মঙ্গলবার, জুন ২২, ২০২১
পরিস্থিতি দেখে এসএসসি-এইচএসসির বিষয়ে সিদ্ধান্ত : শিক্ষামন্ত্রী
১৫,জুন,মঙ্গলবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা হবে কি-না, করোনা পরিস্থিতি দেখে তা বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। মঙ্গলবার (১৫ জুন) স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ঢাকার কেরানীগঞ্জের জাজিরা মোহাম্মদিয়া আলিয়া মাদ্রাসায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনের সময় এ কথা জানান তিনি। এর আগে, চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে নেয়া সম্ভব না হলে বিকল্প ব্যবস্থার চিন্তাভাবনা চলছে বলে রোববার জানিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, ২০২১ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য আমরা চেষ্টা করছি সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা নেয়ার। এখন সেটিও যদি না হয়, আমরা তার বিকল্প নিয়েও চিন্তা করছি। কিন্তু এখন পরীক্ষা আমরা নিতে পারব কি-না, পরীক্ষা নিতে না পারলে বিকল্প কোনো ব্যবস্থা থাকলে- তার সবকিছু নিয়েই কিন্তু আমাদের চিন্তা-ভাবনা আছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও আন্তঃশিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা গেছে, জুলাই থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা গেলে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর নাগাদ সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের ওপরই পরীক্ষা নেয়া সম্ভব। তবে যদি ছুটি বাড়ানো হয় তাহলে বিকল্প চিন্তা হিসেবে অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে মূল্যায়ন করার প্রস্তুতি শুরু করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে শিক্ষার্থীরা কতটুকু শিখেছে তার একটা মূল্যায়ন করে গ্রেড দেয়া যাবে। এক্ষেত্রে আগের জেএসসি ও নবম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফলকে আমলে নেয়া হতে পারে। গত বছরের মার্চে সংক্রমণ দেখা দেয়ার আগেই এসএসসি পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা আটকে যান। ছুটির সময় কোনো পাবলিক পরীক্ষা হয়নি। আর উচ্চ মাধ্যমিকের পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়ন ফল প্রকাশ করা হয় তাদের এসএসসি ও জেএসসির ফলের গড় করে।
শিক্ষা আইনের খসড়া যাচ্ছে মন্ত্রিপরিষদে: শিক্ষামন্ত্রী
১০,জুন,বৃহস্পতিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, শিক্ষা আইনের খসড়া চূড়ান্ত হয়েছে। শিগগিরই তা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হবে। বুধবার 'চাইল্ড পার্লামেন্টে সেশন-২০২১' অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ডা. দীপু মনি বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা আইন করার চেষ্টা করছি। সেই শিক্ষা আইনের খসড়াটি করোনাকালেই চূড়ান্ত করেছি। এখন মন্ত্রিপরিষদে যাবে। এরপর আরও কয়েকটি প্রক্রিয়া রয়েছে। সেগুলো সম্পন্ন করে সংসদে যাবে। সেখানে পাস হলে আমরা আইনটি বাস্তবায়ন করতে পারব। চাইল্ড পার্লামেন্টে অনলাইন শিক্ষাসহ এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের তথ্য উঠে আসে। এ সময় চাইল্ড পার্লামেন্টে বিভিন্ন প্রস্তাবনা ও সমস্যা সমাধানের বিষয় তুলে ধরেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। চাইল্ড পার্লামেন্টে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অন্যের জরিপ নয়, নিজেরা জরিপ করে প্রকৃত অবস্থা তুলে ধরতে হবে। সমস্যা সমাধানের জন্য সুপারিশ করতে হবে। অনুষ্ঠানে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক চাইল্ড পার্লামেন্টে উত্থাপিত বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
১৩ জুন থেকে স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী
২৬,মে,বুধবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চলমান ছুটি আগামী ১২ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এরপর আগামী ১৩ জুন থেকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হবে। আমাদের সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আমরা ক্লাস নিতে পারব। মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ফলে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। এ কারণে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ২০২২ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বুধবার (২৬ মে) দুপুর ১২টায় এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান। মন্ত্রী জানান, চলতি বছরে এসএসএসি পরীক্ষার্থীরা ৬০ দিন এবং এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা ৮৪ দিন ক্লাসের পর পরীক্ষায় অংশ নেবে। আর ২০২২ সালের পরীক্ষার্থীরা যথাক্রমে ১৫০ দিন ও ১৮০ দিন ক্লাস করে পরীক্ষায় অংশ নেবে। ২০২২ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হবে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ব্যাপারে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ছুটিও আগামী ২৯ মে পর্যন্ত
১৬,মে,রবিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান ছুটিও আগামী ২৯ মে পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। রোববার (১৬ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের এ তথ্য জানান। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে অতি সম্প্রতি চলমান কোভিড-১৯ অতিমারিতে সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি পরিলক্ষিত হওয়ায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী ও অভিভাবকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা, সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এবং কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির সঙ্গে পরামর্শক্রমে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান ছুটি আগামী ২৯ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এই সময়ে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। করোনা সংক্রমণের কারণে সব সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেন এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটিও ২৯ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে ২৩ মে
২৯,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আগামী ২৩ মে থেকে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে। পূর্বের সিদ্ধান্তই বহাল রেখেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সে মোতাবেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) এক ভার্চুয়াল সংলাপে এ কথা জানান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের (মাউশি) সচিব মো. মাহবুব হোসেন। সচিব বলেন, করোনার মধ্যে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে আমরা টেলিভিশন, অনলাইন ও রেডিওতে ক্লাস সম্প্রচার শুরু করেছি। তার পাশাপাশি মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের বাসায় অ্যাসাইনমেন্টের কাজ দেয়া হচ্ছে। করোনার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ২০২১-২০২২ অর্থ বছরে করোনায় বিপর্যস্ত বাজেট কেমন হওয়া উচিৎ শীর্ষক সংলাপে মাহবুব হোসেন বলেন, করোনার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আগামী বছরের জাতীয় বাজেটে শিক্ষার বরাদ্দ বাড়ানো হবে। বাজেটে শিক্ষাকে অধিক গুরুত্ব দেয়া হবে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে আমাদের নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে বাজেটের আকার বড় করলেও সমস্যা সমাধান হয় না, এটি ব্যবহারে পরিকল্পনা, সক্ষমতা ও অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয়। শিক্ষা সচিব বলেন, দেশের পরিস্থিতির উন্নতি হলে আগামী ২৩ মে স্কুল-কলেজ খুলে দেয়া হবে। আমাদের আগের ঘোষণা অনুযায়ী যে সিদ্ধান্ত ছিল তা এখনো বহাল রয়েছে। এটি বাস্তবায়নে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এর আগে গত ২৫ মার্চ করোনাভাইরাস সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির বৈঠক শেষে ২৩ মে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ঘোষণা দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, করোনাভাইরাস সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী ও অভিভাবকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে ও কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির পরামর্শক্রমে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আগামী ঈদুল ফিতরের পর ২৩ মে ক্লাস শুরুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে এ সময়ে অনলাইন শিক্ষাকার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়। একইসঙ্গে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্তের পর ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। এরপর কয়েকবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু করোনা পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় তা পিছিয়ে যায়। এবারও যদি এমন কোনো পরিস্থিতি না হয় তাহলে ২৩ মে থেকে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে। নতুবা এই সিদ্ধান্ত পিছিয়ে দেয়া হতে পারে।
এসএসসির প্রস্তুতি: পরীক্ষা ছাড়া পাস করাতে চায় না বোর্ড
২৩,এপ্রিল,শুক্রবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর গত মার্চে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও দেশে করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় তা আর সম্ভব হয়নি। তবে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পাঠদান শেষে চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার পরিকল্পনা করেছে সরকার। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে হলে বিকল্প চিন্তা করে রাখা হয়েছে। ইতোমধ্যে চলতি বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আয়োজনের সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর কবে পরীক্ষা আয়োজন করা হবে সে বিষয়ে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ডের সভায় আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড সাব কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর নেহাল আহমেদ বলেন, আমরা পরীক্ষা নিয়েই শিক্ষার্থীদের রেজাল্ট দিতে চাই। সে লক্ষ্যে আমাদের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললে আমরা শিক্ষার্থীদের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস পড়িয়ে তার আলোকে পরীক্ষা নিতে চাই। তবে করোনার কারণে যদি সেটি সম্ভব না হয় তাহলে আমরা বিকল্প মূল্যায়ন নিয়েও চিন্তা করছি। সেজন্য একটি কমিটি কাজ করছে। কমিটি আমাদের যে প্রস্তাব দেবে আমরা সেটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেব। এরপর তারা আলোচনা করে বিষয়টি ঠিক করবেন। করোনার কারণে ২২ মে পর্যন্ত স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ২৩ মে থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব হলে ৬০ দিন ক্লাস করিয়ে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা আয়োজন করবে শিক্ষাবোর্ডগুলো। এ লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের সংক্ষিপ্ত সিলেবাসও প্রণয়ন করা হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে এই সিলেবাসের আলোকে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত করতে বলা হয়েছে।
এসএসসি পরীক্ষা: বিলম্ব ফি ছাড়াই ফরম পূরণের সময় বাড়ছে
৭,এপ্রিল,বুধবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলমান এসএসসি পরীক্ষায় বিলম্ব ফি ছাড়াই ফরম পূরণের সময় বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে নতুন সময়সূচি শিক্ষার্থীদের জানিয়ে দেওয়া হবে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এসএম আমিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক নির্দেশনা বুধবার (৭ এপ্রিল) জারি করা হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ বিস্তারের কারণে বিলম্ব ফি ছাড়া এসএসসি পরীক্ষা ২০২১-এর ফরম পূরণের সময় বর্ধিত করে নতুন সময়সূচি জানিয়ে দেওয়া হবে। এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে বোর্ড নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা যাবে না। ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি আদায়ের কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। আন্তঃশিক্ষা সমন্বয়ক বোর্ডের সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমেদ জানান, লকডাউনের কারণে এসএসসির চলমান ফরম পূরণ স্থগিত রাখা হয়েছে। বর্তমানে করোনাভাইরাস একটি জাতীয় সমস্যা। তাই লকডাউন শেষে ফরম পূরণের সময় বাড়ানো হবে। বিলম্ব ফি ছাড়া পরীক্ষার্থীরা ফরম পূরণ করতে পারবেন। কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ফি নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, এর আগে গত ১ এপ্রিল থেকে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের কার্যক্রম শুরু হয়। তবে দেশে করোনার সংক্রমণ রোধে চলমান বিধিনিষেধের কারণে ৫ এপ্রিল থেকে ফরমপূরণ স্থগিত করা হয়।
ঈদের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কথা ভাবা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী
২৫,মার্চ,বৃহস্পতিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, করোনার সংক্রমণের হার ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত থাকলে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করে ঈদের পর পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে। গণহত্যা দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আয়োজিত আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার করোনা বিষয়ক জাতীয় কারিগরি কমিটির সঙ্গে বৈঠকের পরে বিশেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং শুক্রবারের (২৬ মার্চ) মধ্যে তা জানিয়ে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকার এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না যাতে করে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সবারই ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। আমরা বিকেলে জাতীয় কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বসবো, করোনা সংক্রমণ নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বিষয়টি নিয়ে বিবেচনা করবো। যেহেতু করোনা সংক্রমণ সারা বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশেও বাড়ছে সে জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে মিল রেখে ঈদের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কথা ভাবা হচ্ছে।

শিক্ষা পাতার আরো খবর