মঙ্গলবার, মে ১৮, ২০২১
নোয়াখালীতে ১৪৪ ধারা জারি
২৬,জানুয়ারী,মঙ্গলবার,নোয়াখালী প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: নোয়াখালীর মাইজদীতে একইস্থানে আ.লীগের দুই গ্রুপের সভা আহবান করায় প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেছে। সোমবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলের দিকে জেলা প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করে। উভয় পক্ষের কর্মসূচি পালন বন্ধ রাখার লক্ষ্যে মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত নোয়াখালী পৌরসভা এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। জানা যায়, জেলা শহর মাইজদীর শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে নোয়াখালী পৌর মেয়র শহীদ উল্যা খাঁন সহেল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে কটূক্তি করার প্রতিবাদে সমাবেশ আহবান করে (২৬ জানুয়ারি) পরে একইস্থানে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, নোয়াখালী-৪ আসনের এমপি একরামুল করিম চৌধুরী সমর্থিত নেতারা সমাবেশ আহবান করে। এতে দু পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। শান্তিভঙ্গের আশঙ্কা দেখা দেওয়ায় প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেন। উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টা ১০মিনিটের সময় নোয়াখালী জেলা আ. লীগের সাধারণ সম্পাদক, নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী তার ভেরিফাইড ফেইসবুক আইডি থেকে ফেইসবুক লাইভে এসে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের পরিবারকে রাজাকারের পরিবার বলে আখ্যায়িত করে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এসব নিয়ে কথা বলা শুরু করবেন বলে হুমকি দিয়ে একটি ভিডিও আপলোড করেছেন। পরে তিনি ভিডিওটি সরিয়ে নিলেও মুহুর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ওই ভিডিও ভাইরাল হয়। এর প্রতিবাদে ওবায়দুল কাদেরের নির্বাচনী এলাকা কোম্পানীগঞ্জের দলীয় নেতাকর্মীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। প্রতিবাদ সমাবেশ, বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচী পালন করে তারা। নোয়াখালী পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন ১৪৪ নোয়াখালী পৌরসভা এলাকায় ১৪৪ ধারা জারির সত্যতা নিশ্চিত করেন।
নোয়াখালী পৌরে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ
২৫,জানুয়ারী,সোমবার,নোয়াখালী প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: নোয়াখালী জেলা শহরে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সভা আহ্বানকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসন কাল মঙ্গলবার (২৬ জানুয়ারি) সব ধরণের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে। সোমবার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যা থেকে জেলা তথ্য অফিসের প্রচার মাইকে জেলা প্রশাসনের বরাত দিয়ে এ বিধি নিষেধের কথা জানান দেয়া হয়। জানা যায়, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে লক্ষ্য করে নোয়াখালী-৪ আসনের এমপি একরামুল করিমের দেয়া মানহানিকর বক্তব্যের প্রতিবাদে ২৬ জানুয়ারি জেলা শহর মাইজদীর শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে সমাবেশ আহ্বান করেন নোয়াখালী পৌর মেয়র শহীদ উল্যা খাঁন সোহেল। অন্যদিকে, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নোয়াখালী-৪ আসনের এমপি একরামুল করিম চৌধুরী সমর্থিত নেতাকর্মীরা একইদিনে একইস্থানে সরকারের ১২ বছরের উন্নয়ন তথ্যচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করে। এতে দু পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ও শান্তি-শৃঙ্খলা ভঙ্গের আশংকা দেখা দেওয়ায় প্রশাসন এ বিধি-নিষেধ আরোপ করে। বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা প্রশাসক মো. খোরশেদ আমম খান গণমাধ্যমকে জানান, মঙ্গলবার ভোর ৬টা থেকে নোয়াখালী পৌরসভা এলাকায় সব ধরণের সভা সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। উভয় পক্ষের কর্মসূচি পালন বন্ধ রাখার লক্ষ্যে মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এ বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটের সময় নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী তার ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে এসে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের পরিবারকে রাজাকারের পরিবার বলে আখ্যায়িত করে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এসব নিয়ে কথা বলা শুরু করবেন বলে হুমকি দিয়ে একটি ভিডিও আপলোড করেন। পরে তিনি ভিডিওটি সরিয়ে নিলেও মুহূর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ওই ভিডিও ভাইরাল হয়। এর প্রতিবাদে ওবায়দুল কাদেরের নির্বাচনী এলাকা কোম্পানীগঞ্জের দলীয় নেতাকর্মীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। প্রতিবাদ সমাবেশ, বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচী পালন করে তারা।
শার্শা-বেনাপোলে ১১৬৪ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার, আটক ১
২৫,জানুয়ারী,সোমবার,বেনাপোল প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: যশোরের শার্শা ও বেনাপোল সীমান্তে পৃথক অভিযানে এক হাজার ১৬৪ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা। এ সময় এক পাচারকারীকে আটক করা হয়। সোমবার (২৫ জানুয়ারি) ভোরে শালকোনা বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা শার্শার শিকারপুর সীমান্তের নারিকেলবাড়িয়া গ্রামের একটি ভেড়িবাঁধ এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১০১৫ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়। অপরদিকে সোমবার সকালে বেনাপোলের রঘুনাথপুর ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা অভিযান চালিয়ে ১৪৯ বোতল ফেন্সিডিলসহ রঘুনাথপুর গ্রামের ইয়ানুরের ছেলে শাহীন (৩৫) নামে একজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে। বিজিবি জানায়, মাদক ব্যবসায়ীরা ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ ফেন্সিডিল এনে সীমান্তে অবস্থান করছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এসব ফেন্সিডিল উদ্ধার করে। এর আগে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে অন্য পাচারকারীরা ভারত সীমান্তে পালিয়ে গেলেও শাহীন আটক হয়। শিকারপুর বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার সুবেদার আব্দুল মালেক ফেন্সিডিল উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটক আসামির বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
অসহায় মানুষের বাসস্থানের ব্যবস্থা করায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন- বিএসএএফ
২৫,জানুয়ারী,সোমবার,সৃজন দত্ত,নিউজ একাত্তর ডট কম: মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভিক্ষুক, ছিন্নমূল, বিধবাসহ ৬৬ হাজার ১৮৯টি ভূমিহীন- গৃহহীন পরিবারকে জমি ও ঘর প্রদান এবং ৩ হাজার ৭১৫টি পরিবারকে ব্যারাকে পুর্নবাসন করায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে ২৫ জানুয়ারী ২০২১ সোমবার এক বিবৃতি দেন সামাজিক সংগঠন বাংলাদেশ সোস্যাল অ্যাক্টিভিস্ট ফোরাম (বিএসএএফ) বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন, বাংলাদেশ সোস্যাল অ্যাক্টিভিস্ট ফোরামের প্রধান সমন্বয়ক মুফতী মাসুম বিল্লাহ নাফিয়ী, সমন্বয়ক শেখ জনি ইসলাম, আফরোজা বেগম তুলি, নাফি উদ্দিন উদয়, আব্দুর রহিম ঢালী ও ফারুক মিয়া তালুকদার। বিবৃতিতে ফোরামের নেতৃবৃন্দ বলেন, বৈচিত্র্যের প্রকৃতির লীলাময় প্রিয় ভূমিতে বসবাস উপযোগী জমির সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও দেশের হতদরিদ্র নিম্ম আয়ের দিনমজুর অসহায় মানুষের নিরাপদ বাসস্থানের কথা চিন্তা করে জাতি পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ক্ষুধা-দারিদ্র্য মুক্ত স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মানে বিশ্ব নন্দিত নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে ব্যবস্থা করেছেন তা জনসেবার একযুগান্তীকারী মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন। এতে করে বাংলাদেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা আরো একধাপ এগিয়ে গেলো। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিকতার কোন কমতি নেই। দেশপ্রেম নিয়ে আমরা যদি স্বঃস্বঃ অবস্থানে থেকে দেশ গড়ায় প্রধানমন্ত্রীর মতো আন্তরিক হতাম তাহলে দেশ এতদিনে আরো অনেক উন্নত হতো। তিনি তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পালনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। নানামুখী ষড়যন্ত্রকে মোকাবিলা করে নিজস্ব অর্থায়নে স্বপ্নের পদ্মাসেতু এখন আর স্বপ্ন নয় বাস্তব দৃশ্যমান। কিছুদিন পরেই আমরা পদ্মাসেতু দিয়ে পরিবহনে যোগে এপার থেকে ওপারে যাবো ইনশাআল্লাহ। বিবৃতি তারা আরো বলেন, আমরা বিশ্ব করি শেখ হাসিনার হাতেই নিরাপদ দেশ ও দেশের জনগণ। আজ বাংলাদেশ দ্রুত উন্নয়শীল রাষ্ট্র হওয়ার মহাসড়কে। তবে দুঃখজনক হলেও সত্য দুর্নীতিবাজ, বর্ণচোর ও অতি-মুনাফাখোর চক্র এ উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করছে। আঘাত প্রাপ্ত হচ্ছে সরকারের সকল অর্জন। রাষ্ট্রের সুবিধাও লুটে নিচ্ছে এসকল ব্যক্তিগং। তাছাড়াও ধর্মব্যবসায়ী ও ধর্মবিদ্ধেষী সম্প্রদায় নানা ইস্যু তৈরি করে দেশের শান্তি এবং স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। সরকার দেশের অগ্রযাত্রা-অগ্রতির স্বার্থে কল্যাণ বিধ্বংসী এসকল দুষ্ট চক্রকে চিহ্ন করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিত। যাতে করে ভবিষ্যতে কেউ দেশ ও দেশের উন্নয়নের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করার সাহস না পায়। মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী অসহায় মানুষের বাসস্থানের ব্যবস্থা করে যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তা সত্যেই প্রশংসার দাবী রাখে। তাই প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন এবং জাতির প্রয়োজনে তার নিরাপদ জীবনসহ দীর্ঘায়ু কামনা করছি।
বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবি, নিহত ৪
২৩,জানুয়ারী,শনিবার,কক্সবাজার প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজারের টেকনাফের সেন্টমার্টিন দ্বীপ থেকে ৬৫ কিলোমিটার দূরে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে ট্রলার ডুবির ঘটনায় ৪ জনের মরদেহ ও ১৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। এতে এখনো পর্যন্ত আরও ৯ জন নিখোঁজ রয়েছে বলে জানা গেছে। নিখোঁজদের উদ্ধারে কোস্টগার্ডের ২টি এবং নৌবাহিনীর ৩টি জাহাজ অভিযান অব্যাহত রেখেছে বলে জানিয়েছে কোস্টগার্ড। শনিবার (২৩ জানুয়ারি) ভোরে সেন্টমার্টিন দ্বীপ থেকে ৬৫ কিলোমিটার দূরে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে এ ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটে। কোস্টগার্ডের সেন্টমার্টিন স্টেশনের ইনচার্জ লেফটেন্যান্ট আরিফুজ্জামান রনি জানিয়েছেন, শনিবার ভোরে সেন্টমার্টিন দ্বীপ থেকে ৬৫ কিলোমিটার দূরে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে এ ট্রলার ডুবির ঘটনাটি ঘটেছে। আরিফুজ্জামান বলেন, ভোরে ঘন কুয়াশায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সৃষ্টি হলে এফবি যানযাবিল চুমকেন নামের মাছ ধরার একটি ট্রলার ডুবে যায়। খবর পেয়ে কোস্টগার্ডের শ্যামল বাংলা ও মনসুর আলী নামে ২টি জাহাজ জেলেদের উদ্ধারে অভিযানে যায়। এছাড়াও সমুদ্র অভিযান ও নিমূলসহ ৩টি জাহাজ উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে। তিনি বলেন, বিকেল ৫টা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযানে ৪ জনকে মৃত এবং ১৩ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এখনো পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছে আরো ৯ জন। নিখোঁজদের উদ্ধারে কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী যৌথভাবে অভিযান অব্যাহত রেখেছে বলে জানান কোস্টগার্ডের এ কর্মকর্তা। আরিফুজ্জামান বলেন, মৃত ও জীবিত উদ্ধার হওয়াদের নৌবাহিনীর চট্টগ্রামের ঘাঁটিতে নেওয়া হবে। সেখানে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে ঘটনার ব্যাপারে ব্রিফিং করা হবে।
নওগাঁয় ১০৫৬টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ঘর প্রদান
২৩,জানুয়ারী,শনিবার,নওগাঁ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: মুজিববর্ষ উপলক্ষে দেশের ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারগুলোকে জমি ও গৃহ প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সারাদেশের ন্যায় এক যোগে নওগাঁ সদর উপজেলা পরিষদ হলরুমে ১১০টি ভুমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় জেলা প্রশাসক হারুন-আর-রশিদ এর সভাপতিত্বে, নওগাঁ সদর-৫ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জন উপকারভোগীদের মাঝে জমিসহ দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট গৃহ প্রদানের সার্টিফিকেট, কবুলিয়ত দলিল, খতিয়ান ও ডিসিআর সম্বলিত ফোল্ডার প্রদান করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেক সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক, পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান মিয়া, নওগাঁ সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মির্জা ইমাম উদ্দিন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে আশ্রয়ন প্রকল্প-২ এর আওতায় গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবার পূনর্বাসন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে জেলার ১১টি উপজেলায় এক হাজার ৫৬টি পরিবার ঘর পেয়েছে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ১১০টি, বদলগাছীতে ৪৮টি, মহাদেবপুরে ৩৪টি, আত্রাইয়ে ১৭৫টি, রানীনগরে ৯০টি, মান্দায় ৯০টি, সাপাহারে ১২০টি, নিয়ামতপুরে ৭১টি, পোরশায় ৫৪টি, ধামইরহাটে ১৫০টি এবং পত্নীতলায় ১১৪টি। উপকারভোগীদের মধ্যে ভিক্ষুক পরিবার ৩১টি, প্রতিবন্ধী ১৫টি, অন্যের বাড়িতে-রাস্তার পাশে ও খোলা জায়গায় ঝুপড়ি ঘরে থাকা ১১টি, স্বামী পরিত্যক্তা ও বিধবা ৫৫টি, দিনমজুর ১২টি, আদিবাসী ৯১টি এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী পরিবার রয়েছে ৭৩টি। এসব আধাপাকা প্রতিটি গৃহ নির্মাণে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা। প্রতিটি বাড়িতে আছে- দুটি শোবার ঘর, একটি টয়লেট, রান্নাঘর, কমনস্পেস ও একটি বারান্দা। এসব ঘর প্রত্যেক পরিবারের জন্য আলাদা করে নির্মাণ করা হয়েছে।
পাবনায় ট্রাক-সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষ, নিহত ২
২২,জানুয়ারী,শুক্রবার,পাবনা প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: পাবনায় ট্রাক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে অন্তত ২ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩ জন। শুক্রবার (২২ জানুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে আতাইকুলা থানার দুবলিয়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। হতাহতরা সবাই অটোরিকশার যাত্রী। নিহতরা হলেন, সুজানগর পৌর সদরের বাসিন্দা আব্দুল বারেকের স্ত্রী আরিফা সুলতানা (৪৫) ও একই এলাকার মনা কুন্ডুর ছেলে ঝন্টু কুন্ডু (৬০)। আহতরা হলেন, আব্দুল কাদের (৫৫), তার স্ত্রী রওশন আরা রেনু (৪৫) ও নিহত আরিফা সুলতানার স্বামী আব্দুল বারেক (৫৫)। তাদের সবার বাড়ি সুজানগরে। তাদেরকে পাবনা জেনারেল হাসপাতাল ও সুজানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম জানান, সকালে একটি ট্রাক পাবনা থেকে সুজানগরের দিকে যাচ্ছিল। সুজানগর থেকে যাত্রীবাহী সিএনজিচালিত অটোরিকশা পাবনায় যাওয়ার পথে আতাইকুলার দুবলিয়া বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে ঘন কুয়াশার কারণে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে ট্রাকের সাথে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ঝন্টু কুন্ডু নিহত হয়। আহত চারজনকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আরিফা সুলতানাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ডুমুরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজছাত্র নিহত
২২,জানুয়ারী,শুক্রবার,খুলনা সিনিয়র প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় জাহিদ খান (২৪) নামে এক কলেজছাত্র নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২২ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে খুলনা-সাতক্ষীরা আঞ্চলিক মহাসড়কের বালিয়াখালী ব্রিজের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। জাহিদ উপজেলার বানাই গ্রামের জাকির খানের ছেলে। তিনি ডুমুরিয়া কলেজের স্নাতক পড়ুয়া শিক্ষার্থী। পুলিশ জানায়, সকালে খুলনা থেকে সাতক্ষীরার দিকে একটি বাস যাচ্ছিল। পথে বালিয়াখালী ব্রিজের কাছে এলে বাসটির সঙ্গে একটি মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল আরোহী জাহিদের মৃত্যু হয়। এ সময় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে আটকে যায়। এতে বাসের কয়েকজন যাত্রী সামান্য আঘাত পেয়েছেন। খবর পেয়ে ডুমুরিয়া ফায়ার সার্ভিস, খর্নিয়া হাইওয়ে থানা ও ডুমুরিয়া থানার সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে। ডুমুরিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) এমদাদ হোসেন বলেন, মরদেহ ও বাসটি খর্নিয়া হাইওয়ে থানার হেফাজতে আছে।
জিপ পড়ল খাদে, প্রাণ গেল তিনজনের
২১,জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,বান্দরবান প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: বান্দরবানে জিপ উল্টে সড়কের পাশের খাদে পড়ে তিন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এতে পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২১ জানুয়ারি) সকালে জেলার থানচিতে সীমান্ত সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে দুজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। এরা হলেন-চট্টগ্রামের বাজালিয়ার বাসিন্দা সিদ্দিক আহমেদের ছেলে মোহাম্মদ আশু (৫০) ও রুমা উপজেলার বাকলাই পাড়ার বাসিন্দার লালতম বমের ছেলে পায়েল বম (২৭)। আহতরা হলেন-জুমতম (৫০), সাদ্দাম (২৪), নাসির হোসেন (৩০), সাইফুল ইসলাম (৩০) ও মাইন উদ্দিন (২৮)। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বান্দরবানের মিয়ানমার সীমান্তবর্তী থানচি উপজেলার সদর ইউনিয়নের নির্মাণাধীন সীমান্ত সড়কে তিন কিলোমিটার নামক স্থানে নিয়ন্ত্রণ হারায় শ্রমিকবোঝাই একটি জিপ। এটি পাহাড়ের পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। আহত হন আরও পাঁচজন। পরে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ার কোরের সদস্য, পুলিশসহ স্থানীয়রা হতাহতদের উদ্ধার করে থানচি হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বান্দরবান সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে থানচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুদ্দিন আনোয়ার জানান, হতাহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ সংবাদ

সারা দেশ পাতার আরো খবর