মাটির নিচে তার নিতে আসছে ২০ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প
১৩আগস্ট,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানী ও নারায়ণগঞ্জের সব বৈদ্যুতিক সঞ্চালন লাইন মাটির নিচে স্থাপন করতে ২০ হাজার ৫০১ কোটি ৫২ লাখ টাকার প্রকল্প গ্রহণ করতে যাচ্ছে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি)। তবে এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের আগে পাইলট প্রকল্প হাতে নিতে যাচ্ছে সরকার। পাইলট প্রকল্পের আওতায় নতুন করে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে ১ লাখ ১৫ হাজার গ্রাহককে বিদ্যুৎ সংযোগ দেবে ডিপিডিসি। এছাড়া হাতিরঝিল ও ধানমন্ডি এলাকার সব বিদ্যুৎ বিতরণ লাইন মাটির নিচে স্থাপন করা হবে। ডিপিডিসির আওতাধীন এলাকায় উপকেন্দ্র নির্মাণ ও পুর্নবাসন, বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় ক্যাপাসিটি ব্যাংক স্থাপন এবং স্মার্ট গ্রিড ব্যবস্থার প্রবর্তন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের কিছু এলাকায় মাটির নিচে চলে যাবে বিদ্যুতের তার। এতে সুফল পাওয়া গেলে ব্যাপক আকারে বড় প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। প্রকল্পের প্রস্তাবিত ব্যয় ১ হাজার ৪৫৪ কোটি ৪ লাখ টাকা। প্রকল্পের আওতায় নতুন সাবস্টেশন স্থাপন ও পুরনো সাবস্টেশনের সংস্কারসহ স্মার্ট গ্রিড স্থাপন করা হবে। পরবর্তী জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে প্রকল্পটি উপস্থাপন করা হতে পারে। অনুমোদন পেলে চলতি আগস্ট থেকেই ২০২৩ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে ডিপিডিসি। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে ছয়টি নতুন সাবস্টেশন নির্মাণসহ তিনটির সংস্কার ও ক্ষমতা বাড়ানো হবে। স্মার্ট গ্রিড বসানোর ফলে বিদ্যুতের টেকনিক্যাল লসও কমবে। প্রকল্প প্রসঙ্গে পরিকল্পনা কমিশেনর শিল্প ও শক্তি বিভাগের সদস্য (সচিব) প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, প্রকল্পটি পরবর্তী একনেক সভায় উপস্থাপন করা হবে। প্রকল্পের কিছু কাজ সংযোজন করা হবে। এর আওতায় ঢাকার কিছু এলাকায় পরিক্ষামূলক বা পাইলট হিসেবে তার বিদ্যুতের তার মাটির নিচে নেওয়া হবে। এতে সুফল পাওয়া গেলে বড় প্রকল্প গ্রহণ করবে সরকার। কিছু এলাকায় স্মার্ট গ্রিড ব্যবস্থার চালু করা হবে। এর ফলে গ্রাহক ঘরে বসেই মিটারের সব তথ্য পাবেন। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ডিপিডিসি এলাকায় বিদ্যুদের চাহিদা বাড়ছে। ফলে সিস্টেমের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালে বিদ্যুতের সম্ভাব্যতা চাহিদার পরিমাণ দাঁড়াবে ৩ হাজার ২৮৫ মেগাওয়াট। এ প্রেক্ষাপটে ডিপিডিসি এলাকায় নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন উপায়ে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য নতুন ১৩২/৩৩ কেভি ও ৩৩/১১ কেভি সাবস্টেশন নির্মাণসহ বিদ্যমান ৩৩/১১ কেভি সাবস্টেশনগুলোর সংস্কার প্রয়োজন। প্রকল্পটির আওতায় ডিপিডিসির অধীন রাজধানীর ঝিগাতলা, লালমাটিয়া, আসাদগেট, সাত মসজিদ রোড ও গ্রিন রোডের মোট পাঁচটি ৩৩/১১ কেভি সাবস্টেশনে পাইলটিং বেসিসে স্মার্ট গ্রিড সিস্টেম চালু করা হবে। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে সাবস্টেশন ও ফিডার লেভেলের ত্রুটি চিহ্নিত করা, আইসোলেশন অ্যান্ড সার্ভিস রেস্টোরেশন এবং অপটিক্যাল নেটওয়ার্ক রিকনফিগাশেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে জানার সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি গ্রিড ব্যবস্থায় অটোমেটিক সার্কিট রিক্লোজার, রিং মেইন ইউনিট, অপটিক্যাল ফাইবার, লোড সুইচ, ডিজিটাল ইত্যাদি স্থাপনের মাধ্যমে ফিডার অটোমেশনের ব্যবস্থা করা হবে। ফলে মিটার রিডিংসহ অনলাাইনে ট্রান্সফরমারের কার্যক্রম মনিটর করা সম্ভব হবে। এ সংক্রান্ত রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় ও টেকনিক্যাল লস উল্লেখযোগ্য হারে কমবে। প্রকল্পর আওতায় প্রধান কার্যক্রমগুলোর মধ্যে শিমরাইলের মোহাম্মদী স্টিল ও শ্যামপুরে দু’টি ১৩২/৩৩ কোভি গ্রিড সাবস্টেশন নির্মাণ করা হবে। এছাড়া কামরাঙ্গীরচর, কল্যাণপুর, লালবাগ ও মাদারটেকে চারটি ৩৩/১১ কেভি সাবস্টেশন স্থাপন করা হবে। বিদ্যমান উপকেন্দ্রগুলোতে ক্যাপাসিটি ব্যাংক স্থাপনের মাধ্যমে ১৩২ কেভি, ৩৩ কেভি ও ১১ কেভি ভোল্টেজ লেভেলে পাওয়ার ফ্যাক্টরের উন্নয়ন করা হবে। ডেমরা, তালতলা ও কুমারটুলিতে তিনটি ৩৩/১১ কেভি সাবস্টেশনের সংস্কার করা হবে। কামরাঙ্গীরচর, লালমাটিয়া, গ্রিন রোড, খানপুর ও খিলগাঁও— এই পাঁচটি সাবস্টেশনে এআইএস ব্রেকারের পরিবর্তে জিআইএস (জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সিস্টেম) ব্রেকার স্থাপন করা হবে। এছাড়া ঝিগাতলা, লালমাটিয়া, আসাদ গেট, সাত মসজিদ রোড ও গ্রিন রোডে পাইলটিং ভিত্তিতে পাঁচটি ৩৩/১১ কেভি সাবস্টেশনে স্মার্ট গ্রিড সিস্টেম চালু করা হবে। ছয়টি সাবস্টেশনে ভবনও নির্মাণ করা হবে।
বড় ধরনের জঙ্গি হামলা চালানোর সক্ষমতা নব্য জেএমবির নেই: মনিরুল
১৩আগস্ট,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম বিভাগের (সিটিটিসি) টিমের প্রধান মো. মনিরুল ইসলাম বলেছেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন নব্য জেএমবির (জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ) বড় ধরনের জঙ্গি হামলা চালানোর মতো সক্ষমতা নেই। তাদের নেটওয়ার্ক ভেঙ্গে গেছে। তিনি বলেন, তাদের সক্ষমতা আগের চেয়ে অনেক কমে গেছে। বর্তমানে নব্য জেএমপির সদস্যরা অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে। তিনি আরও বলেন, গ্রেফতারকৃতরা নব্য জেএমবির সামরিক শাখার সদস্য। তারা হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার শরীফে আরেকটি হামলার পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু পুলিশের কড়া নজরদাদির কারণে তাদের মিশন ব্যর্থ হয়। বুধবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মো. মনিরুল ইসলাম। সিটিটিসি টিমের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন। মনিরুল ইসলাম বলেন, পল্টনে বোমা বিস্ফোরনের ঘটনায় মঙ্গলবার অপারেশন এলিগ্যান্ট বাইট চালিয়ে সিলেটের মিরাবাজার, টুকের বাজার, দক্ষিণ সুরমাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে নব্য জেএমবির ৫ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- শেখ সুলতান মোহাম্মদ নাইমুজ্জামান (২৬), সানাউল ইসলাম সাদি (২৮), রুবেল আহমেদ (২৮), আব্দুর রহিম জুয়েল (৩০) ও সায়েম মির্জা (২৪)। তাদের কাছ থেকে বোমা তৈরির সরঞ্জাম, ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, গ্রেফতারকৃতরা নব্য জেএমবির সামরিক শাখার সদস্য। তারা কথিত আইএস এর দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য গত ঈদুল আযহার পূর্বে দেশের বিভিন্ন স্থানে হামলার পরিকল্পনা গ্রহণ করে। এর অংশ হিসেবে তারা গত ২৪ জুলাই রাজধানীর পল্টনে পুলিশ চেকপোস্টের পাশে এবং গত ৩১ জুলাই নওগাঁ জেলার সাপাহার এলাকায় হিন্দু ধর্মালম্বিদের মন্দিরে বোমা হামলা করে। এছাড়া তারা গত ২৩ জুলাই হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার শরীফে আরেকটি হামলার পরিকল্পনা গ্রহণ করে। এর মধ্যে তারা পল্টন ও সাপাহারে বোমা বিস্ফোরণ ঘটাতে সক্ষম হয়। কিন্তু সিলেটে পুলিশের কড়া নজরদারির কারণে তারা ব্যর্থ হয়। প্রাথমিক জিঞ্জাসাবাদে তারা জানান, নব্য জেএমবির শুরা সদস্য শেখ সুলতান মোহাম্মদ নাইমুজ্জামানের নেতৃত্বে তারা সিলেটের শাপলাবাগের একটি বাসায় কম্পিউটার প্রশিক্ষণের আড়ালে সামরিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলো। তাদের মধ্যে শেখ সুলতান মোহাম্মদ নাইমুজ্জামান কফি শপে (বারিস্তা) কপি মেকার হিসেবে কাজ করে। তিনি ২০১৯ সালে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্র বিজ্ঞানে অনার্স সম্পন্ন করে। তিনি ছাত্রজীবনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। সামরিক শাখার প্রধান প্রশিক্ষক এবং সামরিক প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে তিনি সিলেটের শাপলাবাগের বাসাটি ভাড়া নেয়। সানাউল ইসলাম শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিসংখ্যান বিভাগের ছাত্র। জঙ্গিরা আরো জানান, রুবেল আহমেদ ২০১৬ সালে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ব্লু-বার্ড সিলেট শাখা থেকে এইচএসসি পরীক্ষা দেয়। তিনি সিলেটে টুকেরবাজারে সার, বীজ ও কিটনাশকের ব্যবসা করতেন। আব্দুর রহিম জুয়েল রেন্ট এ কারের ড্রাইভার হিসেবে কাজ করত। তার গাড়ি ব্যবহার করে তারা সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা করেছিলো। সায়েম মির্জা সিলেটের মদন মোহন কলেজের অনার্স শেষ বর্ষের ছাত্র। উল্লেখ্য, তারা গত ২৪ জুলাই দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর পল্টন মডেল থানার পুরানা পল্টন এলাকায় বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। ঘটনাস্থল থেকে আইইডিতে ব্যবহৃত ইলেকট্রিক টেপ, জিআই পাইপের কনটেইনার, সার্কিটের অংশ, তারের অংশ বিশেষ, লোহার তৈরি বিয়ারিং ও বল, নাইন ভোল্ট ব্যাটারির অংশ বিশেষ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ডিএমপির পল্টন মডেল থানায় একটি মামলা হয়েছে। সূত্র : দেশ বিদেশ
পদ্মা সেতু রক্ষণাবেক্ষণ ও টোল আদায়ে কোরিয়ান কম্পানি কেইসি
১৩আগস্ট,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পদ্মা বহুমুখী সেতুর র্নিমাণ কাজ শেষে সেতুর রক্ষণাবেক্ষণ ও টোল আদায় কার্যক্রম পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে এবং জনর্স্বাথে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি অনুসরণ করে কোরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে কর্পোরেশনকে (কেইসি) নিয়োগ দিচ্ছে সরকার। কেইসিকে নিয়োগের জন্য পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা, ২০০৮ এর ৭৬(২) বিধিতে উল্লিখিত মূল্যসীমার ঊর্ধ্বের ক্রয়ের প্রস্তাব অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে অনুমোদন দেওয়া হয়। বুধবার কমিটির আহ্বায়ক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল সভায় এ সংক্রান্ত প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী জুম প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, পৃথিবীর সব দেশে ঘর থেকে বের হলে কোনো না কোনোভাবে সরকারকে টোল দিতে হয়। ব্রিজ, রাস্তাসহ অন্যান্য ক্ষেত্রেও টোল দিতে হয়, যাতে এগুলো মেনটেইন করা যায়। আমাদের দেশে এ ব্যবস্থাটি এখনো চালু করতে পারিনি। যেসব ক্ষেত্রে চালু রয়েছে সেগুলো ম্যানুয়ালি। মানুষজন অনেক কষ্ট পায়। সেগুলো এখনো আমরা অটোমেশন করতে পারিনি। অর্থমন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য কোরিয়া এক্সপ্রেসওয়ে কর্পোরেশনকে (কেইসি) কন্ট্রাক দেওয়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। কেইসি কোরিয়ার অলমোস্ট সমস্ত টোল ম্যানেজ করে। আমরা টোল ব্যবস্থাপনায় পিছিয়ে রয়েছি, যদি এদের আমরা পাই তাহলে টোল ব্যবস্থাপনায় একটা মাইলফলক সৃষ্টি হবে। সেজন্য জাতীয় স্বার্থে আমরা এ প্রস্তাবটি অনুমোদন দিয়েছি। বৈঠকে অপর একটি প্রস্তাবে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন র্বোড র্কতৃক বাস্তবায়নাধীন মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলায় আড়িয়াল খাঁ নদীতীর সংরক্ষণ ও ড্রেজিং র্শীষক প্রকল্পের কাজসমূহ রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে পিপিএ-২০০৬ এর ধারা ৬৮(১) ও পিপিআর-২০০৮ এর বিধি ৭৬(২) অনুসারে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি (ডিপিএম) অনুসরণে বাস্তবায়নের প্রস্তাব শর্তাসাপেক্ষে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সূত্র : কালের কণ্ঠ
মেজর সিনহা হত্যা: গণশুনানি করবে তদন্ত কমিটি
১৩আগস্ট,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া পুলিশ চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা মো: রাশেদ খানের নিহত হওয়ার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে গণশুনানি করতে যাচ্ছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি। এ বিষয়ে বুধবার (১২ আগস্ট) সন্ধ্যায় একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ি, আগামী ১৬ আগস্ট (রোববার) সকাল ১০টায় এই গণশুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। টেকনাফ শামলাপুর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ক্যাম্প ইনচার্জের (সিআইসি) কার্যালয়ে এই শুনানিতে প্রত্যক্ষদর্শীদের নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে। বুধবার (১২ আগস্ট) কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও মেজর (অব.) সিনহা রাশেদ খানের মৃত্যুজনিত ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটির সদস্য মোহাম্মদ শাজাহান আলি স্বাক্ষরিত গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গত ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর এলাকায় চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর অব. সিনহা রাশেদ খান। এ ঘটনায় মেজর সিনহার বোনের করা মামলায় বাহারছড়া তদন্তকেন্দ্রের পরিদর্শক লিয়াকত আলীকে প্রধান আসামি এবং ২ নম্বর আসামি করা হয় টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে। এছাড়া আরও সাতজনকে এজহারভুক্ত আসামি করা হয়েছে। আলোচিত এই মামলায় অন্য আসামিরা হলেন- এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, এএসআই লিটন মিয়া, এএসআই টুটুল ও কনস্টেবল মোহাম্মদ মোস্তফা। এ ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ গত ২ আগস্ট চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মোহাম্মদ মিজানুর রহমানকে আহ্বায়ক করে ৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। এই কমিটি সরেজমিনে তদন্ত করে ঘটনার কারন ও উৎস অনুসন্ধ্যান করবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে মতামত দেবে। মন্ত্রণালয় প্রথমে সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়ার কথা থাকলেও অতিরিক্ত আরো সাত কর্ম দিবস সময় বৃদ্ধি করেছে।
সপ্তাহে দুই দিন করোনা বুলেটিন প্রচারের আহ্বান ওবায়দুল কাদেরের
১২আগস্ট,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বাস্থ্য বিভাগের নিয়মিত করোনা বুলেটিন একেবারে বন্ধ না করে সপ্তাহে দুদিন প্রচারের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ বুধবার সকালে নিজের সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এক মতবিনিময় সভায় যুক্ত হয়ে তিনি এ আহ্বান জানান কাদের বলেন, করোনায় সংক্রমণ-মৃত্যুসহ প্রতিদিন স্বাস্থ্য বিভাগের আপডেট বন্ধ হলে এ ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে জনমানুষের মাঝে স্বাস্থ্যবিধি মানতে অনীহা দেখা দিতে পারে। পাশাপাশি গুজবের ডাল-পালা বিস্তারের আশঙ্কাও থেকে যাবে। তাই বিষয়টি বাস্তবতার নিরিখে বিবেচনায় নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।
২৪ ঘণ্টায় ৪২ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৯৯৫
১২আগস্ট,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসের আপডেট নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিং বন্ধের দিনে বেড়েছে মৃত্যুর সংখ্যা। আগের দিন ৩৩ জনের মৃত্যু হলেও সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৪২ জন। নতুন করে রোগী শনাক্ত হয়েছে ২৯৯৫ জন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩ হাজার ৫১৩ জনে। মোট শনাক্ত দুই লাখ ৬৬ হাজার ৪৯৮ জনে দাঁড়িয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ১১৭ জন এবং এখন পর্যন্ত এক লাখ ৫৩ হাজার ৮৯ জন সুস্থ হয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে আরো জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪ হাজার ৫৫০টি নমুনা সংগ্রহ এবং ১৪ হাজার ৭৫১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১৩ লাখ ২ হাজার ৭৩৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২০ দশমিক ৩০ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৫৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩২ শতাংশ।
অসাম্প্রদায়িক চেতনায় গড়ে তুলতে হবে সমৃদ্ধির সোপান
১১আগস্ট,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অসাম্প্রদায়িক চেতনার মধ্য দিয়েই বাংলাদেশে সমৃদ্ধির সোপান গড়ে তুলতে হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ঢাকেশ্বরী মন্দিরে জন্মাষ্টমী উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন ওবায়দুল কাদের। হিন্দু ধর্মালম্বীদের অভয় দিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, মাঝে মধ্যে বিচ্ছিন্নভাবে একটি অশুভ চক্র ও সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী এ দেশের হাজার বছরের ঐতিহ্যে আঘাত হানার অপচেষ্টা করে। শেখ হাসিনার সরকার যতদিন আছে আপনাদের কোনো ভয় নেই। দেশের উন্নয়নে যেমন প্রয়োজন অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা তেমনই প্রয়োজন প্রতিবেশী দেশের সাথে সুসম্পর্ক উল্লেখ করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে কোন দেশই প্রতিবেশী দেশের সাথে খারাপ সম্পর্ক রেখে এগোতে পারে না। শেখ হাসিনা সরকার ও ভারতের নরেন্দ্র মোদী সরকারের সম্পর্ক সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। দুই দেশের সম্পর্ক একাত্তরের রক্তের রাখিবন্ধনে আবদ্ধ বলে মন্তব্য করেন তিনি। ওবায়দুল কাদের আরও বলন, প্রতিবেশী দেশের সাথে ভালো বোঝাপড়া থাকলে অনেক অমীমাংসিত ইস্যু সহজেই সমাধান সম্ভব, যার প্রমাণ বাংলাদেশ ও ভারত। দীর্ঘদিনের সীমান্ত সমস্যা সমাধানে শান্তিপূর্ণভাবে ছিটমহল বিনিময় দুই দেশের পারস্পরিক আস্থাকে আরো বাড়িয়ে তুলেছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সমুদ্র জয়ের মামলায় ভারত আপিল না করে বন্ধুসুলভ যে আচরণ করেছে তা সম্পর্কের সূত্রকে করেছে আরও সুদৃঢ়। দুই দেশের মধ্যে আস্থা ও বিশ্বাসের যে সেতুবন্ধন তৈরি হয়েছে তার মাধ্যমে তিস্তা সমস্যা ও অন্যান্য নদীর পানি বণ্টনের আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। দেশের নাগরিক হিসেবে সবার সমান সুযোগ এবং অধিকার রয়েছে জানিয়ে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আপনারা নিজেদের মাইনরিটি ভাববেন না, তা ভাবা হলে আপনারা মানসিকভাবে পিছিয়ে থাকবেন। নাগরিক হিসেবে একজন মুসলমানের রাষ্ট্রের প্রতি যে অধিকার আছে, আপনাদেরও সমান অধিকার আছে। তিনি বলেন, আমাদের এগিয়ে যাওয়ার মূলমন্ত্র হচ্ছে সামাজিক সখ্য, ঐক্য ধরে রেখেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে হবে। ওবায়দুল কাদের বলেন, ২০০১ সালে সরকার পরিবর্তনের পর হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর কী অমানুষিক নির্যাতন নেমে এসেছিলো তা নিশ্চয়ই মনে আছে? যে নির্যাতন একাত্তরের পাক-হানাদারদের নির্যাতনকেও মনে করিয়ে দেয়। তাদের অপচেষ্টা এখনো চলছে, ইতোমধ্যেই তাদের বিষদাঁত ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই, তাই সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। এদেশে যারা হত্যা-ষড়যন্ত্রের রাজনীতির সূচনা ও লালন করেছিল এবং সাম্প্রদায়িকতার বিষবৃক্ষকে বড় করে তুলেছিল তারাই হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যদের জীবন ও সম্পদের ওপর বারবার আঘাত হেনেছে।- বাংলা নিউজ
করোনায় আরও ৩৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৯৯৬
১১আগস্ট,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে তিন হাজার ৪৭১ জনের। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন দুই হাজার ৯৯৬ জন। সবমিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ৬৫ হাজার ৫০৩ জনে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুর আড়াইটায় করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। নাসিমা সুলতানা জানান, ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ও বাড়িতে উপসর্গ বিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৫৩৫ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন এক লাখ ৫১ হাজার ৯৭২ জন। দেশে গত ৮ মার্চ করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত (কোভিড-১৯) প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।
বৃক্ষরোপণে শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সম্পৃক্ত করতে হবে
১১আগস্ট,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মুজিববর্ষ উপলক্ষে বৃক্ষরোপণে আইনি জটিলতা যাতে সৃষ্টি না হয় এবং চারা পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানকে সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে সংসদীয় কমিটি। সোমবার (১০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ গুরুত্ব দেওয়া হয়। কমিটির সভাপতি সাবের হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ ভবনে এ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে কমিটির সদস্য পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, মো. রেজাউল করিম বাবলু এবং খোদেজা নাসরিন আক্তার হোসেন বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকের শুরুতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ তার পরিবারের সদস্যসহ অন্যান্য যারা শহীদ হয়েছেন তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এছাড়া বন অধিদপ্তরের কক্সবাজার জেলায় কর্মরত ফরেস্টার মো. ইউসুফ উদ্দিনের অকাল মৃত্যুতে কমিটি শোক প্রকাশ ও তার পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করা হয়। বৈঠকে মুজিববর্ষ উপলক্ষে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এক কোটি চারা রোপণের যে কর্মসূচি রয়েছে তার জেলা ও বিভাগ ওয়ারী বাস্তবায়নের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। এ বৈঠকে মুজিববর্ষ উপলক্ষে বৃক্ষরোপণে যাতে কোনো আইনি জটিলতা সৃষ্টি না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা, চারা পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানকে সম্পৃক্ত করা যায় কিনা তার সঠিক দিক-নির্দেশনা দেওয়ার জন্য কমিটি সুপারিশ করে। সুন্দরবনসহ অন্যান্য জেলায় বনদস্যুদের হামলায় হতাহত কর্মচারীদের ক্ষতিপূরণ ও ঝুঁকি ভাতা বৃদ্ধি, দ্রুত ভাতা প্রদান, আসামিদের তালিকা, মামলার তদারকি, সাজার মেয়াদ ইত্যাদি সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য কমিটি কর্তৃক মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করে। বৈঠকে বন বিভাগের রেকর্ডভুক্ত বেদখলীয় প্রায় এক লাখ একর জমি উদ্ধারের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য কমিটি মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করে। বৈঠকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর