটি ক্ষেত্রে প্রাধান্য দেয়া প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন তিনি: এক. জলবায়ু পরিবর্তন রোধ করা। দুই. সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টন এবং তিন. যেহেতু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে অনেক মানুষ চাকরি হারাচ্ছে তাই বিষয়টিকে মাথায় রেখে গণ-বেকারত্ব প্রতিরোধ করা। ইউনূস বলেন, করোনা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছে বিশ্ব অর্থনীতি ও সামাজিক অবস্থার দুর্বলতা। তবে সবচেয়ে সঙ্কটের মুহূর্তে সবচেয়ে সুন্দর ভাবনাগুলো বেরিয়ে আসে বলে মনে করেন তিনি। নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবীদ বলেন, আমাদের উচিত পুরনো চিন্তাগুলোকে দূরে ঠেলে সাহসের সঙ্গে নতুন ভাবনাগুলো নিয়ে কাজ করা, যেগুলো আগে কখনো করা হয়নি। অনলাইন এই সম্মেলনে ড. ইউনূস করোনা পরবর্তী সমাজ গঠনের ক্ষেত্রে সামাজিক ও পরিবেশগত সমস্যাগুলো সমাধানের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, মানুষ অর্থ বানানোর রোবট নয়, মানুষকে বাণিজ্যখাতে চালিকাশক্তি হিসেবে কাজে লাগাতে হবে, কেবল লাভের কথা ভাবলে হবে না। বাংলাদেশে ৭০ ভাগ শ্রমিকের কোনো সঞ্চয় নেই, করোনার কারণে এই শ্রমিকরা ভয়াবহ অবস্থার মধ্যে আছে। ধনী দেশগুলোর করোনা ভ্যাকসিন উৎপাদন ও বিক্রির সমালোচনা করে মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, বিশ্বের একজন ব্যক্তি যদি অরক্ষিত থাকে, তাহলে সবার সুরক্ষিত থাকা সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, সময় এসেছে বিকেন্দ্রীকরণের। আধুনিক প্রযুক্তির এই যুগে কেনো গ্রামগুলোতে কল সেন্টার স্থাপন করা সম্ভব নয়? অর্থাৎ শহরমুখী অর্থনৈতিক চালিকাশক্তিকে বিকেন্দ্রীকরণের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। করোনার আগের বিশ্বকে বৈশ্বিক উষ্ণতা, ধনী-গরীব বৈষ্যমের বিশ্ব বলে অভিহিত করে তিনি বলেন, সেই সময়ে ফিরে যাওয়ার কোনো দরকার নেই। কেননা সেটা এমন একটা ট্রেন যা আমাদের মৃত্যুর দিকে নিয়ে যাচ্ছিলো। তাই তিনি ওয়ার্ল্ড অফ থ্রি জিরোস অর্থাৎ- কার্বন নির্গমনের হার শূন্যে নিয়ে আসা, সম্পদের বৈষম্য শূন্যে নামিয়ে আনা এবং বেকারত্বের সংখ্যা শূন্যে নামিয়ে আনার ওপর জোর দিয়েছেন। বিষয়গুলোকে বাস্তবায়নের এখনই সময় বলে মনে করেন তিনি।
দ্বিতীয় বর্ষে স্বেচ্ছাসেবক লীগের নতুন নেতৃত্ব
১৬নভেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ এবং সাধারণ সম্পাদক একেএম আফজালুর রহমান বাবুর নেতৃত্বে এক বছর পূর্ণ করেছে আওয়ামী লীগের অন্যতম সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ। ২০১৯ সালের ১৬ নভেম্বর সংগঠনটির তৃতীয় কেন্দ্রীয় সম্মেলনে কাউন্সিল শেষে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। গত একবছরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ঘোষিত নির্দেশ অনুসারে সারা দেশে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধের কার্যক্রমকে শীর্ষে রাখতে চায় সংগঠনের নীতিনির্ধারক মহল। করোনা মহামারীর শুরুতে দেশব্যাপি লিফলেট, হ্যান্ডস্যানিটাইজার, মাস্ক বিতরণের পাশাপাশি জনসচেতনতা মূলক প্রচারণা চালানো হয়। এছাড়া, অ্যাম্বুলেন্স সেবা, টেলিহেলথ সার্ভিস, কল সেন্টার স্থাপন করে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের মাধ্যমে বিনামূল্যে পরামর্শের ব্যবস্থা করা হয়। কুমিল্লা, সাতক্ষীরাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃতদের গোসল, জানাজা, লাশ দাফন, সৎকারে কাজ করেছে সংগঠনের নেতাকর্মীরা। করোনাকালীন সময়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগ সেবার এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে বলে জানিয়েছেন সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ। তিনি বলেন, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সু-শৃঙ্খল, সু-সংগঠিত এবং শক্তিশালী একটি সংগঠন হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিটি নির্দেশনা মেনে মানবিক কাজ বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের পক্ষ থেকে দেশব্যাপী ৫ লাখ বৃক্ষরোপন করা হয়। ঢাকা জেলার বিভিন্ন এলাকা, জামালপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যার্তদের মাঝে খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়। এছাড়া, কেন্দ্রীয় সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ এবং সাধারণ সম্পাদক একেএম আফজালুর রহমান বাবুর সরাসরি তত্বাবধানে ধান কাটা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। একই সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক লীগের অসুস্থ নেতাকর্মীদের পাশে থেকে তাদের চিকিৎস সহায়তায় কাজ করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসাবে কুড়িগ্রাম, বাগেরহাট এবং রাজবাড়িতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে অনুদান সংগ্রহ করে তা প্রদান করা হয়। এছাড়া, নানা আয়োজনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উদযাপন করে স্বেচ্ছাসেবক লীগ। একই সঙ্গে দ্রুততম সময়ে ঘোষণা করা হয় কেন্দ্রীয় পূর্ণাঙ্গ কমিটি। সাফল্য-ব্যর্থতার হিসাব-নিকাশ করলে গত এক বছরে সংগঠনের পাল্লা সফলতায় ভারী বলেই দাবি নেতাদের। তবে ব্যর্থতার পাল্লা কম হলেও গুরুত্বহীন নয় বলে জানান তারা। সংগঠনের ব্যর্থতা মূল্যায়নের জন্য একবছর যথেষ্ট সময় নয় বলে মনে করেন সাধারণ সম্পাদক একেএম আফজালুর রহমান বাবু। তিনি বলেন, মহামারী করোনার কারণে কমিটিগুলো পূর্ণাঙ্গ করতে কিছুটা সময় লেগেছে। তবে, দ্রতই বিভিন্ন ইউনিটের পূর্ণাঙ্গ কমিটি করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আবারো বাসে আগুন কার স্বার্থে : প্রধানমন্ত্রী
১৬নভেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিএনপি-জামায়াতের অতীতের অগ্নি সন্ত্রাসের রাজনীতির দিকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন সম্প্রতি কয়েকটি বাসে অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটানো হয়েছে। কেউ কোনভাবেই যেন ধ্বংসাত্মক রাজনীতির পথে দেশকে নিতে না পারে সেজন্য দেশবাসীকে সতর্ক করেছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা যখন চলছে তখন আসলো ঘুর্ণিঝড়, তারপর আসলো বন্যা। এর মধ্যে কোন কথা নাই বার্তা নাই কয়েকটি বাসে আগুন দিয়ে অগ্নি সন্ত্রাস। কেন কি স্বার্থে, কার জন্য? তিনি বলেন, নির্বাচন হয়, নির্বাচনে অংশগ্রহণের নামে অংশগ্রহণ করে, টাকা পয়সা যা পায় পকেটে রেখে দেয়, নির্বাচনের দিন নির্বাচনও করে না, এজেন্টও দেয় না, কিছুই করে না। মাঝপথে ইলেকশন বয়কট নাম দিয়ে বাসে আগুন দিয়ে এভাবে একটা পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে চায়। প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা আজ জাতীয় সংসদে মুজিববর্ষে জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির ১৪৭ এর (১) বিধির আওতায় তাঁর নিজের আনিত প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় একথা বলেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ জাতীয় সংসদের রাষ্ট্রপতি বক্স থেকে এ সময় অধিবেশন প্রত্যক্ষ করছিলেন। এর আগে ৯ নভেম্বর মুজিববর্ষ উপলক্ষে বিশেষ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি স্মারক ভাষণ দেন। ওই দিনই প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা জাতির পিতাকে সম্মান জানাতে ১৪৭ এর (১) বিধিতে এই সাধারণ আলোচনার প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এই প্রস্তাবের উপর সংসদের গত ৫ কার্যদিবস সংসদ সদস্যরা ধারাবাহিকভাবে আলোচনার পর এ দিন প্রস্তাবটি সর্ব সম্মতিতে গৃহীত হয়। বাস পোড়ানোর ঘটনা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, এটার উদ্দেশ্যটা কি? আজকে বাংলাদেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, একদিকে করোনা সামলাচ্ছি অন্যদিকে অর্থনীতির গতিটা যাতে সচল থাকে তার ব্যবস্থা নিয়েছি। আবার বিশেষ প্রণোদনাও দিয়েছি। আমাদের বাজেটের প্রায় ৪ শতাংশ এই প্রণোদনা। শেখ হাসিনা বলেন, টাকা-পয়সা যেখানে যা দরকার তা দিয়ে মানুষের জীবন যাত্রা যাতে সচল থাকে আমরা সেই ব্যবস্থা নিয়েছি। ইতোমধ্যে আগাম টাকা-পয়সা দিয়ে সরকার করোনাভাইরাসের ভ্যকাসিন কেনার উদ্যোগও নিয়েছে। পুলিশ জানায়, গত ১২ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) দুপুর থেকে রাত সাড়ে ৮টার মধ্যে নগরীর বিভিন্ন স্থানে ১১টি বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ৮টি থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। যার অধিকাংশের অভিযুক্তই বিএনপির নেতা-কর্মীরা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা অনেক কাজ করেছি, অনেক দূর এগিয়ে দারিদ্র্যের হার কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে উন্নীত হয়েছে। আগে যেখানে বাংলাদেশ ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে চলতো এখন আর চলে না। তিনি বলেন, ৯০ শতাংশ বাজেট নিজেদের অর্থেই আমরা বাস্তবায়ন করছি এবং পদ্মা সেতু নিজেদের অর্থে করার যে চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলাম সেটাও আমরা করে যাচ্ছি। তাঁর সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রচেষ্টা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা আধুনিক বিজ্ঞান মনস্ক এবং প্রযুক্তি জ্ঞান সম্পন্ন জাতি গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছি। স্বাক্ষরতার হার বৃদ্ধি এবং চিকিৎসা সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ায় সরকারের উদ্যোগ প্রসংগে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা যেভাবে চেয়েছিলেন সেভাবে করতে না পারলেও কমিউনিটি ক্লিনিক করে মানুষের দোরগোড়ায় ৩০ প্রকার ওষুধ বিনামূল্যে পৌঁছে দিচ্ছি। তবে, করোনাভাইরাস নামের উৎপাতের কারণে আমাদের অগ্রযাত্রা কিছুটা হলেও ব্যহত হলো। যদিও সেটাও আমরা মোকাবেলা করে চলেছি। দেশের জনগণের জন্য যা যা প্রয়োজন তাঁর সব সুষ্ঠুভাবে করে গেলেও সন্ত্রাসের কারণ কি? সে প্রশ্ন উত্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমরা চিকিৎসার ব্যবস্থা করছি। আজকে ভ্যাকসিন আবিষ্কার হচ্ছে। আমরা এডভান্স টাকা-পয়সা দিয়ে ভ্যাকসিন কেনার ব্যবস্থা করে রেখেছি। যাতে ভ্যাকসিন যখনই চালু হোক সাথে সাথে যাতে নিতে পারি, আমাদের মানুষকে দিতে পারি সে ব্যবস্থাটাও আমরা করে দিয়েছি। যখন যা প্রয়োজন তা আমরা করে যাচ্ছি। তাহলে অভিযোগটা কোথায়? সেটাই তো বড় প্রশ্ন। শেখ হাসিনা এ সময় তাঁকে এবং আওয়ামী লীগকে দেশ সেবার সুযোগ দেওয়ায় দেশবাসীর প্রতি পুণরায় তাঁর কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই এজন্য যে, তারা ভোট দিয়ে আমাদের ক্ষমতায় বসিয়েছে বলেই আমরা দেশসেবার সুযোগ পেয়েছি, সরকার গঠনের সুযোগ পেয়েছি। বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব জানতেন এদেশের মানুষের ভাগ্যটা কীভাবে পরিবর্তন হবে, সেটার বিষয়ে তিনি যথেষ্ট সচেতন ছিলেন। আমরাও যখনই ক্ষমতায় এসেছি, সেই চেষ্টাটাই করেছি। এদেশের মানুষের ভাগ্য কীভাবে পরিবর্তন করা যায় তার চেষ্টা করেছি। আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নপূরণে কাজ করে যাচ্ছি। বঙ্গবন্ধু নির্বাচনের পদ্ধতিতে পরিবর্তন চেয়েছিলেন, উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী ভাষণে তাঁর (বঙ্গবন্ধুর) বাকশাল তথা দ্বিতীয় বিপ্লবের কর্মসূচি সম্পর্কে বিষদ ব্যাখ্যা তুলে ধরেন। শেখ হাসিনা বলেন, পঁচাত্তরের পরে যারা ক্ষমতায় এসেছে তারা প্রহসন করে করে নির্বাচনের সিস্টেমটাই নষ্ট করে দিয়েছে। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি, একটা সিস্টেমে নিয়ে আসতে, কিন্তু এটা তো হয়ে গেছে। এটাই আমাদের লক্ষ্য। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সে চেষ্টাটাই করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে আমি বলব, গণতন্ত্রকে সুসংহত করা, শোষিতের গণতন্ত্র কায়েম করা, ক্ষমতা বিকেন্দ্রিকরণ করে তৃণমূল পর্যায়ে যে ভাগ্য পরিবর্তন হয় সেটা ছিল বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন। আমরা সেই চেষ্টাই করে যাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শেষে সংসদে ১৯৭২ সালে ৪ নভেম্বর গণপরিষদে দেয়া জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণের রেকর্ড বাজানো হয়। এর আগে আজ আলোচনায় অংশ নেন, স্পিকার ড.শিরীন শারমিন চৌধুরী, বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ, কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক, বিরোধীদলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের, চিফ হুইপ নূর-ই- আলম চৌধুরী, সরকারি দলের সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, ইমাজ উদ্দিন প্রামানিক, অধ্যাপক আলী আশরাফ, বেগম ওয়াসিকা আয়েশা খান এবং জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ। সূত্র : বাসস
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-সচিব আইইডিসিআরে পজিটিভ, পুলিশ হাসপাতালে নেগেটিভ
১৫নভেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন আইইডিসিআরে কোভিড-১৯ (করোনাভাইরাস) পজিটিভ হলেও পুলিশ লাইন্স হাসপাতালে পরীক্ষার ফলাফলে তাদের রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। রোববার (১৫ নভেম্বর) রাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফ মাহমুদ অপু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর একটি কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য মন্ত্রী মহোদয় ও সচিব স্যার গতকাল (শনিবার) করোনা পরীক্ষা করতে আইইডিসিআরে (রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান) নমুনা দেন। পরীক্ষায় দুজনেরই ফলাফল কোভিড-১৯ পজিটিভ আসে। তিনি আরও বলেন, আরও নিশ্চিত হতে আজ (রোববার) রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স হাসপাতালে দুজনেই আবার নমুনা দেন। সন্ধ্যায় পরীক্ষার ফলাফল পাওয়া যায়, তাতে দুজনই নেগেটিভ হন। এখন তৃতীয় কোন স্থানে পরীক্ষা করা হবে কিনা সেটা মন্ত্রী মহোদয়ের সঙ্গে কথা বললে জানতে পারব। জনসংযোগ কর্মকর্তা বলেন, দুজনেই সুস্থ আছেন। শারীরিক কোন জটিলতা নেই। অতিরিক্ত সতর্কতা হিসেবে তারা বাসায় আইসোলেশনে আছেন। স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে এ পর্যন্ত ৬ হাজার ১৯৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। সর্বশেষ গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ২১ জন। স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ১১৬টি ল্যাবে ১৪ হাজার ৬০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ ছাড়া নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ১৪ হাজার তিনটি। এ পর্যন্ত দেশে মোট ২৫ লাখ ৪১ হাজার ১৯৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ সময় নতুন রোগী শনাক্ত হয় এক হাজার ৮৩৭ জন। এ নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৪ লাখ ৩২ হাজার ৩৩৩ জন।
মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে দেব না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
১৫নভেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, বাংলাদেশ অনুমোদনবিহীন কোনো হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার বা ক্লিনিক কাজ করতে পারবে না। আমরা অফিশিয়ালি সিভিল সার্জনদের নির্দেশ দিয়েছি। যেসব প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স নেই, সেগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে। তবুও মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে দেব না। রোববার (১৫ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ১০০ ভেন্টিলেটর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, তারা সব জেলার সমস্ত হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ক্লিনিক পরিদর্শন করবেন। লাইসেন্সবিহীন প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে। যাদের লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়েছে, তাদেরকে সময় বেধে দেওয়া হবে। যাদের যন্ত্রপাতি নেই বা যন্ত্রপাতির কমতি আছে, তাদেরও সময় দেওয়া হবে। বেধে দেওয়া সময়ের মধ্যে সব ঠিক না হলে, বন্ধ করে দেব। বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতি তুলনামূলক ভালো দাবি করে তিনি বলেন, মৃত্যু হার অনেক কম। তবে সংক্রমণের হার কমেনি। মাঝে মধ্যে সংক্রমণের হার বাড়ছে। সুস্থতার হার বেড়েছে। সংক্রমণ কমানোর জন্য আমরা বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছি। ব মন্ত্রণালয়ের চিঠি দেওয়া হয়েছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানের সেবা পেতে হলে মাস্ক পরে আসতে হবে। নো মাস্ক, নো সার্ভিস। এটি সারাদেশে ছড়িয়ে দিচ্ছি। সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলছি। এটা অনেকে মানছেন না। আবার অনেকে মানছেন। তবে রাতারাতি এটি সব জায়গায় হয়ে যাবে, এমনটা মনে করি না। আস্তে আস্তে এটি হয়ে যাচ্ছে। সব সময় খেয়াল রাখতে হবে, কেউ যেন মাস্কের প্রতি উদাসীন না হন। তিনি আরও বলেন, আমাদের একার পক্ষে করোনার সেকেন্ড ওয়েভ মোকাবিলা করা সম্ভব না। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সংক্রমণ রোধ করতে পারবে না। সে সেবা দিতে পারবে। চিকিৎসা দিতে পারবে। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সবার অংশগ্রহণ প্রয়োজন। জনগণই পারে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে। জনগণ উদাসীন থাকলে সংক্রমণ বাড়বে। দেশে ৪০০ ভেন্টিলেটর আছে। আমরা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ভেন্টিলেটর পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করছি। যুক্তরাষ্ট্রের ভেন্টিলেটরগুলো আকারে ছোট হওয়ায় পরিবহন সহজ হবে। এটি উপজেলা লেভেলে পৌঁছে দিতে সমস্যা হবে না। ভেন্টিলেটরগুলো রক্ষণাবেক্ষণে কোনো সমস্যায় পড়বেন না আমাদের স্বাস্থ্যকর্মীরা, উল্লেখ করেন মন্ত্রী। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মহিবুর রহমানের সভাপতিত্বে ১০০ ভেন্টিলেটর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল আর মিলার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জামিল আহমেদ অনেকে। যুক্তরাষ্ট্রের সরকার করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) মোকাবিলা করার জন্য বাংলাদেশকে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ১০০ ভেন্টিলেটর দিয়েছে। রোববার (১৫ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ১০০ ভেন্টিলেটর হস্তান্তর করা হয়।
প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল করোনায় আক্রান্ত
১৫নভেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গাজীপুর-২ আসনের এমপি যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। জাতীয় সংসদের চলমান বিশেষ অধিবেশন উপলক্ষে নমুনা পরীক্ষার পর আজ রোববার (১৫ নভেম্বর) তার শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। গতকাল শনিবার সংসদের পক্ষ থেকে তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। সংসদ মেডিকেল সেন্টারের ডা. মো. জাহিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গতকাল যাদের নমুনা নেয়া হয়েছে তাদের মধ্যে শুধু একজন এমপি করোনা পজেটিভ। তবে সংসদের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। আজ মুঠোফোনে (এসএমএস) বার্তা পাঠিয়ে তাদেরকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে সংসদের প্রথম বিশেষ অধিবেশন শুরু হয় ৮ নভেম্বর। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত এই অধিবেশনে এখন বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আলোচনা চলছে। আজ রোববার এই আলোচনা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। এই অধিবেশন উপলক্ষে নমুনা নেয়ার পর অত্যন্ত ১৬ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কে উন্নতি হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
১৫নভেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন বলেছেন, প্রত্যেক দেশের সরকারই তাদের স্বার্থ দেখে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সরকারও সেটি করবে। তাদের নিজেদের গরজে এবং ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্বের কারণে বাংলাদেশের সঙ্গে আমেরিকার নতুন সরকারের বাণিজ্যিক সম্পর্কের উন্নতি হবে। শনিবার (১৪ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শহীদ শামসুজ্জোহার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন অত্যন্ত পরিপক্ব রাজনীতিবিদ উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তার সঙ্গে এর আগেও আমরা কাজ করেছি। তিনি আমেরিকার দায়িত্ব গ্রহণ করলে তার সঙ্গে আমাদের অনেক কাজ করার সুযোগ তৈরি হবে বলেই আমরা মনে করছি। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সরকার মানবাধিকার ও জলবায়ু নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী। যুক্তরাষ্ট্র সব সময় মানবাধিকারকে অনেক বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকে। এছাড়াও বাইডেন সরকার ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন, তারা জলবায়ু নিয়ে কাজ করবেন। আমরা আশা করছি, বাইডেন দায়িত্ব নেয়ার পর বিশ্বে কোন ধরনের যুদ্ধ বা ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম হবে না। ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সব ধরনের কার্যক্রমে বাইডেন সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করবে। মিয়ানমার প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন বলেন, বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে মিয়ানমারের নতুন সরকার নিয়ে আমরা আশাবাদী। সু চির নেতৃত্বাধীন মিয়ানমারের নতুন সরকার রোহিঙ্গা নিয়ে বদনাম ঘোচাতে তাদের লোক বাংলাদেশ থেকে ফেরত নেবে। একই সঙ্গে পৃথিবীর অন্যান্য দেশ এ ব্যাপারে সহযোগিতা করবে।সুচি আবার দায়িত্ব নেওয়ায় তার সঙ্গে আমরা আবার আলোচনা করতে পারবো। আমরা আশা করছি, বিশ্বের অনেক দেশ রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন বিষয়ে আমাদের সহায়তা করবে। এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তার সফরসঙ্গী ছাড়াও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম আব্দুস সোবহান, উপ-উপাচার্য চৌধুরী মোহাম্মদ জাকারিয়া, প্রক্টর অধ্যাপক লুৎফর রহমানসহ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। রোববার (১৫ নভেম্বর) সকাল ৯টায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাজশাহী মহানগরীর কাদিরগঞ্জে জাতীয় নেতা শহীদ এ এইচ এম কামারুজ্জামানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। এরপর তিনি বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর পরিদর্শন করবেন। বেলা ১১টায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাজশাহী কলেজ পরিদর্শন করবেন এবং শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। এদিনই বিকেলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকার উদ্দেশে তিনি রওয়ানা দেবেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর