মঙ্গলবার, মে ১৮, ২০২১
পার্কভিউ হাসপাতালের অবহেলায় আ.লীগ নেতার মৃত্যুর অভিযোগ
০২,জুলাই,বৃহস্পতিবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: দুই দফায় চিকিৎসা নিয়ে কিছুটা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ হোসেন। একদিনের ব্যবধানে ফের অসুস্থতা বেড়ে গেলে তাকে নিয়ে আসা হয় একই হাসপাতালে। কিন্তু তাকে ভর্তি করাতে গড়িমসি করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এমন অভিযোগ উঠেছে নগরের বেসরকারি পার্কভিউ হাসপাতালের বিরুদ্ধে। মোহাম্মদ হোসেনকে ভর্তি করাতে তার স্বজনদের ছোটাছুটির মধ্যেই পার্কভিউ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে মারা যান তিনি। মোহাম্মদ হোসেন কর্ণফুলী থানার শিকলবাহা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি। মোহাম্মদ হোসেনের ভাতিজা ইসহাক ইমন নিউজ একাত্তরকে বলেন, আমার চাচা মোহাম্মদ হোসেন পার্কভিউতে ভর্তি ছিলেন। বুধবার বিকেলে তিনি কিছুটা সুস্থ বোধ করায় তাকে বাড়িতে নিয়ে যাই। রাতে উনার শ্বাসকষ্ট হলে বৃহস্পতিবার সকালে পার্কভিউ হাসপাতালে নিয়ে আসি। কিন্তু তখন তারা চাচাকে ভর্তি করাতে চায়নি। তিনি অভিযোগ করেন, দুই ঘণ্টা রোগীকে কেউ দেখতেও আসেনি। একপর্যায়ে একজন ডাক্তার এসে বলেন উনি করোনা সাসপেক্টেড। আইসিইউ লাগবে। এরপর বলে একবার ৪ তলায় যান, আবার বলে ৮ তলায় যান। এভাবে করতে করতে রোগী মারা যায়। এ ঘটনায় তারা আইনগত ব্যবস্থা নেবেন বলেও জানান ইসহাক ইমন। এ বিষয়ে জানতে পার্কভিউ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. এটিএম রেজাউল করিমকে মোবাইলে কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
চট্টগ্রামে করোনায় নতুন আক্রান্ত ২৭১, মোট ৯১২৩ জন
০২,জুলাই,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২৭১ জন। মৃত্যুবরণ করেছেন ৬ জন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৯ জন। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদন থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামের ৬টি ল্যাব ও কক্সবাজার ল্যাবে মোট ১ হাজার ৩৭৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এরমধ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ল্যাবে ১৪২টি নমুনা পরীক্ষা করে ৫১ জন করোনা পজেটিভ রোগী শনাক্ত হয়। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসে (বিআইটিআইডি) ৩১৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে শনাক্ত হয় আরও ২৩ জন। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) ল্যাবে ৪০৮টি নমুনা পরীক্ষা করে ১০০ জন করোনা পজেটিভ পাওয়া গেছে। চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) ২৫৪টি নমুনা পরীক্ষা করে ২৫ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস পাওয়া যায়। এছাড়া বেসরকারি ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে ১৫৭টি নমুনা পরীক্ষা করে ৪১জন এবং শেভরণ ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরিতে ৯৬টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩০জন শনাক্ত হয়। অন্যদিকে কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজে চট্টগ্রামের একটি মাত্র নমুনা পরীক্ষা করে করোনা শনাক্ত হয়। চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৩৭৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। নতুন আক্রান্ত হয়েছে ২৭১ জন। এদের মধ্যে নগরে ১৮৭ জন এবং উপজেলায় ৮৪ জন। করোনায় এ পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হলেন ৯ হাজার ১২৩ জন।
নকল হ্যান্ড স্যানিটাইজার-মাস্কসহ Rab-7 এর হাতে আটক ১
০১,জুলাই,বুধবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রামনিউজ একাত্তর ডট কম: নগরের ডবলমুরিং থানাধীন পাঠানতুলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে নকল হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও নিম্নমানের কেএন ৯৫ মাস্কসহ মো. নাঈম সালাউদ্দীন (২৬) নামে একজনকে আটক করেছে Rapid Action BAttalion (Rab)। বুধবার (১ জুলাই) পাঠানতুলী এলাকায় বায়জিদখান বিল্ডিংয়ের একটি দোকানে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে Rab। আটক মো. নাঈম সালাউদ্দীনের কাছ থেকে ৪৯২ লিটার নকল হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও বিপুল নিম্নমানের কেএন ৯৫ মাস্ক ও সার্জিক্যাল মাস্ক উদ্ধার করা হয়েছে। আটক মো. নাঈম সালাউদ্দীন নগরের চান্দগাঁও এলাকার সেলিম সালাউদ্দীনের ছেলে বলে জানিয়েছে Rab। Rab-7 এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. মাহমুদুল হাসান মামুন নিউজ একাত্তরকে বলেন, পাঠানতুলী এলাকায় অভিযান চালিয়ে নকল হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও নিম্নমানের কেএন ৯৫ মাস্কসহ মো. নাঈম সালাউদ্দীন নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। তার কাছ থেকে ৪৯২ লিটার নকল হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও বিপুল নিম্নমানের কেএন ৯৫ মাস্ক ও সার্জিক্যাল মাস্ক উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে ডবলমুরিং থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
১০০ শয্যার সিএমপি-বিদ্যানন্দ ফিল্ড হাসপাতালের উদ্বোধন
০১,জুলাই,বুধবার,শারমিন আকতার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: মেট্রোপলিটন পুলিশ ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডশনের ব্যবস্থাপনায় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় যাত্রা শুরু করলো সিএমপি-বিদ্যানন্দ ফিল্ড হাসপাতাল। প্রাথমিকভাবে ৫০ শয্যা দিয়ে যাত্রা শুরু করা এই হাসপাতালকে দ্রুত সময়ের মধ্যে ১০০ শয্যায় রূপান্তর করা হবে। বুধবার(১জুলাই) ১১ টায় হাসপাতালের উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ মাহাবুবর রহমান । উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ। জনগণের অর্থায়নে নির্মিত এই হাসপাতালে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করোনা পজেটিভ রোগীদের পাশাপাশি অন্যান্য উপসর্গের রোগীদেরও চিকিৎসা দেওয়া হবে। প্রাথমিকভাবে প্রতিদিন ১০টি করে করোনা স্যাম্পল কালেকশন করা হবে। ১২ জন দক্ষ চিকিৎসক, ১৬ জন নার্স ও ৫০ জন স্বেচ্ছাসেবকের সমন্বয়ে গঠিত টিম থাকবে রোগীদের সার্বক্ষনিক চিকিৎসার দায়িত্বে। এছাড়াও টেলিমেডিসিন সেবার মাধ্যমে যুক্ত হবেন দেশ বিদেশের বিভিন্ন প্রান্তের দক্ষ চিকিৎসকরা। প্রতিটি বেডে থাকবে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সাপ্লাই সিস্টেম। রোগীদের যাতায়তের জন্য সার্বক্ষনিক ভাবে প্রস্তুত থাকবে দুইটি এ্যাম্বুলেন্স। ইতোমধ্যেই সিএমপির ব্যবস্থাপনায় দামপাড়াস্থ সিএমপির সদরদপ্তরে নিয়োগকৃত ডাক্তার ও নার্সদের জন্য ব্রিফিং ও ট্রেনিং সেশনের আয়োজন করা হয়। ট্রেনিং প্রদান করেন খ্যাতনামা মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ইউ এস টিসি কোভিড হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক প্রফেসর সৈয়দ জাবেদ। সিএমপি ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে নির্মিত এই হাসপাতাল বন্দর নগরীর জনসাধারনের চিকিৎসা সেবায় ও করোনা ভাইরাসের নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে সিএমপি কমিশনার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) আমেনা বেগম, বিপিএম-সেবা, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) এস. এম. মোস্তাক আহমেদ খান বিপিএম, পিপিএম (বার), অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশন) শ্যামল কুমার নাথ সহ পুলিশের অন্যান্য ঊদ্ধর্তন কর্মকর্তা, হাসপাতালের ডাক্তার, নার্স ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা।
জহুর আহমেদ চৌধুরীর ৪৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা নিবেদন
০১,জুলাই,বুধবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রামনিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধূ সরকারের মন্ত্রী জননেতা মরহুম জহুর আহমেদ চৌধুরীর ৪৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কবরে ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ। এই উপলক্ষে আজ সকালে মরহুমের কবর স্থান প্রাঙ্গনে দোয়া,খতমে কোরান ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসময় সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী,সাধারণ সম্পাদক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন,উপদেষ্টা আলহাজ্ব শফর আলী,সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, প্রচার সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুক, সদস্য বেলাল আহমদ,সাইফুদ্দিন খালেদ বাহারসহ অপরাপর সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য,ওয়ার্ড,থানা , ইউনিট আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সিএমপি-বিদ্যানন্দ করোনা হাসপাতাল উদ্বোধন বুধবার
৩০জুন,মঙ্গলবার,শারমিন আকতার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে চালু হতে যাচ্ছে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ফিল্ড হাসপাতাল। বুধবার (১ জুলাই) পতেঙ্গায় বি কে কনভেনশন সেন্টারে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে সিএমপি-বিদ্যানন্দ ফিল্ড হাসপাতাল। উদ্বোধন করবেন সিএমপি কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান। ১০০ শয্যা বিশিষ্ট এই হাসপাতালে থাকবে ২০টি হাই ফ্লো অক্সিজেন সুবিধা সংবলিত বেড। ১২ জন চিকিৎসক, ১৮ জন নার্স ও ৫০ জন স্বেচ্ছাসেবক থাকবেন সার্বক্ষণিক চিকিৎসা ও সেবার দায়িত্বে। একটি সেন্ট্রাল অক্সিজেন সিস্টেমের মাধ্যমে প্রতিটি বেডে থাকবে অক্সিজেন সংযোগ। এছাড়াও রোগীদের যাতায়াত সুবিধায় থাকবে সার্বক্ষণিক অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস। সিএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (জনসংযোগ) মোহাম্মদ আবুবকর সিদ্দিক বলেন, বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে ও সিএমপির সহযোগিতায় এ অস্থায়ী ফিল্ড হাসাপাতাল চালু হচ্ছে। বুধবার সিএমপি-বিদ্যানন্দ ফিল্ড হাসপাতাল উদ্বোধন করবেন সিএমপি কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান স্যার। তিনি জানান, নগরের জনসাধারণ এই হাসপাতালে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে করোনা টেস্ট করতে পারবেন। এছাড়া আক্রান্ত হলে চিকিৎসা সেবাও পাবেন বিনামূল্যে। করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধির ফলে সরকারী হাসপাতালগুলোতে স্থান সংকুলান হচ্ছে না। সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ও জীবনের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে স্থাপন করা হচ্ছে এই বিশেষ ফিল্ড হাসপাতাল। সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাশ্রমে প্রতিষ্ঠিত এই হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে। এদিকে সিএমপি-বিদ্যানন্দ ফিল্ড হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, স্বেচ্ছাসেবকদের সিএমপির ব্যবস্থাপনায় করোনা চিকিৎসা বিষয়ক ব্রিফিং ও ট্রেনিং দেন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ প্রফেসর সৈয়দ জাবেদ।
করোনাকালে অসৎ সিন্ডিকেট লুণ্ঠনে লিপ্ত: নাছির
৩০জুন,মঙ্গলবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাকালে অসৎ প্রকৃতির স্বার্থপর গোষ্ঠী ও সিন্ডিকেট লুণ্ঠন প্রবৃত্তিতে লিপ্ত উল্লেখ করে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, এরা সরকার ও জনগণের শত্রু। করোনা অদৃশ্য শত্রু। তাই ধরাছোঁয়ার বাইরে। যারা দৃশ্যমান শত্রু তাদের ঘায়েল করার ক্ষমতা সরকার ও জনগণের আছে। তাই এ শত্রুকে নির্মূল করতে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করতে হবে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) নগরের অন্যতম ব্যস্ততম ও গুরুত্বপূর্ণ নিমতলা থেকে পোর্ট কানেকটিং সড়কের চলমান উন্নয়ন কাজ আকস্মিক পরিদর্শনকালে মেয়র এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের পণ্য পরিবহনে নিমতলা পোর্ট কানেকটিং রোড গুরুত্বপূর্ণ। এ সড়ক দিয়েই বন্দর থেকে প্রতিদিন পণ্য বা কনটেইনারবাহী গাড়ি ঢাকাসহ দেশের নানা প্রান্তে যাতায়াত করে। দীর্ঘদিন ধরে এ সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে পণ্য পরিবহনে দুর্ভোগ এবং হয়রানি পোহাতে হচ্ছে। ছয় লেন বিশিষ্ট পোর্ট কানেকটিং রোড উন্নয়ন কাজ এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে। এটি বাস্তবায়িত হলে বন্দরের পণ্য পরিবহনে গতিশীলতা ফিরে আসবে। উন্নয়ন কাজ চলাকালীন ভোগান্তির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সড়কের উন্নয়নকাজ চলাকালীন সাময়িক দুর্ভোগ, হয়রানি হচ্ছে। এটা উন্নয়নের প্রসববেদনা। এ বেদনা সইতে হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এ এলাকা হবে নগরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। চট্টগ্রাম বন্দরের পণ্য পরিবহনকে কেন্দ্র করে এ এলাকায় গড়ে উঠবে সংশ্লিষ্ট শিল্পাঞ্চল। এ সড়কে দুই দফায় ৫০ কোটি করে ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নিমতলা পোর্ট কানেকটিং থেকে বড়পুল, বড়পুল থেকে নয়াবাজার পর্যন্ত এবং আগ্রাবাদ বাদামতলী থেকে বড়পুল নয়াবাজার পর্যন্ত ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে উন্নয়নকাজ হচ্ছে। এ প্রকল্পের আওতায় রাস্তার দুই পাশে আরসিসি ড্রেন ও ফুটপাত নির্মাণ, রাস্তার মাঝখানে ৮ ফুট বিশিষ্ট মিডিয়ান নির্মাণ, এলইডি আলোকায়ন ব্যবস্থা থাকবে। ছয় লেনের সড়কটির দৈর্ঘ্য দুই কিলোমিটার ও প্রস্থ ১২০ ফুট। অপরদিকে একই প্রকল্পে আগ্রাবাদ এক্সেস রোডের ২ কিলোমিটার পর্যন্ত উন্নয়ন করা হবে। মেয়র সব ধরনের সেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্বাচ্ছন্দ্যে যাতায়াতের জন্য অবকাঠামো উন্নয়নে নগরবাসীর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি সরকারের সেবামূলক কাজকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করে বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের চলমান সড়ক নির্মাণ ও সংস্কারকাজে অহেতুক দীর্ঘসূত্রতা দেখা যাচ্ছে এবং কাজের মানও রক্ষা হচ্ছে না। এ ধরনের জনস্বার্থবিরোধী কার্যকলাপ শাস্তিযোগ্য অপরাধ। যারা ইচ্ছাকৃতভাবে এসব কার্যকলাপে লিপ্ত তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। মেয়র আগামী নভেম্বরের মধ্যে এ সড়কের সব উন্নয়নকাজ শেষ করে যান চলাচলের উপযোগী করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন। পরিদর্শনকালে মেয়রের সহকারী একান্ত সচিব রায়হান ইউসুফ, চসিক নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সাদাত মো. তৈয়ব, সহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার জাহান, বেলাল আহমদ, এসএম মামুনুর রশিদ, আনিসুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের সাক্ষাৎ: সকালে টাইগারপাসে মেয়র দফতরে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের নেতারা মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনেরসময় দুর্যোগকালে মেয়র নগরের সামাজিক সংগঠন ও ধনাঢ্য ব্যক্তিদের মানবতার সেবায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। নগর আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ সম্পাদক মশিউর রহমান চৌধুরী, ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা সমন্বয়ক মুজিবুর রহমান, এসএম সাজ্জাদ হোসেন, কাজী আবু জব্বার, কোয়ান্টাম লাশ দাফন টিমের প্রধান সেবক মো. এহসানুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এডভোকেট সুলতানুল কবির চৌধুরীর ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ
৩০জুন,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দূর সময়ের কাণ্ডারি, ১৯৭৫ পর যারা বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের জন্যে সারা বাংলার যুব সমাজ কে জেগে উঠার জন্যে ডাক দিয়েছিল, নিজের জীবন বাজী রেখে তাদের মধ্যে অন্যতম। সিটি সুলতান বলে আখ্যায়িত করতেন স্বাধীন বাংলার জনগন। সময়ের সাহসী সৈনিক, সৎ, যোগ্য, বাংলাদেশ আওয়ামী যুব লীগের সাবেক ভার প্রাপ্ত চেয়ারম্যান, সাবেক সাংসদ, স্পষ্টবাদী, অন্যায় এর বিরুদ্ধে সবসময় প্রতিবাদকারী, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের এবং বঙ্গবন্ধু পরিবারের আস্থাবাজন নেতা, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক,দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি জননেতা এডভোকেট সুলাতান উল কবির চৌধুরী ভাইয়ের আজ ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী। তিনি চট্রগ্রাম মহানগর যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন।এছাড়া ছাত্রলীগের সভাপতি, সিটি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি,জিএস ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসাবে তিনি বিভিন্ন অপারেশন অংশগ্রহণ করে সন্মুখ যুদ্ধে করেছিলেন। তিনি বিএলএফ চট্রগ্রামের প্রধান এস এম ইউছুফের গ্রুপ কমান্ডার হিসাবে কাজ করেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে তার অবদান অতুলনীয়। ১৯৮৮ সালে চট্টগ্রাম লালদিঘীর জনসভায় জননেত্রী শেখ হাসিনার উপর গুলিবর্ষণ করেছিল সেসময়ে নেত্রীকে রক্ষায় যে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখেছিল তা অতুলনীয়।সেদিন অনেক নেতাকর্মী মৃত্যু হয়েছিল আর অনেকে পঙ্গু ও আহত হয়েছিল। তার স্মৃতি চারন করে সাবেক ছাত্রনেতা ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপ-কমিটির সদস্য তসলিম উদ্দিন রানা বলেন -সুলতান ভাইয়ের বাসায় নিয়মিত যাওয়ার সুবাধে তিনি মুক্তিযুদ্ধের অনেক স্মৃতিচারন করতেন আমাদের সাথে। তার মত আদর্শিক ও ত্যাগী নেতা আজকের দিনে দুর্লভ।তিনি অসম্ভব সাহসী ও মেধাবী রাজনীতিবিদ ছিলেন।যখন দলের দুঃসময় তখন সুলতান ভাই বীরের মত যুদ্ধ করে দলকে টিকিয়ে রেখেছিল।৭৫ এর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু হত্যার পর যে কজন নেতা রাজনীতির জন্য কাজ করেছে তার মধ্যে অন্যতম প্রিয় নেতা সুলতান ভাই। হে মহান বীর যোদ্ধা ভুলিনি তোমাই ভুলবো না আমরা, তুমি রবে আমাদের মনে চিরকাল অনন্তকাল।আল্লাহ আপনাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন আমিন।

সর্বশেষ সংবাদ