মঙ্গলবার, জুন ২২, ২০২১
চট্টগ্রামে ফটিকছড়ি উপজেলা লকডাউন, নগরীতে রাত ৮ টার মধ্যে দোকান বন্ধ করার নির্দেশ
২২,জুন,মঙ্গলবার,রাশেদুল আজিজ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধির ফলে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকায় সব ধরনের দোকানপাট রাত ৮ টার পর থেকে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন জেলা প্রশাসন। তবে ওষুধের দোকান এই নির্দেশনার আওতামুক্ত থাকবে। আজ মঙ্গলবার (২২ জুন) বিকালে জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভা শেষে জেলা প্রশাসক মমিনুর রহমান বলেন, মহানগর এলাকায় আগামীকাল (বুধবার) থেকে ওষুধের দোকান ছাড়া বাকি দোকান রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে। এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে জেলা প্রশাসনের ১২টি মোবাইল টিম মাঠে থাকবে। মহানগর এলাকায় মেয়রের নেতৃত্বে আলাদা করোনা প্রতিরোধ কমিটি আছে। ওই কমিটির প্রধান মেয়রকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়ে বিষয়টি জানানো হবে। অপরদিকে ফটিকছড়িতে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় এ উপজেলায় ৮ দিনের লকডাউন ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। আগামীকাল বুধবার (২৩ জুন) হতে ৩০ জুন ২০২১ পর্যন্ত ফটিকছড়ি উপজেলায় সর্বাত্মক লকডাউন চলবে। আজ মঙ্গলবার (২২ জুন) বিকাল ৩টায় জেলা প্রশাসনের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ফটিকছড়ি উপজেলায় গত এক সপ্তাহে ১৯৬ জন করোনা রোগী চিহ্নিত করেছে জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয়। করোনা রোগী বৃদ্ধির এই হার বাড়তে থাকলেও জনসচেতনতা নেই মোটেও। এনিয়ে সচেতন মহলও উদ্বেগ জানিয়েছে। ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানায়, আজ মঙ্গলবার ২২ জুন শনাক্ত হয় ১১ জন, ২১ জুন শনাক্ত হয় ২১ জন, ২০ জুন শনাক্ত হয় ৩০ জন, ১৯ জুন শনাক্ত হয় ১৬ জন। এভাবে বিগত এক সপ্তাহে শনাক্ত হয়েছে ১৮৫ জন করোনা রোগী। বিগত দুই সপ্তাহ ধরে এখানে করোনা রোগী শনাক্তের হার বৃদ্ধি পেলেও আজ পর্যন্ত ফটিকছড়ি কোভিড হাসপাতালে ভর্তি রোগী ছিল ২৪ জন মাত্র। আর বাকী রোগীরা বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এদিকে করোনা শনাক্তের হার বৃদ্ধি পেলেও হাট-বাজারে, গণ পরিবহনে জনসচেতনতা নেই মোটেও। অধিকাংশ স্থানে লোকজনকে মাস্ক পড়তে দেখা যায় না। এ ব্যাপারে গত দুই দিন বিভিন্ন স্থানে করোনা সচেতনতা না মানার কারণে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছেন ফটিকছড়ি সহকারী কমিশনার (ভূমি) জিসান বিন মাজেদ। তিনি জানান, ১২টি মামলায় সাড়ে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হযেছে। তিন শতাধিক ব্যাক্তির মধ্যে মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. নাবিল চৌধুরী বলেন, দুই সপ্তাহ ধরে করোনা শনাক্তের হার বৃদ্ধি পেয়েছে। সকল রোগীর নিয়মিত খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে। তবে মারাত্মক পর্যায়ের কোনো রোগী এখানে নেই। আমরা নিয়মিত জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় এবং উপজেলা প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ রাখছি।
সমুদ্রপথের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় বাড়ছে হাইড্রোগ্রাফি সেবা
২২,জুন,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সমুদ্র ও সমুদ্রপথের ব্যবস্থাপনায় হাইড্রোগ্রাফিক সেবা বাড়ছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। সোমবার বাংলাদেশ নৌবাহিনী চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চল থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে হাইড্রোগ্রাফি দিবস উপলক্ষে সেমিনার আয়োজন করা হয়। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য বিষয়- হাইড্রোগ্রাফিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার একশত বছর।দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলের আঞ্চলিক কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল এম মোজাম্মেল হক। নৌপথের সুরক্ষা, সমুদ্রসম্পদ আহরণ, ব্লু-ইকোনমির সক্ষমতা বৃদ্ধি, সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার, জাতীয় পর্যায়ে সামুদ্রিক অবকাঠামো উন্নয়ন, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, পর্যটন এবং পরিবেশ রক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে এ সেমিনারে। সেমিনারে জানানো হয়, বাংলাদেশ নৌবাহিনী আন্তর্জাতিক হাইড্রোগ্রাফিক সংস্থার মান অনুযায়ী পেপার ও ইলেক্ট্রনিক নটিক্যাল চার্ট তৈরিতে সক্ষমতা ও সফলতা অর্জন করেছে। বর্তমানে বাংলাদেশ নৌবাহিনী সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের মাধ্যমে দেশের অধিকৃত সমুদ্র অঞ্চলের ৯টি আন্তর্জাতিক সিরিজের চার্ট এবং ১১টি ইলেক্ট্রনিক নেভিগেশনাল চার্টসহ ৬৩টি নটিক্যাল চার্ট প্রকাশ করেছে, যা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক সমাদৃত হয়েছে। এ সব চার্ট সমুদ্রপথে নিরাপদ চলাচলে নিয়মিতভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক হাইড্রোগ্রাফিক সংস্থার ৭০তম সদস্য দেশ হিসেবে হাইড্রোগ্রাফি সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ নৌবাহিনী দেশের সমুদ্র অঞ্চলের সব হাইড্রোগ্রাফিক কার্যক্রমের ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে কাজ করছে। সেমিনারে বাংলাদেশ সরকারের ডেল্টা প্ল্যান ২১০০' বাস্তবায়নে হাইড্রোগ্রাফ সেবা কাজে লাগিয়ে আন্তর্জাতিক হাইড্রোগ্রাফিক সংস্থার সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সেমিনারে ভিটিসির মাধ্যমে ঊর্ধ্বতন নৌ কর্মকর্তা, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, হাইড্রোগ্রাফি ও মেরিটাইম সংস্থাগুলোর প্রতিনিধি, ন্যাশনাল হাইড্রোগ্রাফিক কমিটির সদস্য, বন্দর, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা অংশ নেন।
জুলাই থেকে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সম্মেলন প্রক্রিয়া শুরু হবে: হানিফ
২১,জুন,সোমবার,মো. মহিউদ্দিন চৌধুরী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, চলতি বছরের মধ্যেই মহানগর আওতাধীন সকল ইউনিট,ওয়ার্ড ,থানা কমিটিসহ মহানগর আওয়ামীলীগের সম্মেলন সম্পন্ন করা হবে। আজ ২১ জুন সোমবার চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস মিলনায়তনে বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাথে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের দুইদিন ব্যাপী মত বিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন। বক্তব্যে তিনি বলেন, জুলাই থেকে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সম্মেলন প্রক্রিয়া শুরু হবে। জুলাই মাসে সংগঠনের সদস্য সংগ্রহ চলবে। আগষ্ট মাস শোকের মাস। এই মাসে নগরীর সকল ওয়ার্ড,থানা পর‌্যায় থেকে মহানগর কমিটি সবাই শোকের মাসের কর্মসূচি পালন করবে। সেপ্টেম্বর এবং অক্টোবর মাসে ইউনিট ও ওয়ার্ড কমিটির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। পরের মাস নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে থানা কমিটির সম্মেলন। তারপর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ হাসিনার সাথে আলোচনা সাপেক্ষে তার পরামর্শে মহানগর কমিটির সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হবে। তিনি আরো বলেন, বিদ্রোহীদেরকে কোন কমিটিতে রাখা যাবে না। বিগত নির্বাচনে যে সকল প্রার্থী দল সমর্থিত প্রার্থীর বিপক্ষে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদেরকে কোন কমিটিতেই রাখা যাবে না। যুদ্ধাপরাধী, অনৈতিক কর্মকান্ডের অভিযোগে বিতর্কিত কোন ব্যক্তিকেও সংগঠনে অন্তর্ভূক্ত করা যাবে না। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বিশাল সংগঠন। তৃণমূল কর্মীদের ত্যাগ,তিতিক্ষার বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে দলের এই অর্জন। কাজেই দলের ঐতিহ্যকে বিবেচনায় রেখে সদস্য সংগ্রহ অভিযান চালাতে হবে। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দীন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের সঞ্চালনায় চট্টগ্রাম সভায় কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হুইপ আবু সাঈদ মাহমুদ আল স্বপন, শফিউল আলম নাদের, উপপ্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন,অর্থ ও পরিকল্পনা সম্পাদক ওয়াসিকা আয়েশা খান,শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিষ্টার মহীবুল হাসান চৌধুরী নওফেলসহ সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
চট্টগ্রামে দেশের বৃহত্তম রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদ্বোধন
২১,জুন,সোমবার,মাশহারুল আহমেদ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানিই হবে আগামী দিনের মূল জ্বালানি। পাওয়ার সিস্টেম মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী ফুয়েল মিক্সে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ ক্রমশ বাড়ছে। ২০৪১ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে ৪০ শতাংশ বিদ্যুৎ আসবে। আনোয়ারার কোরিয়ান রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চলে (কেইপিজেড) দেশের বৃহত্তম রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদ্বোধনকালে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ গতকাল একথা বলেন। তিনি বলেন, নেট মিটারিং সিস্টেম চালু হওয়ার পর রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। পেশাদারিত্বের সাথে স্থাপন করতে পারলে ব্রেকইভেনে যেয়ে এটা একটা ভালো বিজনেস মডেল হতে পারে। তবে যেহেতু সৌরবিদ্যুৎ করতে অনেক জমির প্রয়োজন। জমি কম লাগে এমন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে গবেষণা প্রয়োজন। নসরুল হামিদ বলেন, বায়ু বিদ্যুৎ, ওশান রিনিউবল এনার্জি এবং বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ, সৌরবিদ্যুৎ ইত্যাদি আগামীর জ্বালানি মিশ্রণে ব্যাপক অবদান রাখবে। ২০৪১ সালের উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশের জ্বালানি হবে গ্রিন এনার্জি। এতে দেশের জ্বলানি খাতের চেহেরা পাল্টে যাবে। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত কোরিয়া রিপাবলিকের রাষ্ট্রদূত লি ঝান কেন, কোরিয়ান ইপিজেডের চেয়ারম্যান কিহাক সাঙ বক্তব্য দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কোরিয়ান ইপিজেড ও বিদ্যুৎ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। কোরিয়ার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ইয়াংওয়ানের মালিকানাধীন চট্টগ্রামের কোরিয়ান রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চলে (কেইপিজেড) ৪০ মেগাওয়াট সমন্বিত সক্ষমতাসম্পন্ন দেশের বৃহত্তম ছাদ সৌর বিদ্যুৎ বা রুফটপ সোলার পাওয়ার প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রায় ৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে তিন ধাপে প্রকল্পটির পুরো কাজ শেষ হবে। প্রথম ধাপে একটি ১৬ মেগাওয়াট সৌর ফটোভোলটাইক (পিভি) বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপিত হয়েছে। ১৬ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে স্থাপিত এই কেন্দ্র রবিবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ উদ্বোধন করেন। এখন পর্যন্ত, দেশের বৃহত্তম পিভি ব্যবস্থার ছাদ সৌরশক্তির উৎস হচ্ছে এই কেন্দ্র। এছাড়া প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপে চলতি বছরের অক্টোবর নাগাদ ৪.৩ মিলিয়ন ডলায় ব্যয়ে ৪.৩ মেগাওয়াট সৌর প্যানেল স্থাপনের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। তৃতীয় ধাপে ২০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে ২০ মেগাওয়াটের অন্য একটি কেন্দ্র ইনডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্ল্যান্ট (আইপিপি) হিসেবে স্থাপনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এতে সময় লাগতে পারে প্রায় ১ বছর।
জেলা শিল্পকলা একাডেমির কার্যনির্বাহী কমিটির সভা
২১,জুন,সোমবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জেলা শিল্পকলা একাডেমি চট্টগ্রামের কার্যনির্বাহী কমিটির এক সভা গত ১৮ জুন একাডেমির সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির সহ সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির। সভার শুরুতে করোনা ভাইরাস জনিত কারণে যে সকল সাংস্কৃতিক গুনীজন মৃত্যুবরণ করেন তাদের শ্রদ্ধা জানানো হয়।সভায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি থেকে প্রেরিত করোনা জনিত উদ্ভূত পরিস্থীতিতে সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড গতিশীল রাখার লক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, জেলা সাংস্কৃতিক উৎসব, জঙ্গিবাদ মাদকাসক্তের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠান, আর্ট এগেইনস্ট করোনা শীর্ষক অনুষ্ঠান, ইনটেনজিবল ও টেনজিবল কালচারাল হ্যারিটেজ শীর্ষক অনুষ্ঠান, তৃণমূল মানুষের জন্য শিল্প সংস্কৃতি শীর্ষক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিষয় ভিত্তিক প্রশিক্ষণ কর্মশালাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি জেলা শিল্পকলা একাডেমি চট্টগ্রামের আয়োজনে সম্পন্ন করার জন্য কার্যনির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম বাবু সভায় উত্থাপন করেন। সভায় করোনা পরিস্থিতি জনিত কারণে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে অনুষ্ঠান সমূহ শিল্পকলা একাডেমির অডিটোরিয়াম থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে আয়োজন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা কালাচরাল অফিসার মো. মোসলেম উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক মঈন উদ্দীন কোহেল, হাসান জাহাঙ্গীর, নির্বাহী সদস্য জেসমিন সুলতানা পারু, কাবেরী সেনগুপ্তা, অঞ্চল চৌধুরী, চৌধুরী ফরিদ, কংকন দাশ, বাপ্পা চৌধুরী ও সাইদুল ইসলাম। এছাড়া করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচি সমূহ যথাযথভাবে আয়োজন করা হবে এবং চলমান করোনা পরিস্থিতিতে বিভিন্ন পর্যায়ে সাংস্কৃতিক কর্মী, সংগঠন সমুহকে পর্যায়ক্রমে আর্থিক প্রণোদনা প্রদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিকে জেলা শিল্পকলা একাডেমি চট্টগ্রাম কাযনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
তলাবিহীন ঝুড়ি আখ্যা পাওয়া এদেশের ঝুড়ি এখন উপচে পড়ছে- তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী
২০,জুন,রবিবার,নিজেস্ব সংবাদদাতা,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি বলেছেন, জনগণের কল্যাণে বিএনপিকে রাজনীতি করতে দেখা যায়না। তারা কেবল বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য এবং তারেক রহমানের শাস্তি নিয়ে রাজনীতি করছে। অর্থাৎ বিএনপির রাজনীতি স্বাস্থ্য আর শাস্তির মধ্যেই ঘুরপাক খাচ্ছে। মন্ত্রী আজ তাঁর নির্বাচনী এলাকা রাঙ্গুনিয়ার বেতাগী ইউনিয়নে আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে ঘর হস্তান্তরের পর মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের বিগত ৫০ বছরের অর্জন সব বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের হাত ধরে হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর দুরদর্শী চিন্তা-চেতনায় বাংলাদেশের অভূতপূর্ব অর্জন নিয়ে সারা বিশ^ প্রশংসা করছে। উন্নয়নের সব সূচকে আমরা পাকিস্তানকে এবং মাথাপিছু আয়সহ অনেক সূচকে ভারতকেও ছাড়িয়ে গেছি। করোনা মহামারির মধ্যেও আমরা জিডিপি গ্রোথের নিরীখে ৩য় স্থানে অবস্থান করছি যেখানে অনেক শক্তিশালী দেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধিই হয়নি। অথচ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখতে পাননা। বয়সের কারনে তার মতিভ্রম হয়েছে। বিএনপিপন্থী ডাক্তাদের সংগঠন ড্যাব এর উচিত মির্জা সাহেবের মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা। তিনি বলেন, বিএনপি কিছুদিন পূর্বেও বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসা করার জন্য দাবি করেছে। অথচ বেগম খালেদা জিয়া দেশীয় হাসপাতাল থেকে সুচিকিৎসা নিয়ে সুস্থ্য