ওসি-ডিসিরা অভিযোগ না শুনলে আমার দুয়ার খোলা: ডিএমপি কমিশনার
০১ নভেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) যদি অভিযোগ না শুনতে চান, সেক্ষেত্রে সরাসরি নিজ দপ্তরে জানানোর পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। গতকাল রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে কমিউনিটি পুলিশিং ডে-২০২০ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে কমিউনিটি পুলিশের কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন করায় জন্য বেশ কয়েকজনকে পুরস্কৃত করেন ডিএমপি কমিশনার। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। ডিএমপি কমিশনার বলেন, পুলিশের কিছু দোষ-ত্রুটি থাকলেও সর্বত্রই নিরলসভাবে পুলিশ সদস্যরা কাজ করে যাচ্ছেন। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা থেকে করোনা মহামারীতে মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে সেবা দিয়েছে। একই সঙ্গে মানুষের অভাব-অভিযোগ শুনে করণীয় সব ধরনের ব্যবস্থা পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রহণ করা হয়েছে। যদি আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করি, তবে অবশ্যই একটি শান্তিপূর্ণ সমাজ বিনির্মাণ করতে পারব। যেখানে মাদক থাকবে না। সন্তান ঘর থেকে বের হলে ভয়ে বুক কাঁপবে না, যে সন্তান আবার ঘরে ফিরে আসবে কিনা? আমরা চাই, পুলিশের খারাপ কাজে প্রতিবাদী কণ্ঠটা আপনারই হোক। আপনিই ওই এলাকার কমিনিউটি পুলিশের সদস্য হিসেবে কাজ করবেন। মানুষের জন্য কাজ করবেন। ডিএমপি প্রধান বলেন, ঢাকা শহরে ৩৫-৩৬ হাজার পুলিশ সদস্য দিয়ে আপনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। কিন্তু এ নিরাপত্তা যথেষ্ট বলে আমরাও মনে করি না। সুদৃঢ় নিরাপত্তার জন্য দরকার পুলিশের সঙ্গে জনগণের সম্পৃক্ততা। এ কারণেই পাঁচ বছর ধরে কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থা চালু রয়েছে। সেখানে এলাকার জনপ্রতিনিধি, সাধারণ জনগণ পুলিশের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছে। গতকাল দেশব্যাপী উৎসাহ, উদ্দীপনা ও আনন্দমুখর পরিবেশে কমিউনিটি পুলিশিং ডে ২০২০ উদযাপন করেছে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য মুজিব বর্ষের মূলমন্ত্র, কমিউনিটি পুলিশিং সর্বত্র।
৩৫তম স্প্যানে দৃশ্যমান হলো পদ্মা সেতুর সোয়া ৫ হাজার মিটার
০১ নভেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ৩৫তম স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হলো পদ্মা সেতুর পাঁচ হাজার ২৫০ মিটার। শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে মাওয়া প্রান্তের ৮ ও ৯ নম্বর পিলারের ওপর টু-বি স্প্যানটি বসানো হয়। এর আগে সকাল সোয়া ৯টার দিকে মাওয়া কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের স্প্যানটিকে বহন করে পিলারের কাছে নিয়ে আসে তিন হাজার ৬০০ টন ধারণক্ষমতার ভাসমান ক্রেন তিয়ান-ই। পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান মোহাম্মদ আব্দুল কাদের বলেন, শুক্রবার স্প্যানটি বসানোর কথা ছিল। নাব্যতা সঙ্কটের কারণে শিডিউল পরিবর্তন হয়। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সারাদিন ড্রেজিং করে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনা হয় ভাসমান ক্রেন তিয়ান-ই নোঙরের জন্য। এরপর শনিবার সকালে ক্রেন দিয়ে স্প্যানটি নেয়া হয় নির্দিষ্ট পিলারের কাছে। দুপুর ২টা ৪০ মিনিটে স্প্যানটি স্থাপন করা হয় ৮ ও ৯ নম্বর পিলারের ওপর। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদীশাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন। ছয় দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ বহুমুখী সেতুর মূল আকৃতি হবে দোতলা। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো। পদ্মা সেতুতে ৪২টি পিলারের ওপর বসানো হবে ৪১টি স্প্যান। এ পর্যন্ত ৩৫তম স্প্যান বসানো হলো।
প্রবাসী আয়ে বাংলাদেশ বিশ্বে অষ্টম: বিশ্বব্যাংক
৩১অক্টোবর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ এ বছর আট শতাংশ বেশি রেমিট্যান্স পাবে। রেমিট্যান্স প্রবাহের সার্বিক হিসাব দাঁড়াবে ২০ বিলিয়ন ডলারে। আর এই পরিমাণ রেমিট্যান্স যদি আসে, তাহলে বিশ্বব্যাপী বেশি রেমিট্যান্স আসা দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান হবে অষ্টম। বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২০ সালে পৃথিবীতে অষ্টম অবস্থানে থাকবে ঢাকা। কভিড-১৯ ক্রাইসিস থ্র এ মাইগ্রেশন লেন্স শিরোনামের এই প্রতিবেদনটি ২৯ অক্টোবর প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, মহামারীর ধাক্কা সামলে দক্ষিণ এশিয়ার দুটি দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ উন্নতির দিকে রয়েছে। গত বছরের হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী বেশি রেমিট্যান্স আসা দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল নবম। বিশ্বব্যাংকের মতে, এ বছর আট শতাংশ বেশি রেমিট্যান্স পাবে। রেমিট্যান্স প্রবাহের সার্বিক হিসাব দাঁড়াবে ২০ বিলিয়ন ডলারে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভ্রমণের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করায় রেমিট্যান্স প্রবাহের বিষয়টি অফিসিয়াল এবং আনঅফিসিয়াল চ্যানেল থেকে বাছাই করা হবে। বাংলাদেশের পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে পাকিস্তানের রেমিট্যান্স বেড়েছে। ৯ শতাংশ বেড়ে দেশটি ষষ্ঠ অবস্থানে থাকবে। সার্বিক রেমিট্যান্স প্রবাহের দিক থেকে তালিকায় শীর্ষে থাকবে ভারত, যদিও গত বছরের তুলনায় তাদের প্রবাহ কমেছে ৯ শতাংশ। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় দক্ষিণ এশিয়া ৪ শতাংশ রেমিট্যান্স হারাবে। গোটা পৃথিবীতে কমবে ১৪ শতাংশ।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের প্রশংসায় উপমহাদেশে তোলপাড়: তথ্যমন্ত্রী
৩১অক্টোবর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রশংসায় ভারত-পাকিস্তানসহ উপমহাদেশজুড়ে তোলপাড় হলেও দলকানা বিএনপির মুখে শুধু সমালোচনাই। একথা বলেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। আজ শনিবার দুপুরে ঢাকায় মিন্টু রোডের সরকারি বাসভবনে দেশের চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক সমিতির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার, প্রযোজক সমিতির সভাপতি খোরশেদ আলম খসরু, পরিচালক সমিতির মহাসচিব বদিউল আলম খোকন এবং প্রযোজক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম প্রমুখ এসময় উপস্থিত ছিলেন। আন্তর্জাতিক মুদ্র তহবিলের (আইএমএফ) সাম্প্রতিক প্রতিবেদন নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান বলেন, আইএমএফের প্রতিবেদন অনুযায়ী এবছরের শেষান্তে আমাদের মাথাপিছু আয় ভারতকেও ছাড়িয়ে যাবে। অর্থনৈতিক, মানবিকসহ সমস্ত সূচকে আমরা পাকিস্তানকে বহু আগেই এবং অনেক সূচকে ভারতকেও ছাড়িয়ে গেছি। বিশেষ করে এখন অর্থনৈতিক সূচক যেমন পার ক্যাপিটা জিডিপির ক্ষেত্রেও আমরা ভারতকে ছাড়িয়ে যাচ্ছি।
অসহায় ও দুস্থদের পাশে দাঁড়াতে বিত্তশালীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
৩১অক্টোবর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিত্তশালীদের নিজ নিজ এলাকার অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শনিবার মুজিববর্ষে গৃহহীন মানুষকে সরকারের সচিবগণের গৃহ উপহার কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুহন। প্রসঙ্গত, সরকারের ৮০ জন সনিয়র সচিব/সচিব নিজ নিজ এলাকায় নিজস্ব অর্থায়নে ১৬০টি গৃহের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেছেন। আজ ১৬০টি পরিবারের ঘরের চাবি হস্তান্তর করা হয়। প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন ও পরিকল্পনা গ্রহণের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, যদিও করোনাভাইরাসের কারণে হয়ত অনেক কাজ থমকে গেছে। তারপরও আপনারা দেখেছেন, আমরা কিন্তু বসে নেই। এই করোনাভাইরাসের মধ্যেও আমরা একেবারে গ্রাম পর্যায়ের মানুষের কাছে আর্থিক সহায়তা পৌঁছায় আমরা সেই চেষ্টাও করে যাচ্ছি। আমি মনে করি যারা আমাদের বিত্তশালী তারা যদি একটু যার নিজ নিজ এলাকায় প্রত্যেকেই যদি অন্তত কিছু দুস্থ পরিবারের দিকে ফিরে তাকায়, কাউকে একটা ঘর করে দিল, তাদের কিছু কাজের ব্যবস্থা করে দিল, তাদের একটু সহযোগিতা করল। শুধু নিজে ভাল থাকবো। নিজে সুন্দও থাকব। নিজে আরাম আয়েশে থাকবো- আর আমার দেশের মানুষ, আমার এলাকার মানুষ তারা কষ্টে থাকবে, এটা তো মানবতা না, এটা তো হয় না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাশাপাশি যারা যে স্কুলে পড়াশোনা করেছেন, আমি সকলকেই বলবো, চাকরিজীবী বলেন, ব্যবসায়ী বলেন বা যে যেখানেই আছেন, প্রত্যেকের কাছে অনুরোধ থাকবে, আপনারা যার যার নিজ নিজ স্কুলে পড়াশোনা করেছেন, সেই স্কুলগুলোর উন্নয়নের জন্য একটু কাজ করেন বা আপনি যে গ্রামে জন্মগ্রহণ করেছেন, সেই গ্রামে যে কয়টা মানুষকে পারেন, সহযোগিতা করেন। সবাই মিলে সম্মিলিত কাজ করলে পরে এদেশের দারিদ্র্য থাকবে না। কারণ বাংলাদেশের মানুষ অনেক সাহসী। জাতির পিতা তো এই মানুষগুলোকে নিয়েই যুদ্ধ করে বিজয় অর্জন করেছেন, সেই পাকিস্তানি সেনাবাহিনী সারাবিশ্বে সবচেয়ে শক্তিধর সেনাবাহিনী ছিল। তারা খুব গর্ব করত। তাদের আবার কে হারাবে? কিন্তু বাঙালিরা তো হারিয়ে দিয়েছে তাদেরকে। যুদ্ধে আমরা বিজয় অর্জন করেছি। কাজেই আমরা বিজয়ী জাতি। বিজয়ী জাতি হিসাবেই আমরা বিশ্ব দরবারে উঁচু করে চলবো।
গাউছিয়া মাইজ ভান্ডারিয়ার উদ্যোগ ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন
৩০অক্টোবর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আশেকানে গাউছিয়া রহমানীয়া মইনিয়া সহিদীয়া মাইজভান্ডারীয়া এর উদ্যোগে ১২ রবিউল আউয়াল সকালে গুলিস্তান মহানগর নাট্যমঞ্চে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন করা হয়েছে। এ সময় ফ্রান্সে মহানবীকে (সা.) ব্যঙ্গ করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আশেকানে গাউছিয়া রহমানীয়া মইনিয়া সহিদীয়া মাইজভান্ডারীয়া এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক আলহাজ শাহ সুফি সৈয়দ সহিদ উদ্দীন আহমদ মাইজভান্ডারী (মাঃ জিঃ আঃ) এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, সাবেক নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান এম.পি.। মহানবী (সা.) এর তাৎপর্যপূর্ণ জীবনী তুলে ধরে তিনি বলেন, সন্ত্রাস করে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হবে না, ভালোবাসার মাধ্যমে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। এর মাধ্যমে জনমত সৃষ্টি করতে হবে।’ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু হযরত মুহম্মদ (সা.) এর জীবনী ও জন্মদিনের তাৎপর্য তুলে ধরে করোনাভাইরাস যাতে বাংলাদেশসহ বিশ্ব থেকে বিদায় নেয় সেই প্রার্থনা জানান। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাসহ সারাবিশ্বের মুসলিম উম্মাহ তথা মানুষের কল্যাণ কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করেন সংগঠনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক আলহাজ্ব শাহ্সুফি সৈয়দ সহিদ উদ্দীন আহমদ মাইজভান্ডারী (মাঃ জিঃ আঃ)। এর আগে, তিনি নবীর জীবনী সম্পর্কে আলোচনা করেন এবং সর্বদা নবীর দরুদ পাঠ করার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে দেশবরেণ্য রাজনীতিবিদ, বিশিষ্টজন, ওলামায়ে ক্বেরামসহ ভক্ত ও আশেকানরা উপস্থিত ছিলেন
শনিবার বসছে পদ্মাসেতুর ৩৫তম স্প্যান
৩০অক্টোবর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পদ্মাসেতুর ৩৫তম স্প্যান টু-বি বসানো হচ্ছে শনিবার (৩১ অক্টোবর)। স্প্যানটি বসবে মাওয়া প্রান্তের ৮ ও ৯ নম্বর পিলারের ওপর। এর মাধ্যমে দৃশ্যমান হবে সেতুর ৫ হাজার ২৫০ মিটার। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে পদ্মাসেতুর প্রকৌশলী সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। জানা যায়, শুক্রবার স্প্যানটি বসানোর তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে নাব্যতা সংকটের কারণে শিডিউল পরিবর্তন হয়। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সারাদিন ড্রেজিং করে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মুন্সিগঞ্জের মাওয়া কন্সট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে শনিবার সকাল ৯টায় ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের স্প্যানটিকে বহন করে নিয়ে যাবে ৩ হাজার ৬০০ টন ধারণ ক্ষমতার ভাসমান ক্রেন তিয়ান-ই। এখানে নোঙর করার কাজটি খুবই সতর্কতার সঙ্গে করতে হয়। এজন্য পদ্মানদীতে অনুকূল আবহাওয়া থাকা জরুরি। পদ্মাসেতুর মূল সেতুর প্রকৌশলী জানান, সেতুর ৮ ও ৯ নম্বর পিলারের অবস্থান লৌহজং উপজেলার পদ্মানদীতে। মূল নদীতে স্প্যান বসানোর জন্য খুব সতর্কতার সঙ্গে করতে হয়। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মাসেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদীশাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ বহুমুখী সেতুর মূল আকৃতি হবে দোতলা। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো।
ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষ্যে শোভাযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত
৩০অক্টোবর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে রাজধানীতে জশনে জুলুস শোভাযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। একইসাথে এই সমাবেশ থেকে ফ্রান্সে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) কে অবমাননার প্রতিবাদ জানানো হয়। শুক্রবার সকালে রাজধানীর রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন প্রাঙ্গন থেকে জশনে জুলুস শোভাযাত্রা বের হয়ে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রার আয়োজন করে আন্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভান্ডারীয়া। মাইজভান্ডার দরবার শরীফের ইমাম শাহ্সূফী মাওলানা সৈয়দ সাইফুদ্দীন্ আহমদ আল্-হাসানীর নেতৃত্বে শোভাযাত্রা পর পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম। সেই ইসলাম ধর্ম প্রচারে, মানব জাতির কল্যানে আল্লাহ রাসূল (সা.) তার দূতের মতো আমাদের মাঝে প্রেরণ করেন। আমাদের সকলের কাছে রাসূলের জীবন শিক্ষনীয়।তিনি বলেন, মহানবী অন্য ধর্মকে শ্রদ্ধা করতেন এবং তার অনুসারীদেরও অন্য ধর্ম বা ধর্মাবলম্বীদের অবমাননা করতে মানা করেছেন। কেননা কোন ধর্মের অনুসারিরাই তাদের ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের অবমাননা মেনে নিতে পারে না। সভাপতির বক্তব্যে সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী বলেন, পৃথিবী থেকে অন্ধকার অনাচার ব্যভিচারসহ মানবতা বিরোধী অপরাধ দূর করতে আলোর মশাল নিয়ে শুভাগমন করেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)। তিনি পৃথিবীতে মানবিক সমাজ গড়ে তোলার জন্য কাজ করেছেন এবং সকলকে আহবান জানিয়েছেন।পৃথিবীতে তার শুভাগমন মানবজাতির জন্য আল্লাহর বিশেষ নিয়ামত।
মুক্তিযোদ্ধাদের নামের আগে লিখতে হবে- বীর
২৯অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সব ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের নামের আগে- বীর শব্দ ব্যবহারের বিধান করে গেজেট প্রকাশ করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. মতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত গেজেটে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ২০১৮ এর ধারা ২(১১) এ মুক্তিযোদ্ধাদের বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। উক্ত আইনের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে এবং একাদশ জাতীয় সংসদের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ১৩তম বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সব ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের নামে আগে বীর শব্দটি ব্যবহার করতে হবে। এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে।