চট্টগ্রামে পৌঁছেছে ৪ লাখ ৫৬ হাজার ডোজ করোনা ভ্যাকসিন
৩১,জানুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ৪ লাখ ৫৬ হাজার ডোজ করোনার ভ্যাকসিন চট্টগ্রামে পৌঁছেছে। কোল্ড চেইন বজায় রেখে ৩৮ কার্টুনে আনা এসব ভ্যাকসিন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ইপিআই স্টোরে রাখা হয়েছে। রোববার (৩১ জানুয়ারি) সকাল ৭টায় চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ে এসে পৌঁছায় এসব ভ্যাকসিন। ভ্যাকসিনের জন্য নগর ও জেলায় অগ্রাধিকার তালিকাভুক্তদের মাঝে এই ভ্যাকসিন প্রদান করা হবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি। তিনি জানান, চট্টগ্রামে আসার পর এসব টিকা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ইপিআই স্টোরে রাখা হয়েছে। ইপিআই কর্মসূচির মতো করেই করোনার টিকা প্রদান কর্মসূচিও পরিচালিত হবে। এজন্য ৩০ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে মহানগরীতে টিকাদানে নিয়োজিতদের প্রশিক্ষণ। ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে উপজেলা পর্যায়ের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম। টিকাদান কর্মসূচি শুরু হতে পারে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে। সিভিল সার্জন জানান, করোনার টিকাদানে নিয়োজিত থাকবে মোট ৪২টি টিম। টিকাদানকারী হিসেবে ২ জন মিডওয়াইফ, স্টাফ নার্স বা সিনিয়র স্টাফ নার্স এবং ৪ জন স্বেচ্ছাসেবকের সমন্বয়ে প্রতিটি টিমে ৬ জন করে সদস্য থাকবেন। সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে এবং উপজেলা পর্যায়ে ইউএনওর তত্ত্বাবধানে টিকা কার্যক্রম পরিচালিত হবে। টিকা গ্রহণকারীদের রেজিস্ট্রেশনের ওপর ভিত্তি করে ইপিআই স্টোর থেকে মহানগর ও উপজেলা পর্যায়ে টিকা সরবরাহ করা হবে। ইতোমধ্যে টিকা প্রদান কার্যক্রম পরিচালনার জন্য চারটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। টিকা প্রদানে কোথাও কোন সমস্যা হলে তা দেখভাল করবে বিভাগীয় কমিটি। যার নেতৃত্বে থাকবেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার। এছাড়া চসিক প্রশাসকের নেতৃত্বে সিটি করপোরেশনের কমিটি, জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে জেলা পর্যায়ের কমিটি এবং ইউএনওর নেতৃত্বে উপজেলা পর্যায়ে গঠিত কমিটি কাজ করবে। নগর এলাকায় প্রাথমিকভাবে ১৫টি টিকাদান কেন্দ্র চূড়ান্ত করেছে চসিক করোনা ভ্যাকসিন প্রদান কমিটি। কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নগরীর এ ১৫ কেন্দ্রে করোনার টিকাদান কার্যক্রম চলবে। প্রাথমিকভাবে নির্ধারিত ১৫ কেন্দ্র হচ্ছে- চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল, চট্টগ্রাম সেনানিবাস হাসপাতাল, চট্টগ্রাম বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতাল, সিটি করপোরেশন জেনারেল হাসপাতাল, চট্টগ্রাম নৌ-বাহিনী হাসপাতাল, চট্টগ্রাম বিমান বাহিনী হাসপাতাল, চট্টগ্রাম বন্দর হাসপাতাল, চসিক বন্দরটিলা হাসপাতাল, চসিক মোস্তফা হাকিম মাতৃসদন হাসপাতাল, চসিক সাফা মোতালেব মাতৃসদন হাসপাতাল, ইউএসটিসি হাসপাতাল, সাউদার্ন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, মা ও শিশু মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এবং মেরিন সিটি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, উপজেলা পর্যায়ে ১৪টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনার টিকা দেওয়া হবে। সেখানে ২টি টিম টিকাদান কার্যক্রমে নিয়োজিত থাকবে।
পরিচ্ছন্নতা কাজে নেমে পড়লেন নব নির্বাচিত চসিক মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী
২৯,জানুয়ারী,শুক্রবার,সৃজন দত্ত,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ ২৯ জানুয়ারী শুক্রবার সকালে নিজ উদ্যোগে চট্টগ্রাম নগরীর নগরীর বহরদার হাট, চান্দগাঁও থানা ও খাজা রোড এলাকায় নির্বাচনী পোষ্টার অপসারন কাজে নেমে পড়লেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোশেনের (চসিক) নব নির্বাচিত মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এম রেজাউল করিম চৌধুরী। গত দিনের মত অসংখ্য নেতাকর্মী আজ সকালেও রেজাউল করিম চৌধুরীর বাসভবনে তাঁর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও অভিনন্দন জানাতে এলে তিনি তাদেরকে নিয়ে আশপাশের এলাকায় নির্বাচন উপলক্ষে লাগানো পোষ্টারগুলো অপসারন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানোর উদ্যোগ নেন এবং বাঁশের কঞ্চি হাতে মাথার উপর থেকে পোষ্টার নামিয়ে অপসারন কাজের শুরু করেন। এরপর উপস্থিত নেতাকর্মীরা তাঁর সাথে কাজে হাত দিলে মূহূর্তেই পোষ্টার শূন্য হয় এলাকা। পোষ্টার অপসারন কাজের উদ্বোধন শেষে উপস্থিত নেতাকর্মী ও গণমাধ্যম কর্মীদের সামনে রাখা বক্তব্যে রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, নাগরিক দায়িত্ব বোধ থেকেই আমি এ কাজ করেছি। আমার শহর আমার অহংকার এ ভাবনা মাথায় রেখে নগরীর সকল নাগরিকের উচিৎ নিজের শহরের সৌন্দর্য ও পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় সচেতন ভূমিকা রাখা। নির্বাচনে প্রতিদ্ধন্ধিতা করতে গিয়ে প্রচারণার স্বাথে আমরাই এ পোষ্টারগুলো লাগিয়েছি। পোষ্টারের মাধ্যমে মানুষের ভোট ও দোয়া প্রার্থনা করেছি। এখন নগরীর সৌন্দর্য ও নগরীর মানুষের স্বার্থেই আমাদের উচিৎ নিজেদের উদ্যোগে নেতাকর্মী সমর্থকদের নিয়ে এ পোষ্টারগুলো নামিয়ে ফেলা। এসময় তিনি পোষ্টার গুলো ছিঁড়ে যত্রতত্র না ফেলার জন্যও অনুরোধ জানান। তিনি আরো বলেন, দুদিনের মধ্যে নগরীর স্বাভাবিক সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে হবে। পোষ্টারের কারণে যানবাহন চলাচলে সৃষ্ট বাধা অপসারন করতে হবে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগ বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে নামিয়ে ফেলা নির্বাচনী পোষ্টার ও ব্যানার যথাযথ স্থানে অপসারনে বিশেষ উদ্যোগী হবেন বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এসময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন ১৭,১৮,১৯ নব নির্বাচিত মহিলা কাউন্সিলর শাহীন আক্তার রোজী, ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি কাজী রাশেদ আলী জাহাঙ্গীর, সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহিম, ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের আহবায়ক নুর মোহাম্মদ নুরু, যুগ্ম আহবায়ক এড. আইয়ুব খান, ৭নং যুবলীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন বাবুল, সাধারণ সম্পাক এম. এ আজিজ, স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন প্রমুখ।
চট্টগ্রাম জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের শপথ অনুষ্ঠান
২৯,জানুয়ারী,শুক্রবার, নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ২০২১-২০২২ এবং শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। গত ২৪ জানুয়ারি নগরীর হোটেল সৈকতের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান সংগঠনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার এডভোকেট আবদুর রশিদ। চট্টগ্রাম জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের নবনির্বাচিত সভাপতি জহুর আহমদের সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব গোলাম রসুলের সঞ্চালনায় আয়োজিত শপথ পাঠ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কার্যকরী সভাপতি মাহবুবুল হক মিয়া, অতিরিক্ত মহাসচিব ইউনুছ কোম্পানি, বিলাসী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান চৌধুরী, বাঁশখালী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম চৌধুরী, পিএবি সমিতির সভাপতি জাফর উদ্দিন চৌধুরী, কালুরঘাট বাস মালিক সমিতির সভাপতি নাজিম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক ওহিদুর নুর কাদেরী, সাঈদ নাঈম সুমন এনায়েতুর রহমান, তরুণ দাসগুপ্ত ভানু, শহিদুল ইসলাম, অধ্যাপক সোলাইমান হোসেন রাজু, সিরাজউদ্দৌলা নিপু, আকাশ আলম প্রমুখ।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
ঘন কুয়াশা: ঢাকা ও সিলেটের ফ্লাইট নামলো চট্টগ্রামে
২৯,জানুয়ারী,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঘন কুয়াশার কারণে ঢাকার শাহজালাল ও সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামতে না পেরে চট্টগ্রামের শাহ আমানতে অবতরণ করেছে দুইটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট। শুক্রবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল ৭টা ২৫ মিনিটে মাসকাট থেকে ১৩৮ জন যাত্রী নিয়ে আসা বেসরকারি ইউএস বাংলার বোয়িং ৭৩৭ ফ্লাইট চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এর ১০ মিনিট পর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দুবাই থেকে ২৬২ জন যাত্রী নিয়ে আসা ফ্লাইট সিলেটে অবতরণ করতে না পেরে চট্টগ্রামে অবতরণ করে। শাহ আমানত বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক উইং কমান্ডার ফরহাদ হোসেন জানান, দুই বিমানবন্দরে কুয়াশা কেটে যাওয়ার পর ৮টা ৫০ মিনিটে সিলেটের এবং ৯টা ৫ মিনিটে ঢাকার ফ্লাইট দুইটি নিজ গন্তব্যে চলে গেছে। তিনি জানান, কুয়াশার কারণে ফ্লাইট না আসায় ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের যাত্রীদের এক ঘণ্টা যাত্রা বিলম্ব হয়েছে।
চট্টগ্রামে আরও ৪৮ জনের করোনা শনাক্ত
২৯,জানুয়ারী,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ৯১৫টি নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৪৮ জনের। এ নিয়ে চট্টগ্রামে মোট করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩২ হাজার ৮৮১ জন। এ সময়ে করোনায় মৃত্যুবরণ করেনি কেউ। শুক্রবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এইদিন কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবসহ চট্টগ্রামের ৮টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা হয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ২৫টি নমুনা পরীক্ষা করে ৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসে (বিআইটিআইডি) সর্বোচ্চ ৫৮৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে শনাক্ত হয় ১১ জন। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ৮৮টি নমুনা পরীক্ষা করে ৮ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস পাওয়া গেছে। কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের ১২টি নমুনা পরীক্ষা করে কারও শরীরে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব মেলেনি। বেসরকারি ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ৪১টি নমুনা পরীক্ষা করে ১০ জন, শেভরণ ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে ১৪১টি নমুনা পরীক্ষা করে ১০ জন, আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ১২টি নমুনা পরীক্ষা করে ১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল ল্যাবরেটরিতে (আরটিআরএল) ৮টি নমুনা পরীক্ষা করে কারও করোনা শনাক্ত হয়নি। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারী বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে এদিন কোনো নমুনা পরীক্ষা করা হয়নি। চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টার নমুনা পরীক্ষায় ৪৮ জন নতুন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এইদিন নমুনা পরীক্ষা করা হয় ৯১৫টি। আক্রান্তদের মধ্যে নগরে ৪৩ জন এবং উপজেলায় ৫ জন।
চট্টগ্রামকে পরিকল্পিতভাবে সাজাতে চাই: নগরপিতা রেজাউল করিম চৌধুরী
২৮,জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউল করিম চৌধুরী গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ব্যক্ত করেছেন নিজের প্রতিক্রিয়া। বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে বহদ্দার বাড়িতে তাকে শুভেচ্ছা জানাতে আসেন সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন সহ শুভানুধ্যায়ীরা। এসময় রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, এই চট্টগ্রামকে আমি পরিকল্পিতভাবে সাজাতে চাই। এজন্য সবার সঙ্গে পরামর্শ করে এবং তা বিশেষজ্ঞদের নিয়ে পর্যালোচনা করে যেটা বাস্তবসম্মত হবে সেটাই গ্রহণ করবো। বিভিন্ন এলাকায় অনেক সমস্যা আছে। ওয়ার্ডগুলোতে-মহল্লায় অনেক দরিদ্র মানুষ বসবাস করে। একজন রিকশা চালকেরও মেধা আছে, বুদ্ধি আছে। আর্থিক সমস্যার কারণে সে হয়তো উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে পারেনি। তার বুদ্ধিও অনেক সময় কাজে লাগতে পারে। আমি এলাকার সব মানুষকে ডাকবো। মহল্লা সর্দার থেকে আরম্ভ করে এলাকার গণ্যমান্য লোক-সবার পরামর্শ নেবো। আপনার এলাকার কি সমস্যা আছে-সেটা আপনিই চিহ্নিত করতে পারেন। বাইরের কেউ এসে সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা অনেক সময় সম্ভব হয় না। তাই এলাকার মানুষই এলাকার সমস্যাগুলো দেখিয়ে দেবে। তারপর এসব সমস্যা কিভাবে সমাধান করা যায়, তাদের পরামর্শ নিয়ে এবং যে পরামর্শ গ্রহণযোগ্য হবে, যে পরামর্শ ওই এলাকা পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলার জন্য প্রযোজ্য হবে-সেটাই গ্রহণ করবো ও বাস্তবায়ন করবো। তখন কেউ আর এককভাবে মেয়রকে দোষারোপ করতে পারবে না। তখন আমি বলবো-আপনাদের সবার সাথেই তো পরামর্শ করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এখন মেয়রকে দোষ দেওয়ার কোনও অবকাশ আপনাদের নাই। নগরপিতা রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, সফলতা আসলে সবার জন্যই আসবে। সবার সঙ্গে পরামর্শ করে কাজ করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম থাকে। আর এককভাবে যদি কোনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় তাহলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। আমি চিন্তা করছি নতুন প্রজন্মকে নিয়ে। আমাদের শিশুরা স্কুলে যায়, দুপুরে খেয়ে-দেয়ে ঘুমায়, বিকালে টিচার আসে। খেলাধুলার কোনও জায়গা নাই। মোবাইল নিয়ে তারা বসে থাকে। তাই আমি চিন্তা করেছি-প্রত্যেকটা ওয়ার্ডে যদিও খেলার মাঠ করা সম্ভব নয়, যেখানে সরকারি অনেক জায়গা আছে; চেষ্টা করবো ছোট হোক বড় হোক যদি খেলার মাঠ করে দেওয়া যায় তাহলে আমাদের শিশুরা সেখানে গিয়ে খেলতে পারবে। কিশোর গ্যাং এর কথা বলা হয়। আজকে যুবসমাজ মাদকাসক্ত হচ্ছে। কেন হচ্ছে? তারা আসলে কোনও ভালো পরিবেশ পাচ্ছে না। যদি সাংস্কৃতিক চর্চার দিকে তাদের ধাবিত করতে পারি তাহলে অনেকাংশে আমাদের যুবকদের সেখান থেকে সরিয়ে আনতে পারবো। তাই চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় যতটুকু পারা যায় সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স গড়ে তোলার একটা চিন্তা-ভাবনা আমার আছে। এসময় তিনি আরও বলেন, আজ যেটার বিরুদ্ধে আমি প্রতিবাদ করছি এবং বিভিন্নভাবে আন্দোলন-সংগ্রাম করছি সেটা হচ্ছে সন্ত্রাস। আমি নিজেও সন্ত্রাস পালি না, সন্ত্রাসকে প্রশ্রয় দেই না। সাধারণ মানুষ একবেলা না খেয়ে থাকলেও শান্তিতে থাকতে চায়। তাই সন্ত্রাস ও মাদকের ব্যাপারে আমি কঠোর অবস্থানে যাবো। আমি আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে বসবো। তাদের বলবো-এই চট্টগ্রামের মানুষ নিরাপদে থাকতে চায়। অনেক প্রভাবশালী এই সন্ত্রাসীদের মদদ দিচ্ছে। সে ব্যাপারে আমার অবস্থান কঠোর। যতই প্রভাবশালী হোক না কেন-আপনাদের সঙ্গে আপনাদের নির্বাচিত মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী আছে। আমিই সব মোকাবেলা করবো।
কাউন্সিলর পদে বিজয়ী হলেন যারা
২৮,জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ১৪ সংরক্ষিত ওয়ার্ডে নির্বাচিত কাউন্সিলর এবং ৪১ সাধারণ ওয়ার্ডের মধ্যে ৩৯ ওয়ার্ডে (১৮ নম্বর পূর্ব বাকলিয়া ও ৩১ নম্বর আলকরণ ওয়ার্ড ছাড়া) নির্বাচিত কাউন্সিলর প্রার্থীদের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। ১৮ নম্বর পূর্ব বাকলিয়া ওয়ার্ডে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ। অপরদিকে ৩১ নম্বর আলকরণ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী তারেক সোলেমান সেলিমের মৃত্যুতে নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। নতুন তফসিল অনুযায়ী আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি উক্ত ২ ওয়ার্ডে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সাধারণ এবং সংরক্ষিত মিলে ৫৩ ওয়ার্ডের ফলাফল গতকাল নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে রিটানির্ং কর্মকর্তা মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান স্টেডিয়ামস্থ জিমনেশিয়াম চত্বর থেকে ফলাফল ঘোষণা করেন। সাধারণ ১ নম্বর দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের গাজী শফিউল আজিম (ঘুড়ি)। ২নং জালালাবাদ ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন বিদ্রোহী সাহেদ ইকবাল বাবু (ঝুড়ি)। ৩ নং পাঁচলাইশ ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন বিদ্রোহী প্রার্থী শফিকুল ইসলাম (মিষ্টি কুমড়া)। ৪নং চান্দগাঁ ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন বিদ্রোহী প্রার্থী এসরারুল হক (ঘুড়ি)। ৫নং মোহরা ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের কাজী নুরুল আমিন মামুন (ঘুড়ি)। ৬নং পূর্ব ষোলশহর ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের এম আশরাফুল আলম (ঘুড়ি)। ৭নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের মোবারক আলী (টিফিন ক্যারিয়ার)। ৮নং শুলকবহর ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের মোরশেদ আলম (লাটিম)। ৯নং পাহাড়তলী ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন বিদ্রোহী প্রার্থী জহুরুল আলম জসিম (মিষ্টি কুমড়া)। ১০নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের নিছার উদ্দিন আহমেদ (মিষ্টি কুমড়া)। ১১নং দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের মো. ইসমাইল (টিফিন ক্যারিয়ার)। ১২নং সরাইপাড়া ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের নুরুল আমিন (রেডিও)। ১৩নং পাহাড়তলী ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের ওয়াসিম উদ্দিন চৌধুরী (লাটিম)। ১৪নং লালখান বাজার ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের আবুল হাসনাত বেলাল (ঘুড়ি)। ১৫নং বাগমনিরাম ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের গিয়াস উদ্দীন (ঘুড়ি)। ১৬নং চকবাজার ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের সাইয়েদ গোলাম হায়দার মিন্টু (ব্যাডমিন্টন র‌্যাকেট)। ১৭নং পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ শহিদুল আলম (ঘুড়ি)। ১৮ নং পূর্ব বাকলিয়া ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ১৯নং দক্ষিণ বাকলিয়া ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের নুরুল আলম (মিষ্টি কুমড়া)। ২০নং দেওয়ান বাজার ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী (ঠেলাগাড়ি)। ২১নং জামালখান ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের শৈবাল দাশ সুমন (ঠেলাগাড়ি)। ২২নং এনায়েত বাজার ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের সলিম উল্লাহ বাচ্চু (ঘুড়ি)। ২৩নং উত্তর পাঠানটুলী ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ জাবেদ (মিষ্টি কুমড়া)। ২৪নং উত্তর আগ্রাবাদ ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের নাজমুল হক ডিউক (ঠেলাগাড়ি)। ২৫নং রামপুরা ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত আব্দুস সবুর লিটন (টিফিন ক্যারিয়ার)। ২৬নং উত্তর হালিশহর ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন বিদ্রোহী প্রার্থী মোহাম্মদ ইলিয়াস (ঘুড়ি)। ২৭নং দক্ষিণ আগ্রাবাদ ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন শেখ জাফরুল হায়দার চৌধুরী (লাটিম)। ২৮নং পাঠানটুলী ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের নজরুল ইসলাম বাহাদুর (রেডিও)। ২৯নং পশ্চিম মাদারবাড়ি ওয়ার্ডের নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের গোলাম মোহাম্মদ জোবায়ের (রেডিও)। ৩০নং পূর্ব মাদারবাড়ি ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের আতাউল্লাহ চৌধুরী (ঘুড়ি)। ৩১নং আলকরণ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী তারেক সোলেমান সেলিমের মৃত্যুতে নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। নতুন তফসিল অনুযায়ী আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ৩২নং আন্দরকিল্লা ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত জহর লাল হাজারী (মিষ্টি কুমড়া)। ৩৩নং ফিরিঙ্গি বাজার ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন বিদ্রোহী প্রার্থী হাসান মুরাদ বিপ্লব (মিষ্টি কুমড়া)। ৩৪নং পাথরঘাটা ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের পুলক খাস্তগীর (ঠেলাগাড়ি)। ৩৫নং বঙিরহাট ওয়ার্ডের নির্বাচিত হয়েছে আওয়ামী লীগের হাজী নুরুল হক (ঘুড়ি)। ৩৬নং গোসাইলডাঙ্গা ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছন বিদ্রোহী প্রার্থী মোর্শেদ আলী। ৩৭নং মুনিররগর ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত আবদুল মান্নান (ঠেলাগাড়ি)। ৩৮নং দক্ষিণ মধ্যম হালিশহর ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের দলীয় সমর্থিত গোলাম চৌধুরী (ঠেলাগাড়ি)। ৩৯নং দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ডে র্নিবাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত জিয়াউল হক সুমন (লাটিম)। ৪০নং উত্তর পতেঙ্গা ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত আবদুল বারেক (ঠেলাগাড়ি)। ৪১নং দক্ষিণ পতেঙ্গা ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের দলীয় কাউন্সিলর ছালেহ আহম্মেদ চৌধুরী (ঘুড়ি)। সংরক্ষিত ১৪ ওয়ার্ডে নির্বাচিত হলেন যারা- সংরক্ষিত ১নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন বিদ্রোহী প্রার্থী ফেরদৌস বেগম মুন্নী (আনারস)। সংরক্ষিত ২নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের জোবাইরা নার্গিস খান (মোবাইল ফোন)। সংরক্ষিত ৩নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের জেসমিন পারভীন জেসী (চশমা)। সংরক্ষিত ৪নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের তছলিমা বেগম নুরজাহান (বই)। সংরক্ষিত ৫নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের আঞ্জুমান আরা বেগম (বই)। সংরক্ষিত ৬নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের শাহীন আকতার রোজী (আনারস)। সংরক্ষিত ৭নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের রুমকি সেনগুপ্ত (হেলিকপ্টর)। সংরক্ষিত ৮নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের নীলু নাগ (মোবাইল ফোন)। সংরক্ষিত ৯নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের জাহেদা বেগম পপি (স্টিল আলমারি)। সংরক্ষিত ১০নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের হুরে আরা বেগম (মোবাইল ফোন)। সংরক্ষিত ১১নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের ফেরদৌসি আকবর (বই)। সংরক্ষিত ১২নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের আফরোজা জহুর (গ্লাস)। সংরক্ষিত ১৩নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের লুৎফুন্নেছা দোভাষ বেবী (গ্লাস)। সংরক্ষিত ১৪ নং ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের শাহানুর বেগম (গ্লাস)।
তিন লাখ ভোটের ব্যবধানে চট্টলার নগরপিতা হলেন রেজাউল
২৮,জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী পাঁচ বছরের জন্য চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরী। তিনি ৩ লাখ ৬৯ হাজার ২৮৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ডা. শাহাদাত হোসেন পেয়েছেন ৫২ হাজার ৪২৯ ভোট। নির্বাচন ভোট পড়েছে ২২ শতাংশ। মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে রিটার্নিং অফিসার মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন। ফলাফল ঘোষণা শেষে হাসানুজ্জামান বলেন, বেসরকারি ভাবে নৌকা প্রতীকের রেজাউল করিম চৌধুরী জয়যুক্ত হয়েছেন। মোট ৭৩৫ কেন্দ্রের মধ্যে ৭৩৩টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। বাকি দুটি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ স্থগিত করায় ফলাফল ঘোষণা করা হয়নি। নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৪ লাখ ৩৫ হাজার ৪৯০টি। বাতিল হয়েছে ১ হাজার ৫৩টি। মেয়র পদ থাকা অন্য প্রার্থীদের মধ্যে মোমবাতি প্রতীক নিয়ে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এমএ মতিন পেয়েছেন ২ হাজার ১২৬ ভোট, আম প্রতীক নিয়ে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) আবুল মনজুর পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৫৩ ভোট, হাতপাখা প্রতীক নিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. জান্নাতুল ইসলাম পেয়েছেন ৪ হাজার ৯৮০ভোট, চেয়ার প্রতীক নিয়ে ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ পেয়েছেন ১ হাজার ১০৯ ভোট ও হাতি প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র হিসেবে খোকন চৌধুরী পেয়েছেন ৮৮৫ ভোট। এবারের নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ছিল ১৯ লাখ ৩৮ হাজার ৭০৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৯ লাখ ৪৬ হাজার ৬৭৩ জন এবং নারী ৯ লাখ ৯২ হাজার ৩৩ জন। ভোট গ্রহণকালে মাঠে ছিলেন ২০ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং ৬৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। ১৮ হাজার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যও ছিলেন চসিক নির্বাচনে। এরমধ্যে ৭ হাজার ৭৭২ জন্য পুলিশ সদস্য, ২৫ প্লাটুন বিজিবি র্যােবের ৪১টি টিম, পুলিশের রিজার্ভ টিম ও ৩ হাজার ৮০০ আনসার সদস্য। নির্বাচনে ৭৩৫টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৪১৬টি কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ ও ৩১৯টি কেন্দ্রকে সাধারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছিল নির্বাচন কমিশন। গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ১৮ জন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এবং সাধারণ কেন্দ্রগুলোতে ১৬ জন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ছিলেন। এবারের নির্বাচনে ২টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে নির্বাচন হয়নি। এরমধ্যে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী তারেক সোলেমান সেলিমের মৃত্যুতে ওই ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে নির্বাচন স্থগিত করে নতুন তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। এ ওয়ার্ডে ভোট হবে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি। এ ছাড়া ১৮ নম্বর পূর্ব বাকলিয়া ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো. হারুনুর রশিদ। এর আগে ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল চসিক নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আ জ ম নাছির উদ্দীন পেয়েছিলেন ৪ লাখ ৭৫ হাজার ৩৬১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাবেক মেয়র এম মনজুর পান ৩ লাখ ৪৮ হাজার ৩৭ ভোট। চসিকের পঞ্চম নির্বাচিত পরিষদের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের মেয়াদ গত ৫ আগস্ট শেষ হলেও বৈশ্বিক মহামারি করোনা, বর্ষায় চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা, পাহাড়ধসের আশঙ্কায় নির্দিষ্ট সময়ে নির্বাচন না হওয়ায় খোরশেদ আলম সুজনকে ৬ মাসের জন্য চসিকের প্রশাসককে হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। গত ৬ আগস্ট চসিক প্রশাসকের চেয়ারে বসেন তিনি।
চসিক নির্বাচন: আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী রেজাউল এগিয়ে
২৭,জানুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে ফলাফল ঘোষণা শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মেয়র পদে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরী এগিয়ে রয়েছে। বুধবার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নগরের জিমনেসিয়াম হলে ফলাফল ঘোষণা শুরু হয়। ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান। এখন পর্যন্ত ৫৫ টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং অফিসার। মেয়র পদে ৭ প্রার্থীর মধ্যে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের এম রেজাউল করিম চৌধুরী পেয়েছেন ১৭ হাজার ৮৯৫ ভোট, ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বিএনপির ডা. শাহাদাত হোসেন পেয়েছেন ২ হাজার ৫৫৭ ভোট, মোমবাতি প্রতীক নিয়ে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এমএ মতিন পেয়েছেন ৭১ ভোট, আম প্রতীক নিয়ে ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) আবুল মনজুর পেয়েছেন ২৮০ ভোট, হাতপাখা প্রতীক নিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. জান্নাতুল ইসলাম পেয়েছেন ২৪৪ ভোট , চেয়ার প্রতীক নিয়ে ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ পেয়েছেন ৩৩ভোটও হাতি প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র হিসেবে খোকন চৌধুরী পেয়েছেন ৫২ ভোট।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর