নেপালকে রুখে দিয়ে সিরিজ বাংলাদেশের
১৭নভেম্বর,মঙ্গলবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রথম ম্যাচে জীবন ও সুফিলের গোলে জিতেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। মুজিববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে নেপালের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছে স্বাগতিকরা। আর এতেই ১-০তে সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে নেপালের বিপক্ষে ২-০ গোলে জিতেছিল বাংলাদেশ। প্রথমার্ধে এগিয়ে ছিল ১-০ গোলে। তবে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে প্রথমার্ধে স্বাগতিকদের রুখে দিয়েছিল নেপাল। দ্বিতীয়ার্ধেও সুবিধা করতে না পারায় ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্বাগতিকরা। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে হাজারও দর্শকের উপস্থিতিতে শুরু থেকে দুই দল রক্ষণ জমাট রেখে আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করেছে। বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ জেমি ডে করোনায় আক্রান্ত। তার জায়গায় সহকারী স্টুয়ার্ট ওয়াটকিস ডাগ আউটে। তার অধীনে একাদশে দুটি পরিবর্তন এনে নেমেছে বাংলাদেশ। ৪-২-৩-১ ফর্মেশনে গোলকিপার আশরাফুল ইসলাম রানা ও ইয়াসিন খান শুরু থেকে খেলছেন। ২ মিনিটের সময় প্রথম সুযোগ পায় বাংলাদেশ। সাদ উদ্দিনের ক্রসটি জমে যায় গোলকিপার কিরণ কুমারের তালুতে। পরের মিনিটে অবশ্য নেপালের তেজ তামাংয়ের দূরপাল্লার শট গোলকিপার রানার তালুবন্দী করতে তেমন কোনও সমস্যাই হয়নি। জামালরা লম্বা পাসে খেলার চেষ্টা করেছেন। তবে মাঝমাঠ আগের ম্যাচের মতো কিছুটা নিষ্প্রভ। নাবীব নেওয়াজ জীবন প্লে-মেকারের ভূমিকায় ঘাম ঝরিয়েছেন। একাধিক আক্রমণের উৎসে এই ফরোয়ার্ড। তরুণ স্ট্রাইকার সুমন রেজা দুটি সুযোগ পেয়েও লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি। ২৩ মিনিটে জীবনের পাস থেকে সুমন রেজা বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শট নিলেও তা ক্রসবারের একটু ওপর দিয়ে যায়। ৩১ মিনিটে জীবনের ক্রস থেকে সুমন রেজার আরও একটি দুর্বল শট গোলকিপার কিরণ সহজেই রুখে দিয়ে স্বাগতিকদের হতাশ করেন। দ্বিতীয়ার্ধে সুমন রেজার জায়গায় নামেন মাহবুবুর রহমান সুফিল। খেলায় কিছুটা গতি ফিরলেও গোল আসেনি। নেপাল এই অর্ধে আক্রমণ বাড়িয়ে খেলেছে। ৫৬ মিনিটে সতীর্থের ক্রস থেকে নেপালের সুজল শ্রেষ্ঠা পা ছোঁয়াতে পারেননি। তার আগেই ডিফেন্ডার তপু ক্লিয়ার করেন। ৫৯ মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে সুফিলের পাসে মানিক মোল্লা লক্ষ্যে শট নিতে ব্যর্থ হন। দুই মিনিট পর মানিক ও ইব্রাহিমের জায়গায় নামেন বিপলু ও সোহেল রানা। কিন্তু তাতেও গোল আসেনি। বরং যোগ করা সময়ে নেপাল গোল পেলেও পেতে পারতো। বাধা হয়ে দাঁড়ায় বারপোস্ট। নবযুগ শ্রেষ্ঠা মাথা ছোঁয়ানোর পর গোলকিপার রানাকে ফাঁকি দিয়ে দূরের পোস্টে লাগলে রক্ষা বাংলাদেশের। খানিক পর রেফারি মিজানুর রহমানের শেষ বাঁশি বাজলে আতশবাজিতে রঙিন হয়ে উঠে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামের আকাশ। বাংলাদেশ একাদশ: আশরাফুল ইসলাম রানা, তপু বর্মণ, বিশ্বনাথ ঘোষ, রহমত মিয়া, ইয়াসিন খান, জামাল ভূঁইয়া, মানিক মোল্লা (বিপলু আহমেদ), ইব্রাহিম (সোহেল রানা), সাদ উদ্দিন, নাবীব নেওয়াজ জীবন ও সুমন রেজা (মাহবুবুর রহমান সুফিল)।
আইসিসি চেয়ারম্যান নির্বাচনে তিন দফা ভোট
১৭নভেম্বর,মঙ্গলবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসির পরবর্তী চেয়ারম্যান নির্বাচনে হতে পারে তিন দফা ভোট। সোমবার শুরু হয়েছে আইসিসির চূড়ান্ত ত্রৈমাসিক সভা। সেখানেই ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন করা হবে আইসিসির পরবর্তী চেয়ারম্যান। যেখানে সম্ভাবনা রয়েছে সর্বোচ্চ তিনবার ভোট হওয়ার। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন চেয়ারম্যান ইমরান খাজা ও নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান গ্রেগ বারক্লের মধ্যে হবে ভোট। চেয়ারম্যান নির্বাচনে গ্রহণ করা হবে মোট ১৬টি ভোট। আইসিসির পূর্ণাঙ্গ ১২ দেশের ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান, সহযোগী সদস্য দেশগুলোর তিন প্রতিনিধি এবং স্বতন্ত্র নারী পরিচালক ইন্দ্রা নুয়ি দেবেন এই ১৬ ভোট। যেহেতু বর্তমানে চেয়ারম্যান পদে দায়িত্বপ্রাপ্ত রয়েছেন ইমরান খাজা, তাই তিনি ভোট দিতে পারবেন না। তবে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান হিসেবে বারক্লের থাকবে ভোটাধিকার। এই নির্বাচনে স্রেফ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেই হবে না। জয়ী প্রার্থীকে পেতে হবে দুই-তৃতীয়াংশ তথা ন্যুনতম ১১টি ভোট। যদি দুই প্রার্থীর কেউই ১১ ভোট না পান, তাহলে আগামী সপ্তাহের শুরুর দিকে দ্বিতীয় দফায় হবে ভোটিং। সেখানেও যদি বিজয়ী না পাওয়া যায় তাহলে শেষবারের মতো আরেকবার ভোট দেবেন সবাই। এরপরেও যদি কেউ দুই-তৃতীয়াংশ না পান তাহলে একটা নির্ধারিত সময়ের জন্য ইমরান খাজাই বসবেন আইসিসি প্রধানের চেয়ারে। আইসিসি চেয়ারম্যান নির্বাচনের এ ভোটিং হবে ইলেক্ট্ররাল ভোটিং সিস্টেমে। চেয়ারম্যান হওয়ার জন্য অনেকে আগ্রহ প্রকাশ করলেও শেষপর্যন্ত এটি নেমে এসেছে ইমরান খাজা ও গ্রেগ বারক্লের মধ্যে। আগামী ২ ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন চেয়ারম্যানের নাম প্রকাশ করতে হবে আইসিসিকে।
ক্ষমা চাইলেন সাকিব আল হাসান
১৬নভেম্বর,সোমবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানকে নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরে আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। এর নেপথ্যে কলকাতায় কালীপূজা উদ্বোধন করার ঘটনা। অবশেষে বিষয়টি খোলাসা করে সবার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। নিজের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে সোমবার একটি ভিডিও পোস্ট করেন সাকিব। সেখানে তিনি বলেন, আসলে বিষয়টি খুব সেনসিটিভ। প্রথমেই যা বলবো আমি নিজেকে একজন গর্বিত মুসলমান মনে করি। ভুলত্রুটি হবেই। ভুলত্রুটি নিয়েই আমরা চলাচল করি। আমার কোনো ভুল হয়ে থাকলে অবশ্যই ক্ষমা করবেন। আপনাদের মনে কষ্ট দিয়ে থাকলে অবশ্যই আমি ক্ষমা প্রার্থনা করছি। এরপর তিনি বলেন, এখন আসি পূজার বিষয়টি নিয়ে। মিডিয়াসহ সব জায়গায় এসেছে আমি পূজা উদ্বোধন করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু তা করতে আমি যাইনি, কখনো করিওনি। ওখানকার ইনভাইটেশন কার্ড দেখলেই আপনারা বুঝবেন কে পূজা উদ্বোধন করেছেন। আর সেটা হয়েছে আমি যাওয়ার আগেই। টাইগার অলরাউন্ডার যোগ করেন, যেখানে আমার মূল প্রোগ্রাম হয়েছে সেটা অবশ্যই পূজা মন্ডপ ছিলো না। পাশে আরেকটি স্টেজ ছিল সেখানে পুরো অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠান শেষে পূজা মন্ডপ ক্রস করার সময় পরেশ দা, যিনি আমাকে ইনভাইট করেছিলেন তার অনুরোধে প্রদীপ প্রজ্বলন করি। যেহেতু কলকাতায় আমি অনেকদিন খেলেছি, ওখানকার মানুষরা আমায় অনেক পছন্দ করে, সবার উৎসাহের কারণে সেখানে দাঁড়িয়ে ছবি তোলা হয়। সাকিব আরো বলেন, আমার যেখানে প্রোগ্রাম ছিল সেখানে পূজার কোনো অনুষ্ঠানই হয়নি। যেটা হয়েছে, দুই মিনিটের যে সময়ে আমি পূজা মন্ডপে ছিলাম সেটাতেই সবাই ধরে নিয়েছে আমি পূজার উদ্বোধন করেছি। কিন্তু এটা আমি কখনোই করিনি। এছাড়া একজন সচেতন মুসলমান হিসেবে আমি করবো না। ওখানে আমার যাওয়াটাই আসলে ঠিক হয়নি। আশা করি সবাই বিষয়টি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আগামীতে এমন কোনো ঘটনার যেন পুনরাবৃত্তি হয় সেদিকেও খেয়াল রাখবো। এরপর আসলে কে পূজা মন্ডপের উদ্বোধন করেছিলেন সেটি জানিয়ে সাকিব বলেন, পূজার উদ্বোধক ছিলেন ফিরহাদ হাকীম। তিনি কলকাতা পৌরসভার প্রশাসনিক প্রধান ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের একজন মন্ত্রী। আমি আসার আগেই তিনি পূজার উদ্বোধন করেছেন। আমি আমার ধর্মকে ছোট করে অন্য ধর্মকে বড় করবো এমন কোনো ইচ্ছে আমার নেই। ইসলাম একটি শান্তির ধর্ম। আমার জ্ঞান যদিও কম, আমি চেষ্টা করছি, ভবিষ্যতেও চেষ্টা করবো ইসলাম সম্পর্কে যতটা জ্ঞান নেয়া যায়। দোয়া করবেন আমি যেন নিয়ম মেনে চলতে পারি। এর আগে গত বৃহস্পতিবার বেনাপোল স্থলবন্দর হয়ে ভারতে যান সাকিব। সেখানে কাজ শেষে শুক্রবার দুপুরে দেশে ফেরেন টাইগার অলরাউন্ডার।
পিএসএল ফাইনালে তামিমের লাহোর
১৬নভেম্বর,সোমবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পাকিস্তান সুপার লিগের ফাইনালে উঠে গেছে তামিম ইকবালের দল লাহোর কালান্দার্স। দ্বিতীয় এলিমিনেটর ম্যাচে মুলতান সুলতানসকে ২৫ রানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো টুর্নামেন্টের ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে লাহোর। মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) রাতে শিরোপার লড়াইয়ে করাচি কিংসের মুখোমুখি হবে লাহোর। দুইটি দলই প্রথমবারের মতো উঠেছে ফাইনালে। এছাড়া পাকিস্তানের ঘরোয়া খেলাধুলায় লাহোর ও করাচির প্রতিদ্বন্দ্বিতাও বেশ পুরনো। তাই এক জমজমাট ফাইনালের আশায় ভক্ত-সমর্থকরা। রোববার রাতে দ্বিতীয় এলিমিনেটর ম্যাচে আগে ব্যাট করে তামিম ইকবাল ও ডেভিড উইসের ঝড়ে ১৮২ রানের বড় সংগ্রহ পায় লাহোর। জবাবে নিজের ইনিংসের পাঁচ বল বাকি থাকতেই ১৫৭ রানে অলআউট হয়ে গেছে মুলতান। ব্যাটে ঝড় তোলার পর বল হাতেও ৩ উইকেট নিয়েছেন উইস। পেশোয়ার জালমির বিপক্ষে প্রথম এলিমিনেটর ম্যাচে দারুণ শুরুর পর ১০ বলে ১৮ রান করে আউট হয়ে যান তামিম। সংক্ষিপ্ত এ ইনিংসে ২ চারের সঙ্গে ১টি ছক্কাও হাঁকান তিনি। ইনিংস বড় করতে না পারার আক্ষেপে পুড়েছেন দ্বিতীয় এলিমিনেটর ম্যাচেও। মুলতানের বিপক্ষে তামিমের ব্যাটিং ছিল আরও দায়িত্বশীল, বোঝা যাচ্ছিল বড় কিছু করার প্রত্যয় নিয়েই নেমেছেন তিনি। কিন্তু ৪.৫ ওভারের বেশি খেলতে পারেননি। জুনায়েদ খানের বলে টপ এজে আউট হওয়ার আগে ৫ চারের মারে ২০ বলে ৩০ রান করেছেন তামিম। অর্থাৎ দুই ম্যাচে তামিমের ব্যাট থেকে এসেছে ৩০ বলে ৪৮ রান, ছিল ৭ চার ও ১টি ছয়ের মার। ক্রমাগত নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার মিশনে মঙ্গলবারের ফাইনালে নিশ্চয়ই ইনিংস বড় করার মিশন নিয়ে নামবেন দেশসেরা এ ওপেনার। তামিমের ব্যাটে ঝড়ো সূচনা পেলেও লাহোরের জয়ের মূল কারিগর ডেভিড উইস। তামিমের ৩০ ছাড়াও স্বীকৃত ব্যাটসম্যানদের মধ্যে আরেক ওপেনার ফাখর জামান করেন ৩৬ বলে ৪৬ রান। বাকিরা ব্যর্থ হলে ১৫ ওভার শেষে দলের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ১১৫ রান। সেখান থেকে শেষের ৫ ওভারে আরও ৬৭ রান পায় লাহোর। যার পুরো অবদান উইসের। ইনিংসের শেষ দুই বলে জোড়া ছক্কাসহ মাত্র ২১ বলে ৫ চার ও ৩ ছয়ের মারে ৪৮ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলেন উইস। তার ব্যাটিংয়ের সুবাদে ১৮২ রানের সংগ্রহ পায় লাহোর। ১৮৩ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত করেছিলেন মুলতানের দুই ওপেনার জিসান আশরাফ ও অ্যাডাম লাইথ। মাত্র ২৬ বলে দুজনে যোগ করেন ৪৭ রান। জিসান ফিরে গেলেও ঝড়ো ব্যাটিং চালিয়ে যান লাইথ, মাত্র ২৮ বলে পূরণ করেন ব্যক্তিগত ফিফটি। কিন্তু পঞ্চাশ পূরণের আর এক রানও করতে পারেননি লাইথ। তিনি ৪ চার ও ৩ ছয়ের মারে ৫০ রান করে ফেরার পর ভেঙে পড়ে মুলতানের ইনিংস। চেষ্টা করেছিলেন খুশদিল শাহ। তবে তার ১৯ বলে ৩০ রানের ইনিংস স্রেফ পরাজয়ের ব্যবধানই কমিয়েছে। শেষপর্যন্ত ১৫৭ রানে থামে মুলতানের ইনিংস। লাহোরের পক্ষে বল হাতে ৩টি করে উইকেট নিয়েছেন হারিস রউফ ও ডেভিড উইস। এছাড়া দিলবার হোসেন ও শাহিন আফ্রিদির শিকার ২টি করে উইকেট। স্বাভাবিকভাবেই ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন ডেভিড উইস।
বদলে যাচ্ছে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের নিয়ম
১৫নভেম্বর,রবিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্ব মহামারীর কারণে বদলে গেছে ২০২০ সালের অনেক কিছু। বাদ যায়নি ক্রীড়াঙ্গন তথা ক্রিকেটও। গত মার্চের পর থেকে এখনও পর্যন্ত অসংখ্য সিরিজ, টুর্নামেন্ট স্থগিত কিংবা বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে আয়োজকরা। যার অন্তভুক্ত রয়েছে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম আসরও। যে কারণে এখন সময় হারিয়ে নিয়ম বদলাতে বাধ্য হচ্ছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা। প্রাথমিকভাবে বলা হয়েছিল, টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে সব দলের ছয় সিরিজ শেষে পয়েন্টের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে দুই ফাইনালিস্ট দল। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে সময়ের মধ্যে সব দলের ছয় সিরিজ আয়োজন করা প্রায় অসম্ভব বলা চলে। তাই এখন পয়েন্টের বদলে পয়েন্টের হার শতাংশ হিসেব করে বাছাই করা ফাইনালিস্ট দুই দল। অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অংশগ্রহণকারী দলগুলো যে কয়টি সিরিজ খেলতে পারবে, সেসব সিরিজে পাওয়া পয়েন্টের শতাংশের হিসেবে ঠিক করা হবে দুই ফাইনালিস্ট দল। তবে এ নিয়মটি এখনও প্রস্তাবনা পর্যায়ে রয়েছে। আইসিসির ক্রিকেট কমিটি সম্ভাব্য সেরা সমাধান হিসেবে এ পদ্ধতিকে বেছে নিয়েছে। চলতি সপ্তাহেই আইসিসির চিফ এক্সিকিউটি কমিটির সভায় এ নিয়মের ব্যাপারে আলোচনা-পর্যালোচনার পর নেয়া হবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। সোমবার শুরু হবে এই সভা। এছাড়া করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় আরও একটি প্রস্তাব রাখা হয়েছিল। যেসব সিরিজ স্থগিত করা হয়েছে, সেগুলোর পয়েন্ট দুই দলকে সমান ভাগ করে দেয়ার আলোচনাও করেছিল ক্রিকেট কমিটি। কিন্তু এটি ধোপে টেকেনি। তাই এখন সম্ভাব্য সেরা সিদ্ধান্ত হিসেবেই মূলত পয়েন্টের শতকরা হিসেবের দিকে জোর দেয়া হয়েছে। এই নিয়মের ফলে এখন যারা পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে রয়েছে, তাদের কোনো সমস্যা হবে না। আবার যারা করোনার কারণে অনেক ম্যাচ খেলতে পারেনি তারাও সামনের সিরিজগুলো খেলে পয়েন্টের হার বাড়িয়ে নিতে পারবে। মূলত এ কারণেই নতুন এই প্রস্তাবনাটি পাস হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। আগামী জুনে হতে যাওয়া টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের দৌড়ে এখনও পর্যন্ত পয়েন্টের হিসেবে এগিয়ে রয়েছে ভারত ও অস্ট্রেলিয়া। ভারতের রয়েছে ৩৬০ ও অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ ২৯৬ পয়েন্ট। এছাড়া ইংল্যান্ডের রয়েছে ২৯২ পয়েন্ট। তবে নতুন নিয়ম বাস্তবায়িত হলে সম্ভাবনা বেড়ে যাবে নিউজিল্যান্ডের। পাকিস্তান ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে আসন্ন দুই সিরিজ থেকে তারা যদি পূর্ণ ২৪০ পয়েন্ট সংগ্রহ করতে পারে, তাহলে তাদের মোট পয়েন্ট হবে ৪২০ এবং পয়েন্টের হার দাঁড়াবে ৭০ শতাংশ। যা তাদেরকে ইংল্যান্ডের চেয়ে এগিয়ে দেবে, তবে ভারতের চেয়ে খানিক পিছিয়েই রাখবে। তখন আবার বিবেচনায় আসবে ভারত-অস্ট্রেলিয়ার আসন্ন বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফি। সেখানে যত বেশি পয়েন্ট খোয়াবে ভারত, ততই লাভ হবে নিউজিল্যান্ডের। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার পয়েন্টের হার ৮২.২২ শতাংস এবং ভারতের ৭৫ শতাংশ। ফলে আসন্ন সিরিজটি দুই দলের জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
ভেনেজুয়েলাকে হারিয়ে শীর্ষে ব্রাজিল
১৪নভেম্বর,শনিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চোট আর করোনাভাইরাসের থাবায় নিয়মিত একাদশের কয়েক জনকে হারানো ব্রাজিলের পারফরম্যান্স আশানুরূপ হলো না। প্রতিপক্ষের ছন্দহীনতার সুযোগ নিতে পারেনি ভেনেজুয়েলাও। ফলে, কষ্টে হলেও বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে প্রত্যাশিত জয় তুলে নিয়েছে তিতের দল। সাও পাওলোর মোরুম্বি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় শনিবার সকালে ১-০ গোলে জিতেছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। একমাত্র গোলটি করেন রবের্তো ফিরমিনো। পায়ের মাংসপেশির চোটে ছিটকে পড়া নেইমারের অনুপস্থিতিতে বেশ ভুগতে দেখা গেল ব্রাজিলের আক্রমণভাগকে। আর চোটে পড়া ফিলিপে কৌতিনিয়ো ও ফাবিনিয়ো এবং করোনাভাইরাসের আক্রান্ত কাসেমিরোকে ছাড়া মাঝমাঠ থেকে গড়ে ওঠেনি খুব বেশি আক্রমণ। ফলাফল-আগের ২৫ বারের মুখোমুখি লড়াইয়ে ২১ বারই জেতা ব্রাজিলকে এবার বেশ লড়াই করতে হলো। তবে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে অজেয় ধারা ঠিকই ধরে রেখেছে তারা। এই নিয়ে বাছাইয়ের ১৭ ম্যাচে ষোড়শ জয় পেল ব্রাজিল, অন্যটি ড্র। প্রথম দুই ম্যাচে