হায়দরাবাদকে বিদায় করে প্রথমবারের মতো ফাইনালে দিল্লি
০৯নভেম্বর,সোমবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আইপিএলের ১২টি আসর শেষে অবশেষে ১৩তম আসরে এসে প্রথমবারের মত ফাইনালে উঠে এলো দিল্লি ক্যাপিটালস। দুই আসর আগেও তারা অবশ্য পরিচিত ছিল দিল্লি ডেয়ারডেভিলস নামে। দিল্লি ক্যাপিটালস নাম দেয়ার পর এবার এসে ফাইনালের নাগাল পেলো দিল্লির দলটি। তরুণ অধিনায়ক স্রেয়াশ আয়ারের নেতৃত্বাধীন দলটি সত্যিই দুর্দান্ত খেলেছে এবারের আইপিএলে। সর্বশেষ আজ দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে ডেভিড ওয়ার্নারের দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ১৭ রানের ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের সঙ্গী হলো দিল্লি ক্যাপিটালস। দিল্লির করা ৩ উইকেটে ১৮৯ রানের জবাব দিতে নেমে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ থেমে যায় ৮ উইকেটে ১৭২ রানে। কাগিসো রাবাদা এবং মার্কাস স্টোইনিজের কাছেই মূলতঃ বিধ্বস্ত হতে হয়েছে হায়দরাবাদকে। ফাইনালে যাওয়ার জন্য হায়দরাবাদের সামনে ১৯০ রানের বিশাল লক্ষ্য বেধে দেয় দিল্লি ক্যাপিটালস। জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে যায় হায়দরাবাদ। অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার মাত্র ২ রান করে কাগিসো রাবাদার বলে বোল্ড হয়ে যান। প্রিয়ম র্গগ ১৭ রান করার পর বোল্ড হয়ে যান মার্কাস স্টোইনিজের বলে। মানিশ পান্ডে ১৪ বলে ২১ রান করে স্টোইনিজের বলে নর্তজের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। লড়াই করেন কেন উইলিয়ামসন। ৪৫ বলে ৬৭ রান করেন তিনি। ৫টি বাউন্ডারির সঙ্গে ছক্কার মার মারেন ৪টি। কিন্তু সেটা পরাজয় এড়ানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না। শেষ দিকে আবদুল সামাদ ১৬ বলে ৩৩ রান করে চেষ্টা করেন দলকে জয় এনে দিতে। সেটাও সম্ভব হয়নি দিল্লির বোলারদের দারুণ বোলিংয়ের সামনে। শেষ দিকে রাবাদা আর স্টোইনিজের তোপের মুখে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৭২ রানেই থেমে যায় হায়দরাবাদের ইনিংস। ৪ ওভারে ২৯ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন রাবাদা। স্টোইনিজ ২৬ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। ব্যাট হাতে ৩৮ রান প্লাস বল হাতে ৩ উইকেট। ম্যাচ সেরার পুরস্কার উঠলো স্টোইনিজের হাতেই। এর আগে আবু ধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে কোয়ালিফায়ার দুইয়ের ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৮৯ রান তোলে দিল্লি। ৫০ বলে ৭৮ রান করেন শিখর ধাওয়ান। ২২ বলে অপরাজিত ৪২ রান করেন শিমরন হেটমায়ার। স্টোইনিজ ২৭ বলে করেন ৩৮ রান। স্রেয়াশ আয়ার করেন ২১ রান।
মেসিদের দাপটে জয়ে ফিরল বার্সেলোনা
০৮নভেম্বর,রবিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: লা লিগায় জয়ে ফিরেছে বার্সেলোনা। আর এটি সম্ভব হয়েছে আক্রমণভাগে মেসিদের দাপটে কারণে। ঘরের মাঠে রিয়াল বেতিসকে ৫-৩ গোলে হারায় বার্সা। বদলি নেমে দলের হয়ে জোড়া গোল করেন লিওনেল মেসি। একটি করে গোল করেন উসমান দেম্বেলে, আঁতোয় গ্রিজম্যান ও পেদ্রি। শনিবার ক্যাম্প ন্যুয়ে দাপুটে ফুটবল খেলেই এমন জয় তুলে নেয় রোনাল্ড কোম্যানের শিষ্যরা। এনিয়ে লিগে চার ম্যাচ পর জয়ের দেখা পেল কাতালানরা। সেভিয়া ও আলাভেসের সঙ্গে ১-১ ড্রয়ের মাঝে গেতাফের বিপক্ষে ১-০ ও রিয়াল মাদ্রিদের কাছে এল ক্লাসিকোতে ৩-১ গোলে হেরেছিল দলটি। খেলার ২২তম মিনিটে দেম্বেলের অসাধারণ গোলে এগিয়ে যায় বার্সা। ডি-বক্সে ছোট এক ঝটকায় সামনের ডিফেন্ডারকে ফাঁকি দিয়ে বাঁ পায়ের জোরালো শটে ঠিকানা খুঁজে নেন ফরাসি উইঙ্গার। তবে প্রথমার্ধের তিন মিনিট যোগ করা সময়ের শেষ মিনিটে কিছুটা সৌভাগ্যসূচক গোলে সমতায় ফেরে বেতিস। ক্রিস্তিয়ান তেইয়োর ক্রস সের্হি রবের্তোর পায়ে লেগে দিক পাল্টে চলে যায় সানব্রিয়ার পায়ে। ১০ গজ দূর থেকে জালে বল পাঠাতে ভুল হয়নি বার্সেলোনার যুব দলে বেড়ে ওঠা প্যারাগুয়ের এই স্ট্রাইকারের। বিরতির পর ৪৯তম মিনিটে জালের দেখা পান গ্রিজম্যান। বাঁ দিক থেকে জর্দি আলবার পাস ধরতে গিয়ে ডামি করে ছেড়ে দেন মেসি, এগিয়ে গিয়ে মাঝপথে হাল ছেড়ে দেন প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক ব্রাভো। ফাঁকায় বল পেয়ে বিনা বাধায় দলকে আবারও এগিয়ে নেন বিশ্বকাপজয়ী ফরোয়ার্ড। এরপরেই দেম্বেলের শট গোললাইন থেকে হাত দিয়ে ফেরানোয় দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন বেতিস ডিফেন্ডার আইসা মান্দি। আর নিখুঁত স্পট কিকে ব্যবধান বাড়ান মেসি। ৭৩তম মিনিটে অবশ্য ব্যবধান কমায় বেতিস। বাঁ দিক থেকে আলেক্স মোরেনোর পাস ছোট ডি-বক্সের মুখে পেয়ে জালে বল ঠেলে দেন লরেন মোরোন। এখানেও ক্লেমোঁ লংলে ও জেরার্দ পিকের দুর্বল ডিফেন্ডিংয়ের দায় ছিল। অবশেষে ৮২তম মিনিটে চলতি মৌসুমে পেনাল্টি ছাড়া নিজের প্রথম গোল করলেন মেসি। তার প্রথম ওপেন প্লে গোলের দেখা মেলে। রবের্তোর ব্যাকহিলে বল ধরে ছোট ডি-বক্সে মুখ থেকে কোনাকুনি শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন আর্জেন্টাইন তারকা। ম্যাচের নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে ডান দিক থেকে রবের্তোর ক্রস ফাঁকায় পেয়ে প্লেসিং শটে অনায়াসে স্কোরলাইনে লিগে প্রথম নিজের নাম লেখান পেদ্রি। লিগে সাত ম্যাচে তিন জয় ও দুই ড্রয়ে ১১ পয়েন্ট নিয়ে অষ্টম স্থানে উঠেছে বার্সেলোনা। ১ পয়েন্ট বেশি নিয়ে সাত নম্বরে বেতিস। আট ম্যাচে ১৭ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রিয়াল সোসিয়েদাদ। ১ পয়েন্ট কম নিয়ে দুইয়ে এক ম্যাচ কম খেলা রিয়াল।
কোহলিকে বাদ দিয়ে নতুন অধিনায়ক খোঁজা উচিত : গম্ভীর
০৭নভেম্বর,শনিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আরও একবার শূন্য হাতেই আইপিএল থেকে ফিরতে হলো বিরাট কোহলি ও রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুকে। আইপিএলের এবারের আসর শুরুর আগে টানা ১৩টি মৌসুম একই দলে খেলার অনন্য কীর্তি গড়েছিলেন কোহলি। আর আসর শেষে গড়লেন ১৩ মৌসুমেও কোনো শিরোপা জিততে না পারার বিব্রতকর এক দৃষ্টান্ত। ২০০৮ সাল থেকে কোহলি খেলছেন ব্যাঙ্গালুরুর হয়ে। পাঁচ মৌসুম সাধারণ খেলোয়াড় হিসেবে কাটানোর পর ২০১৩ সালের আসর থেকে অধিনায়কত্বের গুরুদায়িত্ব পেয়েছেন কোহলি। তার অধীনে এ নিয়ে ৮ মৌসুম খেলে ফেললেও, শিরোপা জয়ের স্বাদ পাওয়া হয়নি ব্যাঙ্গালুরুর। আইপিএলে অধিনায়ক কোহলির সাফল্য বলতে কেবল গত ৮ মৌসুমে মাত্র ৩ বার প্লে-অফে উঠতে পারা। ২০১৭ ও ২০১৯ সালের আসরে ব্যাঙ্গালুরুর অবস্থান ছিল সবার নিচে, ২০১৮ সালে তারা হয়েছিল ষষ্ঠ। এবার প্লে-অফে উঠলেও টানা পাঁচটি ম্যাচ হেরে কোহলির ব্যাঙ্গালুরু বিদায় নিয়েছে চতুর্থ হয়ে। সবমিলিয়ে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স যেমনই হোক না কেন, অধিনায়ক হিসেবে ব্যাঙ্গালুরুকে সাফল্য এনে দিতে পুরোপুরি ব্যর্থ ভারতের জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। তাই পরের আসরে ব্যাঙ্গালুরু ফ্র্যাঞ্চাইজিকে অধিনায়কত্ব নিয়ে নতুন করে ভাবার পরামর্শ দিয়েছেন ভারতের সাবেক ওপেনার ও দুইবার আইপিএল জেতা অধিনায়ক গৌতম গম্ভীর। নিজের মন্তব্যের পক্ষে জোরালো যুক্তিও রেখেছেন কলকাতাকে দুইটি শিরোপা জেতানো গম্ভীর। জানিয়েছেন, তিনি যদি ব্যাঙ্গালুরুর ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক হতেন, তাহলে অবশ্যই অধিনায়কত্বে পরিবর্তন আনতেন। কেননা কাউকে কোনোরকমের সাফল্য ছাড়া ৮টি বছর ছাড় দেয়া যায় না। এ বিষয়ে গম্ভীরের ভাষ্য, এখানে প্রশ্নটা জবাবদিহিতার। অধিনায়কত্বের ৮ বছর হয়ে গেল কিন্তু কোনো শিরোপা নেই। আট বছর অনেক লম্বা সময়। আমাকে অন্য কোনো অধিনায়ক দেখান, আচ্ছা অধিনায়ক ভুলে যান, অন্য কোনো খেলোয়াড় দেখান যাকে বিনা শিরোপায় ৮ বছর সুযোগ দেয়া হতো বা হবে। তাই এখানে জবাবদিহিতা থাকতে হবে। একজন অধিনায়ককে দায়িত্ব নিতে হবে। তিনি আরও যোগ করেন, বিষয়টা শুধু এক বছরের না, শুধু চলতি আসরের নয়। বিরাট কোহলির বিরুদ্ধে আমার কোনো প্রশ্ন নেই। কিন্তু দলের এমন অবস্থার মাঝে তার উচিৎ হাত উচিয়ে বলা যে, আমিই এর জন্য দায়ী। আমি এই ব্যর্থতার সব দায়িত্ব গ্রহণ করছি। আট বছর কিন্তু অনেক লম্বা সময়। এসময় ভারতের অফস্পিনিং অলরাউন্ডার রবিচন্দ্রন অশ্বিনের উদাহরণ আনেন গম্ভীর। শিরোপা জিততে না পারায় দুই আসর পরই অশ্বিনকে বাদ দিয়েছে কিংস এলেভেন পাঞ্জাব। যা কোহলির ক্ষেত্রে হচ্ছে না। গম্ভীর বলেন, অশ্বিনের সঙ্গে কী হয়েছে দেখুন! পাঞ্জাবের হয়ে দুই বছর সে সাফল্য পায়নি এবং বাদ দিয়ে দেয়া হয়েছে। আমরা এমএস ধোনি, রোহিত শর্মার ব্যাপারে কথা বলি। কিন্তু ধোনি তিনবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে, রোহিত শিরোপা জিতেছে চারবার। তারা সাফল্য পেয়েছে বলেই লম্বা সময় ধরে অধিনায়কত্ব করে যাচ্ছে। আমি নিশ্চিত, রোহিত যদি ৮ বছর ধরে শিরোপাশূন্য থাকত, তাকেও সরিয়ে দেয়া হতো। সবার জন্য একই নিয়ম থাকা উচিৎ।
খুলনায় মিডিয়া কাপ ক্রিকেটের উদ্বোধন
