যাত্রীবাহী দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ৮
২০,মার্চ,শনিবার,বগুড়া প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় যাত্রীবাহী দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও আটজন যাত্রী। শুক্রবার (১৯ মার্চ) দিনগত রাত ২টার দিকে উপজেলার গাড়ীদহ ইউনিয়নের দশমাইল নামক স্থানে ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে দুর্ঘটনায় হতাহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আহতদের উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহত চার জন হলেন- নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার খদাখড়িবাড়ী এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে রেজাউল ইসলাম সাগর (২২), গয়াবাড়ী এলাকার মানিক মিঞার ছেলে মোস্তফা (২৫), পশ্চিম সাতনাই এলাকার রহিম উদ্দিনের ছেলে বাবুল ইসলাম (৫০) ও সৃষ্টি গাড়ির চালক রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার কার্ফইখাল এলাকার রাজা মিঞার ছেলে রওশন হাবিব (৩৫)। শেরপুর ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা রতন হোসেন জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা নাবিল পরিবহনের একটি বাস মহাসড়কের শেরপুর উপজেলার দশমাইল এলাকায় পৌঁছালে ঢাকাগামী সৃষ্টি পরিবহনের অপর একটি বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজন যাত্রী নিহত হন। আর দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত আটজনকে উদ্ধার করে দ্রুত শজিমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। এদিকে দুর্ঘটনাকবলিত বাস দুটি মহাসড়কে পড়ে থাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় মহাসড়কের উভয়পাশে প্রায় দুই কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে প্রায় দুই ঘণ্টা পর সড়কটিতে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়। শেরপুর হাইওয়ে পুলিশের দশমাইল ক্যাম্পের ইনচার্জ বানিউল আলম আনাম জানান, দুর্ঘটনায় হতাহতদের নাম-পরিচয় জানান চেষ্টা চলছে। দুর্ঘটনার পর যান চলাচল বন্ধ থাকলেও কিছু সময় পরেই যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। দুর্ঘটনা কবলিত বাস দুটি জব্দ করা হয়েছে। বগুড়া ছিলিমপুর (মেডিক্যাল) পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আজিজ মণ্ডল জানান, শেরপুর উপজেলায় দুই বাসের সংঘর্ষের ঘটনায় ঘটনাস্থলে দুইজন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় শজিমেক হাসপাতালে আরও দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।
টুঙ্গিপাড়ায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে শ্রদ্ধা
১৭,মার্চ,বুধবার,গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় রাষ্ট্রপতির পক্ষে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এসএম সালাউদ্দিন ইসলাম ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল নকিব আহমেদ চৌধুরী বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিবদ্বয় বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে ফাতেহাপাঠ ও বিশেষ মোনাজাত করেন। এরপর কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খানের নেতৃত্বে দলীয় সভাপতির পক্ষে ও পরে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতারা বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। এ সময় কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, শাজাহান খান এমপি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন এবং বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানো হয়। জাতির পিতার জন্মদিন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ ও টুঙ্গিপাড়াসহ জেলাজুড়ে নেয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
চকরিয়ায় আগুনে তিন ভাই-বোনের মৃত্যু
১৬,মার্চ,মঙ্গলবার,কক্সবাজার প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজারের চকরিয়ায় হারবাংয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় আগুনে পুড়ে তিন ভাই-বোনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৬ মার্চ) গভীর রাতে হারবাং ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবান ঘাটা গ্রামের জাকের হোসেন মিস্ত্রির ঘরে এ আগুনের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলো- মো. জিহাদ (১১), তার দুই ছোট বোন ফৌজিয়া জন্নাত মিম (৯) ও আফিয়া জন্নাত মিতু (৭)। হারবাং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন আহমদ বাবর জানান, রাতে বাড়ির সবাই ঘুমিয়ে পড়লে সাবান ঘাটা গ্রামের জাকের হোসেন মিস্ত্রির ঘরে আগুন লাগে। মুহুর্তেই আগুন ঘরের চারপাশে ছড়িয়ে পড়লে বয়স্করা দ্রুত ঘর থেকে বের হয়ে যায়। কিন্তু ওই তিন শিশু ঘুমিয়ে থাকায় বের হতে পারেনি। ঘটনাস্থলেই আগুনে পুড়ে তিন সহোদদের মৃত্যু হয়। চকরিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার সাইফুল হাসান বলেন, ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লেগেছে। খবর পেয়ে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের টিম পাঠানো হলেও ঘটনাস্থল দুর্গম হওয়াতে গাড়ি সেখানে পৌঁছেনি। তবে আমাদের দমকল বাহিনী ও স্থানীয় লোকজন প্রায় এক ঘণ্টায় চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ শামসুল তাবরীজ বলেন, ঘটনাটি খুবই মর্মান্তিক। খবর পেয়ে আমি গভীর রাতেই ঘটনাস্থলে যাই। পরিবারটিকে সরকারি সহায়তা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
নরেন্দ্র মোদিকে বরণ করতে প্রস্তুত যশোরেশ্বরী কালীমন্দির
১৬,মার্চ,মঙ্গলবার,সাতক্ষীরা প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমনে প্রস্তুত সাতক্ষীরার যশোরেশ্বরী কালীমন্দির। নতুন সাজে সজ্জিত সনাতন হিন্দু সম্প্রদায়ের এই পবিত্র তীর্থস্থান। মোদিকে স্বাগত জানাতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। নিরাপত্তা নিশ্চিতে বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা তৎপরতা। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে নতুন সাজে সজ্জিত হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী যশোরেশ্বরী কালীমন্দির। পৌরাণিক গ্রন্থ মতে, পাক-ভারত উপমহাদেশে ৫১টি সতীপিঠকে ঘিরে গড়ে উঠেছে এক একটি তীর্থস্থান, যার একটি যশোরেশ্বরী কালীমন্দির। ১৫৮০ খ্রিস্টাব্দে মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেন রাজা লক্ষণ সেন। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বাংলাদেশে আসবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সফরকালে ২৭ মার্চ সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার যশোরেশ্বরী কালীমন্দিরে পূজার অর্ঘ্য নিবেদনের কথা রয়েছে তার। স্থানীয়রা বলছেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী আমাদের মন্দিরে আসবেন। এজন্য খুব গর্ববোধ করছি। এছাড়াও শ্যামনগরের সর্বস্তরের মানুষ বেশ উচ্ছ্বসিত। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তফা কামাল বলেন, এলাকাবাসীর জন্য অত্যন্ত আনন্দের খবর যে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী এই এলাকার কালীমন্দিরে আসবেন। নরেন্দ্র মোদির আগমন সাতক্ষীরাবাসীর জন্য ইতিহাস হয়ে থাকবে। সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আফজাল হোসেন নিরাপত্তার বিষয়ে বলেন, ইউনিফর্ম পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা পুলিশ এবং ট্র্যাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদার করেছি আমরা। এছাড়াও আমাদের নিরাপত্তা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
শেরপুরে গাজর চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন চাষীরা
১৫,মার্চ,সোমবার,শেরপুর প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: কম খরচে ও স্বল্প সময়ে অধিক লাভবান হওয়ায় শেরপুর জেলায় ক্রমেই বাড়ছে গাজরের চাষ। উচ্চমূল্যের এ সবজির বাম্পার ফলন ও ভালো দাম পাওয়ায় নকলা সদর উপজেলার চরাঞ্চলসহ অন্যান্য উপজেলায় গাজর চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন কৃষকরা। উৎপাদিত গাজর স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে। শুধুমাত্র ধান কিংবা পাট আবাদ ছাড়াও কৃষিকে অধিক লাভজনক বাণিজ্যিক কৃষিতে রূপান্তর করতে গাজরসহ বহুমুখী ফসল আবাদে চাষীদের সকল ধরনের সহায়তা করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন কৃষি বিভাগ। এছাড়া কৃষি বিভাগের সহযোগিতা, উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পেলে এ আবাদ জেলায় সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেবে বলে আশাবাদী এলাকার প্রান্তিক চাষীরা। কৃষকরা জানান, কিছুদিন আগেও এলাকায় গাজর চাষ সম্পর্কে তেমন একটা ধারণা ছিলো না স্থানীয় চাষীদের। তবে অল্প শ্রমে উৎপাদন বেশি ও ভালো দাম পাওয়ায় এখন ধীরে ধীরে গাজর চাষে আগ্রহী হচ্ছেন তারা। নকলা উপজেলায় এবার প্রথমবারের মতো ৩৫ শতাংশ জমিতে গাজর চাষ করেছেন কৃষক আব্দুল মোতালেব। গাজর চাষে মোতালেবের সফলতা দেখে এলাকার অনেক কৃষক এ সবজি চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। উৎপাদন ভালো হওয়ায় আগামীতে গাজর চাষের পরিমাণ ও চাষীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। গাজর চাষী আব্দুল মোতালেব বলেন, এবার প্রথম ৩৫ শতাংশ জমিতে গাজর চাষ করেছি। ফলন বেশ ভালো হয়েছে। এতে আমার ব্যয় হয়েছে প্রায় ২২ হাজার টাকা। শেরপুর নকলা উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা পরেশ চন্দ্র দাস জানান, স্বল্প আয়ুর এ সবজি চাষে কৃষকরা যতটা লাভবান হন, ধান বা অন্য কোনও ফসল আবাদে সেটি সম্ভব নয় বলে দিনদিন গাজর চাষের পরিমাণ ও চাষীর সংখ্যা বাড়ছে। তিনি আরও বলেন, এই জমি থেকে ৬০ থেকে ৭০ মণ গাজর তুলতে পারবেন আব্দুল মোতালেব। প্রতি মণ গাজর বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৮০০ টাকায়। বাজার ভালো থাকায় তার মুখে ফুটেছে হাসি। সদর উপজেলার চরাঞ্চলসহ জেলায় এবার ১৬৫ হেক্টর জমিতে গাজরের আবাদ হয়েছে।
সাতকানিয়ায় দিন দুপুরে ব্যবসায়ীকে গুলি করে টাকা ছিনতাই
১৪,মার্চ,রবিবার,সাতকানিয়া প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় দিনদুপুরে গুলি করে ব্যবসায়ীর কাছ নগদ টাকা ও মোবাইল ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (১৪ মার্চ) সকালে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ছদাহা মিঠাদিঘী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ ব্যবসায়ী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২৫ নম্বর সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। গুলিবিদ্ধ মিজান সাতকানিয়া ঢেমশা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিল্লাপাড়া এলাকার নুরুল হুদার ছেলে। নগরের জহুর হকার্স মার্কেটে শান্তি স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে তার। তিনি জানান, সকালে বাড়ি থেকে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে বের হয়েছিলেন। পরে পদুয়া থেকে আরও ৫ হাজার টাকা সংগ্রহ করে সিএনজি নিয়ে সাতকানিয়ায় ফিরছিলেন। সাতকানিয়ার ছদাহা মিঠাদিঘী এলাকায় পৌঁছলে পেছন থেকে আরেকটি সিএনজি গতিরোধ করে। ওই সিএনজিতে ৪ থেকে ৫ জন মুখে কালো কাপড় বাঁধা অজ্ঞাত ব্যক্তি ছিল। তাদের মধ্যে একজন বাঁ হাতে গুলি করে ৫৫ হাজার টাকা ও একটি স্যামসাং মোবাইল ছিনিয়ে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে। সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন নিউজ একাত্তরকে বলেন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ছদাহা মিঠাদীঘিতে ছিনতাইয়ের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছি। কিন্তু প্রত্যক্ষদর্শী পাওয়া না যাওয়াতে তদন্তে বিঘ্ন ঘটছে। আমরা বিষয়টি দেখছি। এ পর্যন্ত কেউ থানায় কোন অভিযোগ করেনি, আমরা মৌখিকভাবে খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে এসেছি।
দাউদকান্দি পৌরসভার নব- নির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরদের শপথ গ্রহণ
১১,মার্চ,বৃহস্পতিবার,ইমরান মাসুদ,নিউজ একাত্তর ডট কম: কুমিল্লার দাউদকান্দি পৌরসভার নব নির্বাচিত মেয়র নাইম ইউসুফ সেইনসহ সংরক্ষিত আসনের মহিলা কাউন্সিলর ও সাধারণ কাউন্সিলরগণ শপথ গ্রহণ করেন । চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের সম্মেলনকক্ষে গতকাল বুধবার বিকেল ৩ টায় তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করান চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার এ বি এম আজাদ এনডিসি। এ সময় মেয়রসহ সকল মহিলা কাউন্সিলর ও সাধারণ কাউন্সিলরদের ফুলেল সংবর্ধনা জানান বিভাগীয় কমিশনার। নাঈম ইউসুফ সেইন-মেয়রসহ এ সময় নির্বাচিত সংরক্ষিত মহিলা আসনের কাউন্সিলর ১ নং ওয়ার্ড বিজয়ী তাছলিমা খন্দকার , ২ নং ওয়ার্ড নুরুন - নাহার ও ৩ নং ওয়ার্ড লাভলী আক্তার । সাধারণ কাউন্সিলর (পুরুষ) বিজয়ী ১ নং ওয়ার্ড আব্দুল হক মীর ২ নং ওয়ার্ড মো.শামীম দর্জি , ৩ নং ওয়ার্ড মো. মোয়াজ্জেম হোসেন , ৪ নং ওয়ার্ড সাকিব আহমেদ , ৫ নং ওয়ার্ড বিল্লাল হোসেন খন্দকার সুমন, ৬ নং ওয়ার্ড সালাউদ্দিন,৭ নং ওয়ার্ড এনামুল হক এমেল সরকার, ৮ নং ওয়ার্ড দেলোয়ার হোসেন প্রধান, ৯ নং ওয়ার্ড রকিব উদ্দিন রকিব । শপথ গ্রহণ শেষে নাঈম ইউসুফ সেইন জানান, দাউদকান্দির মানুষ আমাকে ভালোবেসে ২য় বারেরমত বিপুল ভোটে নির্বাচিত করেছেন, আমি আপনাদেরই সন্তান হিসেবে দাউদকান্দিকে প্রথম শ্রেনীর মডেল পৌরসভা ও শহরে রূপান্তরিত করতে সামনের দিনগুলোতে কাজ করে যাব ইনশাল্লাহ্ । উল্লখ্য, ১৪ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত দাউদকান্দি পৌরসভা নির্বাচনে ১৪ হাজার ৪৩৪ ভোট পেয়ে দ্বিতীয়বারের মতো মেয়র নির্বাচিত হন নাঈম ইউসুফ সেইন। প্রথমবার তিনি ছিলেন দেশের সর্বকনিষ্ঠ পৌর মেয়র।
কুমিল্লায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ১৫
১১,মার্চ,বৃহস্পতিবার,কুমিল্লা প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কে দেবিদ্বার উপজেলা বারেরায় একটি তিশা বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সাথে ধাক্কা খেলে বাসের সামনের অংশ ধুমরে মুচড়ে যায়। এ ঘটনায় মাহবুব আলম (২০) নামের ১ জন নিহত এবং চালকসহ অন্তত ১৫ জন যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) সকালে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা তিশা বাসটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। আহতদের উদ্ধার করে দেবিদ্বার ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মুরাদনগর ফায়ার সার্ভিসের ফাইটারম্যান মো. মাইনুদ্দিন। দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফুর রহমান জানান, ভোর ৪টার সময় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। আহত ৪/৫ জনকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিরা দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। মিরপুর হাইওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মৃদুল কান্তি কুরি জানান, ভোরে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে বাসটি গাছের সাথে ধাক্কা খায়। এতে অন্তত ১৫ যাত্রী আহত হয়। এর মধ্যে ৫ জন যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদেরকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আমরা দুর্ঘটনায় পতিত বাসটিকে উদ্ধারের চেষ্টা করছি। এদিকে আহতদের মধ্যে বেলা সাড়ে ১১টায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মাহবুব আলম নামে একজন যাত্রী মারা যান। তার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার নবীনগরের ভাঙ্গুরায়।
লামায় বন্য হাতির আক্রমণে নারী শ্রমিক নিহত
১০,মার্চ,বুধবার,বান্দরবান প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: বান্দরবানের লামা উপজেলায় বন্য হাতির আক্রমণে হাজেরা বেগম (৪৬) নামে এক নারী রাবার শ্রমিক নিহত হয়েছেন। আজ বুধবার (১০ মার্চ) সকালে উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নের পূর্বচাম্বী গরুরলোড়া পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত হাজেরা বেগম গরুরলোড়াপাড়ার বাসিন্দা মো. নুরুল আলমের স্ত্রী। জানা গেছে, প্রতিদিনের মত বুধবার সকাল ৭টার দিকে হাজেরা বেগম বাড়ির পাশে মোস্তফা রাবার বাগানে কাজ করতে যাচ্ছিলেন। কিছু দূর যাওয়ার পর পথে হাতির দল আক্রমণ করলে গুরুতর আহত হন হাজেরা বেগম। পরে স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক হাজেরা বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার পর হাতির দল স্থানীয় ফারুকের খামার বাড়ি ভাংচুর এবং কৃষক আমির আলীর সৃজিত ফসল খেত খেয়ে নষ্ট করে। বন্য হাতির আক্রমনে হাজেরা বেগমের মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করে আজিজনগর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন বলেন, এখনো হাতিগুলো এলাকায় অবস্থান করায় লোকজন চরম আতঙ্কে রয়েছেন। এ বিষয়ে লামা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এস এম কায়চার জানান, হাতি দ্বারা নিহত হাজেরা বেগমের পরিবার ও ক্ষতিগ্রস্তদেরকে বন বিভাগের পক্ষ থেকে বিধি মোতাবেক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

সারা দেশ পাতার আরো খবর