শোষণ ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে: স্পিকার
১৮,আগস্ট,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর দর্শন ধারণ করে শোষণ ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নতুন প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে। সংসদ সচিবালয়ের উদ্যোগে গতকাল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা, দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে স্পিকার এ কথা বলেন। শোক দিবস উপলক্ষে এ আয়োজনের জন্য তিনি অনুষ্ঠানসংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান। ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতিকে গভীরভাবে ভালোবাসতেন বলেই এ জাতির অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মুক্তির জন্য আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। আত্মপ্রত্যয় ও আত্মশক্তিতে বলীয়ান এ মহান নেতা অন্যায়ের কাছে কখনই মাথা নত করেননি। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন অবিসংবাদিত নেতা। যিনি সারা জীবন নির্লোভ ও নির্মোহ থেকে বাংলার মানুষের অধিকার আদায়ের প্রশ্নে ছিলেন আপসহীন। ৭১-এর ২৫ মার্চের কালরাতেও অদম্য সাহসিকতার সঙ্গে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন। পদ-পদবির লোভ না করে বৃহত্তর লক্ষ্য সামনে রেখে তিনি এগিয়ে গেছেন। স্পিকার বলেন, সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়াই ছিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একমাত্র লক্ষ্য। সাধারণ মানুষের জীবনধারণ উপযোগী শোষণ ও বঞ্চনামুক্ত স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা ছিল তার লক্ষ্য। এ দর্শন ও আদর্শ ধারণ করে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে যেতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করেছেন। এজন্য সবাইকে এ কাজে সহযোগিতা করতে হবে। সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খানের সভাপতিত্বে এবং সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ অধিশাখার পরিচালক উপসচিব মো. তারিক মাহমুদ ও উপপরিচালক সামিয়া রুবাইয়াত হোসেইনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী, হুইপ ইকবালুর রহিম ও হুইপ আতিউর রহমান আতিক বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে উপসচিব এসএম মঞ্জুর ও উপসচিব একেএমজি কিবরিয়া মজুমদার কবিতা আবৃত্তি এবং সিনিয়র কমিটি অফিসার ফারহানা বেগম বঙ্গবন্ধুর উদ্ধৃতি পাঠ করেন। অনুষ্ঠানে সিনিয়র সহকারী সচিব আব্দুল মুনিম, সহকারী সচিব আসিফ হাসান, কর্মচারীদের পক্ষ থেকে আতর আলী ও আবুল খায়ের উজ্জ্বল বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।- বণিক বার্তা
দেশে আরো ৩৭ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত শনাক্ত ২৫৯৫
১৭আগস্ট,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ৩৭ জনের প্রাণহানি হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে সংক্রমিত হয়ে মোট তিন হাজার ৬৯৪ জন প্রাণ হারালেন। একই সময়ে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন আরো দুই হাজার ৫৯৫ জন। এ নিয়ে দেশে শনাক্তকৃত করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো দুই লাখ ৭৯ হাজার ১৪৪ জন। আজ সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। দেশের ৮৭টি আরটি-পিসিআর ল্যাবের তথ্য তুলে ধরে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, করোনাভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১২ হাজার ৫২৩টি। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ লাখ ৬৪ হাজার ১৮৯টি। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও এক হাজার ৬৪১ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল এক লাখ ৬০ হাজার ৫৯১ জনে। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৫৭ দশমিক ৫৩ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২০ দশমিক ৭২ শতাংশ এবং এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ২০ দশমিক ৪৬ শতাংশ। তবে শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৩২ শতাংশ। গেল ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৩৭ জনের মধ্যে ২৮ জন পুরুষ এবং ৯ জন নারী। এ পর্যন্ত মৃত তিন হাজার ৬৯৪ জনের মধ্যে দুই হাজার ৯১৮ জন পুরুষ যা শতাংশের হিসাবে ৭৮ দশমিক ৯৯ শতাংশ এবং নারী মারা গেছেন ৭৭৬ জন, যা শতাংশের হিসাবে ২১ দশমিক ০১ শতাংশ। করোনায় গেল ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের বয়স বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, মৃতদের মধ্যে ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সী তিনজন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের আটজন, ৫১ থেকে ৬০ বছর বয়সী আটজন, ষাটোর্ধ্ব বয়সী রয়েছেন ১৮ জন। বিভাগ ভিত্তিক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, মৃতদের মধ্যে ঢাকার বাসিন্দা ২০ জন, খুলনার ছয়জন, চট্টগ্রামের চারজন, রাজশাহী এবং রংপুরে তিনজন করে এবং বরিশাল বিভাগের একজন রয়েছেন। উল্লেখ্য, বাংলাদেশে নভেল করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। সেদিন তিনজন আক্রান্ত শনাক্ত হওয়ার কথা জানায় সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)। ওই মাসের ১৮ তারিখে কভিড-১৯-এ প্রথম কোনো রোগীর মৃত্যু হয়। এরপর প্রায় পাঁচ মাস অতিবাহিত হতে চললেও সংক্রমণ ও মৃত্যু এখনো সেভাবে কমছে না।
সারাদেশে ভারী বৃষ্টি হতে পারে
১৭আগস্ট,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের উপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় বিরাজমান। সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরণের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেলেও দিনের তাপমাত্রা অপরির্বতিত থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। গতকাল রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট, ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরণের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। আবহাওয়ার সার সংক্ষেপে বলা হয়েছে, গাঙ্গেয় পশ্চিম এবং তৎসংলগ্ন বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি বর্তমানে ঝাড়খন্ড এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় লঘুচাপ হিসেবে অবস্থান করছে। মৌসুমী বায়ুর অক্ষের বর্ধিকাংশ রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ, লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল ও বাংলাদেশে মধ্যাঞ্চল হয়ে উত্তর-পূর্ব দিকে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। ইহার একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত অবস্থান করছে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশের উপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় বিরাজমান। আগামী দুই দিনে বা ৪৮ ঘণ্টায় বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে। বর্ধিত ৫ দিনের আবহাওয়ায় বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে গতকাল সন্ধ্যায় ঢাকায় বাতাসের গতি ও দিক দক্ষিণ-পূর্ব ও দক্ষিণ দিক দিয়ে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বয়ে গেছে যা অস্থায়ী দমকা হাওয়ায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে বয়ে যেতে পারে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৫ শতাংশ। আজ সোমবার ঢাকায় সূর্যোদয় হয়েছে ভোর ৫টা ৩৫ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে। গতকাল রোববার দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে কক্সবাজারে ১৮৭ মিলিমিটার। এ দিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল রাজশাহীতে ৩৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ছিল কক্সবাজারের ২৪ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
ষড়যন্ত্রের কুশীলবরা এখনও সক্রিয়: কাদের
১৬আগস্ট,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ষড়যন্ত্রের কুশীলবরা এখনও সক্রিয় রয়েছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। রোববার (১৬ আগস্ট) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভার সূচনা বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় গণভবন থেকে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওবায়দুল কাদের বলেন, উন্নয়নবিরোধী অপশক্তি এখনও চারপাশে। উগ্র সাম্প্রদায়িক অপশক্তি এখনও সুযোগ খুঁজছে। তারা উন্নয়ন, শান্তি ও স্বস্তির বাংলাদেশ চায় না। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সমৃদ্ধির আগামীর পথে এগিয়ে যাওয়া তাদের গাত্রদাহ। তারা এ দেশকে পাকিস্তানি ভাবধারায় ফিরিয়ে নিতে চায়। চায় সংঘাতে জর্জরিত রক্তময় প্রান্তর। তিনি বলেন, সকল বাধা অতিক্রম করে দেশের বিনির্মাণের অগ্রযাত্রা এগিয়ে যাবেই। সতর্কতার পাশাপাশি আমাদের ঐক্যের মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। এখানে কোনো ষড়যন্ত্রকারীর ঠাঁই নেই। সকল ষড়যন্ত্র মাড়িয়ে জনগণের ভালোবাসা, সমর্থন নিয়ে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির যে চলমান যাত্রা, তা এগিয়ে যাবে অদম্য গতিতে। ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, বিএনপি যে নির্যাতন-নিষ্ঠুরতা-নির্মমতার কথা বলে, তারা কি সবকিছু ভুলে যেতে চান? তারা ভুলে গেলেও জাতি ভুলে যায়নি। তাই বলব, আয়নায় নিজেদের চেহারা দেখুন। কলঙ্কিত ইতিহাস আর বিকৃত অবয়ব ছাড়া কিছুই দেখতে পাবেন না। বিএনপি দুর্নীতি নিয়ে কথা বলে। বিএনপি আর দুর্নীতি শব্দ দুটি অনেকটাই সমার্থক। তাদের সময় দেশ পরপর পাঁচবার দুর্নীতিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। দুর্নীতিকে তারা প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিল। তাদের মুখে অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে কথা বলা ‘ভূতের মুখে রাম নাম’ একই কথা। আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য খ ম জাহাঙ্গীর, ঢাকা মহানগন উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহম্মেদ মান্নাফি। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ। সভায় আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, ড. আব্দুর রাজ্জাক, শাজাহান খান ও আব্দুর রহমান, তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ ও আ ফ ম বাহা উদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক ও মির্জা আজম, আওয়ামী লীগ নেতা মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমাস সিরাজ, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, উপ প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডা. মোস্তফ জালাল মহিউদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
জিয়াকে লেখা কর্নেল বেগের চিঠিতে নতুন কাজটি কী ছিল?
১৬আগস্ট,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানিদের সংযোগ ছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, কর্নেল বেগ জিয়াউর রহমানকে চিঠি দিয়েছিল। ধন্যবাদ দিচ্ছে, নতুন কাজ দেওয়ার অঙ্গীকার করছে ওই চিঠিতে। সে কাজটা কী ছিল? রোববার (১৬ আগস্ট) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত স্মরণসভায় এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা ছিল কিন্তু তার সঙ্গে পাকিস্তানিদের সংযোগ ছিল। কর্নেল বেগ জিয়াউর রহমানকে চিঠি দিয়েছিল। কর্নেল বেগ, পরবর্তীকালে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান হয়। সে বাহবা দিচ্ছে। ধন্যবাদ দিচ্ছে। জিয়াউর রহমানের স্ত্রী ও তার পুত্ররা যে ভালো আছে সে কথাও জানাচ্ছে। জিয়াউর রহমান ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিল দাবি করে শেখ হাসিনা বলেন, এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সামরিক অফিসারদের কারা, কে মদত দিয়েছিল, তাদের পেছনে কারা ছিল? আমার বাবার কেবিনেটের উচ্চাবিলাসী একজন মন্ত্রী আর সহযোগী ছিল জিয়াউর রহমান। সে (জিয়া) এর সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে জড়িত ছিল। সেটা স্পষ্ট পাওয়া যায়- এই হত্যাকাণ্ডের পর বিবিসিতে কর্নেল ফারুক এবং কর্নেল রশিদ তারা একটি ইন্টারভিউ দেয়। যেখানে তারা স্পষ্ট বলে যে, তাদের সঙ্গে জিয়াউর রহমান সম্পূর্ণভাবে জড়িত ছিল। তার মদতেই তারা এই ঘটনা ঘটাতে সক্ষম হয়েছিল। ১৫ আগস্ট বিদেশে থাকায় প্রাণে বেঁচে যাওয়া বঙ্গবন্ধুর বড় মেয়ে শেখ হাসিনা বলেন, খুনের সঙ্গে জিয়া জড়িত সেটা আরও প্রমাণ হয় বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর, রাষ্ট্রপতিকে হত্যার পর, সেখানে সংবিধান মানা হয়নি, ভাইস প্রেসিডেন্ট সৈয়দ নজরুল ইসলাম কিন্তু সেখানে রাষ্ট্রপতি হননি, রাষ্ট্রপতি ঘোষিত হলো খন্দকার মোশতাক। আর খন্দকার মোশতাক রাষ্ট্রপতি হয়েই জেনারেল জিয়াকে বানালো সেনাবাহিনীর প্রধান। জেনারেল জিয়া যদি এই ষড়যন্ত্রে মোশতাকের সঙ্গে সম্পৃক্ত না থাকবে তাহলে কেন মোশতাক তাকেই বেছে নেবে সেনাপ্রধান হিসেবে? বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িত ছিল বলেই জিয়াউর রহমান এই খুনের ঘটনায় তদন্ত করতে দেয়নি দাবি করে শেখ হাসিনা বলেন, স্যার টমাস ইউলিয়াম কিউসি এমপি এবং নোবেল লরেট শন ম্যাক ব্রাইট তাদের নিয়ে একটা আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়। বৃটিশ এমপি অনেকে তখন আমাদের সহযোগিতা করে। তিনি যখন ভিসা চান, জিয়াউর রহমান তখন রাষ্ট্রপতি, জিয়াউর রহমান কিন্তু টমাস উইলিয়ামকে ভিসা দেয়নি। জিয়াউর রহমান কেন ভিসা দিল না। কেন তদন্ত করতে দিল না। এই প্রশ্নটা থেকে যায়। কারণ খুনের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে সে ভয়ে ভীত ছিল। সে তদন্ত করতে দেয়নি। তারা খুনিদের লালনপালন করে গেছে। শেখ হাসিনা বলেন, খুনিদের সব ধরনের মদত দেওয়া, এটাতো জিয়াউর রহমানই দিয়েছে এবং এখানেই তাদের শেষ না। এই খুনিরা যারা শুধু ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডই ঘটায়নি। ৩রা নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হত্যাকাণ্ড ঘটায়। তাদের (খুনিদের) বিদেশে পাঠিয়ে দেওয়া, তাদের রাজনৈতিক আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা। বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়ে জিয়াউর রহমান খুনিদের পুরস্কৃত করে। খুনিদের বিচার হবে না। ১৫ আগস্টের হত্যার বিচার হবে না। সেই ইনডেমনিটি অর্ডিনেন্স জারি করা হয়। তাদের বিচারের পথ বন্ধ করা হয়। তাদের বিচার করা যাবে না। আমরা যারা আপনজন হারিয়েছি আমাদের মামলা করার অধিকার ছিল না, বিচার করারও অধিকার ছিল না। বেঈমানরা কখনো ক্ষমতায় থাকতে পারে না মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মীর জাফর দুই মাসের বেশি ক্ষমতায় থাকতে পারেনি। ঠিক মোশতাকও পারেনি। মোশতাককে হটিয়ে জিয়াউর রহমান নিজেকে নিজেই ঘোষণা দিয়েছিল রাষ্ট্রপতি হিসেবে। জিয়াউর রহমানের শাসন আমলের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ৮১ সালে আওয়ামী লীগ যখন আমাকে সভাপতি নির্বাচিত করলো। যখন আমি বাংলাদেশে ফিরে আসি। তখনো ৩২ নম্বরের বাড়িতে আমাকে ঢুকতে দেয়নি। ৩২ নম্বরের রাস্তায় বসে আমরা মোনাজাত করি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। শোক দিবস পালন করা যাবে না, তার কথা বলা যাবে না। ইতিহাসকে সম্পূর্ণ বিকৃত করা হয়। স্বাধীনতা বিরোধীদের, রাজাকার-আল বদরদের জিয়াউর রহমান মন্ত্রী বানিয়েছে, রাজনীতি করা সুযোগ দিয়েছে, তাদের ভোটের অধিকার- এই সমস্ত লোকদের নির্বাচন করার অধিকার ছিল না। ভোট দেবার অধিকার ছিল না। সংবিধানের ১২ ও ৩৮ অনুচ্ছেদ বাতিল করে তাদের সংগঠন করা, নির্বাচন করার অধিকার দিয়েছে। জিয়াউর রহমান স্বাধীনতাকে ধূলিস্যাৎ করে বাংলাদেশকে ভিন্ন পথে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল বলেও মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসকে সম্পূর্ণ বিকৃত করা হয়েছিল। কোথাও জাতির পিতার নাম থাকলে সেটা মুছে ফেলা হতো। খালেদা জিয়ার সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান যেটুকু করে গিয়েছিল তার স্ত্রী এসে তো আরও বেশি। খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এসেকী করেছিল, ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশে একটা ভোটারবিহীন নির্বাচন হয়েছিল। কোন দল অংশগ্রহণ করেনি। নির্বাচনের নামে প্রহসন করেছিল। সারা বাংলাদেশে সেনাবাহিনী ডেপ্লয় করে দিয়ে সে নির্বাচন করার চেষ্টা করা হয়েছিল। ভোটাররাও ভোট দিতে আসেনি। তারপর খালেদা জিয়া নিজেকে নির্বাচিত ঘোষণা দিল। আর সে নির্বাচনে কর্নেল রশিদকে নির্বাচিত করা হলো। মেজর হুদাকে নির্বাচিত করা হলো। তাদের পার্লামেন্টে বসানো হলো। খুনি কর্নেল রশীদকে বিরোধী দলের আসনে বসানো হয়েছিল। খালেদা জিয়ার খুনিদের প্রতি এত দরদ কেন ছিল। সভায় সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। স্মরণসভায় বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ প্রান্তে দলটির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, কেন্দ্রীয় সদস্য আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন, ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি শেখ বজলুর রহমান এবং দক্ষিণের সভাপতি আবু আহাম্মদ মন্নাফি।- বাংলা নিউজ
মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত পুলিশ সদস্যরা নজরদারিতে: ডিএমপি কমিশনার
১৬আগস্ট,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। রোববার (১৬ আগস্ট) রাজধানীর রাজারবাগে পুলিশ অডিটরিয়ামে আয়োজিত ডিএমপির মাসিক অপরাধ সভায় তিনি একথা জানান। ডিএমপি কমিশনার বলেন, মাদকসেবী সন্দেহভাজন পুলিশ সদস্য ডোপটেস্ট করে পজিটিভ হলে তাকে চাকরি হারাতে হবে। যেসব পুলিশ সদস্য মাদকের সঙ্গে সম্পৃক্ত তাদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি করা হচ্ছে। যে উদ্দেশ্য ও শক্তি নিয়ে আমরা মাদকের বিরুদ্ধে নেমেছিলাম তা অব্যাহত রাখতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ডিএমপি সদস্যদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বিট পুলিশিং ও গ্রেফতার মাদক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য কাজে লাগিয়ে মাদকসেবীদের তালিকা করতে হবে। আমরা মাদকসেবীদের তালিকা তৈরি করে তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুনর্বাসনে সহাযোগিতা করবো। পথশিশুদের মাদকসেবনের বিষয়ে কমিশনার বলেন, যেসব পথশিশুরা মাদক ও ড্যান্ডি খাচ্ছে তাদের দিকে বিশেষ লক্ষ্য দিতে হবে। তারা ভবিষ্যতে বড় হয়ে ছিনতাইসহ অপরাধমূলক কাজ করার সম্ভাবনা রয়েছে। শিশুদের কাছে জুতার সল্যুশন আঠা যেসব দোকানদার বিক্রি করছে তাদের শিশুদের কাছে সল্যুশন আঠা বিক্রি না করার জন্য কঠোরভাবে সতর্ক করতে হবে। সভায় জানানো হয়, ডিএমপিতে জুলাই মাসে উদ্ধার করা মাদকের পরিমাণ, গ্রেফতার আসামিদের সংখ্যা ও এ সংক্রান্ত মামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এসময় জুলাই মাসের অপরাধ পর্যালোচনায় ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন কমিশনার।
নতুন করে আরও ১৩ জোড়া ট্রেন চলাচল শুরু
১৬আগস্ট,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ রোববার থেকে নতুন করে আরও ১২ জোড়া আন্তনগর ও এক জোড়া কমিউটার ট্রেনসহ মোট ১৩ জোড়া ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সব রুটের যাত্রীবাহী আন্তনগর ট্রেন চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেলওয়ে। রোববার (১৬ আগস্ট) সকাল থেকে ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে বিভিন্ন রুটে এই ১৩ জোড়া যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ রেলওয়ের উপ-পরিচালক (টিটি) খায়রুল কবির স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে ১৬ আগস্ট থেকে ১৩টি ট্রেন চলাচল শুরুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ১৩ জোড়া ট্রেনগুলোর মধ্যে রয়েছে-রাজশাহী-ঢাকা-রাজশাহী রুটে পদ্মা এক্সপ্রেস, ঢাকা-সিলেট-সিলেট রুটে পারাবত এক্সপ্রেস, ঢাকা-মোহনগঞ্জ-ঢাকা রুটে হাওড়া এক্সপ্রেস, ঢাকা-তারাকান্দি-ঢাকা রুটে অগ্নিবীণা এক্সপ্রেস, রাজশাহী-চিলাহাটি-রাজশাহী রুটে তিতুমীর এক্সপ্রেস, চট্টগ্রাম-ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে মহানগর এক্সপ্রেস, পঞ্চগড়-ঢাকা-পঞ্চগড় রুটে একতা এক্সপ্রেস, খুলনা-ঢাকা-খুলনা রুটে সুন্দরবন এক্সপ্রেস, চট্টগ্রাম-ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম রুটে বিজয় এক্সপ্রেস, ঢাকা-নোয়াখালী-ঢাকা রুটে উপকূল এক্সপ্রেস, খুলনা-চিলাহাটি-খুলনা রুটে সীমান্ত এক্সপ্রেস, গোবরা-রাজশাহী-গোবরা রুটে টঙ্গীপাড়া এক্সপ্রেস। এছাড়া ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ বাজার-ঢাকা রুটে জামালপুর কমিউটার ট্রেন চালানো হবে। এদিকে রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আন্তনগর ট্রেনের টিকিট আগের মতো অনলাইনে ও মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। যাত্রার দিনসহ পাঁচ দিন পূর্বে আন্তনগর ট্রেনসমূহের অগ্রিম টিকিট ইস্যু করা যাবে। যাত্রীদের সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কোচের ধারণক্ষমতার শতকরা ৫০ ভাগ টিকিট বিক্রি করা হবে। আন্তনগর ট্রেনে সকল প্রকার স্ট্যান্ডিং টিকিট সম্পন্ন বন্ধ থাকবে। বাংলাদেশ রেলওয়ে সূত্র জানায়, বর্তমানের মোট ১৭ জোড়া ট্রেন চলাচল করছে। আজ রেলের বহরে যুক্ত হলো আরও ১৩ জোড়া ট্রেন। সব মিলিয়ে এখন চলাচল করা ট্রেনের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়াল ৩০ জোড়ায়। উল্লেখ্য, করোনা পরিস্থিতির কারণে গত ২৪ মার্চ থেকে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় কিছু মালবাহী ট্রেন চলাচল অব্যাহত ছিল। গত ৩১ মে প্রথম দফায় আট জোড়া আন্তনগর ট্রেন চালু করা হয়। ৩ জুন দ্বিতীয় দফায় আরও ১১ জোড়া আন্তনগর ট্রেন বাড়ানো হয়। তবে কিছুদিন পর যাত্রী সংকটে দুই জোড়া ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানালেন ডিএমপি কমিশনার
১৫আগস্ট,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ডিএমপি নিউজঃ জাতীয় শোক দিবস ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৫ তম শাহাদত বার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করে বিনম্র শ্রদ্ধা জানালেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাঃ শফিকুল ইসলাম বিপিএম (বার)। ১৫ আগস্ট, ২০২০ শনিবার বেলা ১১.৩০ টার পরে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে স্থাপিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন। ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
জাতীয় শোক দিবসে জাতির পিতার স্মৃতির প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
১৫আগস্ট,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর ৪৫তম শাহাদৎ বার্ষিকী এবং জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতার স্মরণে নির্মিত জাদুঘরের (পূর্বতন বাসভবন) সামনে রক্ষিত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে স্বাধীনতার এই মহান স্থপতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান। প্রতিকৃতির বেদীতে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণের পর হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ এই বাঙালির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের অংশ হিসেবে তিনি সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। বাংলাদেশ সশ বাহিনীর একটি সুসজ্জিত চৌকস দল এ সময় রাষ্ট্রীয় সালাম জানায়, বিউগেলে করুন সুর বেজে ওঠে। পঁচাত্তরের ১৫ আগষ্ট শহিদদের স্মরণে অনুষ্ঠিত বিশেষ মোনাজাতে এ সময় অংশগ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী । বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁর সহধর্মিনী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব, তাঁর তিন ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল এবং শেখ রাসেলসহ পরিবারের অধিকাংশ সদস্য ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট কালরাতে কতিপয় বিপথগামী সেনা সদস্যদের বুলেটের নির্মম আঘাতে শহিদ হন। জাতির পিতার দুই কন্যা শেখ হাসিনা এবং শেখ রেহানা সে সময় বিদেশে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান। জাতির পিতার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রধানমন্ত্রী তাঁর মেয়ে, বিশ^ অটিজম আন্দোলনের অগ্রপথিক সায়মা ওয়াজেদ হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের জাতির পিতা এবং তাঁর পরিবারের স্মৃতি বিজড়িত ভবনটিতে যান (বর্তমানে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর) এবং সেখানে কিছু সময় অবস্থান করেন। যেখানে ৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট ইতিহাসের বর্বরতম এক হত্যাযজ্ঞ পরিচালিত হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী পরে বনানী কবরস্থানে যান। যেখানে তাঁর মা বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব, তিন ভাই শেখ কামাল, শেখ জামাল এবং শেখ রাসেলসহ সেদিনের ঘটনায় নিহত পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সমাহিত করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদনের পর কবরগুলোতে ফুলের পাঁপড়ি ছড়িয়ে দেন। তিনি সেখানে ফাতেহা পাঠ করেন এবং বিশেষ দোয়ায় শরিক হন।

জাতীয় পাতার আরো খবর