মঙ্গলবার, জুন ২২, ২০২১
১২ বছর আগের ও আজকের উন্নয়ন আকাশ-পাতাল পার্থক্য: ওবায়দুল কাদের
১৯,জুন,শনিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১২ বছর আগের পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশ আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আলোর পথে অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বলেন, ১২ বছর আগের বাংলাদেশ ও আজকের বাংলাদেশ উন্নয়ন ও অর্জনে আকাশ-পাতাল পার্থক্য। শনিবার (১৯ জুন) সকালে চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের ত্রিবার্ষিক ভার্চুয়ালি সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে রাজধানীর নিজ বাসভবন থেকে যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন। রাজধানীর ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ ও সাধারণ সম্পাদক আফজালপুর রহমান বাবুসহ অন্যান্য নেতারা ভার্চুয়াল প্লাটফর্মের মাধ্যমে সম্মেলনে যুক্ত হন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এই মহামারি করোনাকালেও বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কাকে ২০০ মিলিয়ন ডলার এবং সুদানকে ৭ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলার ঋণ সহায়তা দিয়েছে, এতেই বোঝা যায় বাংলাদেশের অবস্থান আজ কোথায় এসে পৌঁছেছে। বাংলাদেশের মাথা পিছু আয় আজ ২ হাজার ২২৭ ডলার, যা কল্পনাও করা যায় না বলে মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বাংলাদেশের এই বিশাল উন্নয়ন- অর্জনই বিএনপির গাত্রদাহের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ জন্যই বিএনপি নানা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশের এই অগ্রযাত্রা থামিয়ে দিতে চায়। দেশকে অস্থিতিশীল করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চায়। তিনি আরও বলেন, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির এই ইতিবাচক ধারা বাধাগ্রস্ত করতেই বিএনপি এবং তাদের দোসররা আদজল খেয়ে মাঠে নেমেছে।
উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পরীমনি ইস্যু সামনে আনা হয়েছে: ফখরুল
১৬,জুন,বুধবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতার বিষয় ধামাচাপা দিতে চিত্রনায়িকা পরীমনির ইস্যু সামনে আনা হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বুধবার (১৬ জুন) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে এক গোলটেবিল বৈঠকে ফখরুল এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আজকে দেশনেত্রী খালেদা জিয়া যখন অত্যন্ত অসুস্থ, তখন সেটা ধামাচাপা দেয়ার জন্য পরীমনির বিষয়টি সামনে আনা হয়েছে। এ সরকার সব সময় একটা ঘটনার পেছনে আরেকটি প্রসঙ্গ দাঁড় করিয়ে দেয়। বেগম জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ জানিয়ে মহাসচিব বলেন, তার চিকিৎসার পর্যাপ্ত যে ব্যবস্থা দরকার, সেটা করা হচ্ছে না। অবিলম্বে তার সুচিকিৎসার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা করতে হবে। এসময় তিনি দেশজুড়ে আলোচিত পরীমনির ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ মামলা নিয়েও কথা বলেন। বিএনপি মহাসচিব বলেন, মামলা করা হয়েছে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার। আরেকটা অপরাধের দায় দিয়ে তাকে রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারটা আমি বুঝতে পারিনি। মামলা করলেন ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার, আর তাকে রিমান্ডে নেয়া হলো কী জন্য, তার কাছে মাদক পাওয়া গেছে বলে। আজকে অনেক প্রশ্ন আসছে, তাহলে কি ক্ষমতাধরা যা চাইবেন তাই হবে? প্রশাসন কি যা চাইবে তাই হবে? আজকে একটি লোকের পরিবারের কাছে, সমাজের কাছে, রাষ্ট্রের কাছে তার সম্মান সব শেষ হয়ে যাবে। মির্জা ফখরুল বলেন, জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এদের, এই দানবকে সরাতে হবে। আমরা দুটি দানব বলে আসছি একটা করোনা আরেকটা সরকার; সেটাও কিন্তু অদৃশ্য শক্তি নিয়েই চলে। সেজন্য এই দুই দানবকে আমরা যদি সরাতে না পারি, তাহলে জাতির অস্তিত্ব বিপন্ন হবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম ও সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ। এছাড়া কবি আব্দুল হাই শিকদার, ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ ইলিয়াস খানও উপস্থিত ছিলেন।
গার্ড অব অনারে নারী থাকা নিয়ে আপত্তির প্রতিবাদ ওয়ার্কার্স পার্টির
১৫,জুন,মঙ্গলবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মৃত্যুর পর গার্ড অব অনার দিতে নারী ইউএনওর পরিবর্তে বিকল্প চাওয়ার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সংসদীয় কমিটির প্রস্তাবনা সম্পর্কে গভীর উদ্বেগ, নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি। মঙ্গলবার (১৫ জুন) এক বিবৃতিতে পার্টির সভাপতি কমরেড রাশেদ খান মেনন ও সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা এ নিন্দা জানান। বিবৃতিতে তারা মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়-সংসদীয় কমিটির সুপারিশের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, এই সুপারিশ মুক্তিযুদ্ধের অবমাননা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী কাজ এবং এই প্রস্তাব সংবিধানের ২৮(১) ও (২) অনুচ্ছেদের সুস্পষ্ট লংঘন ও পরিপন্থী। এ ধরনের প্রস্তাব নারীর মর্যাদা ও সম-অধিকার হরণ এবং অশ্রদ্ধা প্রকাশের হীন বহিঃপ্রকাশ। বিবৃতিতে নেতৃদ্বয়, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীকে এই বিষয়ে কোনো রকম সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করার আহ্বান জানান। উল্লেখ্য, মৃত্যুর পর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের গার্ড অব অনার দেয়ার সময় নারীদের চায় না সংসদীয় কমিটি। এ জন্য যেসব এলাকায় নারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রয়েছেন, সেখানে বিকল্প খোঁজার সুপারিশ করা হয়েছে। গত ১৩ জুন সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়। পাশাপাশি গার্ড অব অনার প্রদানের ক্ষেত্রে দিনের বেলায় আয়োজন করার সুপারিশ করা হয়।
আ.লীগ কচুরিপানা নয় যে বিএনপির হাঁকডাকে ভেসে যাবে: ওবায়দুল কাদের
১৩,জুন,রবিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জনগণ তাদের আন্দোলনের অনেক মৌসুমি হাঁকডাক শুনেছে, আন্দোলনের ডাক দিয়ে বিএনপি নেতাদের শীতনিন্দ্রায় চলে যাওয়াও দেখেছে তাদের কর্মীরা। বিএনপি নেতারা নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে কর্মীদের উত্তাল আন্দোলনের দিবাস্বপ্ন দেখাচ্ছেন মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কর্মীদের রোষানল থেকে বাঁচতে বিএনপি নেতাদের বক্তব্য এখন আত্মরক্ষার ঢাল মাত্র। আওয়ামী লীগ কচুরিপানা নয় যে বিএনপির হাঁকডাকে ভেসে যাবে। রোববার (১৩ জুন) সকালে তার সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগের শেকড় এদেশের মাটি ও মানুষের অনেক গভীরে। শেখ হাসিনার অবস্থান মানুষের মনিকোঠায়। কিন্তু বিএনপির রাজনীতি এখন বিদেশ নির্ভর এবং শেকড় থেকে বিচ্ছিন্ন। তিনি বলেন, জনগণ তাদের আন্দোলনের অনেক মৌসুমি হাঁকডাক শুনেছে, আন্দোলনের ডাক দিয়ে বিএনপি নেতাদের শীতনিন্দ্রায় চলে যাওয়াও দেখেছে তাদের কর্মীরা। বিএনপি নতুন করে আন্দোলনের যে হাঁকডাক দিচ্ছে তা অতীতের ধারাবাহিকতায় আরেকটি ব্যর্থ প্রয়াসের পূর্বাভাস মাত্র। দেশের রাজনীতি এখন সংকটময় অবস্থায় নিমজ্জিত- বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, দেশে কোনো সংকটময় পরিস্থিতি নেই বরং বিএনপির রাজনীতি এখন গভীর সংকটে। দেশ ও জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে বিএনপিই নিজেদের জন্য সংকট তৈরি করেছে। দল ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়- এমন অপকর্মে জড়িত হলে অথবা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সাথে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন ওবায়দুল কাদের। তিনি দলের আদর্শ, স্বার্থ ও শৃঙ্খলা বিরোধী বক্তব্য প্রদান থেকে সংশ্লিষ্ট সকলকে বিরত থাকার নির্দেশ দেন।
শেখ হাসিনার কারামুক্তি ছিল অবরুদ্ধ গণতন্ত্রের মুক্তি: শেখ পরশ
১১,জুন,শুক্রবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বাধীন বাংলায় শেখ হাসিনা এবং গণতন্ত্র এক ও অভিন্ন সত্ত্বা। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ তাঁর পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নির্মমভাবে হত্যার পর এদেশের গণতন্ত্রের পথকে রুদ্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। ১৯৭৫-১৯৯৬ সাল, দীর্ঘ এই ২১ বছরের গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করে প্রাণ দিয়েছে গণতন্ত্রকামী হাজার হাজার রাজনৈতিক নেতাকর্মী। অবশেষে ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করলে গণতান্ত্রিক ধারার শুভ সূচনা হয়। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে গণতন্ত্রের ওপর যখনই আঘাত এসেছে তখনই জাতির সামনে গণতন্ত্রের ত্রাণকর্তা হিসেবে আর্বিভূত হয়েছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। শুক্রবার (১১ জুন) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ এর চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, জামাত-বিএনপি-ফখরুদ্দিন-মঈন উদ্দিন গং এর নীলনঁকশার কারণেই ১/১১ এর পটভূমি রচিত হয়েছিল। তাদের উদ্দেশ্য ছিল রাজনীতি থেকে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে দূরে সরিয়ে দেওয়া। যার কারণে তাঁকে বিদেশ থেকে দেশে আসতে নানাধরণের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল তৎকালীন সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার। তাদের সকল ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে ২০০৭ সালের ৭ই মে দেশে ফিরে আসেন শেখ হাসিনা। এতে ষড়যন্ত্রকারীরা ব্যর্থ হয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার নামে বেশ কয়েকটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে। যার ফলে ২০০৭ সালের ১৬ই জুলাই গণতন্ত্রের আপোসহীন নেত্রীকে গ্রেফতার করে। শেখ হাসিনাকে গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে বাংলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারকে অবরূদ্ধ করার অপপ্রয়াস চালায় তৎকালীন অগণতান্ত্রিক ও অসাংবিধানিক তত্ত্বাবধায়ক সরকার। কারাগারে থাকাকালে শেখ হাসিনা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এমনকি কারা অভ্যন্তরে তাঁকে হত্যা চেষ্টাও করা হয়। সে সময় চিকিৎসার জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে তাঁর মুক্তির জোরালো দাবি ওঠে। আওয়ামী লীগ, যুবলীগসহ অন্যান্য ভ্রাতৃপ্রতীম, সহযোগী সংগঠন ও গণতন্ত্রপ্রত্যাশী দেশবাসী ক্রমাগত অপ্রতিরোধ্য আন্দোলন, আপোসহীন মনোভাব এবং অনড় দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ২০০৮ সালের ১১ই জুন শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। শেখ হাসিনার মুক্তির মধ্য দিয়ে এদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে আসে। যুগপৎভাবে বিকাশ ঘটে গণতন্ত্র ও উন্নয়নের। জননেত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস দু’টি কারণে আমাদের যুবসমাজের কাছে তাৎপর্যপূর্ণ; (১) সামাজিক ন্যায় বিচার, সত্য ও গণতন্ত্রের পক্ষে থাকলে কোন অবিচার ও শাসকগোষ্ঠীর জুলুম কাউকে কোন দিন অন্তরীণ রাখতে পারে না। (২) নেত্রীর কারাবরণ থেকে মুক্তির দিবস তাকে অনেক গুণ জনপ্রিয় করে তোলে এবং রাজনৈতিকভাবে প্রজ্ঞাশীল করে তোলে; যার ফলশ্রুতিতে তিনি পর পর তিন বারের বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী এবং বিশ্বের অন্যতম সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসাবে আর্বিভূত হন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়িত হচ্ছে তাঁরই সুযোগ্য কন্যার নেতৃত্বে। এদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় পিতার ন্যায় আপোসহীন মনোভাব নিয়েই জাতীয় রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার যাত্রা শুরু হয়। জনগণের মুক্তি আন্দোলনে শেখ হাসিনাকে সহ্য করতে হয়েছে অনেক জেল-জুলুম-অত্যাচার-নির্যাতন। অসংখ্যবার মৃত্যুর সম্মুখীন হতে হয়েছে। জনগণের অশ্রুসিক্ত ভালোবাসায় সকল রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে দেশকে এগিয়ে নিতে অকুতোভয় নির্ভীক সেনানীর মত নিরবচ্ছিন্নভাবে পথ চলেছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। সকল বাধা-বিপত্তি জয় করে আজ বিশ্বে সমহিমায় উজ্জ্বল এদেশের জনগণের প্রাণপ্রিয় নেত্রী গণতন্ত্রের মানসকন্যা শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা মানেই দুর্গম পথের নির্ভীক যাত্রী।
অবিরাম দুর্নীতি ও দুঃশাসন অর্থনীতিকে ধ্বংস করেছে: ফখরুল
১০,জুন,বৃহস্পতিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগ সরকারের অবিরাম দুর্নীতি ও দুঃশাসন দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার সকালে এক টুইটে তিনি এমন অভিযোগ করেন। টুইটে মির্জা ফখরুল লিখেছেন, আজকে দেশের মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ প্রায় ৮৫ হাজার টাকা। শহীদ জিয়া ও দেশনেত্রী বেগম জিয়ার সরকার দেশকে সর্বদা স্বনির্ভর করেছেন। কিন্তু আওয়ামী লীগ তলাবিহীন ঝুড়ির সংস্কৃতিকে আরো জোরদার করছে। তিনি লিখেছেন, অবিরাম দুর্নীতি ও দুঃশাসন অর্থনীতিকে ধ্বংস করেছে, মানুষকে করছে গরীব। আসুন দেশকে বাঁচাই।
নাম বিকৃত করা ভদ্রলোকের কাজ নয়: তথ্যমন্ত্রী
১০,জুন,বৃহস্পতিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নাম বিকৃত করে উচ্চারণ করা কোনো ভদ্রলোকের কাজ নয়। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবকে তো ভদ্রলোক বলে জানতাম বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। বৃহস্পতিবার (১০ জুন) দুপুরে সচিবালয়ে অভিনয় ও মডেল শিল্পীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। বুধবার বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের নাম বিকৃত করে হাছা মাহমুদ বলেছেন। এ বিষয়ে তথ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, আমি মির্জা ফখরুল সাহেবের বক্তব্যটা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখেছি। প্রথমত কারো নাম বিকৃত করে উচ্চারণ করা কোনো ভদ্র লোকের কাজ নয়। কোনো ভদ্রলোকের আর একজন মানুষের নাম বিকৃত করা অনুচিত। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবকে তো ভদ্রলোক বলে জানতাম। তিনি কেন হঠাৎ করে এভাবে নাম বিকৃত করে বলা শুরু করলেন বুঝতে পারছি না। সম্ভবত তারা তো তাদের রাজনীতি নিয়ে প্রচণ্ড হতাশ। সেই হতাশা থেকে কখন কী বলে বসছেন- খেই হারিয়ে ফেলেছেন। তিনি বলেন, আমি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব সম্পর্কে বেশি কিছু বলতে চাচ্ছি না। ওনাকেও তো অনেকেই মিথ্যা ফখরুল বলেন। অনেকেই বলেন, তিনি প্রচণ্ড মিথ্যা কথা বলেন, অবলীলায় সুন্দরভাবে মিথ্যা কথা বলেন- এজন্য অনেকেই মিথ্যা ফখরুল বলেন। আমি এটা বলতে চাই না। কারণ, এটা বলা সমীচীন নয়। মানুষে বললেও আমি সেটা বলতে চাই না। প্রকৃত বিষয় হচ্ছে খেই হারিয়ে ফেলেছেন। গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরকার উৎখাত করা হবে- বিএনপির এমন হুমকি প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ফখরুল সাহেব বলেছেন- গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরাবেন। এরকম হুমকি তো আমরা গত ১২ বছর ধরে শুনে আসছি। হুমকি দিতে দিতে তারা ছোট হয়ে আসছেন। তাদের আঙিনাটা ক্রমাগত ছোট হয়ে যাচ্ছে। এটা তাদের জন্য দুঃখজনক। এদিকে মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে অভিনয় শিল্পী সংঘের সভাপতি শহীদুজ্জামান সেলিম, অভিনয় শিল্পী তারিন, সুইটি, অনিক এবং চলচ্চিত্র শিল্পী ফোরামের সভাপতি মিশা সওদাগর, সেক্রেটারি জায়েদ খান, নায়িকা সিমলা, জান্নাত মিষ্টি উপস্থিত ছিলেন।
ছয় দফা দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা
০৭,জুন,সোমবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছে আওয়ামী লীগ। আজ সোমবার (৭ জুন) সকালে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানান। নেতারা প্রথমে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এরপর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ফুল দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, আফম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, এসএম কামাল হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সস্পাদক ইঞ্জিনিয়র আব্দুস সবুর, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী প্রমুখ।
প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়নযোগ্য নয়: জিএম কাদের
০৩,জুন,বৃহস্পতিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবায়নযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা জিএম কাদের। তিনি বলেছেন, চলতি অর্থবছরে যে বাজেট পেশ করা হয়েছে তা কল্পনাপ্রসূত, মনগড়া এবং অবাস্তব। ধারণার ওপর করা এ বাজেট বাস্তবায়নযোগ্য নয়। বাজেটে বিশাল ঘাটতি রয়েছে, তা পূরণ করতে যে ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে তা বাস্তবসম্মত নয়। এ বাজেট ব্যাপকভাবে সংশোধন বা রদবদল করতে হবে। বৃহস্পতিবার (৩ জুন) বিকেলে বাজেট অধিবেশন থেকে বের হয়ে জাতীয় সংসদের টানেলে তাৎক্ষণিক এক প্রতিক্রিয়ায় এ মন্তব্য করেন তিনি। জিএম কাদের বলেন, স্বাস্থ্যখাতে নামমাত্র বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে, সামাজিক নিরাপত্তাখাতে যা দেওয়া হয়েছে তা বাজেটের তুলনায় অত্যন্ত কম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা খাতে অনেক কম বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান বলেন, ধারণার বশবর্তী হয়ে অর্থমন্ত্রী বাজেট তৈরি করেছেন। এ বাজেট এতটাই পরিবর্তন করতে হবে যে, তাতে প্রণীত বাজেটের প্রকৃত রূপ থাকবে না। বাজেটে খরচ বাড়িয়েছেন, বাড়ানো দরকারও আছে কিন্তু অর্থ আহরণের বিষয়ে তারা হোঁচট খেয়েছেন। গেলো বাজেটের লক্ষ্য অনুযায়ী ৬০ শতাংশও রাজস্ব আদায় করতে পারেনি দশ মাসে। সামনের দুই মাসে কতটা আদায় করতে পারবেন তাও জানেন না। যেটা প্রাক্কলন করেছেন তাতে যথেষ্ট পরিমাণে ঘাটতি রয়েছে। মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৬ দশমিক ২ শতাংশ ঘাটতির বাজেট এর আগে আর হয়নি। ঘাটতির এ বাজেটে যত সুন্দরভাবে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং বলা হয়েছে তা ডিটেইলে দেখা গেছে অনেক কিছুই ফাঁক আছে। তিনি বলেন, যারা করোনাকালে কর্মহীন হয়েছেন এবং দারিদ্রসীমার নিচে চলে গেছেন তাদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি বা তাদের জন্য আর্থিক সহায়তার সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা নেই এ বাজেটে। স্বাস্থ্যখাতের জন্য সাধারণ মানুষের বিপুল আকাঙ্ক্ষা ছিলো, এবার স্বাস্থ্যখাতে বড় ধরনের একটা বরাদ্দ হবে এমন আশা ছিলো সাধারণ মানুষের। কিন্তু বাজেটে অত্যন্ত সামান্য বাড়ানো দেখানো হয়েছে। এটা সাধারণভাবে বলা যায়, রুটিনবৃদ্ধি, কোনো ক্রাইসিসের জন্য এ বাড়ানো সামান্য এবং অপ্রতুল। জিএম কাদের বলেন, বাজেটের ঘাটতি পূরণে বিদেশি ঋণ, স্বল্পসুদে ঋণ এবং বিভিন্ন খাত থেকে অর্থপ্রাপ্তির যে কথা বলা হয়েছে তা সম্পূর্ণ অনিশ্চিত। আগামী দিনের অর্থনৈতিক যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে তাতে এটা আদৌ অর্জন করা সম্ভব হবে কিনা তা বলা যাচ্ছে না। তাই রাজস্ব প্রাপ্তিতে যেমন বিশাল সমস্যা হতে পারে, তেমনি বাজেট অনুযায়ী অর্থায়নেও সমস্যা হতে পারে। তাছাড়া যেসব বিষয়ে অগ্রাধিকার দিতে হবে তা মুখে বলেছেন কিন্তু কাগজে মোটেই নেই।

রাজনীতি পাতার আরো খবর