মঙ্গলবার, মে ১৮, ২০২১
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে কর্মবিরতি
১৪আগস্ট,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি পালন করছে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ ইন্টার্ন চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশন। হামলার ঘটনায় পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ ইন্টার্ন চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সচিব তাজওয়ার রহমান খান বলেন, বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ইন্টার্ন চিকিৎসক অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক ডা. ওসমান গনি ও চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ ছাত্রসংসদের সাহিত্য বিভাগের সম্পাদক সানি হাসনাইন প্রান্তিকের ওপর হামলা চালায় দূর্বৃত্তরা। বর্তমানে তারা নিউরোসার্জারী বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এমন ন্যাক্কারজনক সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে চমেক হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি পালন করছে। দোষীদের গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় না আনা পর্যন্ত এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে চকবাজার থানাধীন চট্টেশ্বরী রোডের চমেক ছাত্রাবাসে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে ছাত্রদের হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উভয়পক্ষ ছাত্রাবাসে মুখোমুখি অবস্থান নেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় ইন্টার্ন চিকিৎসক ছাড়া কোনও ছাত্র ছাত্রাবাসে থাকতে পারবে না- কর্তৃপক্ষের এমন সিদ্ধান্তে ছাত্ররা হল ত্যাগ করেন।
প্রশাসক সুজনের অ্যাকশন, চসিক রাজস্ব বিভাগের ২৪ কর্মীকে একযোগে বদলি
১৩আগস্ট,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) ২৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে একযোগে বদলি করা হয়েছে। বদলি হওয়া ২৪ জন চসিকের রাজস্ব প্রশাসনের বিভিন্ন দায়িত্বে ছিলেন। বহু বছর ধরেই কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারছে না রাজস্ব বিভাগ। ফলে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন দিতেও হিমশিম খেতে হচ্ছে। চসিক প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের ৭ দিনের মাথায় খোরশেদ আলম সুজনের অনুমোদনে বড় ধরনের এই রদবদলের ঘটনা ঘটলো। কাজের গতিশীলতা আনতে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বুধবার (১২ আগস্ট) চসিক সচিব আবু শাহেদ চৌধুরীর সই করা এক অফিস আদেশের মাধ্যমে এই রদবদলের নির্দেশ দেওয়া হয়। তাদের ১৬ আগস্টের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে অবশ্যই যোগ দিতে বলা হয়েছে। আবু শাহেদ চৌধুরী বলেন, প্রশাসক মহোদয়ের অনুমোদনে এই রদবদল করা হয়েছে। কাজের গতিশীলতা বাড়াতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ। বদলি হওয়া রাজস্ব বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আছেন- কর কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মহিউদ্দিন আহমেদ সরওয়ার চৌধুরী, জসিম উদ্দিন, আনিসুর রহমান, মেজবাহ উদ্দিন, জানে আলম, সাবেক উল্লাহ, কামরুল ইসলাম চৌধুরী, এ কে এম সালাহউদ্দিন, শাহ আলম, প্রবীর কুমার চৌধুরী, জসিম উদ্দিন চৌধুরী, কৃষ্ণপ্রসাদ দাস ও নুরুল আলম চৌধুরী। এছাড়া উপকর কর্মকর্তা নাছির উদ্দিন চৌধুরী, উত্তম কুমার দাশ, রাজেশ চৌধুরী, রতন ভট্টাচর্য, মোবারক উল্লাহ, তুষার কান্তি দাশ, শীতল দত্ত, মো. মোর্শেদ, রতন চন্দ্র ভৌমিক, ভবতোষ চৌধুরী ও লুৎফর রহমানকেও বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন বলছেন, নগরীতে সৌন্দর্য্য বর্ধনের নামে ফুটপাতে ও যত্রতত্র দোকানপাট হয়েছে, যা সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগ জানে না। বিভিন্ন অনিয়ম দূর করতে ও গতিশীলতা আনতে এই পরিবর্তন।- চট্টগ্রাম প্রতিদিন
দূরপাল্লার বাসে অনিয়ম, ৩ বাস কাউন্টারকে অর্থদণ্ড
১৩আগস্ট,বৃহস্পতিবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: অনিয়মের অভিযোগে দূরপা্ল্লার বাসসহ তিনটি বাস কাউন্টারকে অর্থদণ্ড দিয়েছে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত। বুধবার (১২ আগস্ট) নগরীর দামপাড়া বাস কাউন্টার, একে খান ও অক্সিজেন মোড়ে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান পরিচালনা করে এই অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। সন্ধ্যা সাতটা হতে রাত নয়টা পর্যন্ত চলমান অভিযানে জেলা প্রশাসনের ৩ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিরিন আক্তার, উমর ফারুক ও আলী হাসানের নেতৃত্বে নগরীর দামপাড়া, একে খান ও অক্সিজেন মোড়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। এ সময় নগরীর দামপাড়া বাস কাউন্টারগুলোতে নানা অনিয়মের কারণে সৌদিয়া এসি কাউন্টার ও নন এসি কাউন্টারকে পৃথকভাবে ২০ হাজার করে ৪০ হাজার টাকা এবং ইউনিক কাউন্টারকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অপরদিকে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় একে খান এলাকায় জোনাকি পরিবহনকে ১ হাজার, বিলাস পরিবহনকে ২ হাজার, তিশা পরিবহনকে ১ হাজার, শ্যমলী পরিবহনকে ১ হাজর, যাত্রী পরিবহনকে ১ হাজার ও অনিমা পরিবহনকে ৫শ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে মোট ৭৬ হাজার ৫শ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উমর ফারুক বলেন, ইদানিং দেখা যায় কিছু বাস কাউন্টার সরকারি আদেশ উপেক্ষা করে নিজস্ব পন্থায় ফ্যামিলি প্যাকেজ করে পাশাপাশি সিটে যাত্রী বসায়। এমনকি আপরিচতদেরকে ফ্যামিলি বলে চালিয়ে দুজনকে পাশাপাশি সিটে বসাচ্ছিলো যা সরেজমিনে পাওয়া যায়। যার ফলে তাদের আইনের আওতায় এনে অর্থদণ্ড করেছি ও মুচলেকা নেয়া হয়েছে এই মর্মে যে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনিয়ম করবেনা। আরেক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আলী হাসান বলেন, গাদাগাদি করে বসা ও স্বাস্থ্যবিধি না মানায় বিভিন্ন পরিবহনকে অর্থদণ্ড করা হয়। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সমুদ্র বন্দরসমূহের জন্য তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত
১২আগস্ট,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, উত্তর বঙ্গোপসাগরে মৌসুমী বায়ু সক্রিয় এবং বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্য থাকার কারণে,উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দরসমূহের উপর দিয়ে ঝড়োহাওয়া বয়ে যেতে পারে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
করোনায় মৃত্যুহীন আরেকদিন, নতুন শনাক্ত ১৪৯
১২আগস্ট,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত গত ২৪ ঘন্টায় কেউ মারা যায়নি। তবে নতুন করে চট্টগ্রামে আরো ১৪৯ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া করোনামুক্ত হয়েছেন ৬৫ জন। বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি নিউজ একাত্তরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ২৪ ঘন্টায় চট্টগ্রামের ৮২৫ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৪৯ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। তার মধ্যে নগরীতে ৯৬ জন ও জেলার বিভিন্ন উপজেলার ৫৩ জন। এনিয়ে চট্টগ্রামে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৫ হাজার ৪৯১ জনে। করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন আরো ৬৫ জনসহ মোট ৩ হাজার ৩১০ জন।করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘন্টায় কোনো মৃত্যু হয়নি। করোনায় মোট মৃত্যু ২৪৬ জন। এদিকে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ল্যাবে ১২৯টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩৭ জন করোনা পজিটিভ রোগী শনাক্ত হয়। তার মধ্যে নগরীতে ৯ জন,জেলার ও বিভিন্ন উপজেলার ২৮ জনের দেহে করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসে (বিআইটিআইডি) ২১৮ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে শনাক্ত হয় আরও ৩২ জন। এরমধ্যে নগরীর ২৮ জন ও জেলার বিভিন্ন উপজেলার ৪ জনের পজিটিভ। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ১৬২ টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৬ জনের করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে। এরমধ্যে ১৫ জন নগরীর ও জেলার বিভিন্ন উপজেলার ১১ জন। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় ১৩২ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৯ জনের পজেটিভ পাওয়া গেছে। তার মধ্যে ৪ জন নগরীর বাসিন্দা ও উপজেলার ৫ জন। কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া বেসরকারি ইমপেরিয়াল হাসপাতালে ১২০ টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৬ জন শনাক্ত হয়। তারমধ্যে ২৪ জন নগরীর বাসিন্দা বাকি ২ জন জেলার বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা। বেসরকারি শেভরনে ৫৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৮ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। তার মধ্যে নগরীর ১৬ জন ও জেলার বিভিন্ন উপজেলার ২ জন।
২৪ ঘণ্টার মধ্যে পিসি রোডের অবৈধ স্থাপনা ও ড্রেন দখলমুক্ত চান সুজন
১১আগস্ট,মঙ্গলবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাগরিকা মোড় হতে নয়া বাজার পর্যন্ত সমস্ত অবৈধ স্থাপনা, ফুটপাতের উপর বসানো দোকানপাট ও স্তুপকৃত মালামাল আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে সরিয়ে নেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন। মঙ্গলাবার (১১ আগস্ট) সকালে সাগরিকা মোড় থেকে নয়াবাজার পর্যন্ত পোর্ট কানেকটিং সড়ক উন্নয়ন কাজ সরজমিনে পরিদর্শন ও প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদানকালে তিনি এই নির্দেশনা দেন। এসময় তিনি বলেন, চসিক প্রশাসক হওয়ার পুর্ব থেকে এই রাস্তার হালচিত্র আমাকে ব্যথিত করতো। তাই দায়িত্ব নেয়ার পর পোর্ট কানেকটিং সড়ক কাজ তড়িৎ গতিতে সম্পন্ন করার প্রতিজ্ঞা করেছি। পুরো নগরীর মধ্যে এই সড়কটি অতিগুরুত্বপূর্ণ অথচ কী অদৃশ্য কারণে এতদিন যাবত এইকাজ সম্পন্ন হলো না। তিনি বলেন, আমি রাত-দিন এই রাস্তায় থাকবো, আমি দেখতে চাই এখানে বাঁধা কোথায়? যেখানে বাঁধা-সেখানেই লড়াই। আমি ছাত্র রাজনীতি করে এই পর্যায়ে এসেছি রাস্তায়-ই আমার রাজনীতি আমি রাস্তাতেই থাকবো এবং সমাধান আনবো। এসময় তিনি রাস্তার দুইপাশে অবস্থিত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান যারা অবৈধভাবে চসিকের ড্রেন দখল করে জনচলাচলে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, আজকে আমি আপনাদের একজন হয়ে বলে গেলাম, নিজ দায়িত্বে এসব অপসারণ করেন নাহয় আগামীকাল আমাকে দেখবেন প্রশাসকের ভূমিকায়। এসব অবৈধ স্থাপনা না সরালে আগামী ২৪ ঘন্টা পর ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা ও জরিমানা গুনতে হবে। এসময় ব্যবসায়ীরা নিজ দায়িত্বে সরিয়ে নেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন প্রশাসককে। তিনি আরও বলেন, ঠিকাদারের গাফিলতির কারণে যে সময় নষ্ট হয়েছে তা আর সহ্য করা হবে না। এখন শুধু কাজ আর কাজ। এই দুর্ভোগ কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। এসময় উপস্থিত শত শত এলাকাবাসী জড়ো হয়ে প্রশাসক সুজনের এহেন পদক্ষেপের জন্য সাধুবাদ জানান। প্রশাসক ও ঠিকাদার এলাকাবাসীকে আগামী সপ্তাহের মধ্যে দৃশ্যমান উন্নয়ন সড়ক উপহার দেয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। ঠিকাদার মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, করোনা মহামারী ও মৌসুমী বৃষ্টির কারণে সড়ক উন্নয়নকাজে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে, যার কারণে এলাকাবাসীসহ সড়ক ব্যবহারকারীদের দুর্ভোগ চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। এখন নতুন প্রশাসক যেভাবে দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন সেভাবে কাজ সম্পন্ন করা হবে। এসময় চসিক প্রধান প্রকৌশলী লে.কর্ণেল সোহেল আহমদ, প্রশাসকের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মানিক, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবু সাদাত মোহাম্মদ তৈয়ব, সহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার জাহান, উপসহকারী প্রকৌশলী সুমন সেন, বন্দর থানা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হাজী মোহাম্মদ ইলিয়াছ, মোরশেদ আলম, সিরাজদৌল্লা নিপু, মোহাম্মদ বাবুল, আতিকুর রহমান, ফেরদৌস আলমগীর উপস্থিত ছিলেন।
বর্তমান ছাত্রনেতাদের সঙ্গে তুলনা চলে না মৌলভী সৈয়দের: রেজাউল করিম চৌধুরী
১১আগস্ট,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বর্তমান ছাত্রনেতাদের সঙ্গে মৌলভী সৈয়দের তুলনা চলে না বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী এম রেজাউল করিম চৌধুরী। সোমবার (১০ আগস্ট) মৌলভী সৈয়দের ৪৩তম স্মরণসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। এম রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ১৯৬৬ সাল থেকে সৈয়দ ভাইয়ের সঙ্গে আমার পরিচয়। তিনি একজন দুর্ধর্ষ গেরিলা যোদ্ধা। আজকের ছাত্রনেতাদের সঙ্গে মৌলভী সৈয়দের তুলনা চলে না। সৈয়দ ভাই মারা গেছেন। তাঁর আদর্শ জীবিত রাখতে হবে। তাঁর আদর্শ তরুণ প্রজন্মের কাছে ছড়িয়ে দিতে হবে। তা না হলে আজকের তরুণ সমাজ আদর্শচ্যুত হয়ে জাতির বীর সন্তানদের ভুলে যেতে বসবে। তিনি বলেন, চট্টগ্রামের বীর সন্তানদের জাতির কাছে তুলে ধরার জন্য একটি উদ্যোগ নেবো। বসন্তের কোকিলরা সময়ে সময়ে আসে। দলের দুর্দিনে তাদের দেখা মেলে না। কিন্তু দলের ত্যাগী নেতারা কখনো আদর্শচ্যুত হয় না। তাই যদি আমরা তাদের মূল্যায়ন করতে না পারি তাহলে ত্যাগী নেতারা একদিন শূন্য হয়ে পড়বে। আজ যারা মৌলভী সৈয়দকে চেনে না, তাদের কাঁধে হাত দিয়ে যারা হাঁটছেন তারা একদিন বিষধর সাপ হয়ে দংশন করবে। ষড়যন্ত্রকারীরা বসে নেই। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ ও সোচ্চার হই, তাহলে এই বীরদের ইতিহাস আদর্শ জাতির সামনে তুলে ধরতে পারবো। মৌলভী সৈয়দ স্মৃতি সংসদের কেন্দ্রীয় সভাপতি আকরাম হোসেন সবুজের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মাহমুদুল হক, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক, ২৪ নম্বর উত্তর আগ্রাবাদ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ জাকারিয়া, চট্টগ্রাম বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি মিনাকী দাশ, কেন্দ্রীয় কৃষকলীগ নেতা জাকের হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, শাখাওয়াত হোসেন সাকু, চট্টগ্রাম আইন কলেজের সাবেক ভিপি রায়হানুল হক চৌধুরী, মৌলভী সৈয়দ পরিবারের পক্ষ সাংবাদিক ফারুক আবদুল্লাহ প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন শাহ আলম।
চট্টগ্রামে বন্ধ পত্রিকা চালুর দাবিতে সিইউজের সমাবেশ
১০আগস্ট,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাংবাদিকদের ন্যায্য পাওনা পরিশোধ ও চট্টগ্রামে মালিক কর্তৃক বন্ধ রাখা পাঁচ পত্রিকার প্রকাশনা চালুর দাবিতে সমাবেশ করেছে চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিইউজে)। সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে সিইউজে সভাপতি মোহাম্মদ আলী বলেন, সাংবাদিকরা যখন ন্যায্য পাওনা আদায়ের দাবিতে আন্দোলন কর্মসূচি পালন করছে তখন মালিকপক্ষ কোন নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে ঘোষণা ছাড়াই পত্রিকার প্রকাশনা বন্ধ করে রেখেছে। সরকারি সব সুযোগ সুবিধা ভোগ করার পরও আইনের প্রতি অবজ্ঞা দেখিয়ে পূর্ব ঘোষণা ছাড়া পত্রিকা বন্ধ করে সাংবাদিক ইউনিয়নের আন্দোলন নস্যাৎ করা যাবে না। তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে সাংবাদিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে। এ পর্যন্ত করোনায় ৭ জন সাংবাদিক মৃত্যুবরণ করেছে, চট্টগ্রামসহ সারাদেশে আক্রান্ত হয়েছে ৩ শতাধিক। কিন্তু অত্যন্ত উদ্বেগের সাথে আমরা লক্ষ্য করলাম, মালিকপক্ষ আক্রান্ত সাংবাদিকদের পাশে দাঁড়ানোর ন্যূনতম প্রয়োজনও বোধ করেননি। স্বনামধন্য পত্রিকাসমূহও মধ্যরাতে পর্যন্ত কোনো ধরনের যানবাহন সুবিধা না দিয়ে সাংবাদিক-কর্মচারীদের চরম স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেয়। এমনকি মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও স্বাস্থ্য সুরক্ষার কোন ব্যস্থা নেয়নি কর্তপক্ষ। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে সংবাদপত্র মালিকদের এ অমানবিক আচরণ শুধু দুঃখজনকই নয়, চরম বিষ্ময়করও বটে। এসময় অবিলম্বে সাংবাদিকদের পাওনা পরিশোধ ও পত্রিকা চালু না করলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন সিইউজে সভাপতি। সমাবেশে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ বলেন, মালিকরা পত্রিকা বন্ধ করতে চাইলে সরকারি নিয়ম মেনে লে-অফ ঘোষণা করার পর সকল সাংবাদিক কর্মচারীদের বেতন ভাতা পরিশোধ করতে হবে। পত্রিকার নিবন্ধন বাতিলের আবেদন করতে হবে। কোন ঘোষণা ছাড়া পত্রিকা বন্ধ করা দু:খজনক। তিনি এসময় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলাপ করে সমস্যা সমাধানের জন্য মালিকপক্ষকে আহ্বান জানান। সিইউজে সাধারণ সম্পাদক ম. শামসুল ইসলাম বলেন, একটি দালালচক্রকে ব্যবহার করে মালিকরা মনে করছেন সিইউজের আন্দোলন নস্যাৎ করবেন। অতীতকে ভুলে গিয়ে সারাদেশে সাংবাদিকদের ন্যায্য আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করা এ সংগঠনকে দুর্বল মনে করলে মালিকরা ভুল করবেন। আর দালালদের পরিণতিও সবসময় হয়েছে ভয়াবহ। চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন সাংবাদিকদের প্রাপ্য সকল বকেয়া ও দুই ঈদের পূর্ণ বোনাস দ্রুত প্রদান করে পুনরায় পত্রিকা প্রকাশের কার্যক্রম চালু করে সংবিধান ও রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলার থেকে বেরিয়ে আসুন। বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাসহ রাষ্ট্রের সকল প্রশাসন যখন এই মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ব্যস্ত সেখানে চট্টগ্রামের ৫টি পত্রিকা প্রকাশনা লাগাতার বন্ধ রেখে বৃহত্তর চট্টগ্রামের জনগণকে তথ্য পাওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে। পত্রিকা বন্ধ রাখার কারণে মানুষ চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য ও সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তির খবর জানতে পারছেন না। পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই মালিকপক্ষ বেআইনীভাবে পত্রিকা প্রকাশনা বন্ধ রাখার পদক্ষেপ রাষ্ট্রীয় স্বার্থের পরিপন্থী। তাদের এই পদক্ষেপ মত প্রকাশের স্বাধীনতা, সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে দূর্বল করার অপচেষ্টা। সমাবেশে সিইউজের সিনিয়র সহসভাপতি রতন কান্তি দেবাশীষ বলেন, আগস্ট মাসের ১০ তারিখ পার হতে চললেও এখন পর্যন্ত জুলাই মাসের বেতন পরিশোধ করা হয়নি। অবিলম্বে ঈদের বকেয়া বোনাস ও জুলাই মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধ করে পত্রিকা চালু করতে হবে। সমাবেশে এছাড়াও বক্তব্য রাখেন সিইউজে সিনিয়র সহসভাপতি রতন কান্তি দেবাশীষ, সহসভাপতি অনিন্দ্য টিটো ও টিভি ইউনিটের প্রধান মাসুদুল হক। উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সম্পাদক সবুর শুভ, অর্থ সম্পাদক কাশেম শাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক ইফতেখারুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ইফতেখার ফয়সাল, বিএফইউজে’র নির্বাহী সদস্য আজহার মাহমুদ, নির্বাহী সদস্য মুহাম্মদ মহরম হোসাইন, দৈনিক পূর্বদেশ ইউনিটের প্রধান জীবক বড়–য়া, প্রতিনিধি ইউনিটের ডেপুটি প্রধান সোহেল সরওয়ার, টিভি ইউনিটের ডেপুটি প্রধান তৌহিদুল আলম, সিইউজে সদস্য মোস্তাফা ইউসুফ, ফরিদ উদ্দিন, আলাউদ্দিন হোসেন দুলাল, চৌধুরী আহসান খুররম, মাখন লাল সরকার, চম্পক চক্রবর্তী, আবীর চক্রবর্তী, রুমন ভট্টাচার্য্য, মিনহাজুল ইসলাম, ইমরান এমি, বাচ্চু বড়–য়া, সুজন আচার্য্য, কাউসার আলম, সাইমন আল মুরাদসহ চট্টগ্রামে কর্মরত বিভিন্ন পত্রিকা, অনলাইন ও টিভি সাংবাদিকরা।
শুদ্ধাচার পুরস্কার পেলেন চট্টগ্রামের ডিসি ইলিয়াস হোসেন
১০আগস্ট,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল কর্ম-পরিকল্পনা অনুযায়ী শুদ্ধাচার পুরস্কার পেয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াস হোসেন। সরকারি সেবা প্রদানে শুদ্ধাচার চর্চার স্বীকৃতিস্বরুপ তাকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মো. ইলিয়াস হোসেনকে শুদ্ধাচার পুরস্কার তুলে দেন বিভাগীয় কমিশনার এবিএম আজাদ। এ সময় অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) শংকর রঞ্জন সাহাসহ বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ২০১৮ সালের ৬ মার্চ বন্দরনগরী চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব নেন বিসিএস ২০তম ব্যাচের কর্মকর্তা মো. ইলিয়াস হোসেন। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পর চট্টগ্রাম বন্দরের লাইফ লাইন হিসেবে খ্যাত কর্ণফুলী নদীর দুই পাশে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করে জেলা প্রশাসন। টানা পাঁচ দিন অভিযান চালিয়ে চট্টগ্রাম নগরের সদরঘাট থেকে বারিক বিল্ডিং পর্যন্ত কর্ণফুলী নদী তীরের প্রায় ২ কিলোমিটার এলাকা দখলমুক্ত করা হয়। ২৩০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে বেদখলে থাকা প্রায় ১০ একর সরকারি জমি উদ্ধারের পাশাপাশি পাঁচটি খালের মুখও দখলমুক্ত করা হয় এই অভিযানে। নগরের সরকারি বেসরকারি মালিকানাধীন ১৭টি পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে তৈরি করা স্থাপনা উচ্ছেদে একাধিক অভিযান পরিচালনা করা হয় মো. ইলিয়াস হোসেনের সময়ে। ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে অবৈধ সংযোগ বিছিন্ন না করলে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং চট্টগ্রাম ওয়াসার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়েরের হুঁশিয়ারিও দেন তিনি। প্রতি বর্ষার আগেই জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানসহ নানা উদ্যোগের কারণে গত কয়েকবছরে পাহাড়ে ভূমিধসে প্রাণহানির ঘটনা কমেছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। মো. ইলিয়াস হোসেনের সময়ে দেশের প্রথম জেলা হিসেবে আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স ডিজিটাল করার উদ্যোগ নেয় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। সনাতন পদ্ধতির কাগুজে লাইসেন্সের পরিবর্তে স্মার্ট আর্মস লাইসেন্স কার্ড দেওয়া শুরু হয় অস্ত্রের মালিককে। এর ফলে ভুয়া এবং জাল অস্ত্রের লাইসেন্স তৈরির পথ বন্ধ হয়ে যায়। স্মার্ট আর্মস লাইসেন্স ছাড়াও স্মার্ট ডিলিং লাইসেন্সের মাধ্যমে জেলা প্রশাসনের প্রায় ১৭টি সেবা ডিজিটাল করা হয়। জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখায় ক্ষতিপূরণের চেক উত্তোলনে হয়রানি এবং অস্বচ্ছতার অভিযোগ ছিলো দীর্ঘদিনের। ক্ষতিপূরণের চেক হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে ভূমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত সব ধরনের প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে একটি ওয়েবসাইট তৈরির উদ্যোগ নেন জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াস হোসেন। এ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল আইন ২০১৭ অনুযায়ী চট্টগ্রামে যেসব প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণ করা হচ্ছে সেসব প্রকল্পের বিস্তারিত তথ্য ঘরে বসেই পাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। চট্টগ্রামে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত পরিদর্শন শুরু করেন মো. ইলিয়াস হোসেন। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করতে নিজেই তাদের পাঠদান করেন। এছাড়া বিদ্যালয়ের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহী করে গড়ে তুলতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তার বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল চালুর জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নির্দেশনা, স্কুলে খেলনা সামগ্রী উপহার দেওয়াসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ নেন তিনি। প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করায় চলতি বছরের জানুয়ারিতে চট্টগ্রাম বিভাগের শ্রেষ্ঠ ডিসি নির্বাচিত হন মো. ইলিয়াস হোসেন। তার সময়ে ভেজাল খাদ্য, মাদক, বেশি দামে ওষুধ বিক্রি ঠেকাতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে নজিরবিহীন অভিযান পরিচালনা করছে জেলা প্রশাসন। এক সময়ে ময়লার ভাগাড় হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানাকে বদলে দিয়ে দৃষ্টিনন্দন করাসহ নানা উদ্যোগ গ্রহণ করায় ২০১৯ সালে জনপ্রশাসন পদক লাভ করেন মো. ইলিয়াস হোসেন। চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সংস্কার, সাধারণ ও অবহেলিত দুস্থ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রাণি বিষয়ক সচেতনতামূলক শিক্ষা কার্যক্রম, নতুন নতুন প্রাণি সংযোজন, সংরক্ষণ ও পর্যটন সুবিধা বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিবেশ ও আর্থসামাজিক উন্নয়নের জন্য তিনি এ পদক গ্রহণ করেন। করোনা সংক্রমণ শুরুর পর চট্টগ্রামে লোকজনকে ঘরে রাখতে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, বিদেশ ফেরতদের কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করা, কর্মহীন দিনমজুরদের ঘরে ঘরে খাবার পৌঁছে দেওয়া, অক্সিজেন সিলিন্ডারসহ করোনার চিকিৎসা সামগ্রীর দাম নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের নানা উদ্যোগ দেশব্যাপী প্রশংসা পায়। করোনা মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের এসব কাজ সার্বক্ষণিক মনিটরিং করেন জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াস হোসেন। গত ২৬ জুলাই বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের নৈতিকতা কমিটির এক সভায় জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল কর্ম-পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০১৯-২০ অর্থ বছরে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াস হোসেনসহ তিন জনকে শুদ্ধাচার পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়। শুদ্ধাচার পুরস্কারের জন্য মনোনীত বাকি দুই জনের মধ্যে একজন বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার খোন্দকার মো. ইখতিয়ার উদ্দিন আরাফাত এবং অন্যজন উন্নয়ন শাখার উচ্চমান সহকারী নেপাল কান্তি দাশ।

সর্বশেষ সংবাদ