করোনার কারণে বাতিলই হয়ে গেলো দক্ষিণ আফ্রিকা-ইংল্যান্ড সিরিজ
০৮ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পরপর দুবার ম্যাচ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়ার পর শুরুর আধা ঘণ্টা কিংবা এক ঘণ্টা আগে ম্যাচ স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। শেষ পর্যন্ত করোনাভাইরাসের হুমকির কারণে ওয়ানডে সিরিজ না খেলেই দেশে ফিরে যাচ্ছে ইংল্যান্ড। অর্থ্যাৎ সিরিজটিকে পুরোপুরি বাতিল ঘোষণা করতে হয়েছে। শুক্রবার ছিল ওয়ানডে সিরিজ শুরুর তারিখ। ওইদিন ম্যাচ শুরুর একঘণ্টা আগে জানা গেলো দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দলের একজনের কোভিড-১৯ পজিটিভ। উপায়ান্তর না দেখে ওইদিনের জন্য ম্যাচ বাতিল করতে বাধ্য হলো দুই দল। কথা ছিল রোববার থেকে শুরু হবে সিরিজ। সে মতে রুটিন টেস্টেও রেজাল্ট আসলো দক্ষিণ আফ্রিকা দলের সবারই করোনা নেগেটিভ। কিন্তু বিপত্তি বাধলো, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ইংল্যান্ড, দুই দলই যে হোটেলে অবস্থান করছিল, সেই হোটেলের দুই কর্মচারির শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। যে কারণে রোববার ম্যাচ শুরুর আধাঘণ্টা আগে বাতিল ঘোষণা করা হয় সেদিনের মতো। যার ফলে একপ্রকার অনিশ্চিতই হয়ে পড়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা-ইংল্যান্ড ওয়ানডে সিরিজ। শেষ পর্যন্ত সোমবার এসে সিরিজ পুরোপুরিই বাতিল ঘোষণা করা হল। এর জেরে বড় ক্ষতির মুখেই পড়তে হচ্ছে সম্প্রচারকারী চ্যানেল থেকে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট বোর্ড- সবাইকেই। সোমবার দুই ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠিয়ে বলা হয়, ইংল্যান্ড শিবিরে দুজনের কোভিড-১৯ টেস্ট হয়েছে; কিন্তু তাদের রিপোর্ট হাতে আসেনি। দুই বোর্ডই রিপোর্টের অপেক্ষায় ছিল। তা দেখেই ম্যাচের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হত। কিন্তু কেপটাউনে ম্যাচের দিনও তা না মেলায় ম্যাচ স্থগিত রাখার কথাই ঠিক করা হয়। কিভাবে এবং কবে তিন ম্যাচের সিরিজের এই দুটি ম্যাচ আয়োজন করা সম্ভব হবে, তা আলোচনা করে দেখা হচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত সিরিজ বাতিল করা হল। এর ফলে বিপুল আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ল দক্ষিণ আফ্রিকা বোর্ড। কারণ এই সিরিজে টেলিভিশন সত্ত্ব থেকে ৪.২ মিলিয়ন ডলার আয় করার কথা ছিল তাদের। ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এক প্রোটিয়া ক্রিকেটার করোনা পজিটিভ হতেই আতঙ্ক ছড়ায় টিম হোটেলে। সেই প্রেক্ষিতেই করোনা টেস্ট করান হোটেল কর্মীরাও। সেখানেই দুজনের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এরপরই বাড়ে উদ্বেগ। জানা যায়, সুরক্ষিত কি না জানতে ইংল্যান্ডের ক্রিকেটাররাও করোনা পরীক্ষা করান। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি বেশ জটিল হয়ে যায়। শেষ অবধি সিরিজটাই বাতিল হয়ে গেল। ১০ ডিসেম্বর একটি চাটার্ড ফ্লাইটে দেশে ফিরে যাওয়ার কথা ইংল্যান্ড দলের।
রাজশাহীকে হারিয়ে দ্বিতীয়স্থানে উঠে এলো খুলনা
০৭ডিসেম্বর,সোমবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধু টি-টুয়েন্টি কাপের প্রথম মুখোমুখি লড়াইয়ে জেমকন খুলনাকে হেসেখেলে হারিয়েছিল মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী। তবে ফিরতি লড়াইয়ে ৫ উইকেটে হারিয়ে মধুর প্রতিশোধ নিল খুলনা। আর এই জয়ে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এলো তারা। রোববার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ৫ উইকেটে ১৪৫ রান করেছিল রাজশাহী। জবাবে ৪ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করেছে মাহমুদউল্লাহর খুলনা। খুলনা জিতলেও দলের সবচেয়ে বড় তারকা সাকিব আল হাসান ব্যাট হাতে এদিনও নিষ্প্রভ। ৫ বলে ৪ রান করে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের বলে বোল্ড হন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। অফস্টাম্পের বাইরের বল কাট করতে গিয়ে উইকেটে টেনে আনেন। সব মিলিয়ে ৬ ম্যাচে সাকিবের রান ৫৯। ১৪৬ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে দলকে শুভ সূচনা এনে দেন খুলনার দুই ওপেনার জহিরুল ইসলাম ও জাকির হাসান। ৫১ বলে ৫৬ রানের জুটি গড়েন তারা। এর মধ্যে ১৯ রান করেন জাকির। বড় ইনিংস খেলার ইঙ্গিত দিয়েও ৪৩ রানে থামেন জহিরুল। তার ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ১টি ছক্কা। জহিরুলের মত ভালো শুরু ছিলো তিন নম্বরে নামা ইমরুল কায়েসেরও। কিন্তু ২৭ রানে থেমে যান তিনি। ২০ বল খেলে ৩টি চার ও ১টি ছক্কা মারেন ইমরুল। দলীয় ৯৪ রানে ইমরুলের বিদায়ের পর ১০৯ রানের মধ্যে আরও ২ উইকেট হারায় খুলনা। এর মধ্যে ছিলেন সাকিব ও শামিম হোসেন। সাকিব ৪ ও শামিম ৭ রান করেন। সাকিবকে শিকার করেন টুর্নামেন্টে প্রথমবারের মত মাঠে নামা সাইফউদ্দিন। পঞ্চম উইকেট পতনের পর দলকে জয়ের বন্দরে নেয়ার দায়িত্বটা ভালোভাবে পালন করেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ ও আরিফুল হক। ১৯ বলে ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় অপরাজিত ৩১ রান করে মাহমুদউল্লাহ। আর ১০ রানে অপরাজিত থাকেন আরিফুল। ষষ্ঠ উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ৩৭ রান যোগ করে ৪ বল বাকি রেখে খুলনার জয় নিশ্চিত করেন তারা। রাজশাহীর মুকিদুল ইসলাম ২টি উইকেট নেন। টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেলেও রাজশাহীর টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানরা ব্যর্থতার খোলস থেকে বের হয়ে আসতে পারেননি। আমিনুল ইসলাম ইমন ১ রানে সাজঘরে ফেরেন শুভগত হোমের বলে এলবিডাব্লিউ হয়ে। রনি তালুকদার টানা দুই বাউন্ডারিতে ভালো কিছুর আশা দেখালেও পেসার আল-আমিনের বলে পয়েন্টে ক্যাচ দেন ১৪ রানে। বাদ পড়া মোহাম্মদ আশরাফুলের চার নম্বর পজিশনে ব্যাটিংয়ে এসেছিলেন মেহেদী হাসান। জ্বলে ওঠেনি তার ব্যাট, ৯ রানে শহীদুল ইসলামের বলে মিড উইকেটে ক্যাচ দেন ৯ রানে। সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মিছিলের মাঝে দোর্দণ্ড প্রতাপ দেখান অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। ৩৮ বলে ৫৫ রানের ইনিংস খেলেন দারুণ দৃঢ়তায়। কিন্তু তার ৬ চার ও ২ ছক্কায় সাজানো ইনিংসটি শেষ হয় বাজে বলে, বাজে শটে। মাহমুদউল্লাহর একেবারেই ধীর গতির শর্ট বল ডিপ মিড উইকেট দিয়ে উড়িয়ে মারতে চেয়েছিলেন। বল ব্যাটের মাঝে লাগলেও শটে ছিল না জোর। ক্যাচ যায় শামীমের হাতে। ৯৩ রানে ৫ উইকেট হারানো রাজশাহীর বড় সংগ্রহের আশা শেষ হয়ে যায় সেখানেই। সেই দায়িত্ব নেন জাকির আলী অনিক ও কাজী নুরুল হাসান সোহান। শেষ ঝড় তুলে সোহান কাজ করে দেন। সঙ্গী জাকেরও রাখেন অবদান। দুইজনের জুটিতে আসে ৫২ রান। সোহান ২১ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৩৭ রান করেন। জাকের ১ ছক্কায় ১৯ বলে করেন ১৫ রান। ১৯তম ওভারে আল-আমিনের ১ ওভারে দুই ছক্কা ও দুই চার হাঁকিয়ে সোহান ২০ রান তুলেছিলেন মুগ্ধতায়। শুভাগত ২ উইকেট নিয়ে ছিলেন খুলনার সেরা বোলার। ১টি করে উইকেট নেন আল-আমিন, শহীদুল ও মাহমুদউল্লাহ। সাকিব ৪ ওভারে ১৭ রান দিয়ে ছিলেন উইকেটশূন্য। এই জয়ে ৬ খেলায় ৪ জয় ও ২ হারে ৮ পয়েন্ট খুলনার। ৫ খেলায় ৪ জয় ও ১ হারে ৮ পয়েন্ট চট্টগ্রামের। এক ম্যাচ কম খেলে খুলনার সাথে সমান পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে চট্টগ্রাম। রাজশাহী নেমে গেছে টেবিলের চতুর্থ স্থানে। ৬ ম্যাচে তাদের সংগ্রহ ৪।
বাস্কেটবল লিগে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন ধুমকেতু ক্লাব
০৬ডিসেম্বর,রবিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধু ইউনিমেড ইউনিহেলথ প্রিমিয়ার ডিভিশন বাস্কেটবল লিগে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ধুমকেতু ক্লাব। ৫ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে শিরোপা জিতেছে দলটি। রানার্সআপ হয়েছে হরনেটস এসসি। রোববার লিগের শেষ ম্যাচে হরনেটস এসসি ৭০-৫৬ পয়েন্টে রেঞ্জার্স ক্লাবকে পরাজিত করেছে। প্রথমার্ধে হরনেটস এসসি ৩৮-২৩ পয়েন্টে এগিয়ে ছিল। হরনেটস এসসির সর্ব্বোচ্চ ২৪ পয়েন্ট স্কোর করেছেন ওয়াদুদ। ইলিয়াস ১৩ এবং রেঞ্জার্স ক্লাবের মেহেদী ২২ ও লিংকন ১৮ পয়েন্ট করে স্কোর করেন। লিগের সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন ধুমকেতু ক্লাবের মো. তারেক আজিজ, সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছেন একই দলের সামসুজ্জামান খান সোয়েব ও সেরা উদীয়মান খেলোয়াড় হয়েছেন যোশেফাইটস ক্লাবের ইসতিয়াক নূর। চ্যাম্পিয়ন এবং অংশ গ্রহণকারী ৬ দলকে ৩০ হাজার টাকা করে প্রদান করা হয়েছে। রানার্সআপ দলকে দেয়া হয়েছে ২৫ হাজার টাকা। বাংলাদেশ বাংলাদেশ বাস্কেটবল ফেডারেশনের সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন প্রধান অতিথি এবং ইউনিমেড ইউনিহেলথ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এম মোসাদ্দেক হোসেন বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের খেলোয়াড়দের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।
নিউজিল্যান্ড থেকে অবসর নিয়ে নাম লেখালেন যুক্তরাষ্ট্র ক্রিকেটে
০৫ডিসেম্বর,শনিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অবশেষে গুঞ্জনই সত্য হলো। নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল থেকে অবসর নিয়েছেন বাঁহাতি পেস বোলিং অলরাউন্ডার কোরি অ্যান্ডারসন। তবে এখনই ক্রিকেট ছেড়ে দিচ্ছেন না ২৯ বছর বয়সী এ তারকা অলরাউন্ডার। তিন বছরের জন্য চুক্তি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন মেজর লিগ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে। এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজকে অ্যান্ডারসন