হারা ভেনেজুয়েলাকে শুরু থেকেই চেপে ধরে ব্রাজিল। অষ্টম মিনিটে প্রথম উল্লেখযোগ্য আক্রমণেই বল জালে পাঠান গাব্রিয়েল জেসুস। তবে অফসাইডের জন্য গোল মেলেনি। একের পর এক আক্রমণ করে গেলেও গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারছিল না ব্রাজিল। জমাট রক্ষণ ভাঙা যাচ্ছিল না দেখে ২৯তম মিনিটে অনেক দূর থেকে নিচু শটে চেষ্টা করেন ফিরমিনো। ঝাঁপিয়ে কর্নারের বিনিময়ে ঠেকান ভেনেজুয়েলা গোলরক্ষক ফারিনেস। চার মিনিট পর রিশার্লিসনের অবিশ্বাস্য মিসে এগিয়ে যেতে পারেনি ব্রাজিল। জেসুসের পাস পেয়ে ছয় গজ দূর থেকে শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি এভারটন ফরোয়ার্ড। বেঁচে যায় সফরকারীরা। ৩৯তম মিনিটে স্বাগতিকদের রক্ষণে প্রথম ভীতি ছড়ায় ভেনেজুয়েলা। গোলমুখ থেকে কর্নারের বিনিময়ে বল ক্লিয়ার কোনো বিপদ হতে দেননি ডিফেন্ডার মার্কিনিয়োস। দুই মিনিট পর কাছ থেকে দগলাস লুইসের হেড দারুণ ক্ষিপ্রতায় রুখে দেন ফারিনেস। আলগা বল জটলার মধ্যে থেকে রিশার্লিসন জালে বল পাঠালেও ফাউলের বাঁশি বাজান রেফারি। ৬৭তম মিনিটে অপেক্ষা শেষ হয় ব্রাজিলের। ডান দিক থেকে এভেরতনের বাড়ানো ক্রস ডিফেন্ডার ওসোরিও ঠেকাতে গিয়ে উল্টো তুলে দেন ফিরমিনোর পায়ে। ডান পায়ের শটে বাকি কাজ কাজ সারেন লিভারপুল ফরোয়ার্ড। শেষ দিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করার ভালো সুযোগ পেয়েছিলেন ফিরমিনো। কিন্তু তার শট প্রতিপক্ষের পায়ে লেগে দিক পাল্টে বাইরে চলে যায়। তিন ম্যাচে শতভাগ সাফল্যে ৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে ব্রাজিল। ২ পয়েন্ট কম নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আর্জেন্টিনা। ৬ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে একুয়েডর। কলম্বিয়ার মাঠে ৩-০ গোলে জেতা উরুগুয়ে সমান ৬ পয়েন্ট নিয়ে আছে চার নম্বরে। ৫ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম স্থানে আছে প্যারাগুয়ে। আরেক ম্যাচে পেরুকে ২-০ গোলে হারানো চিলি ৪ পয়েন্ট নিয়ে আছে ছয় নম্বরে। বাছাইপর্বে পরের রাউন্ডে বাংলাদেশ সময় আগামী বুধবার ভোরে উরুগুয়ের মাঠে খেলবে ব্রাজিল। আর বাংলাদেশ সময় আগের দিন রাতে ঘরের মাঠে চিলির বিপক্ষে খেলবে ভেনেজুয়েলা।
ঘরের মাঠে প্যারাগুয়ের সঙ্গে ১-১ গোলে আর্জেন্টিনার ড্র
১৩নভেম্বর,শুক্রবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: লাতিন আমেরিকার বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের ম্যাচে শুক্রবার (১৩ নভেম্বর) ভোরে ঘরের মাঠে প্যারাগুয়ের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছে আর্জেন্টিনা। এর আগের ম্যাচে বলিভিয়ার মাঠে ইতিহাস গড়া জয় পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। সেই জয়ের ধারাবাহিকতা প্যারাগুয়ের সঙ্গে রাখতে পারল না দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। শুরু থেকে ভালো খেললেও উল্টো প্রথমে গোল হজম করে আর্জেন্টিনা। ২১ মিনিটে পেনাল্টি পায় প্যারাগুয়ে। মিগুয়েল অ্যালমিরনকে নিজেদের বক্সের মধ্যে ফাউল করেন আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার মার্টিনেজ। স্পট কিক থেকে প্যারাগুয়েকে এগিয়ে দেন অ্যানজেল রোমেরো। গোল হজমের পর তেতে উঠে আর্জেন্টিনা। আক্রমণের পর আক্রমণ করতে থাকে দলটি। ৪১ মিনিটে মেলে এর সুফল। আসে সমতাসূচক গোল। লো সেলসোর কর্ণারে দারুণ দক্ষতায় হেড করে গোল করেন নিকোলাস গঞ্জালেজ (১-১)। প্রথমার্ধেই লিড নিতে পারত আর্জেন্টিনা। হয়নি। রদ্রিগোর বুলেট গতির শট প্রতিহত করেন প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক সিলভা। দ্বিতীয়ার্ধে গোলের দেখা পেয়েছিলেন লিওনেল মেসি। কিন্তু ভিএআর এ চেক করার পর তা বাতিল হয়ে যায়। লো সেলেসোর কাটব্যাক ধরে এগিয়ে চলেন মেসি, প্যারাগুয়ের গোলরক্ষককে পাশ কাটিয়ে করেন গোল। কিন্তু ভিএআরে দেখা যায় মেসি অনেকটাই হাত দিয়ে ফাউল করেন প্যারাগুয়ে গোলরক্ষককে। হতাশ আর্জেন্টিনা শিবির। ৭২ মিনিটে মেসির ফ্রি কিক প্রতিহত করেন প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক। ভাগ্য বিড়ম্বনায় হয়নি গোল। শেষের দিকেও কয়েকটি গোলের সুযোগ তৈরি করলেও হাসি মুখে মাঠ ছাড়তে পারেনি আর্জেন্টিনা। তবে প্রতিপক্ষের মাঠে ড্র করতে পেরে উৎসবের আমেজ ছিল প্যারাগুয়ে শিবিরে। ৫ পয়েন্ট নিয়ে তিন ম্যাচে তালিকায় চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে প্যারাগুয়ে।
নেইমারকে ছাড়াও জিততে পারে ব্রাজিল
১২নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচে শনিবার বাংলাদেশ সময় ভোরে ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে খেলতে নামবে ব্রাজিল ফুটবল দল। তবে এই ম্যাচটিতে খেলতে পারবেন না দলের অন্যতম বড় তারকা নেইমার জুনিয়র। কুচকির ইনজুরির কারণে তাকে ছাড়াই খেলতে হবে ব্রাজিলকে। এই ইনজুরির কারণে প্যারিস সেইন্ট জার্মেইর হয়ে তিনটি ম্যাচ খেলতে পারেননি নেইমার। তার না থাকাটা ব্রাজিল দলের জন্যও অনেক বড় এক ধাক্কা। তবে এটিকে বড় করে দেখে নিজেদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করতে রাজি নন ব্রাজিলের তরুণ ফরোয়ার্ড গ্যাব্রিয়েল হেসুস। ম্যানচেস্টার সিটির এই ফরোয়ার্ডের মতে, নেইমার না থাকলেও ব্রাজিল দলে ম্যাচ জেতানোর মতো যথেষ্ঠ শক্তি রয়েছে। যেমনটা দেখা গেছে, গত বছরের কোপা আমেরিকায়। তাই নেইমার না থাকাকে কোনো অজুহাত হিসেবে দেখাতে রাজি নন হেসুস। ভেনেজুয়েলার বিপক্ষে ম্যাচের আগে হেসুস বলেছেন, ক্লাব এবং আমাদের জাতীয় দলের হয়ে নেইমারের গুরুত্ব সম্পর্কে আমরা সবাই কথা বলি যে, সে দলকে যা দিয়েছে এবং প্রতিনিয়ত দিয়ে যাচ্ছে। আমি তার বড় ভক্ত। তিনি আরও যোগ করেন, কিন্তু যখন জাতীয় দলের প্রসঙ্গ আসে, তখন সবাইকে সমান দায়িত্ব ভাগ করে নিতে হয়। সবকিছু তার (নেইমার) ওপর ছেড়ে দেয়ার সুযোগ নেই। সবাই এখানে কোনো না কোনো কারণেই সুযোগ পেয়েছে। এসময় হেসুস জানান, নেইমারকে ছাড়াও জিততে পারে ব্রাজিল। যেমনটা আগেও দেখা গেছে, নেইমার দলে থাকলে আমাদের জয়েরস সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তবে সেলেসাওরা এটিও দেখিয়েছে যে, আমরা নেইমারকে ছাড়াও খেলতে পারি। আমরা সবসময় চাই নেইমার মাঠে থাকুক। যেহেতু সে সবসময়ই অবদান রাখে। কিন্তু এবার সে খেলতে পারবে না। এখন আমরা যেহেতু তার গুরুত্ব জানি, তাই দায়িত্বটা সবার ভাগ করে নিতে হবে। দলে যাদেরই নেয়া হয়েছে, তাদের সবারই ব্রাজিলকে জেতানোর যোগ্যতা রয়েছে। এমনকি তরুণ খেলোয়াড় হলেও, এখানে আমার অনেক ভাল স্মৃতি রয়েছে। এই জার্সি গায়ে জড়ানো সবসময়ের স্বপ্ন ছিল আমার।
আইপিএল ২০২০: কোন ক্যাটাগরিতে কে সেরা?
১১নভেম্বর,বুধবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ১৩তম আসরের পর্দা নেমেছে মঙ্গলবার। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে ফাইনালে দিল্লি ক্যাপিটালসকে ৫ উইকেটে হারিয়ে পঞ্চমবারের মত শিরোপা জিতেছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। প্রথমবারের মত শিরোপা জেতা হয়নি দিল্লির। রানার আপ হয়েই সন্তষ্ট থাকতে হয় শ্রেয়াস আইয়ারদের। জমজমাট এই আসরে চ্যাম্পিয়ন ও রানার আপ পুরস্কার ছাড়াও আকর্ষনীয় অনেক ব্যক্তিগত পুরস্কারও ছিল। এক নজর দেখে নেওয়া যাক কোন ক্যাটাগরিতে কে সেরা হয়েছেন- ম্যান অব দ্য ফাইনাল: ম্যাচে অসাধারণ বোলিং করে ম্যাচ সেরা হয়েছেন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের পেসার ট্রেন্ট বোল্ট। ৩০ ওভারে ৩ উইকেট লাভ করেন তিনি। তাছাড়া টুর্নামেন্টের পাওয়ার প্লেয়ারও নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। ম্যান অব দ্য সিরিজ: ৩০৫ পয়েন্ট নিয়ে আইপিএলের মোস্ট ভ্যালুয়েবল ক্রিকেটার বা ম্যান অব দ্যা সিরিজ হয়েছেন রাজস্থান রয়্যালসের তারকা বোলার জোফরা আর্চার। ১৪ ম্যাচ খেলে ৬.৫৫ ইকোনমিতে আর্চার শিকার করেছেন ২০টি উইকেট। এছাড়া মারকুটে ব্যাটিংয়ে করেছেন ১১৩ রান, হাকিয়েছেন ১০ টি ছক্কা। অরেঞ্জ ক্যাপ: এবারের আসরে দুর্দান্ত ফর্ম দেখিয়েছেন কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের অধিনায়ক লুকেশ রাহুল। ১৪ ম্যাচে তার সংগ্রহ ৬৭০ রান যা টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ। তাই অরেঞ্জ ক্যাপ উঠেছে তারই মাথায়। এছাড়া গেম চেঞ্জার অব দ্য সিজন এর পুরস্কারও জিতেছেন তিনি। পার্পল ক্যাপ: ৩০ উইকেট নিয়ে এবারের আইপিলের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হয়েছেন দিল্লির দক্ষিণ আফ্রিকার পেসার কাগিসো রাবাদা। তাই তিনিই জিতেছেন এবারের পার্পল ক্যাপ। ইমার্জিং প্লেয়ার: নিজের প্রথম আইপিএলেই ৫ অর্ধশতকে ৪৭৩ রান করে ইমার্জিং প্লেয়ার নির্বাচিত হয়েছেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার বেঙ্গালুরুর ওপেনার দেবদূত পাডিক্কাল। সুপার স্ট্রাইকার অব দ্য সিজন: ১৯১.৪২ স্ট্রাইক রেটে রান করা মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের কাইরন পোলার্ড নির্বাচিত হয়েছেন সুপার স্ট্রাইকার অব দ্য সিজন। বেশি ছক্কার পুরস্কার: টুর্নামেন্টে ৩০টি ছক্কা মারা মুম্বাইয়ের ইশান কিশান পেয়েছেন সবচেয়ে বেশি ছক্কা হাকানোর পুরস্কার।