মঙ্গলবার, মে ১৮, ২০২১
হাজারী লেইনে জেলা প্রশাসনের সাঁড়াশি অভিযান: ২৯ মামলায় প্রায় ১১ লক্ষ টাকা জরিমানা
৭জুন,রোববার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: ওষুধের মুল্যবৃদ্ধি, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, ফার্মেসিস্ট সার্টিফিকেট না থাকা, আনরেজিস্টার্ড ওষুধ রাখা,বিদেশী অবৈধ ওষুধ রাখা, মূল্য কর্তন করা, নকল পিপিই,মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখার মতো কাজ করতে এতটুকু পিছপা হচ্ছে না অসাধু ওষুধ ব্যবসায়ীরা। তাদের লাগাম টেনে ধরতে জেলা প্রশাসনের চারজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর নেতৃত্বে নগরীর পাইকারী ওষুধ মার্কেট হাজারী গলিতে অভিযান পরিচালিত হয়। এসময় ২৯ মামলায় ১০ লাখ ৯৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেন ভ্রাম্যমান আদালত। আজ রবিবার ৭ জুন দুপুর ২ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত চলা অভিযানে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিরীন আক্তার, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম আলমগীর হোসেন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ উমর ফারুক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরী। অভিযানে উপস্থিত ছিলেন ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক হোসাইন মোহাম্মদ ইমরান ও কামরুল হাসান, Rab ও পুলিশের সদস্যরা। অভিযানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিরীন আক্তার ও এস এম আলমগীর হোসেন পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালত ১৪ জন ফার্মেসী ব্যাবসায়ীকে ৭ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিরীন আক্তার জানান, করোনা মহামারীনে পুঁজি করে হাজারি লেইনের ঔষধ দোকানদারদের বিরুদ্ধে ওষুধের মুল্যবৃদ্ধি, ওষুধের কিত্রিম সংকট সৃষ্টি, ফার্মেসিস্ট সার্টিফিকেট না থাকা, আনরেজিস্টার্ড ওষুধ রাখা, নকল পিপিই,মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিক্রির অনেক অভিযোগ ছিল। আজকের অভিযানে এসে এসবের সত্যতা পাই। জাবেদ মেডিকোতে গিয়ে দেখা যায় দেরারচ্ছে বিভিন্ন কোম্পানীর আনরেজিস্টার্ড ও বিভিন্ন যৌন উত্তেজক ওষুধ বিক্রি করছে। একই দোকানে হোমিও, ইউনানী ও এলোপাথিক ওষুধ বিক্রি করছে যা বেআইনি। আজকের অভিযানে জাবেদ মেডিকোকে ৫০ হাজার টাকাসহ ১৪ টি মামলায় ৭ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। তারমধ্যে সার্ভিস এন্ড কর্পোরেশনকে ৫০ হাজার টাকা, মাসুম সার্জিক্যাল মার্টকে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা,বাচা বাবা মেডিকেল হলকে ৫০ হাজার টাকা,আশা সার্জিক্যাল কে ৫০ হাজার টাকা,আল আমিন সার্জিক্যালকে ৫০ হাজার টাকা,বিসমিল্লাহ মেডিকেল হলকে ২০ হাজার টাকা,নিহার সার্জিক্যাল কে ৫০ হাজার টাকা,মা ফাতেমা মেডিকেল হলকে ৫০ হাজার টাকা,মা ফাতেমা মেডিকেল হলকে ৫০ হাজার টাকা,ফ্রেন্ডস ফার্মেসিকে ৩০ হাজার টাকা, হযরত তুফান আলী শাহ মেডিকেলকে ১০ হাজার টাকা, জাভেদ মেডিকোকে ৫০ হাজার টাকা, অন্তরা ফার্মেসীকে ২০ হাজার টাকা, চট্টলা ফার্মেসীকে ২০ হাজার টাকা ও মিনা সার্জিক্যালকে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। তিনি আরও জানান, এছাড়া প্রায় ১০ লক্ষ টাকার ঔষধ জব্ধ করা হয়। জব্ধকৃত তালিকায় আছে নকল মাস্ক, নকল হ্যান্ড স্যানিটাইজা্র,নকল পিপি, নকল জীবানুনাশক,অননুমোদিত মেডিকেল ডিভাইস, যৌন উত্তেজক ঔষুধ,মেয়াদ উওীর্ণ ঔষুধ। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গালিব চৌধুরী জানান, আজকে ডিসি স্যারের নির্দেশে আমরা ঔষধের পাইকারি বাজার হাজারি লেইনে অভিযান চালাই। অভিযানে আনরেজিস্টার্ড ওষুধ রাখা,বিদেশী অবৈধ ওষুধ রাখা, মূল্য কর্তন করা, নকল পিপিই,মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখার দায়ে অসাধু ব্যবসায়ীদের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ উমর ফারুক জানান, অভিযানে ওষুধের মুল্যবৃদ্ধি, সংকট সৃষ্টি, ফার্মেসিস্ট সার্টিফিকেট না থাকা, আনরেজিস্টার্ড ওষুধ রাখা,বিদেশী অবৈধ ওষুধ রাখা, মূল্য কর্তন করা, নকল পিপিই,মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখার দায়ে অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রাম ভ্রাম্যমান আদালতের এ অভিযান পরিচালনা করেন। তিনি ৩ লক্ষ ৪৩ হাজার টাকা জরিমানা করেন। তার মধ্যে এনাম মেডিকেলকে ৫০ হাজার টাকা , মেমোরি ড্রাগ হাউস কে ৫০ হাজার টাকা, নিউ চট্টলা মেডিকেল কে ৫০হাজার টাকা ,সবুজ ফার্মেসী কে ৪০ হাজার টাকা ,সন্ধ্যা ড্রাগ হাউস কে ৪০ হাজার টাকা ,গোপাল মেডিকেল কে ৩০ হাজার টাকা, যমুনা মেডিকেল কে ৩০ হাজার টাকা, আনিকা ড্রাগ হাউসকে ৩০ হাজার টাকা ,ভাই ভাই ট্রেডার্স কে ১৮ হাজার টাকা ও চট্রশলা এন্টারপ্রাইজ কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। জনস্বার্থে এ ভ্রাম্যমান আদালতের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিরীন আক্তার।
পরীক্ষায় ফেল করে আত্মগোপনে; সাজালো অপহরণ নাটক!
৭জুন,রোববার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,,নিউজ একাত্তর ডট কম: ২০২০ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ফলাফল প্রত্যাশী ছিলেন অভিজিৎ চক্রবর্ত্তী (১৭)। ৩১ মে বাসা থেকে বের হয়ে পরীক্ষার রেজাস্ট দেখতে গিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি আর ফেরেননি। কোতোয়ালি থানার ওসি মোঃ মহসিন ও টিম কোতোয়ালি অভিযান চালিয়ে নগরীর চকবাজার এলাকার এক আবাসিক হোটেল থেকে তাকে উদ্ধার করে। অনলাইনে ফলাফল দেখে জানতে পারলেন এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করেছেন অভিজিৎ চক্রবর্ত্তী। বাসা থেকে বের হওয়ার সময় মায়ের রাখা ৭ হাজার টাকা নিয়ে বের হয়েছিলেন। রেসাল্ট ফেল আসায় আর তিনি ফেরত যাননি। চকবাজারের একটি হোটেলে গিয়ে রুম ভাড়া নিয়ে সেখানে অবস্থান করছিলেন। ১ জুন অভিজিৎ চক্রবর্ত্তীর বাবা কোতোয়ালী থানায় নিখোঁজ ডায়রী করেন। সেই নিখোঁজ ডায়রী তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ চকবাজারের আবাসিক হোটেলে অভিজিৎ চক্রবর্ত্তীর অবস্থান জানতে পারে। শনিবার (৬ জুন) চকবাজারের হোটেল চক ইনের একটি কক্ষ থেকে অভিজিৎকে উদ্ধার করে পুলিশ। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সিনিয়র সহকারী কমিশনার (কোতোয়ালী জোন) নোবেল চাকমা জানান, ১ জুন অভিজিৎ চক্রবর্ত্তীর বাবা নিখোঁজ ডায়রী করেছিলেন। শনিবার রাতে চকবাজারের হোটেল চক ইনের একটি কক্ষ থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। অভিজিৎকে তার পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হচ্ছে। নোবেল চাকমা বলেন, এসএসসি পরীক্ষার ফেল করেছিলেন অভিজিৎ চক্রবর্ত্তী। পরে বাসা থেকে ৭ হাজার টাকা নিয়ে চকবা জারে একটি হোটেলে গিয়ে আত্মগোপন করেন। জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায়, গত ৩১শে মে এস. এস. সি. পরীক্ষার রেজাল্ট আনতে ঘর থেকে বের হয় কিন্তু রেজাল্ট ভালো হয়নি তাই নিজে আত্মগোপনে থেকে এই অপহরনের নাটক সাজায় এবং সে ওই দিন থেকেই হোটেলে অবস্থান করেছিল। মোঃ মহসিন জানান, মায়ের জমানো টাকা নিয়ে রেজাল্ট আনতে ঘর বের হয়। পরে রেজাল্ট খারাপ হওয়ায় এই অপহরনের নাটক সাজায়। গুজব ছড়ায় অপহরনের । বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক অনুসন্ধানের পর অভিজিৎ চক্রবর্তীকে হোটেল থেকে উদ্ধার করে তার মা বাবার কাছে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।
চট্টগ্রামে ওষুধ বিক্রিতে চরম নৈরাজ্য
৭জুন,রোববার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চরম নৈরাজ্য চলছে ওষুধ বিক্রিতে। কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত সব ধরণের ওষুধের দাম বাড়ানো হয়েছে ৫ থেকে ১০ গুণ পর্যন্ত। এ অবস্থায় গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে ওষুধ সিন্ডিকেটের চিহ্নিতের পাশাপাশি দাম নিয়ন্ত্রণে অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করছে সিএমপি শ্বাসকষ্টের রোগী স্ত্রীকে হাসপাতালে রেখে অক্সিজেন সিল্ডিারের খোঁজে দোকানের পর দোকান ঘুরছেন স্বামী। তার মতো অবস্থা নগরবাসীর অনেকেরই। পাইকারি মার্কেটগুলো ঘুরে পাওয়া যাচ্ছে না প্রয়োজনীয় ওষুধ। আবার পাওয়া গেলেও দাম আকাশ ছোঁয়া। ৩০ টাকার জীবাণুনাশক স্যাভলনের বোতলের দাম এখন ১১০ টাকা। করোনা রোগীদের জন্য ব্যবহৃত ওষুধ নিয়ে মানবাধিকার সংগঠনের অনুসন্ধানে বের হয়ে এসেছে আঁতকে ওঠার মতো তথ্য। ১২ হাজার টাকার অক্সিজেন সিলিন্ডার ৩০ হাজার টাকার বেশি। সেই সাথে ২০ টাকার ডক্সিক্যাপ ৫৫ টাকা, ৭৫০ টাকার আইভেরা ট্যাবলেট ২৪শ টাকা, ৫০ টাকার স্ক্যাবো ট্যাবলেট ৮শ টাকা, ২৫ টাকার জিঙ্ক ৫০ টাকা, ২০ টাকার সিভিট ৫০ টাকা, ৪৮০ টাকার মোনাস ট্যাবলেট ১ হাজার ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশন সভাপতি অ্যাডভোকেট জিয়া হাবীব আহসান বলেন, অনুমোদন ছাড়া ওষুধের দাম বাড়ানো যায় না, তবু এখানে কোন লাগাম নেই। অভিযোগ উঠেছে, কোনো রকম তদারকি না থাকায় পাইকারি ওষুধ ব্যবসায়ীরাই কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দাম বাড়িয়েছে। তবে ওষুধ ব্যবসায়ীরা অভিযোগ অস্বীকার করছেন। ড্রাগিষ্ট অ্যান্ড কেমিষ্ট এসোসিয়েশন এর সাধারণ সম্পাদক আশীষ ভট্টাচার্য বলেন, ওষুধগুলো এক হাত দুই হাত ঘুরে আসার কারণেই কিন্তু বাজারটা উর্ধ্বগামী। এদিকে গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে ওষুধ সিন্ডিকেট সদস্যদের চিহ্নিতের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন সিএমপি'র এ কর্মকর্তা। সে সাথে পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে ঔষধের দাম নিয়ন্ত্রণে অভিযান চালানোর। সিএমপি উপ কমিশনার এস এম মেহেদী হাসান বলেন, আমরা এধরণের কোন কার্যক্রম পেলে তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা গ্রহণ করব। চট্টগ্রামে বর্তমানে প্রায় ৩৭শ করোনা রোগী রয়েছেন। সেই সাথে শ্বাসকষ্টের পাশাপাশি করোনার উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন আরো কয়েক হাজার মানুষ।- somoynews.tv
উখিয়ায় ৪৬ হাজার পিস ইয়াবাসহ ১ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে Rab-7
৬জুন,শনিবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানাধীন ময়নার ঘোনা থেকে ৪৬ হাজার পিস ইয়াবাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে Rab-7। আজ শনিবার ৬ জুন দুপুর ১ঃ৩০ মিনিটের সময় কক্সবাজার জেলার উখিয়া থানাধীন ময়নার ঘোনা রাস্তার মাথা এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন Rab-7 এর সহকারী পরিচালক( মিডিয়া) এএসপি মাহমুদুল হাসান মামুন। আটককৃত আসামী হল ফয়সাল আমিন (২৬) কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থানাধীন উলুচামারী, লামার পাড়া, হ্নীলা এলাকার জালাল আহমদ এর ছেলে। Rab-7 এর সহকারী পরিচালক এএসপি সোহেল মাহমুদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি যে, কক্সবাজার জেলার উখিয়া থানাধীন ময়নার ঘোনা রাস্তার মাথা, মরা গাছতলা রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে মাদকের একটি বড় চালান বের হবে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে Rab-7 এর একটি টহল দল অভিযান চালিয়ে একজনকে হাতে নাতে আটক করা হয়। পরে আটককৃত আসামীকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তার দেখানো ও সনাক্ত মতে তার কাধে থাকা ব্যাগতল্লাশি করে ৪৬ পিস হাজার ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তিনি আরও জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায়, সে দীর্ঘদিন যাবত টেকনাফ থানাধীন সীমান্তবর্তী এলাকা হতে ইয়াবা ট্যাবলেট সংগ্রহ করে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের কাছে বিক্রয় করে আসছে। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মূল্য ২ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা। গ্রেফতারকৃত আসামীকে কক্সবাজার জেলার উখিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে ঔষধ বিক্রি করলে বা ঔষধ মজুদ করলে কঠোর ব্যবস্থাঃ সিএমপি
৬জুন,শনিবার,ফয়সাল সিকদার,চট্টগ্রাম প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ শনিবার ৬ জুন সিএমপি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে যে, চট্টগ্রাম মহানগরী এলাকায় কোন ফার্মেসীতে কোভিড-১৯ (করোনা ভাইরাস) বা অন্য যেকোনো ধরনের রোগের ঔষুধের দাম নির্ধারিত মূল্যের চাইতে যদি কেউ বেশি মূল্যে বিক্রি করতে চায় বা দাবি করে অবশ্যই নিকটস্থ থানার অফিসার ইনচার্জ কে অথবা সিএমপির হট লাইন নাম্বারে ( করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত সিএমপি'র হটলাইনঃ ০১৮ ৮০ ৮০ ৮০ ৮০) ফোন করে তাৎক্ষণিক এ সংক্রান্ত তথ্য প্রদান করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে। সম্প্রতি বিভিন্ন সূত্রে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে যে, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ ও চিকিৎসা সংক্রান্ত বিভিন্ন ঔষধের মূল্য কোন কোন ফার্মেসিতে ঔষুধ বিক্রেতাগন নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি মূল্যে বিক্রি করার চেষ্টা করছেন। নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে যদি কেউ ওষুধ বিক্রি করেন এ সংক্রান্ত অভিযোগ শুনে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সিএমপি। ইতোমধ্যে মহানগরীর হাজারি লেন সহ বিভিন্ন ঔষধের ফার্মেসিতে সিএমপি কর্তৃক অভিযান পরিচালিত হয়েছে এবং তা অব্যাহত থাকবে। নগরীর বিভিন্ন ফার্মেসী এলাকায় ঔষধ মজুদ ও মূল্য বৃদ্ধি সংক্রান্ত গোপন তথ্য সংগ্রহের জন্য গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম মহানগরীর সর্বস্তরের নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করছে সিএমপি।
আইসিইউসহ করোনা আক্রান্তদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত না হলে চট্টগ্রাম অচলের ঘোষণা
৬জুন,শনিবার,রাজিব দাশ,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: মানববন্ধন সমাবেশে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন এর সহ সভাপতি রিয়াজ হায়দার চৌধুরী বলেছেন, পেশাজীবির নামে যারা মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে মাস্তানি করেন তাদেরকে কি করে স্বাস্থ্য সেবা সমন্বয় কমিটিতে স্থান দেয়া হয়। যারা মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে নয়ছয় করবে তাদের অচিরেই গ্রেপ্তার করার দাবী জানান তিনি। বাংলাদেশ পরিবেশ ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আলীউর রহমাম বলেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে চট্টগ্রামে ১০০ আইসিইউ বেড সহ সরকারি বেসরকারি সকল হাসপাতালে করোনা চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হলে সর্বস্তরের জনগণকে নিয়ে চট্টগ্রাম অচল করে দেয়া হবে। তিনি বলেন দেশের মোট জাতীয় আয়ের ৩৩ শতাংশ প্রদাবকারী চট্টগ্রামের মানুষ একটু অক্সিজেনের অভাবে ধুঁকে ধুঁকে মরবে সেটা কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না। করোনা মহামারীতে চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রাম বিভাগের সর্বস্তরের মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার দাবীতে বাংলাদেশ পরিবেশ ফোরাম আয়োজিত মানব বন্ধন সমাবেশ চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক ড. ইদ্রিচ আলীর সভাপতিত্বে ০৬ জুন শনিবার দুপুর ১২ টায় আয়োজিত উক্ত সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. ইদ্রিচ আলী বলেন, চট্টগ্রামের মানুষ জাতীয় সকল সংকটে সবার আগে নিজেদের উৎসর্গ করেছে। দেশের অন্যতম ধনী এলাকা হিসাবে চিহ্নিত চট্টগ্রামে স্বাস্থ্যসেবার এই দৈন্যতা কিছুতেই মেনে নেয়া যায়না। সার্ক মানবাধিকার সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ আফছারুল হক বলেন, ত্রিশ টাকার ঔষধ তিনশত টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অক্সিজেন এখন সোনার হরিন। ম্যাজিস্ট্রেসি অভিযান করে এইসব অরাজকতা বন্ধ করার দাবি জানান তিনি। সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্য মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক ও আবৃত্তিকর্মী মোঃ তাজুল ইসলাম, এডভোকেট মোঃ জাফর হায়দার, কর্ণফুলী নদী সাম্পান মাঝি কল্যান সমিতির সভাপতি এসএম পেয়ার আলী, নির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ মিজান, সদস্য আলী নূর, রোটারিয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, ছাত্রনেতা মোঃ সাজ্জাদ হোসাইন, সাংবাদিক রিয়াজুর রহমান নারীনেত্রী আরিকা মাইশা প্রমুখ।
ফার্মেসীগুলির ডাকাতি ঠেকাতে হাজারীর গলিতে অভিযান করুন: ক্যাব চট্টগ্রাম
৬জুন,শনিবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামে করোনামহামারীতে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বেসরকারী ক্লিনিক মালিকরা যেভাবে জনগনকে সেবা না দিয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে, তেমনি ফার্মেসি মালিকেরাও জীবন রক্ষাকারী ওষুধ নিয়ে ডাকাতি শুরু করে দিয়েছে। নির্ধারিত দামের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি দামে বিক্রি করছে করোনার সাথে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি ওষুধ। চট্টগ্রামের অলিতে গলিতে ফার্মেসীগুলিতে এ সমস্ত ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে না। তবে দাম বেশী দিলে আবার বের করে দিচ্ছে। ফার্মেসীগুলির এই অতিরিক্তি দামে ওষুধ বিক্রি ঠেকাতে চট্টগ্রামের ওষুধের পাইকারী বাজার হাজারী গলিতে Rab, জেলা প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) চট্টগ্রাম। চট্টগ্রামের ফার্মেসীগুলিতে করোনা সংস্লিষ্ঠ ওষুধের অতিরিক্ত মূল্য আদায় ও জীবন রক্ষাকারী ওষুধের কৃত্রিম সংকটে উদ্বেগ প্রকাশ করে ০৬ জুন ২০২০ শনিবার গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন, ক্যাব চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাধারন সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরী, ক্যাব মহানগরের সভাপতি জেসমিন সুলতানা পারু, সাধারণ সম্পাদক অজয় মিত্র শংকু, যুগ্ন সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম, ক্যাব চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল মান্নান, ক্যাব যুব গ্রুপের সভাপতি চৌধুরী কে এনএম রিয়াদ ও সম্পাদক নিপা দাস উপরোক্ত দাবি জানান। বিবৃতিতে ক্যাব নেতৃবৃন্দ উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, কিছু ফার্মেসী করোনাভাইরাসকে পুঁজি করে ৭৫০ টাকা দামের আইভেরা ৬ মিলিগ্রাম নামের ওষুধ ৬ প্যাকেট বিক্রি করছে ২ হাজার ৪০০ টাকা। ৫০ টাকার স্ক্যাবো ৬ মিলিগ্রাম নামের ওষুধ প্রতি পাতা বিক্রি করছে ৫০০ টাকা, ২৫ টাকা দামের জিঙ্ক ২০০ মিলিগ্রাম নামের ওষুধ প্রতি পাতা বিক্রি করছে ৫০ টাকা, ২০ টাকা দামের সিভিট ২৫০ মিলিগ্রাম নামের ওষুধ প্রতি পাতা বিক্রি করছে ৫০ টাকা। ৩৬০ টাকা দামের রিকোনিল ২০০ মিলিগ্রাম নামে ওষুধ প্রতি প্যাকেট (৩ পাতা) বিক্রি করছে ৬০০ টাকা, ৪৮০ টাকা দামের মোনাস ১০ মিলিগ্রাম নামের ওষুধের প্রতি প্যাকেট (২ পাতা) বিক্রি করছে ১ হাজার ৫০ টাকা, ৩১৫ টাকা দামের অ্যাজিথ্রোসিন ৫০০ মিলিগ্রাম নামের ওষুধের প্রতি প্যাকেট (৩ পাতা) বিক্রি করছে ৬০০ টাকায়। বিবৃতিতে ক্যাব নেতৃবৃন্দ বলেন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, ওষুধ প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের কাছে জীবন রক্ষাকারী ওষুধের মূলহোতা কারা সবই তারা জানে। তারপরেও মূল জায়গায় অভিযান পরিচালনা না করে লোক দেখানো ছিটেফোটা অভিযান পরিচালনা করে জনগনের ভোগান্তির মাত্রা বাড়ায়। ওষুধের কৃত্রিম সংকট ও দাম বেশী নেবার ঘটনায় ওষুধ প্রশাসনের প্রত্যক্ষ হাত থাকায় এ অপরাধীরা করোনা শুরু হবার সময় সেনিটাইজার, ডেটল, সেভলন বাজার থেকে গায়েব করে দেন। প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কোন কিছু করা বা তাদের ডেকে বলার প্রয়োজনটুকু অনুভব করেনি। ফলে তারা এখন আরও বেপরোয়া হয়ে কৃত্রিম সংকট করে তাদের অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। যা শুধু দুঃখজনক নয়, অমানবিকও বটে।
স্ত্রীকে খুন করে ফেনীতে আত্মগোপন, Rab-7 এর হাতে আটক
৬জুন,শনিবার,শারমিন আকতার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: পারিবারিক কলহের জেরে ২০১৪ সালের মার্চে চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে শ্বাসরোধে নাসিমা হত্যা মামলায় পলাতক স্বামী আবুল হোসেন লিটনকে (৩৮) আটক করেছে Rapid Action Battalion (Rab)। শনিবার (৬ জুন) ভোর ৬টার দিকে ফেনী জেলার সোনাগাজী থানাধীন মাদ্রাসা মোড় এলাকা থেকে তাকে আটক করে Rab-7 এর একটি টিম। আটক আবুল হোসেন লিটন ফেনী সোনাগাজী থানাধীন রাগবপুর এলাকার হাফেজ আহমদের ছেলে। আবুল হোসেন লিটন তার স্ত্রী নাসিমাকে ওড়না পেঁচিয়ে হত্যা করেন। Rab-7 এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. মাহমুদুল হাসান মামুন নিউজ একাত্তরকে বলেন, পারিবারিক কলহের জেরে ২০১৪ সালের মার্চে চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে শ্বাসরোধে নাসিমা হত্যা মামলায় পলাতক স্বামী আবুল হোসেন লিটনকে ফেনীর সোনাগাজী থেকে আটক করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পর থেকে পলাতক ছিলেন আবুল হোসেন লিটন। ২০১৪ সালের ৩১ মার্চ পাহাড়তলী এলাকায় হত্যার শিকার হন নাসিমা নামের এক গৃহবধূ। হত্যার পর নাসিমার মরদেহ ড্রামে লুকিয়ে রাখা হয়। হত্যাকাণ্ডের পর ২০১৪ সাল থেকে আবুল হোসেন লিটন পলাতক ছিলেন। মামলার তদন্ত শেষে সিআইডি আবুল হোসেন লিটনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়।
চট্টগ্রামের কদমতলীতে শীর্ষ সন্ত্রাস জয়নাব আলীর নির্যাতনের স্বীকার মা ও মেয়ে বৃষ্টি
৬জুন,শনিবার,ফয়সাল সিকদার,চট্টগ্রাম প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামে গার্মেন্স কর্মী উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করে হামলার শিকার হয়েছেন মা ও মেয়ে। জয়নাব আলী নামের এক যুবক সন্ত্রাসী ধারালো অস্ত্রের এলোপাতাড়ি আঘাতে উভয়ে রক্তাক্ত জখম হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে চমক মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রবিবার (৩১ মে) সকালে যুবক সন্ত্রাসী জয়নাব আলীর নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী চট্টগ্রাম কদমতলী মোড়ে ফুট পাতে চায়ের দোকানে এই হামলা চালিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গার্মেন্স কর্মী ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েদের কে একই এলাকার মৃত ছালামত আলী ছেলে জয়নাব আলী দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করে আসছিল। একইভাবে (৩১মে) সকাল ৭.২০ মিনিটে গার্মেন্সে কর্মী বৃষ্টি যাওয়ার পথে উত্ত্যক্ত করার বিষয়ে প্রতিবাদ করা হলে। বাসা কদম তলী মোড় রেল লাইনের পাসে সড়কে গার্মেন্স কর্মী বৃষ্টির মা মোরশেদা বেগম (৪৫) ওপর একদফা হামলা করে সন্রাসী জয়নাব আলী। এই ঘটনায় পুলিশের কাছে যাওয়ার প্রস্তুতির খবর পেয়ে জয়নাব আলী মোরশেদা বেগমমের চায়ের দোকান হামলা করে। একপর্যায়ে গার্মেস কর্মী বৃষ্টিকে মারধর করলে তার মা মোরশেদা বেগম ও পাসে থাকা চায়ের দোকান দার ইমান (৬০) প্রতিরোধে এগিয়ে আসে। এসময় সন্ত্রাসীরা মোরশেদা বেগমক ও ইমানকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। খবর পেয়ে আশেপাশের লোকজন ছুটে আসলে সন্ত্রাসী পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে মোরশেদা বেগমকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার চারদিন পর আসামী জয়নাব আলীকে ডবল মুরিং থানা পুলিশ আটক করেন আসামীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

সর্বশেষ সংবাদ