চমেক হাসপাতালে কার্ডিওলজি ক্যাথল্যাব উদ্বোধন
২৪ফেব্রুয়ারী,সোমবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গতকাল বৃহস্পতিবার বহুল প্রত্যাশিত কার্ডিওলজি বিভাগের ফলক উন্মোচন করে কার্ডিওলজী ক্যাথল্যাব-১ ও ২ উদ্বোধন করেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। এই ক্যাথল্যাব উদ্বোধনের ফলে বৃহত্তর চট্টগ্রামের মানুষ হৃদরোগের চিকিৎসা সুবিধা পাবে। চিকিৎসা সুবিধার মধ্যে রয়েছে এনজিও গ্রাম, এনজিও প্লাস্টি, স্থায়ী ও অস্থায়ী পেসমেকার স্থাপন। এ উপলক্ষে কার্ডিওলজী বিভাগের কনফারেন্স হলে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি বলেন, শহরমুখী জনতার চাপ নগরে দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি বৃহত্তর চট্টগ্রামের হাসপাতালে রোগীর সংখ্যাও ক্রমাগত বাড়ছে। এমতাবস্থায় চমেক হাসপাতালকে চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে সিটি মেয়র বলেন, প্রতিষ্ঠানটি ৫শ বেডের। পরবর্তীতে ৫শ থেকে ১৩১৩ শয্যা বিশিষ্ট চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উন্নীত করা হলেও জনবল বৃদ্ধি করা হয়নি। ৫শ বেডের জনবল দিয়ে আজো ধুঁকে ধুঁকে চলছে চমেক হাসপাতাল। তিনি আরো বলেন, এই জনবল দিয়ে গড়ে প্রতিদিন ৭হাজার রোগীকে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছে চমেক। এছাড়া রোগী হিসেবে প্রত্যন্তঞ্চল থেকে আসা প্রতিদিন আউট ডোরে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার রোগী। বলতে গেলে চমেক হাসপাতালে নিয়োজিত ডাক্তাররা সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবা অব্যাহত রেখে অসাধারণ কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি ক্যাথল্যাব উদ্বোধনের ফলে কার্ডিলজী সংক্রান্ত সকল সুযোগ সুবিধা সাধারণ মানুষ আরো বেশি ভোগ করতে পারবেন বলে প্রত্যাশা করেন। চমেক হাসপাতালের মূল ভবনের দ্বিতীয় তলার হৃদরোগ বিভাগে স্থাপিত কার্ডিওলজি ক্যাথল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহসেন উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় হৃদরোগ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক ডা. প্রবীর কুমার দাশ এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে বিএমএ এর চট্টগ্রামের সভাপতি প্রফেসর ডা. মুজিবুল হক খান, সাধারণ সম্পাদক ডা. ফয়সাল ইকবাল চৌধুরী, চমেক হাসপাতালের উপাধ্যক্ষ ডা. নাসির উদ্দিন মাহমুদ, সহকারী অধ্যাপক ডা. রিজোয়ান রেহান, জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. আবুল হোসেন শহীনসহ অন্যান্য বিভাগীয় প্রধান ও চিকিৎসকগন উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন রেজিস্টার ডা. লক্ষ্মী পদ দাশ।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি
লালদিঘীতে মেয়রের উদ্যোগে রাশিয়ান নাবিক রেডকিনের স্মৃতিসৌধ নির্মাণ
২৩ফেব্রুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ পরবর্তী কর্নফুলী নদীতে ডুবে যাওয়া জাহাজ উদ্ধার ও পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর পুঁতে রাখা মাইন অপসারণ করতে গিয়ে মৃত্যুবরণকারী রাশিয়ান নাবিক ইউরি রেডকিনের স্মৃতি সর্বসাধারণের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের উদ্যোগে লালদিঘীর দক্ষিণ পশ্চিম কোণে স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়েছে। আজ ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকালে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার আই ইগনাটভকে এই স্মৃতিসৌধ দেখাতে নিয়ে যান। রাষ্ট্রদূত নব নির্মিত এই স্মৃতি সৌধ দেখে অভিভূত হয়ে পড়েন এবং মেয়রকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। মেয়র বলেন, ইউ রি রেডকিনের সমাধি স্তম্ভটি বাংলাদেশ নেভাল একাডেমি অধিকৃত এলাকা। সাধারণ মানুষকে রেডকিনের সমাধি স্তম্ভ পরিদর্শন করতে নানা আইনি প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হয়। বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু রাষ্ট্র রাশিয়ার এই নাবিক আমাদেরকে সহযোগিতা করতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। তার এই আত্মত্যাগ জাতির কাছে তুলে ধরা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। লালদিঘীর পাড়ে রেডকিনের স্মৃতিসৌধ নির্মাণের ফলে দুটি দেশের চিরকালীন বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ আরো সমুন্নত হয়েছে। পরবর্তীতে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন ও রাশিয়ার রাষ্ট্র দূত আলেকজান্ডার আই ইগনাটভ রেডকিনের স্মৃতিসৌধে পুষ্প স্তবক অর্পনের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এসময় চসিক প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা মো সামসুদ্দোহা, চট্টগ্রামে নিযুক্ত রাশিয়ার কনসাল জেনারেল স্থপতি আশিক ইমরান ও তার স্ত্রী , চসিক প্রধান প্রকৌশলী লে কর্ণেল সোহেল আহমদ, মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর উদ্যোগে ১৯৭২ সালে চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন স্থানে ডুবে থাকা অসংখ্য নৌযান উদ্ধার ও পাকিস্তানিদের পুঁতে রাখা মাইন অপসারণে তৎকালীন সোভিয়েত নৌবাহিনীর একটি টিম চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় কার্যক্রম পরিচালনা করে। এ মাইন উদ্ধার করতে গিয়ে ১৯৭৩ সালের ১৩ জুলাই সোভিয়েত উদ্ধারকারী নৌবাহিনীর নাবিক ইউ রি রেডকিন মাইন বিস্ফোরণে প্রাণ হারান। পরবর্তীতে তার লাশ নিজ দেশে নিয়ে যাওয়া হয়নি। বাংলাদেশ রাশিয়া সরকারের যৌথ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ বিদেশি নাবিককে বন্দরের মোহনার কাছে কর্ণফুলী নদীতীরেই সমাহিত করা হয়। তার সমাধি এলাকায় নির্মাণ করা হয় একটি স্মৃতিস্তম্ভ। যা রেডকিনের সমাধি হিসেবেই পরিচিত। বর্তমানে এই স্থানটি বাংলাদেশ নেভাল একাডেমির অধিকৃত জায়গা হিসেবে রয়েছে।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন, পরিস্থিতি পাল্টে গেছে
২৩ফেব্রুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:শুরু থেকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে বিএনপি নেতাদের মধ্যে তেমন কোনো আগ্রহ ছিল না। চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপনির্বাচন ও ঢাকায় দুই সিটির নির্বাচনের পর আদৌ তারা নির্বাচনে যাবেন কি-না তা নিয়েই সংশয়ে ছিলেন। তবে আওয়ামী লীগ রেজাউল করিমকে মেয়র প্রার্থী করায় কিছুটা আশার আলো দেখছে দলটি। দলের ভেতর চলছে মেয়র নির্বাচনে সর্বশক্তি দিয়ে মাঠে নামার আলোচনা।এবারের সিটি নির্বাচনকে সামনে রেখে মেয়র পদে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন রেকর্ডসংখ্যক। বিপরীতে বিএনপির সে তালিকা একেবারে ছোট। এই সিটিতে মূলত মনোনয়ন চাচ্ছেন দুজন। তারা হলেন নগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর।এর বাইরে আলোচনায় আছেন নগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান, নগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এরশাদ উল্লাহ ও সহ-সভাপতি নিয়াজ মোহাম্মদ খান।বিএনপি সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে, দ্রুত সময়ের মধ্যেই চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে। আওয়ামী লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত হওয়ার পর অনেকটাই চাঙাভাব এসেছে দলের ভেতর। আওয়ামী লীগ প্রার্থী রেজাউল করিমকে অপেক্ষাকৃত সহজ মেয়র প্রার্থী হিসেবেই বিবেচনা করছে দলটি।যদিও কয়েকদিন আগেও পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন। সে সময় বিএনপির একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে নির্বাচনে অংশ না নেয়ার আভাস পাওয়া গিয়েছিল। চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপনির্বাচন এবং ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনের অভিজ্ঞতায় সিটি নির্বাচন নিয়ে স্পষ্টতই হতাশা বিরাজ করছিল নগর বিএনপিতে। সেই প্রেক্ষাপটে গত মঙ্গলবার (১১ ফেব্রƒয়ারি) চট্টগ্রামে আসেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সেদিন নগর বিএনপি কার্যালয় নসিমন ভবনে মহানগর ও জেলা নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত জানান বিএনপি মহাসচিব।নির্ভরযোগ্য সূত্রে খবর, সেদিনই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে নিজেদের প্রত্যাশার কথা ব্যক্ত করেন দলের সম্ভাব্য দুই প্রার্থী ডা. শাহাদাত হোসেন ও আবুল হাশেম বক্কর। দলের আরেকটি অংশ বলছে, ২০০৮ সালে জাতীয় নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ব্যবসায়ী নেতা এরশাদ উল্লাহ বা নগর বিএনপির সহ-সভাপতি নিয়াজ মোহাম্মদ খানকে মনোনয়ন দিয়ে চমক দেখাতে পারে বিএনপি। তবে দল যাকে মনোনয়ন দেবে তার পক্ষেই কাজ করবেন বলে জানান এই চার নেতা।একাদশ সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি-বাকলিয়া) আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নেন ডা. শাহাদাত। কারাগারে থেকেই সেই নির্বাচন করেন তিনি। ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের কাছে সেবার বিপুল ভোটে হেরে যান তিনি। এরপর থেকে বিভিন্ন সময় সিটি নির্বাচন নিয়ে নিজের অনাগ্রহের কথা প্রকাশ্যে বলেন তিনি। তবে সম্প্রতি মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম চৌধুরীকে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী ঘোষণার পর পরিস্থিতি পাল্টে গেছে। তিনি এখন মনোনয়নের জন্য দৌড়ঝাঁপ করছেন।কয়েকদিন আগে গণমাধ্যমে দেয়া এক প্রতিক্রিয়ায় ডা. শাহাদাত বলেন, আ জ ম নাছির উদ্দীন ফের আওয়ামী লীগের প্রার্থী হলে সুষ্ঠু নির্বাচনের মাঠে বিএনপির প্রার্থীর জন্য কিছুটা কঠিন হতো।শাহাদাত হোসেন বলেন, আমার ব্যক্তিগত এবং আমাদের অধিকাংশ নেতার মত ছিল নির্বাচনে না যাওয়া। কিন্তু কেন্দ্র থেকে যেহেতু সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, তাই আমাদের নির্বাচন করতে হবে। নির্বাচনে প্রার্থী হতে নিজের আগ্রহের কথা দলের হাইকমান্ডকে জানিয়েছি। আশা করছি মনোনয়ন পাব। তবে অন্য কাউকে মনোনয়ন দিলেও ধানের শীষের হয়ে কাজ করব। এদিকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন অন্তত ২০ নেতা। এর মধ্যে বর্তমান মেয়র ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন, সহসভাপতি খোরশেদ আলম সুজন, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান ও নগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ আবদুচ ছালাম, সাবেক মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসির মতো শক্তিশালী নেতা ছিলেন মনোনয়ন দৌড়ে। ছিলেন ব্যবসায়ী নেতা চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মাহবুবুল আলমও। মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক রেজাউল করিম মনোনয়ন প্রত্যাশী হলেও তেমন একটা আলোচনায় ছিলেন না তিনি।কারণ রাজনৈতিক জীবনে অধিকাংশ সময় পাদপ্রদীপের আড়ালেই থেকেছেন রেজাউল। ফলে দলীয় সভানেত্রীর সভাপতিত্বে সেই মনোনয়ন বোর্ডের বৈঠকে যখন প্রচারবিমুখ রেজাউল করিম চৌধুরীর নামটি ঘোষিত হলো, স্বাভাবিকভাবেই হেভিওয়েট প্রার্থীদের কেউ কেউ চরম হতাশ হন।চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সাবেক তিনবারের মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর দীর্ঘদিনের অনুসারী হিসেবেই পরিচিত রেজাউল করিম চৌধুরী।গত ২০ ফেব্রূয়ারি মেয়র নাছির উদ্দীন আগামী নির্বাচনে দলীয় মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিমকে সঙ্গে নিয়ে কয়েকজন প্রয়াত শীর্ষস্থানীয় নেতার কবর জিয়ারতসহ সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরীর বাসায়ও যান। এমনকি গত ২১ ফেব্রূয়ারি তিনি বর্তমান ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর পিতা ও আওয়ামী লীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য আখতারুজ্জামান চৌধুরীর বাড়ি আনোয়ারায় গিয়ে তার কবরও জিয়ারত করেছেন রেজাউল করিম চৌধুরীকে সঙ্গে নিয়ে।আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরী গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম ফিরে রেলওয়ে স্টেশনে দলীয় নেতাকর্মীদের সংবর্ধনার জবাবে বলেন, এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী ১৭ বছর চট্টগ্রামবাসীর সেবা করেছেন এবং বাংলাদেশে একটা মডেল সিটি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন। তারপর ৫ বছর আমাদের হাতে ছিল না সিটি করপোরেশন। আবার ২০১৫ সালে এই করপোরেশন আমাদের হাতে এসেছে। বর্তমান মেয়র আ জ ম নাছির ও প্রয়াত মহিউদ্দিন চৌধুরী যে উন্নয়ন করেছেন আমিও ইনশাল্লাহ আপনাদের ভোটে মেয়র নির্বাচিত হতে পারলে সেই ধারা বহমান রাখব।আগামী ২৯শে মার্চ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণের তারিখ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।চট্টগ্রামে ভোট হবে ইভিএম এর মাধ্যমে। চট্টগ্রাম সিটির মেয়াদ শেষ হবে ২০২০ সালের ৫ই আগস্ট।মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ২৭শে ফেব্রুয়ারি। যাচাই-বাছাই ১লা মার্চ ও মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ৮ই মার্চ ঠিক করেছে কমিশন। আর, প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ করা হবে ৯ই মার্চ।
শিশুদেরকে আনন্দময় শৈশব উপহার হতে হবে
২৩ফেব্রুয়ারী,রবিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: নৈতিক স্কুল ও লিবারেল ফোরামের যৌথ উদ্যোগে শহীদ বুদ্ধিজীবী আলী করিম স্মৃতি মেধাবৃত্তি এবং চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান গত ১৮ ফেব্রূয়ারি বিকেল ৫টায় চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একামেডী মিলনাতয়নে অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডিন প্রফেসর ড. গাজী সালেহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশের খ্যাতিমান শিশু সাহিত্যিক লেখক, গবেষক, বিজ্ঞানী ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল। মূখ্য আলোচক ছিলেন চারুকলা ইন্সটিটিউট চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সাইফুল বারী। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলাউদ্দিন, চবি সমাজতত্ত বিভাগের অধ্যাপক মো: লিয়াকত আলী, আইন বিভাগের অধ্যাপক নির্মল কুমার, কবি ও সাহিত্যিক বাদল সৈয়দ, আসিফ ইকবাল। আবৃত্তি শিল্পী রুনা চৌধুরী ও লিপি তালুকদার পরিচালনায় এতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মেধাবৃত্তি ও প্রতিযোগিতার পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শ্যামল বৈদ্য সবুজ, শিক্ষক মো: মহসিন, তানভীর এহসান, রফিকুল জামান তৌহিদ, বিপ্লব। অনুষ্ঠানের শুরুতে নৈতিক স্কুলের শিক্ষার্থীরা নৃত্য, সংগীত, আবৃত্তি, নাটক ও বৃন্দ আবৃত্তি পরিবেশনা করেন। প্রধান অতিথি ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল বলেন শিশুদেরকে আনন্দময় শৈশব নিশ্চিত করতে আমাদের অভিভাবকদের জিপিএ-৫ পাওয়ার প্রতিযোগিতা থেকে সরে আসতে হবে। শিক্ষার্থীদেরকে নানান রকম বইয়ের জগতে প্রবেশ করাতে হবে। লেখা-পড়াকে আরো বেশি গতিশীল করতে সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে ছেলে-মেয়েদের মনোযোগ বাড়াতে হবে। তিনি বলেন সব মানুুষের মনের ভিতরে একটা বাটি থাকতে হয়। যেখানে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা, সংস্কৃতিসহ সকল সৃষ্টিশীল কাজ জমা হয়। যার মনের ভিতর উক্ত বাটি না থাকে তার লেখাপড়া সহ কোন কিছু জমা হয়না। তিনি বলেন বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত একজন শ্রোতা কখনোই একটানা ২০ মিনিটের বেশি অভ্যস্ত নয়। আগে আমি জিপিএ-৫ যারা পেত খুশি হতাম। কিন্তু এখন খুশি হইনা এ কারণে ঐ সমস্ত শিক্ষার্থীদের কষ্ট যেমন রাত জেগে পড়ালেখা করা, কোচিং গাইডের উপর নির্ভরশীলতা, খেলাধূলা, সাহিত্য, সংস্কৃতির সাথে তাদের দূরত্ব সৃষ্টি হওয়া। নানামূখী চাপে তারা স্বাভাবিক জীবন থেকে অনেকটাই দূরে। যার কারণে তাদের মধ্যে সৃষ্টিশীলতা কমে যাচ্ছে। তিনি শিক্ষার্থীদেরকে সহশিক্ষা কার্যক্রমেও অধিক মননশীল হওয়ার আহব্বান জানান। নৈতিক স্কুলে শিক্ষার্থীদের পরিবেশনা আমাকে মুগ্ধ করেছে। পথ শিশুদের মেধা বিকাশে এই স্কুল সত্যিই প্রশংনীয় কাজ করে যাচ্ছে। আমি এ সমস্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে অসাধারণ প্রতিভার চাপ দেখতে পাচ্ছি। তাদের সুন্দর আলোকিত জীবন কামনা করছি। সভার সভাপতি বলেন নৈতিক স্কুল প্রতিষ্ঠার পিছনে রয়েছে আমরা বর্তমানে একটি বড় সমস্যায় রয়েছি। তা হচ্ছে আমাদের মাঝে নৈতিকতার অভাব। আমরা মুক্তিযুদ্ধ করে এদেশকে স্বাধীন করেছি। এদেশের সকল শ্রেণি পেশার মানুষ নৈতিকতা সম্পন্ন হয়ে শোষণহীণ আলোকিত সমাজ উপহার দেওয়ার জন্য। সমাজের সকল শ্রেণীর মানুষ রাষ্ট্রের সকল সুযোগ সুবিধা সমানভাবে পাবে। তিনি নৈতিক স্কুলের পরিচালনা এবং অর্থায়ন সম্পন্ন ব্যক্তিগত বলে অভিমত ব্যক্ত করেন। সভা শেষে শহীদ বুদ্ধিজীবী আলী করিম স্মৃতি মেধাবৃত্তি ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন ড. মুহাম্মদ জাফর ইকবাল সহ অতিথিবৃন্দ।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি
মাছে-ভাতে বাঙালির ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে হবে: জেলা প্রশাসক
২৩ফেব্রুয়ারী,রবিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাঙালি সারাবিশ্বের মাঝে মাছে-ভাতে বাঙালি হিসেবে পরিচিত। হাজার বছরের এই পরিচিতি ক্রমবর্ধমান উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় ঐতিহ্যের মাছে-ভাতে বাঙালীর পরিচয় হারাতে বসেছে। বর্তমান সরকার ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলসভাবে কাজ করছেন বাঙালির এই ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে। সরকারের একার পক্ষে এই ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। বাঙালীর হাজার বছরের ঐতিহ্য এবং বাংলাদেশের মৎস্য ভান্ডারের ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে মৎস্যজীবীদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াছ হোসেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা মৎস্যজীবী লীগের কমিটির অনুমোদন পত্র গ্রহণকালে একথা বলেন। বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবীলীগের চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা শাখার নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ গত ১৯ ফেব্রূয়ারি বিকেল ৩টায় কোর্ট হিলস্থ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াছ হোসেনের নিকট সংগঠনের অনুমোদন পত্র হস্তান্তর করেন। এসময় সংগঠনের যুগ্ম আহব্বায়ক সুরেশ দাশের নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের আহব্বায়ক কমিটির সদস্য মাসুমা কামাল আখি, হানিফুল ইসলাম, সঞ্জয় সরকার, মোহাম্মদ গোলাম রহমান, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা শাখার আহব্বায়ক বীরমুক্তিযোদ্ধা এস.এম.লেয়াকত হোসেন ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শাখার প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক স.ম.জিয়াউর রহমান। অনুমোদনপত্র গ্রহণকালে জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াছ হোসেন বলেন, মৎস্যজীবী বিষয়ে এবং মৎস্য ভান্ডার নিয়ে কোন চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব প্রশাসন সহ্য করবে না। বাংলাদেশের চিরায়িত ঐতিহ্য মৎস্য ভান্ডারের অস্তিত্ব রক্ষায় মৎস্যজীবীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা নিয়ে কাজ করতে হবে। জেলা প্রশাসক আরো বলেন, পুরো দক্ষিণ চট্টগ্রাম মৎস্যভান্ডারের বিশাল খাত রয়েছে। একে কাজে লাগিয়ে মৎস্যজীবীদের দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে হবে। জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াছ হোসেন নবগঠিত কমিটির কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানান।-প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধার মুত্যু
২২ফেব্রুয়ারী,শনিবার,চট্টগ্রাম প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে দৌড়ে ট্রেনে উঠতে গিয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে তাহেরা বেগম (৬০) নামে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনের ৯ নম্বর প্লাটফর্মে এ দুর্ঘটনা ঘটে। জানা যায় নিহত তাহেরা বেগম বোয়ালখালীর ৫ নম্বর সারোয়াতলী ইউনিয়নের বেঙ্গুরা খাজা নগর গ্রামের বাসিন্দা। রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের নিরাপত্তাবাহিনীর (আরএনবি) সহকারী উপ-পরিদর্শক মো. শওকত হোসেন সজল বলেন, দোহাজারী থেকে আসা ট্রেনটিতে দৌড়ে উঠতে গিয়ে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে মৃত্যু হয় ওই বৃদ্ধার।
মাছ ধরতে শ্রীলঙ্কা থেকে বাংলাদেশে,আটক ২৪
২২ফেব্রুয়ারী,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশ সীমানায় চারটি মাছ ধরার নৌকাসহ ২৪ শ্রীলঙ্কান নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে নৌবাহিনী। ১৮ই ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার মধ্যরাতে আটকের পর শুক্রবার ২১শে ফেব্রুয়ারি এ ঘটনায় নগরের পতেঙ্গা থানায় মামলা দায়ের করেছেন নৌবাহিনীর কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম। এই মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। পতেঙ্গা থানা সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ বানৌজা ওমর ফারুক বঙ্গোপসাগরের বাংলাদেশ অংশে টহল দিচ্ছিল। এ সময় অচোনা, সানজু পুঠা, সি হর্স ও ডেনান মেরিন আচোনা নামে চারটি মাছ ধরার নৌকাকে আটক করা হয়। এতে ছিলেন শ্রীলঙ্কার ২৮ জন জেলে, বোটচালক ও কর্মী। যারা সে সময় বাংলাদেশ অংশের সাগরে মাছ ধরছিলেন। তবে ওই জেলেদের দাবি, স্রোতের টানে বাংলাদেশের জলসীমায় ঢুকে পড়েছিলেন তারা।
তরুণ প্রজন্মের মাঝে একুশের চেতনা জাগ্রত করতে হবে : চুয়েট ভিসি
২২ফেব্রুয়ারী,শনিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি ,নিউজ একাত্তর ডট কম:চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযু্িক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেছেন, একুশ আমাদের চেতনা, আমাদের অহংকার। সেই চেতনার উপর ভর করেই আমরা চূড়ান্ত স্বাধীনতা পেয়েছি। কিন্তু ভাষা আন্দোলনের সুদীর্ঘ পরিক্রমায় আজো সর্বস্তরে বাংলা ভাষার প্রচলন সম্ভব হয় নি। মাতৃভাষায় কথা বলার জন্য রক্তদান পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। একুশের সেই মহান চেতনাকে তরুণ প্রজন্মের বুকে ধারণ করতে হবে। বাংলা ভাষার ব্যবহারের প্রতি দায়িত্বশীল হতে হবে। আমাদের প্রত্যেকের চেতনাবোধ জাগ্রত করতে হবে। তবেই ভাষার প্রতি ও ভাষা শহীদদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হবে। তিনি অদ্য ২১ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার), ২০২০ খ্রি. চুয়েট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাদদেশে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২০ উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। চুয়েটে জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি এবং পুরকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. রবিউল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. মইনুল ইসলাম, যন্ত্রকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. জামাল উদ্দিন আহম্মদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী এবং ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মশিউল হক। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বিভাগীয় প্রধানগণের পক্ষে পুরকৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. সুদীপ কুমার পাল, প্রভোস্টগণের পক্ষে শহীদ মোহাম্মদ শাহ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. রনজিৎ কুমার সূত্রধর, শিক্ষক সমিতির পক্ষে সাধারণ সম্পাদক ড. মো. সানাউল রাব্বী, কর্মকর্তা সমিতির পক্ষে সভাপতি প্রকৌশলী সৈয়দ মোহাম্মদ ইকরাম, কর্মচারী সমিতির পক্ষে সভাপতি জনাব মো. জামাল উদ্দিন এবং শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন ‘১৫ ব্যাচের ফাহিম শাকিল। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন যন্ত্রকৌশল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. সানাউল রাব্বী, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এটিএম শাহজাহান, মানবিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব নাহিদা সুলতানা ও সহকারী রেজিস্ট্রার (সমন্বয়) জনাব মোহাম্মদ ফজলুর রহমান। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও বিভিন্ন বিভাগের বিপুল সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করেন। এর আগে দিবসটি উপলক্ষ্যে দিনের প্রথম প্রহরে সকাল সাড়ে ৭টায় ক্যাম্পাসের উত্তর গোল চত্ত্বর হতে প্রভাতফেরীর মাধ্যমে দিনব্যাপী কর্মসূচীর শুরু হয়। এতে নেতৃত্ব দেন মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম। এরপর চুয়েট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম। পরে একে একে চুয়েটের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে মহান ভাষা শহীদদের স্মরণে দোয়া ও মুনাজাত করা হয়। উল্লেখ্য, মুজিববর্ষ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিষয়ে রচনা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকারী পুরকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আকিব। এছাড়া দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা মধ্যে ছিল- রচনা প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, কবিতা আবৃত্তি, দেশাত্মবোধক গান প্রভৃতি।
তরুণ প্রজন্মের মাঝে একুশের চেতনা জাগ্রত করতে হবে : চুয়েট ভিসি
২২ফেব্রুয়ারী,শনিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি ,নিউজ একাত্তর ডট কম:চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযু্িক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেছেন, একুশ আমাদের চেতনা, আমাদের অহংকার। সেই চেতনার উপর ভর করেই আমরা চূড়ান্ত স্বাধীনতা পেয়েছি। কিন্তু ভাষা আন্দোলনের সুদীর্ঘ পরিক্রমায় আজো সর্বস্তরে বাংলা ভাষার প্রচলন সম্ভব হয় নি। মাতৃভাষায় কথা বলার জন্য রক্তদান পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। একুশের সেই মহান চেতনাকে তরুণ প্রজন্মের বুকে ধারণ করতে হবে। বাংলা ভাষার ব্যবহারের প্রতি দায়িত্বশীল হতে হবে। আমাদের প্রত্যেকের চেতনাবোধ জাগ্রত করতে হবে। তবেই ভাষার প্রতি ও ভাষা শহীদদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা হবে। তিনি অদ্য ২১ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার), ২০২০ খ্রি. চুয়েট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাদদেশে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২০ উদযাপন উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। চুয়েটে জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি এবং পুরকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. রবিউল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. মইনুল ইসলাম, যন্ত্রকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. জামাল উদ্দিন আহম্মদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী এবং ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মশিউল হক। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বিভাগীয় প্রধানগণের পক্ষে পুরকৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. সুদীপ কুমার পাল, প্রভোস্টগণের পক্ষে শহীদ মোহাম্মদ শাহ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. রনজিৎ কুমার সূত্রধর, শিক্ষক সমিতির পক্ষে সাধারণ সম্পাদক ড. মো. সানাউল রাব্বী, কর্মকর্তা সমিতির পক্ষে সভাপতি প্রকৌশলী সৈয়দ মোহাম্মদ ইকরাম, কর্মচারী সমিতির পক্ষে সভাপতি জনাব মো. জামাল উদ্দিন এবং শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন ‘১৫ ব্যাচের ফাহিম শাকিল। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন যন্ত্রকৌশল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. সানাউল রাব্বী, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এটিএম শাহজাহান, মানবিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব নাহিদা সুলতানা ও সহকারী রেজিস্ট্রার (সমন্বয়) জনাব মোহাম্মদ ফজলুর রহমান। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও বিভিন্ন বিভাগের বিপুল সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করেন। এর আগে দিবসটি উপলক্ষ্যে দিনের প্রথম প্রহরে সকাল সাড়ে ৭টায় ক্যাম্পাসের উত্তর গোল চত্ত্বর হতে প্রভাতফেরীর মাধ্যমে দিনব্যাপী কর্মসূচীর শুরু হয়। এতে নেতৃত্ব দেন মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম। এরপর চুয়েট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম। পরে একে একে চুয়েটের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে মহান ভাষা শহীদদের স্মরণে দোয়া ও মুনাজাত করা হয়। উল্লেখ্য, মুজিববর্ষ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস বিষয়ে রচনা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকারী পুরকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আকিব। এছাড়া দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা মধ্যে ছিল- রচনা প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, কবিতা আবৃত্তি, দেশাত্মবোধক গান প্রভৃতি।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর