তিন ম্যাচ হাতে রেখেই চ্যাম্পিয়ন ম্যান সিটি
১২,মে,বুধবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগেই বোঝা যাচ্ছিল, ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের এবারের আসরে চ্যাম্পিয়ন হতে যাচ্ছে ম্যানচেস্টার সিটি। বাকি ছিল শুধু আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হওয়া। মঙ্গলবার রাতে সেটিও পেয়ে গেল পেপ গার্দিওলার দল, জিতে নিয়েছে প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের পরাজয়ে মাঠের বাইরে থেকেই চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেছে ম্যানচেস্টার সিটি, তাও কি না লিগের তিন ম্যাচ বাকি রেখেই। মঙ্গলবার লিস্টার সিটির কাছে ২-১ গোলে হেরেছে ম্যান ইউ। তাতেই নিশ্চিত হয়ে গেছে, বাকি সব ম্যাচ হারলেও শিরোপা থাকবে ম্যান সিটির ইতিহাদেই। লিগের ৩৫ রাউন্ড শেষে ২৫ জয় ও ৫ ড্রয়ে ম্যান সিটির সংগ্রহ ৮০ পয়েন্ট। সমান ম্যাচে ম্যান ইউর নামের পাশে রয়েছে ৭০ পয়েন্ট। তারা বাকি তিন ম্যাচে পূর্ণ ৯ পয়েন্ট পেলেও, ৭৯র বেশি যেতে পারবে না। অর্থাৎ বাকি সব ম্যাচ হারলেও ম্যান সিটির ওপরে যেতে পারবে না কোনো দল। তাই মাঠের বাইরে থেকেই শিরোপার আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তা পেয়ে গেছে ম্যান সিটি। এখন প্রিমিয়ার লিগের বাকি তিন রাউন্ডে নির্ধারিত হবে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ ও উয়েফা ইউরোপা লিগে ৩টি করে ছয়টি দলের নাম। লিগের শীর্ষ চার দল খেলবে চ্যাম্পিয়ন লিগ, পরের তিন দল জায়গা পাবে ইউরোপা লিগে। এ নিয়ে দশ বছরের মধ্যে পঞ্চমবার প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা ঘরে তুলল ম্যানচেস্টার সিটি। সবমিলিয়ে সপ্তমবার চ্যাম্পিয়ন হলো তারা। লিগ কাপ শিরোপা আগেই ঘরে তুলেছে সিটি। এবার জিতল প্রিমিয়ার লিগ। আগামী ২৯ মে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে চেলসিকে হারাতে পারলেই সাফল্যের পাল্লা আরও ভারী হবে তাদের। মঙ্গলবার রাতে নিজেদের ঘরের মাঠের ম্যাচটিতে খানিক পরীক্ষানিরীক্ষা চালিয়েছিলেন ম্যান ইউ ওলে গানার সুলশার। নিয়মিত একাদশে প্রায় সবাইকে বাইরে রেখে সুযোগ দেন তরুণ প্রতিভাবানদের। কিন্তু জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেননি তিনি। ম্যাচের দশ মিনিটের মাথায় প্রথম গোল করে লিস্টার। ডান দিক থেকে ইউরি টিলেমানসের ক্রসে দারুণ ভলিতে দূরের পোস্ট দিয়ে ক্রসবার ঘেঁষে গোলটি করেন টমাস। প্রিমিয়ার লিগে তরুণ ইংলিশ ডিফেন্ডারের এটি প্রথম গোল। সমতা ফেরাতে বেশি সময় নেয়নি ম্যান ইউ। মাত্র পাঁচ মিনিটের মধ্যেই স্কোরলাইন ১-১ করে দেন একাদশে জায়গা ধরে রাখা একমাত্র খেলোয়াড় গ্রিনউড। কিন্তু তাতে কাজ হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধে তুর্কি ডিফেন্ডার সুইয়োনজুর হেডে ম্যাচ জিতে নিয়েছে লিস্টার সিটি।
আইপিএল স্থগিতের পর অনিশ্চয়তায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
০৫,মে,বুধবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আইপিএল স্থগিত করার পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়েও চিন্তা ভাবনা শুরু করে দিলো ভারতীয় বোর্ড। আইপিএলে ক্রিকেটারদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর ১৬ দলের বিশ্বকাপ চিন্তার কারণ হয়ে উঠেছে বোর্ডের। এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া না হলেও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। জানা গেছে, ভারতীয় বোর্ডের কর্তারা সংযুক্ত আরবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করার ব্যাপারে আলোচনা শুরু করেছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সূচি এখনো ঘোষণা করা হয়নি। বিসিসিআই-এর এক কর্তা বলেন, দেশের ৭০ বছরের ইতিহাসে স্বাস্থ্যের এমন অবস্থা হয়নি। শুরু হওয়ার ৪ সপ্তাহের মধ্যে আইপিএল স্থগিত করে দেওয়া প্রমাণ করে বড় মাপের প্রতিযোগিতা আয়োজন করার মতো দেশের অবস্থা নেই। নভেম্বরে করোনা সংক্রমণের তৃতীয় ঢেউ দেখা দিতে পারে দেশে। সেই সময় টি২০ বিশ্বকাপ আয়োজন করা কঠিন হয়ে উঠতে পারে। সেই জন্য সংযুক্ত আরবে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হতে পারে প্রতিযোগিতা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে জুন মাসে আইসিসি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানা গিয়েছে।
মেসির জাদুতে বার্সার জয়
০৩,মে,সোমবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: লা লিগায় শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে মেসি যাদুতে জয়ে ফিরেছে বার্সেলোনা। পিছিয়ে পড়েও আর্জেন্টাইন তারকার জোড়া গোলে ভ্যালেন্সিয়াকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে কাতালানরা। এদিকে, ইপিএলে গ্যারেথ বেলের হ্যাটট্রিকে শেফিল্ড ইউনাইটেডকে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছে টটেনহ্যাম হটস্পার। ম্যাচের শুরু থেকে বল দখলে রেখে বার্সেলোনা চেপে ধরে ভ্যালেন্সিয়াকে। কিন্তু যোগ্য ফিনিসারের অভাবে গোল পাওয়া হয়নি। এছাড়া ভ্যালেন্সিয়ার রক্ষণও ছিল বেশ জমাট। ৩ মিনিটে এগিয়ে যেতো পারতো বার্সেলোনা। কিন্তু পেদ্রির শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ১২ মিনিটে মেসির ফ্রি-কিক থেকে রোনাল্ড আরাহোর প্লেসিং গোলকিপারের বুকে লেগে প্রতিহত হয়। প্রতি আক্রমণে উঠে ভ্যালিন্সিয়াও সুযোগ পেয়েছিল। তবে গোলের দেখা পায়নি। ২০ মিনিটে গায়ার শট দূরের পোস্ট দিয়ে যায়। ৬ মিনিট পর রাচিচ এর শট গোলকিপার তের স্টেগেন ঝাঁপিয়ে পড়ে প্রতিহত করেন। ৪৯ মিনিটে গুয়েডেসের শট গোলকিপারের শরীরে লেগে প্রতিহত হয়। কিন্তু পরের মিনিটে ১-০। কর্নার থেকে গ্যাব্রিয়েল পোলিস্তা জোরালো হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে নেন। ভ্যালেন্সিয়ার লিড ছিল মোটে ৫ মিনিট। ৫৬ মিনিটে তাদের সব প্রতিরোধ ভেঙে চুরমার। ম্যাচে সমতা আনে বার্সেলোনা। পেনাল্টি থেকে মেসির শট গোলকিপার ঝাঁপিয়ে পড়ে রুখে দিলেও ফিরতি বলে আবারও মেসি পেয়ে গোল করতে ভুল করেননি। এরপর বার্সেলোনা আরও দূরন্ত। ৬৩ মিনিটে স্কোরলাইন ২-১। দি ইয়ং এর হেড গোলকিপার ফিরিয়ে দেন,ফিরতি বলে গ্রিজম্যান টোকায় ব্যবধান বাড়িয়ে নিয়েছে অবলীলায়। মেসি ম্যাজিক বুঝি তখনও বাকী ছিল। ৬৯ মিনিটে এই তারকার তার স্বভাবসুলভ ফ্রি-কিক থেকে দুর্দান্ত গোল করেন। আর্জেন্টাইন এই ফরোয়ার্ডের শট পোস্টে লেগে জাল কাঁপায়। এ নিয়ে লা লিগায় এই মৌসুমে সর্বোচ্চ ২৮ গোল মেসির। পিছিয়ে পড়ে ভ্যালেন্সিয়াও গোল শোধ দেওয়ার চেষ্টা করেছে। ৮৩ মিনিটে সফলও হয়েছে। বক্সের বাইর থেকে বুলেট গতির শটে ব্যবধান কমান সোলের। বাকী সময়টুকু ৩-২ স্কোরলাইন রেখেই মাঠ ছেড়েছে বার্সেলোনা। আগের ম্যাচে লাল কার্ড দেখায় এই ম্যাচে ডাগ আউটে ছিলেন না কুমান। আগামী শনিবার পরের রাউন্ডে আতলেতিকোর বিপক্ষে ঘরের মাঠেও তাকে পাবে না বার্সেলোনা। আরেকটি কঠিন লড়াই কোচকে ছাড়াই পাড়ি দিতে হবে তাদের। পরদিন মুখোমুখি হবে শিরোপা লড়াইয়ে থাকা অন্য দুই দল রিয়াল ও সেভিয়া।
পিএসজিকে হারিয়ে ফাইনালের পথে ম্যানসিটি
২৯,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বুধবার রাতে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ সেমিফাইনালের প্রথম লেগে মুখোমুখি হয় প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি) ও ম্যানচেস্টার সিটি। দু'দলের এই মহা গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে হোঁচট খেয়েছে নেইমার-এমবাপ্পের পিএসজি। নিজেদের মাঠে সিটির বিপক্ষে শুরু থেকে দারুণ আক্রমণাত্মক খেলতে দেখা যায় পিএসজিকে। তার ফলও আসে খুব দ্রুত। ম্যাচের ১৫ মিনিটের মাথায় লিড নেয় স্বাগতিকরা। কর্নার থেকে ডি মারিয়ার মারিয়ার দারুণ কর্নারে কোনাকুনি হেডে দলকে লিড এনে দেন ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার মার্কিনিয়োস। প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-০ ব্যবধানে। দ্বিতীয়ার্ধে খেলতে নেমে ম্যানসিটি দেখায় তাদের ভিন্নরুপ। পিছিয়ে পড়েও কীভাবে জয় পাওয়া যায় তার প্রমাণ রেখে গেলেন ইংলিশ ক্লাবটি। আক্রমণ আর পাল্টা আক্রমণের মাঝে ৬৪ মিনিটের মাথায় সমতা ফেরায় সিটি। ডি বক্সের বাইরে থেকে কেভিন ডি ব্রুইনের নেয়া শট পিএসজি গোল রক্ষক কেইলর নাভাসকে বোকা বানিয়ে খুঁজে নেয় জাল। ৬৪ মিনিটের মাথায় ১-১ সমতায় আসা ম্যাচ ৭১ মিনিটের মাথায় লিড নেয় সিটি। ডি বক্সের সামনে থেকে নেয়া রিয়াদ মাহরেজ বুলেট গতির শট খুজে নেয় জাল। এরপর যেন এলোমেলো পিএসজি। ৭৭ মিনিটের মাথায় ১০ জনের দলে পরিণত হয় পিএসজি। ইকলে গুনদোগানকে ফাউল করে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় ইদ্রিসা গুয়েয়িকে। বাকি সময়টায় আর চেষ্টা করেও কোনো গোল পায়নি গতবারের রানার্স-আপ পিএসজি। তাতে পিএসজিকে ২-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালের দৌড়ে এগিয়ে গেল ম্যান সিটি। তবে পিএসজিকে যদি ফাইনালে যেতে হয় তাহলে ফিরতি লেগে ম্যানসিটিকে তাদের মাঠে অন্তত ২-০ গোলে হারাতে হবে।
ম্যানচেস্টার সিটির চারে চার
২৬,এপ্রিল,সোমবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: টটেনহ্যামকে ১-০তে হারিয়ে লিগ কাপ নিজেদের করে নিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। এতে টানা চারবার লিগ কাপ জয়ের রেকর্ড স্পর্শ করল সিটিজেনরা। রোববার ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে ৮২ মিনিটে ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেন সিটির ডিফেন্ডার এমেরিক লাপোর্তে। শেষ পর্যন্ত সমতায় ফিরতে ব্যর্থ হয় স্পার্সরা। এতে ফাইনালে শিরোপা উৎসব করেছে পেপ গার্দিওলার দল। অন্যদিকে টটেনহ্যামের ১৩ বছরের শিরোপা খরা আরও দীর্ঘায়িত হলো। একইদিনে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে লিডস ইউনাইটেডের গোলশূন্য ড্র করেছে সঙ্গে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। লিগ শিরোপাও ম্যানসিটির দৃষ্টিসীমায় চলে এসেছে। শেষ পাঁচ ম্যাচের দুটিতে জিতলেই চ্যাম্পিয়ন হবে সিটি।
বার্সাকে শিরোপা জিতিয়ে মেসির জোড়া রেকর্ড
১৮,এপ্রিল,রবিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অ্যাটলেটিকো বিলবাওকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে কোপা দেল রে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বার্সেলোনা। ক্লাবটির ইতিহাসে এটি ৩১তম কোপা দেল রে শিরোপা। সবমিলিয়ে ইউরোপিয়ান মানদণ্ডে ৯২তম শিরোপা জিতল বার্সেলোনা। দলের এই শিরোপা জয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। দর্শনীয় দুই গোলে দলকে এনে দিয়েছে হালি গোলের জয়। পাশাপাশি নিজেও গড়েছেন জোড়া রেকর্ড। শনিবার রাতের ম্যাচটিতে ৬৮ মিনিটের সময় ফ্রেংকি ডি ইয়ংয়ের সঙ্গে বল দেয়া-নেয়া করে অসাধারণ এক গোল করেন মেসি। মিনিট চারেক পর জর্ডি আলবার পাস থেকে প্রথম ছোঁয়ায় বল জালে জড়ান তিনি। এ দুই গোলের সুবাদে কোপা দেল রের ফাইনালে এখন তার গোলসংখ্যা দাঁড়াল দশে। টুর্নামেন্টের ফাইনালের ইতিহাসে তেলমো জারাকে ছাড়িয়ে এখন মেসিই সর্বোচ্চ গোলদাতা। তার নামের পাশে রয়েছে সাতটি কোপা দেল রে শিরোপা। এছাড়া এ দুই গোলের সুবাদে চলতি মৌসুমে সবধরনের প্রতিযোগিতা মিলে ৩১ গোল হয়ে গেছে মেসি। ২০০৮-০৯ মৌসুম থেকে টানা ১৩ আসরে ৩০ বা এর বেশি গোলের রেকর্ড গড়লেন তিনি। এর আগে টানা ১২ মৌসুমে ৩০+ গোল করেছিলেন জার্মানির জার্ড মুলার।
ভারতের ৯ ভেন্যুতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
১৭,এপ্রিল,শনিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনার চ্যালেঞ্জ মাথায় নিয়ে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) চলছে ভারতে। চলতি বছরের শেষদিকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজনের কথা ভারতের। আইপিএল উদ্বোধনের দিন ভারতীয় ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা (বিসিসিআই) সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি ঘোষণা দিয়েছিলেন, ছোট ফরম্যাটের বিশ্বকাপের সর্বকালের সেরা আসর হতে চলেছে এটি। তারই ধারাবাহিকতায় এবার বিশ্বকাপের ভেন্যুর নাম প্রকাশ করেছে আয়োজক দেশটি। শুরুতে বিশ্ব আসরের জন্য ছয়টি ভেন্যু নির্ধারণের কথা ছিল। তবে আরও তিনটি বাড়িয়ে মোট ৯টি ভেন্যুর নাম জানিয়েছে বিসিসিআই। শুক্রবার অনুষ্ঠিত এই সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল হবে কয়েকদিন আগে উদ্বোধন হওয়া নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে। আহমেদাবাদের এই স্টেডিয়ামকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্টেডিয়ামের খেতাব দেয়া হয়েছে। বাকি ভেন্যুগুলো হচ্ছে- মুম্বাই, নয়া দিল্লি, চেন্নাই, কলকাতা, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ, ধর্মশালা ও লখনৌ। ১৬ দল নিয়ে অক্টোবর-নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের বিশ্বকাপের জন্য ভেন্যুগুলোকে প্রস্তুত করতেও বলা হয়েছে। বিসিসিআইর কর্মকর্তা ভারতীয় গণমাধ্যম এনআইকে বলেছেন, সভায় কোভিড পরিস্থিতি মাথায় রেখে ৯ ভেন্যুকে সব প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। অক্টোবর-নভেম্বর করোনা পরিস্থিতি কেমন হবে, তা আগে থেকে বলা যাচ্ছে না। তবে প্রস্তুতি চলমান থাকবে।
ড্র করে সেমিতে রিয়াল মাদ্রিদ
১৫,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: লিভারপুলের মাঠ অ্যানফিল্ডে দৃঢ়তা দেখাল রিয়াল মাদ্রিদ। লিভারপুলকে তাদেরই মাঠে গোলশূন্য ড্রতে রুখে দিয়ে চ্যাম্পিয়নস লীগের সেমিফাইনালে জিনেদিন জিদানের দল। প্রথম লেগে ৩-১ ব্যবধানে জেতে রিয়াল। সেমিতে রিয়ালের প্রতিপক্ষ চেলসি। প্রথম লেগে দুই গোলে পিছিয়ে থাকা লিভারপুলকে ঘরের মাঠে জিততে হতো অন্তত দুই গোলের ব্যবধানে। বুধবার রাতে সেই চেষ্টা ম্যাচের শুরু থেকেই করে গেল ইয়ূর্গেন ক্লপের দল। কিন্তু রিয়াল মাদ্রিদের জমাট রক্ষণের বিপক্ষে একটা গোলও আদায় করতে পারেননি মোহাম্মদ সালাহ, সাদিও মানেরা। লিভারপুল ঘরের মাঠে শুরু থেকেই গোলের উদ্দেশ্যে তেঁড়েফুঁড়ে ফুটবল খেলেছে। অপর দিকে গোলের চিন্তা বাদ দিয়ে রক্ষণে চীনের মহাপ্রাচীর গড়ে তুলতে চেয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ! ৫৬ শতাংশ বলের দখল ধরে রেখে লিভারপুল গোলবার লক্ষ্যে শট নিয়েছে ১১টি, অপর দিকে রিয়াল পুরো ম্যাচে শট নিয়েছে মাত্র ৩টি। তবুও জালের ঠিকানা খুঁজে পায়নি লিভারপুল। শেষ চার নিশ্চিত করার দিনে অচেনা এক স্বাদ পেয়েছেন জিদান। চ্যাম্পিয়নস লীগের নকআউট ম্যাচে তার দল সর্বশেষ গোলশূন্য ম্যাচ কাটিয়েছিল সেই ২০১৫-১৬ মৌসুমে, এরপর থেকে সব নকআউট ম্যাচেই কমপক্ষে একটি করে গোল করেছে তার দল, এমনকি বিদায় নেওয়ার সব ম্যাচেও। ২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত টানা তিনটি চ্যাম্পিয়নস লীগ জেতার পর গত দুই আসরে শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেয় রিয়াল। ওই দুর্দশা কাটিয়ে জিদানের অধীনে ফের শেষ চারে তারা। আর দুটি বাধা টপকে গেলে ধরা দেবে শিরোপা। অন্যদিকে লা লিগায় আট ম্যাচ হাতে রেখে শীর্ষ দল অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের চেয়ে কেবল এক পয়েন্ট পেছনে রিয়াল। এই দুটি ট্রফিতে চোখ জিদানের। ম্যাচ শেষে রিয়াল কোচ বলেছেন, আমরা সবাই একসঙ্গে দলকে টানছি এবং এই দল সবসময় তা করে এবং আরও বেশি চায়। আমরা এখনও কিছু জিতিনি। কিন্তু আমরা ইউরোপ ও লা লিগায় এখনও টিকে আছি। প্রতিযোগিতার ইতিহাসে অন্য যে কোনও ফরাসি কোচের চেয়ে বেশি চতুর্থবার সেমিফাইনালে উঠে আর্সেন ওয়েঙ্গারকে টপকালেন জিদান। তার অধীনে রিয়াল কেবল একবার সেমিফাইনালের আগে বিদায় নিয়েছিল, গত বছর শেষ ষোলোতে ম্যানসিটির কাছে হেরে।
আইপিএলে গেইলের ৩৫০ ছক্কার রেকর্ড
১৩,এপ্রিল,মঙ্গলবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মাইলফলক ছুঁতে দরকার ছিল একটি ছক্কার। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে ইনিংসের অষ্টম ওভারে বেন স্টোকসের তৃতীয় বল গ্যালারিতে ফেলে মাইলস্টোন ছুঁয়ে ফেলেন ক্রিস গেইল। অফ-স্টাম্পের বাইরের বলে পুল করে ছক্কা হাঁকানোর সঙ্গে সঙ্গে আইপিএলে একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে ৩৫০টি ছক্কা মারার রেকর্ড গড়েন গেইল। পরের ওভারে রাহুল তেওয়াটিয়ার বলেও একটি ছক্কা মারেন গেইল। শেষমেশ ৪টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ২৮ বলে ৪০ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। এই দু'টি ছক্কার সুবাদে আইপিএলের ১৩৩ ম্যাচের ১৩২ ইনিংসে মোট ৩৫১টি ছক্কা মারলেন দ্য ইউনিভার্স বস। এই নিরিখে তাঁর ধারেকাছে কেউ নেই। এমনকি গেইল ছাড়া আইপিএলে আর কেউ ২৫০টি ছক্কার গণ্ডিও ছুঁতে পারেননি। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়র লিগে সবথেকে বেশি ছক্কা মারার রেকর্ড বেশ কিছুদিন ধরেই নিজের দখলে রেখেছেন ক্রিস গেইল। তাঁর পিছনে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন এবি ডি ভিলিয়ার্স। তিনি ১৭০টি ম্যাচের ১৫৭ ইনিংসে মেরেছেন ২৩৭টি ছক্কা। তালিকায় তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছেন যথাক্রমে মহেন্দ্র সিং ধোনি (২১৬) রোহিত শর্মা (২১৪) ও বিরাট কোহলি (২০১)।