চন্দ্রজয়ের অভিযানের সদস্য মাইকেল কলিন্স আর নেই
২৯,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার অ্যাপোলো-১১র চন্দ্রজয়ের অভিযানের অন্যতম সদস্য মাইকেল কলিন্স আর নেই। ক্যানসারের সঙ্গে লড়ে ৯০ বছর বয়সে বুধবার (২৮ এপ্রিল) তিনি মারা যান। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার ওয়েবসাইটে মাইকেল কলিন্সের মৃত্যুতে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, টুইটারে মাইকেল কলিন্সের অফিসিয়াল অ্যাকাউন্টে এক বিবৃতিতে কলিন্সের পরিবার বলেছে, মাইক সব সময়ই নম্রতা আর কমনীয়তার সঙ্গে জীবনের চ্যালেঞ্জগুলো গ্রহণ করেছেন। তিনি একইভাবে তার জীবনের শেষ চ্যালেঞ্জটিও গ্রহণ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে ১৯৬৯ সালের ১৬ জুলাই মনুষ্যবাহী মহাকাশযান উৎক্ষেপণের মাধ্যমে শুরু হয় নাসার অ্যাপোলো-১১ অভিযানের চূড়ান্ত পর্ব। ২০ জুলাই চাঁদের বুকে পা রেখে ইতিহাস গড়েন এই অভিযানের তিন নভোচারীর একজন নীল আর্মস্ট্রং। এর কিছুদিন পর চাঁদের বুকে দ্বিতীয় মানব হিসেবে পা রাখেন বাজ অলড্রিন। সে সময় চাঁদের চারপাশ ঘিরে কক্ষপথে মূল মহাকাশযান কমান্ড মডিউল কলাম্বিয়া নিয়ে একা চক্কর দিচ্ছিলেন মাইকেল কলিন্স। এই তিন নভোচারী আট দিন মহাকাশে কাটিয়ে ২৪ জুলাই পৃথিবীতে ফিরে আসেন।
তীব্র ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল আসাম
২৮,এপ্রিল,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ভারতের উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলা। কম্পন অনুভূত হয়েছে দক্ষিণবঙ্গেও। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬.৪। অসমের গুয়াহাটির কাছে শোনিতপুরে ভূপৃষ্ঠের থেকে ২১.৪ কিলোমিটার নীচে ভূমিকম্পের উৎসস্থল বলে জানা গেছে। বুধবার সকাল ৭টা ৫১ মিনিটে শোনিতপুরে প্রথম কম্পন অনুভূত হয়। এরপরে আবারও ৭টা ৫৪ মিনিট নাগাদ কম্পন অনুভূত হয়। উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, দার্জিলিং, কালিম্পং প্রভৃতি জেলায় কেঁপে ওঠে পায়ের তলার মাটি। এ ছাড়া মালদহ, মুর্শিদাবাদ ও দক্ষিণবঙ্গের কিছু জেলাতেও কম্পন অনুভব করেন বাসিন্দারা। এমনকি কলকাতাতেও মৃদু কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। সাতসকালে কম্পন শুরু হতেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলে। অনেকেই বাড়ি ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন। বেশ কিছু জায়গায় বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়েছে বলে খবর। বেশ কয়েকটি বাড়ি ও রাস্তাতেও ফাটল ধরেছে অনেক জায়গায়। তবে ঠিক কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা এখনও জানা জায়নি।
ভারতের অবস্থা হৃদয়বিদারকের চেয়েও বেশি কিছু : ডব্লিউএইচও প্রধান
২৭,এপ্রিল,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঊর্ধ্বগতিতে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রধান টেড্রোস আধানম ঘেব্রিয়াসুস। সতর্কবাণী উচ্চারণ করে তিনি বলেন, ভারতের রেকর্ড সংক্রমণ হৃদয়বিদারকের চেয়েও বেশি কিছু। এই সঙ্কট মোকাবিলায় দেশটির পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। রোববার (২৬ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি। করোনাভাইরাস সংক্রমণের জেরে যখন ভারতের হাসপাতালগুলোর অবস্থা নাজেহাল, তখন এসব কথা বললেন তিনি। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে ভারতীয় হাসপাতালগুলো করোনা রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে। দেখা দিয়েছে তীব্র অক্সিজেন সঙ্কট। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে রোগীদের স্বজনরা হাসপাতালের বেড এবং অক্সিজেনের সহায়তা চেয়ে মর্মস্পর্শী পোস্ট দিচ্ছেন। এমন অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে আরও এক সপ্তাহ লকডাউনের মেয়াদ বাড়িয়েছে রাজধানী দিল্লি। টেড্রোস বলেন, জরুরি সরঞ্জাম সরবরাহের মাধ্যমে ডব্লিউএইচও তার সবটুকু করছে। অন্যান্য সহায়তার পাশাপাশি হাজার হাজার অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর পাঠাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, জানান তিনি। ডব্লিউএইচও জানায়, ইতোমধ্যে তারা ভারতে বিভিন্ন প্রোগ্রামের ২৬০০ বিশেষজ্ঞ পাঠিয়েছে। নতুন করে করোনাভাইরাস সংক্রমণের কেন্দ্রস্থল হয়ে ওঠায় ভারত সরকার নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। বাড়িতেও মাস্ক পরে থাকার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। সেবা দিতে ফেরানো হচ্ছে অবসরপ্রাপ্ত চিকিৎসকদেরও। সহায়তার হাত বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যও। আরও কয়েকটি রাষ্ট্র সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে। সহায়তার হাত বাড়িয়েছে সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগলও।
ইন্দোনেশিয়ার নিখোঁজ সাবমেরিনটি তিন টুকরা, সবাই নিহত
২৬,এপ্রিল,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কয়েকদিন আগে নিখোঁজ হওয়া ইন্দোনেশিয়ার নৌবাহিনীর সাবমেরিনটিকে তিন খণ্ডের টুকরা অবস্থায় সমুদ্রের নীচে পাওয়া গেছে। ডুবোজাহাজটিতে যে ৫৩ জন ক্রু ছিলেন তাদের সবাই মারা গেছেন। রোববার (২৫ এপ্রিল) দেশটির সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তারা বলেছেন, সাবমেরিনটির কাছ থেকে সবশেষ যে বার্তা পাওয়া গেছে তাতে জানা যায় এটি সমুদ্রের আটশ মিটার গভীরে ডুবে গেছে। সিঙ্গাপুরের কাছ থেকে ধার নেওয়া একটি উদ্ধারকারী যানের সাহায্যে ছবি তুলে তারা এ বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছেন। সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে গতকাল রোববার জানানো হয় যে, জাহাজের কিছু ভগ্নাবশেষ ও জায়নামাজের মতো কিছু জিনিস উদ্ধার করার পর তারা নিশ্চিত হন যে জাহাজটি ডুবে গেছে। স্ক্যান থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, সাবমেরিনটি সমুদ্রের সাড়ে আটশ মিটার গভীরে নিমজ্জিত অবস্থায় রয়েছে। সচল অবস্থায় এত গভীরে যাওয়ার সক্ষমতা এই সাবমেরিনের নেই। নৌবাহিনীর প্রধান ইওদো মারগোনো রোববার বলেছেন, জাহাজ থেকে ভেসে আসা আরও কিছু জিনিস উদ্ধার করা হয়েছে। এসবের মধ্যে রয়েছে সাবমেরিনের নোঙর এবং ক্রুদের নিরাপত্তা স্যুট। তিনি বলেন, কেআরআই নানগালা ভেঙে তিন টুকরো হয়ে গেছে। জাহাজের খোল, জাহাজের পেছনের অংশ এবং জাহাজের মূল অংশ- সব আলাদা হয়ে গেছে। প্রধান অংশও ভেঙে গেছে বলেন তিনি। সাবমেরিনটি মহড়া চালানোর সময় গত বুধবার নিখোঁজ হয়ে যায়। তখন কর্মকর্তারা বলেছিলেন, জাহাজটি যখন নিখোঁজ হয়ে যায় তখন তাতে তিনদিনের অক্সিজেন মজুদ ছিল। এর আগে শনিবার (২৪ এপ্রিল) নৌবাহিনীর প্রধান ইওদো মারগোনো বলেছিলেন, যেখান থেকে সাবমেরিনটি নিখোঁজ হয়েছে তার কাছেই এর কিছু অংশ পাওয়া গেছে। তিনি বলেছেন, স্ক্যান করে দেখা গেছে ডুবোজাহাজটি সমুদ্রের যতোটা গভীরে চলাচল করতে পারে, এটি তার চেয়েও অনেক গভীরে তলিয়ে গেছে। একারণেই তারা সাবমেরিনটি ডুবে যাওয়ার কথা ঘোষণা করছেন। বালি দ্বীপের কাছে সমুদ্রে গত বুধবার মহড়ায় অংশ নেয় কেআরআই নাংগালা-৪০২ নামের এই সাবমেরিনটি। এসময় এটি ডুব দেওয়ার জন্য অনুমতি চাইছিল। জার্মানির তৈরি এই সাবমেরিনটি ৪০ বছরেরও বেশি পুরনো। ১৯৭০ এর দশকের শেষের দিকে তৈরি করা হয়েছিল এটি। তবে ২০১২ সালে এতে কিছু কাজ করা হয়। ইন্দোনেশিয়ার পাঁচটি সাবমেরিন আছে। দেশটির ইতিহাসে এই প্রথম কোনও সাবমেরিন নিখোঁজ হলো এবং শেষ পর্যন্ত সেটি আর ফিরে এলো না।
ইন্দোনেশিয়ায় নিখোঁজ সাবমেরিনের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে
২৪,এপ্রিল,শনিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইন্দোনেশিয়ায় নিখোঁজ সাবমেরিনের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির নৌবাহিনীর প্রধান ইয়ুডো মারগোনো। শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। খবর সিএনএনের। সমুদ্রে ছয়টি ধ্বংসাবশেষের টুকরা পাওয়া গেছে যা বুধবার বালি সাগরে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া সাবমেরিনটির বলেই ধারণা করা হচ্ছে। এগুলো সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করা হয়। ইয়ুডো জানান, এসব ধ্বংসাবশেষের মধ্যে রয়েছে এক বোতল গ্রিজ, একটি টর্পেডো লাঞ্চারের অংশ, একটি ধাতব টিউবের অংশ, জায়নামাজ ও জ্বালানি। এগুলো সমুদ্রে একটি জায়গায় ভাসতে দেখা যায় যেখানে পানির গভীরতা ৮৫০ মিটার। সাবমেরিনটিতে যে পরিমাণ অক্সিজেন ছিল তাতে আরোহীদের শনিবার সকাল পর্যন্ত বেঁচে থাকার কথা। এই সময়ের মধ্যে উদ্ধার করতে না পারায় ৫৩ জন আরোহীর সকলেই মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইয়ুডো জানান, কেআরআই নাংগালা-৪০২ সাবমেরিনটিতে করে আগে যারা মিশনে গিয়েছেন তারা নিশ্চিত করেছেন এই ধ্বংসাবশেষগুলো ওই সাবমেরিনেরই। সাবমেরিনের পেরিস্কোপে আরোহীরা যে গ্রিজ ব্যবহার করতেন তার সঙ্গে খুঁজে পাওয়া বোতলের গ্রিজ মিলে গেছে। ইয়ুডো বলেন, সাবমেরিনে বিস্ফোরণ হয়েছে এমনটা মনে করা হচ্ছে না। তবে পানির প্রচণ্ড চাপে হয়তো এতে কোনো ফাটল তৈরি হয়েছে আর সেখান থেকেই এই ধ্বংসাবশেষগুলো বেরিয়ে পড়েছে। বুধবার সকালে টর্পেডো মহড়ার অনুমতি চাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই হঠাৎ করে সাবমেরিনটি নিখোঁজ হয়ে যায়। এরপর সাগরে ব্যাপক অনুসন্ধান তৎপরতা শুরু হয়। কমপক্ষে ৬টি যুদ্ধ জাহাজ, একটি হেলিকপ্টার ও ৪০০ উদ্ধারকর্মী এ অনুসন্ধানে অংশ নিয়েছে। সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া সাহায্যের জন্য জাহাজ পাঠিয়েছে। উদ্ধার অভিযানে অংশ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রও। দেশটির পি-৮ পসাইডন সাবমেরিন অনুসন্ধানী বিমান দিয়ে নিখোঁজ সাবমেরিনের খোঁজ করা হচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া শব্দতরঙ্গ ব্যবহারে সক্ষম জাহাজ ও একটি হেলিকপ্টার দিয়ে উদ্ধারে সহায়তা করছে। সাবমেরিনটি জার্মানির তৈরি। ইন্দোনেশিয়ায় ব্যবহৃত প্রথম পাঁচটি সাবমেরিনের একটি হলো এটি। ৭০ এর দশকের শেষের দিকে এটি তৈরি করা হয়েছিল।
বিশ্বের দ্বিতীয় সুউচ্চ ভবন নির্মিত হচ্ছে মালয়েশিয়ায়
২৩,এপ্রিল,শুক্রবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আলো ঝলমলে টুইন টাওয়ারের দেশ মালয়েশিয়াতে এবার বিশ্বের দ্বিতীয় উঁচু ভবন উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। নির্মাণাধীন ১১৮ তলার এ ভবনটি মারদেকা-১১৮ বা পিএনবি ১১৮ নামে পরিচিত। নির্মাণ কাজ শেষ হলে এটিই হবে বিশ্বের দ্বিতীয় সুউচ্চ ভবন। দৃশ্যমান ভবনটির বেশিরভাগ কাজ এরই মধ্যে সমাপ্তির পথে। আশা করা হচ্ছে ২০২২ সালের শুরুতেই উদ্বোধন করা হবে ভবনটি। নির্মাণ কাজ শেষ হলে ৬৪৪ মিটার বা ২১১৩ ফুট উচ্চতার ভবনটি পেছনে ফেলবে চীনের সাংহাই টাওয়ারকে যার উচ্চতা ২০৭৩ ফুট। আর বিশ্বের সর্বোচ্চ ভবনের তালিকায় দুবাইয়ের বুর্জ খালিফার পরপরই থাকবে কুয়ালালামপুরের এ ভবনটির স্থান। ১১৮ তলা বলা হলেও নির্মাণশৈলির জন্য মাটির নিচে রয়েছে পাঁচ তলার গাঁথুনি। ভবনে থাকবে অফিস, রেস্টুরেন্ট, স্কাই লবি ও হোটেল। পরিকল্পনায় আছে থিয়েটার ও লাইভ শো করার হলরুম। ভবনের ৮৩ তালা পর্যন্ত থাকবে বিভিন্ন অফিস এবং বাকি অংশে থাকবে শপিং মল, স্কাই ডাইনিং রেস্টুরেন্ট, পার্ক হায়াত হোটেল, সুসজ্জিত স্কাই লবি ও ভিআইপি লাউঞ্জ। মারদেকা অর্থ স্বাধীনতা। ডায়মন্ড আকৃতির এ ভবনের নামকরণ তাই মারদেকা করা হয়েছে দেশটির স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের সঙ্গে সম্পৃক্ত করে। প্রসঙ্গত, এর আগে টুইন টাওয়ার স্থাপন করে সারা বিশ্বে সাড়া ফেলেছিলো মালয়েশিয়া। এছাড়া ২০১৯ সালে দ্যা এক্সচেঞ্জ ১০৬ উদ্বোধন করে দেশটি। তবে পর্যটকরা কুয়ালালামপুরকে আজও টুইন টাওয়ারের শহর হিসাবেই চেনেন। যদিও বিশ্বের দ্বিতীয় উচু ভবন মারদেকা বা পিএনবি-১১৮ উদ্বোধনের পর নতুন করে বিশ্বজুড়ে আলোচনায় আসবে মালয়েশিয়া।
মুসলিমদের ওপর নিষেধাজ্ঞা ঠেকাতে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে বিল পাস
২২,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মুসলিমদের প্রতি বাইডেন প্রশাসন যে ইতিবাচক তা আবারও প্রমাণ হলো। সম্প্রতি মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে মুসলিমদের পক্ষে একটি বিল পাস হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে মুসলিমদের ওপর নিষেধাজ্ঞা ঠেকাতে এই বিল বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এই বিলের কারণে ধর্মের ওপর ভিত্তি কোনো নির্দিষ্ট কোনো সম্প্রদায়ের ওপর যে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের নিষেধাজ্ঞা আরোপের ক্ষমতাকে খর্ব করা হবে। ফলে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট চাইলেই আর আগের মতো যে কোনো দেশের ওপর ইচ্ছামত ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারবেন না। নাগরিক অধিকার বিষয়ক আইনজীবীরা এই বিলকে স্বাগত জানিয়ে বলছেন, সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এটি একটি বড় পদক্ষেপ। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বেশ কিছু মুসলিম দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলেন। মূলত ওই নিষেধাজ্ঞা প্রতিহত করতেই নো ব্যান নামের এই বিলটি পাস করা হয়েছে। এই বিলটি আইনে পরিণত করতে মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চ কক্ষ সিনেটেও পাস করতে হবে। বুধবার প্রতিনিধি পরিষদে এই বিলের পক্ষে ভোট দিয়েছে ২১৮ জন এবং বিপক্ষে ভোট পড়েছে ২০৮টি। মার্কিন নাগরিক অধিকার গ্রুপের মুসলিম আইনজীবী মাদিহা আহুসেইন বলেন, মুসলিম নিষেধাজ্ঞার কারণে পরিবারগুলো বিভক্ত হয়ে পড়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা বছরের পর বছর জীবনকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। তিনি বলেন, মুসলিম, আফ্রিকান এবং অন্যান্যদের বহিরাগত হুমকি হিসেবে তুলে ধরেছে এই নিষেধাজ্ঞা। প্রতিনিধি পরিষদে ওই বিল পাসের পর মাদিহা এক বিবৃতিতে বলেন, আমাদের অবশ্যই এটা নিশ্চিত করতে হবে যে কোনো প্রেসিডেন্ট যেন আর কখনও এ ধরনের বৈষম্যমূলক নিষেধাজ্ঞা প্রয়োগ করতে না পারে। প্রতিনিধি পরিষদে নো ব্যান আইন পাস হওয়ার মাধ্যমে আমরা এটা নিশ্চিত করছি যে তারা আর এ ধরনের কাজ করতে পারবেন না। চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এক গুচ্ছ নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন জো বাইডেন। এসব আদেশের মধ্যে প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে ফেরা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় আবারও যুক্ত হওয়া, মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণ বন্ধ করা এবং মুসলিমদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়াসহ মোট ১৫টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল। সে সময় ইরান, সুদান, সিরিয়া, লিবিয়া, সোমালিয়া, ইয়েমেন, ভেনেজুয়েলা, উত্তর কোরিয়া, নাইজেরিয়া এবং মিয়ানমারের ওপর ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বাইডেন। এছাড়া, যেসব কিশোর-তরুণ অবৈধভাবে তাদের স্বপ্ন পূরণের জন্য আমেরিকায় প্রবেশ করেছে তাদেরকে সে দেশে থাকার অনুমতি দেবেন বলেও জানান বাইডেন। এ সংক্রান্ত আইন পুনর্বহাল করতে চাচ্ছে তার প্রশাসন।
ভারতে অক্সিজেন ট্যাঙ্কারে লিক, ২২ করোনা রোগীর মৃত্যু
২১,এপ্রিল,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের মহারাষ্ট্রের নাসিকের একটি হাসপাতালে ট্যাঙ্কারে লিক হওয়ার পর অক্সিজেন না পেয়ে হাসপাতালে চিকৎসাধীন ২২ করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২১ এপ্রিল) এ ঘটনা ঘটে।খবর এনডিটিভির। খবরে বলা হয়, ঘটনার সময় ওই হাসপাতালে অন্তত ১৭১ জন করোনা রোগী চিকিৎসাধীন ছিলেন। এরমধ্যে ৩১ জনকে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে। বাকিরা ছিলেন হাসপাতালে। জেলা কালেক্টর সুরজ মান্ধারে বলেন, এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুসারে, জাকির হোসাইন মিউনিসিপ্যাল হসাপাতালে অক্সিজেন সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার কারণেই ওই ২২ জন করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মৃতদের মধ্যে ১০ জন ঘটনার সময় ভেন্টিলেশনে ছিলেন। মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেশ তোপী জানান, অক্সিজেনের ঘাটতির কারণেই ভেন্টিলেশনে থাকা রোগীদের মৃত্যু হয়েছে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
ইন্দোনেশিয়ায় ৬ মাত্রার ভূমিকম্পের আঘাত
২০,এপ্রিল,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ভূমিকম্প। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৬। ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প কেন্দ্র (ইএমএসসি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। অবশ্য সংস্থাটি প্রথমে ভূমিকম্পের মাত্রা ৫ দশমিক ৯ এবং উৎপত্তিস্থল সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে দুই কিলোমিটার গভীরে জানিয়েছিল। পরে তথ্য সংশোধন করে তারা জানায়, কম্পনের মাত্রা ৬ এবং এর উৎপত্তিস্থলের গভীরতা অন্তত ১০ কিলোমিটার। মঙ্গলবার সকালে ইন্দোনেশিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় নিয়াস দ্বীপে আঘাত হানে এই ভূমিকম্প। ইএমএসসির তথ্যমতে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল উত্তর সুমাত্রার পাডাংসিদেম্পুয়ান শহর থেকে ৩২৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে। প্রাথমিকভাবে এতে কোনও ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এর কারণে সুনামি সতর্কতাও জারি করা হয়নি।

আন্তর্জাতিক পাতার আরো খবর