রবিবার, মে ৯, ২০২১
এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি
২৮আগস্ট,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষা বাতিল করার মতো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। পরিস্থিতি অনুকূলে আসলে পরীক্ষার আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যেহেতু করোনাভাইরাস একেবারে নির্মুল হচ্ছে না, তাই কিভাবে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে পাবলিক পরীক্ষার আয়োজন করা যায়, সে বিষয়ে প্রস্তুতি নিতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির সভাপতিত্বে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিভিন্ন দফতর, সংস্থার প্রধানদের অংশগ্রহণে করোনাকালীন ও করোনা-পরবর্তী শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে এক অনলাইন সভায় সভায় সংশ্লিষ্টদের এ নির্দেশনা দিয়েছেন। সেইসঙ্গে মাধ্যমিক পর্যায়ের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরবর্তী ক্লাসে উত্তীর্ণের বিষয়ে বিকল্প মূল্যায়ন পদ্ধতি কি হতে পারে সে বিষয়েও একটি প্রস্তাবনা তৈরির নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রণালয়।
জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষাও হচ্ছে না
২৭আগস্ট,বৃহস্পতিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা বাতিলের পর ২০২০ সালের জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সর্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষাও বাতিল করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের জানান, ২০২০ সালের জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না। তবে পরবর্তী ক্লাসে উত্তীর্ণ হওয়ার ক্ষেত্রে কী ধরনের পদ্ধতি অবলম্বন করা হবে সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। মন্ত্রণালয় বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে, যোগ করেন আবুল খায়ের। জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ অনুযায়ী, প্রাথমিক স্তরকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত নিতে বলা হয়েছে। পঞ্চম ও অষ্টমে দুই সমাপনী পরীক্ষা গ্রহণেরও কথা বলা হয়েছে শিক্ষানীতিতে। গত কয়েক বছর ধরে পঞ্চম ও অষ্টমে কেন্দ্রীয়ভাবে সমাপনী পরীক্ষা নিয়ে আসছে সরকার। করোনা সংক্রমণের কারণে এর আগে এ বছরের প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা গ্রহণ না করে স্কুলে স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষা নিয়ে মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চলতি বছর জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা না নিতে গত ২০ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। এর আগে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা না নিয়ে স্কুলে স্কুলে মূল্যায়নের জন্য প্রস্তাবে অনুমোদন চেয়ে গত ১৯ আগস্ট সার-সংক্ষেপ পাঠায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। গত ২৫ আগস্ট তাতে সম্মতি এলে পঞ্চমের দুই সমাপনী এ বছরের জন্য বাতিল করে স্কুলে স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানায় সরকার। মহামারির কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের মধ্যে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে টিভিতে ক্লাস সম্প্রচার করা হচ্ছে। আর উচ্চ মাধ্যমিক এবং উচ্চ শিক্ষাস্তরে অনলাইনে ক্লাস পরিচালনা করছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। এদিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটিও বাড়ানো হয়েছে, পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আগামী ৩১ আগস্ট থেকে ছুটি বাড়িয়ে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। তবে গত ২৪ আগস্ট কওমি মাদরাসা খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের কারণে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। গত ১ এপ্রিল থেকে এই পরীক্ষা শুরুর কথা ছিল। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সভায় এইচএসসি পরীক্ষা ও মাধ্যমিক পর্যায়ের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরবর্তী ক্লাসে উত্তীর্ণের বিষয়ে বিকল্প মূল্যায়ন পদ্ধতি কী হতে পারে তা জানাতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। অন্যদিকে, এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর করোনার কারণে একাদশ শ্রেণিতে দেরিতে হলেও গত ৯ আগস্ট থেকে অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রমও শুরু করা হয়েছে। আর উচ্চ শিক্ষাস্তরে অনলাইনে সীমিত পরিসরে ক্লাস চালু করেছে কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয়। সব মিলিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাতেও স্থবিরতা নেমে এসেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভায় বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে অনলাইন কার্যক্রম আরও ফলপ্রসূ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
শিক্ষানীতি সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী
২৬আগস্ট,বুধবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, প্রায় ১০ বছর আগে শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হয়েছে। ১০ বছর দীর্ঘ সময়। এই দীর্ঘ সময়ে অনেক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। এখন সময় এসেছে শিক্ষানীতিকে সংশোধন করা, পরিমার্জন ও সংযোজন করা। তাই সরকার শিক্ষানীতি-২০১০ সংশোধন করার উদ্যোগ নিয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) পরিকল্পনা কমিশনের আয়োজনে অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এডুকেশন টেকনোলজি অ্যান্ড এগ্রিকালচার ট্রান্সফর্মেশন শীর্ষক এক অনলাইন আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। ইতোমধ্যে আমরা দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে শিক্ষার আওতায় নিয়ে আসতে পেরেছি উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এখন প্রয়োজন শিক্ষার গুণগত মান অর্জন। শিক্ষার সকল পর্যায়ে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। একটি সমন্বিত শিক্ষা আইন প্রণয়ন প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে সরকার সাইন্স, টেকনোলজি, ইঞ্জিনিয়ারিং আর্টস অ্যান্ড ম্যাথস (স্টিম) এর দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে। আমরা চাই আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে দক্ষ শ্রমশক্তি তৈরি করার পাশাপাশি প্রকৃত মানুষ তৈরি করতে। এজন্য সরকার সততা, নৈতিকতা, দেশপ্রেম, কমিউনিকেশন স্কিল, টিম বিল্ডিং, ক্রিটিক্যাল থিংকিং প্রবলেম সলভিং সহ বিভিন্ন সফট স্কিলের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে। অনলাইন শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের এই যুগে আমাদের কর্মক্ষেত্র এত পরিবর্তন হবে যে বর্তমানে অর্জিত জ্ঞান হয়তো ভবিষ্যতে আর প্রয়োজন হবে না। সে ক্ষেত্রে কর্মজীবীদের পক্ষে আবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসরুমে ফিরে যাওয়া সম্ভব নয়। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে এমন পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে যাতে করে কোনো কর্মজীবী যে কোনো সময় যে কোনো পরিবর্তনের সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে রি-স্কিল এবং আপ-স্কিল করতে পারে। সে যেন অনলাইনের মাধ্যমে শিখতে পারে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় সে সুযোগ রাখতে হবে। আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পরিকল্পনা কমিশনের সিনিয়র সচিব ও একুশে পদকপ্রাপ্ত ড. শামসুল আলম। ড. শামসুল আলমের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় যুক্ত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল্লাহ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যসহ দেশবরেণ্য শিক্ষাবিদবৃন্দ। কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, আমি দায়িত্ব নেয়ার পরে বিভিন্ন জায়গা থেকে অভিযোগ পেয়েছি যে তারা প্রয়োজনীয় দক্ষতা সম্পন্ন মানব সম্পদ পাচ্ছেন না। তার মানে হলো আমরা শিক্ষার্থীদের শ্রম বাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারছি না। আমাদের এখন দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার দিকে গুরুত্ব দিতে হবে।
পরিবেশ অনুকূলে এলে ১৫ দিনের মধ্যেই এইচএসসি পরীক্ষা
২০আগস্ট,বৃহস্পতিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পরিবেশ অনুকূলে এলেই সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার কথা চিন্তা করবে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, সেই পরিবেশে ১৫ দিনের মধ্যে পরীক্ষা নেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সন্ধ্যায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নে একথা জানান শিক্ষামন্ত্রী। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আপনারা জানেন দেশের এই করোনা পরিস্থিতিতে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব নয়। এই পরিস্থিতি আপনারা সবাই অবহিত। প্রায় ১৪ লাখ এইচএসসি পরীক্ষার্থী। পরীক্ষা নেওয়ার জন্য আমরা প্রস্তুত ছিলাম, এখনো আছে। ১৪ লাখ পরীক্ষার্থীর সঙ্গে আরও কয়েক লাখ লোকবল জড়িত। এত সংখ্যক মানুষকে আমরা ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারি না। তিনি বলেন, অনুকূল পরিবেশ তৈরি হলে তার ১৫ দিনের মধ্যে পরীক্ষা নেওয়া হবে। যাতে পরীক্ষার্থীরাও জেনে প্রস্তুতি নিতে পারে। শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, অনুকূল পরিবেশ হলেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার কথা চিন্তা করবে সরকার। গত এপ্রিলে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার তারিখ নির্ধারিত থাকলেও করোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। আর ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত ২৫ আগস্টের পর
১৭আগস্ট,সোমবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) এবং জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি জানিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেছেন, যখনই সিদ্ধান্ত হবে তা সবাইকে জানিয়ে দেওয়া হবে। আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলছে কিনা তা ২৫ আগস্টের পর জানানো হবে। সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন মাহবুব হোসেন। করোনা ভাইরাসের কারণে স্থগিত থাকা এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে সচিব মাহবুব হোসেন বলেন, আমরা যখনই পরীক্ষ নেব, এটা গোপন কোনো সিদ্ধান্ত নয়। আমরা প্রকাশ্যে একটি ঘোষণা করবো। অ্যাপ্রোপ্রিয়েট অথরিটির অ্যাপ্রোভাল এবং অ্যাপ্রোপ্রিয়েট অথরিটির দ্বারাই ঘোষণা করবো। এটা গুজব ছড়ানোর কোনো যৌক্তিকতা ও ভিত্তি থাকা উচিত না। তিনি বলেন, এটি (এইচএসসি) একটি পাবলিক পরীক্ষা, এর সঙ্গে আমাদের বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর জীবন জড়িত। এটা নিয়ে যদি আমরা গুজব ছড়িয়ে বিভ্রান্ত তৈরি করি, আমি বলবো যে সমাজের প্রতি শিক্ষার্থীদের প্রতি যে দায়বদ্ধতা আছে সেটির বড় ধরনের ব্যত্যয়। আমি অনুরোধ করবো, সরকারের তরফ থেকে সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের তরফ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত বা ঘোষণা না পাওয়া পর্যন্ত এ ধরনের কোনো গুজব বা কোনো মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকতে। সচিব বলেন, শিক্ষামন্ত্রী সুস্পভাবে বলেছেন আমরা যখনই পরীক্ষা নেব, দুই সপ্তহের নোটিশ দিয়ে সবাইকে জানাবো। তিনি বলেন, পরীক্ষার তারিখ ঠিক করে আমরা প্রকাশ্যে জানাবো। আমাদের তরফ থেকে সব সময় আমরা প্রস্তুত, আগেও প্রস্তুতি ছিল। এখন কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে বিশেষ প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি যে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে যাতে প্রয়োজনে সেন্টার সংখ্যা বাড়িয়ে যাতে পরীক্ষা নেওয়া যায়। যখনই আমরা তারিখ ঠিক করবো, তাতে স্বাস্থ্যবিধি যেন যথাযথ অনুসরণ করতে পারি, সেটি আমরা নিশ্চিত করবো। নভেম্বরে আসন্ন জেএসসি পরীক্ষা নিয়ে সচিব বলেন, আমরা যখনই পরিপূর্ণভাবে সিদ্ধান্ত নেব, তখনই আপনাদের জানাবো। তিনি বলেন, শুধু জেএসসি না, অন্যান্য পরীক্ষার ব্যাপারে আমাদের বিশেষজ্ঞারা যে পরামর্শ দিয়েছেন সেগুলো পর্যালোচনা করে আমরা উপযুক্ত সময়ে ঘোষণা করবো আমরা কী করতে যাচ্ছি। গত ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা রয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে মাহবুব হোসেন বলেন, আমরা কাছাকাছি সময়ে যেয়ে তখন আমরা সিদ্ধান্ত ঘোষণা করি। ২৫ তারিখের পরে আমরা এক সময় ঘোষণা করবো। পর্যায়ক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, স্কুল খোলা হবে না কী- প্রশ্নে তিনি বলেন, যখনই আমরা ক্লিয়ারেন্স পাবো তখনই জানাবো।
সেপ্টেম্বরে স্কুল খুললে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পিইসি পরীক্ষা
১২আগস্ট,বুধবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সেপ্টেম্বরে স্কুল খুললে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পিইসি পরীক্ষা শুরু হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। আজ বুধবার গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, অক্টোবর-নভেম্বরে খুললে নিজ নিজ স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষা এমসিকিউ ৫০ নম্বরের ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেয়া হবে। ডিসেম্বরে খুললে অটোপাশের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই প্রস্তাব প্রাথমিক শিক্ষা ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে রোববার (১৬ই আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার কাছে পাঠানো হবে।
বাতিল হচ্ছে এবারের পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা
১১আগস্ট,মঙ্গলবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে দেশের সব থেকে বড় দুই পাবলিক পরীক্ষা-প্রাইমারি স্কুল সার্টিফিকেট (পিএসসি) ও জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষা বাতিল করছে সরকার। শুধুমাত্র এ বছরের জন্য পঞ্চম শ্রেণির ও ইবতেদায়ির শিক্ষা সমাপনী (পিএসসি) এবং অষ্টম শ্রেণির জেএসসি পরীক্ষা বাতিলের জন্য প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন নিতে সার-সংক্ষেপ পাঠানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) নিউজ একাত্তরকে বলেন, শুধু এ বছর পরীক্ষা দুটি বাতিলের জন্য আমরা প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য সামারি (সার-সংক্ষেপ) পাঠাচ্ছি। তবে দুই সমাপনী বাতিলের সিদ্ধান্ত এখনও চূড়ান্ত হয়নি। করোনার কারণে শুধু এ বছরের জন্য দুই সমাপনী বাতিল করা হচ্ছে বলেও জানান সিনিয়র সচিব আকরাম-আল-হোসেন। মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টরা জানান, গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের সঙ্গে ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের বৈঠকে এ বছর করোনা পরিস্থিতিতে পরীক্ষা দুটি বাতিলের প্রাথমিক আলোচনা হয়। প্রতিবছর নভেম্বরে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনীতে প্রায় ৩০ লাখ এবং অষ্টমের দুই সমাপনীতে আরও ২০ লাখ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। সব মিলিয়ে দেশের বিশাল সংখ্যক পরীক্ষার্থী এ দুই পরীক্ষায় অংশ নেয়। দুই সমাপনী বাতিল করা হলেও স্কুল খোলার পর বার্ষিক পরীক্ষার মাধ্যমে এ বছর মূল্যায়ন করা হবে বলে জানান কর্মকর্তারা। গত ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের পর ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। কয়েক দফা বাড়িয়ে আগামী ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় পাঠদানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের জন্য সংসদ টিভি এবং বেতারে ক্লাস পরিচালনা ছাড়াও উচ্চ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষায় অনলাইনে পাঠদানের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। অপরদিকে, ক্ষতি পোষাতে চলতি শিক্ষাবর্ষ আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি-মার্চ পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে আগেই আভাস দিয়েছে দুই শিক্ষা মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নিতে একাধিক বিকল্প মাথায় রেখে এগোচ্ছে সরকার।
কারিগরি শিক্ষায় ভর্তির হার ২০৫০ সালের মধ্যে ৫০ শতাংশে উন্নীতের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ
০৭আগস্ট,শুক্রবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে ২০৫০ সালের মধ্যে কারিগরি শিক্ষায় ভর্তির হার ৫০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। মন্ত্রী আজ বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আয়োজনে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সফল অংশীদার হতে কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব শীর্ষক এক অনলাইন সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মোঃ আমিনুল ইসলাম খান। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লব হবে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) -এর বিপ্লব। যেখানে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপনের সাথে একান্ত সঙ্গী হয়ে যাবে প্রযুক্তি। তিনি বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লব আমাদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ। এই শিল্প বিপ্লবের ফলে গতানুগতিক অনেক চাকরি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। আবার চাকরি ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে। এই চ্যালেঞ্জকে সরকার সম্ভাবনায় পরিণত করতে চায়। মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার বিভিন্ন রকম শর্ট কোর্স চালু করতে যাচ্ছে। তিনি আরো বলেন, সবার জন্য কারিগরি শিক্ষার সুযোগ তৈরি করতে কাজ করছে সরকার।

শিক্ষা পাতার আরো খবর