রবিবার, মে ৯, ২০২১
আরো বাড়ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি
০৯,জানুয়ারী,শনিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসের প্রকোপের কারণে আবারো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়ানোর চিন্তাভাবনা করছে সরকার। শনিবার (৯ জানুয়ারি) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা হবে না। তবে, ছুটি বাড়ানো নিয়ে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তার মতে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আরও ১৫ দিন থেকে এক মাস বাড়তে পারে। দু-একদিনের মধ্যে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানা যাবে। করোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি কয়েক ধাপে বাড়িয়ে আগামী ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত করা হয়। গত ১৮ ডিসেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ ছুটির কথায় জানায়। তবে সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি শুরু করা হয়েছে। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে আংশিক স্কুল খোলা হতে পারে। চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসির পাবলিক পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে। এ ক্ষেত্রে করোনা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। বর্তমান মহামারি স্বাভাবিক না হওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আরেক দফায় ছুটি বাড়ানোর চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।
চুয়েট পরিদর্শনে রোববার যাচ্ছেন তুরস্কের রাষ্ট্রদূত
০৭,জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মুস্তফা ওসমান তুরান চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) পরিদর্শনে যাচ্ছেন আগামী রোববার। বিকাল সাড়ে ৩টার থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এক ঘণ্টা চুয়েট ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন তিনি। পরিদর্শনকালে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত চুয়েটের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করবেন। এ সময় চট্টগ্রামস্থ তুরস্কের অনারারি কনসাল জেনারেল সালাহউদ্দিন কাসেম খান উপস্থিত থাকবেন। এ ছাড়া চুয়েটের বিভিন্ন ল্যাবরেটরি-যন্ত্রপাতি সুবিধা ও নান্দনিক অবকাঠামোসমূহ পরিদর্শনসহ দুই দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষার বর্তমান অবস্থা ও অগ্রগতি এবং কারিগরি শিক্ষায় দ্বিপক্ষীয় মতবিনিময়ের পাশাপাশি চুয়েটের সম্মানিত ডিন, পরিচালক ও বিভাগীয় প্রধানগণের সঙ্গেও তিনি মতবিনিময় করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
ফ্রেব্রুয়ারি থেকে সীমিত আকারে খুলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
০৬,জানুয়ারী,বুধবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ফেব্রুয়ারি থেকে সীমিত পরিসরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। বুধবার সকালে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, ফেব্রুয়ারি থেকে সীমিত পরিসরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হচ্ছে। পুরোপুরি খোলার বিষয়ে মার্চে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনা ভাইরাসের রোগী শনাক্ত হলেও প্রথম মৃত্যুর খবর আসে ১৮ মার্চ। দিন দিন করোনা রোগী শনাক্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ায় নড়েচড়ে বসে সরকার। ভাইরাসটি যেন ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেজন্য ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এর পর করোনার প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কয়েক দফা ছুটি বাড়ানো হয়। এর মধ্যে বাতিল করা হয় এইচএসসি, জেএসসি, পিইসিসহ বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষা। দেশে করোনা পরিস্থিতির আশানুরূপ উন্নতি না হওয়ায় সর্বশেষ ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়ানো হয়েছিল।
নামের বর্ণ অনুসারে শিক্ষার্থীদের আইডি দেবার নির্দেশ
০৫,জানুয়ারী,মঙ্গলবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মাধ্যমিক স্তরে ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীদের রোল নম্বরের পরিবর্তে আইডি নম্বর দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শিক্ষার্থীর নামের বানানের প্রথম বর্ণ অনুসারে নির্দিষ্ট ডিজিটের এই আইডি নম্বর দেয়া হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) ৩রা জানুয়ারি মহাপরিচালক স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এই নির্দেশনা দেন। মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, কভিড-১৯ মহামারির কারণে শিক্ষার্থীদের সুরক্ষার জন্য ২০২১ শিক্ষাবর্ষে মাধ্যমিক পর্যায়ে (ষষ্ঠ থেকে দশম পর্যন্ত) প্রাতিষ্ঠানিক বার্ষিক পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়নি। তবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনায় অ্যাসাইনমেন্টভিত্তিক মূল্যায়ন কার্যক্রম সারাদেশে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এ মূল্যায়নের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর দেয়া যথাযথ হবে কিনা তা নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। এছাড়া রোল নম্বর প্রথা শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা তৈরি করে, যা শেষ পর্যন্ত গুণগত শিক্ষা অর্জনের অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। গুণগত শিক্ষা অর্জনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মনোভাব নয়, বরং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সহযোগিতামূলক মানসিকতা তৈরি করা প্রয়োজন। তাই নম্বর প্রথার পরিবর্তে আইডি নম্বর ব্যবহার অনুকূল পরিবেশ তৈরি করবে। মহাপরিচালক তার এই চিঠিতে আইডি নম্বর দেওয়ার জন্য দুটি ভিন্ন প্রস্তাবের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের দুই পদ্ধতিতে আইডি নম্বর দেওয়া যায়। একটি দৈবচয়ন পদ্ধতিতে। অন্যটি শিক্ষার্থীর নামের বানানের বর্ণ ক্রমানুসারে। এ আলোকে পরবর্তী কার্যক্রম নির্ধারণ করতে মাঠ পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের নির্দেশ দেওয়া হয় এ চিঠিতে।
এইচএসসির ফল নিয়ে অনিশ্চয়তা, মঙ্গলবার কথা বলবেন শিক্ষামন্ত্রী
২৭ডিসেম্বর,রবিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলমান করোনা পরিস্থিতিতে দীর্ঘ সময় পেছানোর পর চলতি মাসেই উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নানা জটিলতায় তা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। তারপরও শেষ সময়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে বোর্ড। কিন্তু শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এখনো কোন নীতিমালা না আসায় সংশয় আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এমতাবস্থায় এইচএসসির ফল, বন্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চালু, বই উৎসবসহ শিক্ষা সংক্রান্ত সমসাময়িক বিভিন্ন ইস্যুতে আগামী মঙ্গলবার গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনলাইনে মতবিনিময় করবেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। শনিবার (২৬ ডিসেম্বর) রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। জানাগেছে, চলতি মাসে হাতে আছে মাত্র চার দিন কিন্তু ফল এখনও প্রস্তুত করতে পারেনি শিক্ষাবোর্ড। মন্ত্রণালয় থেকেও আসেনি কোন নীতিমালা। তাই, ডিসেম্বরে ফল প্রকাশ হবে কী-না তা নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড ঢাকার চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেছেন, চলতি মাসে ফল প্রকাশের আপ্রাণ চেষ্টা করছি আমরা। আরও দুই-তিনদিন পর এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট করে বলে যাবে। তিনি বলেন, এবারের ফল প্রকাশ হবে কম্পিউটার ভিত্তিক। তাই বিষয়টা একটু জটিল। অনেক হিসাব নিকাশের ব্যাপার। তারপরও ফল প্রস্তুত করতে টেকনিক্যাল লোকেরা শিফট ওয়াইজ ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড ঢাকার চেয়ারম্যান আরও বলেন, নানা জটিলতায় আসলে এখন পর্যন্ত রেজাল্ট প্রস্তুত করা সম্ভব হয়নি। কিভাবে ফল প্রস্তুত হবে সে ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে আসেনি কোন নীতিমালাও। চেষ্টার পরও যদি এই ফল প্রকাশ এক-দুইদিন পিছিয়ে যায় তাহলে তো বড় কোন সমস্যা হবে না। অন্যদিকে, এ বছর মোট সাড়ে ৩৪ কোটি নতুন বই ছাপানো হয়েছে। যা নতুন বছরের শুরুতে শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেয়া চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও আগামী ৩১ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়াল মাধ্যমে বছরের শুরুতে বই বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। সেটিকে পাঠ্যপুস্তক উৎসব-২০২১ হিসেবে পালন করার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) বই বিতরণ নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক জিয়াউল হক বলেন, উপজেলা-থানা শিক্ষা অফিস পর্যন্ত বই পৌঁছানোর দায়িত্ব এনসিটিবির। বাকি দায়িত্ব মাউশি ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের। মাধ্যমিকের ১৩ কোটি ও প্রাথমিকের আট কোটিসহ ২১ কোটি বই উপজেলা শিক্ষা অফিসে পৌঁছানো হয়েছে। বাকি বই পাঠানোর চেষ্টা চলছে। প্রসঙ্গত, চলমান করোনা সংকটাবস্থায় গত ১৭ মার্চ দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় বেশ কয়েক দফায় বাড়ানো হয় সে ছুটি। সবশেষ গত ১৮ ডিসেম্বর (শুক্রবার) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আগামী ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আর সে কারণেই গত ১ এপ্রিল থেকে এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও তা বাতিল করা হয়েছে।
পিছিয়ে যাচ্ছে ৪০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফল
২৪ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ৪০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফল ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকাশ করার কথা থাকলেও তা পিছিয়ে যাচ্ছে। লিখিত পরীক্ষার কিছু খাতা তৃতীয় পরীক্ষকের কাছে যাওয়ায় ফল প্রকাশে বিলম্ব হবে বলে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) থেকে জানা গেছে। চলতি বছরের শুরুতে অনুষ্ঠিত ৪০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফল ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে প্রকাশ করতে চেয়েছিল পিএসসি। এ বিষয়ে পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) নূর আহমদ বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যে ৪০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ সম্ভব হবে না। দ্রুত সময়ের মধ্যে ফল প্রকাশের জন্য আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এ জন্য সরকারি ছুটি এবং শনিবারও আমরা কাজ করলেও বেশকিছু খাতা তৃতীয় পরীক্ষকের কাছে যাচ্ছে। এ জন্য ফল প্রকাশে দেরি হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তৃতীয় পরীক্ষকের প্রয়োজন তৈরি হয়েছে। কমিশনের এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্তও আছে। আমরা চেষ্টা করছি যত দ্রুত সম্ভব কাজ শেষ করার। কারণ এটি শেষ করতে পারলে আমাদের একটা বোঝা নেমে যায়। খাতা দেখার এ প্রক্রিয়া কবে শেষ হবে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট করে কিছু জানাননি তিনি। পিএসসি সূত্র জানায়, ৪০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। অনেক খাতায় দুই পরীক্ষকের দেওয়া নম্বরে ২০ শতাংশের বেশি ব্যবধান হওয়ায় তা তৃতীয় পরীক্ষকের কাছে দেওয়া হয়েছে। সে কারণে পিএসসি চেষ্টা করেও ৪০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করতে পারেনি। এ প্রক্রিয়ায় যেতে না হলে আজকের (২৪ ডিসেম্বর) মধ্যে বৈঠক করে ফল প্রকাশের পরিকল্পনা ছিল বলে জানা গেছে।
এইচএসসির ফল এ মাসেই
২০ডিসেম্বর,রবিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলতি ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম আমিরুল ইসলাম রোববার (২০ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, শিক্ষামন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী ডিসেম্বরের মধ্যে এইচএসসির ফল ঘোষণা করা হবে, আমরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। ফল প্রকাশে কাজ চলছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন প্রস্তাব আসছে। আমরা কাজ করছি। মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা হচ্ছে। গত ৭ অক্টোবর শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি সংবাদ সম্মেলনে জানান, করোনা ভাইরাস মহামারির মধ্যে পঞ্চম ও অষ্টমের সমাপনীর মতো এবার এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। অষ্টমের সমাপনী ও এসএসসির ফলাফলের গড় করে এবারের এইচএসসির ফল নির্ধারণ করা হবে। ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই এই ফল ঘোষণা করা হবে। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রাধান্য দিয়ে এবারের এইচএসসি-সমমানের পরীক্ষার ফল দেওয়া হবে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, জেএসসি-জেডিসির ফলাফলকে ২৫ এবং এসএসসির ফলকে ৭৫ শতাংশ বিবেচনায় নিয়ে ফল ঘোষিত হবে। গত ১ এপ্রিল থেকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরুর কথা থাকলেও করোনা সংক্রমণের কারণে তা স্থগিত করা হয়ে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়লো আরো এক দফা
১৮ডিসেম্বর,শুক্রবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের কারণে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (কওমি ছাড়া) চলমান ছুটি আরো এক দফা বাড়ানো হয়েছে। নতুন করে ছুটি ২০২১ সালের ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। শুক্রবার (১৮ ডিসেম্বর) গণমাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়েরের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। করোনা পরিস্থিতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটির মেয়াদ ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। কিন্তু শীতের সময় করোনা পরিস্থিতির কোনো উন্নতি না হওয়ায় এই ছুটি ফের বাড়ানো হয়। করোনাভাইরাসের কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি চলছে। দফায় দফায় ছুটি বাড়িয়ে তা আগামী ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়। এবার তা বাড়িয়ে ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত করা হলো। করোনার প্রভাবে প্রায় চার কোটি শিক্ষার্থী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে পারছে না। পড়াশোনা অব্যাহত রাখতে সরকার টিভি পাঠদান দিচ্ছে। চলছে অনলাইন পাঠদান। কিন্তু এই মহামারিতে অনেকেই সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সামনে আসছে শীত। আর শীতে করোনার প্রকোপ বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আরও এক দফা বাড়ানো হলো।
অনলাইনে সরকারি স্কুলে ভর্তির আবেদন শুরু
১৫,ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে অনলাইনে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু করা হবে। মঙ্গলবার (১৫ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা থেকে অনলাইনে (https://gsa.teletalk.com.bd) আবেদন গ্রহণ শুরু হয়ে আগামী ২৭ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে বলে জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। আবেদন গ্রহণ শেষে আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনলাইনে লটারির মাধ্যমে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। ভর্তির আবেদনের নিয়মাবলী মাউশির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। করোনা ভাইরাস মহামারির কারণে এবার বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তিতে কোনো পরীক্ষা না নিয়ে লাটারির মাধ্যমে ভর্তি করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। মাউশির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঢাকা মহানগরীর ৪৪টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় তিনটি ফিডার শাখাসহ তিনটি গ্রুপে বিভক্ত থাকবে। আবেদনের সময় একজন শিক্ষার্থী একটি গ্রুপে পছন্দের ক্রমানুসারে সর্বোচ্চ পাঁচটি বিদ্যালয় নির্বাচন করতে পারবে। আর সারাদেশের শিক্ষার্থীরা আবেদনের সময় প্রতিষ্ঠান নির্বাচনকালে থানাভিত্তিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা পাবে। তখন প্রার্থীরা প্রাপ্যতার ভিত্তিতে পছন্দক্রম অনুযায়ী সর্বোচ্চ পাঁচটি বিদ্যালয় নির্বাচন করতে পারবে। আবেদন নেওয়ার পর অনলাইনের মাধ্যমে লটারি একজন শিক্ষার্থীকে একটি বিদ্যালয় নির্বাচন করে দেওয়া হবে। এতদিন একজন শিক্ষার্থী একটি গ্রুপের একটি বিদ্যালয়কে বেছে নেওয়ার সুযোগ পেত। ভর্তির আবেদন করতে ১১০ টাকা ফি টেলিটকের প্রি-পেইড মোবাইল থেকে এসএমএস করে পরিশোধ করা যাবে। প্রতিবছর শুধু প্রথম শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হলেও অন্য শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হত। আর নবম শ্রেণিতে ভর্তি করা হত জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে। করোনার কারণে এবার প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তিতে পরীক্ষা নেওয়া হবে। এবার জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা না হওয়ায় নবম শ্রেণিতেও অষ্টমের সমাপনীর ফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে মাউশি।

শিক্ষা পাতার আরো খবর