এসএসসি পরীক্ষা: বিলম্ব ফি ছাড়াই ফরম পূরণের সময় বাড়ছে
৭,এপ্রিল,বুধবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলমান এসএসসি পরীক্ষায় বিলম্ব ফি ছাড়াই ফরম পূরণের সময় বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে নতুন সময়সূচি শিক্ষার্থীদের জানিয়ে দেওয়া হবে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এসএম আমিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক নির্দেশনা বুধবার (৭ এপ্রিল) জারি করা হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ বিস্তারের কারণে বিলম্ব ফি ছাড়া এসএসসি পরীক্ষা ২০২১-এর ফরম পূরণের সময় বর্ধিত করে নতুন সময়সূচি জানিয়ে দেওয়া হবে। এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে বোর্ড নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা যাবে না। ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি আদায়ের কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। আন্তঃশিক্ষা সমন্বয়ক বোর্ডের সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমেদ জানান, লকডাউনের কারণে এসএসসির চলমান ফরম পূরণ স্থগিত রাখা হয়েছে। বর্তমানে করোনাভাইরাস একটি জাতীয় সমস্যা। তাই লকডাউন শেষে ফরম পূরণের সময় বাড়ানো হবে। বিলম্ব ফি ছাড়া পরীক্ষার্থীরা ফরম পূরণ করতে পারবেন। কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ফি নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, এর আগে গত ১ এপ্রিল থেকে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের কার্যক্রম শুরু হয়। তবে দেশে করোনার সংক্রমণ রোধে চলমান বিধিনিষেধের কারণে ৫ এপ্রিল থেকে ফরমপূরণ স্থগিত করা হয়।
ঈদের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কথা ভাবা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী
২৫,মার্চ,বৃহস্পতিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, করোনার সংক্রমণের হার ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত থাকলে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করে ঈদের পর পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে। গণহত্যা দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আয়োজিত আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার করোনা বিষয়ক জাতীয় কারিগরি কমিটির সঙ্গে বৈঠকের পরে বিশেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং শুক্রবারের (২৬ মার্চ) মধ্যে তা জানিয়ে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকার এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না যাতে করে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সবারই ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। আমরা বিকেলে জাতীয় কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বসবো, করোনা সংক্রমণ নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বিষয়টি নিয়ে বিবেচনা করবো। যেহেতু করোনা সংক্রমণ সারা বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশেও বাড়ছে সে জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে মিল রেখে ঈদের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কথা ভাবা হচ্ছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ২৫ ও ২৬ মার্চ পালনের নির্দেশনা
২৪,মার্চ,বুধবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গণহত্যা ও স্বাধীনতা দিবস পালন করা হবে। এজন্য নানামুখী কর্মসূচি গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) মাদরাসা বোর্ডের রেজিস্ট্রার মো. সিদ্দিকুর রহমান স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগ হতে নির্দেশনা মোতাবেক আগামী ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ও ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস পালন করতে হবে। এ দুই বিশেষ দিন পালনে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নে সকল মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- স্কুল/কলেজ/মাদরাসাসহ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তি/বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কণ্ঠে ২৫ মার্চ গণহত্যার স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা করতে হবে। সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে হবে। দেশের সকল বিভাগ, জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে সকালে কুচকাওয়াজ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী সমাবেশ, জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। জাতীয় পর্যায়ে রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজনসহ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে বলা হয়েছে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এ আদেশ জারি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সকল আবেদন বাস্তবায়নে নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানানো হয়েছে। এদিকে চলতি সপ্তাহে দেশের সাধারণ সকল স্কুল-কলেজে দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই দুই দিবস পালনের নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। সে মোতাবেক ২৫ মার্চ ও পরদিন ২৬ মার্চ দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নানা আয়োজন পালনের মাধ্যমে এ দিবসগুলো পালন করা হবে।
এসএসসির টেস্ট পরীক্ষা বাতিল, ফরম পূরণ শুরু ১ এপ্রিল
২২,মার্চ,সোমবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাস মহামারির কারণে এবার সেকেন্ডারি স্কুল সার্টিফিকেটের (এসএসসি) টেস্ট (নির্বাচনী) পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। অপরদিকে ১ এপ্রিল থেকে ফরম পূরণ শুরুর কথা বলা হয়েছে। গতকাল রোববার (২১ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই কথা জানিয়েছে, দেশের সব বোর্ডের সমন্বয়কারী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের তথ্য সম্বলিত সম্ভাব্য তালিকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে আগামী ২৮ মার্চ সোমবার প্রকাশ করা হবে। এরপর স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগামী ১ এপ্রিল বৃহস্পতিবার ফরম পূরণ শুরু হবে। আগামী ৭ এপ্রিল পর্যন্ত কোনও ধরনের অতিরিক্ত ফি লাগবে না। ফরম পূরণের সকল ধরনের কাজ চলবে অনলাইনে। তবে বিলম্ব ফিসহ ১০ থেকে ১৪ এপ্রিলের মধ্যে ফরম পূরণ করা যাবে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ২০২১ সালে এসএসসি পরীক্ষা যারা দিতে চায় তারা ফরম পূরণ করে সরাসরি এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। করোনার কারণে গতবছর থেকে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হলে ৬০ দিন ক্লাস করতে হবে। আর সে ৬০ দিনে যা পড়ানো হবে, সেখান থেকে প্রশ্ন করা হবে। প্রসঙ্গত, এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার আগে টেস্ট পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য মনোনীত করা হয়। তারপর ফরম পূরণের সুযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু এবার করোনার কারণে টেস্ট পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
সংক্রমণ বাড়লে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার তারিখ পেছাতে পারে: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি
১৩,মার্চ,শনিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়লে আগামী ৩০ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কথা থাকলেও তা পেছাতে পারে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। শুক্রবার (১২ মার্চ) বিকেলে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করা হচ্ছে। যদি সংক্রমণ বাড়তে থাকে তবে সিদ্ধান্তে (৩০ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার) পরিবর্তন আসতে পারে। তবে এ ব্যাপারে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আগামীকাল শনিবার (১৩ মার্চ) এ বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক হবে। সেখানে পর্যালোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। জানা গেছে, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে আগামী ৩০ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়। এরপর থেকেই দেশে করোনার সংক্রমণ বেড়েছে। সবশেষ মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সবাইকে সতর্ক থাকতে তিন দফা নির্দেশনা দিয়েছেন। শনিবার তথ্য মন্ত্রণালয়ে এ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, স্বাস্থ্য, স্বরাষ্ট্র, তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, সংশ্লিষ্ট অধিদফতরের মহাপরিচালক, ইউজিসির কর্মকর্তারা অংশ নেবেন।
৩০ মার্চ খুলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
২৭,ফেব্রুয়ারী,শনিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ৩০ মার্চ থেকে স্কুল-কলেজ খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। করোনাভাইরাসের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে এ তথ্য জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। শিক্ষামন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠকে কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আব্দুল মান্নান, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মো. কামাল হোসেন, পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্তের পর ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এরপর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি ধাপে ধাপে বাড়িয়ে আগামীকাল ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করা হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া যায় কিনা- সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে বসে সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে গত ২২ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিসভা বৈঠকে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনার কথা জানিয়ে ওইদিন প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেছিলেন, সরকার খোলার (শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান) পরিবেশটা প্রিভিউ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা পাঁচ-ছয় দিনের মধ্যে একটা মিটিংয়ে বসব। এটা আন্তঃমন্ত্রণালয় মিটিং হবে। এরই মধ্যে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হলে ফেরার আন্দোলন শুরু করেন। কোনো কোনো স্থানে শিক্ষার্থীদের তালা ভেঙে হলে প্রবেশের ঘটনাও ঘটে। এ পরিস্থিতিতে ২২ ফেব্রুয়ারি শিক্ষামন্ত্রী ঘোষণা দেন, আগামী ২৪ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পাঠদান কার্যক্রম শুরু হবে।
সাত কলেজের আন্দোলন স্থগিত
২৪,ফেব্রুয়ারী,বুধবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অনার্স শেষ বর্ষ এবং তৃতীয় বর্ষের চলমান পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্তের পর আন্দোলন স্থগিত করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারী সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে রাজধানীর নিউমার্কেট নীলক্ষেত মোড় অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত করেন তারা। বুধবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকা কলেজের আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ইসমাঈল সম্রাট। এসময় তিনি জানান, আমাদের দাবি মেনে নেওয়ার কারণে আমরা আন্দোলন স্থগিত করেছি। এর আগে সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সাথে ভার্চুয়াল আলোচনায় বসে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আলোচনা শেষে এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) এএসএম মাকসুদ কামাল সময় নিউজকে জানান, 'সাত কলেজের চলমান পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আজকের যে পরীক্ষাটি হওয়ার কথা ছিল, সেটি কবে নেওয়া হবে পরবর্তীতে জানিয়ে দেয়া হবে। পরীক্ষার চলমানের সিদ্ধান্ত জানার পর আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা যায়। এর আগে, শিক্ষার্থীরা একইদিন সকাল ৯টা থেকে নীলক্ষেত নিউমার্কেট মোড় অবরোধ করে রাখায় বিকেল চারটা পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ ছিল। পরে পুলিশ তাদের সরিয়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
২৪ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস
২২,ফেব্রুয়ারী,সোমবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় বন্ধের পর আগামী ২৪ মে (পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর) থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ১৭ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব আবাসিক হল খুলে দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ভার্চুয়ালি এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। গত বছরের ১৭ মার্চ করোনার প্রাদুর্ভাব রুখতে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। কয়েক ধাপে বাড়ানোর পর ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়। করোনার প্রাদুর্ভাব কমে আসায় চলতি বছরের শুরু থেকেই বিভিন্ন মহল থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেয়ার দাবি আসতে থাকে। এ নিয়ে আন্দোলনে নামে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সর্বশেষ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোর ফটকের তালা ভেঙে প্রবেশ করেন। এরপর ঢাবি, রাবিসহ আরও কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে বিশ্বের অনেক দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। আমাদেরও গত ১৭ মার্চ থেকে সব স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। বর্তমানে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নেয়া না হলেও দেশের সব পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আগামী ২৪ মে থেকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণি-ক্লাস কার্যক্রম শুরু করা হবে। এর আগে ১৭ মে থেকে সব আবাসিক হল খুলে দেয়া হবে। দীপু মনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণি-ক্লাস চালুর আগ পর্যন্ত অনলাইনে ক্লাস চলমান থাকলেও কোন ধরনের পরীক্ষা নেয়া যাবে না। শ্রেণি-ক্লাস খোলার পর পরীক্ষা নেয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয় খোলার আগে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও আবাসিক হলগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কাজ শেষ করতে হবে। ক্যাম্পাস ও হলে স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে সংস্কার কাজ করারও পরামর্শ দিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় খোলার আগে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের করোনার টিকাদান নিশ্চিত করা হবে। টিকা প্রদানের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণি-ক্লাস শুরু করা হবে। ইতোমধ্যে তাদের টিকাদান কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ফের বাড়লো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি
১৪,ফেব্রুয়ারী,রবিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আবারো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি বাড়ানো হয়েছে। এ ছুটি বাড়িয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করা হয়েছে। এর আগে কয়েক দফায় ছুটি বাড়ানো হয়েছিলো ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তবে কওমি মাদরাসায় যথারীতি ক্লাস ও পরীক্ষা চলবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শিক্ষা অধিদপ্তরের গনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের। তিনি বলে, চলমান ছুটি আরো কয়েকদিন বাড়িয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করা হয়েছে। নতুন করে ছুটি বাড়ানোর সময়গুলোতে দেশের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। সংসদ টিভি, রেডিও, অনলাইনে ক্লাস চলমান থাকবে। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য যে বিশেষায়িত সিলেবাস দেওয়া হয়েছে সেটা অনুযায়ী লেখাপড়া চালিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ ২০২০ প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের পর গত ১৭ মার্চ ২০২০ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কয়েক ধাপে বাড়ানোর পর ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত ছুটি ছিল, সেই ছুটি এবার ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত বাড়লো। ছুটিকালীন সময়ে চলছে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম।