মঙ্গলবার, মে ১৮, ২০২১
রাঙামাটিতে আইসোলেশন থাকা রোগীর মৃত্যু
১৩এপ্রিল,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজএকাত্তরডটকম:করোনা উপসর্গ নিয়ে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তি হওয়া এক রোগী মারা গেছেন। রবিবার দিবাগত রাতে তার মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন রাঙামাটি সিভিল সার্জন ডা. বিপাশ খীসা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ডা. বিপাশ খীসা জানান, ওই ব্যক্তি জ্বর-কাশি নিয়ে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আসলে তাকে আইসোলেশনে ভর্তি করানো হয়। তার রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে। রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, মারা যাওয়া ওই রোগী দীর্ঘদিন ধরে টিবি রোগে ভুগছিলেন। এ অবস্থায় শনিবার রাঙামাটি হাসপাতালে আসলে পরিস্থিতি বিবেচনায় তাকে করোনার আইসোলেশনে ভর্তি করানো হয়।ঢাকাটাইমস। এ পর্যন্ত রাঙামাটিতে মোট ৪৬ জনের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৬টি জনের রিপোর্ট পাওয়া গেছে। তাদের সবার করোনা নেগেটিভ।
ট্রাক থামিয়ে ত্রাণ ছিনিয়ে নিলো শত শত ক্ষুধার্ত মানুষ
১২এপ্রিল,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:করোনা পরিস্থিতিতে তীব্র হয়ে উঠেছে মানুষের ক্ষুধার জ্বালা। তাইতো জামালপুরে ট্রাক থামিয়ে ত্রাণের মালামাল ছিনিয়ে নিয়েছে শতশত মানুষ। রোববার দুপুরে কর্মহীন মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত ত্রাণ নিয়ে বানিয়া বাজার স্কুলে যাচ্ছিলো একটি ট্রাক। মিয়াবাড়ি পৌঁছলে ট্রাকটি থামিয়ে চাল, ডাল, আলুসহ ত্রাণ সামগ্রী ছিনিয়ে নেয় শত শত ক্ষুধার্ত মানুষ। এসময় অনেকটা অসহায়ের মতো দাঁড়িয়ে ছিলেন পুলিশ সদস্যরা।চ্যানেল টুয়েন্টিফোর। স্থানীয়দের অভিযোগ, করোনার প্রভাবে কর্মহীন হয়ে পড়েছে শতশত মানুষ। খাবারের অভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তারা। এখন পর্যন্ত পৌঁছেনি ত্রাণ সামগ্রী। তাই বাধ্য হয়েই ত্রাণের মালামাল ছিনিয়ে নিয়েছেন তারা।
কাটা পা নিয়ে মধ্যযুগীয় উল্লাস!
১২এপ্রিল,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:টাকশাল দিয়ে প্রতিপক্ষের পা কেটে বিজয় উল্লাস করা হয়েছে, গ্রামের অলিতে গলিতে হয়েছে মিছিল। এমনই বীভৎস চিত্র দেখে আতংকিত হয়ে পড়ে এলাকার মানুষ। রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা ঘটে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার থানাকান্দি গ্রামে। স্থানীয়রা জানায়, গ্রামের আবু মেম্বার ও মুসলিম মেম্বারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরেই সকালে মুসলিম মেম্বারের লোকজনের ওপর হামলা করে আবু মেম্বারের লোকজন। উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের এক পর্যায়ে আবু মেম্বারের নাতি হাজির হাটির মোবারক হোসেনকে ধাওয়া করলে আত্মরক্ষার জন্য সে বাড়িতে ঢুকে পড়ে। তখন সন্ত্রাসীরা তার ডান পা টাকশাল দিয়ে গোড়ালি থেকে কেটে ফেলে। পরে সেই কাটা পা নিয়ে গ্রামের রাস্তায় রাস্তায় উল্লাস করে, মিছিল করে। এ ঘটনায় আতংক ছড়িয়ে পড়ে এলাকাজুড়ে। সংঘর্ষকালে ১০-১৫টি বাড়ি ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এ সময় হাজির হাটির মোরসালিন (৩৫), জুয়েল (৩৫), দিন মোহাম্মদ (২৭), মনিরসহ (৩০) অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। আহতদের নবীনগর ও জেলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্নস্থানে প্রেরণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নবীনগর সার্কেল) মকবুল হোসেন জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় ২০ জনকে আটক করা হয়েছে।
ভালুকায় নিজ কর্মগুনে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন এসিল্যান্ড রোমেন শর্মা
১২এপ্রিল,রবিবার,মো. মোকছেদুর রহমান মামুন, ভালুকা প্রতিনিধি ,নিউজ একাত্তর ডট কম:ময়মনসিংহ ভালুকায় এসিল্যান্ড রোমেন শর্মা নামটি এখন উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের মাঝে এক আস্থার নাম। তাঁর প্রশাসনিক কর্মদক্ষতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে উপজেলার সকল মহলে। রোমেন শর্মা (বিসিএস ৩৪ ব্যাচ) ভালুকায় সহকারি কমিশনার (ভূমি) হিসেবে গত বছরের ২ এপ্রিল যোগদান করেন। তাঁর যোগদানের পরপরই পাল্টে গেছে ভালুকার ভূমি অফিস চিত্র। ভূমি বিষয়ক যে কোনো কাজ মানেই দালালের দৌরাত্ম্য। দিনের পর দিন হয়রানি। কর্মচারিদের অবজ্ঞা, বাড়তি খরচ, টেবিল থেকে টেবিলে ঘোরাঘুরি। এই গুলোর সব অবশান ঘটে। অসাধু ব্যবসায়ী ও অবৈধ স্থাপনাকারীদের টনক নড়তে শরু করে। সরকারি আইনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব আয় হয়। ভ্রাম্যমান আদালতে জেল জরিমানার ভয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা সৎ ভাবে জীবন পরিচালনা করতে শুরু করেছেন। তার অধীনে ভালুকার প্রত্যেকটি খাত এখন উন্নয়নের পথে। কোন প্রকার অবৈধ বা আর্থিক লেনদেন তাকে স্পর্শ করাতে পারেনি। সৎ, দক্ষ, যোগ্যতা ও মানবিক এসিল্যান্ড রোমেন শর্মার সুনাম এখন সর্বজনবিদিত। এসবের ধারাবাহীকতায় সরকারি নির্দেশনা মতে করোনা ভাইরাস ইস্যুতে দায়িত্ব আসে তার কাঁধে। ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মো. মিজানুর রহমান এর নির্দেশনা মতে ভালুকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ কামাল সার্বিক দিক নির্দেশনায় তাঁর কাজ চলমান রয়েছে। এসিল্যান্ড রোমেন শর্মা করোনা ভাইরাসের সংক্রমন প্রতিরোধ করতে সারা দেশের ন্যায় জনগনকে হোম-কোয়ারেন্টাইন এবং সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে নিজ নিজ ঘরে রাখতে দিন-রাত নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। সার্বক্ষণিক বাজার মনিটরিং করে দ্রব্যমূল্য ক্রয়ক্ষমতার ভিতরের রাখতে কঠোর ভূমিকা পালন করছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভালুকা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) রোমেন শর্মা জানান, ময়মনসিংহের বিজ্ঞ জেলা প্রশাসক মো. মিজানুর রহমান স্যারের সদয় নির্দেশমতে ভালুকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ কামাল স্যারের সার্বিক দিকনির্দেশনায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমন ঠেকাতে জনগন কে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে নিজ নিজ ঘরে থাকা নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। তবে এক্ষেত্রে বিধি নিষেধ অমান্য করে অল্প কিছু লোক যারা ঘরের বাইরে বের হয়েছিলেন কিংবা কিছু দোকানপাট খোলা রেখেছিলেন তাদের প্রতি সচেতনতার আহবান জানিয়ে বারবার সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া সরকারি নির্দেশনা না মানলে তাদের প্রতি প্রচলিত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে। ভালুকা করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় এখানকার জনগণকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তার চাদরে বেষ্টিত করতে প্রত্যহ ভোর বেলা থেকে শুরু করে মাঝরাতে অবধি আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এ কাজে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, ভালুকা থানা পুলিশ আমাদের সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। এছাড়া প্রতিটা এলাকার স্বেচ্ছাসেবক টিম ও গ্রাম পুলিশ সদস্যরাও আমাদের পাশে থেকে উপজেলা প্রশাসন কে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। কেউ যেন এই মহামারী ভাইরাস করোনাতে অকালে মৃত্যুবরণ না করে বা কারোর পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ না হয়, সে লক্ষেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমি ভালুকা বাসীর কাছে সহযোগিতা কামনা করছি। ভালুকা বাসীকে এ মহামারী থেকে বাচাঁতে পারলেই বর্তমান সরকারের তথা আমাদের সবার এ পরিশ্রম স্বার্থক হবে। আসুন আমরা সকলের সচেতনতা বৃদ্ধি করি যেন করোনা ভাইরাসের ভয়াবহতা মোকাবিলা করা সম্ভব হয়।
মতলবে করোনায় অসহায় মানুষের পাশে হেল্পলাইন মতলব
১২এপ্রিল,রবিবারনিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজএকাত্তরডটকম:করোনা সংকটে মতলববাসীর পাশের থাকার প্রেরণা থেকেই মূলত মতলবের দুই উপজেলার বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সচেতন তরুণদের নিয়ে এটির যাত্রা শুরু হয়েছে। চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর ও দক্ষিণ উপজেলায় বৈশ্বিক মহামারি কোভিড-১৯ সংকট মোকাবেলায় সরকারের পাশাপাশি এগিয়ে এসেছে বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হেল্পলাইন মতলব। করোনা সংকটে মতলববাসীর পাশের থাকার প্রেরণা থেকেই মূলত মতলবের দুই উপজেলার বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সচেতন তরুণদের নিয়ে এটির যাত্রা শুরু হয়েছে বলে সংগঠনটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে প্রায় ৫০ জন স্বেচ্ছাসেবী তরুণ নিজের স্বাস্থ্যগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করাপূর্বক হেল্পলাইন মতলবের মাধ্যমে মতলববাসীকে সংকট মোকাবেলায় জরুরী সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। দুই উপজেলার ২ টি পৌরসভা ও ২০ টি ইউনিয়নেই স্বেচ্ছাসেবকগণ মোটরবাইকের মাধ্যমে সেবা পৌছে দিচ্ছেন। এরই মধ্যে হেল্পলাইন মতলব নামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পেজ খুলে সংগঠনের কল সেন্টারের ছয়টি ফোন নম্বর দুই উপজেলা ব্যাপী ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। সেখানে জানানো হয়, লকডাউন ও সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার কারণে অসহায় হয়ে পড়া মতলবের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ এসব নম্বরে জরুরি সহায়তার জন্য ফোন করছেন। ইতোমধ্যে নম্বরগুলোতে ১ হাজার ৩৫২ টি ফোন কল এসেছে। ফোন পেলেই ফোনদাতার পরিচয়, ঠিকানা, পেশা, চাহিদা ও পরিবারের সদস্য সংখ্যা লিখে রাখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকানায় হেল্পলাইনের স্বেচ্ছাসেবকগণ সরাসরি গিয়ে সহায়তা পৌছে দিচ্ছেন। এ বিষয়ে উদ্যোক্তাদের একজন জানান, তারা প্রথম দিকে অনেক অসহায় পরিবারকে হেল্পলাইন মতলবের অর্থায়নে জরুরি খাদ্য সামগ্রী (চাল, ডাল, তেল ও ওষুধ ইত্যাদি) পৌছে দিয়েছেন। তবে বর্তমানে আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে ত্রাণ সামগ্রী শুধুমাত্র অধিক অসহায় পরিবারগুলোকে দেয়া হচ্ছে। তবে তাদের ফোন নম্বরে ফোন করলে করোনা সংক্রান্ত তথ্য, ডাক্তারের মাধ্যমে সরাসরি টেলিমেডিসিন সেবা, অ্যাম্বুলেন্স সেবা, হাসপাতালের তথ্য, বিনামূল্যে সাধারণ ওষুধ পৌছে দেয়া, কোনো পরিবারের প্রয়োজন হলে নিত্য বাজার পরিবারের অর্থে করে পৌছে দেয়া হচ্ছে। তিনি আরও জানান, টেলিমেডিসিন সেবার জন্য ডাক্তার দেবাশীস সরকার,ডাক্তার শরিফ আহমেদসহ বেশ কয়েকজন কল সেন্টারের নম্বরগুলোতে যুক্ত আছেন। যেকোন অসুস্থতায় যেহেতু গ্রামের মানুষ প্রথমেই স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকদের কাছে যায় তাই কোভিড-১৯ রোগের কথা মাথায় তাদেরকে পারসোনাল প্রটেকটিভ ইকুইপমেন্ট(পিপিই) দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় পশু- পাখিকে এই সময়ে খাবার দেয়া হচ্ছে। সংগঠনটির উদ্যোক্তা সাজিন আহম্মেদ কৌশিক জানান, আমরা জাতির এই দুঃসময়ে মতলববাসীর পাশে থাকার চেষ্টা করছি। তবে আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে আমরা পরিকল্পিত আরো কিছু কাজ করতে পারছি না। সরকারি সহায়তা পেল সেগুলোও করা সম্ভব হতো।
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থানার ওসিসহ ৩৫ সদস্য কোয়ারেন্টাইনে
১১এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজএকাত্তরডটকম:গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মির্জা আবুল কালাম আজাদসহ ৩৫ সদস্যকে কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে। মুকসুদপুর থানায় কর্মরত এক পুলিশ সদস্যের করোনা পজিটিভ হওয়ায় আজ শনিবার তাদেরকে কোয়ারেন্টাইনে নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ সুপার) মোঃ আসলাম খান। মোঃ আসলাম খান জানান, গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইনস থেকে নতুন জনবল পাঠিয়ে থানার কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এর আগে পুরো থানা কম্পাউন্ডে জীবানুনাশক স্প্রে করা হয়েছে। তবে, ওসি মির্জা আবুল কালাম আজাদ হোম কোয়ারেন্টাইনে থেকেই ওসির দায়িত্ব পালন করছেন।যমুনা টিভি। তিনি আরো জানান, গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থানায় কর্মরত এক পুলিশ সদস্য কনস্টেবল মহিউদ্দিন গত ৬ এপ্রিল জ্বর নিয়ে ছুটিতে মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার বীরবাশাইল গ্রামের বাড়িতে যান। পরে তার শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআর-এ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হলে করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়। বর্তমানে ওই পুলিশ সদস্য মানিকগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাসলিমা আলী জানিয়েছেন, ৩৫ পুলিশ সদস্যের এর মধ্যে ওসিসহ ৭ জনকে থানা কম্পাউন্ডের একটি ভবনে হোম কোয়ারেন্টাইনে এবং বাকি ২৮ জনকে মুকসুদপুর সরকারি কলেজের একটি ভবনে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। গোপালগঞ্জের সিভিল সার্জন নিয়াজ মোহাম্মদ জানিয়েছেন, ওই পুলিশ সদস্যের সাথে সরাসরি ভাবে যে সব পুলিশ সদস্য কাজ করেছেন এমন ১২ জনের নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআর-এ পাঠানো হয়েছে।
গাজীপুরে লকডাউন
১১এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজএকাত্তরডটকম:১১ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হওয়ার পর রাজধানী লাগোয়া গাজীপুরকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার (১১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক এসএম তরিকুল ইসলাম করোনা প্রতিরোধ কমিটির এক জরুরি সভায় গণ-বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘোষণা দেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পার্শ্ববর্তী জেলায় গমনের উদ্দেশ্যে ট্রানজিট হিসেবে মহাসড়ক ব্যবহার ব্যতীত জেলা, উপজেলার যে কোনো সীমানা দিয়ে প্রবেশ ও প্রস্থানে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলো। এ সময় সব ধরণের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, গণজমায়েত, গণপরিবহণ এবং দিনরাতে জনসাধারণের চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে জরুরি সেবা চিকিৎসা, কৃষিপণ্য ও খাদ্যদ্রব্য সরবরাহ ইত্যাদি আওতাবহির্ভূত থাকবে।