০৬নভেম্বর,শুক্রবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: খুলনায় সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে ওয়ালটন-খুলনা প্রেসক্লাব মিডিয়া কাপ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের পর্দা উঠেছে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল ৯টায় খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে প্রধান অতিথি থেকে বেলুন উড়িয়ে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপত্বি করেন খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম নজরুল ইসলাম। পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মামুন রেজা। এ সময় খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মুন্সী মাহবুব আলম সোহাগ, খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মকবুল হোসেন মিন্টু, শেখ আবু হাসান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম জাহিদ হোসেন, দৈনিক সময়ের খবরের সম্পাদক তরিকুল ইসলাম, দৈনিক দক্ষিণাঞ্চলের সম্পাদক এস এম সাহিদ হোসেন, প্রেসক্লাবের সহকারী সম্পাদক (ক্রীড়া) আহমেদ মুসা রঞ্জু, ম্যানগ্রোভ ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ মো. মুমিন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার অতিরিক্ত সাধারণ সম্পাদক মোতালেব হোসেন মিয়া,বিশ্বাস প্রোপার্টিজের সিইও মো. আজগর বিশ্বাস তারা, ওয়ালটনের এরিয়া ম্যানেজার শাহানুর আলম, বিআরবি কেবলসের খুলনা অফিস ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। খুলনার সাংবাদিকদের নিয়ে মোট ৪টি দল প্রতিযোগিতার অংশ নিচ্ছে। উদ্বোধনী ম্যাচে রূপসা টাইগার্স মুখোমুখি হয়েছে শিবসা ওয়ারিয়র্সের। একই দিন বিকেলে ভৈরব রাইডার্সের প্রতিপক্ষ মধুমতি চ্যালেঞ্জার্স। সিঙ্গেল লীগ পদ্ধতিতে খেলা শেষে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ দু’টি দল ফাইনালে উঠবে। আগামী ১০ নভেম্বর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে। খুলনা প্রেসক্লাবের আয়োজনে অনুষ্ঠেয় টুর্নামেন্টে ওয়ালটন ছাড়াও সহযোগিতা করছে বিআরবি কেবলস, বিশ্বাস প্রোপারটিজ, ম্যানগ্রোভ ইনস্টিটিউট, খুলনা এয়ার টুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস, মৌরি এন্টারপ্রাইজ ও এক্সট্রিম গ্রুপ।
সাকিবের কাছে সেরা মুহূর্ত হবে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ জয়
০৫নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অনেক বড় বড় অর্জনের সাক্ষী হয়ে আছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। দেশকে অনেক সেরা মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন তিনি। ব্যক্তিগত অর্জনের পাল্লাটাও কম নয়। ক্যারিয়ারের সেরা মুহূর্তের কোনো অভাব নেই তার। তবে বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার মনে করেন, তার ক্যারিয়ারের সেরা মুহূর্ত এখনও অর্জন করতে পারেননি। বিশ্বকাপ জিতলেই সেই স্বপ্ন পূরণ হবে মনে করেন তিনি। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে ভক্ত ও সাংবাদিকদের পাঠানো এক প্রশ্ন উত্তর পর্বে এ কথা জানান সাকিব। তবে এখন পর্যন্ত অর্জিত সেরা মূহূর্তের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট জয় আর গেল বিশ্বকাপে নিজের পারফর্ম্যান্সকে সেরা মনে করেন ৩৩ বছর বয়সী তারকা। সাকিব বলেন, সেরা মুহূর্ত এখনও আসেনি। সেরা মুহূর্ত হবে বাংলাদেশের হয়ে কোনো বিশ্বকাপ জয়, সেটা ওয়ানডে হোক বা টি-টোয়েন্টি। এ পর্যন্ত যদি মনে করি, সেরাগুলোর একটি হলো অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে টেস্ট ম্যাচ জয় ও এবারের বিশ্বকাপে আমার পারফরম্যান্স, ব্যক্তিগত দিক থেকে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট জয়ে সাকিব প্রথম ইনিংসে ৮৪ রান করার পাশাপাশি ম্যাচে ১০ উইকেট নিয়েছিলেন। আর বিশ্বকাপে ব্যাট হাতে ৮৬ গড়ে ৬০৬ রান করার পাশাপাশি বল হাতে ১১ উইকেট নিয়েছিলেন । যা ছিল বিশ্বকাপ ইতিহাসে সেরা অলরাউন্ড পারফর্ম্যান্স। বিশ্বকাপ ভাবনার কথা বলতে গিয়ে সাকিব বলেন, টি-টোয়েন্টিতে আমি জানি না আমরা কতটা এগিয়েছি। তবে এই সংস্করণের একটা সৌন্দর্য্য হলো, কেউ ফেবারিট নয়, যে কোনোদিন যে কোনো দল যে কাউকে হারাতে পারে। ওইটা আমাদের একটা ভরসা। যেহেতু আমরা এখন নিয়মিত টি-টোয়েন্টি খেলছি, ২০১৫-১৬ থেকে, অনেক ভালো একটা দল আমরা, অনেক বুঝতে পারি কিভাবে খেলা উচিত, সেটা আমাদের সাহায্য করবে আরেকটু ভালো খেলার জন্য। ২০২৩ বিশ্বকাপ এখনও বেশ দূরে। করোনাভাইরাসের কারণে সেভাবে খেলাও হয়নি। আমার মনে হয় না, এটা নিয়ে কেউ ভাবতে পেরেছে। হয়ত এক-দেড় বছর আগে থেকে ওটা নিয়ে ভাবনা শুরু হবে।
মুম্বাইকে উড়িয়ে প্লে-অফে হায়দরাবাদ, বিদায় কলকাতার
০৪নভেম্বর,বুধবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মাঠে খেলেছে মুম্বাই ইন্ডিয়ানস ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। তবে টিভির পর্দায় ম্যাচটির দিকে সজাগ দৃষ্টি ছিল কলকাতা নাইট রাইডার্সের। কেননা এ ম্যাচের ফলাফলের ওপরেই নির্ভর করছিল তাদের প্লে-অফ ভাগ্য। শেষপর্যন্ত ভাগ্য তাদের দিকে মুখ ফিরে তাকায়নি, টিভির পর্দায় প্রিয় দলের বিদায় নিশ্চিত হওয়াটাই দেখেছে কলকাতার ভক্ত-সমর্থকরা। সমীকরণটা সহজ ছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের জন্য। নেট রানরেট বেশ ভালো, ১৩ ম্যাচে আছে ১২ পয়েন্ট। ফলে শেষ ম্যাচ জিতলেই পয়েন্ট টেবিলের তৃতীয় দল হয়ে পাওয়া যাবে প্লে-অফের টিকিট। আর হারলে বিদায় নিশ্চিত, সেক্ষেত্রে সেরা চারে পৌঁছে যাবে কলকাতা। এমন যখন পরিস্থিতি, তখনই যেন নিজেদের সেরা ম্যাচটা খেলল হায়দরাবাদ। রীতিমতো উড়িয়ে দিলো টেবিল টপার মুম্বাইকে, সোজা ১০ উইকেটে জিতে নিয়েছে ম্যাচ। মুম্বাইয়ের করা ১৪৯ রান টপকে যেতে কোনো উইকেট হারায়নি হায়দরাবাদ, উল্টো বল বাকি ছিল ১৭টি। আইপিএল ইতিহাসে দশ উইকেটে জয়ের এটি ১৪তম ঘটনা। হায়দরাবাদের জন্য এত বড় জয়ের স্বাদ পাওয়ার দ্বিতীয় ঘটনা এটি। ২০১৬ সালের আসরে গুজরাট লায়নসের বিপক্ষে ১০ উইকেটে জিতেছিল তারা। মুম্বাইয়ের জন্য দশ উইকেটে হারের তৃতীয় ঘটনা এটি। ২০১১ সালের পর প্রথমবারের মতো ১০ উইকেটে কোনো ম্যাচ হারল তারা। হায়দরাবাদের এত বড় জয়ের ম্যাচ দিয়েই শেষ হলো আইপিএলের প্রথম পর্বের ৫৬ ম্যাচ। সব দলের ১৪টি করে ম্যাচ শেষে সেরা চার দল হয়ে প্লে-অফে নাম লেখানো দলগুলো হলো যথাক্রমে মুম্বাই ইন্ডিয়ানস, দিল্লি ক্যাপিট্যালস, সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু। মুম্বাইয়ের করা ১৫০ রান তাড়া করতে নেমে দুই ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ও ঋদ্ধিমান সাহার ১৫১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতেই ম্যাচ জিতে নিয়েছে হায়দরাবাদ। অধিনায়ক ওয়ার্নার ৫৮ বলে ৮৫ ও উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান ঋদ্ধির ব্যাট থেকে এসেছে ৪৫ বলে ৫৮ রানের অপরাজিত ইনিংস। এই ইনিংসের মাধ্যমে আইপিএলে নিজের টানা ষষ্ঠ আসরে পাচশ'র ওপরে রান করার কৃতিত্ব অর্জন করেছেন ওয়ার্নার। যা নেই বিশ্বের আর কোনো ব্যাটসম্যানের। এছাড়া এ নিয়ে ২৩তমবারের মতো কোনো শতরানের জুটি গড়লেন তিনি। তাকে যোগ্য সঙ্গই দিয়েছেন ঋদ্ধি। যা হায়দরাবাদকে এনে দিয়েছে প্লে-অফের টিকিট। এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই রোহিত শর্মাকে (৪) হারায় মুম্বাই। তবে কুইন্টন ডি কক আর সূর্যকুমার যাদবের ঝড়ো ব্যাটে একটা সময় মোটামুটি ভালো অবস্থানে ছিল দলটি। ডি কক ১৩ বলে ২৫ রানে আউট হলেও চালিয়ে যাচ্ছিলেন সূর্য। ১১ ওভার শেষে মুম্বাইয়ের বোর্ডে ছিল ২ উইকেটে ৮১ রান। কিন্তু সূর্য ২৯ বলে ৩৬ করে ফেরার পরই বড় ধাক্কা খায় দলটি। ১ রান তুলতে মুম্বাই হারায় আরও ৩ উইকেট। সেই বিপদের মুখে ধরে খেলতে থাকেন ঈষাণ কিশান। দলকে এগিয়ে নিচ্ছিলেন দেখেশুনে। শেষতক ১৭তম ওভারে এসে আউট হন ৩০ বলে ৩৩ করা এই ব্যাটসম্যান। পরের সময়টায় কাইরন পোলার্ড বলতে গেলে একাই খেলেছেন। ইনিংসের শেষ ওভারে জেসন হোল্ডারের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ঝড়ো ৪১ রান করে দিয়ে যান ক্যারিবীয় অলরাউন্ডার। ২৫ বলের যে ইনিংসে ২ চারের সঙ্গে ৪টি ছক্কায় হাঁকান তিনি। সানরাইজার্স বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল সন্দ্বীপ শর্মা। ৩৪ রানে ৩টি উইকেট নেন এই পেসার। ২টি করে উইকেট নেন জেসন হোল্ডার আর শাহবাজ নাদিম।
এক মাসের মধ্যেই অভিষেক হলো সেই রেকর্ডগড়া ব্যাটসম্যানের
০৩নভেম্বর,মঙ্গলবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রথম দুই ম্যাচ জিতে আগেই সিরিজ নিশ্চিত করে ফেলেছে স্বাগতিক পাকিস্তান। আজ (মঙ্গলবার) জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করার মিশনে নেমেছে তারা। ম্যাচটিতে টস জিতে আগে ব্যাট করছে সফরকারী জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট দল। এই ম্যাচে নিজেদের একাদশে একটি পরিবর্তন এনেছে জিম্বাবুয়ে। কার্ল মুম্বার বদলে ডানহাতি পেসার ডোনাল্ড তিরিপানোকে সুযোগ দিয়েছে তারা। অন্যদিকে নির্ভার পাকিস্তান তাদের একাদশে পরিবর্তন এনেছে চারটি। আবিদ আলি, ফাহিম আশরাফ, ইমাদ ওয়াসিম ও হারিস রউফের জায়গায় নেয়া হয়েছে ফাখর জামান, খুশদিল শাহ, ওয়াহাব রিয়াজ ও মোহাম্মদ রিজওয়ানকে। এদের মধ্যে বাকি সবার আগেই ওয়ানডে খেলার অভিজ্ঞতা থাকলেও, এ ম্যাচ দিয়েই অভিষেক হয়েছে বাঁহাতি মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যান খুশদিল শাহর। গত মাসে ন্যাশনাল টি-টোয়েন্টি কাপে মাত্র ৩৫ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন খুশদিল। যার সুবাদে এবার অভিষেক হলো তার। গত ৯ অক্টোবর খেলা খুশদিলের ইনিংসটি পাকিস্তানি কোনো ব্যাটসম্যানের দ্রুততম এবং বিশ্বে পঞ্চম দ্রুততম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরির রেকর্ড, ৮ চার আর ৯ ছক্কায় ঠিক ১০০ রান করেন তিনি। তার আগে পাকিস্তানি কোনো ব্যাটসম্যানের দ্রুততম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরির রেকর্ডটি ছিল আহমেদ শেহজাদের, ৪০ বলে। জিম্বাবুয়ে একাদশ: ব্রায়ান চারি, চামু চিবাবা (অধিনায়ক), সিকান্দার রাজা, ক্রেইগ আরভিন, ব্রেন্ডন টেলর (উইকেটরক্ষক), সিন উইলিয়ামস, উইসলি মাধভেরে, টেন্ডাই চিসোরো, ডোনাল্ড তিরিপানো, রিচার্ড এনগারাবা, ব্লেসিং মুজরাবানি। পাকিস্তান একাদশ: ফাখর জামান, ইমাম-উল হক, বাবর আজম (অধিনায়ক), হায়দার আলি, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটরক্ষক), ইফতিখার আহমেদ, খুশদিল শাহ, ওয়াহাব রিয়াজ, মোহাম্মদ মুসা, মোহাম্মদ হাসনাইন, শাহিন আফ্রিদি।
আবারও ঘরের মাঠে হারল ম্যান ইউ, নেমে গেল ১৫ নম্বরে
০২নভেম্বর,সোমবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নতুন মৌসুমের শুরুটাই পরাজয় দিয়ে করেছিল ইংল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। নিজেদের ঘরের মাঠে তারা ক্রিস্টাল প্যালেসের কাছে হেরেছিল ১-৩ গোলে। সেই পরাজয় দিয়ে শুরুর পর ছয় ম্যাচ শেষেও ঠিক ছন্দ খুঁজে পায়নি ওলে গানার সুলশারের দল। বিশেষ করে ঘরের মাঠ অর্থাৎ ওল্ড ট্র্যাফোর্ড যেন তাদের নিজেদের জন্যই হয়ে গেছে মৃত্যুপুরী। সবশেষ রোববার রাতে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে তারা হারল আর্সেনালের কাছে, ০-১ ব্যবধানে। অথচ আর্সেনালের বিপক্ষে গত ১৪ বছরে ঘরের মাঠে কোনো ম্যাচ হারেনি ম্যাচ ইউ। রোববার রাতের আগে সবশেষ ২০০৬ সালের সেপ্টেম্বরে ওল্ড ট্র্যাফোর্ড থেকে ১-০ গোলের জয় নিয়ে ফিরেছিল গানাররা। আর্সেনালের বিপক্ষে পরাজয়ের ফলে চলতি মৌসুমে এখনও ঘরের মাঠে জয়ের দেখা পেল না ম্যান ইউ। ক্রিস্টাল প্যালেসের কাছে ১-৩ গোলে হারের পর, টটেনহ্যাম হটস্পারের কাছে তারা বিধ্বস্ত হয় ১-৬ গোলে। পরে চেলসির সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করলেও ফের হারল আর্সেনালের কাছে। এর চেয়ে বরং প্রতিপক্ষের মাঠেই ভালো করছেন মার্কাস র‍্যাশফোর্ড, ম্যাসন গ্রিনউডরা। ব্রাইটনের মাঠে ৩-২ ও নিউক্যাসলের মাঠে ৪-১ গোলে জিতেছে ম্যান ইউ। অর্থাৎ ছয় ম্যাচে মাত্র ২ জয় ও ১ ড্র'তে প্রিমিয়ার লিগ ইতিহাসের সেরা দলটির সংগ্রহ এখন মাত্র ৭ পয়েন্ট। নামতে নামতে পয়েন্ট টেবিলের ১৫ নম্বরে নেমে গেছে তারা। রোববারের ম্যাচটি ছিল ম্যান ইউর হয়ে ওলে গানার সুলশারের শততম ম্যাচ। কিন্তু উপলক্ষ্যটি রাঙাতে পারেননি তার শিষ্যরা। ঘরের মাঠে খুব একটা আধিপত্য ছিল না ম্যান ইউর খেলায়, জোরালো কোনো সুযোগও তৈরি করতে পারেনি তারা। পুরো ম্যাচে মাত্র ২টি শট তারা করতে পেরেছে লক্ষ্য বরাবর, যা থেকে মেলেনি গোল। অবশ্য ম্যান ইউর সমান দুইটি শটই লক্ষ্যে রাখতে পেরেছিল আর্সেনাল। সেখান থেকেই একটি গোল আদায় করে নেয় তারা। তবে সেটি ছিল আবার পেনাল্টি কিক থেকে। ম্যাচের ৬৮ মিনিটে হেক্টর বেল্লেরিনকে ডি-বক্সে ফাউল করেন পল পগবা। পেনাল্টি পায় আর্সেনাল। সহজ সুযোগে দলকে জয়সূচক গোল এনে দেন পিয়েরে এমেরিক আউবেমেয়াং। এই জয়ের পরও পয়েন্ট টেবিলের ৮ নম্বরে উঠে এসেছে আর্সেনাল। সাত ম্যাচে ৪ জয় ও ৩ পরাজয়ের ১২ পয়েন্ট রয়েছে তাদের ঝুলিতে। অন্যদিকে ছয় ম্যাচে ২ জয় ও ১ ড্র'তে ৭ পয়েন্ট নিয়ে ১৫ নম্বরে অবস্থান ম্যান ইউর। শীর্ষে থাকা বর্তমান চ্যাম্পিয়ন লিভারপুলের সংগ্রহ ৭ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট। দিনের আরেক ম্যাচে নিউক্যাসল ইউনাইটেডের মাঠে ২-১ গোলে হারা এভারটন সাত ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে আছে। অ্যাস্টন ভিলার মাঠে ৪-৩ গোলে জেতা সাউথ্যাম্পটন সমান পয়েন্ট নিয়ে তিনে ও উলভারহ্যাম্পটন ওয়ানডারার্সের অবস্থান চতুর্থ।
ব্যাঙ্গালুরুকে সহজেই হারিয়ে চারে ওঠে এল হায়দরাবাদ
০১ নভেম্বর,রবিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এই ম্যাচটি সানরাইজার্স হায়দরাবাদের জন্য ছিল ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। পয়েন্ট তালিকার সাত নম্বরে ছিল ডেভিড ওয়ার্নারের দল। একটি জয়ই তাদের তুলে নিয়ে আসলো চার নম্বরে। দুই নম্বরে থাকা রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুকে অল্প রানে গুটিয়ে দিয়ে ৫ উইকেট আর ৩৫ বল হাতে রেখে জিতেছে হায়দরাবাদ। লক্ষ্য ছিল মাত্র ১২১ রানের। শুরুতেই ডেভিড ওয়ার্নারকে (৮) হারানোর পর ঋদ্ধিমান সাহা আর মনিশ পান্ডে দলকে ভরসা দিয়েছেন। ৩২ বলে ৩৯ রান করে আউট হন ঋদ্ধিমান। ১৯ বলে ২৬ করেন মনিশ। এরপর কেন উইলিয়ামসন (৮) আর অভিষেক শর্মা (৮) সুবিধা করতে না পারলেও তেমন বিপদে পড়তে হয়নি হায়দরাবাদকে। ১০ বলে ১ আর ৩ ছক্কায় হার না মানা ২৬ রানে দলকে জিতিয়েই মাঠ ছেড়েছেন জেসন হোল্ডার। এর আগে পুরো ২০ ওভার ব্যাটিং করেও সানরাইজার্স হায়দরাবাদ বোলারদের তোপে ৭ উইকেটে ১২০ রানেই আটকে যায় বিরাট কোহলির দল। শারজায় টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে ছিল ব্যাঙ্গালুরু। ২৮ রানের মধ্যে সাজঘরের পথ ধরেন দেবদূত পাডিক্কেল (৫) আর বিরাট কোহলি (৭)। দুটি উইকেটই নেন সন্দ্বীপ শর্মা। এরপর কিছুটা ভরসা দিয়েছিলেন জস ফিলিপ আর এবি ডি ভিলিয়ার্স। তবে তাদের কারও ব্যাটিংই টি-টোয়েন্টির সঙ্গে মানানসই ছিল না। ২৪ বলে ২৪ করেন ডি ভিলিয়ার্স, ৩১ বলে ৩২ ফিলিপ। চালিয়ে খেলতে চেয়েছিলেন ওয়াশিংটন সুন্দর। কিন্তু ১৮ বলে ২১ রানের বেশি যেতে পারেননি তিনিও। ফলে ১০৬ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে ব্যাঙ্গালুরু। ততক্ষণে ইনিংসের ১৭ ওভার পেরিয়ে গেছে। শেষ পর্যন্ত আর তাই পুঁজিটা বড় হয়নি কোহলির দলের। থেমেছে ১২০ রানেই। ২৪ বলে ১৫ রানে অপরাজিত থাকেন গুরকিরাত সিং। হায়দরাবাদের পক্ষে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন দুই পেসার সন্দ্বীপ শর্মা আর জেসন হোল্ডার। একটি করে উইকেট টি নটরাজ, শাহবাজ নাদিম আর রশিদ খানের।