করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিলেন মোদি
৮,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাস টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) সকালে তিনি নয়াদিল্লির অল ইন্ডিয়া ইন্সটিটিউট অব মেডিক্যাল সাইন্স (এইমস) হাসপাতালে গিয়ে করোনার টিকা নেন। এদিকে টিকা নেয়ার পর টুইটারে দেওয়া এক বার্তায় করোনামুক্ত থাকতে সবাইকে টিকা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মোদি। এর আগে ১ মার্চ করোনা টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। দেশে টিকাদান কর্মসূচির দ্বিতীয় ধাপে ওই টিকা নেন তিনি। টুইটে নরেন্দ্র মোদি লিখেছেন, এআইআইএমএস-এ করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছি। ভাইরাসকে পরাজিত করতে টিকা নেওয়া হলো একটি উপায়। আপনি যদি টিকা নেওয়ার যোগ্য হন তবে শীগগিরই আপনার ডোজটি নিয়ে নিন। রেজিস্টার করুন, http://CoWin.gov.in। উল্লেখ্য, গেল ১৬ জানুয়ারি ভারতজুড়ে একযোগে টিকাদান কর্মসূচির সূচনা করেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
এভারেস্টে উঠতে মাস্ক পরতে হবে, গায়ে গা লাগিয়ে পর্বতারোহন বন্ধ
৭,এপ্রিল,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত বছর করোনার সংক্রমণ বাড়তে থাকায় মাউন্ট এভারেস্ট আরোহন বন্ধ ছিল। প্রায় এক বছর পর আবার পর্বতারোহীদের মাউন্ট এভারেস্টে চড়ায় অনুমতি দিল নেপাল সরকার। গত এক বছরে নেপালের পর্যটন শিল্প ধাক্কা খেয়েছে ব্যাপকভাবে। এমনকী পর্বতারোহনে অন্যদের সবরকম সহায়তা করা শেরপারাও গত এক বছর ধরে কাজ হারিয়ে বাড়িতে বসে ছিলেন। ২০২০-তে করোনার প্রকোপ শুরু হওয়ার পর থেকেই তাঁরা নিজেদের গ্রামে ফিরেছিলেন। এমনকী অনেকে তো আলু চাষ করে দিনযাপন করছিলেন। শেষ পর্যন্ত তাঁরা আবার কাজে ফিরতে পারবেন। আপাতত নেপাল সরকার ৩০০ পর্বতারোহীকে এভারেস্টে চড়ার অনুমতি দিয়েছে। নেপাল সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, সময় গড়ালে পর্বতারোহীর সংখ্যা বাড়ানো হবে। এভারেস্টে চড়ার ক্ষেত্রে পর্বতারোহীদের একাধিক নিয়ম মানতে হবে। মাস্ক ছাড়া পর্বতারোহন করা যাবে না। এভারেস্ট অভিযানের আগে পর্বাতারোহীকে করোনা টেস্ট করাতে হবে। গায়ে গা লাগিয়ে পর্বতারোহন বন্ধ। পর্বতারোহীরা পরস্পরের সঙ্গে কোলাকুলি করতে পারবেন না। এছাড়াও এভারেস্টের বেস ক্যাম্পে মেডিকেল টিম থাকবে। সংক্রমিত পর্বতারোহীদের চিকিত্সার দায়িত্ব থাকবে সেই টিমের উপর। মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত মাউন্ট এভারেস্টে পর্বতারোহনের মৌসুম চলে। এবার এই মৌসুমে মাত্র ৩০০ জন পর্বতারোহী এভারেস্টে চড়ার অনুমতি পাবেন। তাও কোনওরকম ভিড় করার সুযোগ এবার নেই। পরস্পরের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রেখেই চড়তে হবে পর্বতারোহীদের। সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া
২০৩৬ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার আইনে স্বাক্ষর করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন
৬,এপ্রিল,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আগামী ২০৩৬ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার পথ পোক্ত করতে নতুন একটি বিলে স্বাক্ষর করেছেন। গতকাল সোমবার নতুন এই বিলের অনুমোদন দেওয়ায় আরো দুই মেয়াদে এক যুগের জন্য দেশটির প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন তিনি। ভয়েস অব আমেরিকার খবরে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা বিষয়ক বিতর্কিত একটি প্রস্তাবকে আইনে পরিণত করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এটা তাকে ২০৩৬ সাল পর্যন্ত কার্যত ক্ষমতায় থাকার দ্বার উন্মুক্ত করে দিয়েছে। প্রস্তাবটি সম্প্রতি সংসদের নিম্ন ও উচ্চকক্ষের দ্বারা অনুমোদিত হয়েছে। এটা এখন গত বছর ভোটারদের ভোটে অনুমোদিত নির্বাচনী আইনের সাংবিধানিক পরিবর্তনের সাথে যুক্ত হয়েছে। বর্তমান নির্বাচনী আইনের অধীনে একজন রাষ্ট্রপতির টানা তৃতীয় বার ছয় বছরের মেয়াদে থাকা নিষিদ্ধ। পুতিন বর্তমানে পরপর দ্বিতীয় বার ছয় বছরের মেয়াদে রয়েছেন। ৬৮ বছর বয়সী রুশ নেতা ভ্লাদিমির পুতিন ২০২০ সালে এই প্রস্তাব উত্থাপন করেন। ১৯৯৯ সাল থেকে রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী কিংবা প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। গত বছর সাংবিধানিক সংশোধনী নিয়ে রাশিয়া সরকার ভোটের আয়োজন করেছিল। বর্তমানে দেশটির আইন প্রণেতারা সংবিধানের নতুন সংস্করণের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিদ্যমান আইন তৈরি করছেন। ২০০০ সাল থেকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ভ্লাদিমির পুতিন। তার বর্তমান মেয়াদ শেষ হবে ২০২৪ সালে। নতুন বিলে স্বাক্ষর করার মধ্য দিয়ে এখন তিনি ২০৩৬ সাল পর্যন্ত রাশিয়ার ক্ষমতায় থাকার পথ চূড়ান্ত করলেন।
আমাজন বাঁচাতে ১০০ কোটি ডলার চায় ব্রাজিল
৫,এপ্রিল,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আমাজন বাঁচানোর স্বার্থে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশগুলোর কাছে ১০০ কোটি ডলার সহায়তা চেয়েছে ব্রাজিল। গত শনিবার (৩ মার্চ) দেশটির স্থানীয় ও এস্তাদো দে সাও পাওলো পত্রিকায় এক সাক্ষাতকারে ব্রাজিলের পরিবেশমন্ত্রী রিকার্ডো সেলস এ সহায়তা চেয়েছেন। সাক্ষাতকারে মন্ত্রী বলেন, বন নিধন থামাতে এই ১০০ কোটি ডলার ১২ মাসে খরচ করা হবে। সময়মতো এই সহায়তা পেলে এবং তা ঠিক উপায়ে ব্যবহার করা গেলে আমরা ১ বছরের মধ্যে আমাজন নিধন ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনতে পারব। রিকার্ডো সেলস আরও জানান, তিনি ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সহায়তা চেয়েছেন এবং নরওয়ে সহযোহিতা করতে চায় কিনা তা জানতে চেয়েছেন। সহায়তার এক তৃতীয়াংশ অর্থ সরাসরি বন উজাড় রুখতে ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। বাকি দুই-তৃতীয়াংশ অর্থনৈতিক বিকাশের জন্য ব্যবহার করা হবে। উল্লেখ্য, বিশ্বের বৃহত্তম রেইনফরেস্ট আমাজনে বন নিধন রোধ করতে ব্যর্থতার জন্য ব্রাজিলকে প্রায়শই সমালোচিত হতে হয়। সূত্র: ডেইলি সাবাহ
চার নারী মিলে হেনস্থা, ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে বিষ পান যুবকের!
৩,এপ্রিল,শনিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রায়ই হেনস্থা করতেন প্রতিবেশী চারজন নারী। প্রতিদিন তা ক্রমশ বাড়তে থাকে। ধীরে ধীরে সেই হেনস্থার মাত্রা সমস্ত সীমা অতিক্রম করে। এতটাই চরম পর্যায়ে পৌঁছে যায় সেই মাত্রা, তা সহ্য করতে না পেরে ফেসবুক পোস্ট করে বিষ পানে আত্মহত্যার চেষ্টা এক যুবক। যদিও পুলিশি তৎপরতায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন ওই যুবক। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আপাতত হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের আগ্রার খাস পুরা এলাকায়। জানা গেছে, যুবকের নাম লাভিশ আগারওয়াল। তিনি পেশায় একজন ইনস্যুরেন্স এজেন্ট। সম্প্রতি নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্ট করে চার নারীর বিরুদ্ধে হেনস্থার অভিযোগ করেন লাভিশ। ওই পোস্টে লাভিশ লেখেন, ওই চারজন আমার নামে ধর্ষণ এবং ইভটিজিংয়ের ভুয়া মামলা দায়ের করেছে। আমিও ওঁদের নামে পুলিশে অভিযোগ করেছিলাম। কিন্তু তাতেও ওঁরা থামেনি। এখনও প্রতিনিয়ত আমাকে হেনস্থা করে চলেছে। এরপর সীতাপুরে আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে। অথচ আমি কখনোই ওখানে যাইনি। এসবের ফলে ভীষণ মানসিক অশান্তিতে ভুগছি। তাই আত্মহত্যার পথ বেছে নিলাম। ওরাই আমার মৃত্যুর জন্য দায়ী থাকবে। এরপরই বিষ পান করেন লাভিশ। কিছুক্ষণের মধ্যেই লাভিশের পোস্টটি নজরে আসে নরেশ পারাস নামে এক সমাজকর্মীর। তিনিই বিষয়টি পুলিশের নজরে আনেন। ফোন করেন স্থানীয় এসএসপি মুনিরাজকে। পাশাপাশি পুলিশকে উদ্দেশ্য করে টুইটও করেন নরেশ পারাস। খবর পেয়েই সঙ্গে সঙ্গে ওই যুবকের বাড়িতে যায় পুলিশ। তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ভর্তি করা হয় স্থানীয় এসএন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। আপাতত সেখানেই মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন ওই যুবক। অন্যদিকে, গোটা মামলাটি তুলে দেওয়া হয়েছে সাইবার সেলের হাতে। ইতিমধ্যে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ওই যুবকের বয়ানও রেকর্ড করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সূত্র: বিডি প্রতিদিন
বড়লোকদের টাকায় দেশের অবকাঠামো বদলাতে চান বাইডেন
২,এপ্রিল,শুক্রবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: যুক্তরাষ্ট্রে বড়লোকদের ওপর কর বসিয়ে দেশের অবকাঠামো বদলে দিতে উচ্চাকাঙ্ক্ষী পরিকল্পনা করছেন বাইডেন। এর ফলে প্রচুর কর্মসংস্থান হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অবকাঠামোর হাল ফেরাতে তিনি দুই ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করবেন। এক ট্রিলিয়ন মানে ১০ হাজার কোটি টাকা। আগামী আট বছরে বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ করে দেশের অবকাঠামো বদলে দিতে চাইছেন তিনি। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- বাইডেন ঠিক করেছেন, এই বিপুল পরিমাণ অর্থ তিনি জোগাড় করবেন বড়লোকদের ওপর করের হার বাড়িয়ে। তিনি বলেছেন, সাধারণ মানুষের ওপর কোনো বাড়তি কর চাপানো হবে না। যাদের আয় চার লাখ ডলার বা তার বেশি, তাদের করের হার ২১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৮ শতাংশ করা হবে। ট্রাম্প ক্ষমতায় এসে বড়লোকদের ওপর কর কমিয়ে দিয়েছিলেন। বাইডেন সেটা আবার বাড়িয়ে পরিকাঠামোয় উন্নতির খরচ জোগাড় করতে চান। বাইডেনের বক্তব্য, তার এই পরিকরল্পনা হলো- ওয়ানস ইন আ জেনারেশন প্ল্যান, মানে এক প্রজন্মে একবারই এই ধরনের যোজনা নেয়া হয় বা নেয়া যায়। চীন এখন অর্থনীতির ক্ষেত্রে দ্রুত এগিয়ে আসছে। তার মোকাবিলায় মার্কিন অর্থনীতিও বাড়বে। প্রচুর কর্মসংস্থান হবে। পরিকাঠামোর উন্নতি হবে। বাইডেনের পরিকল্পনা হলো, ২০ হাজার মাইল রাস্তার উন্নতি করা হবে এবং হাজার হাজার ব্রিজ সারানো হবে। সরকারি পরিবহন ব্যবস্থার উন্নতিতে দ্বিগুণ খরচ করা হবে এবং প্রচুর ইলেকট্রিক চার্জিং পয়েন্ট তৈরি করা হবে। পানির পাইপ বদল করা হবে এবং নিকাশী ব্যবস্থার উন্নতি করা হবে। পাওয়ার গ্রিড আপগ্রেড করা হবে যাতে ক্লিন এনার্জি দেয়া সম্ভব হয়। হাসপাতাল, স্কুল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলো সারানো হবে। এর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ পেতে করপোরেট কর ২১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৮ শতাংশ করা হবে। আর কর ব্যবস্থার ফাঁকগুলোও বন্ধ করা হবে।
মধ্যপ্রাচ্য সবুজায়নে নেতৃত্ব দিতে চায় সৌদি আরব
১,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পরিবেশের সুরক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াই এবং মধ্যপ্রাচ্যে পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ (উচ্চ তাপমাত্রা, অনাবৃষ্টি, বালুঝড় ও মরুভূমি) মোকাবিলায় সবুজায়নের দিকে নজর দিচ্ছে সৌদি আরব। অঞ্চলটিতে পাঁচ হাজার কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে তারা। এরমধ্যে এক হাজার কোটি গাছ লাগানো হবে সৌদি আরবে। বাকি চার হাজার কোটি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে। সম্প্রতি- সৌদি গ্রিন ইনিশিয়েটিভ এবং মিডল ইস্ট গ্রিন ইনিশিয়েটিভ নামে দুটি উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার ঘোষণা আসে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে। সৌদির অর্থনৈতিক-সামাজিক ও পরিবেশগত উন্নয়নে ২০৩০ সাল পর্যন্ত ১০ বছর মেয়াদি যে পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে, তার আওতায় এসব পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এই উদ্যোগের ঘোষণা দেন যুবরাজ (ক্রাউন প্রিন্স) মোহাম্মদ বিন সালমান। পরিবেশগত আঞ্চলিক কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেওয়ার উচ্চাভিলাষ থেকেই এমন ঘোষণা দিলো মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম ক্ষমতাধর দেশটি। সৌদি গ্রিন ইনিশিয়েটিভ এর পরিকল্পনা অনুযায়ী, কার্বন নিঃসরণ, দূষণ ও ভূমির অবক্ষয় সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সৌদি আরবেই লাগানো হবে এক হাজার কোটি গাছ। আর মিডল ইস্ট গ্রিন ইনিশিয়েটিভ এর আওতায় মধ্যপ্রাচ্যে লাগানো হবে চার হাজার কোটি গাছ। যা হতে যাচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম বন পুনরুদ্ধার কর্মসূচি। সামগ্রিকভাবে এই উদ্যোগের নাম দেওয়া হয়েছে- মধ্যপ্রাচ্য সবুজায়ন প্রকল্প। সৌদি গ্রিন ইনিশিয়েটিভ এর মাধ্যমে গাছের ঘনত্ব বাড়ানোর পাশাপাশি কার্বন নিঃসরণ, দূষণ ও ভূমির অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে লড়াই, সামুদ্রিক পরিবেশে বিদ্যমান উদ্ভিদ, প্রাণী, অনুজীব রক্ষা করতে চান উদ্যোক্তরা। এজন্য গৃহীত পদক্ষেপগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে- এক হাজার কোটি গাছ লাগানো, বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণে অবদান রাখা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প চালু করা যা ২০৩০ সালে বিদ্যুৎ চাহিদার ৫০ শতাংশ পূরণ করবে। আর নানা পদক্ষেপের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চল ও বিশ্বের উন্নয়নে নেওয়া হয়েছে মিডল ইস্ট গ্রিন ইনিশিয়েটিভ। উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য অঞ্চলে হাইড্রোকার্বন প্রযুক্তির দক্ষতা বাড়ানো ও চার হাজার কোটি গাছ লাগানো, যাতে বৈশ্বিক পর্যায়ে ২ দশমিক ৫ শতাংশ কার্বন নিঃসরণ কমানো যায়। সৌদি আরব ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলোতে প্রায় সর্বত্রই মরুভূমির প্রাধান্য। এসব দেশে পানির জোগানও একেবারেই কম। ফলে পানির চাহিদা মেটাতে এ অঞ্চলের অন্য দেশের মতো সৌদি আরবও সমুদ্রের পানি লবণমুক্ত করে পানযোগ্য করে তোলে। এজন্য দেশটি বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল ও গ্যাসের ব্যবহার করে। যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। কিন্তু সৌদি অর্থনীতিতে তেলের ওপর নির্ভরতা কমাতে চান মোহাম্মদ বিন সালমান। তাই গাছ লাগানোর উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী হিসেবেই বিবেচনা করা হচ্ছে।
শান্তির বার্তা দিয়ে নরেন্দ্র মোদিকে ইমরান খানের চিঠি
৩১,মার্চ,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পাকিস্তানের জাতীয় দিবসে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে চিঠি দিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই চিঠির জবাব দিয়েছেন ইমরান খান। নরেন্দ্র মোদিকে লেখা চিঠিতে সংলাপের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি আবশ্যক বলে জানিয়েছেন ইমরান খান। ভারতের সংবাদমাধ্যম এনআইর বরাতে মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) এনডিটিভি চিঠির বিষয়টি জানিয়েছে। ধন্যবাদ জানিয়ে সোমবার (২৯ মার্চ) মোদিকে লেখা চিঠিতে ইমরান খান লিখেছেন, পাকিস্তানের নাগরিকরাও ভারতসহ প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে শান্তিপূর্ণ ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক চান। ইমরান খান বলেন, আমরা নিশ্চিত যে জম্মু-কাশ্মীরসহ ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ সব বিষয়ের সমাধানের ওপর দক্ষিণ এশিয়ায় দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতা নির্ভরশীল। গঠনমূলক ও ফলাফল নির্ভর সংলাপের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা আবশ্যক বলেও চিঠিতে উল্লেখ করেন ইমরান খান। করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য ভারতের নাগরিকদের প্রতি শুভকামনাও জানান পাক প্রধানমন্ত্রী। এর আগে গত ২৩ মার্চ সম্পর্ক উন্নয়নের প্রত্যাশা জানিয়ে ইমরান খানকে চিঠি লেখেন নরেন্দ্র মোদি। পাকিস্তানের জাতীয় দিবসে শুভেচ্ছা জানিয়ে মোদি লেখেন, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারত পাকিস্তানের বাসিন্দাদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক চায়। সেজন্য সন্ত্রাস ও বিরোধিতামুক্ত পরিবেশ প্রয়োজন। সম্প্রতি করোনায় আক্রান্ত পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের আরোগ্য কামনা করে টুইটও করেছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এছাড়াও সম্প্রতি ইসলামাবাদে নিরাপত্তা সম্পর্কিত এক অনুষ্ঠানে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়া অতীতের বিরোধকে কবর দিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্প্রীতির কথা বলেন। তিনি শান্তিপূর্ণ উপায়ে কাশ্মীর সঙ্কট সমাধানের কথাও উল্লেখ করেন।
মিয়ানমারে নিহত বিক্ষোভকারীর সংখ্যা পাঁচশ ছাড়িয়েছে
৩০,মার্চ,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের ওপর প্রতিদিনই কাঁদানে গ্যাস, রাবার বুলেট ও তাজা গুলি ছুড়ছে জান্তা সরকার। অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনার্স জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ৫১০ জন নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করতে পেরেছে। তবে নিহতের সংখ্যা আরও বেশি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রাস্তায় আবর্জনা ছুড়ে নতুন করে অসহযোগ আন্দোলন শুরু করেছেন দেশটির সাধারণ মানুষ। সামরিক বাহিনীর সহিংসতায় ১৪ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এদিন বালুর বস্তার ব্যারিকেড সরিয়ে দিতে আগের চেয়েও ভারী অস্ত্র ব্যবহার করতে দেখা গেছে সেনাদের। যদিও তা কী ধরনের অস্ত্র ছিল, তা পরিষ্কার হওয়া যায়নি। গণতান্ত্রিক সরকার ফিরিয়ে আনার আন্দোলনে জান্তা সরকারের নিষ্ঠুর ধরপাকড়ে দেশটির ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশ কয়েকটি দেশ মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার শাস্তি দিয়েছে। ইতিমধ্যে বাণিজ্যচুক্তি স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে ওয়াশিংটন। জান্তা সরকারকে চাপ দিতে ঐক্যবদ্ধ বৈশ্বিক ফ্রন্ট গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনি গুতেরেস। তিনি বলেন, বেসামরিক লোকজনের বিরুদ্ধে এত বেশি সহিংসতা চরম অগ্রহণযোগ্য, অনেক বেশি লোক নিহত হয়েছেন। আমাদের আরও ঐক্য দরকার, পরিস্থিতি পাল্টাতে জান্তা সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও বেশি অঙ্গীকার দরকার। ২০১৩ সালের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ কাঠামো চুক্তি স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। গণতান্ত্রিক সরকার ফিরে না-আসা পর্যন্ত এ চুক্তি কার্যকর করা হবে না বলে তিনি জানান। এদিকে, মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি ক্যাথরিন বলেন, 'বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নৃশংস সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।

আন্তর্জাতিক পাতার আরো খবর