রবিবার, মে ৯, ২০২১
ফের বাড়লো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি
১৪,ফেব্রুয়ারী,রবিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আবারো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি বাড়ানো হয়েছে। এ ছুটি বাড়িয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করা হয়েছে। এর আগে কয়েক দফায় ছুটি বাড়ানো হয়েছিলো ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তবে কওমি মাদরাসায় যথারীতি ক্লাস ও পরীক্ষা চলবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শিক্ষা অধিদপ্তরের গনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের। তিনি বলে, চলমান ছুটি আরো কয়েকদিন বাড়িয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করা হয়েছে। নতুন করে ছুটি বাড়ানোর সময়গুলোতে দেশের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। সংসদ টিভি, রেডিও, অনলাইনে ক্লাস চলমান থাকবে। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য যে বিশেষায়িত সিলেবাস দেওয়া হয়েছে সেটা অনুযায়ী লেখাপড়া চালিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ ২০২০ প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের পর গত ১৭ মার্চ ২০২০ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কয়েক ধাপে বাড়ানোর পর ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত ছুটি ছিল, সেই ছুটি এবার ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত বাড়লো। ছুটিকালীন সময়ে চলছে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম।
এসএসসি ও এইচএসসির পুনর্বিন্যস্ত সিলেবাস প্রকাশ
৬,ফেব্রুয়ারী,শনিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাস মহামারির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান এবং এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের জন্য পুনর্বিন্যস্ত সিলেবাস প্রকাশ করেছে সরকার। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে শুক্রবার (৫ ফেব্রুয়ারি) পুনর্বিন্যস্ত এ সিলেবাস প্রকাশ করে তা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষকদের পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পুনর্বিন্যাস করা সিলেবাস এমনভাবে করা হয়েছে যাতে স্বল্পসময়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া যায়। এরআগে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য এ সিলেবাস তৈরি করে। যদিও গত ২৫ জানুয়ারি এসএসসি পরীক্ষার জন্য সিলেবাস প্রকাশ করা হয়েছিল, তবে শিক্ষামন্ত্রী সম্প্রতি এনসিটিবিতে সভা করে দুই সিলেবাস নতুন করে প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিলেন। করোনা ভাইরাসে সংক্রমণের পর গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। কওমি মাদরাসা বাদে অন্যসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা আছে। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খোলার প্রস্তুতি নিতে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এছাড়া ৪ ফেব্রুয়ারি মধ্যে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে তাদের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের জন্য স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছিলো। যাতে করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আদেশ পাওয়া মাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া যায়। প্রতিবছর ফেব্রুয়ারির শুরুতে এসএসসি এবং এপ্রিলে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়। যদিও করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ২০২০ সালের এইচএসসি পরীক্ষা না নিয়ে জেএসসি এবং এসএসসি পরীক্ষার ফলের ওপর ভিত্তি করে ফল দেওয়া হয়েছে। জাতীয় সংসদের চলমান অধিবেশনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিয়ে দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে পাঁচ বা ছয় দিন ক্লাস করানো হবে। আর অন্যান্য শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে একদিন ক্লাস করানো হবে। আর জুন মাসে এসএসসি এবং জুলাইয়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া হবে।
গাছ লাগাতে টাকা পাবে ১০ হাজার বিদ্যালয়
৩,ফেব্রুয়ারী,বুধবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল বনায়ন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে ১০ হাজার বিদ্যালয়কে পাঁচ হাজার করে টাকা দেবে সরকার। মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারি) এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা এই আদেশে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ স্কাউটসের সমাজ উন্নয়ন ও স্বাস্থ্য বিভাগের আওতায় প্রকল্পের অর্থায়নে চার বছরে মোট ১০ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল গার্ডেনিং ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এ কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একটি ছোট বাগান তৈরি, চারটি ফলজ বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যা করতে হবে। নির্বাচিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিটিতে স্কুল গার্ডেনিং ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির জন্য ৫ হাজার করে টাকা দেয়া হবে। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য আটটি বিভাগীয় উপপরিচালকের কার্যালয় থেকে মোট ১০ হাজার ৪০৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামের তালিকা পাওয়া গেছে বলেও আদেশে উল্লেখ করেছে অধিদফতর। এসব বিদ্যালয়ের হিসাব নম্বরসহ ই-মেইলে পাঠাতে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের বিভাগীয় উপপরিচালকদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এইচএসসির ফলাফলে ইতিহাস
৩০,জানুয়ারী,শনিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়নি। করোনা মহামারীর মধ্যে তবু নিরাস হচ্ছে না কেউ। সবাইকে পাস করিয়ে প্রকাশিত হল এইচএসি ও সমমানের ফলাফল। শনিবার (৩০ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ডিজিটালি ফল প্রকাশ করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে অনলাইনে যুক্ত হয়ে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল ঘোষণার উদ্বোধন করেন। পরীক্ষা ছাড়াই এইচএসসির ফলাফল দেয়া এবং ডিজিটালি ফল প্রকাশের ঘটনা বাংলাদেশের ইতিহাসে এবারই প্রথম। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের ১৩ লাখ ৬৫ হাজার শিক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল। গত বছরের ১ এপ্রিল পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাসের প্রকোপ বাড়তে থাকায় ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে সরকার পরীক্ষা ছাড়াই মূল্যায়নের মাধ্যমে এইচএসসি ও সমমান শ্রেণির ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এক্ষেত্রে জেএসসির ফল থেকে ২৫ শতাংশ এবং এসএসসির ফল থেকে ৭৫ শতাংশ নিয়ে গড় করে এইচএসসির ফল নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছরে ফেল করা শিক্ষার্থীরাও এবার পরীক্ষার্থী ছিল। তাদেরও পাস করিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই হিসাবে এবার শতভাগ পরীক্ষার্থীই পাসের মুখ দেখছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়লো ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত
২৯,জানুয়ারী,শুক্রবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। শুক্রবার (২৯ জানুয়ারি) শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, করোনা মহামারির কারণে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (কওমি ছাড়া) চলমান ছুটি আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। বাংলাদেশে গত বছরের ৮ মার্চ প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের পর গত ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কয়েক ধাপে বাড়ানোর পর আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত ছুটি ছিল। সেই ছুটি এবার আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়লো। ছুটি চলাকালে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম চলমান থাকবে বলে জানিয়েছেন এম এ খায়ের। করোনা মহামারির কারণে এ বছর প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী, অষ্টমের সমাপনী ছাড়াও এইচএসসি পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। জেএসসি ও এসএসসির ফলের ভিত্তিতে এইচএসসির ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত হলেও প্রাথমিকের অন্যান্য শ্রেণিগুলোয় পরীক্ষা ছাড়া পরবর্তী ক্লাসে তুলে দেওয়া হচ্ছে। আর মাধ্যমিকের ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত অ্যাসাইনমেন্ট দিয়ে মূল্যায়ন করা হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। অন্যদিকে উচ্চশিক্ষা স্তরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনার্স ও মাস্টার্সের চূড়ান্ত পরীক্ষা নিতে অনুমতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)।
এইচএসসি ও সমমানের মূল্যায়নের ফল শনিবার
২৯,জানুয়ারী,শুক্রবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়নের ফল শনিবার প্রকাশ করা হবে। শুক্রবার (জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের এ তথ্য জানিয়েছেন। করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে এবার পরীক্ষা ছাড়া এসএসসি, জেএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের গড় মূল্যায়ন করা হয়েছে। শনিবার সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়নের ফল প্রকাশ করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে অনলাইনে ফলাফল ঘোষণা অনুষ্ঠানে যুক্ত থাকবেন। রেওয়াজ অনু্যায়ী, প্রধানমন্ত্রীর কাছে শিক্ষামন্ত্রী ফলাফল হস্তান্তরের পর ফল প্রকাশ করা হয়। করোনা ভাইরাসের মধ্যে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না হওয়ায় এইচএসসির ফলাফল প্রস্তুত, প্রকাশ ও সনদ বিতরণের ক্ষমতা শিক্ষা বোর্ডগুলোকে দিয়ে গত মঙ্গলবার গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার। এর মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ পরামর্শক কমিটির সুপারিশ মোতাবেক নয়টি সাধারণ বোর্ডের সঙ্গে মাদ্রাসা এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডকে এই ক্ষমতা দেয় সরকার। এতে বলা হয়েছে, চলমান বৈশ্বিক অতিমারি কোভিড-১৯ ভাইরাসজনিত কারণে ২০২০ সালে অনুষ্ঠিতব্য উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব না হওয়ায় এ সংক্রান্ত আইনগুলো সংশোধন করা হয়েছে। ওই সব সংশোধিত আইনের ক্ষমতাবলে এ সংক্রান্ত গঠিত পরামর্শক কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বোর্ডগুলোকে এই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, ফলফল প্রস্তুত আছে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলে ফলাফল প্রকাশের তারিখ চূড়ান্ত করা হবে। পরীক্ষা ছাড়া উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ করতে ইন্টারমিডিয়েট অ্যান্ড সেকেন্ডারি এডুকেশন (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট-২০২১, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (সংশোধন) অ্যাক্ট-২০২১ এবং বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড (সংশোধন) অ্যাক্ট-২০২১ গেজেট আকারে জারি করে সরকার। আইনগুলো সংশোধন হওয়ায় এখন বিশেষ পরিস্থিতে অতিমারি, মহামারি, দৈব দুর্বিপাকের কারণে বা অনিবার্য পরিস্থিতিতে কোনো পরীক্ষা গ্রহণ, ফল প্রকাশ এবং সনদ করা সম্ভব না হলে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দিয়ে কোনো বিশেষ বছরে শিক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষা ছাড়াই বা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা নিয়ে প্রজ্ঞাপনে উল্লিখিত পদ্ধতিতে মূল্যায়ন এবং সনদ দেওয়ার নির্দেশ জারি করতে পারবে। গত বছরে ১১টি শিক্ষা বোর্ডের ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ৭৮৯ জন শিক্ষার্থীর এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল। প্রতি বছরের মতো ১ এপ্রিল পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও করোনা মহামারির কারণে পরীক্ষা বাতিল করা হয়। শিক্ষামন্ত্রী জানান, অষ্টমের সমাপনী এবং এসএসসির ফলাফলের গড় করে ২০২০ সালের এইচএসসির ফল নির্ধারণ করা হবে। জেএসসি-জেডিসির ফলাফলকে ২৫ এবং এসএসসির ফলকে ৭৫ শতাংশ বিবেচনায় নিয়ে উচ্চ মাধ্যমিকের ফল ঘোষিত হবে এবারের ফল। অন্যদিকে, আইনে পরীক্ষা নিয়ে ফল প্রকাশের বিধান থাকায় তা সংশোধন করে বিশেষ পরিস্থিতিতে পরীক্ষা ছাড়াই ফল প্রকাশের বিধান যুক্ত করতে হয়েছে। গত রোববার জাতীয় সংসদে তা পাস হয়। এরপর রাষ্ট্রপতির সম্মতিও আসে ওই দিন রাতে।
পরীক্ষা ছাড়াই এইচএসসির ফল প্রকাশে সংশোধিত আইনের গেজেট জারি
২৬,জানুয়ারী,মঙ্গলবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পরীক্ষা ছাড়াই এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করতে সংসদে পাস হওয়া তিনটি সংশোধিত আইনের গেজেট জারি করা হয়েছে। এর আগে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তিনটি বিলে সম্মতি দেন। বিল তিনটিতে রাষ্ট্রপতির সম্মতির পর সেগুলো আইনে পরিণত হয়। সোমবার (২৫ জানুয়ারি) রাতে- ইন্টারমিডিয়েট অ্যান্ড সেকেন্ডারি এডুকেশন (অ্যামেন্ডমেন্ট) আইন-২০২১, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ড (সংশোধন) আইন-২০২১ ও বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড (সংশোধন) আইন-২০২১- এর গেজেট জারি করা হয়। এখন যেকোনো দিন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। এসএসসি ও জেএসসির পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে এইচএসসি পরীক্ষার ফল দিতে এই আইনগুলো পাস করা হয়। রোববার (২৪ জানুয়ারি) সংসদে বিল তিনটি পাসের পর শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, বিলটি পাসের পর প্রজ্ঞাপন করতে দুদিন সময় লাগবে। এরপরই আমরা দ্রুত ফলাফল প্রকাশ করব। আগের আইন অনুযায়ী পরীক্ষা নেয়ার পর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল দেয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু সংশোধিত আইনে পরীক্ষা ছাড়াই বিশেষ পরিস্থিতিতে ফলাফল প্রকাশের বিধান রাখা হয়েছে। আইন তিনটির উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে ডা. দীপু মনি বলেন, প্রস্তাবিত আইনে বিশেষ পরিস্থিতিতে অতিমারি, মহামারির কারণে বা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সময়ে কোনো অনিবার্য পরিস্থিতিতে কোনো পরীক্ষা গ্রহণ, ফল প্রকাশ এবং সনদ প্রদান করা সম্ভব না হলে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা কোনো বিশেষ বছরে শিক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষা ছাড়াই বা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা গ্রহণ করে উক্ত প্রজ্ঞাপনে উল্লিখিত পদ্ধতিতে মূল্যায়ন এবং সনদ প্রদানের জন্য নির্দেশনা জারির বিষয় উল্লেখ রয়েছে।
এসএসসির নতুন সিলেবাস প্রকাশ
২৫,জানুয়ারী,সোমবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাস মহামারির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য পরিমার্জিত নতুন পাঠ্যসূচি প্রকাশ করেছে সরকার। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে সোমবার (২৫ জানুয়ারি) পুনর্বিন্যাস করা এ পাঠ্যসূচি প্রকাশ করা হয়। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য এ পাঠ্যসূচি তৈরি করেছে। সিলেবাস বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের অবহিত করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। করোনা ভাইরাসে সংক্রমণের পর গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। কওমি মাদরাসা বাদে অন্যসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা আছে। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খোলার প্রস্তুতি নিতে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি মধ্যে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে তাদের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের জন্য স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। যাতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আদেশ পাওয়ামাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া যায়। প্রতিবছর ফেব্রুয়ারির শুরুতে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। রোববার (২৪ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিয়ে দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে পাঁচ বা ছয় দিন ক্লাস করানো হবে। আর অন্যান্য শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে একদিন ক্লাস করানো হবে।
স্কুল খুললেই শিক্ষার্থীদের একবেলা খাবার: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী
১৬,জানুয়ারী,শনিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনার কারণে অনেক অভিভাবকের আয় কমে গেছে কিংবা চাকরি হারিয়েছেন। এ অবস্থায় অনেকে তাদের সন্তানকে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি করাতে পারেননি। এসব প্রতিষ্ঠানে বাড়তি খরচের কারণে সন্তানের ভর্তি কিংবা পড়ালেখা দুঃশ্চিন্তায় দিন পার করছেন তারা। যেসব অভিভাবক এ অবস্থায় পড়েছেন তাদের সন্তানকে সরকারি স্কুলে ভর্তি করার পরামর্শ দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন। একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, করোনায় যেসব পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে, তাদের সন্তানদের নিজ নিজ এলাকায় সরকারি স্কুলগুলোয় ভর্তি নেওয়ার নির্দেশনা আগেই দিয়েছি। জাকির হোসেন বলেন, সরকারি স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর আগের শ্রেণির যেকোন ডকুমেন্ট দেখালেই চলবে। আর্থিক সংকটের কারণে শিক্ষার্থী ঝরে পড়া কমিয়ে আনতে বৃত্তি, উপবৃত্তি এবং জামাকাপড় কেনার জন্য সহায়তা দিচ্ছি আমরা। গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্কুলের যে মিড-ডে মিল বিস্কুট দেওয়া হতো, সেটি এখন বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর শিক্ষার্থীরা স্কুলেই একবেলা খেতে পারবে। বেসরকারি স্কুলে খরচ বেশি। এজন্য অভিভাবকদের প্রতি আহবান থাকবে- আপনার সন্তানকে স্থানীয় সরকারি স্কুলে ভর্তি করান।

শিক্ষা পাতার আরো খবর