করোনার বিরুদ্ধে ঘরে ঘরে সচেতনতার দুর্গ গড়ে তুলুন: ওবায়দুল কাদের
১৪,এপ্রিল,বুধবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অদৃশ্য শত্রু করোনার বিরুদ্ধে ঘরে ঘরে সচেতনতার দুর্গ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। একই সঙ্গে তিনি সবাইকে বাংলা নববর্ষ ও রমজানের শুভেচ্ছা জানান। বুধবার (১৪ এপ্রিল) সকালে ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবন থেকে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ আহ্বান জানান। ওবায়দুল কাদের আওয়ামী লীগের পক্ষে দেশের সর্বস্তরের জনগণকে বাংলা নববর্ষ ও রমজানের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, করোনাকবলিত বাংলাদেশে আবার এসেছে বাঙালির উৎসবের সবচেয়ে প্রাণবন্ত দিন পহেলা বৈশাখ। এবারকার বৈশাখ এসেছে প্রাণহীন এক বৈরী পরিবেশে, জীবনের এক নিষ্ঠুর বাতাবরণে। চিরচেনা পহেলা বৈশাখকে আজ চেনাই যায় না। এই দিনের সব রূপ-রস-গন্ধ হারিয়ে গেছে। হারিয়ে গেছে হাসি আনন্দের চিরচেনা বাঁশির সুর। ওবায়দুল কাদের বলেন, তবুও নতুন আশার মালা গেঁথে বাঙালির বেঁচে থাকার নিরন্তর লড়াই চলছে। সম্মিলিত শক্তি দিয়ে প্রতিহত ও পরাজিত করতে হবে প্রাণঘাতী করোনাকে। ওবায়দুল কাদের আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সময়ের সাহসী কাণ্ডারি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিজয়ী হই করোনার বিরুদ্ধে, বিজয়ী হই বৈশাখীর চেতনার শত্রু সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে।
পহেলা বৈশাখ আমাদের এক পথে চলতে সাহসী করে: জিএম কাদের
১৪,এপ্রিল,বুধবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলা নববর্ষ ১৪২৮ উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থানরত বাংলা ভাষাভাষীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের। বুধবার (১৪ এপ্রিল) এক বাণীতে সকল বাংলাভাষীর জন্য অফুরান শুভকামনা প্রকাশ করেছেন তিনি। জিএম কাদের বলেন, পুরনো, জরাজীর্ণ এবং অশুভকে পেছনে ফেলে নতুন উদ্যমে সামনে এগিয়ে চলতে পহেলা বৈশাখ আমাদের অনুপ্রেরণা যোগায়। ব্যর্থতার গ্লানী মুছে সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে উজ্জ্বল আলোর রথে চলতে শেখায় পহেলা বৈশাখ। বাংলা নববর্ষ ১৪২৮ উপলক্ষে দেয়া বাণীতে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান আরও বলেন, পহেলা বৈশাখ হচ্ছে বঙ্গাব্দের প্রথম দিন বা বাংলা নববর্ষ। পহেলা বৈশাখ বাঙালির মহা ঐক্যের দিন। ধর্ম, বর্ণ, জাত বা গোত্রের সীমারেখা ভেঙে পহেলা বৈশাখের উৎসব আয়োজন আমাদের এক পথে চলতে সাহসী করে। সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি, সুন্দর ও কল্যাণের জয়গানে শুভ পহেলা বৈশাখকে স্বাগত জানাতে আমরা প্রস্তুত। জিএম কাদের বলেন, মুঘল সম্রাট আকবরের আমলে কর বা রাজস্ব আদায়ের জন্য বাংলা সন গণনা শুরু হলেও, পহেলা বৈশাখ দিনে দিনে বাঙালি সংস্কৃতি লালন ও বিকাশের অসাধারণ অধ্যায়ে পরিণত হয়েছে। জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান বলেন, এবার পহেলা বৈশাখ এমন একটি সময়ে আমাদের সামনে হাজির, যখন করোনাভাইরাস মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে সারাবিশ্বে। মৃত্যু আতঙ্ক বিশ্বের প্রতিটি মানুষের অন্তরে। তাই, এই আতঙ্কময় কোভিড-১৯ এর কবল থেকে বাঁচতে প্রত্যেকে নিজ ঘরে থেকেই মহান স্রষ্টার অনুগ্রহ প্রার্থনা করুন। ঘরে থাকুন, নিরাপদে থাকুন। এই দুর্যোগ কেটে গেলে আমরা আবারো মিলবো প্রাণের উৎসবে।
স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্বকে গুরুত্ব না দিলে সংক্রমণ আরও অবনতির দিকে নিয়ে যেতে পারে: কাদের
১২,এপ্রিল,সোমবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি বলেছেন, সর্বাত্মক লকডাউন চলাকালে পণ্যবাহী পরিবহন যাতে কোনোভাবেই যাত্রীবাহী পরিবহনে রূপ না নিতে পারে সেদিকে নজর রাখতে হবে। বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) চলমান কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় সভায় সোমবার (১২ এপ্রিল) সকালে তিনি এসব কথা বলেন। সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে তিনি এ সভায় যুক্ত হন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউনের ঘোষণায় লঞ্চ ও ফেরিঘাটে ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কেউ স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্বের বিষয়কে গুরুত্ব দিচ্ছে না। এ ধরনের মনোভাব করোনা সংক্রমণকে আরও অবনতির দিকে নিয়ে যেতে পারে। ড্রাইভিং লাইসেন্স বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, দীর্ঘদিন সীমিত পর্যায়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে। লাইসেন্সের এনরোলমেন্ট এবং বায়োমেট্রিক প্রদানের কাজ শুরু হলেও তেমন গতি পায়নি। তাই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বিআরটিএর চেয়ারম্যানকে দ্রুততম সময়ে লাইসেন্স কার্ড প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে।
খালেদা জিয়া করোনা আক্রান্ত : স্বাস্থ্য অধিদফতর
১১,এপ্রিল,রবিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার করোনা শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। ১১ এপ্রিল প্রকাশিত রিপোর্টে খালেদা জিয়ার করোনা পরীক্ষার রেজাল্ট পজিটিভ আসে বলে জানানো হয়। করোনা পরীক্ষার ওই প্রতিবেদনে দেখা যায়, আইসিডিডিআর,বি ল্যাবরেটরিতে ১০ তারিখ তার করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা জমা হয়। এরপর আরটি পিসিআর পদ্ধতিতে করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়। যদিও শনিবার বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়, দলটির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দিয়েছেন এমন খবর সঠিক নয়। খালেদা জিয়ার চিকিৎসক ডা. মামুনের বরাত দিয়ে তার প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, আমি ডা. মামুনের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি বলেছেন, তারা নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবন ফিরোজাতে গিয়েছিলেন। করোনা পরীক্ষার জন্য তারা ম্যাডামের নমুনা নেননি। খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. মামুন রোববার দুপুরেও নমুনা দেয়ার খবর নাকচ করে দিয়েছেন। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, তিন দিন আগেই খালেদা জিয়ার পরিচর্যায় নিযুক্ত গৃহপরিচারিকা ফাতেমার করোনা শনাক্ত হয়। এরপর শনিবার (১০ এপ্রিল) দুই দফায় খালেদা জিয়ার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। অন্যদিকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম প্রধান জানিয়েছেন, বেগম খালেদা জিয়া করোনায় আক্রান্ত, বিষয়টি শতভাগ সঠিক।
করোনা নিয়ে রাজনীতি না করে জনগণের পাশে দাঁড়ান: ওবায়দুল কাদের
১০,এপ্রিল,শনিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা নিয়ে রাজনীতি না করে বিএনপিকে জনগণের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি দলটিকে সরকারের অন্ধ সমালোচনা না করে গঠনমূলক পরামর্শ দেয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন। শনিবার (১০ এপ্রিল) সরকারি বাসভবনে ব্রিফিংয়ের সময় বিএনপির প্রতি এমন আহ্বান জানান। এ সময় তিনি বলেন, সরকার যেকোনো গঠনমূলক সমালোচনাকে স্বাগত জানায়। মানুষের জীবনের পাশাপাশি জীবিকার সুরক্ষায় সরকার সচেষ্ট দাবি করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এমতাবস্থায় জনগণের পাশে না দাঁড়িয়ে মিথ্যাচার করা প্রকারান্তরে সংক্রমণ রোধে বাধাগ্রস্ত করা। আজ (শনিবার) ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস, দিবসটি উপলক্ষে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সব শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলা সংযোগ সড়কসহ কর্ণফুলী টানেল সংযোগ সড়কের চারলেন উন্নীতকরণ প্রকল্পের নির্মাণ কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ দেন। এ সময় তিনি বলেন, যোগাযোগ অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে দেশের জনগণের আর্থসামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে দ্রুত, নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ মহাসড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যেই দক্ষিণ চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় কোরিয়ান ইপিজেড, চাইনিজ ইকোনমিক জোন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (কর্ণফুলী) টানেল। টানেল সংযোগ সড়কটি আনোয়ারার উপর দিয়ে বন্দর নগরী চট্টগ্রামের সাথে পর্যটন নগরী কক্সবাজারকে সংযুক্ত করবে। প্রকল্পের আওতায় প্রায় সাড়ে ১১ কিলোমিটার মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ ছাড়াও শিকলবাহা, কর্ণফুলী টানেল সংযোগস্থল এবং কালাবিবির দীঘিতে তিনটি ইন্টারসেকশন নির্মাণ করা হবে বলেও জানান ওবায়দুল কাদের।
যেখানেই হেফাজত সেখানেই প্রতিরোধ- বললেন হানিফ
৭,এপ্রিল,বুধবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: যেখানেই হেফাজত সেখানেই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। তিনি বলেন, হেফাজত কর্মীদের নাম ঠিকানা খুঁজে বের করুন। আজ বুধবার দুপুর ১২টার দিকে সোনারগাঁও উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় কালে এসব কথা বলেন তিনি। মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, যেখানেই সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী হেফাজত ইসলাম ধর্মের নামে অরাজকতা সৃষ্টি করার অপচেষ্টা করবে সেখানেই প্রতিরোধ করতে হবে। যারা এই হামলার সঙ্গে জড়িত তাদের তালিকা করতে হবে। এদের বিরুদ্ধে সরকারিভাবে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, একজন ধর্ম ব্যবসায়ীকে কেন্দ্র করে যে ঘটনা ঘটেছে। তাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে, যুবলীগ-ছাত্রলীগের নেতার বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে, সাধারণ মানুষের ওপর অত্যাচার নির্যাতন করা হয়েছে। এই বিষয় পরিষ্কার ভাবে জানিয়ে দিতে চাই- ধর্ম ব্যবসায়ী মামুনুল তার স্ত্রীর নাম দিয়ে এখানে এসেছিলেন এবং অনৈতিক কাজে জড়িত ছিলেন বলেই সাধারণ মানুষ তাকে ধরেছে। এই বিষয়টি কেন্দ্র করে তথাকথিত ধর্ম ব্যবসায়ীরা যে ভাঙচুর ও নির্যাতন করেছে তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকলের নাম ঠিকানা সংগ্রহ করার জন্য আওয়ামী লীগের প্রতিটি নেতাকর্মীদের আহ্বান জানিয়ে হানিফ বলেন, যারা আওয়ামী লীগের অফিসে হামলা করেছে, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বাড়িঘরে হামলা করেছে, মানুষের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা করেছে। এসব হামলার সঙ্গে যুক্তদের পরিচয় সংগ্রহ করুন। আমরা চাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ শান্তিপূর্ণ পরিবেশ উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকুক। কিন্তু ধর্মের নাম করে অধর্মের কাজ করা, ভাঙচুর করা বরদাস্ত করা হবে না।
এখন সরকারের সামনে দুই চ্যালেঞ্জ : ওবায়দুল কাদের
৬,এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এই মুহূর্তে করোনা সংক্রমণ মোকাবিলা এবং উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর অপতৎপরতা প্রতিরোধ, এ দুটিই সরকারের চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) ওবায়দুল কাদের ৩০৫ কোটি টাকা ব্যয়ে কক্সবাজার লিংক রোড থেকে উনচিপ্রাং পর্যন্ত ৫০ কিলোমিটার সম্প্রসারিত সড়কের উদ্বোধন শেষে এসব কথা বলেন। তিনি তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন। ওবায়দুল কাদের বলেন, এই মূহূর্তে করোনা সংক্রমণ মোকাবিলা ও উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর অপতৎপরতা প্রতিরোধ করাই হচ্ছে সরকারের চ্যালেঞ্জ। এই দুইটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারি কাজের সুসমন্বয় এবং দলের ঐক্য আরও সুসংহত করা জরুরি কর্তব্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। করোনার এই অবনতিশীল পরিস্থিতিতে জনগণের মধ্যে ঢিলেঢালা ভাব ও উদাসীনতার বিরুদ্ধে লকডাউন নির্দেশনা কঠোরভাবে প্রতিপালন করার নির্দেশনা দিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, এ সময় ভেদাভেদ ভুলে দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে এ লড়াইয়ের সাহসী কাণ্ডারি শেখ হাসিনার হাতকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। ওবায়দুল কাদের করোনা মোকাবিলায় সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন।
লকডাউনে নিম্নআয়ের মানুষের খাদ্য নিশ্চিতের দাবি ন্যাপের
৫,এপ্রিল,সোমবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঘোষণা দিয়ে দায়িত্ব শেষ না করে, লকডাউন যাতে কার্যকর হয় সে বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে নিম্ন ও নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষের খাদ্য নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ। রোববার (৪ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে দলের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া এ আহ্বান জানান। তারা বলেন, করোনার কারণে গত এক বছরে শ্রমজীবী মানুষের কাজ কমে গেছে। এমনকি অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে মাসের বেতনও ঠিকমতো এখনও দেয়া হয় না। অন্যদিকে দ্বিতীয় দফায় লকডাউন হলে প্রায় সব ধরনের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বন্ধ হয়ে যাবে। এ পরিস্থিতিতে নিম্নবিত্ত মানুষ কীভাবে দিনযাপন করবেন তা ভেবে দেখতে হবে সরকারকেই। ন্যাপ নেতারা বলেন, এখনই উচিত কেন্দ্রীয় উদ্যোগ নিয়ে একটি তহবিল গঠন করা। ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রণালয় পুরো বিষয়টি দেখতে সক্ষম হবে না। আগের বছরে তারা এ বিষয়ে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। আর এটা তাদের একার পক্ষে সম্ভবও নয়। ওই তহবিলে শুধু সরকার নয়, দেশের বিত্তবানদেরও অংশ নেয়া উচিত। এই কাজে বিভিন্ন পর্যায়ের প্রশাসক, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক দলকে সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন। আর জনপ্রতিনিধিদেরও মনে রাখতে হবে মানুষের জন্য এখন তাদের কাজ করার সময়। তারা বলেন, এখনই খাদ্য এবং অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের পর্যাপ্ততা নিশ্চিত করে সরবরাহ ব্যবস্থা দ্রুত গড়ে তোলা প্রয়োজন। কারণ যারা এ কাজে যুক্ত হবেন তাদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। সেটা করা না হলে লকডাউনের সময় খারাপ পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে নিম্নবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষ দুর্যোগে পড়বে। ন্যাপ নেতারা আরও বলেন, দুর্যোগের এই মুহূর্তে চাকরি থেকে ছাঁটাই, কোনো প্রতিষ্ঠান লে অফ বা বেতন ভাতা নিয়ে কোনো টালবাহানা যাতে না করে সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে সরকারকে। প্রয়োজনে শ্রমিকদের একমাসের বেতন অগ্রিম প্রদান করা উচিত।
আ.লীগে সুবিধাভোগী কর্মীদের দরকার নেই: ওবায়দুল কাদের
২,এপ্রিল,শুক্রবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক প্রয়াত মো. শাজাহানের স্মরণে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগে সুবিধাভোগী কর্মীদের দরকার নেই। দরকার শাজাহানের মতো নিবেদিত কর্মীদের। করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে দলীয় নেতাকর্মীদের সারাদেশে ক্যাম্পেইন করে জনগণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। শুক্রবার (২ মার্চ) বিকেলে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রয়াত মো. শাজাহানের স্মরণে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে এ আহ্বান জানান তিনি। সরকারি বাসভবন থেকে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, করোনা সংক্রমণ লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে যাচ্ছে। দলীয় নেতাকর্মীদের শতভাগ মাস্ক পরিধান ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। সারাদেশে ক্যাম্পেইন করে জনগণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। এখন থেকে ঘরোয়াভাবে সীমিত আকারে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। প্রয়াত শাজাহানকে স্মরণ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আওয়ামী লীগে সুবিধাভোগী কর্মীদের দরকার নেই। দরকার শাজাহানের মতো নিবেদিত কর্মীদের। শাজাহানের মতো কর্মীরাই হচ্ছে আওয়ামী লীগের প্রাণ। দুঃসময়ে যখন কেউ থাকবে না তখন শাজাহানের মতো নিবেদিত কর্মীরাই পাশে থাকবে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে সৌজন্যবোধ ও মূল্যবোধ হারিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, রাজনীতিকদের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস গড়ে তুলতে হবে এবং বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে টিমওয়ার্ক গড়ে তুলতে হবে। দেশের সামর্থ্যবানদের প্রতি অনুরোধ করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, এই সময়ে অসচ্ছল মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। করোনার এই দুঃসময়ে অসচ্ছল মানুষের সহযোগিতা একান্ত কাম্য।

রাজনীতি পাতার আরো খবর