রবিবার, মে ৯, ২০২১
বাইসাইকেল পেল মাগুরার ৩০ শিক্ষার্থী
৩০জুলাই,বৃহস্পতিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের আওতায় মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার ২০ জন ছাত্রী ও ১০ জন স্কুলছাত্রকে বাইসাইকেল দেওয়া হয়েছে। শ্রীপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরে মসজিদ-মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের আওতাভুক্ত ৮০২ শিশুকে প্রধানমন্ত্রীর শিশু খাদ্য উপহার, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ১০০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে বাইসাইকেল ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠান হয়। মাগুরা-১ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট সাইফুজ্জামান শিখর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইয়াছিন কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মিয়া মাহমুদুল গণি শাহিন। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী আহমেদ মাসুদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক ও নাকোল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হুমাউনুর রশিদ মুহিত, সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মশিয়ার রহমান, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার ইকরাম আলী বিশ্বাস প্রমুখ। অনুষ্ঠানে উপজেলার আটটি ইউনিয়নের মসজিদ-মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের আওতাভুক্ত ৮০২ শিশুকে প্রধানমন্ত্রীর শিশু খাদ্য উপহার এবং ২০ ছাত্রী ও ১০ স্কুলছাত্রকে বাইসাইকেল, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ুয়া ৪০ জন শিক্ষার্থীকে ২ হাজার ৪০০শ করে টাকা এবং কলেজ ও মাধ্যমিক পর্যায়ে ৩০ জনকে ৬ হাজার করে মোট ৩ লাখ টাকা ও ৫০ জনের মধ্যে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকার শিক্ষা উপকরণ এবং শ্রীপুর আদিবাসী কল্যাণ সমিতি ও আমলসার আদিবাসী কল্যাণ সমিতিকে সাংস্কৃতিক উপকরণ ও ক্রীড়া সামগ্রীসহ সব মিলিয়ে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাইফুজ্জামান শিখর বলেন, মসজিদ ও মন্দির ভিত্তিক শিশুশিক্ষা কার্যক্রমের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খুবই আন্তরিক। এজন্য তিনি অনেক প্রকল্প বাদ দিলেও এ দুটি প্রকল্প বাদ দেননি। তিনি সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে সমান্তরালে নিয়ে আসার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন, যার সুফল আপনারা এরই মধ্যে পেতে শুরু করেছেন। আপনারা দয়া করে প্রধানমন্ত্রীর জন্য প্রাণখুলে দোয়া করবেন। আপনারা নিজেরা যে সমিতি গঠন করেছেন, সে সমিতির মাধ্যমে নিজেরা স্বাবলম্বী হওয়ার জন্য কুটির শিল্প প্রতিষ্ঠা করে যদি ইউএনওর কাছে জমা দেন, তাহলে প্রধানমন্ত্রী আপনাদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবেন, যোগ করেন শিখর।
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড আইনের চূড়ান্ত অনুমোদন
২৮,জুলাই,মঙ্গলবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড আইন, ২০২০ এর খসড়ার অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোমবার (২৭ জুলাই) গণভবন থেকে অনলাইনে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেন। সচিবালয় থেকে ভিডিও কনফারেন্সে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা অংশ নেন। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, গত ২৩ ডিসেম্বর মন্ত্রিসভা বৈঠকে আইনটি প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। এরপর আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং নিয়ে মন্ত্রিসভায় নিয়ে আসা হয়। আইনে ২৯টি ধারা রয়েছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, কীভাবে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড প্রতিষ্ঠা করা হবে তা উল্লেখ করা হয়েছে। ১৯৭৮ সাল থেকে মাদরাসা শিক্ষা নিয়ে যে কাজগুলো হয়েছে তা আইনের মাধ্যমে সুরক্ষিত করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এ আইনের অধীনে কাজগুলো হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হবে। সুতরাং কৃতকাজের কোনোটি চ্যালেঞ্জ করা যাবে না যে আইন বহির্ভূত কাজ। আইনে অন্য শিক্ষা বোর্ডের ন্যায় মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবসরের বয়সসীমা ৬০ বছর হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। মাদ্রাসা শিক্ষার আধুনিকায়ন, উন্নয়ন এবং গবেষণার ক্ষেত্রে এ আইন কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। নীতিগত অনুমোদনের সময় মন্ত্রিপরিষদ সচিব আনোয়ারুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, বঙ্গবন্ধু প্রথমে ১৯৭২ সালে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড আইন করেছিলেন। এরপর বিশেষ প্রেক্ষাপটে দ্য মাদরাসা এডুকেশন অর্ডিন্যান্স-১৯৭৮করা হয়। এর বলে বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের সার্বিক পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রিত হয়। মাদরাসা শিক্ষা বিকাশে ৪১ বছরে পুরনো ও ইংরেজিতে লিখিত আইনটি সময়ের চাহিদা পূরণে যথেষ্ট নয়। এছাড়া সামরিক শাসনামলে জারি করা অধ্যাদেশগুলোর বিষয়ে মন্ত্রিসভার নির্দেশনা রয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, বিদ্যমান অধ্যাদেশে উল্লেখিত বোর্ড শব্দের পরিবর্তে পরিচালনা পর্ষদ প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। বোর্ডের সদস্য সংখ্যা ১৩ জনের পরিবর্তে ১৫ জন করা হয়েছে। বিদ্যমান অর্ডিন্যান্সে বোর্ডের কোনো সদস্য সচিব ছিল না। বর্তমানে খসড়া আইনে রেজিস্ট্রারকে সদস্য সচিব হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পাঠক্রম, পাঠ্যসূচি ও পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন, উন্নয়ন, নবায়ন, নিরীক্ষণ এবং সংস্কার কার্যক্রমে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডকে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড প্রয়োজনীয় সহায়তা করবে বলে নতুন ধারা সংযোজন করা হয়েছে।
সংক্ষিপ্ত হচ্ছে সিলেবাস
২৫,জুলাই,শনিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের সিলেবাস (কারিকুলাম) সংক্ষিপ্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। চলমান করোনা মহামারীর কারণে শিক্ষার্থীরা যে ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে তা পুষিয়ে নিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলে জানা যায়। আগামী সেপ্টেম্বরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব হলে শিক্ষাবর্ষ না বাড়িয়ে ডিসেম্বরে তা শেষ করা হবে। তবে পঞ্চম বা অষ্টম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা ২০২১ জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহের মধ্যে নেওয়া হবে। জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের জন্য অধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে আলাদা করে সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করার পরিকল্পনা করছে মন্ত্রণালয়। ইতোমধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর ও জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমিকে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সার্বিক দিক মূল্যায়ন করে খুব শিগগিরই এটি কার্যকর করা হবে। এদিকে প্রধানমন্ত্রী আগেই বলেছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলবে না। মন্ত্রণালয়ও বলছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আগে কোনোভাবেই প্রতিষ্ঠানের খোলা সম্ভব না। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে নতুনভাবে এ চিন্তা করছে মন্ত্রণালয়। করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধ ও শিক্ষার্থীদের নিরাপদে রাখতে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গত ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে। আগামী ৬ আগস্ট পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি। তবে মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, ছুটি বাড়ানো ছাড়া কোনও বিকল্প নেই। তবে সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা সেশনজটে পড়বে কিনা তা নিয়ে শঙ্কা দেখা দেয়। জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আকরাম আল হোসেন জানান, দীর্ঘ বন্ধে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আমরা টেলিভিশনের মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। তবুও অনেক শিক্ষার্থী শিক্ষা কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাই সবার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে নতুনভাবে চিন্তা করতে হচ্ছে আমাদের। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠান খোলার সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষার্থীরা যাতে খুব দ্রুত তাদের সিলেবাস শেষ করতে পারে সেজন্য একটা পরিকল্পনা রয়েছে। শ্রেণিভিত্তিক মৌলিক সক্ষমতা বা কোর কম্পিটেন্ট অর্জনে বিষয় চিহ্নিত করে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস তৈরি করার জন্য জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বছরের শুরুতেই সারা বছরের পাঠপরিকল্পনা নির্ধারণ করা ছিল। সংশোধিত সিলেবাস সেটাকেও রিভাইস করতে বলা হয়েছে। আর পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার বিষয়ে মো. আকরাম আল হোসেন বলেন, পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা প্রয়োজনে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে নেবো। পরবর্তী সাত থেকে ১০ দিনের মধ্যে ফলাফল ঘোষণা করা সম্ভব হবে। যদি সেপ্টেম্বরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা না যায় তাহলে কী হবে জানতে চাইলে সিনিয়র সচিব মো. আকরাম আল হোসেন বলেন, বিষয়টি নিয়ে পরে ভাবতে হবে। আমরা এখন সেপ্টেম্বরটা মাথায় রেখে কাজ করছি।’ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, ‘দুই মন্ত্রণালয় বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সরকারের ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ে আধুনিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠার ঘোষণা পলকের
২৩,জুলাই,বৃহস্পতিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আধুনিক প্রযুক্তির অংশ হিসেবে সেন্টার অন ফ্রন্টিয়ার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। এর মাধ্যমে গবেষণা করে শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তির শিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারবে বলে আশাবাদ প্রতিমন্ত্রীর। বুধবার (২২ জুলাই) ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ মিলনায়তনে অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডিজিটাল শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাসে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য তাদের মধ্যে ডিজিটাল শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়। এসময় জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লব মোকাবিলায় দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সেন্টার অন ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি প্রতিষ্ঠিা করা হবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা গবেষণা করে প্রযুক্তি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে শুধু বাংলাদেশের সমস্যাই সমাধান করবে না, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা ও সক্ষমতা অর্জন করতে সক্ষম হবে। পলক আরও বলেন, আমরা বৈশ্বিক মহামারি করোনা মোকাবিলা করছি। করোনা ভাইরাস প্রথম শনাক্তের পর প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিস্থিতি মোকাবিলা জন্য একের পর এক সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে চলেছেন। বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে বর্তমানে গ্রাম পর্যন্ত ইন্টাটরনেট কানেক্টিভিটি পৌঁছে গেছে। করোনাকালীন সময়ে অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত অবকাঠামো তৈরির ফলেই দেশের মানুষ বিগত পাঁচ মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও শিক্ষার্থীদের পড়াশুনা সংসদ টেলিভিশন ও অনলাইন ডিজিটাল প্লাটফর্মে চালু রয়েছে। পলক বলেন, দেশের সাড়ে চার কোটি শিক্ষার্থীকে প্রযুক্তি নির্ভর কর্মসংস্থানের উপযোগী করে তুলতে দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে মাধ্যমিক পর্যায়ে তথ্য প্রযুক্তি বিষয় বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। প্রযুক্তিতে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা অর্জনের সুযোগ করে দিতে সরকার সারাদেশে আট হাজার শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব স্থাপন করেছে এবং আরো পাঁচ হাজার ল্যাব স্থাপন করা হবে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে অনলাইনে ক্লাস করার সুযোগ তৈরি করা হলেও সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখনো সে সুযোগ গ্রহণ করতে পারেনি বলে জানান পলক। সে বিবেচনায় সারাদেশে ৩০০টি সংসদীয় আসনে স্কুল অব ফিউচার সফটওয়্যার প্ল্যাটফর্ম মডেল স্কুল প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে বলেও জানান তিনি।
একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির সময়সূচি প্রকাশ
২০,জুলাই,সোমবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার পর ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে অনলাইন ভর্তির বিস্তারিত সময়সূচি প্রকাশ করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি। সোমবার (২০ জুলাই) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক স্বাক্ষরিত সূচি প্রকাশ করা হয়। এর আগের দিন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনির সভাপতিত্বে এক অনলাইন সভায় আগামী ৯ আগস্ট থেকে শুরু হয়ে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভর্তির তারিখ নির্ধারণ করা হয়। প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হবে ৯ আগস্ট থেকে ২০ আগস্ট পর্যন্ত। তবে জাতীয় শোক দিবসে অনলাইন সার্ভিস ও কল সেন্টার বন্ধ থাকবে। প্রথম পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে ২৫ আগস্ট রাত ৮টায়। শিক্ষার্থীদের সিলেকশন নিশ্চায়ন (শিক্ষার্থী নিশ্চায়ন না করলে ১ম পর্যায়ের সিলেকশন এবং আবেদন বাতিল হবে) করতে হবে ২৬ আগস্ট থেকে ৩০ আগস্ট রাত ৮টা পর্যন্ত। দ্বিতীয় পর্যায়ে আবেদন গ্রহণ ৩১ আগস্ট থেকে চলবে ২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত। পছন্দের ক্রম অনুসারে ১ম মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ হবে ৪ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। আর দ্বিতীয় পর্যায়ের আবদনের ফল প্রকাশ হবে একই দিন (৪ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টাতেই। দ্বিতীয় পর্যায়ের শিক্ষার্থেীদের সিলেকশন নিশ্চায়ন (শিক্ষার্থী নিশ্চায়ন না করলে ২য় পর্যায়ের সিলেকশন এবং আবেদন বাতিল হবে) ৫ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত। তৃতীয় পর্যায়ের আবেদন গ্রহণ চলবে ৭ ও ৮ সেপ্টেম্বর। পছন্দক্রম অনুযায়ী ২য় মাইগ্রেশনের ফল এবং ৩য় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশ হবে ১০ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। তৃতীয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীর সিলেকশন নিশ্চায়ন (শিক্ষার্থী নিশ্চায়ন না করলে ৩য় পর্যায়ের সিলেকশন এবং আবেদন বাতিল হবে) ১১ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত। আর কলেজভিত্তিক চূড়ান্ত ফল প্রকাশ হবে ১৩ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টায়। ভর্তি চলবে ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। একজন শিক্ষার্থীকে কমপক্ষে ৫টি কলেজে পছন্দক্রম অনুসারে আবেদন করতে হবে। তবে সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে পছন্দক্রম অনুসারে আবেদন করতে পারবে। মেধা এবং পছন্দক্রম অনুসারে নির্দিষ্ট কলেজে ভর্তির জন্য মনোনীত করা হবে। শিক্ষার্থীদের http://www.xiclassadmission.gov.bd থেকে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আর নগদ, সোনালী ব্যাংক, টেলিটক, বিকাশ, শিওর ক্যাশ এবং রকেটের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করা যাবে। একাদশে ভরির্তর জন্য সব শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, সংশ্লিষ্ট অপারেটরকে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে ভর্তি কার্যক্রম শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত ৩১ মে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর জুনের প্রথম সপ্তাহে একাদশে কেন্দ্রীয়ভাবে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু কথা থাকলেও করোনা ভাইরাসের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় তা সম্ভব হয়নি। চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সম্মিলিত পাসের হার ৮২ দশমিক ৮৭। মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে পাঁচ লাখ ৪৩ হাজার ৯৭২ জন। দশটি বোর্ডে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে মোট ২০ লাখ ৪০ হাজার ২৮ জন শিক্ষার্থী। যার মধ্যে ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৫২৩ জন শিক্ষার্থী পাস করেছে। উত্তীর্ণরাই কলেজে অনলাইনে ভর্তি হওয়ার আবেদন করবে। গত কয়েক বছর ধরে অনলাইনে একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হচ্ছে। এবারও শিক্ষার্থীদের অনলাইনে ভর্তি করানো হবে। দেশে গত ৮ মার্চ প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের পর ১৭ মার্চ থেকে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার, কয়েক দফা বাড়ানোর পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ৬ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। অন্যদিকে, ২৬ মার্চ হতে ৩০ মে পর্যন্ত ৬৬ দিনের সাধারণ ছুটি শেষে ৩১ মে সীমিত পরিসরে অফিস ও গণপরিবহন খুলে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের মধ্যে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে টিভিতে এবং উচ্চ মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা স্তরে অনলাইনে ক্লাস পরিচালনা করা হচ্ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের কারণে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত রয়েছে।
সবার জন্য অনার্স-মাস্টার্স আর পিএইচডি ডিগ্রির প্রয়োজন নেই
১৬,জুলাই,বৃহস্পতিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষার্থীর স্বপ্ন ও তার পড়াশোনার মধ্যে যোগসূত্র স্থাপনে কাজ চলছে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, আমরা গতানুগতিক শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি, টেকনিক্যাল ও ভোকেশনাল শিক্ষার ওপর খুব জোর দিচ্ছি। সবার জন্য অনার্স, মাস্টার্স আর পিএইচডি ডিগ্রির প্রয়োজন নেই। শিক্ষামন্ত্রী বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস উপলক্ষে ড্যাফোডিল পরিবার ও এটুআইয়ের যৌথ আয়োজনে কোভিড-১৯ এবং তার পরবর্তী সময়ের প্রতিযোগিতামূলক চ্যালেঞ্জসমূহ মোকাবিলায় আমরা কি প্রস্তুত? শীর্ষক এক অনলাইন আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে মাদ্রাসা শিক্ষা, টেকনিক্যাল শিক্ষা, ইংলিশ মিডিয়াম, কওমি ও সাধারণ শিক্ষা ধারাসহ ভিন্ন ভিন্ন ধারার শিক্ষা ব্যবস্থা চালু রয়েছে। সাধারণ শিক্ষা আবার দুই ধারায়- ইংলিশ ভার্সন ও বাংলা ভার্সন। শিক্ষার সব ধারাই কিছু আবশ্যিক দক্ষতা অর্জন করতে হয়। কিন্তু অনেক সময় লক্ষ করা যাচ্ছে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় এই আবশ্যিক দক্ষতা অর্জিত হচ্ছে না। সরকার আবশ্যিক দক্ষতা উন্নয়ন এবং সব ধারার শিক্ষা ব্যবস্থায় দক্ষতা নিশ্চিত ও যাচাইয়ের জন্য একটি ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক প্রণয়ন করতে যাচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা শিক্ষার্থীর স্বপ্ন ও তার পড়াশোনার মধ্যে যোগসূত্র স্থাপনের জন্য কাজ করছি। আমরা শিক্ষা ব্যবস্থাকে এমনভাবে সাজাচ্ছি যার মাধ্যমে প্রত্যেক শিক্ষার্থী তার জীবন ও জীবিকার স্বপ্ন পূরণে সক্ষম হবে। পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় স্বপ্নও অর্জিত হবে। আমরা গতানুগতিক শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি, টেকনিক্যাল ও ভোকেশনাল শিক্ষার ওপর খুব জোর দিচ্ছি। সবার জন্য অনার্স, মাস্টার্স আর পিএইচডি ডিগ্রির প্রয়োজন নেই। ড্যাফোডিল পরিবারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর, এটুআই প্রকল্পের ফিউচার অফ ওয়ার্ক ল্যাবের প্রধান আসাদ উজ জামান, অ্যাকশন এইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির, মুনীর হাসান প্রমুখ।
সরকার আর শিক্ষিত বেকার তৈরি করতে চায় না: শিক্ষামন্ত্রী
১৫,জুলাই,বুধবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, বর্তমানে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় যে পরিমাণ শিক্ষার্থী অনার্স-মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করছে, চাকরির বাজারে সে পরিমাণ অনার্স ও মাস্টার্সের চাহিদা রয়েছে কিনা তা ভেবে দেখার প্রয়োজন রয়েছে। তিনি বলেন, যারা বিভিন্ন বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করছেন তাদের অনেকেই চাহিদা অনুযায়ী চাকরি পাচ্ছেন না এবং কোন ধরনের টেকনিক্যাল শিক্ষা না থাকায় তারা বেকার থেকে যাচ্ছেন। সরকার আর এই রকমের শিক্ষিত বেকার তৈরি করতে চায় না। বিষয়টি বিবেচনায় সরকার শিক্ষার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে বেশি প্রাধান্য দিয়ে সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থা ঢেলে সাজিয়েছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। বুধবার (১৫ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আয়োজনে বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস-২০২০ উদযাপন উপলক্ষে এক অনলাইন আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউসের সভাপতিত্বে অনলাইন আলোচনা সভায় সরকারের বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিসহ সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস-২০২০ এর এবারের প্রতিপাদ্য- স্কিল ফর রেসিলিয়েন্ট ইয়ুথ। আলোচনা সভায় শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, আমরা এখন চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে অবস্থান করছি। এর আগের তিনটি শিল্প বিপ্লবের কোনো সুযোগ আমরা নিতে পারিনি। আমরা চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সর্বোচ্চ সুবিধা নিতে চাই। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের ফলে দেশ ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের ফলে পরিবর্তিত শ্রমবাজারে চাহিদা অনুযায়ী প্রযুক্তি ও দক্ষতার সমন্বয় ঘটিয়ে আমাদের বিপুল জনসংখ্যাকে জনসম্পদে রূপান্তরিত করতে হবে। এ লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। তিনি বলেন, দক্ষ মানবসম্পদের চেয়ে কোন সম্পদই বড় নয়। দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করতে যুব সমাজকে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করাসহ শিল্পের সাথে সংযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি, দেশ ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহের মাধ্যমে শ্রমবাজারের পূর্বাভাস দেয়া, কারিক্যুলাম যুগোপযোগীকরণ, প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান মানোন্নয়ন, ইন্ডাস্ট্রি স্কিল কাউন্সিল গঠনসহ ন্যাশনাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ভোকেশনাল কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক প্রণয়ন করা হয়েছে। ফলে কারিগরি শিক্ষায় ভর্তির সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ১৭ শতাংশ হয়েছে। ২০০৯ সালে যা ছিল মাত্র এক শতাংশ। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক জুয়েনা আজিজ, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব আমিনুল ইসলাম খান, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. আহমেদ মইনুল সালেহীন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব আকতার হোসেন, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের বাংলাদেশ প্রতিনিধি মনমোহন প্রকাশ, আইএলও-এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি টওমো পুটিয়ানান, গণস্বাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন অথরিটির নির্বাহী চেয়ারম্যান হাসিবুল আলম।
প্রাথমিকে ১৮ হাজার শিক্ষক পদোন্নতি পাচ্ছেন
১২,জুলাই,রবিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চলতি দায়িত্বে থাকা প্রধান শিক্ষকদের স্থায়ীকরণের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গ্রেডেশন লিস্ট (জ্যেষ্ঠতা তালিকা) সংগ্রহ করা হচ্ছে। চলতি (জুলাই) মাস থেকে ধাপে ধাপে দায়িত্বে থাকা সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দেওয়া হবে। আগামী মাসের মধ্যে দেশের ১৮ হাজার শিক্ষককে পদোন্নতির আওতায় আনা হবে বলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) থেকে জানা গেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিপিইর মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রায় ১৮ হাজারের মতো বিদ্যালয়ে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিকে সহকারী শিক্ষকদের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শুন্য আসনে প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্বে বসানো হয়েছে। চলতি মাসের মধ্যে তাদের জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।’ তিনি বলেন, মাঠ কর্মকর্তার কাছে দায়িত্বে থাকা শিক্ষকদের গ্রেডেশন তালিকাসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠাতে বলা হয়েছে। ইতিমধ্যে কিছু শিক্ষকদের কাগজপত্র এসেছে, সেসব একত্রিত করে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দিয়ে জেলা ভিত্তিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। অন্যদেরও কাগজপত্র অধিদপ্তরে চলে আসলে আগামী আগস্ট মাসের মধ্যে জেলাভিত্তিক সবাইকে পদোন্নতির আওতায় আনা হবে।’ ফসিউল্লাহ বলেন, করোনা পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হলে প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ৪০ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। সেই সঙ্গে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শূন্য আসনের বিপরীতে প্রধান শিক্ষকদের নিয়োগ প্রক্রিয়াও শুরু করা হবে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দেশের ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ১৮ হাজার শিক্ষক প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া, আরও ২০ হাজার প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে।

শিক্ষা পাতার আরো খবর