জানিয়েছেন, নিউজিল্যান্ড দলের প্রতিনিধিত্ব করতে পারা আমার জন্য অনেক বড় সম্মান ও গর্বের জায়গা ছিল। নিউজিল্যান্ডের আরও অনেকদিন খেলতে ভালবাসতাম আমি। তিনি আরও যোগ করেন, কিন্তু কখনও কখনও পরিস্থিতি এমন হয়ে যায় এবং নতুন নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে যায়। যা আপনাকে এমন দিকে পাঠিয়ে দেয় যেটা আপনি কখনও কল্পনাও করেননি। নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট আমার জন্য যা করেছে, আমি কৃতজ্ঞ। ২০১৪ সালের ১ জানুয়ারি মাত্র ৩৬ বলে ওয়ানডে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে তৎকালীন বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন অ্যান্ডারসন, ভেঙেছিলেন শহীদ আফ্রিদির ১৯৯৬ সালে করা ৩৭ বলে সেঞ্চুরির রেকর্ড। বর্তমানে এই রেকর্ডটি অবশ্য এবি ডি ভিলিয়ার্সের দখলে। তিনি ২০১৫ সালের ১৮ জানুয়ারি ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি করেছিলেন মাত্র ৩১ বল খেলে। বছর ছয়েক আগে করা ৩৬ বলে সেঞ্চুরি দিয়েই মূলত বিশ্ববাসীর কাছে নিজেন নাম পরিচিত করান অ্যান্ডারসন। এরপর সাড়ে ৭ লাখ ডলারের চুক্তিতে তাকে দলে নেয় মুম্বাই ইন্ডিয়ানস। যেখানে ৪৪ বলে ৯৫ রানের এক ম্যাচজয়ী ইনিংস খেলে সকলের বাহবা কুড়ান এ বাঁহাতি পেস বোলিং অলরাউন্ডার। নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে ৯৩টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ (১৩ টেস্ট, ৪৯ ওয়ানডে, ৩১ টি-টোয়েন্টি) খেলা অ্যান্ডারসন ছিলেন ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে রানার্সআপ হওয়া দলেও। কিন্তু এরপরই বারবার পড়তে থাকেন ইনজুরিতে। ফলে আর কখনও জাতীয় দলে নিয়মিত হতে পারেননি অ্যান্ডারসন। সবশেষ ২০১৮ সালের নভেম্বরে নিউজিল্যান্ডের জার্সি গায়ে খেলেছেন অ্যান্ডারসন। পাকিস্তানের বিপক্ষে দুবাইয়ে খেলা টি-টোয়েন্টি ম্যাচটিই তার নিউজিল্যান্ড ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ হয়ে রইল। কিউইদের হয়ে ১৩ টেস্টে ৬৮৩ রান ও ১৬ উইকেট, ৪৯ ওয়ানডেতে ১১০৯ রান ও ৬০ এবং ৩১ টি-টোয়েন্টিতে তার ঝুলিতে রয়েছে ৪৮৫ রান ও ১৪টি উইকেট। এখন নিউজিল্যান্ড দল থেকে অবসর নিয়ে আগামী তিন বছর যুক্তরাষ্ট্রেই ক্রিকেট খেলবেন ২৯ বছর বয়সী এ অলরাউন্ডার। এ সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে আমেরিকায় জন্ম ও বড় হওয়া বাগদত্তা ম্যারি মারগারেটও বড় ভূমিকা রেখেছেন বলে জানিয়েছেন অ্যান্ডারসন। ক্রিকেটের পাশাপাশি দুজনের ব্যক্তিজীবনের কথা চিন্তা করেও এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অ্যান্ডারসন। মেজর ক্রিকেট লিগে নাম লেখানো সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক তারকা এখনও পর্যন্ত অ্যান্ডারসনই। এছাড়া পাকিস্তানের সামি আসলাম ও দক্ষিণ আফ্রিকার ড্যান পিয়েটরাও চুক্তি করেছেন এই টুর্নামেন্ট। যুক্তরাষ্ট্রে তিন বছর ঘরোয়া লিগ খেলে জাতীয়তা পাওয়ার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় দলে খেলাই মূলত লক্ষ্য এসব ক্রিকেটারদের।
বিশেষ রাতে আর্সেনালের দাপুটে জয়
০৪ডিসেম্বর,শুক্রবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাতটা বিশেষই বটে আর্সেনালের জন্য। কারণ ২৭১ দিন পর এমিরেটস স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে এসেছিল দর্শক। সংখ্যাটা খুব বেশি নয়। মাত্র ২ হাজার। তাতেই রাতটাকে খুব বিশেষ রাত হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন গানারদের কোচ মাইকেল আর্তেতা। এমন এক রাতে শিষ্যরাও নিরাশ করেনি তাকে। ইউরোপা লিগের বি গ্রুপে Rapid ভিয়েনাকে ৪-১ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে আর্সেনাল। গ্রুপের শীর্ষ দল হিসেবে শেষ-৩২ নিশ্চিত করা গানারদের সংগ্রহ ৫ ম্যাচে ১৫ পয়েন্ট। গানাররা শেষবার ঘরের মাঠে সমর্থকদের সামনে মাঠে নেমেছিল গত ৭ মার্চ ওয়েস্ট হাম ইউনাইটেডের বিপক্ষে।
শুক্রবার শুরু হচ্ছে মুজিব শতবর্ষ জাতীয় টেনিস
০২নভেম্বর,বুধবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শতাধিক খেলোয়াড় নিয়ে শুক্রবার শুরু হচ্ছে মুজিব শতবর্ষ জাতীয় টেনিস টুর্নামেন্ট-২০২০। সিনিয়র পুরুষ ও নারী একক, অনূর্ধ্ব-১২, ১৪, ১৬ ও ১৮ এই ছয়টি ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত হবে আন্তর্জাতিক টেনিস ফেডারেশনের (আইটিএফ) অনুমোদিত এই প্রতিযোগিতা। শুক্রবার রাজশাহীর অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম টেনিস কমপ্লেক্সে বয়স ভিত্তিক খেলাগুলোর উদ্বোধন করবেন সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এএইচএম খাইরুজ্জামান লিটন। ৯ ডিসেম্বর থেকে ঢাকা ক্লাবে শুরু হবে সিনিয়রদের খেলা। ১২ ডিসেম্বর জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অডিটরিয়ামে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল এমপি। আসন্ন টুর্নামেন্ট উপলক্ষ্যে বুধবার রমনাস্থ জাতীয় টেনিস কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ক্রীড়া পরিষদের সচিব ও টেনিস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ করিম। এ সময় ফেডারেশনের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ দ্বীন ইসলাম ও পৃষ্ঠপোষক ওয়ালটনের এফএম ইকবাল বিন আনোয়ার উপস্থিত ছিলেন। সাধারণ সম্পাদক মাসুদ করিম বলেন, টেনিসে করোনা পরবর্তী প্রথম জাতীয় টুর্নামেন্ট এটি। খেলোয়াড়দের মাঠে ফিরিয়ে আনতে আমাদের নিরলস পরিশ্রম করতে হয়েছে। বিশেষ করে করোনাকালীন সময়ে অনেক উদীয়মান খেলোয়াড় নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছে। তাদেরকে ফের কোর্টমুখো করতেই আমাদের এই উদ্যোগ। তিনি যোগ করেন, খেলোয়াড়দের মানসিক বিকাশের লক্ষ্যে আমরা ইতিমধ্যে একটি জেলাভিত্তিক এবং একটি আন্তর্জাতিকভাবে মেক্সিকোর একটি ক্লাবের সঙ্গে দুটি ভার্চুয়াল টেনিস টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছি। যা টেনিসে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করেছে। রাজশাহী ও ঢাকা-এই দুই পর্বে জাতীয় টেনিস প্রতিযোগিতায় পৃষ্ঠপোষকতা করছে ওয়লটন, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, দি একমি ও ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড।
মালানের ব্যাটে দক্ষিণ আফ্রিকা হোয়াইটওয়াশ
০২নভেম্বর,বুধবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে ১৯১ রানের পুঁজি গড়েও শেষ রক্ষা হলো না দক্ষিণ আফ্রিকার। ডেভিড মালান আর জস বাটলার জুটির কারণে সফরকারী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশ হলো প্রোটিয়ারা। আর এই জয়ে অস্ট্রেলিয়াকে টপকে আইসিসি Ranking এর শীর্ষে উঠে আসলো ইংলিশরা। মঙ্গলবার কেপ টাউনে মালান ও বাটলার জুটির অনবদ্য ১৬৭ রানের সুবাদে তৃতীয় ম্যাচটি ইংল্যান্ড জিতেছে ৯ উইকেটে। Ranking সেরা ব্যাটসম্যান মালান ৯৯ রানে অপরাজিত ছিলেন। টানা দ্বিতীয় ম্যাচে সেরা খেলোয়াড় হলেন তিনি। ১৯২ রান তাড়া করতে নেমে দলীয় ২৫ রানে প্রথম উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। জেসন রয় ফিরে যান ব্যক্তিগত ১৬ রান করে। এরপর মালান ও বাটলার মিলে তাণ্ডব চালান প্রোটিয়া বোলারদের ওপর। দুজনে মিলে মেরেছেন ১৪ চার ও ১০ ছক্কা। তাতে ১৪ বল হাতে থাকতেই জয় নিশ্চিত হয়ে যায় ইংলিশদের। মালান ৪৭ বলে ১১ চার ও ৫ ছক্কায় ৯৯ রানে অপরাজিত থাকেন। বাটলার ৪৬ বলে অপরাজিত ৬৭ রান করেন। ৩ চারের সঙ্গে ৫টি ছক্কায় হাঁকান এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। টানা দুই ম্যাচ হারার পর শেষ ম্যাচটি জিতে সিরিজ শেষ করার স্বপ্ন দেখছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ব্যাটিংয়ে নেমে ফন ডার ডুসেন ও ফাফ ডু প্লেসির ১২৭ রানের জুটি তাদের আশা জাগায়। ৬৪ রানে ৩ উইকেট হারানো স্বাগতিকদের দারুণ সংগ্রহ এনে দেন তারা। ডুসেন ৩২ বলে ৫টি করে চার ও ছয়ে ৭৪ রানে অপরাজিত ছিলেন। ডু প্লেসির ৫২ রান এসেছে ৩৭ বলে, ৫ চার ও ৩ ছয়ে। ৩ উইকেটে স্বাগতিকরা করে ১৯১ রান। এর আগে সিরিজের প্রথম ম্যাচ ৫ উইকেটে ও দ্বিতীয় ম্যাচ ৪ উইকেটে জিতেছিল ইংল্যান্ড। শুক্রবার একই ভেন্যুতে শুরু হবে দুই দলের তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটে শাহরুখের বড় বিনিয়োগ
০১নভেম্বর,মঙ্গলবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খান ক্রিকেটের সঙ্গে জড়িয়েছেন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগের (আইপিএল) শুরু থেকে। এরপর বলিউড বাদশার ক্রিকেট সংশ্লিষ্টতা বেড়েছে কয়েকগুণ। দলের ম্যাচ থাকলে স্টেডিয়ামে হাজির হন নিয়মিত। ভারতের পর শাহরুখ ক্রিকেটে বিনিয়োগ করেছেন ক্যারিবীয় অঞ্চলে। ২০১৫ সালে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লীগের (সিপিএল) দল ত্রিনবাগোকে কিনে নেয় শাহরুখের কলকাতা নাইট রাইডার্স। নাম বদলে ত্রিনবাগোর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে নাইট রাইডার্স শব্দ যুগল। শাহরুখ এবার বড় বিনিয়োগ করলেন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটে। ২০২২ সালে প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত হবে মেজর লীগ ক্রিকেট। মার্কিন মুলুকে প্রথম পেশাদার টি-টোয়েন্টির আসরটির নামকরণ করা হয়েছে ফুটবলের মেজর লীগ সকারের আদলে। ২০২২ সালে সারা বিশ্বের ক্রিকেটারদের নিয়ে আয়োজিত হবে মেজর লীগ ক্রিকেট। কলকাতা নাইট রাইডার্স স্বত্ব কিনেছে লস অ্যাঞ্জেলস ভিত্তিক ফ্র্যাঞ্চাইজির। এই অঞ্চলের ভিন্ন দুই খেলার ফ্র্যাঞ্চাইজি এলএ গ্যালাক্সি (ফুটবল) ও এলএ লেকার্স (বাস্কেটবল) বেশ আলোচিত। মেজর লীগ ক্রিকেটে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সবকিছুই নিজে থেকে করেছেন শাহরুখ। এমনটাই জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া। চুক্তি স্বাক্ষর অুনষ্ঠানে শাহরুখ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নাইট রাইডার্সের অন্যতম মালিক বলিউড অভিনেত্রী জুহি চাওলা এবং তার স্বামী জয় মেহতা। এক বিবৃতিতে শাহরুখ খান বলেন, গত কয়েক বছরে আমরা নাইট রাইডার্স ব্র্যান্ডকে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে পেরেছি। সেটা আরো বড় পরিসরে ছড়িয়ে দেয়াই লক্ষ্য। সেই সঙ্গে আমরা নজরে রেখেছিলাম যুক্তরাষ্ট্রে টি-টোয়েন্টির চাহিদার বিষয়টি। আমাদের মনে হয়েছে মেজর লীগ ক্রিকেটে বিনিয়োগ আমাদের লক্ষ্য পূরণে সহায়ক হবে।
তামিমদের হারিয়ে চট্টগ্রামের হ্যাটট্রিক জয়
৩০নভেম্বর,সোমবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলমান বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে হ্যাটট্রিক জয়ের স্বাদ নিলো গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম। আজ সোমবার দুপুরে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের সপ্তম ও নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে তামিম ইকবালের ফরচুন বরিশালকে ১০ রানে হারিয়েছে চট্টগ্রাম। এ নিয়ে তিন ম্যাচের সব কটিতে জিতলো চট্টগ্রাম। অন্যদিকে তিন ম্যাচে ১ জয় ও ২ হার বরিশালের। এদিন প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫১ রান করে চট্টগ্রাম। জবাবে মুস্তাফিজ ও শরিফুলের বোলিং তোপে ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৪১ রানে থামে বরিশাল। মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এ ম্যাচে টস জিতে প্রথমে বোলিং করতে নামে তামিমের বরিশাল। শুরুটা ভালো না হলেও ওপেনার লিটন দাস ও মিডল-অর্ডারের দুই ব্যাটসম্যান শামসুর রহমান ও মোসাদ্দেক হোসেনের ছোট ছোট ইনিংসের কল্যাণে সম্মানজনক স্কোর পায় চট্টগ্রাম। ওপেনার সৌম্য সরকার ৫ রানে ও অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন ১৭ রান করে ফিরলেও আরেক ওপেনার লিটন দাসের ব্যাট থেকে আসে ৪টি চারে ২৫ বলে ৩৫ রান। আর মিডল-অর্ডারে শামসুর ২৬ ও মোসাদ্দেক ২৮ রান করেন। তবে শেষদিকে সৈকত আলির ১১ বলে ঝড়ো ২৭ রানে লড়াকু স্কোর পায় চট্টগ্রাম। সৈকতের ইনিংসে ১টি চার ও ৩টি ছক্কা ছিলো। ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫১ রান করে চট্টগ্রাম। বরিশালের পেসার আবু জায়েদ ৪২ রানে ২টি উইকেট নেন। ১৫২ রানের জয়ের টার্গেটে ভালো শুরুর চেষ্টা করেছিলেন বরিশালের দুই ওপেনার মেহেদি হাসান মিরাজ ও অধিনায়ক তামিম ইকবাল। ১টি করে চার ও ছক্কায় মিরাজ ১৩ রানে থামলেও, আগের ম্যাচের মতো নিজের ইনিংসকে টেনে নিয়েই যাচ্ছিলেন তামিম। তবে ১টি চার ও ২টি ছক্কায় ৩২ বলে ৩২ রান করা তামিমকে থামান মোসাদ্দেক হোসাইন। আগের ম্যাচে অবশ্য ৭৭ রানে অপরাজিত ছিলেন তামিম। দলও জয় পায় তার। দলীয় ৬৭ রানে তামিমের বিদায়ের পর মিডল-অর্ডারে দলের হাল ধরতে পারেননি বরিশালের অন্য ব্যাটসম্যানরা। পারভেজ হোসেন ইমন ১১, আফিফ হোসেন ২৪, তৌহিদ হৃদয় ১৭ ও ইরফান শুক্কুর ২ রান করে আউট হন। শেষদিকে সুমন খানের ৮ বলে অপরাজিত ১২ রানেও হার এড়াতে পারেনি বরিশাল। শেষ ওভারে ১৯ রানের প্রয়োজনে ১টি ছক্কায় ৮ রান নিতে পারেন সুমন। ফলে ২০ ওভারে বরিশাল করে ৮ উইকেটে ১৪১ রানেই থেমে যায় তামিমদের ইনিংস। চট্টগ্রামের শরিফুল ২৭ রানে ও মুস্তাফিজুর ২৩ রানে ৩টি করে উইকেট নেন। তবে ম্যাচ সেরা হয়েছেন তরুণ শরিফুলই।