মঙ্গলবার, মে ১৮, ২০২১
সাংবাদিক গোলাম সরওয়ার নিখোঁজ
২৯অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাংবাদিক গোলাম সরওয়ার নগরীর নিজ বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। সকাল ৯টায় ব্যাটারি গলির বাসা থেকে বেরুবার পর থেকে তার ফোন বন্ধ। দিনভর অফিসেও যায়নি। গোলাম সরওয়ারের এখনো সন্ধান মেলেনি। তিনি সিটি নিউজের সম্পাদক ও প্রকাশ, আজকের সূর্যোদয়ের স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য, চন্দনাইশ মিডিয়া ক্লাব চট্টগ্রাম এর অর্থ সম্পাদক। এ ব্যাপারে সাংবাদিক গোলাম সরওয়ারের সন্ধান চেয়ে কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (জিডি নং- ২২৩৩ তাং ২৯/১০/২০২০) করেছেন আজকের সূর্যোদয়ের সহকারী সম্পাদক জুবায়ের সিদ্দিকী। জিডিতে উল্লেখ করা হয়, সাংবাদিক গোলাম সরওয়ার (৩৫) আজ ২৯ অক্টোবর সকাল ৯টার দিকে নিজ বাসা থেকে কাউকে কিছু না বলে বের হয়ে যাওয়ার পর অদ্যাবধি নিখোঁজ রয়েছে। পরে আত্মীয় স্বজন সাংবাদিক নেতারা সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজাখুঁজি করে তাঁর সন্ধান পায়নি। তার মোবাইল নম্বর: ০১৮১৮-৪৭১৫৬৮। সরোয়ারের স্ত্রী ও সন্তানরা কাঁদছে। সাংবাদিকেরাও উদ্বিগ্ন। কোথায় কিভাবে আছে কেউ বলতে পারছে না। সাংবাদিক গোলাম সরওয়ারের সন্ধান পেলে ০১৭৭৭৭৭৮১৩৬ ও ০১৮১৯৮০১৯৮৫ নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা।
চট্টগ্রামে এবার লাখো মানুষের সমাগম হচ্ছে না : কাল পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.)
২৯অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,সাহেনা আক্তার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: ৩০ অক্টোবর পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী। ১২ রবিউল আউয়াল নশ্বর পৃথিবীতে রহমতের ফুলগুধারা ও মুক্তির দূত হয়ে আসা হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্মদিবস। দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনোপলক্ষ্যে প্রতিবছর আন্জুমান-এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাষ্টের পক্ষথেকে চট্টগ্রামে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যদিয়ে ধর্মপ্রাণ-মুসলিম উম্মাহ ও নবীপ্রেমী মানুষ নগরীতে জশনে জুলুসের মাধ্যমে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী পালন করে আসলেও এবার সীমিত আকারে এই জুলুস পালিত হবে। আজ শুক্রবার সকাল ৮টায় ষোলশহর আলমগীর খানকায়ে কাদেরীয়া সৈয়্যদিয়া তৈয়্যবিয়া জশনে জুলুস বের হবে। করোনার কারণে প্রশাসনের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে জশনে জুলুস উদযাপনের এই সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। জুলুসটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পূনরায় জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে ফিরে আসবে। সেখানে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) এর তাৎপর্য ও শিক্ষা বিষয়ক আলোচনা সভায় ওলামায়ে কেরাম ও ইসলামী চিন্তাবীদগণ বক্তব্য পেশ করবেন। এছাড়া যথাসময়ে সেখানে জুমার নামাজ, মিলাদ-কিয়াম এবং বাংলাদেশসহ মুসলিম বিশ্বের সুস্থ্যতা ও শান্তি কামনায় মুনাজাত করা হবে। সীমিত আকারে জুলুস বের করার বিষয়টি নিশ্চিত করে গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের যুগ্ন মহাসচিব অ্যাডভোকেট মোসাহেব উদ্দিন বখতেয়ার গণমাধ্যমকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)র বিশেষ শাখা থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে জুলুস আয়োজনের অনুমতি দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে বলেন, মাস্ক না পড়লে কাউকে জুলুসে অংশ নিতে কিংবা আলমগীর খানকাহ, জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসা মাঠ এলাকায় ঢুকতে দেয়া হবে না। এছাড়া মাদ্রাসা মাঠ, খানকাহ এবং আশপাশের সব সড়কে জীবানুনাশক পানি ছিটানো হবে। তিনি বলেন, যেহেতু সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে জুলুস করার অনুমতি পাওয়া গেছে তাই অন্যান্যবারের মতো এবার লাখো লোকের সমাগম হবে না। যারা জুলুসে আসবেন তাদের বিতরণের জন্য আমরা ভক্ত আশেকদের বেশী-বেশী মাক্স, হ্যান্ড স্যানিটাইজার আনার জন্য অনুরোধ জানিয়েছি। আন্জুমানে ও গাউসিয়া কমিটিসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগেও মাক্স বিতরণের ব্যবস্থা থাকবে। উল্লেখ্য পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের এই দিনেই হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু তাআলা আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্মদিবস। আবার পবিত্র এ দিনেই আমাদের সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ (দ.)-এর পবিত্র ওফাত দিবস। ৬৩ বছর বয়সের এই দিনেই তিনি ইন্তেকাল করেন। চৌদ্দ শত বছর পূর্বে ৫শ ৭০ খৃষ্টাব্দের এ দিনে সুব্হে সাদেকের সময় মক্কা নগরীর সম্ভ্রান্ত কুরাইশ বংশে মা আমেনার কোলে আসেন আমাদের প্রাণ প্রিয় নবী (দ.) এই ধরাকে আলোকিত করে। তিঁনি বিশ্বমানবতার মুক্তির দিশারী নবী কুলের শিরোমণি সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ (স:)। তিনি ছিলেন সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ মহাপুরুষ। তিনি মুসলিম উম্মাহ তথা সমগ্র বিশ্বের মানব জাতির কল্যাণ ও রহমত স্বরূপ। যার গুন ও মহিমা গাঁথা এ বিশ্বের শেষ দিন পর্যন্ত লক্ষ কোটি অযুত-নিযুত প্রাণে প্রতিটি মূহূর্তে প্রতিধ্বনি হয়ে ফিরবে। জশনে জুলুছে ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী ২০২০ হবে প্রাচীন ধারাবাহিকতায় ৪৭ তম মিলাদুন্নবী। তবে প্রতিবছর মহান ও মহামান্বিত এই দিনটিতে নবীপ্রেমী লাখো-লাখো জনতা ঈমানী উদ্দীপনায় জেগে ওঠে নারায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবার, নারায়ে রেসালাত ইয়া রাসুল্লাহ, নারায়ে গাউসিয়া ইয়া গাউসুল আযম দস্তগীর (রাহ.) শাহেন শাহ সিরিকোট শ্লোগানে মুখরিত ধ্বণির মাধ্যমে আওলাদে রাসুলকে সামনে রেখে প্রিয় নবী (দ.)র প্রতি তাজিম ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলীয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই জশনে জুলুছে ঈদে মিলাদুন্নবীতে চট্টগ্রামের প্রতিটি প্রান্ত থেকে দলে-দলে ক্লান্তিহীন পাঁয়ে হেঁটে এবং যানবাহনের মাধ্যমে উৎসব মূখর আনন্দঘন পরিবেশে হামদ্, নাত, দুরুদ শরীফ, ধর্মীয় গান পরিবেশনের মধ্য দিয়ে মাইলের পর মাইল পথ পাড়ি দিয়ে লাখো মুসলিম জনতা আওলাদে রাসুল সৈয়দ মুহাম্মদ তাহের শাহর (মু.জি.আ.) নেতৃত্বে নবীর প্রতি মহব্বত-শ্রদ্ধা নিবেদন ও তাজিমের উদ্দেশ্যে ছুটে আসে। হাতে থাকে বর্ণাঢ্য ফেস্টুন ও প্লাকার্ড। আলোক সজ্জায় সজ্জিত হয়ে উঠবে চারপাশ। বর্ণনাতীত এমন মুসলিম জনসমুদ্র দেখে মনে হবে যেন আসমান হতে জমিনে ফেরেস্তারাই নেমে এসেছে পবিত্র মিলাদুন্নবীর প্রিয় নবী-শ্রেষ্ঠ নবীর জন্নদিন আনন্দে শরীক হতে। কিন্তু করোনার কারণে এবার লাখো মানুষের সমাগম হচ্ছে না পবিত্র এই ঈদে মিলাদুন্নবীর জশনে জুলুসে।
পটিয়া বাইপাসে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় প্রবাসীর মৃত্যু
২৯অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,পটিয়া প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: পটিয়া বাইপাস সড়কে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় জাকারিয়া (৩২) নামে ওমান প্রবাসী এক যুবক নিহত হয়েছেন। নিহত মোহাম্মদ জাকারিয়া লোহাগড়া উপজেলার বড়হাতিয়া এলাকার ইসমাইল হোসেনের ছেলে বলে জানা গেছে । বৃহস্পতিবার তার ওমানে চলে যাওয়ার টিকেট কনফার্ম ছিল। পটিয়া হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ সিরাজুল ইসলাম নিউজ একাত্তরকে বলেছেন, বুধবার দুপুর সাড়ে তিনটার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার আরকান মহাসড়কের পটিয়া বাইপাস সড়কে কক্সবাজার হতে ছেড়ে আসা হানিফ পরিবহনের একটি বাসের সাথে বিপরীত দিক চটগ্রাম থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলর মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা দ্রুত আহত অবস্থায় তাকে পটিয়া হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন, পটিয়া হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক পূর্ণা তালুকদার। তিনি জানান, দুপুর তিনটা ৪৫ মিনিটে জাকারিয়া নামের একজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসেন। আমরা দেখার পর তাকে মৃত ঘোষণা করি। এদিতে দুর্ঘটনায় নিহতের মোটরসাইকেল ও বাসটিকে জব্দ করেছে হাইওয়ে পুলিশ। তবে বাসটির চালক হেলপার পালিয়ে গেছে।
আনোয়ারায় ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ১
২৯অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,আনোয়ারা প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আনোয়ারার পিএবি সড়কে সিএনজি অটোরিকশার সঙ্গে ট্রাকের সংঘর্ষে একজন নিহত ও একজন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোর সাড়ে পাঁচটায় উপজেলার কালাবিবির মোড়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মো. হানিফ (৬৬) অটোরিকশার চালক। আহত অটোরিকশার যাত্রীর পরিচয় জানা যায়নি। আনোয়ারা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মো. কামরুজ্জামান জানান, সিএনজি অটোরিকশাটি বাঁশখালী থেকে আনোয়ারা আসার পথে ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। ঘটনাস্থলে অটোরিকশার চালক মারা যান। আহত মাছ ব্যবসায়ীকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। তবে চালক পলাতক রয়েছে বলে জানান মো. কামরুজ্জামান।
নগরী পরিচ্ছন্নতায় যুক্ত হলো স্যুইপিং ট্রাক
২৮,অক্টোবর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে (চসিক) পরিচ্ছন্নতা কাজে প্রায় ৩ হাজার সেবক প্রতিদিন কাজ করে। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে পরিচ্ছন্নতা কাজ আরও ত্বরান্বিত করতে পুরানো পদ্ধতিতে বর্জ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের সাথে যুক্ত হল আধুনিক স্যুইপিং ট্রাক। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় চসিককে ৩টি আধুনিক ভ্যাকুয়াম টাইপ রোড সুইপার ট্রাক উপহার দিয়েছেন। ২০ জন পরিচ্ছন্ন কর্মী এক সাথে যে কাজ করতে পারবে, তার চেয়েও বেশি পরিচ্ছন্নতা কাজ করার সক্ষমতা রাখে এক একটি ট্রাক। বুধবার (২৮ অক্টোবর) আধুনিক স্যুইপিং ট্রাকের কার্যক্রম উদ্বোধনকালে চসিক প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে ট্রাকগুলো চালানোর জন্য চালকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। এছাড়া ট্রাকগুলো মেরামত কাজের জন্য একজন ফোরম্যান ও একজন মেকানিককে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। আশাকরি প্রশিক্ষণ প্রাপ্তরা সঠিকভাবে তাদের দায়িত্ব পালনে সক্ষম হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্টগ্রাম নগরীকে সুন্দর ও পরিবেশবান্ধব বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে যে আন্তরিক, এই আধুনিক স্যুইপিং ট্রাক প্রদানের মাধ্যমে তা আবারো প্রমাণিত হলো। প্রশাসক প্রধানমন্ত্রী ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর প্রতি এ জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রশাসকের একান্ত সচিব মুহাম্মদ আবুল হাশেম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুদীপ বসাক, নির্বাহী প্রকৌশলী জয়সেন বড়ুয়া, মির্জা ফজলুল কাদের, অতিরিক্ত প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম চৌধুরীসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
চসিক নির্বাচন : সক্রিয় আওয়ামী লীগ, নিস্ক্রিয় বিএনপি
২৭,অক্টোবর,মঙ্গলবার,মো.এনামুল হক লিটন,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগের মনোনীত মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা মাঠ পর্যায়ে অনেকটা সক্রিয় হয়ে উঠলেও বিএনপির প্রার্থীদের কোনো তোড়জোড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। করোনাকালিন সময়ে আওয়ামী লীগের মনোনীত মেয়র প্রার্থীর পাশাপাশি কাউন্সিলর প্রার্থীরা নিজ-নিজ এলাকায় উপহার সামগ্রী (ত্রাণ) বিতরণে ব্যস্ত ছিলেন। পাশাপাশি আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরাও প্রতিযোগীতা মূলকভাবে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রেখেছিলেন। পিছিয়ে ছিলেন না সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থীরাও। ওইসময়ে বিএনপির প্রাথীরা ত্রানকার্যে অংশগ্রহণ করলেও সুযোগটিকে কাজে লাগিয়ে তারা সরকারের সমালোচনায় বেশী ব্যস্ত ছিলেন। কিন্তু চট্টগ্রামে লকডাউন তুলে ফেলা হলে, কিছুদিন প্রার্থীরা বিশ্রামে থেকে কর্মিদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চললেও এখন অনেকটা সক্রিয়ভাবে আওয়ামী লীগের মনোনীত মেয়র প্রার্থী, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা এম রেজাউল করিম চৌধুরী ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা মাঠে চষে বেড়াচ্ছেন। বিশেষ করে শারদীয় দূর্গোৎসবে প্রতিটি পূজা মন্ডপে গিয়ে মেয়র প্রার্থী ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা তাদের মন জয় করার চেষ্টায় ব্যস্ত ছিলেন। তবে মন্ডপগুলোতে দলীয় মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থীর পাশাপাশি সাবেক এবং মনোনয়ন না পাওয়া কাউন্সিলরদের উপস্থিতি বেশী লক্ষ্য করা গেছে। শুধু তাই নয়, মনোনয়ন না পাওয়া এবং সাবেক কাউন্সিলররা সরাসরি দলীয় মনোনীত মেয়র প্রার্থী এম রেজাউল করিম চেীধুরীর পক্ষে প্রচারণা চালাতেও দেখা গেছে। গত শনিবার চসিক ২নং জালালাবাদ ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও আসন্ন চসিক নির্বাচনে আবারো কাউন্সিলর প্রার্থী আলহাজ শাহেদ ইকবাল বাবু ওয়ার্ডের পূজামন্ডপ পরিদর্শনে গিয়ে সেখানে বস্ত্র বিতরণ করে। ওই সময়ে তিনি আধুনিক, সুন্দর, সমৃদ্ধশালী ও সন্ত্রাসমুক্ত নগরী গড়তে মেয়র প্রার্থী এম রেজাউল করিম চৌধুরীকে জয়যুক্ত করার আহবান জানান। এ প্রসঙ্গে সাবেক কাউন্সিলর আলহাজ শাহেদ ইকবাল বাবু বলেন, এম রেজাউল করিম চৌধুরী একজন সৎ, যোগ্য ও পরীক্ষিত লোক তিনি মেয়র নির্বাচিত হলে, চট্টগ্রামের ব্যাপক উন্নয়ণ সাধিত হবে। অপরদিকে বিভিন্ন সভা-সমাবেশে মেয়র প্রার্থী এম রেজাউল করিম চৌধুরীর ব্যাপক উপস্থিতি এবং তাঁর ঝাঁঝালো বক্তব্যগুলো ভোটারদের মন কাড়ছে। বিশেষ করে তিনি মেয়র নির্বাচিত হলে, নগরবাসীর উপর হোল্ডিং ট্যাক্সের বোঝা চাপিয়ে দেবেন না এমন প্রতিশ্রতি নগরবাসীকে আকৃষ্ট করেছে বেশী। এক প্রশ্নের জবাবে মেয়র প্রার্থী এম রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, দৃশ্যমান তৎপরতা নয়, আমি অবশ্যই কাজ করবো এবং একটি আধুনিক, সুন্দর, সন্ত্রাসমুক্ত, সমৃদ্ধশালী ও স্বপ্নের চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে কাজ করে যাবো। সবমলিয়ে নির্বাচনের জন্য আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা পুরোপুরি প্রস্তুত এমন অবস্থা পরিলক্ষিত হলেও ভোটারদের মাঝে এ নিয়ে কোনো তোড়জোড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। অপরদিকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)র মনোনীত মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাৎ হোসেন দলীয় বিভিন্ন কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করলেও নির্বাচনী প্রচারণা থেকে অনেকটা বিরত রয়েছেন। এ প্রসঙ্গে জানতে, বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা. শাহাদাৎ হোসেনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সম্ভব হয়নি। নগর বিএনপির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মো. আবু মুছা এ প্রতিবেদক এনামুল হক লিটনকে বলেন, মহামারি করোনা ভাইরাস চলাকালিন সময় থেকে আজ পর্যন্ত বিএনপির মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের পক্ষ থেকে জনগণের মাঝে যেভাবে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ ও সহযোগিতার মাধ্যমে জনগণের পাশে বিএনপি দাড়িঁয়েছে ঠিক এখন পর্যন্ত বিএনপির মেয়র ও কাউন্সিল প্রার্থীরা সামাজিক বিভিন্ন অনুষ্ঠান এবং বিভিন্ন দুর্যোগ মুহুর্ত সময়ে জনগণের পাশে রয়েছে। আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে তিনি সন্দিহান প্রকাশ করে সরকার এবারও আরেকটি প্রহসনের নির্বাচনে মেতে উঠেছে এ কারণেই বিএনপি নির্বাচন নিয়ে তোড়জোড় করছেনা বলে মন্তব্য করেন। এদিকে নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী, বিদ্রোহী প্রার্থী এবং এবার মনোনয়ন না পাওয়া সাবেক কাউন্সিলর যারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন তারা ভোটারদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নিয়ে চলতি বছরের ১ জুন ইসি সচিবালয়ের সভাকক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদার সভাপতিত্বে কমিশনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই বৈঠকে ২৯ মার্চের চসিকের সাধারণ নির্বাচনসহ যশোর-৬ ও বগুড়া-১ আসনের উপ নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী প্রদত্ত নব্বই দিন সময় পার হয়ে গেছে। গত ফেব্রয়ারিতে ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী গত ২৯ মার্চ চট্টগ্রাম সিটি কর্পেরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। নির্বাচনের একেবারের কাছাকাছি সময়ে করোনা পরিস্থিতির ভয়াবহতার কারনে নির্বাচন কমিশন চসিক নির্বাচন স্থগিত করেন। পরবর্তীতে চসিকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পান আওয়ামী লীগ নেতা খোরশেদ আলম সুজন। তিনি ১৮০দিন দায়িত্ব পালন করবেন। তবে কবে নাগাদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এনিয়ে এখনও কোনো আভাস পাওয়া না গেলেও আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের কঠোর অবস্থানের কারণে হতাশ হচ্চেন না প্রার্থীরা। মনোনয়ন বঞ্চিত অনেক সাবেক কাউন্সিলররা মনে করেন এবারের নির্বাচন সুষ্ঠ হবে এবং সুষ্ঠ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে, তাঁরা আবারো নির্বাচিত হবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
কাস্টমসে ই-পেমেন্ট, ই-অকশন জালিয়াতি বন্ধের প্রক্রিয়া: মাসুদ সাদিক
২৭,অক্টোবর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ই-পেমেন্ট, ই-অকশন জালিয়াতি বন্ধের প্রক্রিয়া মন্তব্য করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (মূসক নীতি) মো. মাসুদ সাদিক বলেছেন, অতীতে দেখেছি ট্রেজারি চালান জাল করে পণ্য খালাস করা হয়েছে। সরকারি কাজ প্রদানে ই-টেন্ডার পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। কাস্টম হাউসের অকশনটা নিয়মিত বিষয়, তাই ডিজিটালাইজেশন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের ই-পেমেন্ট সম্পর্কিত সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ ও ই-অকশন কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে ই-অকশন শুরু হয়েছে। এর আগে বেনাপোল কাস্টম হাউসে এটা শুরু হয়েছে। অটোমেটিক চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কোড (৩০১) চলে আসবে চালানের নাম্বারের সঙ্গে। অনেক সময় সার্ভার গ্যাপ থাকতে পারে, ইন্টারনেট স্পিড কম থাকতে পারে। কাজ করতে গেলে প্রথমে কিছু সীমাবদ্ধতা থাকবে। সেগুলো অতিক্রম করে আমাদের সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নামে ভুয়া ওয়েবসাইট খুলে জালিয়াতির চেষ্টা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জালিয়াত চক্র যারা, তারা অতীতে ছিল, বর্তমানে আছে হয়তো ভবিষ্যতেও থাকবে। জালিয়াতির উদ্দেশ্যে তারা নিত্যনতুন টেকনিক অবলম্বন করে। অভিনব পদ্ধতিতে ওয়েবসাইট খুলে জাল সিপি ইস্যু করেছে। দক্ষ কর্মকর্তারা তা উদঘাটন করতে পেরেছেন। চালানটি ছাড় করার আগে আটক করা গেছে। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে ১৯৯৪ সাল থেকে অ্যাসাইকুডা সিস্টেম চালু হয়েছে। ধাপে ধাপে অ্যাসাইকুডা প্লাস প্লাস, অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ডে এখন আমরা কাজ করছি। যে সক্ষমতা বিবেচনা করে ২০১৩ সালে সার্ভার কেনা হয়েছে। এখন ২০২০ সাল। আরও আগে আমাদের হার্ডওয়্যার পরিবর্তন করা দরকার ছিল। ইতিমধ্যে টেন্ডার হয়ে গেছে। শিগগির নতুন সার্ভার, অন্যান্য হার্ডওয়্যার পেয়ে যাব। অনেক সময় সাবমেরিন ক্যাবল কাটা পাড়ে। ভেন্ডারের মাধ্যমে কানেকশন আসে। নানা কারণে ইন্টারনেটে বিলম্ব হয়। ট্রেনের টিকিট করতে গেলে অনেক সময় সার্ভারে বিলম্ব হয়। কিন্তু ট্রেন লাখো যাত্রী পরিবহন করে। দেখা যায় দিনে ১০ মিনিট বন্ধ থাকে, সেটিই নিউজ হয়ে যায়। কাস্টম হাউসের বার্ষিক রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৫০ হাজার কোটি টাকা। আদায় হয়েছে ৩৬ হাজার কোটি টাকা। সার্ভার যদি কাজ না করতো রাজস্ব আদায় হতো না। সমস্যা ওভারকাম করে এগিয়ে যেতে হবে। আমরা স্টেক হোল্ডারদের সহযোগিতা পাচ্ছি। কাস্টম হাউসের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের যে লক্ষ্যমাত্রা ছিল সেখান থেকে আমরা পিছিয়ে আছি। কারণ করোনা শুধু বাংলাদেশের সমস্যা নয়, এটি বৈশ্বিক মহামারী। আমদানি রাজস্ব আদায় নিয়ে কাস্টম হাউসের লক্ষ্যমাত্রা। যে ব্যবসায়ীরা আমদানি করেন তারা যে পরিমাণ পণ্যের এলসি খুললে লক্ষ্যমাত্রা আদায় হতো সেখান থেকে আমরা পিছিয়ে আছি। দেশে চাহিদা থাকলে তার ভিত্তিতে এলসি খোলা হয় আমদানির জন্য। মার্কেট বন্ধ ছিল, ভোক্তারাও নিতান্ত প্রয়োজন ছাড়া পণ্য কেনেননি। ব্যবসা-বাণিজ্যের গতি স্লো হয়ে গিয়েছিল। এখন পুরো বাংলাদেশ অর্থনৈতিক গতি ফেরত পাচ্ছে। আমরা আশাবাদী সামনে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের দিকে এগিয়ে যাব। ব্যবসায়ীদের অসন্তোষ প্রসঙ্গে বলেন, কাস্টমস তো ব্যবসাবান্ধবই তো। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কাস্টমসের যে নিবিড় সম্পর্ক সরকারের অন্য কোনো বিভাগের সঙ্গে আছে কিনা আমার সন্দেহ। ধরেন, একজন সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট সারা দিনে ২০টি বিল অব এন্ট্রির মধ্যে ১টিতে সমস্যা হলে সেটি বলে বেড়ান। বাকি ১৯টির কথা বলা মানুষের স্বভাবের অংশ নয়। কিছু বিলম্ব, কিছু বিড়ম্বনা সিস্টেমের কারণে থাকে। অটোমেশন যে পর্যায়ে যাওয়ার কথা ছিল যায়নি। সব মডিউল চালু হলে কাজ দ্রুত হতো। আমাদের বিল অব এন্ট্রি প্রতিনিয়ত বাড়ছে। আমি যখন কমিশনার ছিলাম ২০১২-১৫ পর্যন্ত। তখন প্রতিদিন ৪ হাজার বিল অব এন্ট্রি হতো। এখন ৭ হাজার অতিক্রম করে গেছে। কিন্তু আমাদের অফিসারদের বসার জায়গা, ট্রেনিং, হার্ডওয়্যার সেভাবে বাড়েনি। কাজের দক্ষতা বাড়ায় অনিষ্পন্ন থাকছে না। এটা আরও ইমপ্রুভ করার সুযোগ আছে। সে লক্ষ্যে আমাদের ডিজিলাইটেশন। জনবল বাড়ানোর চেয়ে অটোমেশনে জোর দিচ্ছি। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের অতিরিক্ত কমিশনার ড. আবু নূর রাশেদ আহমেদ, যুগ্ম কমিশনার মো. তাফছির উদ্দিন ভূঞা, মুহাম্মদ মাহবুব হাসান, মোহাম্মদ তোফায়েল আহমেদ, মোহাম্মদ বাপ্পী শাহরিয়ারসহ কাস্টম হাউসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি একেএম আকতার হোসেন, বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক আবদুল্লাহ জহির, বিজিএমইএর পরিচালক অঞ্জন শেখর দাশ, বাংলাদেশ ফ্রেইট ফরওয়ার্ডার্স অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক খায়রুল আলম সুজন, বিকেএমইএর শওকত ওসমানসহ বিভিন্ন স্টেকহোল্ডার ও বাণিজ্য সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
আকরশাহ এলাকায় গৃহবধূর আত্মহত্যা
২৭,অক্টোবর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর আকরশাহ থানার বেলতলি ঘোনা এলাকায় এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, হীরা আক্তার (২৫) নামে ওই গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছে। আকবরশাহ থানার পরিদর্শক (ওসি) জহির হোসেন জানান, সোমবার (২৬ অক্টোবর) প্রতিবেশী একজন মহিলার সাথে গার্মেন্টস কর্মী হীরা আক্তারের ঝগড়া হয়। ওই সময় হীরার স্বামী মোরশেদ বাসায় ছিল না। শ্বশুর বিষয়টি মীমাংসা করে দেন। এরপর পরই রুমে ঢুকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে। ওসি বলেন, খবর পেয়ে বেলা চারটা দিকে হীরার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে সিআইডির ক্রাইমসিন টিমের সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। হীরার মৃত্যুর বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখবো।
বোয়ালখালীতে অর্ধকোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে প্রয়াত সাংসদ বাদলের সমাধি
২৬,অক্টোবর,সোমবার,মো.এনামুল হক লিটন,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: দক্ষিণ চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে অর্ধকোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে চট্টগ্রাম-৮ সংসদীয় আসনের প্রয়াত সাংসদ মঈন উদ্দিন খান বাদলের সমাধী। উপজেলার ৫নং ইউনিয়নের সরোয়াতলীর নিজ গ্রামে ৫ কাঠা জমির উপর নির্মিত সমাধীর কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হতে চলেছে। গতকাল সরেজমিনে প্রয়াত সাংসদের গ্রামের বাড়ী সরোয়াতলীতে গিয়ে দেখা যায়, ৫ কাঠা জমির একপাশে কবরের চারপাশে এবং উপরে স্মৃতিসৌধের আদলে সমাধীর নির্মাণ কাজ অব্যাহত রয়েছে। জানতে চাওয়া হলে, সাংসদ বাদলের সহধর্মিনী সেলিনা খান বাদল সত্যের স্ফুরণে একজনের মহত্তকে সম্মান না জানালে সশ্রদ্ধ কৃতজ্ঞতা না জানালে আমার বিবেক আমাকে নীরবে দংশন করবে। তাই সাংসদ বাদলের স্মৃতি রক্ষায় আমি এসব উদ্যোগ নিয়েছি উল্লেখ করে বলেন, সমাধীর জন্য ব্যয় হচ্ছে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা। এছাড়া পাশে থাকবে একটি লাইব্রেরী ও পাঠাগার। সেখানে সাংসদের সকল বই, ব্যবহৃত জিনিষপত্র থাকবে। এছাড়া সমাধির চারপাশে নান্দনিক ফুলের বাগান এবং মাঝামাঝিস্থানে একটি কৃঞ্চচূড়া থাকবে। সবমিলিয়ে প্রায় ৪০-৫০ লাখ টাকা খরচ পড়তে পারে। তাঁর প্রতি ভালোবাসা থেকেই আমার এই প্রয়াস। আগামী ৭ নভেম্বর চট্টগ্রাম-৮ সংসদীয় আসনের সাংসদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিশিষ্ট পার্লামেন্টিরিয়ান মঈন উদ্দিন খান বাদলের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। মৃত্যুবার্ষিকীর আগেই আমি এই সমাধীর কাজ শেষ সম্পন্ন করতে ঢাকা থেকে ছুঁটে আসি। তবে লাইব্রেরী ও পাঠাগারসহ অন্যান্য কাজ সম্পাদন করতে আরো কিছু সময় লাগবে বলে জানান তিনি।

সর্বশেষ সংবাদ