চট্টগ্রামে করোনায় আরো ৪ জনের মৃত্যু
২৮মে,বৃহস্পতিবার,সৈয়দুল ইসলাম,চট্টগ্রাম,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামে গেলো ২৪ ঘন্টায় করোনাক্রান্ত হয়ে আরো ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চট্টগ্রামে মোট মৃত্যু হয়েছে ৬৫ জনের। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সন্ধ্যায় জেলা সিভিল কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানান জেলা সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বি। এদিকে চট্টগ্রামে গেলো ২৪ ঘন্টায় ৬০২টি নমুনা পরীক্ষায় আরো ২১৫জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে চট্টগ্রাম জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২২০০। এদিন রাত সোয়া ১টায় চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি জানান, চট্টগ্রামে মোট ৬০২ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে বিআইটিআইডিতে ২০৯টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩৮ জন, সিভাসুতে ১০০টি নমুনা পরীক্ষা করে ৩৬ জন, চমেক ল্যাবে ২৫৯টি নমুনা পরীক্ষা করে ১৩৮ জনের করোনা পজেটিভ পাওয়া যায়। এছাড়া কক্সবাজার মেডিক্যাল কলেজ ল্যাবে ৩৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে চট্টগ্রামের ৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়। প্রসঙ্গত: এ নিয়ে বাংলাদেশে করোনাক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন মোট ৫৫৯ জন এবং মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৪০,৩২১ জন।
সীতাকুণ্ডে বিএসবিএ হাসপাতাল পরিদর্শনে সিটি মেয়র নাছির
২৮মে,বৃহস্পতিবার,শারমিন আকতার,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারীতে অবস্থিত বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএসবিএ) হাসপাতালটি পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন। আজ বৃহস্পতিবার (২৮মে) বেলা ১২টার সময় ভাটিয়ারীর ৬ তলার ১০০ শয্যার এ হাসপাতালটি পরিদর্শন করেছেন করোনা হাসপাতাল হিসাবে অধিগ্রহণ করার জন্য পরিদর্শন করেছেন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তারা হাসপাতালটি ঘুরে দেখেন। পাশাপাশি অবকাঠামোগত কোনও ত্রুটি আছে কিনা সেটিও দেখেন। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে রোগীর চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামের এই হাসপাতালটিতে ১০০টি বেড প্রস্তুত আছে। কিন্তু হাসপাতালটিতে নেই কোনও ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ)। ফলে করোনা আক্রান্ত কোনও মুমূর্ষু রোগীর আইসিইউ সেবা প্রয়োজন হলেও সেটি দেওয়া সম্ভব হবে না। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডাক্তার ফজলে রাব্বি, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) চট্টগ্রাম শাখার সভাপতি ডা. মুজিবুল হক খান, বিএসবিএ বোর্ড মেম্বার নাঈম আহম্মদ শাহ, সীতাকুণ্ড থানার সার্কেল এএসপি শম্পা রানী সাহা, অফিসার ইনচার্জ মো. ফিরোজ হোসেন মোল্লা।
অতিরিক্ত শ্রমিক বহনের দায়ে থিয়ানিস গার্মেন্টস এর দুটি বাস আটক ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা
২৮মে,বৃহস্পতিবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন নিয়মিত ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ নগরীর বিভিন্ন স্থানে জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেটগণ ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। এসময় সিইপিজেড এর এক গার্মেন্টসকে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত শ্রমিক পরিবহন করার দায়ে দুটি বাস আটক করে এবং ৫০০০০ টাকা জরিমানা করা হয়। আজ ২৮ মে সকাল ১০ ঘটিকা থেকে বিকেল ৩ ঘটিকা পর্যন্ত পরিচালিত এসব অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিরীন আক্তার, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুশফিকীন নূর ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা আফরিন। নগরীর বন্দর এলাকায় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা আফরিন কর্তৃক পরিচালিত ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে বন্দর ভবনের সামনে থেকে থিয়ানিস গার্মেন্টস এর দুইটি বাস স্বাস্থ্যবিধি না মেনে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত শ্রমিক পরিবহন করার দায়ে আটক করে এবং সিইপিজেড এর সংশ্লিষ্ট গার্মেন্টসকে ৫০০০০ টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমান আদালত। এছাড়াও অভিযান কালে সামাজিক দুরত্ব বজায় না রাখা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চলায় আরো ৩ টি পৃথক মামলায় ২৩০০ টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমান আদালত। অন্যদিকে নগরীর সদরঘাট, কোতোয়ালি, ডবলমুরিং, হালিশহর এলাকায় সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিতকরণে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শিরীন আক্তার। এসময় সামাজিক দূরত্ব না মেনে অধিক সংখ্যক যাত্রীসহ বেশ কিছু ভাড়ায় চালিত গাড়ি , মাইক্রোবাস ও সিএনজি অটোরিকশায় চলাচল করতে দেখা যায় বলে জানান তিনি।এসময় ৬ টি পৃথক মামলায় ১৪০০ টাকা জরিমানা করে ভ্রাম্যমান আদালত। এছাড়া খুলশী,পাচলাইশ চান্দগাও, চকবাজার,বায়েজিদ এলাকায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুশফিকীন নূর পরিচালিত মোবাইল কোর্ট এর মাধ্যমে করোনার প্রাদুর্ভাব নিরসনের লক্ষ্যে জনগনকে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার ব্যাপারে সচেতন করা হয়।চান্দগাও,বায়েজিদ এবং খুলশী এলাকায় অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহনকারী সিএনজি চালকদের কে কঠোরভাবে সর্তক করে ভ্রাম্যমান আদালত।
চট্টগ্রামে আজ করোনায় আক্রান্ত ৯৮ জন, ২ জনের মৃত্যু
২৭মে,বুধবার,সৈয়দুল ইসলাম,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামে আজ ( ২৭ মে ) ৯৮ জন করোনায় আক্রান্ত এবং ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরছেন ৯ জন, এ পর্যন্ত মোট ১৯১ জন সুস্থ্য হয়েছেন। আজ ২ জনের মৃত্যুসহ মোট ৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলায় আজ পর্যন্ত ১ হাজার ৯ শত ৮৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। চট্টগ্রাম মহানগর এলাকায় ১ হাজার ৫ শত ৫৯ জন এবং ৪২৬ জন বিভিন্ন উপজেলায় আক্রান্ত হয়েছেন। বিআইটিআইডি, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ, চট্টগ্রাম এ্যানিমেল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় এবং কক্সবাজার মেডিকেল এর নমুনা পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বি আজ এ তথ্য জানিয়েছেন। চট্টগ্রাম জেলায় আজ পর্যন্ত ২৩১ জন আইসোলেশনে এবং ৩৫৭ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন। সিভিল সর্জনের কার্যালয় থেকে আরো জানানো হয়, এ পর্যন্ত পটিয়া ৬৮ জন, সাতকানিয়া উপজেলায় ৩৯ জন, সীতাকুন্ড ৭২ জন, বোয়ালখালী ২০ জন, হাটহাজারী ৫২ জন, আনোয়ারা ৯ জন, চন্দনাইশ ১৫ জন, ফটিকছড়ি ৬ জন, মিরসরাই ৯ জন, লোহাগারা ৪৬ জন, সন্ধীপ ১৫ জন, রাঙ্গুনিয়া ৩৪ জন, বাশখালী ২৫ জন এবং রাউজান ১৫ জন আক্রান্ত হয়েছে।
জুয়েলারী ব্যবসার আড়ালে মাদক বেচা কেনা ইয়াবাসহ Rab এর হাতে আটক
২৭মে,বুধবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাঁশখালী থানাধীন শীলকুপ নামক এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২,৯০০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যাবসায়ীকে আটক করেছে Rab-7। বুধবার ২৭ মে সকাল ১১ঃ৫ মিনিটের সময় বাঁশখালী থানাধীন শীলকুপ নামক এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইয়াবাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে বলে জানান Rab-7 এর সহকারী পরিচালক(মিডিয়া) এএসপি মাহ মুদুল হাসান মামুন।। আটককৃত আসামী হল রুবেল কুমার নাথ (৩৬) বাঁশখালী থানাধীন পূর্ব চম্বল গ্রামের মৃত প্রেম হরি নাথের ছেলে। Rab-7 এর সহকারী পরিচালক (অপারেশন) মেজর মুশফিকুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাঁশখালী থানাধীন শীলকুপ টইম বাজারস্থ নুরু মার্কেট এলাকার শেফালী জুয়েলারসে অভিযান চালিয়ে একজনকে আটক করা হয়। পরে তার দেখানো ও সনাক্ত মতে দোকান তল্লাশী করে দোকানের ক্যাশ বাক্সে সুকৌশলে লুকানো ২,৯০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদে জানান যায়, সে দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে যোগসাজশে মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে জুয়েলারী ব্যবসার আড়ালে মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করে আসছে।উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মুল্য ১৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। গ্রেপ্তারকৃত আসামীকে বাঁশখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান।
নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ঘাটে লোক পারাপারঃ জরিমানাসহ ঘাট বন্ধের নির্দেশ দিলো ভ্রাম্যমান আদালত
২৭মে,বুধবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা পরিস্থিতিতে সরকারি বিধি নিশেধ উপেক্ষা করে সামাজিক দুরত্ব বজায় না রেখে ও নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অতিরিক্ত যাত্রী পারাপার ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে ঘাটের নৌকার মালিক কে জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি ঘাটে সামাজিক দুরত্ব বজায় না রেখে ও নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে একসাথে ৪০০ থেকে ৫০০ লোক অবস্থান করায় ঘাট বন্ধ করে দেয়া হয়। আজ বুধবার ২৭ মে দুপুর ৩ ঘটিকা হতে রাত ৭ ঘটিকা পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ উমর ফারুকের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ উমর ফারুক জানান, অভিযানে গিয়্রে দেখা যায় পতেঙ্গার ১৪ নং ঘাটে নিষেধাজ্ঞা থাকা স্বত্বেও নৌকার ইজারাদার আবদুস শুক্কুর সামাজিক দুরত্ব বজায় না রেখে একটি নৌকায় ৫০/৬০ জন যাত্রী নিয়ে ১৪নং ঘাট টু মেরিন একাডেমি ঘাট পারাপার করছেন। পাশাপাশি যাত্রীরা অভিযোগ করেছেন এক বার পার হলে জনপ্রতি ৭ টাকা নেয়ার কথা থাকলেও নিচ্ছে ২০ টাকা করে। যার ফলে ঘাটের নৌকার মালিককে ১০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। এছাড়া ঘাটে প্রায় ৪০০/ ৫০০ অপেক্ষারত মানুষ সামাজিক দুরত্ব বজায় না রেখে ও নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে একসাথে দাড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।এর প্রেক্ষিতে মালিককে জরিমানার পাশাপাশি ঘাট বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়। তিনি আরও জানান, অন্যদিকে ইপিজেড এলাকায় অভিযান কালে সামাজিক দুরত্ব বজায় না রাখায় এক ভাড়ায় যাত্রী নেয়ায় প্রাইভেট কারের ড্রাইভার কে ১০০০ টাকা ও তিনজন যাত্রীকে ৩০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এবং গাড়ী ও ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকায় এক ট্রাক ড্রাইভার কে ২০০০ টাক জরিমানা করা হয়।এবং ইপিজেড ট্রাফিক পুলিশের কাছে গাড়িটা হস্তান্তর করা হয়। ৫ জন নিয়ে পতেঙায় অযথা ঘুরাফেরা করায় ১০০০ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। এছাড়া এইসব এলাকায় সামাজিক সচেতনতার জন্য সবাইকে মাইকিং এর মধ্যমে সতর্ক করা হয়। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ উমর ফারুক।
সরকারি নির্দেশনা না মানায় নগরীতে পাঠাওসহ ১৫৭টি মোটরসাইকেল আটক
২৭মে,বুধবার,কমল চক্রবর্তী,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন এলাকা হতে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে মোটরসাইকেল চালানোর দায়ে মহানগর এলাকার বিভিন্ন স্থানে চেকপোষ্ট স্থাপন করে ১৫৭ টি মোটরসাইকেল আটক করা হয়। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ মাহাবুবর রহমান বিপিএম, পিপিএম এর নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশন) শ্যামল কুমার নাথের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। ২৬ মে রাত ৮টা থেকে ১০ টা পর্যন্ত সিএমপির সকল থানার বিভিন্ন টিম কর্তৃক পরিচালিত চেকপোস্ট কার্যক্রমকালে সরকারী নির্দেশনা অমান্য করায় এবং বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালানোর দায়ে পাঠাও রাইড সহ এসব মোটরসাইকেল আটক করা হয়। আটককৃত মোটরসাইকেল গুলোর বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্হা গ্রহন করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ও বিস্তার প্রতিরোধের লক্ষ্যে সন্ধ্যা ৬ টার পর থেকে যানবাহন চলাচলের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা আছে।এ বিধি নিষেধ এখনো বহাল আছে এবং চেকপোস্টের কার্যক্রম চলমান থাকবে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ও বিস্তার প্রতিরোধের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক জারীকৃত নির্দেশনা সমূহ মেনে চলার জন্য সম্মানিত নগরবাসীর প্রতি আবারো অনুরোধ জানানো হচ্ছে।
করোনা ভাইরাস সংক্রমণে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম হটস্পটে পরিণত হয়েছে
২৭মে,বুধবার,সৈয়দুল ইসলাম,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আক্রান্ত জেলা থেকে অবাধে প্রবেশের সুযোগে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের ক্ষেত্রে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম হটস্পটে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিনই দেড়শ থেকে দু'শ করোনা রোগী শনাক্ত হচ্ছে এখানে। হাসপাতালেও এখন আর রোগীদের স্থান হচ্ছে না। ১৩০ শয্যার দু'টি হাসপাতালের বিপরীতে বর্তমানে রোগী সংখ্যা দু হাজারের বেশি। আর চিকিৎসা ব্যবস্থাও সীমিত হয়ে যাওয়ায় আক্রান্তসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামে ৩ এপ্রিল প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর এক মাসে রোগী সংখ্যা ছিল মাত্র ৮৯ জন। কিন্তু পরের ২০ দিনে রোগী সংখ্যা দু'হাজারের বেশি। বিশেষ করে ২০ মে'র পর থেকে প্রতিদিন দেড়শো কিংবা তার চেয়েও বেশি রোগী শনাক্ত হচ্ছে চট্টগ্রামে। এর মধ্যে ওই দিনই রোগী সংখ্যা ছিলো ২শ ৫৭ জন। সে অনুযায়ী, চট্টগ্রামকে করোনা সংক্রমণের হটস্পট হিসেবেই চিহ্নিত করছেন সিভিল সার্জন। সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বি বলেন, জনগণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে পারে নাই। তাই আজ এই ভয়াবহ পরিস্থিত হয়েছে। নগরীতেই প্রতিদিন দেড়শোর বেশি রোগী শনাক্ত হলেও করোনা বিশেষায়িত হাসপাতাল রয়েছে মাত্র দু'টি। যেখানে আবার শয্যা সংখ্যা মাত্র ১শ ৩০। করোনা ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পরও রোগী নিয়ে হাসপাতালে হাসপাতালে ঘুরছে স্বজনেরা। ফলে আক্রান্ত রোগী থেকে সংক্রমণের হারও ক্রমশ বেড়ে চলেছে। স্বাচিপ সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. আ ন ম মিনহাজুর রহমান বলেন, আড়াই মাস ধরে এসমস্ত গল্প শুনছি। প্রাতিষ্ঠানিক হাসপাতাল হবে, তবে এরকম কিছুই এখনও হয়নি। চট্টগ্রামে করোনা রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ার বেশক'টি কারণ চিহ্নিত করেছেন চিকিৎসকরা। গার্মেন্টস এবং বেশ কিছু শিল্প প্রতিষ্ঠান খোলা রাখাকে কারণ হিসেবে দেখছেন তারা। বিএমএ সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. এস এম মুইজ্জুল আকবর চৌধুরী বলেন, রোগী আছে কিন্তু হাসপাতালে নেই কোনো বেড। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ভয়াবহ চিত্র। তবে শেষ পর্যায়ে এসে চট্টগ্রামের বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল হাসপাতাল এবং খুলশীর ইম্পেরিয়াল হাসপাতালকে করোনা রোগীদের জন্য বিশেষায়িত হাসপাতাল হিসেবে বরাদ্দ দিয়েছে সরকার।
সুবিধাবঞ্চিত ছোট্ট সোনামনিদের মুখে ঈদের হাসি ফুটালো রেলওয়ে থানার ওসি মোস্তাফিজ ভুইয়া
২৬মে,মঙ্গলবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামের সুবিধাবঞ্চিত পথ শিশুদের মুখে হাসি ফুঁটাতে চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মো: মোস্তাফিজ ভুইয়াসহ থানার সকল অফিসার ও ফোর্স তাদের ব্যক্তিগত টাকায় ফান্ড গঠন করে ঈদের দিনের বিশেষ খাবার তুলে দিয়ছে অযত্ন অবহেলায় বেড়ে উঠা ছিন্নমূল পথ শিশুদের জন্য গড়া- আলোর ঠিকানার সুবিধাবঞ্চিত ছোট্ট সোনামনিদের মুখে। যাদের মুখে ঈদের খুশি নেই আনন্দ নেই। আছে বুকভরা কষ্ট আর অযত্ন অবহেলা। এই সকল ছোট্ট সোনামনিদের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেছে রেলওয়ে থানা। অন্য সকল শিশুদের মত হাসিতে ভরে উঠুক ওদের জীবন এমনটাই প্রত্যাশা সকলের। গতকাল ২৫ মে সোমবার ঈদের দিনে পুরাতন রেলস্টেশনে অবস্থিত আলোর ঠিকানায় চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মো: মোস্তাফিজ ভুইয়া স্কুলের প্রধান ঋত্বিক নয়নের উপস্থিতিতে সুবিধাবঞ্চিত ছোট্ট সোনামনিদের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন। রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মো: মোস্তাফিজ ভুইয়া বলেন, আলোর ঠিকানা- সুবিধাবঞ্চিত ছোট্ট সোনামনিদের নিয়ে কাজ করছে। আমরা রেলওয়ে থানা টিম নিজেদের টাকায় ফান্ড গঠন করে সুশৃঙ্খলভাবে সুবিধাবঞ্চিত পথশিশুদের মাঝে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিয়েছি। পাশাপাশি ওদের মাঝে ঈদের দিনের বিশেষ খাবার বিলি করা হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও নতুন কিছু এই কার্যক্রমের আওতায় নিয়ে আসব ।এর বাইরেও আমরা অন্য পথ শিশুদের নিয়ে কাজ করব। এবারের ঈদ ওদের জন্য আমাদের নয়। আমরা পোলাও বিরিয়ানী খেলে ওরাও খাবে। তাই এ বছর আমরা পথ শিশুদের জন্য ঈদের বিশেষ খাবার বিতরণ করেছি। ঈদে পথ শিশুদের মুখে হাসি থাকুক এটা সবাই চায়। সেই জন্যই আমরাও এর ব্যতিক্রম নই। এভাবে সবাই যদি এদের পাশে এসে হাত বাড়িয়ে দেয় তবে হাসি মাখা মুখের সংখ্যা দিন দিন বাড়বে। আমাদের এতটুকু মানবিকতা আর ভালোবাসাই হোক ওদের বেঁচে থাকার অবলম্বন। তাই আনন্দটা ওদের সাথে শেয়ার করতে পেরে আমরা নিজেদের ভাগ্যবান মনে করছি। তিনি আরও বলেন, এছাড়া আমরা করোনা পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে পড়া অসহায় মানুষদের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করছি। দুই দফায় আমরা নিজের অর্থায়নে বেশ কিছু অসহায় মানুষদের খাদ্য সহায়তা দিয়েছি। তৈরী খাবার ও বিলিয়েছি। আগামী কাল পরশু আমরা আরো প্রায় ২০০ জনকে খাদ্য সহায়তা দিব। পথ শিশুদের নিয়ে কাজ করা বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন আমাদের এ কাজে সহযোগিতা করছে। গত এক বছর আগে আমি নিজে উপস্থিত থেকে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের ১ টাকার খাবার কর্মসূচির উদ্ভোধন করেছিলাম। বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন কে ধন্যবাদ জানাই আমাদের এই ভাবে সহযোগিতা করার জন্য।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর