শপথ নিলেন দুই বিচারপতি
০৩সেপ্টেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে নিয়োগপ্রাপ্ত নতুন দুই বিচারপতি শপথ নিয়েছেন। দুই বিচারপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে চারটায় সুপ্রিম কোর্টের জাজেস লাউঞ্জে তাদের শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়। দুই বিচারপতি হলেন, বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। এর আগে বুধবার দুই বিচারপতির নিয়োগের বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি হাইকোর্ট বিভাগে কর্মরত দু'জন বিচারককে তাদের শপথের তারিখ থেকে আপিল বিভাগের বিচারক নিয়োগ করেছেন। বিচারপতি তারিক উল হাকিম: ১৯৫৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর জন্ম নেওয়া এই বিচারপতির বাবাও ছিলেন বিচারপতি। নাম বিচারপতি মাকসুম উল হাকিম। বিচারপতি তারিক উল হাকিম ইংল্যান্ড থেকে ব্যারিস্টারি ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৭ সালে জেলা আদালত এবং ১৯৮৯ সালে হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০২ সালের ২৯ জুলাই তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি এবং ২০০৪ সালের ২৯ জুলাই স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। বিচারপতি ওবায়দুল হাসান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসএস, এমএসএস ও এলএলবি ডিগ্রি অর্জনের পর বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ১৯৮৬ সালে জেলা আদালত, ১৯৮৮ সালে হাইকোর্ট বিভাগ এবং ২০০৫ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০৯ সালের ৩০ জুন তিনি হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি এবং ২০১১ সালের ৬ জুন স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান। এই বিচারপতি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এরও চেয়ারম্যান ছিলেন। সবশেষ ২০১৮ সালের ৮ অক্টোবরে আপিল বিভাগে তিন জন বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এখন এই দু'জন নিয়োগের পর আপিল বিভাগের বিচারপতি হলেন মোট আট জন।
অ্যাডমিরাল Rank ব্যাজ পরলেন নৌবাহিনী প্রধান
০৩সেপ্টেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভাইস অ্যাডমিরাল থেকে পদোন্নতি পেয়ে অ্যাডমিরাল Rank ব্যাজ পরলেন নৌবাহিনী প্রধান এম শাহীন ইকবাল। বৃহস্পতিবার (০৩ সেপ্টেম্বর) গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে নৌবাহিনী প্রধানকে Rank ব্যাজ পরিয়ে দেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ ও বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত। নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম শাহীন ইকবাল, এনবিপি, এনইউপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি গত ২৫ জুলাই ২০২০ তারিখে বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে দ্বায়িত্বভার গ্রহণ করেন। তিনি ০১ জুন ১৯৮০ তারিখে বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে যোগদান করেন এবং ০১ ডিসেম্বর ১৯৮২ তারিখে এক্সিকিউটিভ শাখায় কমিশন লাভ করেন। দীর্ঘ এবং সুপরিচিত ৪০ বছরের কর্মজীবনে অ্যাডমিরাল এম শাহীন ইকবাল দৃষ্টান্তমূলক সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শন করেছেন। তিনি নৌবাহিনী ফ্রিগেটসহ সকল শ্রেণির জাহাজ ও গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটি কমান্ড করেন এবং নৌবাহিনী সদর দপ্তর, আঞ্চলিক কমান্ডার ও বিভিন্ন বহিঃসংস্থার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অত্যন্ত দক্ষতা ও সফলতার সাথে পালন করেন। চাকরি জীবনে অ্যাডমিরাল শাহীন ইকবাল দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ ও সামরিক কৌশলগত শিক্ষা অর্জন করেন। এছাড়া জাতীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে অ্যাডমিরাল এম শাহীন ইকবাল বিশেষ অবদান রাখেন ও আন্তর্জাতিক মেরিটাইম পরিমণ্ডলে একাধিকবার বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন। অ্যাডমিরাল এম শাহীন ইকবাল তার অসামান্য একাডেমিক সাফল্য ও পেশাদারিত্বের জন্য নৌবাহিনীর সর্বোচ্চ পদক (এনবিপি) এবং নৌ উৎকর্ষ পদক (এনইউপি)-তে ভূষিত হন।
হিন্দু বিধবারা স্বামীর সম্পদের ভাগ পাবেন- ঐতিহাসিক রায় হাইকোর্টের
০২সেপ্টেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বী বিধবা নারীরা উত্তরাধিকারী হিসেবে স্বামীর সব সম্পত্তির ভাগ পাবেন- এমন ঐতিহাসিক রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ক একটি মামলার চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাইকোর্টের বিচারপতি মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরীর একক বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। বিধবারা স্বামীর কৃষি জমির ভাগ পাওয়ার অধিকার রাখে না দাবি করে ১৯৯৬ সালে খুলনার একটি আদালতে মামলা করেন এক নারীর দেবর জ্যোতিন্দ্রনাথ মন্ডল। বিচারিক আদালত সে সময় ওই মামলার রায়ে বলেন, বিধবারা স্বামীর অ-কৃষি জমিতে অধিকার রাখলেও কৃষি জমির অধিকার রাখেন না। পরে ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করা হয়। পরে উভয়পক্ষের দীর্ঘ শুনানি এবং বিশেষজ্ঞ আইনজীবীদের মতামত নিয়ে হাইকোর্ট তার রায়ে বলেন, হিন্দু বিধবা নারীরা অকৃষি জমির মতো স্বামীর কৃষি জমিসহ সব সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হিসেবে বিবেচিত হবেন। বাংলাদেশের সংবিধানে নারী-পুরুষের সমান অধিকারের কথা বলা হয়েছে। এমনকি নারী নীতিতেও সমান অধিকারের কথা বলা হলেও সম্পত্তিতে এ দেশের হিন্দু নারীর উত্তরাধিকারকে এতোদিন অস্বীকার করা হয়েছে।
সিনহা হত্যার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হতে হবে: সেনাপ্রধান
০২সেপ্টেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যাকাণ্ডকে জঘন্য ও নৃশংস্যতম হত্যাকাণ্ড উল্লেখ করে এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রত্যাশা করেছেন সেনা প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ। বুধবার চট্টগ্রাম সেনানিবাসে ৬ টি ইউনিটের রেজিমেন্টাল কালার প্রদান অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ ঘটনায় আলাদাভাবে সরকারের কাছে কোন সুপারিশ করবে না সেনাবাহিনী। অত্যন্ত নৃশংস এবং জঘন্যতম একটি ঘটনা ঘটেছে। সেটার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হতে হবে। তিনি বলেন, আমি আশা করতে চাই ঘটনার তদন্ত সুষ্ঠু হবে এবং ঘটনার প্রকৃত অপরাধীর উপযুক্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হবে। যাতে ভবিষ্যতে সেনা বাহিনীর কর্মরত বা অবসরপ্রাপ্ত কারও সঙ্গে এ ধরণের ঘটনা না ঘটে। তিনি বলেন, এই ধরণের একটি ঘটনা নিয়ে কেউ যদি অন্য কিছু করার চেষ্টা করে সেটা কাঙ্খিত নয়। গত ৩১শে জুলাই রাতে কক্সবাজারের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান নিহত হন। এ সময় সিনহার সহকর্মী সিফাতকে আটক করে পুলিশ। পরে নীলিমা রিসোর্ট থেকে তাদের আরেক সহকর্মী শিপ্রা দেবনাথকে আটক করা হয়। পুলিশের দায়ের করা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে তারা জামিনে মুক্ত হন। সিনহা নিহত হওয়ার ঘটনায় তার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলার তদন্ত করছে Rab। মামলার প্রধান আসামি বরখাস্ত হওয়া ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলী ও এএসআই নন্দদুলাল রক্ষিত স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার অন্যতম আসামি টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে চার দফা রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনা তদন্তে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে কাজ করছে।
জন্মদিন পালনের প্রস্তাব গ্রহণ করছি না: প্রধানমন্ত্রী
০২সেপ্টেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন। সীমিত আকারে জন্মদিন উদযাপন করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তবে শেখ হাসিনা সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেননি। আজ বুধবার ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দলীয় সভাপতির সঙ্গে ভার্চুয়াল আলোচনার শুরুতের সভার সভাপতি ওবায়দুল কাদের বৈঠকের এজেন্ডা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। আওয়ামী লীগ সভাপতিকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা আমাদের সভাপতির একটা গাইডলাইন চাই। আমরা নিজেরা কিছু বিষয় আলোচনা করেছি। এর মধ্যে রয়েছে- আমাদের যেসব জেলা, মহানগর ও সহযোগী সংগঠনের সম্মেলন হয়েছে, সেগুলোকে আগামী ১৫ তারিখের মধ্যে আপনার অফিসে (সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়, ধানমণ্ডি) পূর্ণাঙ্গ কমিটি জমা দেয়ার নির্দেশনা দিয়েছি। আরেকটি হলো এই সময়ের মধ্যে প্রত্যেক সম্পাদককে চেয়ারম্যানের সঙ্গে পরামর্শ করে ৩৫ সদস্য বিশিষ্ট উপ-কমিটি গঠনের সুপারিশ তৈরি করেছি, সিদ্ধান্ত নেয়ার মালিক আপনি। তিনি আরো বলেন, আর আমরা সীমিত আকারে সাংগঠনিক কর্মসূচি তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত পালন করার জন্য একটি নির্দেশনা দিচ্ছি। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর আপনার জন্মদিন। এটা আমরা খুব সীমিত আকারে পালন করবো। এটা প্রতিবছরই করে থাকি। আপনি না বললেও করবো। জবাবে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, আমার জন্মদিন পালনের প্রস্তাব আমি গ্রহণ করছি না। বাকিগুলোর মধ্যে সাব-কমিটিগুলো পূর্ণাঙ্গ করার সিদ্ধান্ত খুবই ভালো। এটা করা উচিত। যাতে সাব-কমিটিগুলো বসতে পারে। বিষয়ভিত্তিক সেমিনার করা, আলোচনা করা। আগামী দিনে আমাদের ভবিষ্যত কর্মসূচি সেগুলো ঠিক করা। সাব কমিটিগুলো এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে পারবে।
প্রণব মুখার্জির জন্য রাষ্ট্রীয় শোক পালন করছে বাংলাদেশ
০২সেপ্টেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির মৃত্যুতে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বুধবার (২সেপ্টেম্বর) এক দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হচ্ছে বাংলাদেশে। রাষ্ট্রীয় শোক পালনের অংশ হিসেবে এদিন বাংলাদেশের সব সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনগুলোতে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ প্রার্থনা করা হবে। এর আগে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করে।
সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন
০১সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলের সাথে ভারত, ভুটান, নেপাল, মিয়ানমার ও চীনের ক্রস বর্ডার সংযোগসহ উপ-আঞ্চলিক সড়ক যোগাযোগ স্থাপন এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক পৃথক এসএমভিটি লেনসহ ৪ লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ৩ হাজার ৫৮৬ কোটি ৪ লাখ টাকা। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শেরেবাংলানগর এনইসি সভাকক্ষে একনেক চেয়ারপার্সন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গনভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভায় যুক্ত হন। সভাশেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান প্রকল্পের বিষয়ে সাংবাদিকদের বিস্তারিত ব্রিফ করেন। তিনি জানান, একনেক সভায় ৬ হাজার ৬২৮ কোটি ৯৯ লাখ টাকা ব্যয়ে মোট ৬টি প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় হবে ২ হাজার ৭১ কোটি ১০ লাখ টাকা এবং প্রকল্প সাহায্য হিসেবে বৈদেশিক সহায়তা পাওয়া যাবে ৪ হাজার ৫৯৩ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। অনুমোদিত ৬ প্রকল্পের মধ্যে ২টি নতুন প্রকল্প এবং ৪টি সংশোধিত প্রকল্প রয়েছে। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক পৃথক এসএমভিটি লেনসহ ৪ লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পটি সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ২০২৫ সালের জুন মেয়াদে বাস্তবায়ন সম্পন্ন করবে। প্রাক্কলিত ব্যয়ের ২ হাজার ৯৭০ কোটি ৫৫ লাখ টাকা প্রকল্প ঋণ হিসেবে এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক (এআইআইবি)-র কাছ থেকে পাওয়া যাবে। প্রকল্পের আওতায় সিলেট হতে তামাবিল পর্যন্ত সড়কের উভয় পাশে ধীরগতির যানবাহনের জন্য পৃথক লেনসহ ৪-লেনে উন্নীতকরণ এবং ঢাকা-সিলেট-তামাবিল করিডোরের মাধ্যমে উপ-আঞ্চলিক সংযোগ স্থাপন করা হবে। মান্নান বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে তামাবিল স্থলবন্দর, সিলেটের অর্থনৈতিক অঞ্চল ও রপ্তানী প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে যাতায়াত সহজ হবে এবং পর্যটন বিকাশের সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ঘটবে। সারাদেশে আন্ত:জেলা সড়কের উন্নয়ন ও সকল মহাসড়ককে ৪ লেনে উন্নীকরণে সরকারের পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। পরিকল্পনামন্ত্রী আরও জানান, সভায় প্রধানমন্ত্রী সারাদেশে গাছ লাগানোর বিষয়ে জনসচেতনতা তৈরির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন। একইসাথে তিনি হাওড় এলাকায় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও মাছ রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মংৎস্য অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেন। এক প্রশ্নের উত্তরে মান্নান বলেন, কোভিড-১৯ মহামারী বা বন্যার মত দূর্যোগসহ নানা কারণে প্রকল্প সংশোধন করতে হয়। কিন্তু আমরা এ ব্যাপারে অত্যন্ত সজাগ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তকর্তাদের সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ প্রদান ও প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে প্রকল্প সংশোধনী আনার প্রবনতা হ্রাস করার চেষ্টা করছি। অপর এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, সুনামগঞ্জে প্রস্তাবিত শেখ হাসিনা ফ্লাইওভার প্রকল্প অত্যন্ত চমৎকার একটি প্রকল্প এবং এই প্রকল্প নেত্রকোনা, সিলেট ও সুনামগঞ্জের মধ্যে সড়ক যোগাযোগের ক্ষেত্রে সংযোগ স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি বিকাশে সহায়ক হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। একনেকে অনুমোদিত অন্য প্রকল্পসমূহ হলো-মতলব-মেঘনা-ধনাগোদা-বেড়ীবাঁধ সড়ক উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প, যার বাস্তবয়ন খরচ ধরা হয়েছে ১২১ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। সারাদেশে পুকুর, খাল উন্নয়ন (১ম সংশোধিত) প্রকল্পের অতিরিক্ত ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৪২২ কোটি ৫২ লাখ। আধুনিক খাদ্য সংরক্ষণাগার নির্মাণ (২য় সংশোধিত) প্রকল্পের অতিরিক্ত খরচ হবে ১ হাজার ৬৪৮ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। এছাড়া, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা এলাকার নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন (২য় পর্যায়) (১ম সংশোধিত) প্রকল্প, যার প্রাক্কলিত বাস্তবায়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৪১ কোটি ৭১ লাখ টাকা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে মৎস্যচাষ প্রযুক্তি সেবা সম্প্রসারণ (২য় পর্যায়) (২য় সংশোধিত) প্রকল্পে অতিরিক্ত ব্যয় হবে ১০৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা।- একুশে টেলিভিশন
বাসে সরকার অনুমোদিত ভাড়ার তালিকা প্রদর্শনের আহ্বান
০১সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, করোনাকালেও অনেকে নিয়ম মেনে চলেছে। কিন্তু কিছু কিছু পরিবহন, যারা সরকারি নির্দেশনা মানবে না তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, প্রতিটি বাসে সরকার অনুমোদিত ভাড়ার তালিকা প্রদর্শনের বিধান রয়েছে। এ বিধান কার্যকর করতে আমি বিআরটিএ ও মালিক সমিতিকে অনুরোধ করছি। আজ মঙ্গলবার ঢাকা যানবাহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে বলেন, আজ থেকে গণপরিবহন করোনাকালের জন্য সমন্বয় করা ভাড়ার পরিবর্তে আগের ভাড়ায় ফিরছে। জনস্বার্থে এবং যাত্রীদের স্বার্থে আমি সরকারের এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে পরিবহন মালিক এবং শ্রমিকসহ সকল স্টেকহোল্ডারের সহযোগিতা কামনা করছি। তিনি বলেন, গণপরিবহনে ভ্রমণকালে যাত্রীসহ পরিবহন সংশ্লিষ্ট সকলকে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরিধান করতে হবে। যত আসন তত যাত্রী অর্থাৎ দাঁড়িয়ে যাত্রী পরিবহন করা যাবে না। সাবান পানি কিংবা হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে পর্যাপ্ত। এর আগে গত ৩১ মে সরকার আন্তঃজেলা বাস পরিষেবাসহ সব বাসের ভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে। করোনার কারণে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার জন্য মোট আসনের অর্ধেক যাত্রীকে নিয়ে যানবাহন চলাচলের শর্ত হিসেবে বাস ভাড়া বাড়ানো হয়। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে দেখা যায়, গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। ভাড়াও নেয়া হচ্ছে বর্ধিত হারে। এজন্য বিভিন্ন সংগঠন থেকে বর্ধিত ভাড়া বাতিলের দাবি ওঠে।- বণিক বার্তা অনলাইন

জাতীয় পাতার আরো খবর