মঙ্গলবার, মে ১৮, ২০২১
বিভাগীয় কমিশনার বরাবরে বাকাসস চট্টগ্রাম নেতৃবৃন্দের স্মারকলিপি প্রদান
২৪নভেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মাঠ প্রশাসনের তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীদের পদবী ও গ্রেড পরিবর্তনসহ বিভিন্ন দাবীতে বাংলাদেশ কালেক্টরেট সহকারী সমিতির (বাকাসস) কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষিত সারাদেশে ১৫ দিন ব্যাপী পূর্ণ দিবস কর্মবিরতি কর্মসুচী চলমান রয়েছে। এরই অংশ হিসেবে বাংলাদেশ কালেক্টরেট সহকারী সমিতি (বাকাসস) চট্টগ্রাম জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ দ্বিতীয় সপ্তাহের তৃতীয় দিন ২৪ নভেম্বর মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত পূর্ণ দিবস কর্মবিরতি পালন করেছে। কর্মবিরতি চলাকালে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার জনাব এ বি এম আজাদ এনডিসির হাতে স্মারকলিপি প্রদান করেন বাংলাদেশ কালেক্টরেট সহকারী সমিতি (বাকাসস) চট্টগ্রাম জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ।টানা কর্মবিরতির ফলে আবারও অচল হয়ে পড়ে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। কর্মবিরতি চলাকালে জেলা প্রশাসনের সকল শাখা কর্মচারী শূন্য হয়ে পড়ায় সেবা পেতে আসা লোকজনকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে। কর্মচারীদের টানা কর্মবিরতি কারণে এডিএম কোর্ট, রাজস্ব কোর্ট ও রেকর্ড রুমসহ জেলা প্রশাসনের সব শাখার কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। স্থবির হয়ে সকল ধরণের কার্যক্রম। জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয় কর্তৃক বারবার আশ্বাস প্রদান করার পরও দাবী বাস্তবায়ন না হওয়ায় গত ১৫ নভেম্বর থেকে টানা ১৫ দিনের পূর্ণদিবস কর্মবিরতির কর্মসূচী দিতে বাধ্য হয়েছেন বাকাসস। এ উপলক্ষে এক সভা সংগঠনের সহ-সভাপতি স্বপন কুমার দাশের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এসএম আরিফ হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন বাকাসস চট্টগ্রাম আন্দোলন বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক উদয়ন কুমার বড়ুয়া, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন ও নুরুল মুহাম্মদ কাদের, বাকাসস চট্টগ্রাম জেলা কমিটির প্রদীপ কুমার চৌধুরী, ফজলে আকবর চৌধুরী, মোঃ আলাউদ্দিন, আলী আজম খান, আবদুল মান্নান, সোয়েব মোহাম্মদ দুলু, সায়েদুল ইসলাম, রিয়াজ উদ্দীন আহম্মদ, পুতুল দত্ত, মাহবুবুর রহমান, অরুন মল্লিক, বিশ্বজিত দাশ, মোঃ নুরুচ্ছফা, কানু বিকাশ নন্দী, সাদেক উল্লাহ, সৈয়দ মোহাম্মদ এরশাদ আলম, আবদুল মোবিন, ইখতিয়ার উদ্দিন, বিজয় বড়ুয়া, দেবাশীষ রুদ্র, সাইফুর রহমান, শাপলা দাশগুপ্ত, সারাহ্ হোসেন, মোঃ শাহেদ, মিজানুর রহমান চৌধুরী, পরাগ মনি, আবদুল অদুদ, নাজিম উদ্দিন, মোহাম্মদ আলী, শাহনাজ সুলতানা, সাঈদুল ইসলাম, মোজাফফর হোসেন, শফিউল আলম, নাজিম উদ্দিন চৌধুরী, কাজলী দেবী, আনোয়ার হোসেন, সাদিয়া নুর, লিটন বিশ্বাস, প্রমূখ। বক্তারা বলেন, কালেক্টরেট সহকারীরা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দেয়ার পরও অদ্যাবধি কালেক্টরেটে কর্মরত সহকারীদের পদবী ও গ্রেড পরিবর্তনসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হয়নি। সচিবালয়ের একজন কর্মচারী ১৬ গ্রেডে চাকরিতে যোগদান করে ৫ বছর পর ১০ গ্রেডে পদোন্নতি পেয়ে যান। আর সচিবালয়, হাইকোর্ট, সংসদ, নির্বাচন কমিশন, পিএসসি ও মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত বিভাগসমূহে ১৬তম গ্রেডে যোগদান করে অনেকে সহকারী সচিব হয়ে চাকরি থেকে অবসর নিচ্ছেন। শুধুমাত্র বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে কর্মরত তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীরা চাকরিতে জীবন শেষেও কোনো পদোন্নতি না পেয়ে একই পদে থেকেই অবসরে যাচ্ছেন। দাবী-দাওয়া মেনে নেয়ার পরপরই কর্মচারীরা আন্দোলন থেকে ফিরে গিয়ে কাজে যোদ দেবেন। বক্তারা ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ, এসডিজি বাস্তবায়ন ও রূপকল্প-২০২১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মাঠ প্রশাসনে কর্মরত বিভাগীয় কমিশনার অফিস, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনে কর্মরত সহকারীদের মনোবল সতেজ রেখে কাজের গতিশীলতা অব্যাহত রাখতে তাদের পদোন্নতিসহ পদবী পরিবর্তন করে সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা করার জন্য জোর দাবী জানান।
পাওনা টাকার পরিবর্তে- তক্ষক, ঢাকায় যাওয়ার পথে ধরা
২৪নভেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কর্ণফুলী থানাধীন এলাকা থেকে বিরল প্রজাতির 'তক্ষক'সহ মো. মনিরুল হক (৬৫) নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। মনিরুল হক 'তক্ষক'সহ বান্দরবান থেকে ঢাকায় যাচ্ছিলেন। মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) ভোরে তাকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তি বর্তমানে কর্ণফুলী থানা পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। আটক মো. মনিরুল হক ঢাকার কেরানীগঞ্জ থানাধীন বটতলী এলাকার সিরাজুল হকের ছেলে। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (কর্ণফুলী জোন) মো. ইয়াসির আরাফাত বলেন, তক্ষকসহ একজনকে আটক করা হয়েছে। তিনি কর্ণফুলী থানা পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল মাহমুদ বলেন, ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তক্ষক সদৃশ প্রাণিসহ মো. মনিরুল হককে আটক করা হয়। আটক মনিরুল হক জানিয়েছেন- তিনি বান্দরবানে একজনের কাছ থেকে টাকা পেতেন। ওই ব্যক্তি তাকে টাকার পরিবর্তে তক্ষক দিয়েছেন। ওসি দুলাল মাহমুদ বলেন, মনিরুল হক বান্দরবান থেকে তক্ষকটি নিয়ে ঢাকায় যাচ্ছিলেন। প্রাণিটি বনবিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হবে। মনিরুল হকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
করোনা: চট্টগ্রামে আক্রান্ত ছাড়ালো ২৪ হাজার, নতুন শনাক্ত ১৮৩
২৪নভেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ১ হাজার ৩৩৫টি নমুনা পরীক্ষা করে নতুন শনাক্ত হয়েছেন ১৮৩ জন। এ নিয়ে চট্টগ্রামে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৪ হাজার ৫৩ জন। এই দিন চট্টগ্রামে করোনায় মৃত্যু হয়েছে দুইজনের। সোমবার (২৩ নভেম্বর) রাতে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এই দিন কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাব ও চট্টগ্রামের ৭টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা হয়। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবে ১০৫টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসে (বিআইটিআইডি) ৫৭৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। শনাক্ত হয় ১৮জন। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ৪৯২টি নমুনা পরীক্ষা করে ৮০ জনের করোনা পজেটিভ পাওয়া গেছে। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ৫২টি নমুনা পরীক্ষা হয়। এতে পজেটিভ আসে ১১ জনের। তা ছাড়া ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ৭৯টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৩ জন, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ২০টি নমুনা পরীক্ষা করে ৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। তবে এই দিন শেভরণ ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে নমুনা পরীক্ষা করা হয়নি। অন্যদিকে জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল ল্যাবরেটরিতে (আরটিআরএল) ৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হলে সব নমুনাতেই পজেটিভ ফলাফল আসে। আবার, কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের ৯টি নমুনা পরীক্ষা করলেও করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব মেলেনি। চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টার নমুনা পরীক্ষায় ১৮৩জন নতুন শনাক্ত হয়েছেন। এই দিন নমুনা পরীক্ষা করা হয় ১ হাজার ৩৩৫টি। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে নগরে ১৫৫ জন এবং উপজেলায় ২৮ জন।
গ্রাহকের টাকা নিয়ে ছিনিমিনি খেলা বন্ধ করুন: রেজাউল করিম চৌধুরী
২৩নভেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চসিক নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, আবাসিক গ্যাস সংযোগ ও বর্ধিত চুলার জন্য ২৫ হাজার গ্রাহকের কাছ থেকে টাকা জমা নিয়ে ৬ বছর ধরে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। কোনো ধরনের সংযোগ দেওয়া হচ্ছে না। তিনি বলেছেন, কি কারণে এই সংযোগ দেয়া হচ্ছে না তার কোনো স্পষ্ট বক্তব্য নেই কর্তৃপক্ষের। ২৫ হাজার গ্রাহকের টাকা নিয়ে ছিনিমিনি খেলা বন্ধ করতে হবে। গ্রাহক হয়রানি করে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার পায়তারা সহ্য করা হবে না। সোমবার (২৩ নভেম্বর) ষোলশহর কেজিডিসিএল অফিস চত্বরে কেজিডিসিএল ঠিকাদার গ্রাহক ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে করোনা সচেতনতায় গণসংযোগ ও মাস্ক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন। রেজাউল বলেন, এক-একটি বাসা বাড়িতে, আবাসিক ভবনে, কল কারখানায় গ্যাস সংযোগ নেয়া বেশ ব্যয়বহুল। অনেক টাকা সরকারি খাতে জমা দিয়ে তারপর তারা এই সংযোগ পেয়েছে। করোনার এই সময়ে বকেয়ার কারণে গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন না করে সেইসব গ্রাহক থেকে কিস্তিতে গ্যাস বিল আদায় করতে হবে। তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসের কোনো প্রতিষেধক এখনো আবিষ্কৃত হয়নি। নিজের সচেতনতা, মাস্ক ব্যবহার, সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখা ও স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে অনুসরণের ফলেই করোনা ভাইরাস থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব। অলিউল্লাহ হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কেজিডিসিএল ঠিকাদার-গ্রাহক ঐক্য পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি আলী নাওয়াজ। বক্তব্য দেন হানিফ হাওলাদার, প্রশান্ত বড়ুয়া, আব্দুল মালেক শেখ, ফরমান উল্লাহ অপু, আমজাদ হাসান রবিন, রোকসেদ চৌধুরী, শওকত হাওলাদার, বেলাল হোসেন, আওরঙ্গজেব বাবুল, কেজিডিসিএল সিবিএ সভাপতি মাকসুদুল রহমান হাসনু, সাধারণ সম্পাদক মো. আসলাম, কেজিডিসিএর কর্মচারী ইউনিয়ন শ্রমিক লীগ সভাপতি জাবের আল খতিব, সাধারণ সম্পাদক মো. মহিউদ্দিন।
সংক্রমণ বাড়ছে চট্টগ্রামে, একদিনেই শনাক্ত ২৪২ জন
২৩নভেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। প্রায় প্রতিদিন শতাধিক আক্রান্ত হলেও সর্বশেষ গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৪২ জন। এ পর্যন্ত চট্টগ্রামে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৩ হাজার ৮৭০ জন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সংক্রমণের মাত্রা বাড়ছে। স্বাস্থ্যবিধি না মানা এবং মাস্ক পরিধান না করলে এই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে না। রোববার (২২ নভেম্বর) রাতে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাব ও চট্টগ্রামের ৮টি ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ২৭০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ল্যাবে ১৪৮টি, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) ল্যাবে ২৭৭টি, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ৩৫৬টি এবং চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ৪২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে চবি ল্যাবে ৫৮ জন, বিআইটিআইডিতে ১৪ জন, চমেক ল্যাবে ৫৯ জন এবং সিভাসু ল্যাবে ৯ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এছাড়া বেসরকারি ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ১৩৭টি নমুনা পরীক্ষা করে ৪৬ জন, শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে ২৭৩টি নমুনা পরীক্ষা করে ৫০ জন এবং চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ৩১টি নমুনা পরীক্ষা করে ৬ জন করোনা আক্রান্ত রোগী পাওয়া গেছে। এইদিন জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল ল্যাবরেটরিতে (আরটিআরএল) কোনো নমুনা পরীক্ষা করা হয়নি। অন্যদিকে, কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের ৬টি নমুনা পরীক্ষা করে কারো শরীরে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব মিলেনি। চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টার নমুনা পরীক্ষায় ১৭৮ জন নতুন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে নগরে ১৪৪ জন এবং উপজেলায় ৩৪ জন।
চট্টগ্রামের নব নির্বাচিত ৬ ইউপি চেয়ারম্যানের শপথ গ্রহণ
২২নভেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামের লোহাগাড়া, ফটিকছড়ি ও সন্দ্বীপ উপজেলার নব নির্বাচিত ৬ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগণ শপথ গ্রহণ করেছে। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের আয়োজনে রবিবার (২২ নভেম্বর) বিকাল ৪টায় কনফারেন্স রুমে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে লোহাগাড়া উপজেলাধীন লোহাগাড়া, আধুনগর, আমিরাবাদ, ফটিকছড়ি উপজেলাধীন সুয়াবিল, নানুপুর এবং সন্দ্বীপ উপজেলাধীন হারামিয়ার নব নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যানদের শপথ বাক্য পাঠ করান জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াছ হোসেন। এসময় চট্টগ্রাম ১৫ আসনের সংসদ সদস্য আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন নদভীসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে শপথ বাক্য পাঠ করেন চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার আধুনগর ইউপির নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন, লোহাগাড়া ইউপির মো. নুরুছাফা, আমিরাবাদ ইউপির এস এম ইউসুফ, ফটিকছড়ি উপজেলার নানুপুর ইউপির মো. শফিউল আজম, সুয়াবিলি ইউপির জয়নাল আবেদীন এবং সন্দ্বীপের হারামিয়া ইউপির মো. জসিম উদ্দিন।
চট্টগ্রামে ট্রলারে মিলল ১ লাখ ৪৮ হাজার ইয়াবা, আটক ১
২২নভেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও থানার পুরাতন কালুরঘাট এলাকায় রবিবার একটি মাছ ধরার ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে ১ লাখ ৪৮ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় সোহেল উদ্দিন নামে এক পাচারকারীকে আটক করা হয়। তিনি জেলার সাতকানিয়া উপজেলার বাসিন্দা বলে জানা গেছে। চান্দগাঁও থানার ওসি আতাউর রহমান খন্দকার বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কর্ণফুলী নদীর পুরাতন কালুরঘাট এলাকা থেকে একটি মাছ ধরার ট্রলার আটক করে পুলিশ। পরে তল্লাশি চালিয়ে ওই ট্রলার থেকে এক লাখ ৪৮ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। ইয়াবার চালান খালাস করার দায়িত্বে থাকা একজনকে আটক করা হয়েছে। তিনি বলেন, আটক সোহেলকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আমরা এই বিপুল ইয়াবার গন্তব্য ও মূলহোতা কারা তা জানার চেষ্টা করছি। এছাড়া ওই চক্রের পলাতক অন্য সদস্যদেরও আটকে অভিযান চলছে।
চট্টগ্রামে করোনা ভাইরাসে নতুন আক্রান্ত ৬৪ জন
২২নভেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামে করোনা ভাইরাসে নতুন আক্রান্ত হয়েছেন ৬৪ জন। এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্ত ২৩ হাজার ৬২৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় কারো মৃত্যু হয়নি। শনিবার (২১ নভেম্বর) রাতে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাব ও চট্টগ্রামের ৪টি ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৯৩০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) ল্যাবে ৪৩৯টি, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ৩৭১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে বিআইটিআইডি ল্যাবে ১ জন এবং চমেক ল্যাবে ৫০ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এইদিন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ল্যাব, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাব, বেসরকারি ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাব এবং শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে নমুনা পরীক্ষা হয়নি। চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ল্যাবে ২০টি নমুনা পরীক্ষা করে ১০ জন এবং জেনারেল হাসপাতালের রিজিওনাল টিবি রেফারেল ল্যাবরেটরিতে (আরটিআরএল) ৫টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩টি নমুনা পজেটিভ আসে। অন্যদিকে, কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে চট্টগ্রামের ৯৫টি নমুনা পরীক্ষা করে কারো শরীরে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব মিলেনি। চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টার নমুনা পরীক্ষায় ৬৪ জন নতুন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে নগরে ৫৭ জন এবং উপজেলায় ৭ জন।
চট্টগ্রামে স্বাস্থ্য বিভাগের অভিযান,নগরীতে একটি বেসরকারি হাসপাতালকে লাখ টাকা জরিমানা
২১নভেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রোগী ভর্তি নিয়ে গলাকাটা বিল আদায়, রোগীদের সাথে দুর্ব্যবহার, প্রতিশ্রুতি সেবা না দেয়া, মূল্য তালিকার সাথে চূড়ান্ত বিলের অসামঞ্জস্যতা, চিকিৎসার নামে রোগীদের ভোগান্তি, হাসপাতালে আইসিইউ ও ব্লাড ব্যাংক না থাকায় চট্টগ্রাম নগরীর চকবাজার সংলগ্ন বেসরকারী পিপলস হাসপাতালকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। শনিবার (২১ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টায় এ অভিযান শুরু হয়। চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির ও চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বির উপস্থিতিতে অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আলী হাসান। মেট্টোপলিটন পুলিশ অভিযানে সহযোগিতা করেন। অভিযান শেষে চট্টগ্রাম বিভাগীয পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির বলেন, বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে বেসরকারী পিপলস হাসপাতালে অভিযান পরিচালনা করা হয়। গত ১৭ নভেম্বর এক গর্ভবর্তী মহিলা পিপলস হাসপাতালে ভর্তি ছিল। তারা তাদের প্রতিশ্রুতি সেবা না দিয়ে তাকে অন্য হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয় এবং তার বিল করে ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। এ অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা অভিযান পরিচালনা করি। অভিযানে এসে দেখা গেছে, তারা মূল্য তালিকার সাথে সামঞ্জস্যতা না রেখে রোগীদের বিল করছে। এমনকি এটি একটি হাসপাতাল হওয়ার সত্ত্বেও তাদের কাছে কোনো আইসিইউ ও ব্লাড ব্যাংক নেই। তাই মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে এ হাসপাতালকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সর্বশেষ সংবাদ