সিলেট- লন্ডন রুটে বিমানের সরাসরি ফ্লাইট চালু
০৪,অক্টোবর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ রবিবার বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই ফ্লাইট চলাচল উদ্বোধন করেন। বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সপ্তাহের প্রতি বুধবার এই ফ্লাইট পরিচালিত হবে। তাছাড়া এদিন উদ্বোধনী ফ্লাইট সকাল ১১.১৫ মিনিটে ২৩২ জন যাত্রী নিয়ে লন্ডনের উদ্দেশ্যে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে যায়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বলেন, যাত্রীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত সিলেট-লন্ডন ফ্লাইট শুরু হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আর্ন্তজাতিক এবং অভ্যন্তরীন অপারেশন এর পরিধি এবং ব্যাপ্তি ধীরে ধীরে বৃদ্ধি করা হচ্ছে। নতুন গন্তব্য সংযোজন প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আকাশের পঞ্চম স্বাধীনতা নিশ্চিত করে আমরা বিমান চলাচল চুক্তি সম্পাদন করেছে বাংলাদেশ। ফলে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের যেকোন শহরে, যেকোনো সংখ্যক বিমান চলাচল করতে পারবে। ঢাকা-নিউইয়র্ক সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার ক্ষেত্রে এটি একটি বড় অগ্রগতি। এছাড়াও, যুক্তরাস্ট্রের ফেডারেল ফ্লাইট অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের নির্ধারিত ক্যাটাগরি-১ অর্জনের কাজেও সন্তোষজনক অগ্রগতি হয়েছে। কোভিড-১৯ এর কারণে এফ এ এ কর্তৃপক্ষ সরোজমিনে পরিদর্শন কাজ সম্পন্ন করতে না পারায় তা অনলাইনে সম্পাদন করবে। পরিদর্শন কাজ সম্পন্ন হলেই আমরা ঢাকা-নিউইয়র্ক ফ্লাইট চালু করতে পারব বলে আশাবাদী। এছাড়াও ঢাকা থেকে কানাডার টরেন্টোতে এবং জাপানের নারিতায় সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। খুব দ্রুতই আমরা এই দুই দেশে সরাসরি বিমান পরিচালনা শুরু করতে পারবো। মাহবুব আলী বলেন, সরকার জাতীয় প্রতিষ্ঠান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে সত্যিকার অর্থে বিশ্বমানের একটি এয়ারলাইন্স হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধ পরিকর।
অপরাধী যেই হোক, আইনের আওতায় আনা হবে: ডিএমপি কমিশনার
০৩,অক্টোবর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অপরাধী যেই হোক, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) তাকে আইনের আওতায় আনতে বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে ডিএমপি লালবাগ বিভাগের উপ-কমিশনারের (ডিসি) নবনির্মিত কার্যালয় উদ্বোধনের সময় তিনি এ কথা জানান। ডিএমপি কমিশনার বলেন, আইনের নির্মোহ প্রয়োগের মাধ্যমে দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন ডিএমপির লক্ষ্য। অপরাধী যেই হোক, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ তাকে আইনের আওতায় আনতে বদ্ধপরিকর। ১০ নম্বর বংশাল রোডের লালবাগ বিভাগের ডিসির পুরাতন জরাজীর্ণ কার্যালয়টি স্থানান্তর করে ঢাকেশ্বরী রোড লালবাগ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স কার্যালয়ের বিপরীতে ভাড়া করা ভবনে নেওয়া হয়েছে। এর ফলে এখন থেকে লালবাগ ডিসির অফিসের কার্যক্রম নতুন ঠিকানায় পরিচালিত হবে। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (প্রশাসন) মীর রেজাউল আলম, অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) কৃষ্ণ পদ রায়, অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) এ কে এম হাফিজ আক্তারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
লিবিয়া থেকে বেঁচে যাওয়া ৯ জনসহ ফিরেছেন ১৬৪ বাংলাদেশি
০৩,অক্টোবর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: লিবিয়ার মিজদাহ শহরে হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া ৯ অভিবাসীসহ ১৬৪ বাংলাদেশি স্বেচ্ছায় বিশেষ ফ্লাইটে দেশে ফিরে এসেছেন। রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত ৩০ সেপ্টেম্বর তাঁরা অবতরণ করেন বলে শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)। বার্তা সংস্থা ইউএনবি এ খবর জানিয়েছে। গত মে মাসে মিজদাহ শহরে পাচারকারীদের গুলিতে ৩০ জন নিহত হন, যাঁদের মধ্যে ২৬ বাংলাদেশিও ছিলেন। দেশে আগত ফ্লাইটে ছিলেন ১০০ বিপদাপন্ন অভিবাসী, যাঁদের মধ্যে ৩৯ জন শারীরিকভাবে অসুস্থ। অভিবাসীদের তাৎক্ষণিক সহায়তার জন্য তাঁদের সঙ্গে ভ্রমণ করেন আইওএমের মেডিকেল সহায়তা প্রদানকারীরা। বাংলাদেশে আসার পর স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী দল সেখানে উপস্থিত হন প্রয়োজনীয় সেবা ও সহায়তা প্রদানের জন্য, যার মধ্যে ছিল সরকারি ব্যবস্থাপনায় কোয়ারেন্টিনে যাওয়া, অভিবাসীদের স্বাস্থ্যসেবার সমন্বয় করা, বিশেষায়িত সেবায় রেফারেল সহায়তা প্রদান এবং গুরুতর অসুস্থ অভিবাসীদের ফলোআপ সহায়তা প্রদান।
পরমাণু অস্ত্র নিরোধে জাতিসংঘে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ৪ দফা
০৩,অক্টোবর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় পরমাণু অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব গড়ার আহ্বান জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। জাতিসংঘের একটি প্লেনারি অধিবেশনে অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান। এ লক্ষে চার দফা প্রস্তাব পেশ করেন তিনি। শনিবার (০৩ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক পরমাণু অস্ত্র নিরোধ দিবস উপলক্ষে এই অধিবেশনের আয়োজন করা হয়। সেখানে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এই আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রস্তাবিত চার দফা হলো, পরমাণু অস্ত্র ফ্রি জোন প্রতিষ্ঠা, মানব কল্যাণে পরমাণু প্রযুক্তি ব্যবহার, সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীর কাছে পরমাণু অস্ত্র যেন কোনোভাবেই না যায়- সেই পদক্ষেপ গ্রহণ ও পরমাণু অস্ত্র নিরোধে জনসচেতনতা গড়ে তোলা। উল্লেখ, ২০১৯ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের পরমাণু অস্ত্র নিরোধ চুক্তিতে সই করে।
আওয়ামী লীগ জনগণের পাশে আছে: প্রধানমন্ত্রী
০৩,অক্টোবর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা মানুষের পাশে আছি, মানুষের পাশে থাকবো। আমি দেশবাসীকে এইটুকু বলতে চাই যে, জনগণের সংগঠন হচ্ছে আওয়ামী লীগ, আর আওয়ামী লীগ জনগণের পাশে আছে এবং সেটা এবারও এই দুর্যোগ করোনা মহামারীর সময়ও এটা প্রমাণ হয়েছে। জনগণের আস্থা বিশ্বাসটা হচ্ছে আমাদের একমাত্র সম্বল, সেটাই আমাদের শক্তি। আজ শনিবার গণভবনে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় এ কথা তিনি। আওয়ামী লীগকে সাংগঠনিকভাবে আরও শক্তিশালী করার তাগিদ দিয়ে দলটির সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, পার্টির কাজগুলোও মোটামুটি কিছু কিছু জায়গায় সচল রয়েছে। আমাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম খুব বেশি এখন যাতায়াত না করলেও কিছু সাংগঠনিক কার্যক্রম আমাদের অব্যাহত রাখতে হবে।... সাংগঠনিক শক্তিটা হচ্ছে সবচেয়ে বড়। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের যে তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক শক্তি আছে। এই করোনা মোকাবেলার সময় তারা যখন মাঠে নেমেছে তখনি সেটা প্রমাণিত হয়েছে। আজকে যে কারণে আমাদের প্রায় ৫২২ জন নেতাকর্মী মৃত্যুবরণ করেছেন। এই যে এতো বড় স্যাক্রিফাইস বোধহয় আর কোন দল করেনি। আওয়ামী লীগের সমালোচনার করার আগে নিজের চেহারা আয়নায় দেখার অনুরোধ জানিয়ে সমালোচকদের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনা বলেন, কেউ কেউ আপন মনের মাধুরী মিশিয়ে বলেই যাচ্ছে। কিন্তু তাদের মাঠে মানুষের পাশে দেখা যায়নি। তারা কেউ আবার বিচার করে, আওয়ামী লীগ কতটুকু করলো, কতটুকু করলো না। কিন্তু তারা আয়নাতে নিজের চেহারা দেখে না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই দেশে গরীব মানুষের সেবা করার অনেক লোক অনেক রকমের প্রতিষ্ঠান অনেক কার্যক্রম আমরা দেখি। কিন্তু করোনাকালীন সময় তো তাদের কোন কাযক্রম আমরা দেখিনি। যখন সবাই ঘরে, মানুষের পাশে আর কেউ নাই- তখন মানুষের পাশে আওয়ামী লীগ আছে। কারণ আওয়ামী লীগ জনগণের সংগঠন, আওয়ামী লীগ জনগণের জন্য সব থেকে বেশি কাজ করে। বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, মুজিববর্ষে আমাদের ঘোষণা প্রত্যেকটা মানুষকে আমরা গৃহহীন ভূমিহীন তাদের আমরা ঘরবাড়ি তৈরি করে দেবো। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ব্যাপকভাবে চলছে। সিদ্ধান্ত দিয়েছিলাম আমরা এক কোটি গাছ লাগাবো। কিন্তু আমাদের কৃষকলীগ, আওয়ামী লীগ বা সহযোগী সংগঠন মিলে এক কোটির থেকে বেশি গাছ কিন্তু ইতোমধ্যেই বৃক্ষরোপণ করেছে। সরকারের পক্ষ থেকেও আমরা একই কর্মসূচি নিয়েছি।
নির্বিচারে গাছ ও পাহাড় কাটা যাবেনা: ড. হাছান মাহমুদ
০২,অক্টোবর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, পৃথিবীর সর্বোচ্চ জনসংখ্যার ঘনত্ব ও মাথাপিছু কম জমির আমাদের এ দেশে অনেক সময় নগরায়নের নামে নির্বিচারে গাছ ও পাহাড় কাটা হয়ে থাকে। অনেক সরকারি প্রতিষ্ঠানও জেনে বা না জেনে এ কাজ করে থাকে। এ ধারা বন্ধ করতে হবে। করোনা মহামারি অক্সিজেনের প্রয়োজনীয়তা বেশি করে উপলব্ধি করাতে পেরেছে উল্লেখ করে তিনি বৃক্ষরোপণে সরকারের পাশাপাশি বেসকারি সংগঠনসমূহের আরো অংশ গ্রহণ কামনা করেন। মন্ত্রী আজ চট্টগ্রামের সিআরবির শিরিষতলায় মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ১ কোটি বৃক্ষরোপনের অংশ হিসেবে তিলোত্তমা চট্টগ্রাম আয়োজিত ৫ লাখ বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর উদ্বোধনকালে একথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, নগর উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক পরিবেশের কথা মাথায় রাখতে হবে। পাহাড় কেটে শহর বৃদ্ধি করতে হবে-এ রকম চিন্তা পরিহার করতে হবে। সুপরিকল্পিত উপায়ে শহরের আয়তন বৃদ্ধি না করলে পঞ্চাশ বছর পর চট্টগ্রাম নগরীর আজকের সৌন্দর্য খুঁজে পাওয়া যাবে না বলে তিনি এ সময় উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, কর্ণফুলী নদীর দুপাড় অবৈধ দখলদাররা দখল করেছে। দখল বাণিজ্য বন্ধ করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা, ঝড় জলোচ্ছাস বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ হতে রক্ষা পেতে যত বেশি সম্ভব গাছ লাগাতে হবে। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ১৯৮৩ সাল থেকে দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা কৃষক লীগের মাধ্যমে দেশে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী শুরু করেন। পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃক্ষরোপন কর্মসূচীকে বৃক্ষরোপন আন্দোলনে রুপ দেন। ফলে দেশে বৃক্ষরোপনে ব্যাপক সাড়া পড়ে। মানুষ নিজ প্রয়োজনে গাছ লাগানো শুরু করে। হাট-বাজার থেকে মানুষ প্রয়োজনীয় পণ্য কেনার পাশাপাশি বর্তমানে নিত্য পণ্য হিসেবে গাছও কেনে বলে তিনি এ সময় উল্লেখ করেন। খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংম্পূর্ণ, শাক-সবজি উৎপাদনে বিশ্বে ৪র্থ, মাছ উৎপাদনে ৫ম, আলু উৎপাদনে ৭ম উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এসব কিছু সম্ভব হয়েছে উর্বর জমি এবং সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণের কারনে। এ সাফল্য ধরে রাখতে হবে।জনসাধারণের মধ্যে বৃক্ষরোপনে সরকার যে সচেতনতা সৃষ্টি করতে পেরেছে তা অব্যাহত রাখতে হবে। তিনি বলেন, কৃষি জমি সংরক্ষণসহ পরিকল্পিত নগরায়নের জন্য সরকার চিন্তা-ভাবনা করছে, তা বাস্তবায়িত হলে দেশব্যাপী সবুজ বেষ্টনীর পরিমাণ আরো বৃদ্ধি পাবে। বৃক্ষরোপনে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে এগিয়ে আসায় তিনি তিলোত্তমা চট্টগ্রামকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানান এবং এ কাজে বেশি বেশি সামাজিক সংগঠনের অংশ গ্রহণ প্রত্যাশা করেন। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক শাহেলা আবেদীন রিমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে দৈনিক আজাদী সম্পাদক এম এ মালেক, উপপুলিশ কমিশনার বিজয় বসাক, সাংবাদিক ওসমান গণি মনসুর, কবি রাশেদ রউফ, প্রেস ক্লাব সাধারন সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, শিল্পপতি এস এম আবু তৈয়ব, লায়ন ইফতেখার সোহাগ, শামসুদ্দিন সিদ্দিকী, কাউন্সিলর মো. সাইফুদ্দিন খালেদ প্রমূখ বক্তৃতা করেন। পরে মন্ত্রী সিআরবিতে গাছের চারা রোপন করেন। এর আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর যেসব রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসেছিলো, তারা তাদের ফেরত পাঠাতে পারেনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবিক কারনে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর এ মানবিকতা বিশ্বে প্রশংসিত হয়েছে। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে সরকার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মাধ্যমে ক্রমাগত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার কারনে মিয়ানমারকে আন্তর্জাতিক আদালত থেকে সমন দেওয়াসহ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বাহাউদ্দিন নাছিমের মায়ের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
০২,অক্টোবর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমের মা কাজী নূরজাহান বেগমের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। আজ এক শোক বার্তায় শেখ হাসিনা মরহুমার রুহের মাগফেরাত কামনা এবং তার শোক-সন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। উল্লেখ্য, উল্লেখ্য, শুক্রবার সকাল সাতটার দিকে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় নূরজাহান বেগমের। তিনি করোনায় আক্রান্ত ছিলেন। আওয়ামী লীগের উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান মৃত্যুর এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মৃত্যুকালে ৬ ছেলে, ২ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন নূরজাহান। জানা গেছে, করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর কয়েক দিন আগে ঢাকার সিএমএইচে ভর্তি হন ৮১ বছর বয়সী নূরজাহান বেগম। অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। প্রায় এক সপ্তাহের বেশি সময় নিবিড় পরিচর্যায় থাকার পর শুক্রবার সকালে না ফেরার দেশে চলে যান তিনি। নুরজাহান বেগম ২০১৯ সালে মাদারীপুর জেলার রত্নগর্ভা মা নির্বাচিত হয়েছিলেন। তার প্রচেষ্টায় শহীদ বাচ্চু প্রাথমিক বিদ্যালয় ও শহীদ বাচ্চু উচ্চ বিদ্যালয় নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হয়েছে। আমৃত্যু তিনি প্রতিষ্ঠান দুটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন। গত ১৫ সেপ্টেম্বর আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমের করোনা টেস্টে রিপোর্ট পজিটিভ আসে। ১৬ সেপ্টেম্বর পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। দীর্ঘ ১০ দিনের চিকিৎসায় তিনি করোনামুক্ত হন। সূত্র : বাসস
গোলাম কিবরিয়া ডিএফপির ডিজি
০২,অক্টোবর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের (ডিএফপি) পরিচালক স. ম. গোলাম কিবরিয়াকে প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে বৃহস্পতিবার তাকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়। গোলাম কিবরিয়া ২ মার্চ থেকে নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে ডিএফপির মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। সাত মাসের মাথায় তাকে ডিএফপির ডিজি হিসেবে (চলতি দায়িত্ব) নিয়োগ দেওয়া হয়। নিয়োগের বিষয়টি গোলাম কিবরিয়া নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় নিশ্চিত করেছেন। তিনি তার ফেইসবুকে লেখেন, তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে আজ আমাকে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের (ডিএফপি) মহাপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) দেওয়া হলো। এ জন্য মাননীয় তথ্যমন্ত্রী, মাননীয় তথ্য প্রতিমন্ত্রী, সম্মানিত তথ্য সচিব এবং সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। বিগত ২ মার্চ ২০২০ থেকে নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে ডিএফপির মহাপরিচালকের দায়িত্বে ছিলাম। নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে বর্তমান দায়িত্ব পালনে সবার সহযোগিতা কামনা করছি। গোলাম কিবরিয়া ১৩তম বিসিএসের তথ্য ক্যাডার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। চাকরি জীবনে গোলাম কিবরিয়া জেলা তথ্য কর্মকর্তা ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা এবং উপ-প্রধান তথ্য কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। উল্লেখ্য, ডিএফপির সর্বশেষ মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করেছেন মোহাম্মদ ইসতাক হোসেন। তার চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ায় পদটি শূন্য ছিল। এখন থেকে এই পদে দায়িত্ব পালন করবেন গোলাম কিবরিয়া।
কঙ্গোর বিমানবন্দরের নিরাপত্তার দায়িত্ব পেল বাংলাদেশ পুলিশের নারী শান্তিরক্ষীরা
০২,অক্টোবর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন পরিচালিত কঙ্গোর মনুস্কো বিমানবন্দরের নিরাপত্তার দায়িত্ব পেয়েছেন বাংলাদেশের পুলিশের নারী শান্তিরক্ষীরা। জাতিসংঘ পরিচালিত এই বিমানবন্দরটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। বাংলাদেশ থেকে ৮ হাজার ৫০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় রয়েছেন ব্যানএফপিইউ-১, রোটেশন -১৪ এর শান্তিরক্ষী পুলিশ সদস্যরা। এই রোটেশনের কমান্ডার মেরিনা আক্তার বলেন, আমরা শুধু দেশের মাটিতেই নয়, বিদেশ বিভূঁইয়ে জাতিসংঘের পতাকাতলে অত্যন্ত মর্যাদার সঙ্গে, অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে আমাদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। কঙ্গোর এই বিমানবন্দরটির নিরাপত্তা বিধান করা নিশ্চয়ই আমাদের জন্য এক বিরাট বড় চ্যালেঞ্জ। আমরা অত্যন্ত আশাবাদী, বরাবরের মতো এবারেও আমরা সফল হবো। জাতিসংঘের ম্যান্ডেট মেনে আমরা নির্মোহভাবে কঙ্গোবাসীর জন্য শান্তির অভিপ্রায়ে কাজ করে চলেছি নিরন্তর।- বণিক বার্তা

জাতীয় পাতার আরো খবর