মুক্তিযোদ্ধাদের নামের আগে লিখতে হবে- বীর
২৯অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সব ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের নামের আগে- বীর শব্দ ব্যবহারের বিধান করে গেজেট প্রকাশ করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. মতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত গেজেটে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ২০১৮ এর ধারা ২(১১) এ মুক্তিযোদ্ধাদের বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। উক্ত আইনের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে এবং একাদশ জাতীয় সংসদের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ১৩তম বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সব ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের নামে আগে বীর শব্দটি ব্যবহার করতে হবে। এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে।
১২ বছরে ৪৫০ কিলোমিটার মহাসড়ক ৪ লেনে উন্নীত: কাদের
২৯অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ১২ বছরে প্রায় ৪৫০ কিলোমিটার মহাসড়ক ৪ লেনে উন্নীত হয়েছে। আরও প্রায় ৪৫০ কিলোমিটার ৪ লেনে উন্নীতকরণের কাজ চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সড়কের অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার ওপর খাতওয়ারি আলোচনা সভায় তিনি একথা জানান। ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ আলোচনা সভায় যুক্ত হন। মন্ত্রী বলেন, সড়কে শৃঙ্খলা পুরোপুরি এখনো আসেনি, এ বিষয়টি পরিকল্পনায় প্রাধিকারে আসা খুবই জরুরি। নিরাপদ সড়ক বাস্তবায়নের সঙ্গে শুধু সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয় জড়িত নয়, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং সংস্থা জড়িত উল্লেখ করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, পরিকল্পনা দলিলে নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতে সব অংশিজনের সমন্বয়ের বিষয়টি আনা যেতে পারে। সড়ক দুর্ঘটনা এখন আমাদের বড় দুর্ভাবনা এবং সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ নিরাপদ সড়কের। ২০৩০ সালের মধ্যে ৬টি মেট্রোরেল রুট নির্মাণের সময়বদ্ধ পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে সরকার জানিয়ে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, একটি রুটের কাজ এগিয়ে চলছে, ২টি রুটের ভৌত কাজ শীঘ্রই শুরু হবে এবং বিআরটি প্রকল্পের কাজও দ্রুত এগিয়ে চলছে। ওবায়দুল কাদের বলেন, মহানগরীতে পরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরাতে বাস রুট রেশনালাইজেশনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং এফিশিয়েন্ট ট্রান্সপোর্ট সিস্টেমের জন্যও সমন্বয় জরুরি। পদ্মাসেতুতে ইতোমধ্যে ৩৪টি স্প্যান বসানো হয়েছে, যা দৃশ্যমান এখন ৫.১ কিলোমিটার। বঙ্গবন্ধু কর্ণফুলী টানেলেরও দুটি টিউবের মধ্যে একটি টিউবের খনন কাজ শেষ হয়েছে। অপরদিকে, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের প্রথম ধাপের কাজ প্রায় ৫৬ ভাগ শেষ হয়েছে বলে জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে আওয়ামী লীগ দেশ, মাটি ও মানুষের পাশে থেকে এদেশের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনা সরকার গণতন্ত্রে বিশ্বাসী বলেই জনগণের আস্থা নিয়ে এগিয়ে চলছে সমৃদ্ধ আগামী নির্মাণে। সরকারের এ অগ্রযাত্রায় বিরোধীদলের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিএনপি তাদের ভুল রাজনীতির খেসারত দিতে গিয়ে নির্বাচন কমিশন ও সরকারের ওপর মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে। ওবায়দুল কাদের বলেন, সরকার বিএনপিকে শক্তিশালী ও দায়িত্বশীল ভূমিকায় দেখতে চায়। তিনি কোন রাজনৈতিক দলকে রাজনীতি বিমূখ করা সরকারের কাজ নয় বলেও উল্লেখ করেন। বিএনপির জনবিরোধী ভূমিকা তাদের আত্মবিশ্বাসে চির ধরিয়েছে জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, নেতৃত্বের প্রতি অনাস্থায় বিএনপির সিনিয়র নেতারাই রাজনীতিতে এখন নিষ্ক্রিয় হয়ে যাচ্ছেন। বিএনপির নেতারাই বলে বেড়াচ্ছেন বিএনপি এখন একটি কোমর ভাঙ্গা রাজনৈতিক দল।
স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করলেন প্রধানমন্ত্রী
২৯অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাধীনতা পুরস্কার- ২০২০ প্রদান করেছেন। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে এ অনুষ্ঠানে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনায় নিয়ে গত ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদনসহ সব কর্মসূচি বাতিল করা হয়। একই সঙ্গে স্বাধীনতা পদক দেওয়ার কর্মসূচিটিও স্থগিত করা হয়েছিল। যা আজ ভূষিতদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে পদক তুলে দেন। পদক প্রদান অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। এ বছর পুরস্কার পেয়েছেন- স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের জন্য বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দাস্তগীর গাজী বীর প্রতীক, প্রয়াত কমান্ডার (অব.) আবদুর রউফ, প্রয়াত মুহম্মদ আনোয়ার পাশা ও আজিজুর রহমান। চিকিৎসাবিদ্যায় অধ্যাপক ডা. মো. উবায়দুল কবীর চৌধুরী ও অধ্যাপক ডা. এ কে এম এ মুক্তাদির। সংস্কৃতিতে কালীপদ দাস ও ফেরদৌসী মজুমদার। এছাড়া, শিক্ষায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের ভারতেশ্বরী হোমস এবার স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছে। অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি), বাংলাদেশ বেতারসহ বিভিন্ন স্যাটেলাইট টেলিভিশন, রেডিও, অনলাইন সরাসরি সম্প্রচার করে।
অচিরেই ভারতে চালু হবে পর্যটক ভিসা: হাইকমিশনার
২৯অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পাদিত এয়ার বাবল চুক্তির আওতায় পর্যটক ছাড়া অন্য সব শ্রেণিতে যাত্রী পরিবহন শুরু হয়েছে। আর খুব শিগগিরই পর্যটকদের জন্য ভারতীয় ভিসা দেওয়া হবে। গতকাল (বুধবার) এয়ার বাবলের আওতায় চেন্নাই ও কলকাতা রুটে ফ্লাইট শুরুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী। জানা গেছে, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস গতকাল বুধবার থেকে ঢাকা-চেন্নাই-ঢাকা, চট্টগ্রাম-চেন্নাই-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-কলকাতা-ঢাকা রুটে বাংলাদেশ ও ভারতের সাথে এয়ার বাবল চুক্তির অধীনে সিডিউল ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করেছে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফ্লাইট দুটির কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিক্রম দোরাইস্বামী। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম মফিদুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ক্যাপ্টেন শিকদার মেজবাহউদ্দিন আহমেদ।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিক্রম দোরাইস্বামী বলেন, এয়ার বাবল বাস্তবায়নের জন্য দুই দেশের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই। এখন পর্যন্ত মাত্র ১৪টি দেশের সঙ্গে ভারত এয়ার বাবল চুক্তি সই করেছে। বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের মধ্যে যে বন্ধুত্ব সেটি দুই দেশের সম্পর্কের ভিত্তি। দুই দেশের জনগণের জন্য এক দেশ থেকে অন্য দেশে চলাচলের সুযোগ করে দেওয়া, এই বন্ধুত্বকে এগিয়ে নেওয়ার বড় উপাদান। তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের মতো মহামারীর সময়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আকাশপথে যাত্রী পরিবহন শুরু হয়েছে। ভারতীয় ভিসা সেবা সর্বোচ্চ পর্যায়ে ফিরিয়ে আনতে হাইকমিশনের পক্ষ থেকে যথাসাধ্য চেষ্টা করা হবে। বাংলাদেশ থেকে যারা ভারত যেতে আগ্রহী তারা যাতে যেতে পারেন সেই চেষ্টা করছি। আমরা শিগগির পর্যটক ভিসা চালু করতে যাচ্ছি। এই মুহূর্তে পর্যটক ছাড়া অন্যান্য সব শ্রেণিতে ভারতীয় ভিসা চালু রয়েছে। পর্যটক ভিসা কবে থেকে চালু হবে জানতে চাইলে বিক্রম দোরাইস্বামী বলেন, এ মুহূর্তে ভিসার যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। আশা করছি পর্যটক ভিসা দ্রুত চালু হবে। উল্লেখ্য, গতকাল থেকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস এয়ার বাবল চুক্তির অধিনে কভিড-১৯ কালীন সময়ে সকল ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে দুদেশের রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস ঢাকা থেকে চেন্নাই ও কলকাতা ও চট্টগ্রাম থেকে চেন্নাই রুটে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করেছে। সোমবার ব্যতিত সপ্তাহের ছয়দিন ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস ঢাকা থেকে সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে কলকাতার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে এবং স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে কলকাতায় অবতরণ করবে। এছাড়া কলকাতা থেকে স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় ছেড়ে আসবে এবং ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে অবতরণ করবে। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস প্রতি সোম, বুধ, শুক্র ও শনিবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে ঢাকা থেকে চেন্নাইয়ের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে এবং স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে চেন্নাইয়ে অবতরণ করবে। একই দিন দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে চেন্নাই থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসবে এবং বিকাল ৪টা ৪০ মিনিটে ঢাকায় অবতরণ করবে। এছাড়া প্রতি মঙ্গল, বৃহস্পতি ও রবিবার ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে চেন্নাই ও চেন্নাই থেকে চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকায় ফ্লাইট পরিচালনা করবে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনস। বর্তমানে ইউএস-বাংলার বিমান বহরে ৪টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০, ছয়টি ব্র্যান্ডনিউ এটিআর৭২-৬০০সহ মোট তেরটি এয়ারক্রাফট রয়েছে। চেন্নাই ও কলকাতা ছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স বর্তমানে মাস্কাট, দোহা, সিঙ্গাপুর, কুয়ালালামপুর, গুয়াংজু রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। এছাড়া অভ্যন্তরীণ রুট ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, যশোর, সৈয়দপুর, রাজশাহী, বরিশালে প্রতিদিন ফ্লাইট পরিচালনা করছে।
শপথ নিলেন নবনির্বাচিত দুই এমপি
২৮,অক্টোবর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ৫ সংদীয় আসনের কাজী মনিরুল ইসলাম ও নওগাঁ-৬ আসনের মো. আনোয়ার হোসেন (হেলাল) শপথ নিয়েছেন। বুধবার (২৮ অক্টোবর) সংসদ ভবনে তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া, চীফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী, হুইপ ইকবালুর রহিম, হুইপ মাহাবুব আরা বেগম গিনি ও হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন। শপথ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান। শপথ গ্রহণ শেষে দুই সংসদ সদস্য (এমপি) সংসদের শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন। উল্লেখ্য, ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. হাবিবুর রহমান মোল্লা ও নওগাঁ-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. ইসরাফিল আলমের মৃত্যুতে ওই আসন দুটি শূন্য হয়। গত ১৭ অক্টোবর আসন দু’টিতে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
যুদ্ধ চাই না, তবে সদা প্রস্তুত থাকতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
২৮,অক্টোবর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অভ্যন্তরীণ কিংবা বাহ্যিক যে কোনো হুমকি মোকাবিলায় সেনাবাহিনীসহ সশস্ত্র বাহিনীকে সদা প্রস্তুত থাকতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধ চাই না, শান্তি চাই, বন্ধুত্ব চাই। তবে আক্রান্ত হলে, তা মোকাবিলা করতে হবে, সেভাবেই আমরা প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে চাই এবং সেভাবে আমরা তৈরি থাকতে চাই। বুধবার (২৮ অক্টোবর) গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে সেনাবাহিনীর আটটি ইউনিট/সংস্থার পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, পবিত্র সংবিধান এবং দেশমাতৃকার সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য আপনাদের ঐক্যবদ্ধ থেকে অভ্যন্তরীণ কিংবা বাহ্যিক যে কোনো হুমকি মোকাবিলায় সদা প্রস্তুত থাকতে হবে। আমাদের পররাষ্ট্র নীতি অত্যন্ত স্পষ্ট। যা জাতির পিতা দিয়ে গেছেন- সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়। আমরা কারো সঙ্গে যুদ্ধ করতে চাই না। আমরা সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব চাই। এ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক নিয়েই আমরা বাংলাদেশকে আর্থসামাজিকভাবে উন্নত করতে চাই। কিন্তু যদি কখনো আমরা আক্রান্ত হই, তা মোকাবিলা করার শক্তি যেন আমরা অর্জন করতে পারি, সেভাবেই আমরা প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে চাই এবং সেভাবে আমরা তৈরি থাকতে চাই, বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, আবার বলবো, আমরা শান্তি চাই, বন্ধুত্ব চাই, বৈরিতা চাই না, যুদ্ধ চাই না। কারণ যুদ্ধের যে ভয়াবহ রূপ, তা আমার নিজের চোখে দেখা আছে। আমরাও ভুক্তভোগী। আর সেই ধরনের সংঘাতে আমরা জড়িত হতে চাই না। শান্তির পথ ধরে আমরা প্রগতির পথে এগিয়ে যেতে চাই। সেনা সদস্যদের পেশাগত উৎকর্ষের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেনাবাহিনীর সদস্য হিসেবে দেশের জন্য কাজ করার লক্ষ্যে সর্ব প্রথম দরকার পেশাদারিত্ব। আর এ পেশাদারিত্বের কাঙ্ক্ষিত মান অর্জনের জন্য আপনাদের সবাইকে পেশাগতভাবে দক্ষ, সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে সৎ এবং মঙ্গলময় জীবনের অধিকারী হতে হবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের মানুষের ভরসা ও বিশ্বাসের প্রতীক। সেভাবেই মানুষের আস্থা অর্জন করে আপনাদের এগিয়ে যেতে হবে, বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর ভেতরের মূল চালিকা শক্তিগুলো অর্থ্যাৎ ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের প্রতি আস্থা, পারস্পারিক বিশ্বাস, সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ববোধ, কর্তব্য পরায়ণতা, দায়িত্ববোধ এবং সর্বোপরি শৃঙ্খলা বজায় রেখে আপনাদের স্বীয় কর্তব্য যথাযথভাবে নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে যাবেন, সেটাই আশা করি। বঙ্গবন্ধুকন্যা আরও বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন দেশ। বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী জনগণের সশস্ত্র বাহিনী। সেনাবাহিনী জনগণের বাহিনী। এদেশে উন্নতি হলে আমাদের সেনাবাহিনীর সদস্যদের পরিবারেরই উন্নতি হবে। সে কথা মাথায় রেখে আমরা বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অবকাঠামো নির্মাণে আমাদের সশ্রস্ত্র বাহিনী বিশাল ভূমিকা রেখে যাচ্ছে। করোনাসহ বিভিন্ন দুযোর্গে মানুষের পাশে দাঁড়ানোয় সেনাবাহিনীর সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, সেনাবাহিনীর সব সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ। বিশেষ করে করোনাকালে তারা যেভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, আমাদের সশস্ত্র বাহিনী জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সেবা করে বিশ্বে একটা দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বিশ্বে উজ্জ্বল করেছে। তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর সদস্যরা যেখানেই যান, সামাজিক কাজ করেন, মানুষকে সাহায্য করেন। সশস্ত্র বাহিনীর উন্নয়নে নিজের আন্তরিকতা ও চেষ্টার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার প্রধান হিসেবে আমি সব সময় সশস্ত্র বাহিনীর সার্বিক উন্নতির জন্য চেষ্টা করেছি। চেষ্টা করেছি, যেনো প্রত্যেক সদস্য এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের জীবন মান উন্নত হয়, সারা বাংলাদেশের মানুষের জীবন মান যেনো উন্নত হয়। আমরা সেভাবেই কাজ করে যাচ্ছি। দ্রুত ও সমন্বিত আধুনিকায়নের মাধ্যমে আমরা সেনাবাহিনীকে বিশ্বের দরবারে একটি শক্তিশালী সেনাবাহিনীতে রূপান্তর করার পদক্ষেপ আমরা নিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সরকার সেনাবাহিনীর উন্নয়ন, সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নে বিশ্বাসী এবং সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আমরা ফোর্সেস গোল-২০৩০ প্রণয়ন করি। ১৯৭৪ সালের প্রতিরক্ষা নীতির আলোকে আমরা উন্নয়ন করে যাচ্ছি। এর অংশ হিসেবে এরই মধ্যে রামুতে ১০ পদাতিক ডিভিশন, সিলেটে ১৭ পদাতিক ডিভিশন এবং পদ্মা সেতু প্রকল্পের নিরাপত্তা ও তদারকির জন্য একটি কম্পোজিট ব্রিগেড প্রতিষ্ঠা করেছি। এর আগে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দুটি পদাতিক ব্রিগেড, স্পেশাল ওয়ার্কস অর্গানাইজেশন ছাড়াও ১০টি ব্যাটালিয়ন, এনডিসি, বিপসট, এএফএমসি, এমআইএসটি, এনসিওস একাডেমি ও বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্টাল সেন্টারের মত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিষ্ঠা করি। বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি আজ বিশ্বে প্রথম সারির প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। কুমিল্লা, বগুড়া ও সৈয়দপুর সেনানিবাসে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, সাভার এবং সিলেট সেনানিবাসে একটি করে বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ইনস্টিটিউট স্থাপন, সিএমএইচগুলোর উন্নয়নের পাশাপাশি পাঁচটি আর্মি মেডিক্যাল কলেজ এবং তিনটি নার্সিং কলেজ স্থাপন, রামু ও সিলেট সেনানিবাসে পর্যাপ্ত সুবিধা সম্বলিত দু’টি সিএমএইচ নির্মাণ কাজ চলছে, সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাজোয়া এবং আর্টিলারি কোরের জন্য আধুনিক গান ও মিসাইল কেনা, পদাতিক বাহিনীর জন্য অত্যাধুনিক ইনফ্যান্ট্রি গেজেট কেনা, আধুনিক যানবাহন, হেলিকপ্টার, সমরাস্ত্র ও সরঞ্জামাদি সংযোজনসহ সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন টানা তিনবারের প্রধানমন্ত্রী। আগামী শীতে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যসহ সবাইকে করোনা মোকাবিলায় সর্তক থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা ভাইরাস, শীত কাল আসছে, করোনার আরেকটা ধাক্কা আসতে পারে, সে জন্য সদা প্রস্তুত থেকে, স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে করোনা থেকে মুক্ত থেকে আপনারা আপনাদের স্ব স্ব দায়িত্ব পালন করবেন সেটাই আশা করি। সবাই সুস্থ থাকুন। অনুষ্ঠানে পটুয়াখালীর লেবুখালীতে অবস্থিত শেখ হাসিনা সেনানিবাস প্রান্তে সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমদসহ সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালীতে দেশের দক্ষিণবঙ্গের একমাত্র সেবানিবাসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। পায়রা নদীর তীরে অবস্থিত নয়নাভিরাম সৌন্দর্যমণ্ডিত এ সেনানিবাসটি প্রায় ১৫শ ৩২ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত। এ অনুষ্ঠানে সদর দপ্তর ৭ স্বতন্ত্র এডিএ ব্রিগেড (চট্টগ্রাম), সদর দপ্তর প্যারা কমান্ডো ব্রিগেড (সিলেট), সদর দপ্তর ২৮ পদাতিক ব্রিগেড, ৪৯ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি, ৬৬ ইস্ট বেঙ্গল, ৪৩ বীর, ৪০ এসটি ব্যাটালিয়ন এবং ১২ সিগন্যাল ব্যাটালিয়নের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
ইরফান ও তার দেহরক্ষী তিনদিনের রিমান্ডে
২৮,অক্টোবর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর কলাবাগানে নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধর ও হত্যাচেষ্টা মামলায় ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) হাজি সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিম এবং তার দেহরক্ষী জাহিদের তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদারত। বুধবার (২৮ অক্টোবর) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান নূর তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ধানমন্ডি থানার পরিদর্শক (নিরস্ত্র) আশফাক রাজীব হায়দার দুই আসামিকে গ্রেফতার দেখানো ও এ রিমান্ড আবেদন করেন। বুধবার শুরুতে বিচারক গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন৷ এরপর রাষ্ট্রপক্ষে মহানগর পিপি আব্দুল্লাহ আবু সাতদিনের রিমান্ড আবেদনের বিষয়ে শুনানি করেন। তিনি বলেন, এ ঘটনায় আর কেউ জড়িত কিনা বা এতে কার কি ভূমিকা ও ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটনের জন্য সাতদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হোক। অপরদিকে আসামিপক্ষে কয়েকজন আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চান। তারা বলেন, এ মামলার এজাহারভুক্ত চার আসামিই গ্রেফতার হয়েছেন। এখানে আর কোনো উদ্ধারের প্রশ্ন নেই বা কাউকে গ্রেফতারের বিষয় নেই। তাই আসামিদের রিমান্ডের কোনো প্রয়োজন নেই। তারা বলেন, এজাহার অনুযায়ী বাদী নীলক্ষেতে বই কিনে নিজ মোটরসাইকেলে কর্মস্থলে ফিরছিলেন। এখানে সরকারি কাজে বাঁধা কীভাবে হলো? মারামারির ঘটনায় চার্জশিট আমলে আমরা বিচারে সবকিছু বলব। আপাতত রিমান্ড বাতিল চাইছি। শুনানি শেষে বিচারক তাদের তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে গত ২৬ অক্টোবর ভোরে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট ওয়াসিফ আহমেদ খান বাদী হয়ে ধানমন্ডি থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলার আসামিরা হলেন- সংসদ সদস্য হাজি সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিম (৩৭), তার দেহরক্ষী মোহাম্মদ জাহিদ (৩৫), হাজি সেলিমের মালিকানাধীন মদীনা গ্রুপের প্রটোকল অফিসার এবি সিদ্দিক দিপু (৪৫), গাড়িচালক মিজানুর রহমান (৩০) ও অজ্ঞাতপরিচয় আরও দুই-তিনজন। গাড়িচালক মিজানকে রোববার রাতে গ্রেফতার করার পর সোমবার একদিনের রিমান্ডে পাঠান আদালত। ইরফান সেলিম ও তার দেহরক্ষী মোহাম্মদ জাহিদকে Rapid Action Battalion (Rab) ভ্রাম্যমাণ আদালত এক বছর করে কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠান। মঙ্গলবার মামলার এজাহারভুক্ত অপর আসামি দিপুর তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ইরফানের গাড়ি ওয়াসিমকে ধাক্কা মারার পর নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিম সড়কের পাশে মোটরসাইকেলটি থামান এবং গাড়ির সামনে দাঁড়ান। নিজের পরিচয় দেন। তখন গাড়ি থেকে আসামিরা একসঙ্গে বলতে থাকেন, তোর নৌবাহিনী/সেনাবাহিনী বের করতেছি, তোর লেফটেন্যান্ট/ক্যাপ্টেন বের করতেছি। তোকে এখনই মেরে ফেলব। এরপর বের হয়ে তারা ওয়াসিমকে কিল-ঘুষি মারেন এবং তার স্ত্রীকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। তারা মারধর করে ওয়াসিমকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে যান। তার স্ত্রী, স্থানীয় জনতা এবং পাশে ডিউটিরত ধানমন্ডির ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা তাকে উদ্ধার করে আনোয়ার খান মডেল হাসপাতালে নিয়ে যান।
আইনমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক
২৮,অক্টোবর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশে ও ভারতের বিচারিক আদালত ও উচ্চ আদালতের বিচারক এবং আইনজীবীদের পারস্পরিক সহযোগিতা ও প্রশিক্ষণের বিষয়ে ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হকের। গতকাল গুলশানের সরকারি বাসভবনে বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেছি। প্রত্যেক দিনই এ বন্ধুত্ব আরো সুদৃঢ় হবে, এ বিশ্বাস এবং আস্থা নিয়েই আমাদের কথোপকথন। আমরা আরো যা নিয়ে আলাপ করেছি, তা হলো ভারত ও বাংলাদেশের আইনের অবকাঠামো প্রায় একই। সেজন্য উভয় দেশের বিচারিক আদালত ও উচ্চ আদালতের বিচারক এবং বিচারপতি ও আইনজীবীদের মধ্যে পরস্পর সহযোগিতা ও প্রশিক্ষণের জন্য আমাদের যে প্রতিষ্ঠানগুলো আছে, সেগুলো কীভাবে কাজ করবে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মন্ত্রী আরো বলেন, আমাদের আলোচনা বন্ধুত্বপূর্ণ হয়েছে। আমরা মনে করি, আজ থেকে এ আলোচনা আরো চালিয়ে যাব। আজ যেসব কথা বলেছি সেগুলো ভবিষ্যতে কাজে পরিণত করব। এ সময় ভারতীয় হাইকমিশনার দোরাইস্বামী সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশের বিচার পদ্ধতিতে আইনমন্ত্রীর ভূমিকা ও অগ্রগতি প্রশংসনীয়। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী, আইনমন্ত্রীসহ সর্বসাধারণের জন্য আমাদের সহযোগিতা থাকবে। তিনি বলেন, আমাদের উভয় দেশের বিচারিক পদ্ধতি প্রায় এক। ফলে আমরা একে অন্যের থেকে শিখতে ও কাজ করতে পারব। কারণ দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার জন্য কোনো প্রতিবন্ধকতা নেই।
পুলিশি বাধায় ফ্রান্স দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচি সমাপ্ত
২৭,অক্টোবর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফ্রান্সে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনের প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফ্রান্স দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচি পুলিশি বাধার মুখে সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ তারিখ) বেলা সাড়ে ১১টায় বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেট থেকে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের পর একটি বিশাল মিছিল নিয়ে ফ্রান্স দূতাবাস ঘেরাওয়ের উদ্দেশে গুলশানের দিকে রওনা হন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতাকর্মীরা। দুপুর ১২টা নাগাদ মিছিলটি শান্তিনগর মোড়ে পৌঁছালে পুলিশ আটকে দেয়। রাস্তার দুই পাশে বিপুল সংখ্যক পুলিশ বেরিকেড দিয়ে তাদের সামনে অগ্রসর হতে দেয়নি। পরে নেতারা পুলিশের সঙ্গে কথা বলে তাদের কর্মসূচি সেখানে সমাপ্ত ঘোষণা করেন। এসময় কয়েক হাজার নেতাকর্মীকে নানা রকম স্লোগান দিতে দেখা যায়।

জাতীয় পাতার আরো খবর