সময় টিভি। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত লকডাউন(অবরুদ্ধ) বলবত থাকবে বলেও গণ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ্য করা হয়। জনস্বার্থে জারিকৃত আদেশ অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ময়মনসিংহে ৫ বস্তা চালসহ গ্রেপ্তার ১
১১এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:ময়মনসিংহ ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে সরকারি ওএমএস-এর ৫ বস্তা চালসহ কালোবাজারী চক্রের ১ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। ডিবির ওসি শাহ কামাল আকন্দ জানান, গত ৯ এপ্রিল জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি টিম আইন শৃংখলা ডিউটি করাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোতোয়ালী থানাধীন চর নীলক্ষিয়াপাড়া লক্ষীপুর নামকস্থানে ওএমএস চাউল কালোবাজারে পাচারকালে জনগনের সহযোগীতায় সদরের চর পুলিয়ামারী ব্যাপারীপাড়ার পশর আলী (২৮)কে আটক করা হয়। উক্ত স্থানে ০৫ বস্তা ওএমএস এর চাল উদ্ধার করে। যাহার প্রতি বস্তায় ৩০ কেজি করে মোট ১৫০ কেজি চাল। পরবর্তীতে বহনকারী গ্রেপ্তারকৃত রিক্সা চালক সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেনি।মানবজমিন। স্থানীয় তদন্তে জানা যায়, চরনিলক্ষীয়া ইউপি মেম্বার হানিফ উদ্দিন অধিক লাভবান হওয়ার জন্য চলমান সংকটে ওএমএস এর চাল কম দামে ক্রয় করে বেশী দামে বিক্রি করার জন্য পরস্পর যোগসাজশে গোপনে তার বাড়ীতে নিয়ে যাচ্ছিল। উক্ত ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী মডেল থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সুপার নির্দেশে ডিবির টিম চলমান সংকট মূহুর্তে বিভিন্ন থানায় এবং ইউনিয়নে গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত আছে যাহাতে গবীর দুঃখিদের প্রাপ্যতা বণ্টনে কোন অনিয়ম করতে না পারে।
সিলেট জেলাকে লকডাউন ঘোষনা
১১এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সিলেট জেলাকে লকডাউন ঘোষনা করা হয়েছে। করোনা সংক্রমন প্রতিরোধে এই এ ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। শনিবার বিকেলে সিলেট জেলা প্রশাসন থেকে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের লক্ষ্যে গঠিত সিলেট জেলা কমিটির মতামতের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছেন সিলেটের জেলা প্রশাসক কাজী এমদাদুল ইসলাম।মানবজমিন। নির্দেশনা পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে- এখন থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সিলেটে প্রবেশ ও প্রস্থান নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হলো। আঞ্চলিক সড়ক, মহাসড়ক, নৌপথ সহ সকল ক্ষেত্রে কেউ সিলেটের বাইরে কিংবা বাইরে থেকে ভেতরে প্রবেশ করতে পারবেন না। জেলার অভ্যন্তরে আন্ত:উপজেলা যাতায়াতের ক্ষেত্রে এই এই আদেশ বহাল থাকবে। সকল ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে বলে নির্দেশনা উল্লেখ করে জানানো হয়- জরুরী পরিষেবা, চিকিৎসা সেবা, কৃষিপণ্য, খাদ্যদ্রব্য সরবরাহ এর আওতার বর্হিভূত থাকবে।

সর্বশেষ সংবাদ

সারা দেশ পাতার আরো খবর