রবিবার, মে ৯, ২০২১
সারাদেশে কলেজগুলোতে বহিরাগত প্রবেশ নিষেধ, পুলিশি টহল
২৯সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সারাদেশে সরকারি-বেসরকারি কলেজগুলোতে বহিরাগত প্রবেশ নিষেধসহ ছাত্রাবাস বন্ধ এবং ক্যাম্পাসে পুলিশি টহল জোরদারের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। করোনাকালে বন্ধ থাকা সিলেটে এমসি কলেজ ক্যাম্পাসের ছাত্রবাসে এক নারীকে ধর্ষণের ঘটনার তিনদিনের মাথায় এমন নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। মাউশির উপপরিচালক (কলেজ-১) প্রফেসর ড. শাহ মো. আমির আলী স্বাক্ষরিত কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের কারণে বন্ধ সরকারি ও বেসরকারি কলেজসমূহে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন সংক্রান্ত চিঠি মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দেশের সব সরকারি-বেসরকারি কলেজ অধ্যক্ষদের পাঠানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী নভেল করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিগত ১৮ মার্চ থেকে অদ্যাবধি দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার ফলে কলেজ ক্যাম্পাসগুলোতে নিরাপত্তা বজায় রাখাসহ কলেজের সব সরকারি সম্পদ ও সরঞ্জামের সুরক্ষা নিশ্চিত করার ব্যাপারে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে সচেষ্ট থাকতে হবে। দীর্ঘদিন কার্যক্রম বন্ধ থাকা কলেজ ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ও সম্পদ সুরক্ষাসহ সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে নয় দফা পদক্ষেপ জরুরিভিত্তিতে নেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠান প্রধানকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে। ১. অনলাইন ক্লাস কার্যক্রম চালু রাখতে হবে এবং আঞ্চলিক পরিচালককে ক্লাস নেওয়ার তথ্য দিতে হবে। ২. প্রতিষ্ঠানে ভিজিল্যান্স টিম গঠন করতে হবে এবং প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছে নিয়মিত পরিদর্শন প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে। ৩. শিক্ষার্থীদের অনলাইনে ক্লাসে অংশগ্রহণ মনিটরিং ও অভিভাবকের সঙ্গে সংযোগ করতে হবে। ৪. শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশনা দিতে হবে। ৫. কলেজ ক্যাম্পাসে বিনা প্রয়োজনে জনসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ করতে হবে। ৬. কলেজের বিজ্ঞানাগার ল্যাব, আইসিটি ল্যাব, লাইব্রেরিসহ সার্বিক সরকারি সম্পত্তি ও নথি রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। ৭. ছাত্রাবাসগুলো বন্ধ রাখতে হবে এবং ছাত্রাবাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। ৮. প্রতিষ্ঠানের মূল ফটকসহ সব প্রবেশপথে সার্বক্ষণিক প্রহরী নিয়োজিত রাখতে হবে। ৯. স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় ক্যাম্পাসে পুলিশি টহল জোরদার করতে হবে। চিঠিতে সরকারি ও বেসরকারি সব কলেজের প্রতিষ্ঠান প্রধানকে বর্তমানে কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের কারণে বন্ধ সরকারি ও বেসরকারি কলেজে সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে। অধিদপ্তরের চিঠিতে কলেজ ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে জোর দেওয়া নিয়ে মাউশির একজন কর্মকর্তা বলেন, মাঠ পর্যায় থেকে পাওয়া বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরাসরি এমসি কলেজের ঘটনার সঙ্গে এই নির্দেশনার সম্পৃক্ততা বলা যাবে না।
এইচএসসি নিয়ে পরামর্শ চাইলে জানাবো: মন্ত্রিপরিষদ সচিব
২৮সেপ্টেম্বর,সোমবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসের এ সময় সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে ক্ষমতা দেওয়া হলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা বা এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়ে মন্ত্রণালয় মন্ত্রিসভা বা প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ চাইলে তা জানানো হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) মহামারিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টানা ছুটি এবং স্থগিত থাকা এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এ কথা বলেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। তিনি বলেন, আমরা বলে দিয়েছি, যেকোনো সেক্টর রেসপেক্টিভ মিনিস্ট্রিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, যারা কর্তৃপক্ষ তারা নিজ বিবেচনায় ব্যবস্থা নেবেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা এবং এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়ে মন্ত্রণালয় বলছে সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে সিদ্ধান্ত না আসলে তারা সিদ্ধান্ত জানাবেন না, এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, একদম প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন করার পর আমরা কনভে করে দিয়েছি, এরপরও তারা যদি মনে করে যে সাজেশন দরকার বা কোনো রুলিং দরকার মন্ত্রিসভার বা প্রধানমন্ত্রীর, আমাদের যদি রেফার করে তাহলে সেটা বিবেচনা করা হবে। কিন্তু এখন অথরিটি তাদের কাছেই দিয়ে দেওয়া আছে। চলতি বছরের ৮ মার্চ দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম রোগী শনাক্তের পর ২৬ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত ৬৬ দিনের সাধারণ ছুটি শেষে ৩১ মে সীমিত পরিসরে অফিস ও ১ জুন থেকে গণপরিবহন খুলে দেওয়া হয়। ১৭ মার্চ থেকে সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছে সরকার। এদিকে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি বাড়ানো হবে কি না, স্থগিত থাকা এইচএসসি পরীক্ষা এবং করোনাকালীন শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ৩০ সেপ্টেম্বর সংবাদ সম্মেলন করবেন। সংবাদ সম্মেলনে দেশে করোনা ভাইরাসের সার্বিক পরিস্থিতিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়ানোর ঘোষণা, এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে করণীয় কী হতে পারে, সে বিষয়েও জানা যেতে পারে। এছাড়া, আসতে পারে ষষ্ঠ থেকে একাদশ শ্রেণির মূল্যায়ন পদ্ধতিও। মহামারির কারণে কয়েক দফায় গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানো হয়েছে। গত ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের মধ্যে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে টিভিতে ক্লাস সম্প্রচার করা হচ্ছে। আর উচ্চ মাধ্যমিক এবং উচ্চ শিক্ষাস্তরে অনলাইনে ক্লাস পরিচালনা করছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। মহামারির কারণে এ বছর প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা বাতিল করে স্কুলে স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষা নিয়ে মূল্যায়ন করার কথা রয়েছে। অষ্টমের জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষাও বাতিল করা হয়েছে। নভেম্বরে পঞ্চম ও অষ্টমের সমাপনী পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। জেএসসি পরীক্ষা নিয়ে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সভা করে একটি গাইডলাইন অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের প্রস্তাব করেছে। গত ১ এপ্রিল থেকে এইচএসসি পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও করোনার কারণে স্থগিত করা হয়েছে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওই কর্মকর্তা জানান, এইচএসসি পরীক্ষার বিকল্প নেই। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিসহ উচ্চ শিক্ষার বিষয়টি এইচএসসি পরীক্ষার ওপর নির্ভর করছে। এজন্য সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ বছর এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর করোনার কারণে একাদশ শ্রেণিতে দেরিতে হলেও গত ৯ আগস্ট হতে অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রমও শুরু করা হয়েছে। উচ্চ শিক্ষাস্তরে অনলাইনে সীমিত পরিসরে ক্লাস চালু করেছে কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয়। সব মিলে শিক্ষা ব্যবস্থাতেও স্থবিরতা নেমে এসেছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির জরুরি নির্দেশনা
২১সেপ্টেম্বর,সোমবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (স্কুল ও কলেজ) স্ব স্ব ব্যবস্থাপনায় অনলাইনে নিয়মিত শ্রেণি পাঠদান চালানোর নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি)। রবিবার মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক এই নির্দেশ দেন। নির্দেশনা অনুযায়ী সংসদ টেলিভিশনের প্রচারিত শ্রেণি পাঠদানের সঙ্গে সমন্বয় করে শ্রেণি পাঠদানের রুটিন তৈরি করবে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠান। ওই রুটিন অনুযায়ী নিয়মিত পাঠদান চালিয়ে যাবেন। এই কার্যক্রম বাস্তবায়নে আঞ্চলিক পরিচালক, উপ-পরিচালক, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মনিটরিং করবেন। চলতি সেপ্টেম্বরে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের (অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষক) নিয়ে অনলাইনে আঞ্চলিক একটি সভা করবেন। আর অক্টোবর মাসে দুটি বৈঠক করবেন। প্রতিষ্ঠান প্রধানের সঙ্গে শিক্ষা কর্মকর্তারা বৈঠকে আলোচনা করবেন সংসদ টেলিভিশনের প্রচারিত শ্রেণি পাঠদানের সঙ্গে সমন্বয় করে শ্রেণি পাঠদানের রুটিন তৈরি করার বিষয়ে। সংসদ টেলিভিশনে শিক্ষার্থীরা যাতে অংশ নেন সে বিষয়ে আলোচনা করতে হবে। শিক্ষার্থীর শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আলোচনা করবেন। অনলাইন ক্লাসের সার্বিক কার্যক্রম আলোচনা করবেন। প্রতিষ্ঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আলোচনা করবেন। এছাড়া ল্যাবগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সচল রাখার বিষয়ে আলোচনা করবেন। নির্দেশনায় বলা হয়, আঞ্চলিক সভার এক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিষ্ঠান প্রধান তার সহকর্মীদের নিয়ে অনলাইন সভা স্বাস্থ্যবিধি মেনে সাক্ষাতে সভা করে অনলাইন শ্রেণি পাঠদানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। আঞ্চলিক সভার এক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিষ্ঠান প্রধান অভিভাবকদের সঙ্গে অনলাইনে সভা করবেন। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সহনশীল আচরণ, দৈনিক কাজের রুটিন, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য খাদ্য ও পুষ্টি, লেখাপড়া ও অন্যান্য বিষয়ে আলোচনা করতে হবে। প্রতিষ্ঠান প্রধান, শিক্ষক-কর্মচারী ও ছাত্র প্রতিনিধির মাধ্যমে (স্টুডেন্ট কেবিনেট, কাব, হলদে পাখি, বিএনসিসি, গার্লস, রেডক্রসিন্টে, রোভার স্কাউট) মত বিনিময় করবেন। নির্দেশনায় আরো বলা হয়, আঞ্চলিক পরিচালকের উদ্যোগে সব অধ্যক্ষ একসঙ্গে জেলাভিত্তিক সার্বিক বিষয়ে পারস্পারিক মত বিনিময় করবেন। উপপরিচালক ও জেলা শিক্ষা অফিসাররা সভায় উপস্থিত থাকবেন। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান সার্বিক বিষয়ে পারস্পপরিক মত বিনিময় করবেন। উপপরিচালক ও জেলা শিক্ষা অফিসাররা সভায় উপস্থিতি থাকবেন। প্রতিষ্ঠান প্রধান সংশ্লিষ্ট শ্রেণি শিক্ষকের সঙ্গে বিষয় শিক্ষকদের সমন্বয় করে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম যেন অব্যাহত থাককে সে বিষয়ে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তাদের প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেবেন। প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নেতৃত্বে জুম মিটিং বা স্বাস্থ্যবিধি মেনে সাক্ষাত মিটিং করে শিক্ষকরা একাডেমিক কার্যক্রমে তাদের দক্ষতা উন্নয়ন, কারিকুলাম বিষয়ে পারস্পরিক আলোচনা করবেন। মাসে কমপক্ষে একবার এই আলোচনা করতে হবে। প্রতিষ্ঠান প্রধানরা কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন এবং করবেন সে সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন তৈরি করে প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ করবেন এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে যেকোনও সময় প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত রাখবেন।
অষ্টমের শিক্ষার্থীদের নিজ প্রতিষ্ঠানে মূল্যায়নের নির্দেশ
১৫সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলতি বছর জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা বাতিলের পর অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে মূল্যায়নের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষার সব বিভাগের উপপরিচালক, জেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, প্রতিষ্ঠান প্রধানকে এই নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, করোনা ভাইরাস সংক্রমণের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় শুধু ২০২০ সালের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষা গ্রহণ না করে নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে নবম শ্রেণিতে উন্নীত করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে গত ২৭ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয় চলতি বছরের জন্য জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত জানায়। এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ, মাউশি ডিজি, সব বোর্ডের চেয়ারম্যানকে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে মূল্যায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়। করোনা সংক্রমণের কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কওমি মাদরাসা ২৪ আগস্ট থেকে খুলে দেওয়া হলেও অন্য সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ রয়েছে। মহামারি সংক্রমণে এবছর পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষাও বাতিল করে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে মূল্যায়নের নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।
শিক্ষার্থীদের জন্য ফেসবুকের নতুন ফিচার
১২সেপ্টেম্বর,শনিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষার্থীদের জন্য ক্যাম্পাস নামে নতুন একটি সেকশন চালু করতে চলেছে ফেসবুক। ঘোষণা অনুযায়ী, এটি ব্যবহার করে কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ ও সংযোগ স্থাপণে মূল ফেসবুকের বাইরে সম্পূর্ণ আলাদা একটি প্রোফাইল তৈরি করতে পারবেন। যেখানে ব্যবহার করতে হবে কলেজ ইমেইল অ্যাড্রেস ও স্নাতকের শিক্ষাবর্ষ। যদিও মূল ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকেই প্রবেশ করা যাবে ফেসবুক ক্যাম্পাসে, যা অনেকটা ফেসবুক ওয়াচের মতোই। তবে এখানে তাদের প্রকৃত ফেসবুক অ্যাকাউন্টের তথ্য ও কাভার ফটো ব্যবহার করার সুযোগ থাকবে। ক্যাম্পাস প্রোফাইলে বাড়তি তথ্য যুক্ত করার বা সরিয়ে ফেলার সুযোগও থাকবে। তবে যত বেশি তথ্য দেয়া হবে, তত সহপাঠী ও কমিউনিটির সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ বেশি হবে। এখানে শিক্ষার্থীরা পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে। নিউজ, গ্রুপ, ইভেন্ট, গ্রুপ চ্যাটরুম পৃথক হবে। এমনকি তাদের চ্যাটরুমের নাম হবে ক্যাম্পাস চ্যাট। তারা ক্যাম্পাস ডিরেক্টরি থেকে অন্য শিক্ষার্থীদের বন্ধুত্বের অনুরোধ জানাতে পারবে। এখানে যেসব নিউজ ফিড থাকবে, তা কেবল ক্যাম্পাসের বন্ধুদের ফিড হবে। এখানকার চ্যাট হবে রিয়েল টাইম চ্যাটরুম। নিজেরা বিভিন্ন বন্ধুকে নিয়ে নিজস্ব চ্যাটরুম তৈরি করতে পারবে। এই মুহূর্তে আমেরিকার ৩০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ক্যাম্পাস ফিচারটি ব্যবহার করা যাচ্ছে। যার মধ্যে রয়েছে - জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়, নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়, লুইসভিল, ভাসর ও ভার্জিনিয়া টেক বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারির কারণে প্রায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষা কার্যক্রম চলছে অনলাইনে। তাই শিক্ষার্থীদের মধ্যে যোগাযোগ আরও সহজ করার পাশাপাশি ক্যাম্পাস ও শিক্ষার্থীদের বিষয়ে যেকোনো ধরনের তথ্য আদান প্রদানের লক্ষ্যেই মূলত ফেসবুক ক্যাম্পাস ফিচারটি চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি চালু হয়েছিল এ সময়ের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক। ফেসবুক আবার তার সেই শিকড়ে ফিরতে যাচ্ছে।
শিক্ষামূলক টিউটরিং প্ল্যাটফর্ম দীক্ষার যাত্রা শুরু
১১সেপ্টেম্বর,শুক্রবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের প্রথম অনলাইন ভার্চ্যুয়াল শিক্ষামূলক টিউটরিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলো- দীক্ষা। এ প্ল্যাটফর্মের কার্যক্রমের ফলে এখন আর শিক্ষক বা শিক্ষার্থীকে আলাদা করে পড়াশোনা করতে কোথাও যেতে হবে না বরং যে যার বাসা থেকেই নিজেদের সুবিধামতো সময়ে করতে পারবেন ক্লাস। শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। করোনাকালীন অনলাইনে একটি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দীক্ষার শুভ সূচনা করেন নারী উদ্যোক্তা ও দীক্ষার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রিনা খানম। এ বিষয়ে তিনি বলেন, করোনাকালীন আমরা সবাই এখন অনলাইন ক্লাসের সঙ্গে পরিচিত। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্ম এখন অনেক জনপ্রিয়। দীক্ষা সেরকমই একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম। এ প্ল্যাটফর্মের কার্যক্রমের ফলে এখন আর শিক্ষক বা শিক্ষার্থীকে আলাদা করে টিউশন নিতে কোথাও যেতে হবে না বরং যে যার বাসা থেকেই নিজেদের সুবিধামতো সময়ে ক্লাস করতে পারবেন। দীক্ষার চিফ টেকনিক্যাল অফিসার রায়হান আল ইসলাম জানান, বিশ্বের বিভিন্ন অ্যাডুকেশনাল ইনস্টিটিউটে যেসব প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় সেগুলো থেকে ভালো ফিচারগুলো যুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে দীক্ষায়। এছাড়া প্রতিনিয়ত চেষ্টা চলছে একে আরও উন্নত করার জন্য। আর ক্লাস ছাড়াও ট্রেনিং, ইনডিভিজুয়াল কোর্স পরিচালনায় দীক্ষা ক্লাসরুমকে কাজে লাগানো সম্ভব। বর্তমানে দীক্ষার সঙ্গে যুক্ত আছেন প্রায় সাড়ে চার হাজার শিক্ষক। যারা সব সময় চেষ্টা করে যাচ্ছে শিক্ষার্থীদের অনলাইনে শিক্ষা বিষয়ক সাপোর্ট দেওয়ার জন্য। এছাড়া এখানকার অনেক শিক্ষক অনলাইনে দেশের বাইরেও পড়াচ্ছেন, যার মাধ্যমে দেশে আসছে বৈদেশিক মুদ্রা। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীক্ষার মতো একটি দেশি সফটওয়্যার যদি শিক্ষাক্ষেত্রে সর্বত্র ব্যবহার করা যায় তাহলে দেশ যেমন উপকৃত হবে, তেমনি অর্থনৈতিকভাবেও স্বাবলম্বী হবে আমাদের দেশের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। দীক্ষার সব তথ্য পাওয়া যাবে তার (http://www.dikkha.com) ওয়েবসাইট থেকে।
স্কুল খোলা না গেলে পরীক্ষা হবে না
০৬সেপ্টেম্বর,রবিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে স্কুল খোলা না গেলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক পরীক্ষা হবে না বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন এবং মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন। করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে সারাদেশে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত আপাতত বন্ধ ঘোষণা রয়েছে। এ অবস্থায় সংসদ টিভি, বেতার ও অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোভিড-১৯ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে প্রাথমিক শিক্ষা দেওয়ার কার্যক্রম যথা শিগগিরই শুরু হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, আমাদের সরকার, স্বাস্থ্য বিভাগের মতামত নিয়ে করোনা পরিস্থিতি শেষ না হলে বাচ্চাদের স্কুলে নিয়ে যেতে চাই না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত, বাচ্চাদের নিরাপত্তা যতক্ষণ না পর্যন্ত সুরক্ষিত না হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত স্কুলগুলো খুলবো না। সিনিয়র সচিব আকরাম বলেন, আমরা দুটি পরিকল্পনা মাথায় রেখেছি। অক্টোবরে একটা, আর যদি নভেম্বরে খোলা যায় তার জন্য একটা পরিকল্পনা করা আছে। যদি খোলা যায় তবে মূল্যায়নের বিষয়ে একটা ব্যবস্থা নিতে পারবো। আর না হলে তো আপনারা বোঝেন...। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য নিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে সচিব বলেন, স্কুল খোলা না গেলে তো (বার্ষিক) পরীক্ষা হবে না। প্রধানমন্ত্রী তো বলেছেন স্কুল যদি খোলা না যায় তাহলে তো পরীক্ষা হবে না। আমরাও তাই বলছি। স্কুল খোলা না গেলে অবশ্যই পরীক্ষা হবে না। মূল্যায়ন কীভাবে হবে- প্রশ্নে সচিব বলেন, সেটা আপনারা বোঝেন। স্কুল না খোলা গেলে আমরা কী মূল্যায়ন করবো। আকরাম বলেন, ১৯৭১ সালে আমি ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ি। তখন বই পেতে মার্চ মাস হয়ে যেত। মার্চে বঙ্গবন্ধু তার ভাষণে স্কুল, কলেজ, আদালত সব বন্ধ করে দিলেন। মার্চ থেকে তো বই নেই। আমরা ১৯৭২ সালের জানুয়ারি মাসে স্কুলে গেছি, সেভেনে আমাকে উঠিয়ে দিয়েছে, সমস্যা নেই। স্কুল খোলা না গেলে কোনো মূল্যায়ন হবে না।
নিজ বিদ্যালয়ের মূল্যায়নে শিক্ষার্থীরা অষ্টম থেকে নবম শ্রেণিতে উন্নীত হবে
০৩সেপ্টেম্বর,বৃহস্পতিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাস মহামারি পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয়ভাবে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা হবে না। তবে বিকল্প হিসেবে এবার অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ বিদ্যালয়ে মূল্যায়ন করে তাদের নবম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ করা হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানিয়ে মঙ্গলবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে চিঠি দেয়া হয় কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যাদের। এর পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের চিঠি দিয়ে ঢাকা বোর্ড বলেছে, করোনা সংক্রমণের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ২০২০ সালের জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা না নিয়ে স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের ভিত্তিতে নবম শ্রেণিতে উন্নীত করা হবে। চিঠিতে এ বিষয়ে পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে যথাসময়ে নির্দেশনা দেয়া হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে কোন পন্থায় এই মূল্যায়ন করা হবে- তা এখনও স্পষ্ট করা হয়নি। প্রসঙ্গত, করোনার কারণে গত ১৭ই মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছে সরকার। সর্বশেষ কিছুদিন আগে এই ছুটির মেয়াদ ৩রা অক্টোবর পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য ১০০ টাকায় ১ মাসের ইন্টারনেট
০২সেপ্টেম্বর,বুধবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রাখার জন্য নামমাত্র মূল্যে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ দিবে সরকারি মোবাইল অপারেটর টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড। ইউজিসি কর্তৃক পরিচালিত বিডিরেন প্লাটফর্ম ব্যবহারকারী দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই সুবিধা পাবে। বর্তমানে ৪২টি পাবলিক ও ৬৮টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিডিরেন প্লাটফর্ম ব্যবহার করছে। ছাত্রছাত্রীরা জুম অ্যাপলিকশন এর মাধ্যমে অনলাইনে ক্লাসে অংশগ্রহণ করতে পারবে। এজন্য শির্ক্ষার্থীদেরকে টেলিটকের নেটওয়ার্কের আওতায় থাকতে হবে। প্রতিমাসে ১০০ টাকা রিচার্জেল বিনিময়ে এই সুবিধা পাওয়া যাবে। রিচার্জকৃত টাকা তার মূল একাউন্টে জমা হবে। এই টাকা ভয়েস কল ও ডাটার জন্য ব্যয় করা যাবে। অব্যবহ্রত টাকা পরবর্তী রিচার্জে যোগ হবে। তবে ১০০ টাকার নিচে রিচার্জ করলে এবং সিমে ন্যূনতন ডাটা না থাকলে এই সুবিধা ভোগ করা যাবে না। শিক্ষার্থীরা যেন বিনামূল্যে অনলাইন এডুকেশন রিসোর্স ব্যবহার করতে পারে সেলক্ষ্যে বিডিরেন ২১শে জুলাই টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডসহ সব মোবাইল অপারেটরকে পত্র প্রেরণ করে। বিডিরেনের এ আহ্বানে সাড়া দিয়ে টেলিটক গত ২৮শে আগস্ট একটি সম্মতি পত্র দিয়েছে। পত্রে টেলিটক জানায় জাতীয় এ সংকটে বিডিরেনের এ উদ্যোগে যুক্ত হতে পেরে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছে। টেলিটক মনে করে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বিশাল একটি অংশ অনলাইন ক্লাসের সময় তাদের নেটওয়ার্কের আওতায় আসবে। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, করোনা মহামারীর সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রাখার এ উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী। নামমাত্র মূল্যে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ প্রদানের উদ্যোগে সাড়া দিয়ে এগিয়ে আসার জন্য তিনি শিক্ষা মন্ত্রনালয়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। দেশের উচ্চশিক্ষা কার্যক্রমকে সচল রাখার জন্য শিক্ষার্থীদেরকে বিনামূল্যে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ দেয়ার উদ্যোগে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার জন্য শিক্ষামন্ত্রী ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর প্রতি ইউজিসি চেয়াম্যান কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

শিক্ষা পাতার আরো খবর