চীন ও তাইওয়ানের- আনারস যুদ্ধ
২১,মার্চ,রবিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চীন ও তাইওয়ানের দ্বন্দ্ব অনেক পুরনো। এখন নতুন আরেক পদক্ষেপ। গত মাসে তাইওয়ানের আনারস আমদানি ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় চীন। চীন দাবি করেছে, তাইওয়ানের আনারসে এক ধরনের ক্ষতিকারক জীব আছে, যা তাদের নিজস্ব উৎপাদনকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। তবে এতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে তাইওয়ান। দেশটির নেতারা বলেছেন, এর সাথে ফসলের পোকার কোনো যোগসূত্র নেই। তাইওয়ানকে সব সময় নিজেদের একটি প্রদেশ হিসেবে বিবেচনা করে চীন। তাই নতুন এই বাণিজ্যিক লড়াইয়ের মাধ্যমে সেখানে রাজনৈতিক চাপ বাড়িয়ে তুলতে চাইছে। এজন্য আনারস রফতানির জন্য নতুন গ্রাহক খুঁজতে শুরু করেছে তাইওয়ানের নেতারা। স্থানীয়দেরও বেশি করে চীন কর্তৃক নিষিদ্ধ এ ফল খেতে উদ্বুদ্ধ করছেন তারা্ তাইওয়ানের ভাইস প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে এক টুইট বার্তায় লিখেছেন, তাইওয়ানের আনারস যুদ্ধবিমানের চেয়ে শক্তিশালী। ভূ-রাজনৈতিক চাপ তাদের স্বাদ কমাতে পারবে না। দেশের ভেতরেই বিক্রি বাড়ানোর জন্য তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং ওয়েন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পাইনঅ্যাপল চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন।
৮শ বছর পর আইসল্যান্ডের আগ্নেয়গিরিতে অগ্নুৎপাত
২০,মার্চ,শনিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আইসল্যান্ডের রাজধানী রিকজাভিকের দক্ষিণ-পশ্চিমে ফাগরাডালসফল আগ্নেয়গিরিতে অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়েছে। অগ্ন্যুৎপাতের কারণে রিকজানেস উপদ্বীপের এই আগ্নেয়গিরিতে ৫শ থেকে ৭শ মিটার দীর্ঘ ফাটল তৈরি হয়েছে। প্রায় ৮শ বছর পর আবার আগ্নেয়গিরিটিতে অগ্নুৎপাতের ঘটনা ঘটলো। আইসল্যান্ডের আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, শুক্রবার স্থানীয় সময় ৮:৪৫ মিনিটের দিকে ফাগরাডালসফলে অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়। পরবর্তীকালে ওয়েবক্যাম ও স্যাটেলাইটের ছবির মাধ্যমে অগ্ন্যুৎপাত নিশ্চিত হওয়া গেছে। রিকজাভিক থেকে ৩০ কিলোমিটারের মতো দূরে অগ্ন্যুৎপাতের এলাকায় কোস্টগার্ডের হেলিকপ্টার পাঠানো হয়। হেলিকপ্টারের মাধ্যমে যে ছবি সংগ্রহ করা হয় যাতে দেখা যায়, আগ্নেয়গিরি থেকে লাভা উদগীরণ হয়ে নিচে গড়িয়ে পড়ছে। অগ্নুৎপাতের এলাকা থেকে আট কিলোমিটার দূরে বসবাসকারী র;্যানভিগ গুডমুন্ডসডোটির বলেন, আমি আমার জানালা থেকে লাল আভাময় আকাশ দেখতে পাই। সবাই গাড়ি চালিয়ে সেখানে যাচ্ছে। অগ্ন্যুৎপাতে খুব বেশি ছাই বা ধোঁয়া বের হবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই আশা করা হচ্ছে, এর ফলে বিমান চলাচল বাঁধাগ্রস্ত হবেনা। ২০১০ সালে ইজাফল্লাজোকাল আগ্নেয়গিরিতে অগ্নুৎপাতের ফলে সমগ্র ইউরোপে বিমান চলাচল স্থগিত করতে হয়েছিল। আইসল্যান্ডে গত তিন সপ্তাহে ৪০ হাজারেরও বেশি ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটেছে। অগ্নুৎপাত শুরুর আগে ফাগরাডালসফলের ১.২ কিলোমিটার দূর থেকে ৩.১ মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়। আইসল্যান্ডে দুটি টেকটোনিক প্লেট বিপরীত দিকে চলার কারণে সেখানে প্রতিনিয়তই ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
ইরাকে মার্কিন সামরিক বহরে বোমা হামলা
১৯,মার্চ,শুক্রবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইরাকের তিনটি প্রদেশে একদিনেই চারটি বোমা হামলার শিকার হয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। বৃহস্পতিবার দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় আল-ক্বাদিসিয়াহ ও আল-মুসান্না এবং পশ্চিমাঞ্চলীয় আল-আনবার প্রদেশে এসব হামলা হয়েছে বলে জানা গেছে। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক ইরাকের নিরাপত্তা বিভাগের একটি সূত্র স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেল আস-সুমারিয়াকে জানিয়েছে, মার্কিন সামরিক বাহিনী ট্রাকে করে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম পরিবহনের সময় হামলার শিকার হয়। সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার ইরাকের রাজধানী বাগদাদের প্রায় ১৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে আল-দিওয়ানিয়া শহরের কাছাকাছি একটি মহাসড়কে মার্কিন সামরিক বহরে বোমা হামলা হয়। এতে গাড়িবহরের ক্ষয়ক্ষতি হলেও কেউ হতাহত হয়েছে কিনা তা জানা যায়নি। বিস্ফোরণস্থল ঘিরে রেখেছে পুলিশ। একই দিন বাগদাদের ২৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে সামাওয়াহ শহরের কাছে মার্কিন সামরিক বহর লক্ষ্য করে আরও দুটি বোমা হামলা হয়। তবে এতে কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। এছাড়া ইরাকের সাবেরিন নিউজ চ্যানেলের খবরে বলা হয়েছে, দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় আনবার প্রদেশের মহাসড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় আরেকটি মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক বহর বোমা হামলার মুখে পড়ে। এসব হামলার ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠী দায় স্বীকার করেনি। সূত্র: পার্স টুডে
মিয়ানমারে বিনিয়োগের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন চীন
১৭,মার্চ,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে বেশ কয়েকদিন ধরেই বিচ্ছিন্নভাবে চীনবিরোধী স্লোগান, প্ল্যাকার্ড চোখে পড়ছে। চীন সেনা অভ্যুত্থানকে সমর্থন করছে, চীনের সমর্থনেই সেনাবাহিনী এই সাহস পেয়েছে ফেসবুক-টুইটারে এমন অনেক ক্ষুব্ধ মন্তব্যও করেছেন অনেকেই। বার্তা সংস্থা রয়টর্স তাদের এক রিপোর্টে বলছে, মান্দালয় শহরে বিক্ষোভে চীনা কোম্পানি বেরিয়ে যাও, চীনা গ্যাস পাইপলাইনে আগুন জ্বলবে - এমন স্লোগানও উঠেছে। মিয়ানমার-চীন গ্যাস পাইপলাইনটি গেছে মান্দালয়ের পাশ দিয়েই। শেম অন ইউ চীন। দেশ লুটপাটে সমর্থন বন্ধ কর- চীনা দূতাবাসের কাছে সম্প্রতি এক বিক্ষোভে এমন পোস্টার দেখা গেছে। পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমে চীন নিয়ে বহু গুজব ছড়িয়ে পড়েছে। কোনো কোনো পোস্টে মানুষ এমন কথাও লিখেছে যে, তারা নিজের চোখে রাস্তায় চীনা সৈন্যদের দেখেছে। চীনা নববর্ষ উপলক্ষে মিয়ানমার থেকে মাছ নিয়ে অনেক ফ্লাইট চীনে গেছে। এমন সন্দেহও প্রকাশ করা হয়েছে যে, চীন থেকে বিমানে করে সৈন্যদের আনা হচ্ছে। সামািজিক মাধ্যমে এমন কথাও লেখা হয়েছে যে, ইন্টারনেটে ফায়ারওয়াল তৈরি করতে চীনা ইঞ্জিনিয়ার আনা হয়েছে। তবে মিয়ানমারে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত রয়টার্সের কাছে এক প্রতিক্রিয়ায় এসব কথাকে আবোল-তাবোল বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। এরপর রোববার প্রথমবারের মতো চীনা মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে সরাসরি হামলার ঘটনা ঘটেছে। ইয়াঙ্গুনের শহরতলীতে একটি শিল্প এলাকায় ৩২ চীনা মালিকানাধীন কারখানায় হামলা করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেনাবাহিনী পরিচালিত একটি মিডিয়ায় বলা হয়েছে আগুন নেভানোর জন্য দমকল বাহিনীর গাড়ি যাওয়ার চেষ্টা করলে হাজারখানেক বিক্ষোভকারী রাস্তা আটকে দেয়। এই ঘটনার পর চীন সরকারের পক্ষ থেকে চীনা ব্যবসা এবং সেখানে কর্মরত তাদের নাগরিকদের রক্ষার জন্য মিয়ানমার সরকারের কাছে আহ্বান জানানো হয়। চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান সোমবার বলেন, আমারা আশা করি চীনা কোম্পানির সম্পদ এবং চীনা নাগরিকদের জীবন রক্ষায় মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা নেবে। চীনা কম্যুনিস্ট পার্টির মুখপাত্র গ্লোবাল টাইমস তাদের এক সম্পাদকীয়তে মিয়ানমারে উস্কানিদাতাদের শাস্তি দাবি করা হয়েছে। কারখানায় অগ্নিকান্ড এবং চীনের কাছ থেকে প্রতিক্রিয়ার পরপরই মিয়ানমারের সামরিক সরকার ইয়াঙ্গুন এবং মান্দালয় ছাড়াও আরো কিছু শহরে সামরিক আইন জারি করেছে। এসব জায়গায় বিক্ষোভকারীদের এখন সামরিক আদালতে বিচার করা যাবে। কে বা কারা চীনা কারখানায় আগুন দিয়েছে তা এখনও পরিষ্কার নয় । কিন্তু নাম প্রকাশ না করার শর্তে মিয়ানমারের এক সাংবাদিক বিবিসিকে বলেন, মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের সরাসরি নিন্দা না করার জন্য অং সান সুচির বহু সমর্থক চীনের প্রতি ক্ষুব্ধ। বিশেষ করে ১ ফেব্রুয়ারি সেনা অভ্যুত্থানের সপ্তাহ দুয়েক আগে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এক সফর নিয়ে বহু মানুষের মনে এই সন্দেহ ঢুকেছে যে চীন সব জানতো এবং তাদের গ্রিন সিগন্যালেই এই অভ্যুত্থান করার সাহস পেয়েছে সেনাবাহিনী। চীনবিরোধী এই প্রচারণা, চীনা কারখানায় অগ্নিকান্ড বা গ্যাস পাইপলাইনে আগুন দেওয়া নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে এই হুমকি চীনের জন্য কতটা উদ্বেগের? চীনের জন্য খুবই উদ্বেগের বলে মনে করেন কুয়ালালামপুরে মালয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব চায়নার অধ্যাপক ড সৈয়দ মাহমুদ আলী। তিনি বলেন, কৌশলগত অর্থনীতির স্বার্থে যে দুটো দেশ চীনের কাছে এখন খুবই গুরুত্বপূর্ণ তার একটি হলো পাকিস্তান, অন্যটি মিয়ানমার। তিনি বলেন, বিশেষ করে যে জলপথ দিয়ে পারস্য উপসাগর থেকে চীনের জ্বালানি সরবরাহ আসে-ভবিষ্যতে সেই মলাক্কা প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়ে চীন অনেকদিন ধরেই চিন্তিত। সুতরাং ঐ জলপথের বিকল্প হিসেবে তারা পাকিস্তান এবং মিয়ানমারের ভেতর দিয়ে ভারত মহাসাগরে যাওয়ার সুবিধা তৈরি করেছে। মিয়ানমারের বঙ্গোপসাগরে চীনা বিনিয়োগে গভীর সমুদ্র বন্দর তৈরি হয়েছে। সেখান থেকে একটি তেলের পাইপলাইন চীনের ইউনান প্রদেশে গেছে যেটি ২০১৭ সালে চালু হয়। গ্যাসের আরেকটি পাইপলাইন ২০১৩ সালে চালু হয় যা দিয়ে মিয়ানমারের সমুদ্রে উৎপাদিত গ্যাস চীনে যাচ্ছে। এই দুই প্রকল্পে চীন মিয়ানমারে কম-বেশি ৩ হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে। তাছাড়া, মিয়ানমার চীনের উচ্চাভিলাষী বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সফরের সময় চীন-মিয়ানমার ইকোনমিক করিডোরের (সিএমএফসি) বিভিন্ন অবকাঠামোর জন্য নতুন ৯শ কোটি ডলারের চুক্তি স্বাক্ষর হয়। নতুন আরেকটি বন্দর এবং চীন সীমান্ত পর্যন্ত একটি রেললাইন নির্মাণ এসব পরিকল্পনায় রয়েছে। মিয়ানমারে ক্রদ্ধ জনমত চীনের এসব পরিকল্পনায় ঝুঁকি তৈরি করবে বলে মনে করেন ওয়াশিংটনভিত্তিক স্টিমসন সেন্টারের পরিচালক ইয়ুন সান। তিনি বলেন, মিটসোন বাঁধ প্রকল্প নিয়ে অতীতে চীনের সুনাম অনেক ক্ষুণ্ণ হয়েছে যার পরিণতিতে ২০১১ সালে প্রকল্পটি বাতিল হয়। তারপর থেকেই চীন মিয়ানমারে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভাবমূর্তি উন্নয়নে তৎপর হয়। রাজনীতিকদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষদের সাথেও যোগাযোগ বাড়ায়। কিন্তু সেনা অভ্যুত্থানে সেই চেষ্টা অনেকটা হুমকিতে পড়েছে বলে মনে হচ্ছে। ড. মাহমুদ আলী বলেন, চীনা পররাষ্ট্রনীতির প্রধান একটি মূলমন্ত্র হচ্ছে, তারা কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে নাক গলাবে না এবং মিয়ানমারের ক্ষেত্রেও তারা গত তিন দশক ধরে সেই নীতিই অনুসরণ করছে। মিয়ানমারে যেই ক্ষমতায় আসুক তাদের সাথে বেইজিং ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রাখছে। সেনা শাসন শেষে যখন অং সান সুচি ক্ষমতায় এলেন তখনও তার সরকারের সাথেও সমানভাবে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রেখেছে চীন। তেমনি ফেব্রুয়ারিতে সেনা অভ্যুত্থানের পরও চীন সরাসরি তার নিন্দা করেনি। তবে মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থান বিরোধী জনরোষ যে মিয়ানমারের স্থিতিশীলতা এবং সেখানে দীর্ঘমেয়াদী চীনা স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করতে পারে, তা হয়ত চীন সরকার বুঝতে পারছে। সে কারণেই সম্ভবত চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়াং ই গত ৭ মার্চ বেইজিংয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, মিয়ানমারের সঙ্কট নিয়ে দেশের সব পক্ষের সাথে কথা বলবে চীন। ইয়াং ই বলেন, মিয়ানমারের সার্বভৌমত্ব এবং সেখানকার মানুষের ইচ্ছার কথা মাথায় নিয়ে চীন সব পক্ষের সাথে কথা বলতে এবং উত্তেজনা হ্রাসে ভূমিকা পালনে প্রস্তুত। কিন্তু মিয়ানমারে আপোষ মীমাংসায় কার্যকরী কোনো ভূমিকা রাখার সক্ষমতা কতটা রয়েছে চীনের? ড. আলী মনে করেন, যদি সেটা কেউ পারে সেটা চীনই পারবে। কারণ শুধু সেনাবাহিনী নয়, মিয়ানমারের সব দলের সাথেই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে চীনের। এনএলডির সাথেও তাদের সম্পর্ক খুবই ভালো। অং সান সু চি কয়েকবার বেইজিং গেছেন। রোহিঙ্গা ইস্যুতে যখন পশ্চিমা দেশগুলোর কাছ থেকে চাপে পড়েছিলেন সু চি তখনও বেইজিংই তাকে সমর্থন জুগিয়েছে। এই মুহুর্তে চীন তার বিনিয়োগের নিরাপত্তা রক্ষায় কি করতে পারে? এ বিষয়ে ড. আলী মনে করেন, পাকিস্তানের সাথে চীন যে ব্যবস্থা করেছে সেই পথই হয়তো তারা মিয়ানমারেও নেবে। পাকিস্তানেও চীনা প্রকল্প, চীনা নাগরিকদের ওপর হামলা হয়েছে। করাচিতে, বেলুচিস্তানে বেশ কয়েকজন চীনা নাগরিক মারাও গেছেন। চীন একটা সময়ে পাকিস্তানকে বলেছে, আমরা এত টাকা বিনিয়োগ করছি সুতরাং এর নিরাপত্তার দায়িত্ব তোমাদের। এরপর পাকিস্তান দুটো আলাদা নিরাপত্তা ইউনিট গঠন করেছে যাদের কাজই হচ্ছে চীন-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোরের নিরাপত্তা বিধান। গোয়াদার বন্দরটি কাঁটাতার দিয়ে ঘিরে দিয়েছে পাকিস্তান। গত কয়েকদিনে বিভিন্ন পর্যায়ে চীনের পক্ষ থেকে মিয়ানমারের সেনা নেতৃত্বের কাছে সেই বার্তাই দেয়া হচ্ছে- চীনা প্রকল্প, কোম্পানি এবং চীনা নাগরিকদের নিরাপত্তা মিয়ানমারের দায়িত্ব। ইয়াঙ্গুন ও মান্দালয়ে সামরিক আইন জারি সম্ভবত তারই পরিণতি। সামনের দিনগুলোতে হয়তো এমন আরও কঠোর ব্যবস্থা দেখা যাবে।
শান্তি প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখতে নারীদের প্রতি জাতিসংঘের আহ্বান
১৪,মার্চ,রবিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ আফগানিস্তানের শান্তি প্রক্রিয়ায় নারীদের পূর্ণাঙ্গ, সমান এবং অর্থবহ অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে। দেশটির সহিংসতা নিরসনে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ না করে শুক্রবার (১২ মার্চ) পরিষদ এমন আহ্বান জানায়। পরিষদের এক বিবৃতিতে বলা হয়, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা বলেছে, আফগানিস্তানের আস্থা থাকা শান্তি প্রক্রিয়ায় তাদের নেতৃত্ব অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে একটি টেকসই শান্তি অর্জিত হতে পারে। আর এ শান্তি প্রক্রিয়ার লক্ষ্য হচ্ছে একটি স্থায়ী ও ব্যাপক অস্ত্রবিরতি পালন নিশ্চিত করা। আফগানিস্তানে বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানোর কঠোর নিন্দা জানিয়েছে নিরাপত্তা পরিষদ। এ ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গ্রুপের নাম উল্লেখ না করে পরিষদ জানায়, এর সদস্যরা আফগানিস্তান ও এই অঞ্চলে সন্ত্রাসবাদের হুমকির ব্যাপারে তাদের গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা সহিংসতা হ্রাসসহ আস্থা গড়ে তোলার বিভিন্ন পদক্ষেপ খুঁজে বের করতে আলোচনার ব্যাপারে বিভিন্ন দলকে দৃঢ়ভাবে উৎসাহিত করে। আফগান সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টোনি ব্লিনকেনের একটি চিঠির ভাষ্য অনুযায়ী, ওয়াশিংটন সম্প্রতি একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক নতুন সরকার গঠনসহ কাবুলের বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ এবং তালেবানের কাছে একটি খসড়া শান্তি চুক্তিপত্র জমা দিয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র তুরস্কে একটি আন্তঃআফগান বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছে এবং তারা জাতিসংঘের পৃষ্ঠপোষকতায় মন্ত্রী পর্যায়ের একটি সম্মেলনের আয়োজন করছে। আফগানিস্তানের ভবিষ্যৎ বিষয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ দৃষ্টিভঙ্গি পোষণে আয়োজন করা এই সম্মেলনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, ভারত, পাকিস্তান ও ইরান একত্রে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে।
করোনাভাইরাস: ইটালির প্রধানমন্ত্রীর নতুন ঢেউয়ের সতর্কবার্তা
১৩,মার্চ,শনিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইটালিতেও করোনাভাইরাসের নতুন ঢেউয়ের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। সেজন্য সেখানে দোকান, স্কুল ও রেস্টুরেন্ট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাঘি নতুন ঢেউয়ের সতর্কবার্তা দিয়েছেন। ইস্টারের পরের তিনদিন ৩ থেকে ৫ এপ্রিল সেখানে পুরোপুরি শাটডাউন থাকবে। একবছর আগে ইটালিই প্রথম দেশব্যাপী লকডাউন জারি করে। আরও একবার দেশটি করোনাভাইরাসের প্রবল সংক্রমণের মুখোমুখি হচ্ছে। এরই মধ্যে সেখানে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছে ১ লাখ মানুষ। ইউরোপের মধ্যে যুক্তরাজ্যের পরে সেখানেই আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এখন বিশ্বে একদিনে আক্রান্ত শনাক্ত ও মৃতের সংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে ব্রাজিল। একদিনে সেখানে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে ৮৪ হাজার মানুষ আর প্রাণ হারিয়েছে ২ হাজার ১৫২ জন। দেশটিতে মোট আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে ১ কোটি ১৩ লাখের বেশি মানুষ আর প্রাণ হারিয়েছে ২ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি। তবে মোট আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যায় সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। একদিনে ৬৬ হাজার ৭০০ জন আক্রান্তে শনাক্তের মধ্যে দিয়ে সেখানে মোট আক্রান্ত শনাক্ত ২ কোটি ৯৯ লাখ মানুষ। একদিনে সেখানে প্রাণ হারিয়েছে ১ হাজার ৫০৫ জন, মোট প্রাণ হারিয়েছে ৫ লাখ ৪৫ হাজারের বেশি। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। চীনে করোনায় প্রথম রোগীর মৃত্যু হয় গত বছরের বছরের ৯ জানুয়ারি। ওই বছরের ১৩ জানুয়ারি চীনের বাইরে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় থাইল্যান্ডে। পরে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে করোনা ছড়িয়ে পড়ে। করোনার প্রাদুর্ভাবের পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ৩০ জানুয়ারি বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। গত বছরের ২ ফেব্রুয়ারি চীনের বাইরে করোনায় প্রথম কোনো রোগীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে ফিলিপিন্সে। এরপর ২০২০ সালের ১১ মার্চ করোনাকে বৈশ্বিক মহামারি ঘোষণা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। বর্তমানে সারাবিশ্বে ১১ কোটি ৯৬ লাখ মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত আর প্রাণ হারিয়েছে ২৬ লাখ ৫১ হাজারের বেশি।
প্রাপ্তবয়স্ক সব নাগরিককে টিকা দেওয়ার নির্দেশ বাইডেনের
১২,মার্চ,শুক্রবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: যুক্তরাষ্ট্রের সব রাজ্যে আগামী ১ মের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক সব নাগরিককে টিকা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি বলেছেন, করোনার টিকা দেওয়া হলে আগামী ৪ জুলাই স্বাধীনতা দিবসে আমেরিকার মানুষ ছোট আকারে মিলিত হতে পারে। শুক্রবার (১২ মার্চ) বাইডেন প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার প্রথম প্রাইমটাইম ভাষণে এমন মন্তব্য করেন। এ সময় বাইডেন বলেন, আমরা যদি ৪ জুলাইয়ের মধ্যে টিকা নিতে পারি, তা হলে আপনার নিজের, পরিবারের ও বন্ধুদের স্বাধীনতা দিবস উদযাপনে মিলিত হওয়ার ভালো সুযোগ আছে। শুধু স্বাধীনতা দিবস উদযাপনেই নয়; বরং করোনাভাইরাস থেকেও স্বাধীনতা অর্জনের জন্য সক্ষম হবে। ক্ষমতায় যাওয়ার ১০০ দিনের মধ্যে ১০০ মিলিয়ন আমেরিকানকে টিকা দেওয়ার কথা বলেছিলেন বাইডেন। তবে এবার তার ভাষণে তিনি বলেছেন, সেই টার্গেট ৬০ দিনেই অর্জিত হয়েছে। তিনি যে পরিকল্পনা নিয়েছেন, তাতে টিকাদান কেন্দ্র ও টিকা দেওয়ার জন্য জনবলও বাড়ানো হবে। এ ছাড়া কিছু ভ্রাম্যমাণ টিম গিয়ে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে টিকা প্রদান করবেন। তিনি স্বাস্থ্যবিধি মানা বিশেষ করে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, হাত ধোয়া ও মাস্ক পরতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
মিয়ানমারের সন্ত্রাসীর তালিকা থেকে আরাকান আর্মি বাদ
১১,মার্চ,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মিয়ানমারের জান্তা সরকার রাখাইনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) নাম সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে। এই গোষ্ঠীটি হামলা চালানো বন্ধ করে দেশজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করতে রাজি হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার মিয়ানমারের রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নির্বাচিত নেত্রী অং সান সু চিকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর সৃষ্ট বিক্ষোভ সামাল দিতে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে প্রায় প্রতিদিনই সংগ্রাম করতে হচ্ছে। তার মধ্যেই এ সিদ্ধান্ত নিল দেশটির সামরিক জান্তা। দীর্ঘদিন ধরেই আরাকান আর্মি রাখাইন রাজ্যের বৃহত্তর স্বায়ত্তশাসনের জন্য লড়াই চালিয়ে আসছিল। গত দুই বছরে বিদ্রোহী এ গোষ্ঠীটি মিয়ানমারের বিদ্রোহী বাহিনীগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সমীহ জাগানো নাম হয়ে উঠেছে। দেশটির সেনাবাহিনী প্রায় ৭০ বছর ধরে বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর বিদ্রোহী বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে আসছে। এর আগে গত বছর সু চির ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্র্যাসি (এনএলডি) সরকার আরাকান আর্মিকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছিল। এ বিষয়ে মিয়ানমারের সরকার পরিচালিত মিরর ডেইলি লিখেছে, আরকান আর্মিকে ২০২১ সালের ১১ মার্চ থেকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এর কারণ হিসেবে তাদের হামলা চালানো বন্ধ করে সামরিক জান্তার দেশব্যাপী চিরন্তন শান্তি প্রতিষ্ঠার দৃষ্টিভঙ্গীর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আরাকান আর্মির অধিকাংশ সদস্যই রাখাইন নৃগোষ্ঠী ও স্থানীয় সংখ্যাগুরু বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত। এর আগে আরাকান আর্মি নভেম্বরে সাময়িক অস্ত্রবিরতির বিষয়ে সম্মত হয়েছিল। সন্ত্রাসী তালিকা থেকে বাদ পড়া নিয়ে মন্তব্যের জন্য অনুরোধ করা হলেও গোষ্ঠীটি সাড়া দেয়নি। মিয়ানমারের প্রায় ২৪টিরও বেশি নৃগোষ্ঠীটির সশস্ত্র বাহিনীগুলো সামরিক অভ্যুত্থানের নিন্দা করেছে। তাদের কেউ কেউ অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভকারীদের প্রতি সমর্থনও দেখিয়েছি। তবে আরাকান আর্মি জান্তাবিরোধী বিক্ষোভকারীদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে কোনো বিবৃতি দেয়নি। রাখাইন রাজ্যেও অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভ তেমন একটা হয়নি। সূত্র : রয়টার্স
যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত নিজেদের রাষ্ট্রদূতকে তলব করল মিয়ানমার
১০,মার্চ,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত কিয়াও জোয়ার মিনকে তলব করেছে মিয়ানমারের জান্তা সরকার। দেশটির জান্তা সরকার বিরোধী বক্তব্য দেওয়ার জন্য তাকে তলব করা হয়েছ। কিছুদিন আগে ক্ষমতাচ্যুত ডি ফ্যাক্টো নেত্রী অং সান সু চির মুক্তির দাবি জানিয়ে জান্তা সরকারের সমালোচনা করে মিন বলেন, দেশ বিভক্ত হয়ে পড়েছে এবং সেখানে গৃহযুদ্ধ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। গত ১ ফেব্রুয়ারি দেশটির বেসামরিক সরকারকে সরিয়ে ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনী। এর আগে জাতিসংঘ মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে সাহসী বক্তব্য রাখায় মিয়ানমারের বিশেষ দূত কিয়াউ মোয়ে তানকে বহিষ্কার করা হয়। সংস্থাটির এক অধিবেশনে সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি। মিয়ানমারে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করা সামরিক জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে এক মাসের বেশি সময় ধরে বিক্ষোভ করছে মিয়ানমারের জনগণ। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বেসামরিক সরকারের হাতে ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছেন। এদিকে, মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হওয়া গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চির দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্র্যাসির (এনএলডি) আরো এক নেতা পুলিশ হেফাজতে মারা গেছেন। পুলিশ হেফাজতে মারা যাওয়া এনএলডির ওই নেতার নাম জাউ মিয়াত লিন। বিক্ষোভের সময় ইয়াঙ্গুন থেকে গত সোমবার তাকে আটক করা হয়েছিলো। আটকের পরদিনই অর্থাৎ মঙ্গলবার পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু হয় তার। সর্বশেষ এই ঘটনাসহ অভ্যুত্থানের পর থেকে এ পর্যন্ত এনএলডির দুই নেতা কারা হেফাজতে মারা গেলেন। এছাড়া গত এক মাসের বেশি সময়ে ৬০ জনেরও বেশি অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভকারী নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছেন।

আন্তর্জাতিক পাতার আরো খবর