নিখোঁজ সাংবাদিককে উদ্ধারে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছে: সিএমপি কমিশনার
০১নভেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নিখোঁজ সাংবাদিক গোলাম সরওয়ারকে উদ্ধারের দাবিতে সিএমপি কমিশনার কার্যালয়ের সামনে রোববার (১ নভেম্বর) সকাল ১১টায় অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিইউজে)। কর্মসূচি শেষে নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দানকালে পুলিশ কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীর বলেন, সাংবাদিক গোলাম সরোয়ারকে উদ্ধারে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সকল প্রকার কৌশল অবলম্বন করছে। শিগগির সফলতা আসতে পারে। এর আগে অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তারা নিখোঁজ সাংবাদিককে দ্রুত উদ্ধার করতে ব্যর্থ হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। এছাড়া রোববার রাতের মধ্যে তাকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হলে সোমবার (২ নভেম্বর) বেলা ১২টায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইজিপি বরাবরে স্মারকলিপি প্রদানের ঘোষণা দেন সাংবাদিক নেতারা। সিইউজে সভাপতি মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সবুর শুভর সঞ্চালনায় অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তারা আরও বলেন, সিইউজে সদস্য গোলাম সরওয়ার নিখোঁজ হওয়ার চারদিন অতিবাহিত হলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখনো পর্যন্ত তাকে উদ্ধার করতে পারেনি। এমনকি তার অবস্থান পর্যন্ত সনাক্ত করতে পারেনি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। বক্তারা বলেন, একজন গণমাধ্যমকর্মী দিনে-দুপুরে নিখোঁজ হয়ে গেল, আর চারদিনেও খোঁজ মিললো না, তা কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। একজন গণমাধ্যমকর্মীর নিখোঁজের ঘটনা একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের জন্য অশনি সংকেত। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে চ্যালেঞ্জ করার ইংগিত। তারা বলেন, কোনো মহল এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়ে সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলতে চায় কিনা তাও ভেবে দেখতে হবে। এ ঘটনা পুরো সাংবাদিক সমাজের জন্য অশনি সংকেত। সিইউজে সভাপতি মোহাম্মদ আলী বলেন, বর্তমান সরকার সাংবাদিকবান্ধব সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাংবাদিকদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। পুলিশের উচিত তাকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রকৃত ঘটনা উন্মোচন করা। যতক্ষণ পর্যন্ত নিখোঁজ সাংবাদিককে উদ্ধার করা না হবে ততদিন রাজপথ ছাড়বে না সাংবাদিক সমাজ। সিইউজে সাধারণ সম্পাদক ম. শামসুল ইসলাম বলেন, চারদিন অতিবাহিত হওয়ার পরও আজকের সূর্যোদয় চট্টগ্রাম ব্যুরো অফিসের স্টাফ রিপোর্টার গোলাম সরওয়ারকে পুলিশ উদ্ধার করতে না পারায় আমরা উদ্বিগ্ন। যত দ্রুত সম্ভব তাকে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দিতে পারলেই স্বস্তি। তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরো তৎপর হয়ে দ্রুততম সময়ে তাকে উদ্ধার করার দাবি জানান। অবস্থান কর্মসূচি শেষে সাংবাদিকরা সিএমপি কমিশনার কার্যালয়ের সম্মুখে যান। সেখানে সিএমপি কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীর উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাকে উদ্ধারে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। তাকে উদ্ধার করে আপনাদের মাঝে ফিরিয়ে দিতে সকল প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন বিএফইউজের সাবেক সহ-সভাপতি মোস্তাক আহমদ, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, সিইউজের সিনিয়র সহ-সভাপতি রতন কান্তি দেবাশীষ, সহ-সভাপতি অনিন্দ্য টিটো, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম ইফতেখারুল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য মুহাম্মদ মহরম হোছাইন, প্রতিনিধি ইউনিট প্রধান সাইদুল ইসলাম, টিভি ইউনিট প্রধান মাসুদুল হক, আজকের সূর্যোদয়ের সহকারি সম্পাদক জোবায়ের সিদ্দিকী প্রমুখ।
ফেন্সিডিল পাচারের সময় দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
০১নভেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সীমান্তবর্তী ফেনী জেলা থেকে চট্টগ্রামে পাচারের সময় সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারী থেকে ১৫০ পিস ফেন্সিডিলসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে Rapid Action Battalion (Rab)। রোববার (১ নভেম্বর) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- উসমান গনি (২২) ও মনসুর আলী (২৫)। তারা দুজনই চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার বাসিন্দা। বিষয়টি নিশ্চিত করেন Rab-7 এর এএসপি মাহমুদুল হাসান মামুন। তিনি বলেন, ফেনী থেকে চট্টগ্রামে মাদক পাচারের তথ্য পেয়ে সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে এবং ১৫০ পিস ফেন্সিডিলসহ দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরবর্তীতে সীতাকুণ্ড থানায় দুজনের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা করা হয়েছে। গ্রেফতার দুজনই পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী বলে জানিয়েছেন এএসপি মাহমুদুল হাসান মামুন।
গোলাম সরোয়ার নিখোঁজ: পুলিশের নির্বাক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন সাংবাদিকদের
০১নভেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিএমপি কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের অবস্থান কর্মসূচিতে পুলিশের ভূমিকায় প্রশ্ন তুলেছেন চট্টগ্রামের সাংবাদিকরা। পুলিশকে নির্বাক ভূমিকা থেকে সরে সবাক হবার আহ্বান নিখোঁজ সাংবাদিক গোলাম সরোয়ারের সহকর্মীদের। তবে বরাবরের মতোই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি অল্প সময়ের মধ্যেই তাকে অক্ষতাবস্থায় উদ্ধার করা হবে; তোতাপাখি বুলির মত এসব বলেই যাচ্ছেন পুলিশ কর্মকর্তারা। প্রকাশিত সংবাদের জেরেই সাংবাদিক গোলাম সরোয়ারকে অপহরণ করা হয়েছে বলে তার পরিবার ও সহকর্মীরা সন্দেহ করছেন। আর সন্দেহের তীর যাদের দিকে তারাও রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী। তাই বলেই কি পুলিশের এই গাছাড়া ভাব? এমন প্রশ্ন চট্টগ্রামের সাংবাদিকদের মাঝে। কোতোয়ালি থানার ওসি সাংবাদিকদের আশ্বাস দিয়েও গত চার দিনে নিখোঁজ এ সাংবাদিককে উদ্ধারে ব্যর্থ হয়েছেন। তাই বাধ্য হয়ে সাংবাদিকরা সিএমপি কমিশনারের সামনে অবস্থান নিয়ে গোলাম সরোয়ারকে উদ্ধারের দাবিসহ জানিয়েছেন আল্টিমেটাম। এরআগে বিষয়টি জানানো হয়েছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেও। আজ রোববার সকাল ১১টায় সিইউজের সভাপতি মোহাম্মদ আলী পুলিশকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আমরা প্রশাসনের উপর আস্থা রাখতে চাই, আমরা জনগণের বন্ধু পুলিশের উপর আস্থা রাখতে চাই। আমরা কাউকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চাই না। কিন্তু দুঃখের বিষয়, গোলাম সরোয়ার নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে আমরা প্রশাসন ও পুলিশের কোনো আন্তরিক ভূমিকা দেখিনি। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যদি আমাদের ভাই সাংবাদিক গোলাম সরোয়ারকে ফিরে না পাই তাহলে আমরা মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইজিপি বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করবো। তিনি আরও বলেন, পুলিশ প্রশাসনের এ নির্বাক অবস্থান থেকে সরে আন্তরিক অবস্থান নিক। আজকের এ অবস্থান কর্মসূচিতে আমরা আমাদের ভাই সাংবাদিক গোলাম সরোয়ারকে অক্ষতভাবে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজন হলে আরো কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করবো। আগামীকাল (সোমবার) বেলা ১২টার মধ্যে আমরা যদি তাকে ফিরে না পাই তাহলে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইজিপি বরাবরে স্মারকলিপি প্রদান করবো। এরপরেও যদি খুঁজে না পাই তাহলে আমরা আরো কঠোর অবস্থান গ্রহণ করবো। আমরা আমাদের ভাইকে ফিরে না পাওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়বো না। এ কর্মসূচিতে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ বলেন, আমাদের আজকের এ অবস্থান কোনো রাষ্ট্র সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নয়। আমরা এখানে দাঁড়িয়েছি আমাদের ভাই সাংবাদিক গোলাম সরোয়ারকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধারের প্রচেষ্টায় পুলিশকে আরো তৎপর হতে। আমরা কারো ভূমিকা বা কারো অবদানকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চাই না। আমরা শুধু আমাদের ভাই, আমাদের সহকর্মীকে সুস্থভাবে ফিরে পেতে চাই। এ অবস্থান কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে বক্তব্য রাখেন সিইউজের সাধারণ সম্পাদক ম. শামসুল ইসলাম, গোলাম সরোয়ারের সহকর্মী জুবায়ের সিদ্দিকী, প্রচার সম্পাদক ইফতেখার উল ইসলাম, ফটো ইউনিটের প্রধান সোহেল সরওয়ার, টিভি ইউনিটের প্রধান মাসুদ উল হক প্রমুখ। এ অবস্থান কর্মসূচি শেষে উপস্থিত সাংবাদিকরা চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীরের সাথে সাক্ষাৎ করেন। এসময় তিনি বলেন, আমরা সার্বিকভাবে চেষ্টা করছি সাংবাদিক গোলাম সরোয়ারকে অক্ষত অবস্থায় খুঁজে বের করতে। তদন্তের স্বার্থে তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা ও প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে আপতত কিছু জানাতে চাই না। তবে আমরা আশাবাদী, আমরা খুব অল্প সময়ের মধ্যে সফল হবো।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সবার সহযোগিতা চান সিএমপি কমিশনার
৩১অক্টোবর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কিশোর গ্যাং কেন্দ্রিক অপরাধ দমনসহ সব ধরনের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে সবার সহযোগিতা চাইলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমশিনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীর। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ১১টায় নগরের দামপাড়া পুলিশ লাইন্সের মাল্টিপারপাস শেডে কমিউনিটি পুলিশিং ডে উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ সহযোগিতা চান। সালেহ মোহাম্মদ তানভীর বলেন, কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে অন্য সবার মতো বাবা মাকে এগিয়ে আসতে হবে। সন্তান কোথায় যাচ্ছে, কার সাথে মেলামেশা করছে সেসবের খোঁজখবর রাখতে হবে। সর্বোপরি সন্তানদের বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে। ১৬ থানার কমিউনিটি পুলিশদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে কমিশনার আরও বলেন, কমিউনিটি পুলিশিং বিষয়ে জনসমর্থন পেতে হলে কমিউনিটি পুলিশিং পুরোপুরিভাবে কার্যকর করতে হবে। সাধারণ মানুষ যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেদিকটাও নজরে রাখতে হবে। শীতে করোনা ভাইরাস বাড়তে পারে উল্লেখ করে সিএমপি কমিশনার বলেন, আশা করি পূর্বের মতো ভবিষ্যতেও করোনা নিয়ন্ত্রণে কমিউনিটি পুলিশ এগিয়ে আসবে এবং কাজ করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বক্তব্যের শেষে মাদক, জঙ্গিবাদ ও যৌন হয়রানি নির্মুলের বিষয়ে কমিউনিটি পুলিশ সদস্যদের শপথ পাঠ করান সিএমপি কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীর। এর আগে বিগত ১ বছরের সফলতার জন্য ১৬ থানার কমিউনিটি পুলিশ সদস্যদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। তারও আগে সিএমপির পক্ষ থেকে সিএমপি কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীরকে কমিউনিটি পুলিশং ডে এর সম্মাননা স্মারক তুলে দেয়া হয়। চট্টগ্রাম মহানগর কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সভাপতি ও দৈনিক আজাদী সম্পাদক এমএ মালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) এসএম মোস্তাক আহমদ খান, অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) শ্যামল কুমার নাথ, উপ-কমিশনার (সদর) আমির জাফর, উপ-কমিশনার (উত্তর) বিজয় বসাক, চট্টগ্রাম মহানগর কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক অহিদ সিরাজ চৌধুরী স্বপন।
মুরাদপুরে আগুনে পুড়লো অ্যালুমিনিয়াম কারখানা
৩১অক্টোবর,শনিবার,চট্টগ্রাম প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর পাঁচলাইশ থানার মুরাদপুর অ্যালুমিনিয়াম গলিতে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে লাগা আগুনে পুড়েছে ৩টি দোকান। শনিবার (৩১ অক্টোবর) আনুমানিক ভোর ৪টায় এ আগুনের সূত্রপাত ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিসের উপ সহকারী পরিচালক আলী আকবর। তিনি বলেন, একটি ছোট অ্যালুমিনিয়াম ফ্যাক্টরিতে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে ভোর আনুমানিক ৪টায় এ আগুনের সূত্রপাত ঘটে। এতে ২টি ফার্নিচারের দোকানসহ একটি অ্যালুমিনিয়াম কারখানা পুড়ে যায়। দমকল বাহিনী ভোর আনুমানিক ৫টা বাজে আগুন নির্বাপণ করেন। এ দুর্ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত সাপেক্ষে রিপোর্টের পর জানা যাবে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের উপ সহকারী পরিচালক আলী আকবর।
চট্টগ্রামে জশনে জুলুসে মানুষের ঢল
৩০অক্টোবর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (স.) এর জন্মদিবস উদযাপন উপলক্ষে চট্টগ্রামে ঐতিহ্যবাহী জশনে জুলুসে মানুষের ঢল নেমেছে। পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবীর (সা.) এই শোভাযাত্রায় করোনার ভয়কে উপেক্ষা করে নানা শ্রেণি পেশা ও বয়সের মানুষ অংশ নেন। সবার মুখে মুখে হামদ, নাত, দরূদ আর শ্লোগান। কারো হাতে লাল সবুজের পতাকা। তবে এবারের জুুুলুসটা যখন উদযাপিত হচ্ছে তখন কিন্তু রাসূল প্রেমীদের আন্দোলনে উত্তাল পুরো মুসলিম বিশ্ব। তার উপস্থিতি ছিল চট্টগ্রামের মিলাদুন্নবীর (সা.) এ শোভাযাত্রায়ও। কারো হাতে ফ্রান্সের পণ্য বয়কটের আহ্বান সম্বলিত প্ল্যাকার্ড, রাসুল (সা.) এর ব্যঙ্গ চিত্র প্রকাশের প্রতিবাদি শ্লোগান। আনজুমান-এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এ জশনে জুলুস (Railly) বের করা হয়। এটি বিবিরহাট থেকে মুরাদপুর হয়ে ২নং গেইট মোড় প্রদক্ষিণ করে পুনরায় মুরাদপুর মোড় হয়ে জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া কামিল মাদ্রাসার মাঠ প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। এবারের ৪৮তম পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপনে লাখো ধর্মপ্রাণ মুসলমানের সমাগমে মুখরিত হয়ে উঠে জুলুস প্রাঙ্গণ। পরে জামেয়ার মাঠে মাহফিল অুনষ্ঠিত হয়। মাহফিলে দেশবরেণ্য আলেম-ওলামাগণ বক্তব্য রাখেন। জুলুস ময়দানে পবিত্র জুমার নামাজ আদায় শেষে দেশ জাতি ও মুসলিম উম্মার শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে মোনাজাত করা হয়। শুরুতে করোনা মহামারির কারণে কর্মসূচি বাদ দেয়া হলেও প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে সীমিত আকারে ঐতিহাসিক জুলুস অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তবে জুলুস শুরু হতেই তাতে মানুষের ঢল নামে। করোনার ভয়কে উপেক্ষা করে নবী প্রেমিক মানুষ রাস্তায় নেমে আসে। মহানগরী ও জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন জুলুসে অংশ নেন। জুলুসে নেতৃত্ব দেন আনজুমানের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মহসিন, সেক্রেটারি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, গাউসিয়া কমিটির চেয়ারম্যান পেয়ার মোহাম্মদ, জামেয়ার অধ্যক্ষ মুফতি অছিউর রহমান আলকাদেরী প্রমুখ। বৈশ্বিক মহামারী করোনা ও শুক্রবার জুমার নামাজের কারণে এবার জুলুসের রোডম্যাপ সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। ১৯৭৪ সাল থেকে প্রতিবছর ১২ রবিউল আউয়াল আনজুমানে রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনায় এ জুলুস হয়ে আসছে। ওই বছর নগরীর বলুয়ার দীঘি খানকাহ থেকে আল্লামা তৈয়্যব শাহ (রহ.) এ জুলুসের সূচনা করেন। আয়োজকরা জানান, স্বাস্থ্যবিধি ও জুলুসের শৃঙ্খলা এবং মাহফিলের আদব রক্ষায় আনজুমান সিকিউরিটি ফোর্সের পাশাপাশি কয়েক হাজার স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করেছেন। মুখে মাস্ক না থাকলে জুলুস বা মিলাদে অংশ নিতে দেওয়া হচ্ছে না। বিনামূল্যে বিতরণ করা হচ্ছে কয়েক লাখ মাস্ক। মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন আঞ্জুমান এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নীয়া ট্রাস্টের সিনিয়র সহ-সভাপতি মুহাম্মদ মহসিন। এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য মোসলেম উদ্দিন আহমদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, আঞ্জুমান এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নীয়া ট্রাস্টের সেক্রেটারী জেনারেল মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের সভাপতি পেয়ার মুহাম্মদ কমিশনার, জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মুফতি সৈয়্যদ অছিয়র রহমান আল কাদেরীসহ আঞ্জুমান এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নীয়া ট্রাস্ট ও গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দগণ। আলোচনা সভায় বক্তারা হযরত মুহাম্মদ(সঃ) এর জীবনাদর্শ, ঈদে মিলাদুন্নবীর গুরুত্ব ও তাৎপর্য, মহামারী করোনাতে গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের ভূমিকাসহ নানান বিষয়ে আলোকপাত করেন। পরে জুমার নামাজ শেষে আখেরি মুনাজাতের মাধ্যমে আয়োজনের পরিসমাপ্তি ঘটে।
সিডিএর সাবেক চেয়ারম্যান আবদুচ ছালামের মা আর নেই
৩০অক্টোবর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগর আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুচ ছালামের মা মাবিয়া খাতুন (৯০) আর নেই। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেল তিনটার দিকে বেসরকারি ইমপেরিয়াল হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি...রাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি ৬ ছেলে, ৪ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও স্বজন রেখে গেছেন। রাত ৯টায় নগরের মধ্যম মোহরার বায়তুল ইকরাম মসজিদে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে। সূত্র জানায়, আবদুচ ছালামের একান্নবতী পরিবারে সম্প্রতি বেশ কয়েকজনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হলে মাবিয়া খাতুনকেও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বাংলানিউজকে জানান, ওই পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্যের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। তবে মাবিয়া খাতুন করোনায় মারা গেছেন কিনা সে ব্যাপারে আমরা খোঁজ নিচ্ছি। মাবিয়া খাতুনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন।
সাংবাদিক গোলাম সরওয়ার নিখোঁজ
২৯অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাংবাদিক গোলাম সরওয়ার নগরীর নিজ বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। সকাল ৯টায় ব্যাটারি গলির বাসা থেকে বেরুবার পর থেকে তার ফোন বন্ধ। দিনভর অফিসেও যায়নি। গোলাম সরওয়ারের এখনো সন্ধান মেলেনি। তিনি সিটি নিউজের সম্পাদক ও প্রকাশ, আজকের সূর্যোদয়ের স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য, চন্দনাইশ মিডিয়া ক্লাব চট্টগ্রাম এর অর্থ সম্পাদক। এ ব্যাপারে সাংবাদিক গোলাম সরওয়ারের সন্ধান চেয়ে কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (জিডি নং- ২২৩৩ তাং ২৯/১০/২০২০) করেছেন আজকের সূর্যোদয়ের সহকারী সম্পাদক জুবায়ের সিদ্দিকী। জিডিতে উল্লেখ করা হয়, সাংবাদিক গোলাম সরওয়ার (৩৫) আজ ২৯ অক্টোবর সকাল ৯টার দিকে নিজ বাসা থেকে কাউকে কিছু না বলে বের হয়ে যাওয়ার পর অদ্যাবধি নিখোঁজ রয়েছে। পরে আত্মীয় স্বজন সাংবাদিক নেতারা সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজাখুঁজি করে তাঁর সন্ধান পায়নি। তার মোবাইল নম্বর: ০১৮১৮-৪৭১৫৬৮। সরোয়ারের স্ত্রী ও সন্তানরা কাঁদছে। সাংবাদিকেরাও উদ্বিগ্ন। কোথায় কিভাবে আছে কেউ বলতে পারছে না। সাংবাদিক গোলাম সরওয়ারের সন্ধান পেলে ০১৭৭৭৭৭৮১৩৬ ও ০১৮১৯৮০১৯৮৫ নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা।
চট্টগ্রামে এবার লাখো মানুষের সমাগম হচ্ছে না : কাল পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.)
২৯অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,সাহেনা আক্তার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: ৩০ অক্টোবর পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী। ১২ রবিউল আউয়াল নশ্বর পৃথিবীতে রহমতের ফুলগুধারা ও মুক্তির দূত হয়ে আসা হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্মদিবস। দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনোপলক্ষ্যে প্রতিবছর আন্জুমান-এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাষ্টের পক্ষথেকে চট্টগ্রামে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যদিয়ে ধর্মপ্রাণ-মুসলিম উম্মাহ ও নবীপ্রেমী মানুষ নগরীতে জশনে জুলুসের মাধ্যমে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী পালন করে আসলেও এবার সীমিত আকারে এই জুলুস পালিত হবে। আজ শুক্রবার সকাল ৮টায় ষোলশহর আলমগীর খানকায়ে কাদেরীয়া সৈয়্যদিয়া তৈয়্যবিয়া জশনে জুলুস বের হবে। করোনার কারণে প্রশাসনের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে জশনে জুলুস উদযাপনের এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। জুলুসটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পূনরায় জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে ফিরে আসবে। সেখানে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) এর তাৎপর্য ও শিক্ষা বিষয়ক আলোচনা সভায় ওলামায়ে কেরাম ও ইসলামী চিন্তাবীদগণ বক্তব্য পেশ করবেন। এছাড়া যথাসময়ে সেখানে জুমার নামাজ, মিলাদ-কিয়াম এবং বাংলাদেশসহ মুসলিম বিশ্বের সুস্থ্যতা ও শান্তি কামনায় মুনাজাত করা হবে। সীমিত আকারে জুলুস বের করার বিষয়টি নিশ্চিত করে গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের যুগ্ন মহাসচিব অ্যাডভোকেট মোসাহেব উদ্দিন বখতেয়ার গণমাধ্যমকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)র বিশেষ শাখা থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে জুলুস আয়োজনের অনুমতি দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে বলেন, মাস্ক না পড়লে কাউকে জুলুসে অংশ নিতে কিংবা আলমগীর খানকাহ, জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসা মাঠ এলাকায় ঢুকতে দেয়া হবে না। এছাড়া মাদ্রাসা মাঠ, খানকাহ এবং আশপাশের সব সড়কে জীবানুনাশক পানি ছিটানো হবে। তিনি বলেন, যেহেতু সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে জুলুস করার অনুমতি পাওয়া গেছে তাই অন্যান্যবারের মতো এবার লাখো লোকের সমাগম হবে না। যারা জুলুসে আসবেন তাদের বিতরণের জন্য আমরা ভক্ত আশেকদের বেশী-বেশী মাক্স, হ্যান্ড স্যানিটাইজার আনার জন্য অনুরোধ জানিয়েছি। আন্জুমানে ও গাউসিয়া কমিটিসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগেও মাক্স বিতরণের ব্যবস্থা থাকবে। উল্লেখ্য পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের এই দিনেই হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্মদিবস। আবার পবিত্র এ দিনেই আমাদের সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ (দ.)-এর পবিত্র ওফাত দিবস। ৬৩ বছর বয়সের এই দিনেই তিনি ইন্তেকাল করেন। চৌদ্দ শত বছর পূর্বে ৫শ ৭০ খৃষ্টাব্দের এ দিনে সুব্হে সাদেকের সময় মক্কা নগরীর সম্ভ্রান্ত কুরাইশ বংশে মা আমেনার কোলে আসেন আমাদের প্রাণ প্রিয় নবী (দ.) এই ধরাকে আলোকিত করে। তিঁনি বিশ্বমানবতার মুক্তির দিশারী নবী কুলের শিরোমণি সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ (স:)। তিনি ছিলেন সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ মহাপুরুষ। তিনি মুসলিম উম্মাহ তথা সমগ্র বিশ্বের মানব জাতির কল্যাণ ও রহমত স্বরূপ। যার গুন ও মহিমা গাঁথা এ বিশ্বের শেষ দিন পর্যন্ত লক্ষ কোটি অযুত-নিযুত প্রাণে প্রতিটি মূহূর্তে প্রতিধ্বনি হয়ে ফিরবে। জশনে জুলুছে ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী ২০২০ হবে প্রাচীন ধারাবাহিকতায় ৪৭ তম মিলাদুন্নবী। তবে প্রতিবছর মহান ও মহামান্বিত এই দিনটিতে নবীপ্রেমী লাখো-লাখো জনতা ঈমানী উদ্দীপনায় জেগে ওঠে নারায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবার, নারায়ে রেসালাত ইয়া রাসুল্লাহ, নারায়ে গাউসিয়া ইয়া গাউসুল আযম দস্তগীর (রাহ.) শাহেন শাহ সিরিকোট শ্লোগানে মুখরিত ধ্বণির মাধ্যমে আওলাদে রাসুলকে সামনে রেখে প্রিয় নবী (দ.)র প্রতি তাজিম ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলীয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই জশনে জুলুছে ঈদে মিলাদুন্নবীতে চট্টগ্রামের প্রতিটি প্রান্ত থেকে দলে-দলে ক্লান্তিহীন পাঁয়ে হেঁটে এবং যানবাহনের মাধ্যমে উৎসব মূখর আনন্দঘন পরিবেশে হামদ্, নাত, দুরুদ শরীফ, ধর্মীয় গান পরিবেশনের মধ্য দিয়ে মাইলের পর মাইল পথ পাড়ি দিয়ে লাখো মুসলিম জনতা আওলাদে রাসুল সৈয়দ মুহাম্মদ তাহের শাহর (মু.জি.আ.) নেতৃত্বে নবীর প্রতি মহব্বত-শ্রদ্ধা নিবেদন ও তাজিমের উদ্দেশ্যে ছুটে আসে। হাতে থাকে বর্ণাঢ্য ফেস্টুন ও প্লাকার্ড। আলোক সজ্জায় সজ্জিত হয়ে উঠবে চারপাশ। বর্ণনাতীত এমন মুসলিম জনসমুদ্র দেখে মনে হবে যেন আসমান হতে জমিনে ফেরেস্তারাই নেমে এসেছে পবিত্র মিলাদুন্নবীর প্রিয় নবী-শ্রেষ্ঠ নবীর জন্নদিন আনন্দে শরীক হতে। কিন্তু করোনার কারণে এবার লাখো মানুষের সমাগম হচ্ছে না পবিত্র এই ঈদে মিলাদুন্নবীর জশনে জুলুসে।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর