জলবায়ু পরিবর্তন আইন করবে নিউজিল্যান্ড
১৬,এপ্রিল,শুক্রবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নিউজিল্যান্ড জলবায়ু পরিবর্তন আইন পাস করতে যাচ্ছে। বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে আর্থিক খাতে প্রয়োগ করা হবে নতুন এই আইন। জানা গেছে, এর আওতায় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রকৃতিবান্ধব অবকাঠামো ও প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে হবে। নিউজিল্যান্ডে জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী জেমস শ জানান, এ সপ্তাহেই আইনটি সংসদে পাস হবে। ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নিরপেক্ষ দেশ হতে চাই আমরা। মন্ত্রী আশা করছেন, এ আইন বিশ্বের অন্য দেশের জন্যও উদাহরণ তৈরি করবে। এর মাধ্যমে জলবায়ু ঝুঁকির বিষয়টি সরাসরি আর্থিক ও ব্যবসায়িক খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত হবে।
বিশ্বজুড়ে ট্রিলিয়ন ডলারে বেড়েছে অনলাইন কেনাকাটা
১৫,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বজুড়ে অধিকাংশ ভোক্তা ঘরের বাইরে বের হননি। তাই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য থেকে শুরু করে বাগানের সব জিনিসপত্র অনলাইন থেকে তাদের কিনতে হয়েছে। ২০২০ সালে সারাবিশ্বে ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে অনলাইন কেনাকাটা। মহামারির কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য থেকে শুরু করে সবকিছুই ক্রেতারা কিনেছেন অনলাইন থেকে। গত বছর বিশ্বে অনলাইনে খুচরা বিক্রিতে বাড়তি ৯০ হাজার কোটি ডলার বা প্রায় এক ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করতে হয়েছে। মাস্টারকার্ডের রিকভারি ইনসাইটস প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। বাংলাদেশে মাস্টারকার্ডের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। মাস্টারকার্ডের তথ্য অনুযায়ী, করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বজুড়ে ওয়েবসাইট ও অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে আগের চেয়ে কেনাকাটা বেড়েছে। এক্ষেত্রে ইতালি ও সৌদি আরবের মতো দেশের মানুষ ই-কমার্সের মাধ্যমে গড়ে ৩৩ শতাংশ বেশি কেনাকাটা করেছেন। এরপরই কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে রাশিয়া ও যুক্তরাজ্যের মতো দেশ। এ ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রেও ইলেকট্রনিক পেমেন্ট বেড়েছে। মাস্টারকার্ডের তথ্য অনুযায়ী, করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বজুড়ে ওয়েবসাইট ও অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে আগের চেয়ে কেনাকাটা বেড়েছে। এক্ষেত্রে ইতালি ও সৌদি আরবের মতো দেশের বাসিন্দারা ই-কমার্সের মাধ্যমে গড়ে ৩৩ শতাংশ বেশি কেনাকাটা করেছেন। এরপরই কাছাকাছি অবস্থান রয়েছে রাশিয়া ও যুক্তরাজ্যের মতো দেশ। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে ইলেকট্রনিক পেমেন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। এদিকে মাস্টারকার্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন করে ডিজিটাল খাতে সম্পৃক্ত হওয়া ২০ থেকে ৩০ শতাংশ ব্যবস্থা স্থায়ী হতে পারে।
বাঙালিদের বৈশাখী শুভেচ্ছা জানালেন জো বাইডেন
১৪,এপ্রিল,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাঙালি ও বাংলাদেশের মানুষদের পহেলা বৈশাখের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেন। বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভেরিফায়েড টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে এক টুইটে এ শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। টুইটে শুধু বাঙালিদেরই নয়, দক্ষিণ এবং দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন সম্প্রদায়ের যেসব মানুষ বৈশাখ, নবরাত্রি, সংক্রান বা এ সপ্তাহে অন্য নতুন বছর উদযাপন করবেন, তাদের সবাইকেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাইডেন দম্পতি। এদিন বাঙালি, কম্বোডিয়ান, লাও, বার্মিজ, নেপালি, সিংহলিজ, তামিল, থাই এবং ভিসু জনগোষ্ঠীকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তারা।
করোনা শেষ হওয়ার এখনও অনেক বাকি : ডব্লিউএইচও
১৩,এপ্রিল,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলেছে, কোভিড-১৯ মোকাবিলায় দ্বিধা এবং জটিলতার অর্থ হলো এই মহামারি অবসান হওয়ার এখনও অনেক বাকি। তবে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার প্রমাণিত নিয়মগুলো অনুসরণ করা গেলে এই মহামারি কয়েক মাসের মধ্যে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব বলে মনে করে সংস্থাটি। সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেছেন ডব্লিউএইচওর প্রধান ড. টেড্রোস আডানোম গেব্রিয়াসিস। বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস সংক্রমিত দেশের তালিকায় ব্রাজিলকে ছাড়িয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে গেছে ভারত। যুক্তরাষ্ট্রের পর এখন ভারতেই সবচেয়ে বেশি মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়েছে। দেশটিতে এখন ব্যাপক আকারে সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ চলছে। প্রায় একশ ৪০ কোটি জনসংখ্যার দেশটিতে এখন পর্যন্ত দশ কোটি ৫০ লাখ ডোজ টিকা প্রদান করা গেছে। সোমবার ডব্লিউএইচওর প্রধান ড. টেড্রোস আডানোম গেব্রিয়াসিস বলেন, আমরাও সমাজ এবং অর্থনীতি পুনরায় খোলা দেখতে চাই। দেখতে চাই ভ্রমণ ও বাণিজ্য আবারও সচল হচ্ছে। কিন্তু এই মুহূর্তে বহু দেশে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রগুলো উপচে পড়ছে আর মানুষ মারা যাচ্ছে-আর এগুলো সম্পূর্ণভাবে এড়ানো সম্ভব। তিনি বলেন, কোভিড-১৯ মহামারি অবসানের এখনও অনেক বাকি। কিন্তু আমাদের আশাবাদী হওয়ার বহু কারণ রয়েছে। এই বছরের প্রথম দুই মাসে আক্রান্ত এবং মৃত্যুর পরিমাণ কমে যাওয়ার মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়েছে এই ভাইরাস এবং এর ভ্যারিয়েন্টগুলো থামানো সম্ভব। কোভিড-১৯ সংক্রান্ত ডব্লিউএইচও টিম লিডার মারিয়া ভান কেরকোভ ওই সংবাদ সম্মেলনে জানান মহামারি খুব বেশি পরিমাণে বাড়ছে। গত সপ্তাহে আক্রান্ত বেড়েছে নয় শতাংশ। আর বিগত টানা সাত সপ্তাহ ধরে আক্রান্তের পরিমাণ বাড়ছে। একই সময়ে মৃত্যু বেড়েছে পাঁচ শতাংশ। ড. টেড্রোস আডানোম গেব্রিয়াসিস বলেন কয়েকটি দেশে সংক্রমণ বাড়তে থাকলেও রেস্টুরেন্ট, নাইটক্লাবগুলো পূর্ণ থাকছে আর মার্কেটগুলোও খোলা থাকছে। আর এসব স্থানে সমাগম করা মানুষের খুব অল্প পরিমাণই সতর্কতা অবলম্বন করছে। তিনি বলেন, কেউ কেউ মনে করছে অপেক্ষাকৃত তরুণ হলে করোনায় সংক্রমিত হলেও তাদের কিছু হবে না।
রমজানে নিত্যপণ্যের দাম কমালো মালয়েশিয়া
১২,এপ্রিল,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিয়াম সাধনা ও সংযমের মাস পবিত্র রমজান উপলক্ষে মালয়েশিয়ায় বিভিন্ন পণ্যের ওপর ছাড় দিয়েছে পাইকারি ও খুচরা বিপনীবিতানগুলো। প্রতি বছরের মতো এবারও রমজান উপলক্ষে রাজধানী কুয়ালালামপুরের প্রায় সব বিপনীবিতানগুলোতে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কমেছে। তেল, চাল, আলু থেকে শুরু করে মাছ, মাংসের দামও কমানো হয়েছে। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে বর্তমান ও পূর্বের পণ্যের দামসহ ছাড়ের তালিকা প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ। টেসকো, জায়ান্ট, মাইডিন, এয়ন বিগ, এনএসকের মতো চেইন সুপারশপগুলো অনলাইনে রমজান উপলক্ষে ছাড়ের বিজ্ঞাপন প্রচার করছে নিয়মিত। শুধু নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস নয় পোশাক, প্রসাধনী থেকে শুরু করে অন্যান্য প্রায় সব জিনিসের উপরও মাসজুড়ে চলবে এ ছাড়। মালয়েশিয়া প্রবাসী রাশেদ বাদল বলেন, সারা বছরই পণ্যের মান ও দাম নিয়ন্ত্রণে কাজ করে মালয়েশিয়া সরকার। তবে রমজানে বিশেষভাবে তা পর্যবেক্ষণ করা হয়। বিশেষ করে চাল, চিনি, ময়দা, তেলের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম পর্যবেক্ষণে কঠোর নজরদারি রাখে সরকার। আর অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা এড়াতে সার্বক্ষণিক এগুলো দেখভাল করে সিটি কর্পোরেশন। শুধু কুয়ালালামপুর নয় এ চিত্র পুরো মালয়েশিয়া জুড়ে। প্রায় দুই যুগ ধরে মালয়েশিয়ায় আছেন এস এম আহমেদ। সিঙ্গাপুর সীমান্তবর্তী জোহর প্রদেশে বসবাস করা আহমেদ বলেন, রমজান আসলেই মালয়েশিয়ার চিত্র পরিবর্তন হয়ে যায়। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে রমজান পালন করতে ভালোবাসে মালয়েশিয়ানরা। জিনিসপত্রের দাম তো বাড়েই না বরং মাস জুড়ে থাকে ছাড়ের ছড়াছড়ি। করোনা মহামারির মধ্যে অনলাইনের জনপ্রিয়তাও বেশ তুঙ্গে। রমজান উপলক্ষে লাজাডা, শপির মতো অনলাইনও দিচ্ছে বিশেষ ছাড়। এছাড়া পুরো রমজান মাস জুড়ে বিভিন্ন মসজিদে বিনামূল্যে ইফতারি ও খাবারের ব্যবস্থা রাখা হয়। যদিও করোনা মহামারির কারণে এ বছর সবাই মসজিদে গিয়ে নামাজ আদায় করতে পারবেন না। বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারির মধ্যে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে দেশটিতে বিরতি দিয়ে লকডাউন চলছে। এই লকডাউনের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা-বাণিজ্য খোলা রেখেছে মালয়েশিয়া সরকার। তবে বিধিনিষেধ রয়েছে পর্যটকদের মালয়েশিয়া প্রবেশের ক্ষেত্রে।
বিধানসভা নির্বাচন: একে-অপরের সমালোচনায় মোদি-মমতা
১১,এপ্রিল,রবিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের চতুর্থ দফার ভোটে সহিংসতায় পাঁচজন নিহতের ঘটনায় কোচবিহারে ৩ দিনের জন্য রাজনীতিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে রাজ্যের নির্বাচন কমিশন। এদিকে পঞ্চম দফা নির্বাচনের প্রচারণায় একে-অপরকে কথার বাণে ঘায়েল করছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। করোনার স্বাস্থ্যবিধি মেনে শনিবার সকাল থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের চতুর্থ দফার ভোটগ্রহণ। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া-হুগলী ছাড়াও কোচবিহার আলিপুরদুয়ারের ৪৪ আসনে ভোটের মধ্যে সবার নজর ছিল কোচবিহার জেলার শীতলকুচি আসনের দিকে। তবে ভোটগ্রহণ কেন্দ্র করে বিভিন্ন স্থানে চলে গুলি, বোমা, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া। এতে হতাহত হন বেশ কয়েকজন। শনিবার সকালে শীতলকুটিতে জীবনের প্রথম ভোট দিতে গিয়ে প্রাণ হারান এক যুবক। এরপর ওই এলাকায় শুরু হয় ব্যাপক সংঘর্ষ। নিহতরা সবাই তৃণমূল সমর্থক বলে দাবি পরিবারের। এ ঘটনায় তৃণমূল এবং বিজেপি পরস্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগের তীর ছুড়েছে। আগামী ১৭ এপ্রিল পঞ্চম দফার ভোটের প্রচারে যোগ দিয়ে মমতা-মোদি দুজনই দুজনার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমার পাঁচটা ভাইকে মেরে দিয়ে বলছে গ্রামবাসীরা নাকি বন্দুক কাড়তে এসেছিল। লজ্জা করে না গলায় দড়ি দিয়ে মরা উচিত বিজিপি তোমায়। এদিকে চতুর্থ দফার ভোটে অংশ নেন সবচেয়ে বেশি তারকা প্রার্থী। এ দফায় ভাগ্য নির্ধারণ হবে অভিনেতা ইয়াশ দাশগুপ্ত, কাঞ্চন মল্লিক, শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়, পায়েল সরকার, লাভলী মৈত্রী, লকেট চট্টোপাধ্যায়ের। এদের মধ্যে লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং পায়েল সরকারের গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। চতুর্থ দফার ভোটের নিরাপত্তার জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রায় ৮ হাজার সদস্যের পাশাপাশি মাঠে ছিলেন রাজ্য পুলিশের ১২ হাজার সদস্য। পাঁচ জেলার ৪৪টি আসনে ভোট নেওয়া হয়। এ দফায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মোট ৩৪৫ প্রার্থী। ভাগ্য নির্ধারণ হবে অভিনেতা যশ দাশগুপ্ত, কাঞ্চন মল্লিক, শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়, পায়েল সরকার, লাভলী মৈত্রী, লকেট চট্টোপাধ্যায় মতো তারকা প্রার্থীদের। আগামী ১৭ এপ্রিল পঞ্চম দফায় ৪৫টি আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে মঙ্গলবার দিনভর বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ, হামলা-পাল্টা হামলা আর বুথ দখলের মতো ঘটনার মধ্য দিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের তৃতীয় দফার ভোটগ্রহণ শেষ হয়। নির্বাচন কমিশনের হিসাব মতে, মঙ্গলবার ভোট পড়ে প্রায় ৭৭ শতাংশ। তৃতীয় দফায় মঙ্গলবার সকালে কলকাতা লাগোয়া দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া ও হুগলী জেলার ৩১ আসনে একযোগে শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ শুরু হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে উত্তেজনা। কোথাও চলে প্রার্থীর ওপর হামলা, আবার কোথাও কোথাও এজেন্টকে মারধর করে আতঙ্ক তৈরির মতো ঘটনাও সংবাদমাধ্যমে শিরোনাম হয়। তৃতীয় দফায় ৩১টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মোট ২০৫ জন প্রার্থী। নির্বাচনের তৃতীয় দফায় কলকাতা লাগোয়া দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া এবং হুগলী জেলার ৩১ আসনে ২০৫ জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ হবে। উল্লেখযোগ্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, পাপিয়া অধিকারী ও তনুশ্রী চক্রবর্তীর মতো তারকা এবং রাজনীতিকরা। গত ২৭ মার্চ প্রথম দফা এবং ১ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হন। আগের দুই দফায় ৬০ এবং তৃতীয় দফায় ৩১ আসনের ভোটগ্রহণ শেষ হলেও পরবর্তী পাঁচ দফায় বাকি ২০৩ আসনের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করবে নির্বাচন কমিশন। এদিকে নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতা করোনার সংক্রমণ মোকাবিলা করেই ভোট উৎসব শেষ করতে চায় নির্বাচন কমিশন। আগামী ১০ এপ্রিল চতুর্থ দফার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ৮ দফা শেষে ২ মে প্রকাশ করা হবে ১৭তম পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল।
সেন্ট ভিনসেন্ট দ্বীপে ভয়ঙ্কর অগ্ন্যুৎপাত
১০,এপ্রিল,শনিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ক্যারিবিয়ানের দ্বীপরাষ্ট্র সেন্ট ভিনসেন্টে লা সুফ্রিয়ের নামের এক আগ্নেয়গিরি থেকে উদগিরণ শুরু করেছে। দ্বীপটি এখন ধোঁয়া এবং ছাই দিয়ে ঢেকে গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার লা সুফ্রিয়ের আগ্নেয়গিরির তৎপরতা প্রথম শনাক্ত করা হয়। দ্বীপের প্রধানমন্ত্রী র‌্যাল্ফ গনসাল্ভস কথিত রেড জোনের ১৬ হাজারেরও বেশি বাসিন্দাকে জরুরীভাবে সরিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ১৯৭৯ সালের পর এটিই সেন্ট ভিনসেন্টে প্রথম আগ্নেয়গিরি বিস্ফোরণ। তারও অনেক আগে ১৯০২ সালে এক আগ্নেয়গিরি বিস্ফোরণে এখানে এক হাজারেরও বেশি মানুষ মারা গিয়েছিলেন।
বন্দুক হামলা নিয়ন্ত্রণে কঠোর হচ্ছেন বাইডেন
৯,এপ্রিল,শুক্রবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঘোস্ট গানস বা কাগজপত্রবিহীন অবৈধ অস্ত্র ঠেকাতে একটি আদেশ জারি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। অবৈধ এসব অস্ত্র বা বন্দুককে ঘোস্ট গানস বলা হয়েছে, কারণ সেগুলো বাসা-বাড়িতেই তৈরি করা হয় এবং সেগুলোর কোনো নিবন্ধনও নেই। এমনকি সেগুলো শনাক্তও করা সম্ভব হয় না। বিবিসি। যুক্তরাষ্ট্রে সম্প্রতি বন্দুক হামলার ঘটনা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব হামলার ঘটনায় হতাহতের সংখ্যাও নেহাত কম নয়। আর এতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জো বাইডেন। বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন, দেশে বন্দুক হামলার ঘটনা মহামারির রূপ নিয়েছে। এটা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আমাদের জন্য বিব্রতকর। আর তাই এসব ঘটনা নিয়ন্ত্রণে নতুন নির্বাহী আদেশ জারি করছেন ডেমোক্র্যাটিক এই প্রেসিডেন্ট। এর অর্থ- অন্তত এই ক্ষেত্রে তাকে কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে হবে না। এই আদেশের মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু বন্দুক বা অস্ত্রের ক্ষেত্রে নতুন নিয়মকানুন জারি, অস্ত্র ব্যবহারে ইচ্ছুক ব্যক্তির অতীত কর্মকাণ্ড যাচাই এবং সহিংসতা প্রতিরোধে স্থানীয় সংস্থাগুলোকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে। হোয়াইট হাউসের রোজ গার্ডেনে বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেন, বন্দুক ব্যবহার করে দেশে প্রতিদিন ১০৬ জনকে হত্যা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, এটা নিশ্চিতভাবেই একটা মহামারি। এটাকে বন্ধ করতে হবে। বাইডেনের জারি করা নতুন এই নির্বাহী আদেশের ফলে তথাকথিত ঘোস্ট গানস বা নিবন্ধনহীন অস্ত্র কমিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ কী হতে পারে তা জানাতে বা প্রস্তাব করতে ৩০ দিন সময় পাবে মার্কিন আইন বিভাগ। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সকল অস্ত্রেই কিছুটা নিয়ন্ত্রণ আনবেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন। অবৈধ অস্ত্রের পাশাপাশি বৈধভাবে কেনা অস্ত্রেও লাগাম টানবেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্রে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের সুযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক চলছে। দেশটিতে এই আইন পরিবর্তন খুব সহজ নয়। তাই কাজটি কঠিন হলেও একেবারে বসে না থেকে কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণের পথেই হাঁটছেন বাইডেন। এদিকে বন্দুক হামলা ও অস্ত্র ব্যবহার নিয়ে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের বৃহস্পতিবারের বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা পরই যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ব্রায়ান শহরের একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আবারও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে এক ব্যক্তি নিহত ও আরও পাঁচজন আহত হন। ব্রায়ান পুলিশের প্রধান এরিক বাস্কে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, হামলার ঘটনা ঘটা ওই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নাম কেন্ট মুর ক্যাবিনেটস। সেখানকার এক স্টাফ বন্দুক দিয়ে এই হামলা চালান। সন্দেহভাজন অভিযুক্তকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, হামলায় এক ব্যক্তি নিহত ও অপর চারজন আহত হন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে টেক্সাসের ডিপার্টমেন্ট অব পাবলিক সেফটি জানিয়েছে, অভিযুক্ত হামলাকারীকে আটকের আগে তাকে অনুসরণ করার সময় নিরাপত্তা বাহিনীর এক সদস্য গুলিতে আহত হন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হলেও স্থিতিশীল বলে জানানো হয়। এর আগে বুধবার সন্ধ্যায় দেশটির সাউথ ক্যারোলাইনা অঙ্গরাজ্যের ইয়র্ক কাউন্টিতে গোলাগুলিতে একই পরিবারের পাঁচ জন নিহত হওয়ার খবর জানায় সিএনএন। মার্কিন কর্তৃপক্ষ একে গণহত্যার উদ্দেশে গুলির ঘটনা হিসেবে অভিহিত করে। স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যায় রক হিল নামক এলাকায় এই গুলির ঘটনায় এক চিকিৎসক, তার স্ত্রী ও তাদের দুজন নাতি-নাতনি প্রাণ হারিয়েছেন বলে টুইটারে দেওয়া এক বার্তায় নিশ্চিত করেছে ইয়র্ক কাউন্টির শেরিফ অফিস। তাদের গৃহকর্মী জেমস লুইসইও গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন। বৃহস্পতিবার নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন জো বাইডেন। তবে অহরহ এমন ঘটনার পরও যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকানরা সবসময়ই মার্কিনিদের কাছে বন্দুক বা অস্ত্র রাখার পক্ষে। তাদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী অনুযায়ী সরকারের পক্ষ থেকে এমন কোনো পদক্ষেপ দেশটির নাগরিকদের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপের শামিল।
করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিলেন মোদি
৮,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাস টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) সকালে তিনি নয়াদিল্লির অল ইন্ডিয়া ইন্সটিটিউট অব মেডিক্যাল সাইন্স (এইমস) হাসপাতালে গিয়ে করোনার টিকা নেন। এদিকে টিকা নেয়ার পর টুইটারে দেওয়া এক বার্তায় করোনামুক্ত থাকতে সবাইকে টিকা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মোদি। এর আগে ১ মার্চ করোনা টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। দেশে টিকাদান কর্মসূচির দ্বিতীয় ধাপে ওই টিকা নেন তিনি। টুইটে নরেন্দ্র মোদি লিখেছেন, এআইআইএমএস-এ করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছি। ভাইরাসকে পরাজিত করতে টিকা নেওয়া হলো একটি উপায়। আপনি যদি টিকা নেওয়ার যোগ্য হন তবে শীগগিরই আপনার ডোজটি নিয়ে নিন। রেজিস্টার করুন, http://CoWin.gov.in। উল্লেখ্য, গেল ১৬ জানুয়ারি ভারতজুড়ে একযোগে টিকাদান কর্মসূচির সূচনা করেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

আন্তর্জাতিক পাতার আরো খবর