হয়ে বাসায় ফিরে গেছেন। এতে বোঝা যায়, বিদেশে নিয়ে চিকিৎসা করার দাবি তাদের সম্পুর্ণ অমূলক ছিল। তথ্যমন্ত্রী বলেন, মানুষের ৩টি প্রধান মৌলিক চাহিদা অন্ন, বস্ত্র ও বাসস্থানের পুরোপুরি ব্যবস্থা আওয়ামী লীগ সরকার করেছে। অন্নের সংস্থান আমরা অনেক পূর্বেই করতে পেরেছি। নিজস্ব চাহিদা মিটিয়ে বাংলাদেশ এখন খাদ্য উদ্বৃত্তের দেশে পরিণত হয়েছে। তলাবিহীন ঝুড়ি আখ্যা পাওয়া এদেশের ঝুড়ি এখন উপচে পড়ছে। বাংলাদেশ এখন অন্য দেশকে সাহায্য সহযোগিতা করছে, ঋণও দিচ্ছে। তিনি বলেন, একসময় বিদেশীদের ব্যবহৃত জামা কাপড় এনে আমরা ব্যবহার করতাম। বর্তমানে বাংলাদেশের তৈরি পোষাক দিয়ে বিদেশী বাবুরা তাদের সাহেবিয়ানা বজায় রাখছে। এতে করে বাংলাদেশের গৌরব বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। মন্ত্রী বলেন, নদী ভাঙ্গা গৃহহীন মানুষদের অসহায় অবস্থা দেখে বঙ্গবন্ধু গৃহের ব্যবস্থা করেছেন। তাঁরই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের সকল ভূমিহীন ও গৃহহীন মানুষকে নির্দিষ্ট ঠিকানায় নিয়ে এসেছেন। দুই শতক ভূমির মালিকানাসহ ঘর নির্মাণ করে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব অসহায় মানুষদের পুনর্বাসন করেছেন। তাদের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন। সরকারের পক্ষ থেকে জমিসহ ঘর নির্মাণ করে দেয়ার এ মহতী উদ্যোগ পৃথিবীর আর কোন দেশে দেখা যায়না। এটা পৃথিবীর এক ও অনন্য দৃষ্টান্ত। আজকে ঘর পাওয়া মানুষদের উদ্দেশ্য করে মন্ত্রী বলেন, ঘরের যত্ন নিতে হবে। সরকারের তরফ থেকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রয়োজনে আরো সহযোগিতা করা হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাসুদুর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান স্বজন কুমার তালুকদার এবং স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নুর কুতুবুল আলম এসময় বক্তৃতা করেন।
মহিউদ্দিন চৌধুরীর কবরে হুইপ স্বপনের শ্রদ্ধাঞ্জলি
২০,জুন,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর চশমা হিলে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাবেক মেয়র প্রয়াত চট্টলবীর এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর কবরে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেছেন আওয়ামী লীগের চট্টগ্রাম বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক ও জাতীয় সংসদের হুইপ আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন এমপি। রবিবার (২০ জুন) সকাল ৮ টায় শ্রদ্ধাঞ্জলিতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এমপি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, সাবেক চসিক মেয়র ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ.জ.ম নাছির উদ্দিন, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এটিএম পেয়ারুল ইসলাম, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহজাদা মহিউদ্দিন, নগর আওয়ামী লীগের সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য শফিকুল ইসলাম ফারুক, চন্দন ধর, মশিউর রহমান, নগর যুবলীগের আহবায়ক মহিউদ্দিন বাচ্চু, যুগ্ম আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকা, ফরিদ মাহমুদ, মাহবুবুর হক সুমন, নগর আওয়ামী সদস্য মোহাম্মদ জাবেদ প্রমুখ। শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন ও মোনাজাত শেষে আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন চট্টল বীরের বাসভবনে গেলে নগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী মিসেস হাসিনা মহিউদ্দিন তাকে অভ্যর্থনা জানান। এসময় আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন বলেন, মহিউদ্দিন চৌধুরী গণমানুষের নেতা ছিলেন। সাধারণ মানুষের দাবি আদায়ে তিনি সর্বদা সোচ্চার ছিলেন। তিনি আন্দোলন-সংগ্রামে যে অগ্রণী ভুমিকা পালন করেছেন, তা জাতি আজীবন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।
চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্ত ১৫৭, মৃত্যু ২ জনের
১৯,জুন,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ৯৮০টি নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৫৭ জনের। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত ৫৫ হাজার ৮৪৫ জন। এইদিন করোনায় ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৯ জুন) সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এইদিন কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাব ও চট্টগ্রামে ৮টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা হয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ১০৮টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। বাংলাদেশ অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসে (বিআইটিআইডি) ৩১৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে শনাক্ত হয় ৪০ জন। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ২৫টি নমুনা পরীক্ষা করে ৫ জন এবং চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ১৭২টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩১ জনের করোনাভাইরাস পাওয়া গেছে। এছাড়া ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাব ৬৩টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৩ জন, শেভরণ ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে ১৩১টি নমুনা পরীক্ষা করে ১০ জন, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ৩৯টি নমুনা পরীক্ষা করে ৮ জন, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল সেন্টার ল্যাবে ২৩টি নমুনা পরীক্ষা করে ৮ জনের শরীরের করোনা পজেটিভ পাওয়া গেছে। অন্যদিকে কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের ১০০টি নমুনা পরীক্ষা করে ৬ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব মিলেছে। এদিন জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল ল্যাবরেটরি (আরটিআরএল), এপিক হেলথ কেয়ার ল্যাব এবং পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোনো নমুনা পরীক্ষা করা হয়নি। সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ৯৮০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে আক্রান্ত হয়েছেন ১৫৭ জন। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে নগরে ৯১ জন এবং উপজেলায় ৬৬ জন।
কর্ণফুলীতে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৩
১৮,জুন,শুক্রবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কর্ণফুলী উপজেলার কলেজ বাজার এলাকায় যাত্রীবাহী দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৩ জন নিহত হয়েছেন। তারা হলেন-পটিয়ার দক্ষিণ মালিয়ারার নুরুল আমিনের ছেলে নুরুল আবসার (৪৮) ও অজ্ঞাত পরিচয়ের দুইজন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৫ জন। এর মধ্যে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে- ডেইজি সর্দার (৩৫), রুবেল (৩২), সুমন দে (২৮), সুমন চৌধুরী (৩০), রিটন দেব (৪৫), রহমত আলী (৪৫), পিল্টু দাশ (৩০), কবির বিশ্বাস (৫০), বেলাল (৩৭), মুজিবুল্লাহ (৫৫), ইরফান (২৩), রিজিয়া বেগম (৩৫), সোহাগ মিয়া (৩২) এবং অজ্ঞাত পরিচয়ের ২৫ বছর বয়সী ১ জন পুরুষকে। এ ছাড়া ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে মো. ইদ্রিসকে (৫০)। শুক্রবার (১৮ জুন) বিকেল সোয়া ৩টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সিএমপির কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দুলাল মাহমুদ জানান, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের কলেজ বাজার এলাকায় একটি সিএনজি ফিলিং স্টেশনের সামনে বিআরটিসির বাস, লোকাল বাস ও সিএনজি অটোরিকশার ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়েছে। নারী, পুরুষ, শিশুসহ অন্তত ১৫ জনকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তিনি জানান, একটি সিএনজি অটোরিকশাকে সাইড দিতে গেলে দ্রুতগতির বিআরটিসি বাসটি উল্টোপথে চলে আসে। এতে আরেকটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর