সিপিডিএলের বিনিয়োগ সেবা কার্যক্রম উদ্বোধন
৭,মার্চ,রবিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর দেবপাহাড়ে ৭১ কাঠা ভূমিতে পরিকল্পিত সিপিডিএল সুলতানা গার্ডেনিয়া প্রকল্প প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই সময়ের সেরা বিনিয়োগ, ৭টি ফ্ল্যাটে দারুণ সুযোগ শিরোনামে বিনিয়োগ সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। গত ৪ মার্চ শুরু হওয়া এই কার্যক্রমটি ১৪ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে। আপন ভাবনা, ভিন্নতা ও নিজস্বতা নিয়ে নগরীর বিভিন্ন লোকেশনে গড়ে উঠছে সিপিডিএলের প্রকল্প সমূহ। প্রতিটি প্রকল্পে রয়েছে নিজস্বতা, তা ফিচারে হোক, ডিজাইনে হোক বা বাজেটে, প্রাণ যেখানে আধারিত হবে অনন্য প্রেরণায়। যেমন দেবপাহাড়ে গড়ে উঠছে সুলতানা গার্ডেনিয়া, পাঁচলাইশ ও হিলভিউ আবাসিক এলাকায় হস্তান্তরের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে পার্ক রেসিডেন্স এবং কাজী এম্বোসম, সম্পূর্ণ রেডি অবস্থায় মেহেদীবাগে রয়েছে ক্রিমসন ক্লোভার, জামালখান ও আর নিজাম রোডে নির্মীয়মাণ আয়েশা আইকন ও চারুকাব্য এবং লালখান বাজারে সদ্য শুরু হওয়া সিপিডিএল ফিরোজা। এই প্রকল্পসমূহ হতে নির্বাচিত কিছু ফ্ল্যাট নিয়ে এবারের আয়োজন এই সময়ের সেরা বিনিয়োগ, ৭টি ফ্ল্যাটে দারুণ সুযোগ। এই বিনিয়োগ সেবা কার্যক্রম সম্পর্কে সিপিডিএলের প্রেসিডেন্ট প্রকৌশলী ইফতেখার হোসেন বলেন, আমরা এই অভূতপূর্ব অফারটি সাজিয়েছি কঠিন এই সময়ে আপনার ঘুরে দাঁড়ানোর অদম্য সংকল্পের সহযাত্রী হতে চাই বলে, সহযোগী হতে চাই আপনার অব্যাহত স্বপ্নযাত্রার। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
যৌতুকমুক্ত ইনসাফভিত্তিক মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় লক্ষ্য: তথ্যমন্ত্রী
৭,মার্চ,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, যৌতুক দেয়া-নেয়া দুটোই সমান অপরাধ। যৌতুক ও মাদককে ঘৃণা করতে শিখুন। বহুমুখী পদক্ষেপ নিয়ে বর্তমান সরকার বাল্য বিয়ের লাগাম টেনে ধরতে পেরেছে। অচিরেই সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশ যৌতুক ও মাদকের অভিশাপ থেকে মুক্ত হবে। যৌতুক ও মাদকবিরোধী আইনের কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমে ইনসাফভিত্তিক মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাই সরকারের বড় লক্ষ্য। এজন্য গণসচেতনতা বাড়াতে গণমাধ্যম ও মসজিদের ইমাম-খতিব উলামা পীর মাশায়েখসহ প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। গতকাল শনিবার বিকালে চট্টগ্রাম জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ কমপ্লেক্সে আঞ্জুমানে রজভীয়া নূরীয়া বাংলাদেশ আয়োজিত যৌতুক ও মাদক বিরোধী মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। আঞ্জুমানে রজভীয়া নূরীয়ার চেয়ারম্যান মাওলানা আবুল কাশেম নুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার যুগ্ম মহাসচিব এরশাদ মাহমুদ, তরুণ সংগঠক ফারাজ করিম চৌধুরী, চট্টগ্রাম কলেজের অধ্যাপক নূ ক ম আকবর হোসেন, রাজনীতিক ড. মাসুম চৌধুরী, আল্লামা মাসউদ হোসাইন আলকাদেরী, অ্যাড. আব্দুর রশিদ দৌলতি প্রমুখ। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আমাদের এই জনপদে ইসলাম কায়েম হয়েছে কোনো যুদ্ধ বিগ্রহের মাধ্যমে নয়, অলি-আউলিয়াদের মাধ্যমে ইসলাম কায়েম হয়েছে এখানে। আজকে অনেকে ইসলামের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে তরুণদেরকে বিপথগামী করে। সেগুলোর বিরুদ্ধে আলেম সমাজের সোচ্চার ভূমিকা রাখা প্রয়োজন। তিনি বলেন, এই দেশ সবার। সব মত এবং দলের মানুষের। সবাই মিলে যুদ্ধ করে আমাদের এই দেশ স্বাধীন হয়েছে। আমরা সবাই মিলে এই দেশটাকে গড়তে চাই। প্রতিবছর যৌতুক বিরোধী সমাবেশ আয়োজনের জন্য আঞ্জুমানে রজভীয়া নূরীয়ার চেয়ারম্যান আবুল কাশেম নুরীকে ধন্যবাদ জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এরকম সামাজিক আন্দোলন যদি আলেম সমাজের পক্ষ থেকে করা হয় তাহলে এটির বড় একটা প্রভাব সমাজের ওপর পড়ে। কারণ আলেম সমাজ হচ্ছে সমাজের স্বাভাবিক নেতা। তিনি বলেন, যৌতুক বিরোধী আইন আছে, কিন্তু আইন অনেকে মানে না। শুধু আইন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে যে সবকিছু হয় না সেটির প্রমাণ হচ্ছে যৌতুক। এটি বন্ধের জন্য জনসচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। তথ্যমন্ত্রী বলেন, তরুণ সমাজ নানা কারণে মাদকাসক্ত হয়ে যাচ্ছে, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সরকার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে এগুচ্ছে। শুধুমাত্র আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পদক্ষেপের মাধ্যমে মাদক নির্মূল করা সম্ভবপর নয়। এজন্য পরিবারকে দায়িত্ব নিতে হবে। একই সাথে সামাজিক প্রতিরোধ ও আন্দোলন যদি থাকে তাহলে সবকিছুর সমন্বয়ে মাদকরোধ করা সম্ভব হবে। হাছান মাহমুদ বলেন, মাদকাসক্তির পাশাপাশি আমাদের কিশোর তরুণদের মাঝে ফেসবুক আসক্তি দেখা দিয়েছে। কিশোরদের হাতে হাতে মোবাইল ফোন, কিন্ত মা-বাবা খবর রাখে না সন্তানরা মোবাইলে কি করছে। এজন্য আমি মনেকরি যৌতুক ও মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অতিরিক্ত আসক্তির বিরুদ্ধেও কথা বলা প্রয়োজন।
করোনা: ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে আক্রান্ত ৬৩ জন
৭,মার্চ,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ২৪ ঘন্টায় চট্টগ্রামে ১ হাজার ৬০৭টি নমুনা পরীক্ষা করে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ৬৩ জনের। এ নিয়ে মোট করোনা আক্রান্ত হলেন ৩৫ হাজার ৫৫২ জন। এসময়ে করোনায় একজন মৃত্যুবরণ করেছেন। রোববার (৭ মার্চ) সকালে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাব ও চট্টগ্রামে ৬টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা হয়। অন্যদিকে চট্টগ্রামে করোনার টিকাদান কার্যক্রমে সর্বশেষ টিকা নিয়েছেন ৯ হাজার ৮৬৬ জন। এখন পর্যন্ত ৩ লাখ ২৪ হাজার ৫২৭ জন টিকা গ্রহণ করেছেন। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসে (বিআইটিআইডি)৮৬২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে শনাক্ত হয় ১৭ জন। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ৪৬৩টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৫ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস পাওয়া গেছে। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ১৬টি নমুনা পরীক্ষা করে কারো শরীরে করোনা শনাক্ত হয়নি। শেভরণ ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে ২৪১টি নমুনা পরীক্ষা করে ১২ জন এবং চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ১২টি নমুনা পরীক্ষা করে ৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। তবে এইদিন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাব ও ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা করা হয়নি। এছাড়া জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল ল্যাবরেটরিতে (আরটিআরএল) ১২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে দুইটি নমুনা পজেটিভ শনাক্ত হয়। কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের ১টি নমুনা পরীক্ষা করে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব মিলেনি। চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টার নমুনা পরীক্ষায় ৬৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এইদিন নমুনা পরীক্ষা করা হয় ১ হাজার ৬০৭টি। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে নগরে ৫৪ জন এবং উপজেলায় ৯ জন। তিনি আরও বলেন, করোনার টিকা কার্যক্রমে গতকাল টিকা নিয়েছেন ৯ হাজার ৮৬৬ জন। এর মধ্যে সিটি করপোরেশন এলাকায় ৬ হাজার ৪০৫ জন এবং উপজেলায় ৩ হাজার ৪৬১ জন।
চট্টগ্রাম কারাগার থেকে হত্যা মামলার আসামি নিখোঁজ
৬,মার্চ,শনিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম কারাগার থেকে এক হাজতি নিখোঁজ হয়েছে। তাকে কারাগারে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এ ব্যাপারে শনিবার ( ৬ মার্চ) নগরীর কোতোয়ালী থানায় ডায়েরি করেছেন সিনিয়র জেল সুপার শফিকুল ইসলাম খান। কোতোয়ালী থানার ওসি মো. নেজাম উদ্দিন বলেন, শনিবার সকাল থেকে ফরহাদ হোসেন রুবেল নামে হাজতিকে কারাগারে পাওয়া যাচ্ছে না উল্লেখ করে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। ডায়েরিতে উল্লেখ করা হয়েছে সকালে কারাগারের সব তালা খোলার পর কারাগারের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও রুবেলকে পাওয়া যায়নি। নিখোঁজ হাজতি রুবেল সদরঘাট থানার একটি হত্যা মামলার আসামী। গত ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাগারে রয়েছেন রুবেল। এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানার জন্য কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ও জেলারকে একাধিক বার ফোন করলেও তারা রিসিভ করেনি। সদরঘাট থানার পুলিশ জানায়, গত ৬ ফেব্রুয়ারি সহপাঠীকে ছুরিকাঘাত করে হত্যার অভিযোগে ফরহাদ হোসেন রুবেলকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ সদরঘাট থানার এসআরবি রেলগেইট এলাকায় ৫ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে আবুল কালাম আবু নামে এক ভাঙ্গারি ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাত করেন রুবেল। পরের দিন সকালে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় কালাম। এই ঘটনায় কালামের মা মর্জিনা বেগম বাদি হয়ে সদরঘাট থানায় মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় রুবেলকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়।
এইচ এম স্টিলের উৎপাদন কার্যক্রম উদ্বোধন
৬,মার্চ,শনিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মোস্তফা হাকিম গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এইচ এম স্টিল অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেডের আনুষ্ঠানিক উৎপাদন কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (৬ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে কর্ণফুলী এলাকার এইচ এম স্টিল লিমিটেড এর কারখানায় এ অনুষ্ঠান উদ্বোধন করা হয়। এইচ এম স্টিল অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন মোস্তফা হাকিম গ্রুপের পরিচালক ও সীতাকুণ্ড-৪ আসনের সংসদ সদস্য দিদারুল আলম, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ শওকত জামিল, মোস্তফা হাকিম গ্রুপের পরিচালক মোহাম্মাদ সরওয়ার আলম। স্বাগত বক্তব্য দেন মোস্তফা হাকিম গ্রুপের মহাব্যবস্থাপক নিপুর চৌধুরী। এইচ এম স্টিল লিমিটেড এর উদ্বোধনী কার্যক্রমের বিস্তারিত বর্ণনা দেন প্রতিষ্ঠানটির জিএম বোরহান উদ্দিন আহমেদ।
মেয়রের সাথে চাক্তাই খাতুনগঞ্জ আড়তদার সমিতির মতবিনিময়
৬,মার্চ,শনিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নব নির্বাচিত মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরীর সাথে গত বৃহস্পতিবার মেয়র কার্যালয়ে মতবিনিময় করেছেন চাক্তাই খাতুনগঞ্জ আড়তদার সাধারণ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নেতৃবৃন্দ। এসময় সমিতির নেতৃবৃন্দ চাকতাই খাতুনগঞ্জের নানাবিধ সমস্যা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের বিষয় তুলে ধরেন। তাঁরা মহাসড়কে ওজন স্কেল, চাকতাই খাতুনগঞ্জে গণশৌচাগার তৈরি, বিনোদনের ব্যবস্থা ও একটি সভা সেমিনারের জন্য উপযোগী মিলনায়তন গড়ে তোলার জন্য মেয়রের প্রতি অনুরোধ জানান। এতে উপস্থিত ছিলেন চাক্তাই খাতুনগঞ্জ আড়তদার সাধারণ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক মো. মহিউদ্দীন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক দেবাশীষ দাশগুপ্ত, শিল্প ও সাহিত্য সম্পাদক মো. নাজমুল হক, নির্বাহী সদস্য মো. হারুনুর রশিদ, মো. শরীফ, সদস্য মো. আব্বাস উদ্দিন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি
চট্টগ্রাম জেলা ও নগর সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের সভা
৬,মার্চ,শনিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে কর্মসূচি গ্রহণের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগর সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের এক সভা গতকাল শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংগঠনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আলম মন্টুর সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক বেদারুল আলম চৌধুরী বেদার, মহানগর সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. সরফরাজ খান চৌধুরী, জেলা সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম সিদ্দিকী, মহানগর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেলিম চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল মালেক খান, নবী হোসেন সালাউদ্দিন। সভায় ঐতিহাসিক ৭ মার্চ জাতীয় দিবস, ১৭ মার্চ জন্মশতবর্ষে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন পালন, ২৪ মার্চ চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গণহত্যা দিবস উপলক্ষে গণ সমাবেশ ও সন্ধ্যায় প্রদীপ প্রজ্বলন এবং স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠানের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
সর্বনাশা প্লাস্টিক: পতেঙ্গা সৈকতে পরিচ্ছন অভিযান
৫,মার্চ,শুক্রবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পলিথিন, প্লাস্টিকের বোতল ও বিভিন্ন নিত্যপণ্যের প্লাস্টিক মোড়কে সারাদেশের পরিবেশ বিপর্যস্ত। ভেঙে পড়ছে ড্রেনেজ ব্যবস্থা, উর্বরতা হারাচ্ছে মাটি, বাতাসে ছড়াচ্ছে বিষ, ভরাট হচ্ছে নদী-খাল-বিল, পরিচ্ছন্নতা হারাচ্ছে সড়ক-গলিপথ। সব মিলিয়ে প্লাস্টিক বা পলিথিনের ব্যাপক ব্যবহারে মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে দেশের পরিবেশ। ফলে এর থেকে পরিত্রাণ পেতে চট্টগ্রাম জেলা নৌ রোভার স্কাউটরা গত ২ মার্চ পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে পরিচ্ছন অভিযান, প্লাস্টিক ব্যবহারে সচেতন ও পুনর্ব্যবহারের কৌশল নিয়ে এলাকার স্থানীয় লোকজন ও দোকানদারদের মাঝে লিফলেট বিতরণ ও সচেতনতা সৃষ্টি করেন। তারা বলেন, প্লাস্টিক ও পরিথিন অপচনশীল হওয়ায় পরিবেশের ওপর দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে। সর্বনাশা এই পলিথিন বা প্লাস্টিক পণ্য ব্যবহারে দূষিত হচ্ছে মাটি, পানিসহ সামগ্রিক পরিবেশ ও প্রতিবেশ। মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ছে জনস্বাস্থ্য। পরিবেশবিদদের মতে, যত্রতত্র পলিথিন নিক্ষেপের ফলে মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে পানি, মাটি ও বাতাস। মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে চর্মরোগে। পলিথিনের অবাধ ব্যবহারের কারণে বিভিন্ন স্থানে ড্রেনেজ ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাও দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর