পটিয়া থানা থেকে পালিয়ে যাওয়া লাইজু গ্রেপ্তার, ৩ দিনের রিমান্ড
২১,জুলাই,মঙ্গলবার,মো.ইসমাইল,পটিয়া চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: পটিয়া থানা থেকে পালিয়ে যাওয়া আলোচিত মাদক সম্রাজ্ঞি মোছাম্মৎ লাইজুকে পুলিশ ফের গ্রেপ্তার করেছে। রাজধানীর সাভার থানায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর শোন এরেস্ট দেখিয়ে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুরে পটিয়া থানা পুলিশ ৩ দিনের রিমান্ডে আনেন। চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি চট্টগ্রাম-কক্সবাজার আরকান মহাসড়ক হয়ে লাইজু ইয়াবার একটি চালান নিয়ে গন্তব্যে যাচ্ছিল। পটিয়া থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে লাইজুকে গ্রেপ্তার করেন। ওই সময় তার কাছ থেকে ১ হাজার ৯শ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরের দিন ভোরে থানা হেফাজত থেকে পালিয়ে যায়। দীর্ঘ ৫ মাস ২০ দিন পর সাভার থানা পুলিশ ফের গ্রেপ্তার করেন। পুলিশ জানান, মাদক সম্রাজ্ঞি লাইজু প্রায় সময় কক্সবাজার থেকে ইয়াবা নিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাচার করে থাকেন। পটিয়ায় ইয়াবাসহ গ্রেফতার হওয়ার পর লাইজু আমাদের নতুন সময় পত্রিকার স্টাফ রির্পোট হিসেবে পরিচয় দেন। ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় পটিয়া থানায় একটি মামলা রেকর্ড করলেও লাইজু থানা হাজত থেকে পালিয়ে যায়। পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় আরো একটি মামলা হয়। দায়িত্ব অবহেলার কারণে পটিয়া থাানার এএসআই শামসুদ্দিন ভুঁইয়া, কনস্টেবল মো. রিয়াজ ও মহিলা কনস্টেবল মোছাম্মৎ মমতাজকে ক্লোজ করা হয়। পরবর্তীতে মাদক সম্রাজ্ঞি লাইজুকে পুনরায় গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান চালায়। কিন্তু গ্রেফতার করতে পারেনি। ২০২০ সালের ৯ মে সাভার থানা পুলিশ লাইজুকে মাদক আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার করেন। পটিয়া থানার উপ-পরিদর্শক হিরো বিকাশ লাইজুকে চট্টগ্রাম কারাগার থেকে শোন এরেষ্ট দেখিয়ে মঙ্গলবার থানায় আনেন। পটিয়া থানার ওসি বোরহান উদ্দিন নিউজ একাত্তরকে জানিয়েছেন , লাইজু থানা থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর প্রায় সময় কক্সবাজার থেকে ইয়াবা নিয়ে যেত। তাকে গ্রেফতার করতে বিভিন্ন এলাকায় অভিযানও করা হয়েছে। সে বিভিন্ন সময় আনোয়ারা, বাঁশখালী হয়ে কক্সবাজারে যেত। পুলিশের নজরদারি থাকার কারণে সে ধরা পড়েছে।
কালুরঘাট সেতু : সংস্কারের নামে লুটপাটের অভিযোগে নোটিশ
২১,জুলাই,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পোড় খাওয়া সেই কালুরঘাট সেতু নিয়ে একের পর সমালোচনায় জড়িয়ে পড়ছে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল। এবার এই সেতু সংস্কারের নামে অনিয়ম, দুর্নীতি ও সরকারি অর্থ লুটপাট হচ্ছে বলে দাবি করে রেলপথ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও চট্টগ্রাম দুর্নীতি দমন কমিশনের পরিচালক বরাবরে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন সেলিম চৌধুরী নামে একজন আইনজীবী। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ওই দুই দপ্তর বরাবরে পাঠানো নোটিশে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক একটি পত্রিকার বরাতে তিনি বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এই সেতু মেরামতের জন্য ৫২ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। যা এবি কন্ট্রাকশন নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দরপত্রের মাধ্যমে ওয়ার্ক ওর্ডার পেয়েছে। কিন্তু উল্লেখিত পত্রিকার খবরে আইনজীবী সেলিম চৌধুরী জানতে পারেন যে, মূলত ১৩ জুলাই রাতে সংস্কারের জন্য এই সেতু বন্ধ করে দেয়া হলেও ১৯ জুলাই পর্যন্ত কোন কাজ হয়নি। ২০ জুলাই সামান্য কিছু কাজ হয়েছিল। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, সামান্য এই কাজে ব্যয় হয়েছে বড়জোর ৫ থেকে ৭ লাখ টাকা। আইনজীবি সেলিম চৌধুরী বলেন, এই সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে তা আমার নজরে আসে। পরে জনগণের পক্ষে আমি একটি লিগ্যাল নোটিশ রেলওয়ে ও দুদক বরাবরে পাঠাই। ওই নোটিশে বলা হয়েছে, ১৯ জুলাই থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত পত্রিকায় যাতায়াত বন্ধের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। অথচ সেখানে দৃশ্যমান কোন কাজ হয়নি। বরঞ্চ এই বিজ্ঞপ্তির কারণে জনগণ বিভ্রান্ত হয়েছে। অন্যদিকে সরকারি টাকা সেতু সংস্কারের নামে লুটপাটের জন্যই এমনটা করা হয়েছে। এসব বিষয়ে জানতে চেয়ে পূর্বাঞ্চল রেলওয়ের প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ সবুক্তগীন এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এখনো কাজ চলমান আছে। এই ধরণের কোন প্রতারণা করা সম্ভব নয়। তাছাড়া কোন অভিযোগ থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে। প্রসঙ্গত, এর আগে সংস্কার কাজের জন্য সোমবার (১৩ জুলাই) থেকে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) জরাজীর্ণ কালুরঘাট ব্রিজে মোট ১১ দিন রাতে যানবাহন চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। তবে সংশ্লিষ্টরা জানান, দিনে ট্রেনসহ অন্যান্য যানবাহন স্বাভাবিক নিয়মে চলবে। প্রতিদিন রাত ১০টা থেকে পরদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত সেতুর ওপর দিয়ে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। সংস্কার কাজ শেষে সেতুটি আবার আগের নিয়মে খুলে দেওয়া হবে।- সিভয়েস
বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, ভারী বর্ষণ চলবে আরও দুদিন
২১,জুলাই,মঙ্গলবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আগামী ২৩ জুলাই বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ভারী বর্ষণ চলমান থাকবে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২১ জুলাই) আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকার কারণে ভারী বর্ষণ চলমান থাকায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আর উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক জানান, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারী বর্ষণ হচ্ছে। কোথাও কোথাও অতিভারী বর্ষণও হচ্ছে। আগামী কয়েকদিন বৃষ্টিপাত এমনই থাকবে। সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এ বৃষ্টিপাত হচ্ছে বলে জানা গেছে। এছাড়া রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর, বগুড়া, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, পাবনা, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিমি বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর (পুনঃ) সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এ অবস্থায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, সিলেট, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হতে পারে। তাপমাত্রা ও সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় (মঙ্গলবার সকাল ৬টা পর্যন্ত) ঢাকায় ৮৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ সময়ে দেশের সবচেয়ে বেশি ১২২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে সিরাজগঞ্জের তাড়াশে।- পূর্বকোণ
চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্ত ১৩০৬৫, নতুন ১৩৮
২১,জুলাই,মঙ্গলবার,শারমিন আকতার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৩ হাজার ৬৫ জন। গত ২৪ ঘন্টায় চট্টগ্রামে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১৩৮ জন। সোমবার (২০ জুলাই) রাতে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী এইদিন ১ হাজার ১১৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। মোট ৭টি ল্যাবের নমুনা পরীক্ষা করানো হয়। এরমধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ল্যাবে ১০৬টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩০ জন করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছেন। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (বিআইটিআইডি) ল্যাবে ১৮৫টি নমুনা পরীক্ষা করে ২০ জনের শরীরের করোনার সংক্রমণ পাওয়া যায়। এছাড়া, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ২০৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে আরও শনাক্ত হয়েছেন ৩২ জন। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) ল্যাবে ১৫৩ টি নমুনা পরীক্ষা করে মাত্র ৩ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব মিলেছে। অন্যদিকে, বেসরকারি শেভরণ ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে ১০৩টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৭ জন এবং ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ল্যাবে ৩৩৪টি নমুনা পরীক্ষা করে ২২ জন করোনা আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। কিন্তু এইদিন কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে ৩১টি নমুনা পরীক্ষা করা হলে ৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়। চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টার নমুনা পরীক্ষায় ১৩৮ জন নতুন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এইদিন নমুনা পরীক্ষা করা হয় ১হাজার ১১৫ টি। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে নগরে ৮৯ জন এবং উপজেলায় ৪৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে মৃত্যুবরণ করেছে ২ জন এবং সুস্থ হয়েছেন আরও ৪০ জন।
মারুফ আত্মহত্যা : ওসি সদীপকে শোকজ, বরখাস্ত হবে এসআই হেলাল
২০,জুলাই,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নগরীর ডবলমুরিং থানার আগ্রাবাদে তরুণ মারুফের আত্মহত্যার ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে কমিটি। এতে মারুফের আত্মহত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত এসআই হেলাল খানের বিরুদ্ধে উঠা সব অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে কমিটি। সেকারণে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়েরসহ সাময়িক বরখাস্তের সুপারিশ করা হয়েছে। অন্যদিকে নিজের অধীনস্ত অফিসারকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে ব্যর্থ হওয়ায় ডবলমুরিং থানার ওসি সদীপ দাশকে শোকজ করার সুপারিশ করা হয়েছে। সোমবার বিকেল ৫ টার পর সিএমপি কমিশনার মো. মাহবুবর রহমানকে ১৬ পৃষ্টার এই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। কমিটির প্রধান নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার (পশ্চিম) মোহাম্মদ মনজুর মোর্শেদের সাথে এসময় উপস্থিত ছিলেন কমিটির অন্য দুই সদস্য ডবলমুরিং জোনের সহকারি কমিশনার (এসি) শ্রীমা চাকমা ও নগর পুলিশের সিএসবি শাখার সহকারী কমিশনার (এসি) নুরুল আফসার ভূইয়া। তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করলেও ডিসি (ডিবি-পশ্চিম) মনজুর মোরশেদ বিস্তারিত জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তবে সিএমপির একটি সূত্র জানিয়েছে, তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযুক্তসহ মোট ৩২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। এতে ঘটনার দিন এসআই হেলাল খান থানার ওসিকে অবগত না করে সেখানে বেআইনিভাবে অভিযানে যাওয়ার সত্যতা মিলেছে। এছাড়া তিনি পুলিশি পোশাকেও ছিলেন নাহ। সেকারণে সাময়িক বরখাস্তের পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়েরের সুপারিশ করা হয়েছে। অভিযানের সময় অন্য দুইজন রাজীব ও সবুজের নাম শুনা গেলেও তদন্ত কমিটি তাদের বিরুদ্ধে কোনও সাক্ষ্য প্রমাণ পায়নি। এছাড়া নিজের অধীনস্ত অফিসারকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যর্থ হওয়ায় এর লিখিত জবাব দিতে শোকজ করা হচ্ছে ডবলমুরিংয়ের ওসি সদীপ দাশকে। জবাবের ওপর ভিত্তি করে তার বিরুদ্ধেও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে ১৬ পৃষ্টার তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে। এছাড়াও ভবিষ্যতে এধরণের ঘটনা যাতে না ঘটে পুলিশের যত আইন কানুন মেনে দায়িত্ব পালন করার কথা তা পুনরায় স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে তদন্ত প্রতিবেদনে। গত ১৬ জুলাই রাতে করা ডবলমুরিং জোনের এসি শ্রীমা চাকমা ও ডবলমুরিং থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জহির হোসেনের নেতৃত্ব তদন্ত কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখান করেছিলেন সিএমপি কমিশনার। এরপর ডিসি (ডিবি-পশ্চিম) মনজুর মোরশেদের নেতৃত্বে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয় ১৮ জুলাই। প্রসঙ্গত, গত ১৬ জুলাই সন্ধা ৭ টায় নগরীর ডবলমুরিং থানাধীন আগ্রাবাদের বাদামতলি মসজিদ এলাকায় ডবলমুরিং থানার এসআই হেলাল খানের হাতে নিজ মা বোনের লাঞ্চিত হওয়ার ঘটনায় অপমানিতবোধ করে রাগে ক্ষোভে আত্মহত্যা করেছেন দশম শ্রেণি পড়ুয়া ১৬ বছরের তরুণ সাদমান ইসলাম মারুফ। এ ঘটনায় ১৬ জুলাই ও পরদিন ১৭ জুলাই বাদামতলি মসজিদ এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি করেছেন এলাকাবাসী। এলাকাবাসী বলছেন, প্রথমে হেলাল খানের দুজন পোষ্য সোর্সের হাতে কোনোরকম কারণ ছাড়াই মারধরের শিকার হয় তরুণ মারুফ। এর কিছুক্ষণ পর ঘটনাস্থলে আসেন হেলাল খান। সোর্সদের সাথে হেলাল খানও মারুফসহ তার মা বোনকে বেদম পিটিয়ে নাজেহাল করেন। একপর্যায়ে মারুফ সটকে পড়লে তার মা বোনকে গাড়িতে তুলে নিয়ে যায় এসআই হেলাল খান। বিষয়টি মানতে পারেননি মারুফ। রাগে ক্ষোভে পাশের করিম চাচার ঘরে গিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনার পরপর ডবলমুরিং থানার এসআই হেলাল খানকে সাময়িকভাবে ক্লোজড করেছিল নগর পুলিশ।- সিভয়েস
সেবকদের জন্য ১১১ কোটি টাকায় ৪টি ১৪ তলা ভবন চসিকের
২০,জুলাই,সোমবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১১১ কোটি টাকা ব্যয়ে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) সেবকদের জন্য ১৪তলা ৪টি ভবনের নির্মাণকাজ উদ্বোধন করেছেন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। প্রতিটি ফ্ল্যাটে একেক পরিবারের জন্য ৪৩৫ বর্গফুট জায়গা থাকবে। প্রতিটি ভবনে এ আয়তনের মধ্যে দুটি বেড রুম, লিভিং কাম ডাইনিং স্পেস, কিচেন ও ওয়াসরুম থাকবে। প্রতিটি ভবনের নিচতলায় স্কুল, কমিউনিটি সেন্টার, কিডস জোন, উপাসনালয়, ২টি লিফট, ৪০০ কেভি জেনারেটর, ট্রান্সফরমার ও অগ্নিনিরাপত্তা সরঞ্জাম থাকবে। সোমবার (২০ জুলাই) নগরের ৩২ নম্বর আন্দরকিল্লা ও ৩৩ নম্বর ফিরিঙ্গিবাজার ওয়ার্ডে অত্যাধুনিক পরিচ্ছন্নকর্মী ভবন নির্মাণকাজের উদ্বোধনকালে মেয়র এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত ইচ্ছা ও প্রণোদনায় চট্টগ্রামের পরিচ্ছন্নকর্মীদের জন্য বাসযোগ্য অত্যাধুনিক আবাসন ভবন নির্মাণ উদ্যোগ সমাজের কর্মজীবী প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বাসস্থানের মৌলিক অধিকার পূরণের একটি ভিত্তি সোপান। এ অধিকার আদায়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আমার নিবেদনে তিনি সাড়া দিয়ে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ ও প্রকল্প প্রস্তাবনাপত্র চার বার কাটছাঁট করে তা চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক নিরাপত্তার পথিকৃৎ হলেন এবং সমাজ প্রগতির-সফল রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে হিমালয় সম উচ্চতায় উন্নীত হলেন। তাই শেখ হাসিনা প্রান্তিক মানুষের আর্থ সামাজিক নিরাপত্তার স্তম্ভ। মেয়র বলেন, আমি আমার ছাত্রজীবন থেকেই দেখছি তাদের বাসস্থান বা কলোনিগুলোর অবস্থা খুবই শোচনীয় এবং অপরিচ্ছন্ন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তারা জীবনধারণ করছেন। আমার পূর্বসূরি মেয়র হিসেবে যারা ছিলেন তারাও চেষ্টা করেছেন সেবক শ্রেণির জীবনমান উন্নয়নে। আমি তাদের কাছে প্রাণিত হয়ে পরিচ্ছন্ন কর্মীদের জীবনমান উন্নয়নের পূর্বশর্ত হিসেবে তাদের আবাসন সংস্থানের বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়ে তা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করি। চলমান করোনা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রামসহ সারা দেশে মেগা প্রকল্পগুলোর কাজ কিছুটা হলেও গতি হারিয়েছে। কিন্তু চট্টগ্রামে সেবক কলোনিতে পরিচ্ছন্ন কর্মীদের আবাসন ভবন নির্মাণকাজের জন্য বরাদ্দ আংশিক কমিয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন অব্যাহত রাখার উদ্যোগ চলমান রয়েছে। এ জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি শুধু ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানোই যথেষ্ট নয়, এ জনকল্যাণমুখী চেতনাকে আমরা যারা রাজনীতি করি তাদের অন্তরে ধারণ করতে পারলে সমাজ প্রগতির ধারা তীব্রতর হবে। মেয়র পরিচ্ছন্ন কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, সম্প্রতি পরিচ্ছন্ন কাজের গতি বাড়াতে ডোর টু ডোর আবর্জনা সংগ্রহে প্রায় ২ হাজার পরিচ্ছন্ন কর্মী নিয়োগ দিয়েছি। এ নিয়োগে সেবক কলোনির কর্মীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। কাউন্সিলর জহর লাল হাজারী ও হাসান মুরাদ বিপ্লবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, ইসমাইল বালী, সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর আঞ্জুমান আরা বেগম, লুৎফুন্নেছা দোভাষ বেবী, মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মনিরুল হুদা, ঝুলন কান্তি দাশ, নির্বাহী প্রকৌশলী ফরহাদুল আলম, সহকারী প্রকৌশলী সালমা বেগম, মো. মিজবাউল আলম, মো. রিফাতুল আলম, উপ-সহকারী প্রকৌশলী তানজিম ভূইয়া, ঠিকাদার আশীষ কুমার দাশ, দিদারুল আলম, সায়েম রিজভীসহ নাসির আহমেদ, মাহমুদুর রহমান বাবুল, মোহাম্মদ ইসহাক মিয়া, মঞ্জুর আলম, মঞ্জুর মোরশেদ, ছগির আহম্মদ, মোহাম্মদ ইউনুস, খোরশেদ আলম রহমান, তাজউদ্দিন রিজভী, তানভীর আহমেদ রিংকু, জাহাঙ্গীর আলম, খালেক হোসেন, আব্দুল আজিজ, এনামুল হক, আব্দুল মতিন, আব্দুল গফুর সুমন, মো. মহিউদ্দিন, অসিউর রহমান, মো. পারভেজ, নুরুল আজিম, আকতার মিয়া, সরওয়ার সরকার, সামিউল হাসান, মো. আজম, অনিন্দ্য দেব, মো. নজরুল, মো. নাবেদ, প্রমুখ। মোনাজাত পরিচালনা করেন ফিরিঙ্গিবাজার জামে মসজিদের সহকারী ইমাম হাফেজ আব্দুল আওয়াল। গীতা পাঠ করেন আকাশ বাবু।
চার দিনের মাথায় ফের বদলি বন্দর থানার ওসি
২০,জুলাই,সোমবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: পুলিশ পরিদর্শক মীর মোহাম্মদ নুরুল হুদা ছিলেন ইপিজেড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)। বুধবার (১৫ জুলাই) তাকে বন্দর থানার ওসি পদে বদলি করা হয়। শুক্রবার (১৭ জুলাই) তিনি বন্দর থানায় যোগ দিয়ে দায়িত্ব বুঝে নেন। কিন্তু রোববার (১৯ জুলাই) পুলিশ সদর দফতর থেকে তাকে শিল্প পুলিশে বদলি করা হয়। তবে কেন বা কী কারণে হঠাৎ এমন বদলি, তা জানা যায়নি। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান নিউজ একাত্তরকে বলেন, পুলিশ সদর দফতর থেকে বন্দর থানার ওসি মীর মোহাম্মদ নুরুল হুদাকে শিল্প পুলিশে বদলি করা হয়েছে। মীর মোহাম্মদ নুরুল হুদা ইপিজেড থানায় দায়িত্ব পালনের আগে চকবাজার থানায় ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
ফটিকছড়িতে অস্ত্র,গুলি,ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক
১৯,জুলাই,রবিবার,সজল চক্রবর্তী,ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: অস্ত্র,গুলি,মাদক এবং মাদক বিক্রীর টাকাসহ ফটিকছড়ির দাতঁমারা ইউপির ২ নং ওয়ার্ড হেয়াকো পশ্চিম সিকদারখিল এলাকা থেকে পুলিশের তালিকাভুক্ত এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ।শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।পরে তার স্বীকারোক্তি মতে অস্ত্র,গুলি, ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। জানা গেছে,দাতঁমারা ইউপির পশ্চিম সিকদারখিল এলাকার লেংড়া আব্বাসের ছেলে মোঃ সুমন (৩৫) দীর্ঘদিন যাবৎ ভূজপুর থানা এলাকা এবং মীরশ্বরাই উপজেলার জোরারগন্জ এলাকায় ডাকাতি,মাদক কারবারের সাথে যুক্ত রয়েছে।তার বিরুদ্ধে ভূজপুর এবং জোরারগন্জ থানায় ১২ টি মাদক মামলা,১ টি অস্ত্র মামলা এবং ১ টি সরকারি কর্মচারির উপর হামলার মামলা রয়েছে। তাকে ধরার জন্য পুলিশ হন্য হয়ে খুজছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভূজপুর থানার অফিসার শেখ আব্দুল্লাহ্,দাতঁমারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সোহরাওয়ার্দী সরওয়ার,এএসআই আল আমিন খানসহ সঙ্গীর ফোর্স অভিযান পরিচালনা করে পশ্চিম সিকদারখিল আব্বাস ওরফে লেংড়া আব্বাসের বাড়ী থেকে সুমনকে আটক করে।পরে তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তার দেয়া স্বীকারোক্তি মতে তার শয়ন কক্ষ হতে ১ টি দেশীয় তৈরী বন্ধুক,১ টি পাইপগান(যাতে. ৩০৩ রাইফেলের গুলি ব্যবহৃত হত),০৬ রাউন্ড. ৩০৩ রাইফেলের গুলি,০৩ টি ১২ বোর কার্তুজ,১৫০ টি ইয়াবা এবং মাদক বিক্রয়ের ৩৮ হাজার ৫০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।এ ব্যাপারে ধৃত সুমনের বিরুদ্ধে পুলিশ পরিদর্শক সোহরাওয়ার্দী সরওয়ার বাদী হয়ে ১ টি অস্ত্র মামলা এবং ১ টি মাদক মামলা দায়ের শেষে জেল হাজতে প্রেরণ করা হবে। জানা গেছে গত বছর উক্ত সুমনকে হেয়াকো ক্যাম্পের বিজিবি গোয়েন্দা সদস্য নায়েক সোহেল আটক করতে চাইলে সাথে থাকা চাকু দিয়ে সোহেলকে কুপিয়ে আহত করে সুমন।সে ঘটনায় মামলা হলে সুমন দীর্ঘদিন জেলে ছিল। তার পিতাও একজন পেশাদার চোর।আব্বাইচ্যা চোরা হিসেবে তাকে এক নামে সবাই চিনে।তার অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ ছিল।বিগত ১৫/১৬ বছর আগে বাগান বাজার ইউপির আমতলী এলাকায় চুরি করতে যায় আব্বাস।পরে স্হানীয়রা তাকে হাতে নাতে ধরে মেরে পা ভেঙ্গে দেয়।মুমুর্ষ অবস্হায় আব্বাসকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ডাক্তারদের পরামর্শে তার পা কেটে ফেলতে হয়।সে থেকে আব্বাস পা হারা।
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ইউএনডিপি কর্মীর পরিবারে মেয়রের সহায়তা
১৯,জুলাই,রবিবার,রাজিব দাশ,,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্পে কর্মরত পুষ্টি কর্মী হুমায়রা মাহামুদ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন। আজ ১৯ জুলাই বিকালে তার দুই মেয়েকে ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার অনুদান প্রদান করেছেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। তিনি নিহতের পরিবারের সদস্যদেরকে ব্যক্তিগত তহবিল থেকেও সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেন। এসময় চসিক, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সামসুদ্দোহা, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মফিদুল আলম, মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেম, প্রধান পরিছন্ন কর্মকর্তা শফিকুল মান্নান সিদ্দিকী, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুদীপ বসাক ,প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের ও দারিদ্র্য হ্রাস কর্মসূচি প্রকল্পের টাউন ম্যানেজার সরোয়ার হোসেন খাঁন, আইটি অফিসার ইকবাল হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর