জাপানে বঙ্গবন্ধুর শাহাদৎ বাষির্কী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত
১৫আগস্ট,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাপানের টোকিওর বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযথ শ্রদ্ধা আর ভাবগর্ম্ভীর পরিবেশে স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস ২০২০ পালিত হয়েছে। আজ ঢাকায় প্রাপ্ত এক বার্তায় এ খবর জানা গেছে। আজ সকালে দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করার মধ্যে দিয়ে শোক দিবসের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচীর শুরু হয়। জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেন দূতাবাসের চার্জ দ্যা অ্যাফায়ারস ড. শাহিদা আকতার। এ সময় বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সকল শহীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন ও বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দোয়ায় দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রবাসী বাংলাদেশিগণ অংশগ্রহণ করেন। দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে জাতীয় শোক দিবস ২০২০ উপলক্ষে বাংলাদেশ দূতাবাস জাপান আয়োজিত অনুষ্ঠানের শুরুতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান চার্জ দ্যা অ্যাফায়ারস ড. শাহিদা আকতার। পরে আগত অতিথি জাপান প্রবাসী এবং জাপান আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানান। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র -প্রতিমন্ত্রীর দেয়া বাণীসমূহ পাঠ করা হয়। চার্জ দ্যা অ্যাফায়ারস ড. শাহিদা আকতার বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলেন বাঙ্গালী জাতির মুক্তির স্বপ্নদ্রষ্টা- তিনিই বাঙ্গালী জাতিকে এনে দিয়েছেন স্বাধীনতা ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। আজ বঙ্গবন্ধু আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তাঁর স্বপ্ন, আদর্শ ও নির্দেশনা আজও আমাদের সঠিক পথ দেখায়। আর তাঁর দেখানো পথ ধরেই তাঁর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক মুক্তির পথে এগিয়ে চলেছেন। ইনশাল্লাহ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্র হিসাবে গড়ে তুলবো। আলোচনা পর্বে প্রবাসী নেতৃবৃন্দ জাতীয় শোক দিবসের তাৎপর্য বিশ্লেষণ করেন এবং এই শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে আরও উদ্যম ও দেশপ্রেম নিয়ে দেশের উন্নয়নে অধিকতর অবদান রাখার অঙ্গীকার করেন। এছাড়া স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও জাতির পিতার সংগ্রাম আর কর্মময় জীবন নিয়ে করা একটি ভিডিও তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। (বাসস)
জাতির পিতাকে শ্রদ্ধা জানাতে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের অভিমুখে জনস্রোত
১৫আগস্ট,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদৎবার্ষিকী ও জাতীয় শোকদিবসে, তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সব জনস্রোত যেন ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে এসে মিলিত হয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল থেকেই ধানমন্ডি এলাকায় থেমে থেমে হচ্ছে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। এছাড়াও রয়েছে করোনা ভাইরাসের ঝুঁকি। তবে কোনো কিছুই জাতির পিতাকে শ্রদ্ধা নিবেদনে বাধার সৃষ্টি করতে পারেনি। করোনা ভাইরাস ও বৃষ্টিকে উপেক্ষা করেই জাতির পিতাকে শ্রদ্ধা জানাতে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের জনতার ঢল নামতে দেখা যায়। ভোর থেকেই রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে নগরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে জাতির পিতাকে শ্রদ্ধা জানাতে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষকে আসতে দেখা যায়। ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের সামনে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ হোসেন পুতুল। শনিবার সকাল ৮টায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এরপর একের পর এক শ্রদ্ধা নিবেদন করেন যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগ, তাঁতী লীগ, কৃষক লীগসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সহযোগী ও ভাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীরা। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) এবং ওয়ার্কার্স পার্টির পক্ষ থেকেও শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে আরও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন, শেরে-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় প্রেসক্লাব, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা শহীদ পরিবার, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি, আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ, আইনজীবী সমিতি, জয়বাংলা, সাংস্কৃতিক ফেডারেশন, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পরিষদ, বাংলাদেশ বেতার, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, শেখ রাসেল শিশু সংসদ, বাংলা একাডেমি, জাতীয় জাদুঘর, শিশু একাডেমি, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন ব্যাংক-প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। একইসঙ্গে হাজার হাজার সাধারণ মানুষেও ফুল দিয়ে মহান নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এ সময় বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা জানাতে আসা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ অনেককেই শোকের প্রতীক কালো পোশাক পরতে, হাতে কালো পতাকা এবং বুকে কালো ব্যাজ ধারণ করতে দেখা যায়। সকাল গড়িয়ে দুপুর হলেও বিভিন্ন সংগঠন এবং সাধারণ মানুষকে মহান নেতাকে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা যায়। শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসা সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে এ সময় ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’, পলাতক খুনিদের ফাঁসি চাই,’সহ বঙ্গবন্ধুর নামে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। ১৫ আগস্টের নির্মম হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সাজাপ্রাপ্ত পলাতক খুনিদের দ্রুত ফিরিয়ে এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক এমনটাই চাওয়া জাতীয় শোকদিবসে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতাকে শ্রদ্ধা জানাতে আসা মানুষদের।- বাংলা নিউজ
আজ জাতীয় শোক দিবস
১৫আগস্ট,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস। স্বাধীনতার স্থপতি, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালি জাতি গভীর শ্রদ্ধার সাথে পালন করে দিনটি। তবে এবার বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) এর কারণে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতপূর্বক স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি পালন করা হবে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোর রাতে সেনাবাহিনীর কিছুসংখ্যক বিপদগামী সদস্য ধানমন্ডির বাসভবনে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে। ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই হত্যা করেনি, তাদের হাতে একে একে প্রাণ হারিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বঙ্গবন্ধুর সন্তান শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশু শেখ রাসেলসহ পুত্রবধু সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল। পৃথিবীর এই জঘন্যতম হত্যাকান্ড থেকে বাঁচতে পারেননি বঙ্গবন্ধুর অনুজ শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, তার ছেলে আরিফ ও মেয়ে বেবি, সুকান্তবাবু, বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে যুবনেতা ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক শেখ ফজলুল হক মণি, তার অন্তঃস্বত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি এবং আবদুল নাঈম খান রিন্টু ও কর্নেল জামিলসহ পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও ঘনিষ্ঠজন। এ সময় বঙ্গবন্ধুর দু কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বিদেশে থাকায় প্রাণে রক্ষা পান। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণীতে মহান আল্লাহর দরবারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্টের সকল শহীদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন। দেশে করোনা মহামারি পরিস্থিতিতেও জাতীয় শোক দিবসকে সামনে রেখে এ মাসের প্রথম দিন থেকেই আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি পালন করছে। স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি অনুযায়ী ১৫ আগস্ট শনিবার সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি ভবনসমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। সকাল সাড়ে ৬টায় ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। এদিন সকাল সাড়ে ৭টায় ঢাকার বনানীস্থ কবরস্থানে ১৫ আগস্ট শাহাদতবরণকারী জাতির পিতার পরিবারের সদস্যবৃন্দ ও অন্যান্য শহীদদের কবরে পুষ্পস্তবক ও ফুলের পাপড়ি অর্পণ এবং ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। একই দিন সকাল ১০টায় গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে ফাতেহা পাঠ, পুষ্পস্তবকক অর্পণ এবং মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিস্থলে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতপূর্বক স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে বিশেষ দোয়া মাহফিলেরও আয়োজন করা হয়েছে। সরকারি ছুটির দিনে কর্মসূচি পালনে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতপূর্বক স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে সারা দেশের মসজিদসমূহে বাদ যোহর বিশেষে মোনাজাত এবং মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সুবিধাজনক সময়ে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ বেতার এবং বাংলাদেশ টেলিভিশন বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করবে। এছাড়াও জাতীয় দৈনিক ও সাময়িকীগুলো ক্রোড়পত্র প্রকাশ করবে। পোস্টার মুদ্রণ ও বিতরণ এবং বঙ্গবন্ধুর ওপর প্রামাণ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান/গ্রোথ সেন্টারসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে জাতীয় শোক দিবসের পোস্টার স্থাপন ও এলইডি বোর্ডের মাধ্যমে প্রচারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এছাড়াও জাতীয় শোক দিবসের তাৎপর্য উল্লেখ করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের মাধ্যমে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ সকল মোবাইল গ্রাহককে ক্ষুদে বার্তা প্রেরণ করবে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও সংস্থা জাতীয় শোক দিবসের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্ব স্ব কর্মসূচি প্রণয়ন করেছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে জাতীয় শোক দিবস পালনের জন্য সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতপূর্বক স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়েছে। বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশনসমূহে জাতীয় পতাকা অর্ধনর্মিত রাখা হবে এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় শোক দিবসে আওয়ামী লীগের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সূর্য উদয়ের সাথে সাথে বঙ্গবন্ধু ভবন এবং কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারাদেশে সংগঠনের সকল স্তরের কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন। সকাল ৯টায় ধানমন্ডিস্থ বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ। সকাল ১০টায় বনানী কবরস্থানে ১৫ আগস্টের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, মাজার জিয়ারত, ফাতেহা পাঠ, মোনাজাত ও মিলাদ মাহফিল। একই সময় টুঙ্গীপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়াও বাদ জোহর দেশের সকল মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল ও সুবিধা মতো সময়ে মন্দির, প্যাগোডা, গির্জা, উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা অুষ্ঠিত হবে। দুপুরে অস্বচ্ছল, এতিম ও দুঃস্থ মানুষদের মাঝে খাদ্য বিতরণ করা হবে। বস্তুত ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ থেকেই বাংলাদেশে এক বিপরীত ধারার যাত্রা শুরু হয়। গণতান্ত্রিক সরকারকে উৎখাত করে সামরিক শাসনের অনাচারের ইতিহাস রচিত হতে থাকে। সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর গোটা বিশ্বে নেমে আসে তীব্র শোকের ছায়া এবং ছড়িয়ে পড়ে ঘৃণার বিষবাষ্প। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর নোবেল জয়ী পশ্চিম জার্মানীর নেতা উইলি ব্রানডিট বলেন, মুজিবকে হত্যার পর বাঙালিদের আর বিশ্বাস করা যায় না। যে বাঙালি শেখ মুজিবকে হত্যা করতে পারে তারা যে কোন জঘন্য কাজ করতে পারে। ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক ও বিশিষ্ট সাহিত্যিক নীরদ সি চৌধুরী বাঙালিদের বিশ্বাসঘাতক হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, বাঙালি জাতির স্বপ্নদ্রষ্টা শেখ মুজিবকে হত্যার মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতি বিশ্বের মানুষের কাছে নিজেদের আত্মঘাতী চরিত্রই তুলে ধরেছে। দ্য টাইমস অব লন্ডন এর ১৯৭৫ সালের ১৬ আগস্ট সংখ্যায় উল্লেখ করা হয়, সবকিছু সত্ত্বেও বঙ্গবন্ধুকে সবসময় স্মরণ করা হবে। কারণ, তাঁকে ছাড়া বাংলাদেশের বাস্তব কোন অস্তিত্ব নেই। একই দিন লন্ডন থেকে প্রকাশিত ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশের লাখ লাখ লোক শেখ মুজিবের জঘন্য হত্যাকান্ডকে অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে বিবেচনা করবে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর স্বঘোষিত প্রেসিডেন্ট খন্দকার মোস্তাক আহমেদ বিচারের হাত থেকে খুনীদের রক্ষা করতে ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স জারি করেন। পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান ১৯৭৯ সালে ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্সকে আইন হিসেবে অনুমোদন করেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সুদীর্ঘ একুশ বছর পর ক্ষমতায় আসলে ১৯৯৬ সালের ১৪ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার তিন প্রধান আসামী লে. কর্নেল সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী তাহের উদ্দিন ঠাকুরকে গ্রেফতার করা হয়। একই বছরের ২ অক্টোবর বঙ্গবন্ধুর একান্ত সহকারি (পিএ) এ এফ এম মোহিতুল ইসলাম ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সংঘটিত নারকীয় হত্যাকান্ডের ঘটনায় থানায় একটি এফআইআর করেন। ১৯৯৬ সালের ১৪ নভেম্বর খুনীদের বিচারের হাতে ন্যস্ত করতে পার্লামেন্টে ইনডেমনিটি আইন বাতিল করা হয়। ১৯৯৭ সালের ১৫ জানুয়ারি সিআইডি এই মামলায় ২০ জনকে অভিযুক্ত করে মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে চার্জশীট দাখিল করে এবং একই বছরের ১২ মার্চ ছয় আসামীর উপস্থিতিতে আদালতে বিচার শুরু হয়। ১৯৯৭ সালের ১৯ জুন পর্যন্ত বিচারক বিব্রত হওয়াসহ স্বাধীনতা-বিরোধী চক্রের নানা বাধার কারণে আটবার বিচার কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়। এভাবে দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে ১৯৯৮ সালের ৮ নভেম্বর মামলার রায়ে বিচারক কাজী গোলাম রসুল ১৫ জন সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেন। অন্যদিকে ২০০০ সালের ১৪ ডিসেম্বর হাইকোর্ট বেঞ্চ ২৪ দিনের শুনানি শেষে বিভক্ত রায় প্রদান করে। বিচারক এম রুহুল আমিন অভিযুক্ত ১৫ আসামীর মধ্যে ১০ জনের মৃত্যুদ-াদেশ বজায় রাখেন। কিন্তু অপর বিচারক এ বি এম খায়রুল হক অভিযুক্ত ১৫ জনকেই সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদ- প্রদান করেন। পরবর্তীতে ২০০১ সালের অক্টোবরের সংসদ নির্বাচনে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় এলে বিচার কাজ বন্ধ থাকে। দীর্ঘ ছয় বছর পর ২০০৭ সালের ২৩ আগস্ট রাষ্ট্রপক্ষের মুখ্য আইনজীবী বর্তমান সরকারের আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সুুপ্রিম কোর্টে সংক্ষিপ্ত বিবৃতি প্রদান করেন এবং ২৩ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগের তিন সদস্যের একটি বেঞ্চ ২৭ দিনের শুনানি শেষে ৫ আসামীকে নিয়মিত আপিল করার অনুমতিদানের লিভ টু আপিল মঞ্জুর করেন। ২০০৯ সালের ১২ নভেম্বর- ২৯ দিনের শুনানির পর চূড়ান্ত আপিল শুনানি শেষ হয় এবং আদালত ১৯ নভেম্বর রায়ের তারিখ নির্ধারণ করেন। ওইদিন (১৯ নভেম্বর) বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পাঁচ সদস্যের বেঞ্চে হাইকোর্টের দেয়া রায় বহাল রেখে মৃত্যুদ-প্রাপ্ত ৫ আসামীর দায়ের করা আপিল আবেদন খারিজ করা হয়। ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি আপিলের রায়ের বিরুদ্ধে আসামীদের রিভিউ খারিজ হয়ে গেলে ২৮ জানুয়ারি ৫ আসামীর ফাঁসির রায় কার্যকর করে জাতিকে দায়মুক্ত করা হয়। ২০১০ সালের পর, ভারতে পালিয়ে থাকা বঙ্গবন্ধুর আরো একজন খুনি আবদুল মাজেদ এবছর দেশে ফিরে আসার পর গত ১২ এপ্রিল, ২০২০ তার ফাঁসি কার্যকর করা হয়। বঙ্গবন্ধুকে সপরিবার হত্যার ৪৫ বছর, নৃশংস ওই হত্যাকান্ডের মামলার ২৫ বছর এবং উচ্চ আদালতের রায়ে ৫ আসামির ফাঁসি কার্যকরের প্রায় দশ বছর পর গ্রেফতার হন খুনি মাজেদ। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আজ এক বিবৃতিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী, জাতীয় শোক দিবস যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে দেশবাসীকে সাথে নিয়ে পালন করার জন্য আওয়ামী লীগ, সহযোগী, ভ্রাতৃপ্রতিম, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ দলের সকল স্তরের নেতা-কর্মী, সমর্থকদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন।- একুশে টেলিভিশন
বঙ্গবন্ধুর ছবিযুক্ত ১০০ ডাকটিকিট নিয়ে বইয়ের মোড়ক উন্মোচন
১৪আগস্ট,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবিযুক্ত ১০০ স্মারক ডাক টিকিট সংবলিত বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেছেন। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন তিনি। এ সময় জাতীয় শোক দিবস ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে স্মারক ডাক টিকিট অবমুক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মোড়ক উন্মোচনের পর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার প্রধানমন্ত্রীর হাতে বইটি তুলে দেন।
বাংলাদেশে ফেসবুকের বিজ্ঞাপনী এজেন্টের বিরুদ্ধে মামলা
১৪আগস্ট,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশে ফেসবুকের বিজ্ঞাপনী এজেন্টের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে ভ্যাট গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। ভ্যাট (মূল্য সংযোজন কর) এর মাসিক রিটার্ন দাখিল, গ্রাহকদের কাছ থেকে কেটে নেওয়া ৯৩ লাখ ৩২ হাজার টাকার ভ্যাট ও ব্যবসায়িক ঠিকানা রাজস্ব বোর্ডকে অবহিতকরণ ছাড়াই পরিবর্তন করার অভিযোগে এ মামলা দায়ের করা হয়। সম্প্রতি ভ্যাট গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়। মামলা সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের মে মাসে ফেসবুকের বাংলাদেশি বিজ্ঞাপনী এজেন্সি হিসেবে ভ্যাট নিবন্ধন পায় এইচটিটিপুল বাংলাদেশ লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান যার বিন নম্বর (বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নম্বর) ০০২৮৪৮৮৩৬৭০২০৩। আর এতে প্রাতিষ্ঠানিক ঠিকানা হিসেবে দেখানো হয়, রাজধানীর ৩৩ কারওয়ান বাজারে অবস্থিত শাহ আলী টাওয়ারের ১১ তলার একটি অফিসকক্ষকে। তবে সেখানে প্রতিষ্ঠানটির কোনো কার্যক্রম বা অস্তিত্ব পায়নি ভ্যাট অধিদপ্তর। এদিকে বিন নিবন্ধনের পর থেকে এখন পর্যন্ত ৩১টি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে বিজ্ঞাপন সংগ্রহ করে এচটিটিপুল। ১৯৮টি চালানে প্রায় ছয় কোটি ২২ লাখ টাকার বিজ্ঞাপনের বিপরীতে ভ্যাট আরোপ হয় প্রায় ৯৩ লাখ ৩২ হাজার টাকা। তবে রিটার্ন দাখিল না করায় সেই ভ্যাট এখনো জমা পড়েনি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে। সম্প্রতি এক অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত করতে গিয়ে এসব তথ্য উঠে আসে ভ্যাট ও শুল্ক গোয়েন্দাদের সামনে। অধিদপ্তর বলছে, আইন অনুযায়ী, ভ্যাট নিবন্ধন পাওয়া প্রতিষ্ঠানকে প্রতি মাসে রিটার্ন দাখিল করতে হবে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি যদি তার ঠিকানা পরিবর্তন করে তাহলে নোটিশের মাধ্যমে জানাতে ভ্যাট অফিসকে। সেই কাজটিও করেনি এইচটিটিপুল বাংলাদেশ।
বঙ্গবন্ধুর জন্য ৫০ হাজার বার কোরআন খতম করলো এতিম শিশুরা
১৪আগস্ট,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মুজিবর্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার নিদর্শন এবং তিনিসহ সব শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় এক লাখ বার পবিত্র কোরআন খতমের উদ্যোগ নিয়েছে সরকারি শিশু পরিবার এবং বেসরকারি এতিম খানার শিশুরা। এরইমধ্যে ৫০ হাজার বার কোরআন খতম করেছে তারা। এতে অংশ নিয়েছে প্রায় ৭১ হাজার শিশু। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে ৫০ হাজার বার পবিত্র কোরআন খতম এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে এ কথা জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ জয়নুল বারী। সমাজসেবা অধিদপ্তর এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছিল। সমাজসেবা অধিদপ্তর মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ দোয়া মাহফিলে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সমাজসেবা অধিদপ্তর প্রান্তে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ ও প্রতিমন্ত্রী মো. আশরাফ আলী খান খসরু। গণভবন প্রান্তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব আহমদ কায়কাউস, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব ইহসানুল করিমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। কোরআন খতমের তথ্য তুলে ধরে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ জয়নুল বারী বলেন, মুজিবর্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার নিদর্শন এবং তিনিসহ সব শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় ৮৫টি সরকারি শিশু পরিবার, ৩ হাজার ৯২৮টি ক্যাপিটেশন গ্র্যান্ডপ্রাপ্ত বেসরকারি এতিমখানার নিবাসীরা এক লাখ বার পবিত্র কোরআন খতমের উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল। তিনি জানান, গত মার্চ থেকে শুরু করে ৮২টি সরকারি শিশু পরিবার ও দুই হাজার ৮৭০টি বেসরকারি এতিমখানার ৭০ হাজার ৮৫০ জন নিবাসী ৫০ হাজার বার পবিত্র কোরআন খতম করেছে। সে উপলক্ষে আজকের এই মিলাদ মাহফিল। অনুষ্ঠানে সরকারি শিশু পরিবারের এতিম শিশুদের মধ্যে দুইজন শিশু কথা বলে। তারা শিশু পরিবারগুলোতে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করে। দোয়া মাহফিলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ১৫ আগস্টের সব শহীদ, জাতীয় চার নেতা, মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা আন্দোলনসহ ন্যায় প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে সব শহীদের রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনার পাশাপাশি দেশ ও দেশের জনগণের কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে দোয়া করা হয়। কোরআন খতমের জন্য এতিম শিশুসহ সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, যারা কোরআন খতম করেছো এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। ১৫ আগস্ট বাবা-মাসহ সবাইকে একসঙ্গে হারানোর কথা উল্লেখ করে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, এতিম হওয়ার কষ্টটা আমরা বুঝি। এতিম শিশুদের প্রতি নিজের ভালোবাসার কথা জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, তোমরা একেবারে একা না। আমরা আছি তোমাদের পাশে। আমি এবং আমার ছোট বোন সবসময় তোমাদের কথা চিন্তা করি। এতিম শিশুদের লেখাপড়া করে নিজেদের তৈরি করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তোমাদের মধ্যে অনেক মেধাবী আছো, যারা একদিন এই দেশে অনেক বড় কাজ দেশের জন্য করতে পারবে। মানুষের জন্য করতে পারবে। সেভাবে কাজ করবে। সততা নিষ্ঠা একাগ্রতা নিয়ে কাজ করবে। তিনি বলেন, নিজেদের যদি দেশের জন্য তৈরি করো বড় হয়ে আরও এতিমদের জন্য সাহায্য করতে পারবে। তাদের পাশে দাঁড়াতে পারবে। তাদের জন্য সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়তে সহায়তা করতে পারবে। ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু যুদ্ধ শিশুদের পুনর্বাসনে চাইল্ড প্রটেকশন সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেন। যুদ্ধ শিশুদের সেখানে লালন-পালন, চিকিৎসা, শিক্ষা, দত্তক দেওয়া ইত্যাদির ব্যবস্থা করা হতো। আজকের শিশু পরিবার তারই পরিবর্তিত রূপ। বর্তমানে বাংলাদেশে ৮৫টি সরকারি শিশু পরিবার এবং ৬টি ছোটমনি নিবাস রয়েছে। ছোটমনি নিবাসগুলোতে পিতৃমাতৃহীন নবজাতক থেকে শুরু করে ছয় বছর পর্যন্ত শিশুদের লালন-পালন করা হয়। এছাড়াও রয়েছে দুঃস্থ প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্র, শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র, সরকারি আশ্রয় কেন্দ্র, বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধীদের জন্য প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্র। এছাড়া বেসরকারি এতিমখানার শিশুদের ভরণপোষণের জন্য প্রতিটি এতিম শিশুর বিপরীতে সরকারি অনুদান দেওয়া হয়।- বাংলা নিউজ
বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের ফেরানোর সবশেষ তথ্য জানালেন আইনমন্ত্রী
১৪আগস্ট,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক পাঁচ খুনির মধ্যে নূর চৌধুরী কানাডায় কীভাবে আছেন তার কাগজপত্র বাংলাদেশকে দিতে সম্মতি দিয়েছে দেশটির আদালত। আর যুক্তরাষ্ট্রের থাকা খুনি রাশেদ চৌধুরীকে ফিরিয়ে আনতে অগ্রগতির ব্যাপারে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। পঁচাত্তরের বিভীষিকাময় ১৫ আগস্টের ৪৫তম শাহাদৎ বার্ষিকীর আগে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) এক ভিডিও বার্তায় সরকারের কাছে থাকা সবশেষ তথ্য জানান আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন, বাকি তিন খুনি কর্নেল শরীফুল হক ডালিম, কর্নেল রশীদ এবং মোসলেউদ্দিন রিসালদারের অবস্থান না জানলেও সরকার অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে। ১৫ আগস্টের আগে আইনমন্ত্রীর কাছে সর্বশেষ জানতে চেয়েছিলেন সাংবাদিকেরা। সন্ধ্যায় ভিডিও বার্তায় আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, আমাদের সাংবাদিক ভাইয়ের জিজ্ঞাসা করেছেন, বঙ্গবন্ধুর যে খুনিদের রায় এখনও কার্যকর করা যায়নি এবং যারা পলাতক আছেন তাদের ব্যাপারে আমরা কী কী পদক্ষেপ নিয়েছি? সেই ক্ষেত্রে আমি বলতে পারি, কানাডায় নূর চৌধুরী পলাতক আছেন। তিনি কানাডীয় সরকারকে বলেছেন বাংলাদেশে তাকে একটি মামলায় ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়েছে। কানাডীয় সরকারের একটি আইন আছে যেটা হচ্ছে, যে দেশে মৃত্যুদণ্ড আছে সেখানে মৃত্যুদণ্ড হতে পারে এ রকম কোনো আসামিকে ফেরত পাঠায় না। সেই আবেদনের কারণে তিনি সেখানে বসবাসরত আছেন। অইনমন্ত্রী বলেন, তিনি (নূর চৌধুরী) কানাডীয় সরকারের কাছে কী লিখেছেন এবং কী পরিপ্রেক্ষিতে তাকে সেখানে থাকার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে সেগুলো জানার জন্য আমরা কানাডীয় সরকারের কাছে সেই কাগজপত্রগুলো চেয়েছিলাম। কানাডীয় সরকার জবাব দিয়েছেন যে, তাদের প্রাইভেসি অ্যাক্টে এসব কাগজগুলো দেওয়া যায় না। তখন আমরা সেখানে আইনজীবী নিয়োগ করে আদালতে আবেদন করেছিলাম। আদালত বলেছেন এই কাগজগুলো দেওয়া যাবে। তার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা এখন অগ্রসর হচ্ছি। আইনমন্ত্রী বলেন, আরেক খুনি রাশেদ চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়েছিলেন। সেই ব্যাপারে আমরা এখন যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে সেটা অবজার্ভ করছি এবং এর অগ্রগতির ব্যাপারে আমরা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। বাকি তিন জনের বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে জানিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, আর বাকি তিন জনের ব্যাপারে তাদের অবস্থান সন্ধন্ধে জানি না, কিন্তু আমাদের অনুসন্ধান চলছে। আমরা মনে করি যে, আমাদের এই প্রচেষ্টায় সাফল্য লাভ করবো। আইনমন্ত্রী বলেন, আমি একটাই কথা বলে রাখতে চাই, সেটা হচ্ছে যতক্ষণ পর্যন্ত না আমরা এই পাঁচ জন পলাতক খুনিকে দেশে ফিরিয়ে এনে এই রায় সম্পূর্ণভাবে কার্যকর না করতে পারবো, ততক্ষণ পর্যন্ত তাদেরকে খুঁজে বের করা ও আনার প্রচেষ্টা চলবে। যখন তাদেরকে আনা হবে তখনই এই প্রচেষ্টার পরিসমাপ্তি ঘটবে।
করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৪৪, শনাক্ত ২৬১৭
১৩আগস্ট,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে তিন হাজার ৫৫৭ জনের। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন দুই হাজার ৬১৭ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ৬৯ হাজার ১১৫ জনে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞতিতে এ তথ্য জানানো হয়। তিনি জানান, ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ও বাড়িতে উপসর্গ বিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৭৮২ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন এক লাখ ৫৪ হাজার ৮৭১ জন। তিনি আরো জানান, সারাদেশে সরকারি ও বেসকারি ব্যবস্থাপনায় ৮৭ টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৩ হাজার ১৬২ টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১৩ লাখ ১৫ হাজার ৯০১ টি। নাসিমা সুলতানা জানান, ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৪৪ জনের মধ্যে ৩১ জন পুরুষ ও নারী ১৩ জন। এদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা বিভাগে ১৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ছয় জন এবং রাজশাহী ও বরিশাল বিভাগে তিন জন করে ছয় জন, খুলনা বিভাগে সাত জন, সিলেট বিভাগে চার জন, রংপুর বিভাগে দুই জন রয়েছেন। এদের মধ্যে হাসপাতালে মারা গেছেন ৪১ জন, বাড়িতে তিন জন। মৃতদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৬০ বছরের উর্ধ্বে ২৫ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১১ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে সাত জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে এক জন রয়েছেন। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ৮১৩ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৮৩৫ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন ৬০ হাজার ২০ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র নিয়েছেন ৪০ হাজার ৩১২ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ১৯ হাজার ৭০৮ জন।
এসকে সিনহাসহ ১১ জনের বিচার শুরু
১৩আগস্ট,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চার কোটি টাকা স্থানান্তর ও আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাসহ (এসকে সিনহা) ১১ আসামির বিচার শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদলেতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। আদালত এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৮ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন। দুদকের সহকারী পরিদর্শক আক্কাস আলী নিউজ একাত্তরকে এ তথ্য জানান। এ মামলায় অভিযোগ গঠনের জন্য ২৩ এপ্রিল দিন ধার্য ছিল। তবে করোনা পরিস্থিতিতে আদালত বন্ধ থাকায় তা পিছিয়ে ১৩ আগস্ট ধার্য হয়। সে অনুযায়ী বৃহস্পতিবার আদালত বিচার শুরুর আদেশ দিলেন। গত ২০ ফেব্রুয়ারি মামলাটি বিচারের জন্য এ আদালতে বদলির আদেশ দেন ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশ। এ মামলায় ১১ আসামির মধ্যে ফারমার্স ব্যাংকের (বর্তমান পদ্মা ব্যাংক লিমিটেড) সাবেক এমডি একেএম শামীম ও এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সাবেক ক্রেডিট প্রধান গাজী সালাহউদ্দিন গত ২০ ফেব্রুয়ারি আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিন নিয়েছেন। অন্য মামলায় গ্রেফতার থাকা মো. মাহবুবুল হক চিশতীকেও (বাবুল চিশতী) এ মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তাই এসকে সিনহাসহ মোট ৮ আসামি এখন পলাতক। তারা হলেন- ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট স্বপন কুমার রায়, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট সফিউদ্দিন আসকারী আহমেদ, ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. লুৎফুল হক, টাঙ্গাইলের মো. শাহজাহান, নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা, সাভারের শ্রীমতি সান্ত্রী রায় (সিমি) ও শ্রী রনজিৎ চন্দ্র সাহা। গত ৯ ডিসেম্বর ১১ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করা হয়। অভিযোগত্রে ফারমার্স ব্যাংকের নিরীক্ষা কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক চিশতীর (বাবুল চিশতী) নাম নতুনভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আর তদন্তকালে এজাহারনামীয় আসামি ফারমার্স ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সাবেক শাখা ব্যবস্থাপক (গুলশান) মো. জিয়া উদ্দিন আহমেদ মারা যাওয়ায় তাকে এ মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। সেই অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে গত ৫ জানুয়ারি এসকে সিনহাসহ অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তার করে নিজেরা লাভবান হয়ে এবং অন্যদের লাভবান করে অবৈধভাবে ভুয়া ঋণ সৃষ্টির মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করে নগদে উত্তোলন ও বিভিন্ন পে-অর্ডারের মাধ্যমে স্থানান্তর করে অর্জিত অপরাধলব্ধ আয় উত্তোলন, স্থানান্তর ও নিজেদের ভোগদখলে রেখে অবৈধ প্রকৃতি উৎস অবস্থান গোপন করে পাচার করেছেন বা পাচারের ষড়যন্ত্রে সংঘবদ্ধভাবে সম্পৃক্ত থেকে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯ ও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২)(৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। এর আগে ২০১৯ সালের ১০ জুলাই ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভুয়া ঋণের মাধ্যমে চার কোটি টাকা স্থানান্তর ও আত্মসাতের অভিযোগ মামলাটি করে দুদক। গত ৪ ডিসেম্বর এ মামলায় অভিযোগপত্র অনুমোদন দেয় সংস্থাটি।

জাতীয় পাতার আরো খবর