ঝাউতলা-আমবাগানে রেলওয়ের অভিযানে ২শ স্থাপনা উচ্ছেদ
১৯,অক্টোবর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামের আমবাগান মিন্টু কলোনি ও ঝাউতলা এলাকার লেভেল ক্রসিং উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেছে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল। অভিযানে প্রায় ১৮০ থেকে ২০০ দোকান ও বসতঘর উচ্ছেদ করা হয়। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে বিকাল পর্যন্ত এ অভিযান চালানো হয় ষোলশহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জাকির হোসেন ও রেলওয়ে সার্ভেয়ার আব্দুস সালাম তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ষোলশহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ জাকির হোসেন বলেন, সকাল ১০ টা থেকে আমবাগান এলাকার মিন্টু কলোনিতে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে রেলওয়ে। এ সময় দোকান বসতঘরসহ বিভিন্ন স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। রেলওয়ে সার্ভেয়ার আব্দুস সালাম বলেন, আমবাগান এলাকায় অভিযান চালানোর পর ঝাউতালা এলাকার লেভেল ক্রসিং এ রেললাইনের পাশে অবৈধ উচ্ছেদ করা হয়। অভিযানে দোকান কলোনির ঘর, ঝুঁপড়িসহ বিভিন্ন স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। রেলওয়ের চালানো হচ্ছে অভিযানে, রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের কর্মকর্তা-কর্মচারী, জিআরপি পুলিশ ও এপিবিএন পুলিশ বিভিন্ন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
টাইগারপাস মোড়ে ইয়াবাসহ নারী আটক
১৯,অক্টোবর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর কোতোয়ালী থানাধীন টাইগারপাস মোড় সংলগ্ন এলাকা থেকে এক হাজার পিস ইয়াবাসহ এক নারীকে আটক করেছে নগর গোয়েন্দা পুলিশ। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার সময় জমিলা প্রকাশ মুন্নিকে (১৯) আটক করা হয়। মহানগর গোয়েন্দা (দক্ষিণ) বিভাগের পুলিশ পরিদর্শক বিশ্বজিৎ বর্মন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নগরীর কোতোয়ালী থানাধীন টাইগারপাস মোড় সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে এক হাজার পিস ইয়াবাসহ জমিলা প্রকাশ মুন্নিকে (১৯) আটক করা হয়। আটককৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোতোয়ালী থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।
পটিয়ায় অতিরিক্ত ডিআইজি জাকির হোসেন:ধর্ষণ প্রতিরোধে জনগণকে সচেতন হতে হবে
১৮,অক্টোবর,রবিবার,পটিয়া প্রতিনিধি,চট্রগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্রগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি জাকির হোসেন পিপিএম বলেছেন, দেশে নারীর প্রতি সহিংসতা আজ সামাজিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। এথেকে পরিত্রাণ পেতে হলে সবাইকে সচেতন হতে হবে। ধর্ষণ ও নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে তিনি দেশব্যাপী পুলিশের সচেতনতা মূলক সমাবেশের অংশ হিসেবে পটিয়ায় বক্তব্য রাখছিলেন। তিনি বলেন, সমাজের সর্বস্তরে এই ম্যাসেজ পৌঁছাতে হবে যে ধর্ষনের আগের যাবজ্জীবন শাস্তি বাড়িয়ে এখন সরকার মৃত্যুদন্ডের আইন প্রণয়ন করেছে । তাই সাবধান, কোথাও যাতে নারীর প্রতি সহিংসতা, ইভটিজিং, ধর্ষন এবং নিপীড়নের ঘটনা ঘটতে না পারে সে জন্য সবাইকে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি এ ধরনের অপকর্ম করে কেউ যাতে পার না পায় সেজন্য সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। তিনি গতকাল পটিয়ার কুসুমপুরা ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে বিট পুলিশিং এর উদ্যোগে নারী নির্যাতন ও ধর্ষন বিরোধী বিট পুলিশিং সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত এসব কথা বলেন। পটিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন পটিয়া সার্কেলের পুলিশ পরিদর্শক মনজুরুল আলম, পটিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো: বোরহান উদ্দিন প্রমূখ।
শেরশাহ সড়ক-ফুটপাত পুনরুদ্ধারে চসিকের উচ্ছেদ অভিযান
১৮,অক্টোবর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর বায়েজিদ বোস্তামি থানাধীন শেরশাহ কলোনি এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত উদ্ধারে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। রোববার (১৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টায় শুরু হওয়া এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) জাহানারা ফেরদৌস ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী। চসিক সূত্রে জানা গেছে, নগরীর বায়েজিদ বোস্তামি সড়কের শেরশাহ কলোনি এলাকার এ উচ্ছেদ অভিযানে প্রায় দেড় শতাধিক দোকান উচ্ছেদ করা হচ্ছে। সকাল থেকে শুরু হওয়া এ উচ্ছেদ অভিযান পুরোপুরি উচ্ছেদ কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত চলবে। চলাকালে দোকানদাররা জানান, তারা হোল্ডি ট্যাক্স দেয়। তাদের ট্রেড লাইসেন্সও আছে। তাছাড়া তাদের বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংযোগ আছে। তাদের কোনো প্রকার উচ্ছেদের নোটিশ দেয়া হয়নি। হঠাৎ করে উচ্ছেদ করায় দোকানের সব মালামাল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা বেগম নেলী জানান, এ অভিযানে শেরশাহ কলোনির রাস্তার উভয় পাশে অবৈধ ভাসমান দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে। অবৈধভাবে সড়ক ও ফুটপাত দখল করে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করায় এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযানটির ব্যাপারে দোকান মালিকদের গতকাল অবগত করা হয়েছে। এ অভিযানের মাধ্যমে সড়ক ও ফুটপাত পুনরুদ্ধার করা হচ্ছে। অভিযানে সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, Rab-7 এর একটি দল ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ সহায়তা করেন।
শেখ রাসেলের জন্মদিনে ১০০ ল্যাপটপ ও শিক্ষাবৃত্তি সাইফ পাওয়ারটেকের
১৮,অক্টোবর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ রাসেলের ৫৬তম জন্মদিনে ১০০ ল্যাপটপ ও ১ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছেন সংগঠনের উপদেষ্টা সাইফ পাওয়ারটেকের কর্ণধার তরফদার মো. রুহুল আমিন। রোববার (১৮ অক্টোবর) বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব অনুদান তুলে দেন। করোনা মহামারীর কারণে শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক, দিকনির্দেশক প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি আয়োজকদের ধন্যবাদ দেওয়ার পাশাপাশি সংগঠন পরিচালনায় নানান পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা দেন। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মো. রকিবুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপদেষ্টা তরফদার মো. রুহুল আমিন ছাড়াও তথ্য ও যোগাযোগ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের মহাসচিব মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী, উপদেষ্টা সিরাজুল ইসলাম মোল্লা এবং সংগঠনের সভাপতি কে.এম শহিদ উল্যা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট ভাই শহীদ শেখ রাসেল। আদরের ছোট ভাইয়ের জন্মদিন সামনে রেখে নানান স্মৃতিচারণা করেন প্রধানমন্ত্রী। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকের বুলেটে সপরিবারের নিহত হন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ঘাতকরা শিশু শেখ রাসেলকেও নির্মমভাবে হত্যা করে। ভবিষ্যতে বাংলার মাটিতে এ ধরনের নির্মম হত্যাকাণ্ড যাতে না ঘটে সেজন্য সবাইকে দৃষ্টি রাখার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, শিশুরা আগামীদিনের ভবিষ্যৎ। তাই তাদের প্রতি সহনশীল আচরণ এবং তাদের প্রকৃত শিক্ষা-দীক্ষায় মানুষের মতো মানুষ করে গড়ে তুলতে হবে। করোনা মহামারীতে স্কুল বন্ধু। তাই ঘরে বসেই শিশুদের পাঠদান চালিয়ে নেওয়ারও পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শেখ রাসেলের জন্মদিন সামনে রেখে দাবা প্রতিযোগিতা ছাড়াও নানা ধরনের সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদ। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ বছর মাধ্যমিক পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনকারী মেধাবী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা স্মারক ও পুরস্কার তুলে দেওয়ার পাশাপাশি দাবা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়। অনুষ্ঠানে সংগঠনের পক্ষ থেকে উপদেষ্টা তরফদার মো. রুহুল আমিনকে ক্রেস্ট দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়।
দুর্গোৎসব উপলক্ষে মনজুর আলমের বস্ত্র বিতরণ
১৮,অক্টোবর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মোস্তফা-হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে উত্তর কাট্টলী মোস্তফা-হাকিম কলেজ চত্বরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপুজা উপলক্ষে বস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ১০টায় উত্তর কাট্টলী ৯ ও ১০ নম্বর ওয়ার্ডের দরিদ্রদের হাতে নতুন কাপড় তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম। তিনি বলেন, আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজায় যাতে অসহায় দুঃস্থ সনাতন ধর্মাবলম্বীরা তাদের উৎসব সুন্দরভাবে পালন করতে পারে সেজন্য আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। তিনি দুর্গাপুজা উপলক্ষে সবাইকে শারদীয় শুভেচ্ছা জানান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উত্তর কাট্টলী মোস্তফা-হাকিম কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলমগীর, উপাধ্যক্ষ মাহফুজুল হক চৌধুরী, আকবরশাহ থানা আওয়ামীলীগ এর সহ সভাপতি লোকমান আলী, মোস্তফা হাকিম স্কুল পরিচালনা পর্ষদের সদস্য নেছার আহমদ, আকবরশাহ থানা পূজা উদযাপন কমিটির উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার তরুণ তপন দত্ত, তপন বিকাশ আচার্য, জগিশ দাস, রুপশ তালুকদার, জামিনি কুমার দে, দিলীপ দত্ত, মুনমুন দাস, দিপ্তী মজুমদার প্রমুখ।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে নদী বাঁচাই বাল্লাই সাম্পান খেলা গরিরদ্যে- আ জ ম নাছির উদ্দীন
১৭,অক্টোবর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগ আয়োজিত সাম্পান খেলার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে নগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন চট্টগ্রামের কথ্য ভাষায় বলেন, কর্ণফুলীর পাড়র প্রায় তিনশয়ের বেশি কারখানার শিল্প বর্জ্য, এই শহরর প্রায় ৬০ লাখ মানুষর মানব বর্জ্য ,পলিথিন,প্লাস্টিক প্রত্যেক দিন নদীত পড়ে (কর্ণফুলীর পাড়ের প্রায় তিন শতাধিক কারখানার শিল্প বর্জ্য,নগরের প্রায় ৬০ লাখ মানুষের মানব বর্জ্য,পলিথিন,প্লাস্টিক প্রতিদিন নদীতে পড়ছে)। বর্তমানে নদীর প্রায় ৭ মিটার গভীরতা নষ্ট হয়ে গেছে শুধু পলিথিনের কারণে (নদীর প্রায় ৭ মিটার গভীরতা নষ্ট হয়ে গেছে)। আঁরা জানি বা ন জানিয়ারে এই নদীরে গলা টিপে মারি ফেলাইর (আমরা জেনে বা না জেনে নদীটিকে গলা টিপে হত্যা করছি)। এই কর্ণফুলীসহ দেশর অন্য নদীরে বাঁচাই বাল্লাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নদী কমিশন গঠন গইরজ্যি (কর্ণফুলীসহ দেশের নদীগুলো বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নদী কমিশন গঠন করেছে)। কিন্তু সরকারর সঙ্গে আঁরা নদী পাড়র মাইনষ্যত্বেও সচেতন হন পড়িবু (সরকারের সাথে আমরা নদী পাড়ের নগরবাসীকেও সচেতন হতে হবে)। নইলে এই নদী সহসাৎ বরবাদ হই যাইবু (নাহলে এই নদী অচিরেই অস্তিত্ব হারাবে)। এই নদী বাঁচিলে চট্টগ্রাম বন্দর বাঁচিবু, বন্দর বাঁচিলে দেশের অর্থনীতি বাঁচিবু (কর্ণফুলী বাঁচলে চট্টগ্রাম বন্দর বাঁচবে,দেশের অর্থনীতি বাঁচবে)।এই হতাল্লাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কর্ণফুলী নদী রক্ষায় জনসচেতনতা সৃষ্টিতে সাম্পান উৎসব গরিরদ্যে( সেজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কর্ণফুলী নদী রক্ষায় জনসচেতনতা সৃষ্টিতে এই সাম্পান উৎসব আয়োজন করা হয়েছে) শনিবার ১৭ অক্টোবর বিকালে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগ আয়োজিত দুই দিন ব্যাপী সাম্পান উৎসবের দ্বিতীয় পর্ব সাম্পান খেলা প্রতিযোগিতা নগরীর অভয়মিত্র ঘাট (নেভাল টু) এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। নদীর দক্ষিণ পাড় থেকে উত্তর পাড়ের অনুষ্ঠান স্থল (অভয়মিত্র ঘাট) ছিল সাম্পান খেলার মোট দূরত্ব। সাম্পান খেলার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, কর্ণফুলী নদীকে দখল ও দূষণের কবল থেকে রক্ষা করতে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে এই সাম্পান খেলার আয়োজন করা হয়েছে। হাজার বছর ধরে নদীমাতৃক এই বাংলাদেশে নৌকাবাইচ,সাম্পান খেলা শুধু খেলা নয়, এই প্রতিযোগিতা সংগ্রামের প্রতীক হয়ে আমাদের জীবনে মিশে রয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগ আয়োজিত সাম্পান খেলা প্রতিযোগিতায় শিকলবাহা মোতোয়াল্লি শাহ ব্লক পাড় মাঝিরা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। শাহ আহমদ মাঝির নেতৃত্বে ১০ জন মাল্লার দলটি প্রথম পুরস্কার হিসেবে একটি মোটর সাইকেল পেয়েছে। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে শাহ আহমদ মাঝি ভোরের কাগজকে বলেন, আঁরাততে কি যে ভালা লাগের ইআন ভাষায় বুঝাইত ন পাইরগ্যম (আমাদের কি যে ভাল লাগছে তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না।) বহুত দিন পর সাম্পান খেলাত ফাস্ট হই আঁরা (বহু দিন পর সাম্পান খেলায় আমরা প্রথম হয়েছি)। নাচিবাল্লাই মনে হর (নাচতে ইচ্ছে করছে)। ১০টি দল নিয়ে অনুষ্ঠিত এই সাম্পান খেলায় দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে ইছানগর বাংলাবাজার ঘাট সাম্পান মাঝি কল্যাণ সমিতি। তৃতীয় স্থান লাভ করেছে মাদার্সা পাড়া এক নম্বর গেইট চরপাথরঘাটার মাঝি দল। নগর আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক দিদারুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মহানগর আওয়ামীলীগের শফর আলী,শেখ মোহাম্মদ ইসহাক, নোমান আল মাহমুদ, মসিউর রহমান, চন্দন ধর, এডভোকেট ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, মোহাম্মদ হোসেন, মো. ইসা, আবদুল মান্নান ফেরদৌস, আযোগিতার পৃষ্টপোষক নাজিম উদ্দিন,সাবেক কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব,শৈবাল দাশ সুমনসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
ঐতিহ্য ধরে রাখতে রিয়াজউদ্দিন বাজার এলাকা পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে- চসিক প্রশাসক
১৭,অক্টোবর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফেলা যাবেনা। দোকানদার ও ব্যবসায়ী সমাজ আন্তরিক হলে নগরীর জনগণ উপকৃত হবে। তিনি রিয়াজউদ্দিন বাজারকে পরিচ্ছন্নতায় মডেল বাজারে উন্নীত করে এর সুনাম সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়ার আহবান জানান। সমিতির সভাপতি মো. কামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন রাজনীতিক জামশেদুল আলম চৌধুরী, সাবেক কাউন্সিলর সলিম উল্লাহ বাচ্চু, কাউন্সিলর প্রার্থী আবদুস সালাম মাসুম, সংরক্ষিত সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর নিলু নাগ। চট্টগ্রাম ফল ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় বিকেলে প্রশাসক স্টেশন রোডস্থ চট্টগ্রাম ফল ব্যবসায়ী সমিতির কার্যালয়ে চট্টগ্রাম ফল ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। এ সময় প্রশাসক ফল ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ফল হচ্ছে আল্লাহতায়ালার শ্রেষ্ঠ নিয়ামত। এ নিয়ামতের ব্যবসায় কোন রকম ভেজাল বা ফরমালিন মেশানো হলে তার জন্য আল্লাহর কাছে জবাব করতে হবে। দোকানের ময়লা-আবর্জনা নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলে ফলমন্ডিকে পরিস্কার-পরিচ্ছন রাখায় তিনি ফলমন্ডির ব্যবসায়ীদের প্রশংসা করেন। যত্র-তত্র ময়লা আবর্জনা ফেলে ফল বাজার এলাকা অপরিচ্ছন্নকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি এবং ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি এ সময় হূঁশিয়ারী উচ্চারণ করেন। যে সকল ব্যবসায়ী এখনো পর্যন্ত নতুন ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণ করেননি এবং লাইসেন্স নবায়ন করেননি তাদের দ্রুত ট্রেড লাইসেন্স করার অনুরোধ জানান প্রশাসক। ফলমন্ডি ফল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. আবদুল মালেক চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন কাউন্সিলর প্রার্থী আবদুস সালাম মাসুম, সংরক্ষিত সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর নিলু নাগ, সমিতির সহ সভাপতি হাজী আবদুল মালেক, সাধারণ সম্পাদক হাজী আলমগীর প্রমূখ। প্রশাসকের সাথে মাজার স্থানান্তর বিষয়ে গঠিত কমিটির মতবিনিময় পোর্ট কানেকটিং রোডের সম্প্রসারণ করতে গিয়ে মাজার স্থানান্তর বিষয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি আজ সকালে মাজার এবং সংলগ্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে কমিটির নেতৃবৃন্দ চসিক প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন এর সাথে তাঁর বাসভবনে মতবিনিময় করেন। মতবিনিময়কালে চসিক এবং ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ একমত পোষণ করেন যে, মাজার এবং কবরস্থানকে সংরক্ষণ করে রাস্তাটি সম্প্রসারন করা হবে। এছাড়া বর্ণিত মাজার সংরক্ষণের জন্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সবকিছু করা হবে। এজন্য চসিক প্রশাসক স্থানীয় মুসল্লীসহ নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন । এ সময় ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে কাজী মোহাম্মদ আবদুল ওয়াজেদ, গোলাম মোস্তফা মোহাম্মদ নুরন নবী আলকাদেরী, এডভোকেট মোছাহেব উদ্দিন বখতেয়ার, স.উ.ম আবদুস সামাদ, মাওলানা করিম উদ্দিন নূরী, মাওলানা কামাল পাশা, আব্দুন নবী আলকাদেরী, হাফেজ আবদুর রহমান, চসিক এর পক্ষে নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাদাত মো. তৈয়ব ও মাওলানা মুহাম্মদ হারুনুর রশিদ চৌধুরীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
চট্টগ্রামে ৪২ বছরের পূরনো সিলিন্ডারে ঝুঁকি নিয়ে এলপিজি বিক্রি,ডিলারদের মাঝে অসন্তোষ
১৭,অক্টোবর,শনিবার,মো.এনামুল হক লিটন,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: লিকেজ সমস্যাসহ বেসরকারি কোম্পানীতে লিকুইড বিক্রি নিয়ে চট্টগ্রামে এলপিজি ডিলারদের মাঝে অসন্তোষ বিরাজ করছে। এলপি গ্যাস সিলিন্ডারের জরাজীর্ণতা, লিকেজ সমস্যা, কয়েক হাজার ডিলারের জামানত ও বিনিয়োগকৃত সিলিন্ডারের টাকা ফেরত না দিয়ে বেসরকারি খাতে লিকুইড বিক্রির সিদ্ধান্ত বাতিলসহ এলপি গ্যাস প্লান্টের উপর চাপিয়ে দেয়া সমস্যাগুলো সমাধান করা না হলে, এলপিজি ডিলাররা আন্দোলনে যাবে এমন আভাস পাওয়া যাচ্ছে। চট্টগ্রাম মহানগর এলপি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর-ডিলার এসোসিয়েশন সৃষ্ট এসব সমস্যা সমাধানে সম্প্রতি বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান বরাবরে পাঁচ দফা দাবী সম্বলিত একটি স্মারকলিপি পেশ করেছে। জানা গেছে, পতেঙ্গার গুপ্তখাল ও সিলেটের কৈলাশ টিলায় দুটি এলপিজি প্লান্টের মাধ্যমে এলপিজি বাজারজাত করা হয়। পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা তিনটি তেল কোম্পানীর মাধ্যমে এলপিজি বিপনন করা হয়। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন সূত্র জানায়, ১৯৭৮ সালে সিলিন্ডার ভর্তি করে এলপিজি বিপনন শুরু হয়। সারাদেশে এলপিজির সাড়ে তিন হাজার ডিলার রয়েছে। চট্টগ্রামে ডিলার সংখ্যা ১ হাজার। চট্টগ্রাম মহানগর এলপিজি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটর-ডিলার এসোসিয়েশনের সভাপতি আলহাজ সাইফুল আলম জানান, আমরা কয়েকশত এলপি গ্যাস ডিলাররা বর্তমানে চরম দূরাবস্থায় আছি। অসম প্রতিযোগীতার বাজারে টিকে থাকতে না পেরে অনেকেই এ ব্যবসা ছেড়ে দিচ্ছে। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, এলপি গ্যাসের সিলিন্ডার জরাজীর্ণ ও লিকেজ প্রকট হওয়ায় ডিলাররা মারাত্নক সঙ্কটে ভূগছে। এছাড়া একটি সিলিন্ডারের মেয়াদ মাত্র পনের বছর হলেও ৪২ বছর পূর্বে সরকারিভাবে যে তিন লাখ সিলিন্ডার আমদানী করা হয়েছিল তা দিয়ে এখনো সরকারিভাবে এলপিজি বিক্রি চলছে। যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এ কারণে ভয়াবহ দূর্ঘটনার আশঙ্কাও করেছেন তিনি। এসোসিয়েশনের প্রচার সম্পাদক হাজী মো. ইব্রাহিম এ রহমান জানান, বিপিসি সরকারি সিলিন্ডার দোকানে লিকেজ এবং পুরাতন পাওয়া গেলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে জেল জরিমানা করা হয়। অথচ মূল জায়গা থেকেই অনেক সিলিন্ডার লিকেজ আসে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে পতেঙ্গার গুপ্তখাল এলাকার এলপিজি সিলিন্ডার বিপনন কেন্দ্রে সরেজমিনে গিয়ে জরাজীর্ণ সিলিন্ডার ও সিলিন্ডারের লিকেজের বিষয়টির সত্যতা পাওয়া যায়। তবে পতেঙ্গা এলপি গ্যাস প্লান্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলুর রহমান লিকেজ সমস্যার বিষয়টি তিনি ইতিমধ্যে জেনেছেন এবং এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে উল্লেখ করে সিলিন্ডারের জরাজীর্ণতা ও অন্যান্য সমস্যা প্রসঙ্গে তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, এরইমধ্যে ২৫ হাজার সিলিন্ডারের টেন্ডার করা হয়েছে এবং আরো ১ লাখ সিলিন্ডারের জন্য টেন্ডার করা হবে। যা পর্য়ায়ক্রমে ডিলারডের সৃষ্ট সমস্যার অনেকটা সমাধান হবে। এদিকে যত্রতত্র তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজি বিক্রি বন্ধ করে দিতে যাচ্ছে সরকার। গত বছরে ৮১টি এলপিজি দূর্ঘটনায় অন্তত শতাধিক লোক নিহত হওয়ায় ঘটনায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারের এই পদক্ষেপ বলে জানা গেছে।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর