ডি ভিলিয়ার্সকে অতিমানব মনে হয় কোহলির
১৪,অক্টোবর,বুধবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এমন উইকেট, বিরাট কোহলিও ধুঁকলেন। ২৮ বলে হার না মানা ৩৩ রানের ইনিংসে বাউন্ডারি হাঁকাতে পারলেন মাত্র একটি। কিন্তু এবি ডি ভিলিয়ার্সের জন্য সব উইকেটই যেন এক। কোহলি সামনে অপরপ্রান্তে দাঁড়িয়ে দেখলেন কি অবলীলায় বল আছড়ে ফেলছেন প্রোটিয়া তারকা। শারজায় সোমবার রাতে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে ৩৩ বলে অপরাজিত ৭৩ রানের ইনিংস খেললেন ডি ভিলিয়ার্স। বিধ্বংসী যে ইনিংসে ৫টি বাউন্ডারির সঙ্গে ছিল ৬টি ছক্কার মার। তার ওমন ইনিংসে ভর করেই ২ উইকেটে ১৯৪ রান করে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু। জবাবে ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১২ রান তুলতে পারে কলকাতা। উইকেটটা যে কেমন কঠিন ছিল, বোঝাই যাচ্ছে। সুপারহিউম্যান বা অতিমানব ছাড়া এমন ব্যাটিং সম্ভব নয় বলেই মনে করেন কোহলি। তার ভাষায়, শারজায় বড্ড শুকনো একটা উইকেটে আমরা খেললাম। একজন অতিমানব ছাড়া সেখানে আমরা সবাই অস্বস্তিতে ছিলাম। এবি দুরন্ত ওই ইনিংসটা না খেললে কখনওই আমাদের রান ১৯৪ হয় না। আমি তো ভেবেছিলাম, বেশি হলে ১৬০ বা ১৬৫-এর মতো রান তুলতে পারব। কোহলি যোগ করেন, ও উইকেটে আসার পরে ভাবছিলাম এবার বড় শট খেলব। বল কম আসছিল ব্যাটে। কিন্তু আমার দরকারই পড়ল না। এবি তিন নম্বর বলটাই মারার পরে জানাল, ছন্দ পেয়ে যাচ্ছে। আর আমি সেরা জায়গায় দাঁড়িয়ে ওইরকম অবিশ্বাস্য ইনিংস দেখলাম। দক্ষিণ আফ্রিকা দলের সাবেক অধিনায়কের ইনিংস দেখে মুগ্ধ ভারতের হেড কোচ রবি শাস্ত্রী তো অবসর ভেঙে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরারই আহ্বান জানালেন ডি ভিলিয়ার্সকে। তিনি মঙ্গলবার টুইট করেন, এবার আসল জিনিসটা বেরিয়ে এসেছে। কাল রাতে যা দেখলাম তা অতিলৌকিক কিছু। কঠিন এই সময়ে এবি ডিভিলিয়ার্সের মতো ইনিংসেরই দরকার ক্রিকেটের। তুমি অবসর ভেঙে ফিরে এসো। তুমি থাকলে এই খেলাটা আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।
ছয় গোলের ম্যাচে জার্মানিকে রুখে দিল সুইজারল্যান্ড
১৪,অক্টোবর,বুধবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: উয়েফা ন্যাশনস লিগে জার্মানিকে তাদের ঘরেই রুখে দিয়েছে সুইজারল্যান্ড। ছয় গোলের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে শেষ হাসি হাসতে পারেনি কোনো দলই। মঙ্গলবার রাতে কোলনে ৩-৩ গোলে ড্র হয়েছে ম্যাচটি। তবু জার্মান কোচ জোয়াকিম লো স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারেন। প্রথমে যে দুই গোলে পিছিয়ে পড়েছিল তার দল। ম্যাচের পঞ্চম মিনিটেই মারিও গাভরানোভিচের গোলে এগিয়ে যায় সুইজারল্যান্ড। ২৬ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রেমো ফ্রুয়েলার। তবে দুই মিনিটের মাথায় এক গোল শোধ করে দেয় জার্মানি। ২৮ মিনিটে গোল করেন টিমো ওয়ের্নার। ২-১ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে বিরতিতে যায় চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। দ্বিতীয়ার্ধে লড়াই আরও জমে উঠে, পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে হয় তিন গোল। ৫৫ মিনিটে জার্মানিকে সময় ফেরান কাই হেভার্ট। পরের মিনিটে ফের এগিয়ে যায় সুইসরা, দলকে লিড এনে দেন গাভরানো। তবে এর চার মিনিট পর জার্মানিকে সমতায ফেরান সার্জি জিনাব্রি। এরপর আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ চলেছে, তবে দুই দলের কেউই গোলের দেখা পায়নি। বরং যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে এসে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন সুইজারল্যান্ডের ফ্যাবিয়ান স্কার। এই ড্রয়ের পরও লিগ এ গ্রুপ ফোরে পয়েন্ট তালিকার দুই নম্বরে আছে জার্মানি। চার ম্যাচে ১ জয় আর তিন ড্রয়ে তাদের পয়েন্ট ৬। এই গ্রুপে শীর্ষে স্পেন।
অবশেষে আইপিএলে মাঠে নামছেন গেইল
১৩,অক্টোবর,মঙ্গলবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শেষ হয়ে গেছে আইপিএলের প্রথম অর্ধেক অর্থাৎ নিজেদের প্রথম ৭টি ম্যাচ খেলে ফেলেছে অংশগ্রহণকারী সব দল। কিন্তু এখনও পর্যন্ত একটি ম্যাচেও মাঠে নামা হয়নি কিংস এলেভেন পাঞ্জাবের বিধ্বংসী ওপেনার ক্রিস গেইলের। এমন না যে গেইলকে বাইরে রেখে দুর্দান্ত খেলছে পাঞ্জাব, তাই উইনিং কম্বিনেশন ধরে রাখতে তাকে দলে নেয়া যাচ্ছে না। উল্টো প্রথম সাত ম্যাচের ছয়টিতেই হেরে পয়েন্ট টেবিলে সবার নিচে অবস্থান পাঞ্জাবের। তবু কেনো নেয়া হয়নি গেইলকে?- মনে প্রশ্ন জাগাই স্বাভাবিক। উত্তর জানিয়েছিলেন পাঞ্জাব কোচ অনিল কুম্বলে। মূলত খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণে তাকে নিতে পারেনি পাঞ্জাব। তবে ভক্ত-সমর্থকদের জন্য এখন পাওয়া গেছে খুশির খবর। পরের ম্যাচেই মাঠে নামতে চলেছেন দ্য ইউনিভার্স বসখ্যাত গেইল। নিজেদের ওয়েবসাইটে এ খবর জানিয়েছে কিংস এলেভেন পাঞ্জাব। খাদ্যে বিষক্রিয়াজনিত কারণে হওয়া পেটের পীড়ার কারণে হাসপাতালে পর্যন্ত থাকতে হয়েছিল গেইলকে। তবে এখন পুরোপুরি সুস্থ তিনি। হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে ফিরেছেন টিম হোটেলে। শুধু তাই নয়, সোমবার থেকে অনুশীলনও শুরু করে দিয়েছেন গেইল। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর বিপক্ষে পরবর্তী ম্যাচ খেলবে পাঞ্জাব। সেই ম্যাচে গেইলের মাঠে নামার সম্ভাবনা প্রায় শতভাগ। দলের অবস্থা যখন বেগতিক, তখন গেইলের মতো বিশ্বতারকার অন্তর্ভুক্তি বাড়তি অনুপ্রেরণার উৎস হতে পারে। মূলত গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাতেই প্রথমবারের মতো এবারের আইপিএলে নামার কথা ছিল গেইলের। এমনটাই জানিয়েছিলেন পাঞ্জাব কোচ কুম্বলে। কিন্তু পেটের পীড়ার কারণে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে সেই ম্যাচ ও পরে কলকাতা নাইট রাইডার্স বিপক্ষেও খেলা হয়নি গেইলের। অবশেষে টুর্নামেন্টের মাঝপথ পেরিয়ে মাঠে নামা হচ্ছে এ ক্যারিবীয় দানবের। টুর্নামেন্টের গত আসরেও যার ব্যাট থেকে এসেছে বিষ্ফোরক সব ইনিংস। যেখানে ১৩ ইনিংসে ১৫৩.৬০ স্ট্রাইকরেটে দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৯০ রান করেছিলেন গেইল। এবার বাকি আর ৭ ম্যাচ, গেইল নিজের ফর্ম দেখাতে পারলে হয়তো অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন করেই ফেলবে পাঞ্জাব।
কলকাতাকে বিধ্বস্ত করে তিনে কোহলির ব্যাঙ্গালুরু
১৩,অক্টোবর,মঙ্গলবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: টি-টোয়েন্টিতে ১৯৫ রান বড় লক্ষ্য। তাই বলে লড়াইটাও করতে পারবেন না কলকাতা নাইট রাইডার্সের ব্যাটসম্যানরা! শারজায় রীতিমত দলকে লজ্জায় ফেললেন তারা। পুরো ২০ ওভার ব্যাটিং করে ৯ উইকেটে ১১২ রানের বেশি জেতে পারেনি দুইবারের চ্যাম্পিয়নরা। ফলে ৮৪ রানের বড় জয় নিয়ে পয়েন্ট তালিকার তিন নম্বরে ওঠে এসেছে এখন পর্যন্ত শিরোপার মুখ না দেখা রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু। কলকাতার ব্যাটসম্যানদের মধ্যে এক শুভমান গিল ছাড়া কেউ বিশের ঘরও ছুঁতে পারেননি। এই ওপেনার ২৫ বলে করেন ৩৪ রান। এছাড়া আন্দ্রে রাসেল ১০ বলে ১৬ আর রাহুল ত্রিপাথি ১৬ করতে খরচ করেন ২২ বল। ব্যাঙ্গালুরুর পক্ষে ২টি করে উইকেট নেন ক্রিস মরিস আর ওয়াশিংটন সুন্দর। এর আগে ব্যাট হাতে শুরুটা করেছিলেন দেবদূত পাডিক্কেল আর অ্যারন ফিঞ্চ। শেষটা করেন এবি ডি ভিলিয়ার্স আর বিরাট কোহলি। এর মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর ছিলেন ডি ভিলিয়ার্স। প্রোটিয়া এই ব্যাটসম্যানের তাণ্ডবেই ২ উইকেটে ১৯৪ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু। শারজায় টস জিতে ব্যাট করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা পায় ব্যাঙ্গালুরু। দুই ওপেনার পাডিক্কেল আর ফিঞ্চ ৪৬ বলে গড়েন ৬৭ রানের জুটি। ২৩ বলে ৩২ করে আন্দ্রে রাসেলের বলে বোল্ড হন পাডিক্কেল। ফিঞ্চকে বোল্ড করেন প্রসিধ কৃষ্ণা। ৩৭ বলে ৪৭ রান আসে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনারের ব্যাট থেকে। পরের সময়টা শুধুই ডি ভিলিয়ার্সের। সঙ্গী হিসেবে নিয়েছিলেন ব্যাঙ্গালুরু অধিনায়ক বিরাট কোহলিকে। ৪৬ বলে ১০০ রানের হার না মানা জুটি গড়েন তারা। যার মূল অবদান ডি ভিলিয়ার্সের। ২৩ বলে ফিফটি পূরণ করা ডি ভিলিয়ার্স শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৭৩ রানে। ৩৩ বলে গড়া তার দানবীয় ইনিংসটি ছিল ৫ চার আর ৬ ছক্কায় সাজানো। তবে ব্যাঙ্গালুরুর অধিনায়ক কোহলি ছিলেন অনেকটাই ধীরগতির। ২৮ বলে ৩৩ রানের ইনিংসে তার ছিল কেবল একটি বাউন্ডারির মার।
৫ দলীয় টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট আয়োজন করবে বিসিবি
১৩,অক্টোবর,মঙ্গলবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কোনও কর্পোরেট সংস্থাকে না পাওয়া গেলে নিজেদের অর্থায়নেই পাঁচ দলের টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট আয়োজন করবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড- বিসিবি। সোমবার এমনটাই জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন এমপি। আগামী নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে টুর্নামেন্টটি শুরু হবে এবং ঢাকা-সিলেটে ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে। তবে এখনো টুর্নামেন্টের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি বিসিবি। আগামী এক-দুদিনের মধ্যে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। বিসিবি সভাপতি বলেন, এটি কর্পোরেট টুর্নামেন্ট হোক বা বিসিবির ব্যয়ে হোক, আমরা টুর্নামেন্ট আয়োজন করে মাঠে খেলা ফিরিয়ে আনতে পেরেছি। এই পরিস্থিতিতে (কোভিড-১৯) কিভাবে পরিচালনা করা হবে সে ব্যাপারে অভিজ্ঞতা থাকবে। পরিকল্পনা ঘোষণা করে পাপন বলেন, আমরা পাঁচটি দল গঠন করবো। শক্তির দিক দিয়ে সবগুলো দলই প্রায় একইরকম হবে। যদি কোনও কর্পোরেট সংস্থা দল নিতে চায়, তবে তারা তা নিতে পারে। নয়তো বিসিবিই এটি পরিচালনা করবে। ঐ টুর্নামেন্ট থেকে আমাদের অর্থ উপার্জনের কোন পরিকল্পনা নেই। আমাদের প্রথম লক্ষ্য হলো- ঘরোয়া ক্রিকেট ফেরানো এবং পরে আন্তর্জাতিক। এটি নিয়েই আমরা কাজ করছি। এদিকে, আগামী জানুয়ারিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে স্বাগতিক হতে চায় বিসিবি। আর সেই লক্ষ্যের দিকেই এগিয়ে চলছে তারা। এরইমধ্যে ক্রিকেটাররা কোভিড-১৯ মহামারীর মধ্যেই জৈব-সুরক্ষা পরিবেশে মাঠে ফিরেছেন। প্রতিযোগিতামূলক ঘরোয়া ক্রিকেটের পরই আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার অপেক্ষায় আছেন তারা। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নিয়েও পরিকল্পনা রয়েছে। জানুয়ারিতে ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে সিরিজের আগে বড় আকারে টুর্নামেন্ট আয়োজন করে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে চায় বিসিবি। এজন্য, ঢাকা ও সিলেটে ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। বিসিবি সভাপতি বলেন, আমরা টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টটি বড় আকারে করতে পারি। তিনি আর বলেন, বৃহত্তর আকারে এটি আয়োজন করতে পারলে দুটি বিষয় তাদের পক্ষে কাজ করবে। একটি হলো- আমাদের ঘরোয়া ক্রিকেটকে বড় আকারে সাজানো যায়। দুই, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে ফিরিয়ে আনা। বাংলাদেশ দল যেন খুব শীঘ্রই মাঠে নামতে পারে, এ বিষয়ে আমরা কাজ করছি। পাঁচ দলের টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে বিদেশী খেলোয়াড় খেলতে পারবেন কি-না, এ বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি বলেও জানান বিসিবি প্রধান। তিনি বলেন, টি-টুয়েন্টি টুর্নামেন্টে বিদেশী খেলোয়াড়দের আনা হবে কি-না, এ ব্যাপারে আমরা এখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। এমন নয় যে, আমরা বিদেশী খেলোয়াড় আনতে পারবো না। বিদেশী খেলোয়াড়দের অন্তর্ভুক্তি না থাকলেও লোকাল খেলোয়াড়দের ভালো সুযোগ দেখছেন বিসিবি সভাপতি। তিনি বলেন, এখানে মাত্র পাঁচটি দল থাকবে। তাই বিদেশী খেলোয়াড়ের সুযোগ খুবই কম থাকছে। পাঁচ দলে ৭৫জন লোকাল খেলোয়াড় থাকবে এবং ৫৫ জন খেলবে। যদি আমরা দুজন বিদেশী খেলোয়াড়কে সুযোগ দেই, তবে ১০ জন করে লোকাল খেলোয়াড় খেলতে পারবে না। এজন্য আমরা বিদেশী খেলোয়াড় আনবো কি-না, তা নিয়ে ভাবছি। আমাদের প্রথম ইচ্ছা- দেশের ক্রিকেটারদের খেলার পর্যাপ্ত সুযোগ করে দেওয়া।
টি-টোয়েন্টিতে দশ হাজার রান, যা বললেন শোয়েব
১২,অক্টোবর,সোমবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পাকিস্তানের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার শোয়েব মালিক আরও একটি মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে দশ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন এই তারকা। প্রথম এশিয়ান ক্রিকেটার হিসেবে এই কীর্তি গড়েছেন ৩৯ বছর বয়সী শোয়েব। পাকিস্তানের ন্যাশনাল টি-টোয়েন্টি কাপে খাইবার পাখতুনখাওয়ার হয়ে বেলুচিস্তানের বিপক্ষে ৪৪ বলে ৭৪ রানের ইনিংস খেলার পথে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছেন শোয়েব। ৩৬৮ ইনিংসে এই মাইলফলকের দেখা পান তিনি। এই পাকিস্তানি ক্রিকেটারের মোট রান এখন ১০ হাজার ২৭। তার আগে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছেন কেবল ক্রিস গেইল এবং কিয়েরন পোলার্ড। ৩৯৬ ইনিংসে ১৩ হাজার ২৯৬ রান করে সবার ধরাছোঁয়ার বাইরে গেইল এবং ৪৬২ ইনিংস খেলে ১০ হাজার ৩৭০ রান পোলার্ডের। এমন কীর্তি গড়ার পর শোয়েব মালিক সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে নিজের বাবা-মাকে এই মাইলফলকের গৌরব উৎসর্গ করে লিখেন, আমি আমার এই মাইলফলক আমার বাবা-মাকে উৎসর্গ করতে চাই। তাদের দোয়ায় আমি এতদূর আসতে পেরেছি। আমার বাবা যদি আজ বেঁচে থাকতেন, আমার এই কীর্তিতে তিনি অনেক খুশি হতেন। তিনি আরও যোগ করেন, এশিয়ার মধ্যে সর্বপ্রথম ক্রিকেটার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে দশ হাজার রান স্পর্শ করতে পারায় এবং এই যাত্রায় পাকিস্তানের সবাই আমার পাশে থাকায় আমার সব ভক্ত-সমর্থকদের জানাই শুভেচ্ছা। আমি আশা করছি, আমি আমার খেলার মাধ্যমে আরও রান করে নিজেকে সামনে নিয়ে যাবো। এছাড়াও আমি আমার সতীর্থ, গ্রাউন্ড স্টাফ, ভক্ত এবং সমর্থক সবার কাছে কৃতজ্ঞ।
জেলা ফুটবল সচল করার দায়িত্ব নিলেন কাজী সালাউদ্দিন
১১,অক্টোবর,রবিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জেলার ফুটবল সচল করার দায়িত্ব নিজেই নিলেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কাজী মো. সালাউদ্দিন। রোববার বিকেলে বাফুফের নবনির্বাচিত কমিটির প্রথম সভায় বেশ কয়েকটি স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান নিয়োগ দেয়া হয়েছে। জেলা ফুটবল লিগ কমিটির চেয়ারম্যান মনোনীত হয়েছেন বাফুফে সভাপতি নিজে। এর আগে তার হাতে ছিল ডেভেলপমেন্ট কমিটির দায়িত্ব। প্রথম সভা শেষে কাজী মো. সালাউদ্দিন মিডিয়া ব্রিফিংয়ে বলেছেন, আমি জেলা ফুটবলের দায়িত্ব নিলাম। আমি শুনি জেলায় লিগ হয় না অনেক দিন। নিজেই ওটা দেখবো, যাতে ওই গ্যাপটা পূরণ করতে কারো ওপর ভরসা করতে না হয়। প্রথম সভায় ২০ জনের মধ্যে ১৮ জন উপস্থিত ছিলেন। অসুস্থ্য থাকায় প্রথম সভায় উপস্থিত ছিলেন না সদস্য হারুনুর রশীদ ও মাহিউদ্দিন আহমেদ সেলিম। সভা শেষে কাজী মো. সালাউদ্দিন বলেছেন, আমাদের খুবই ভালো সভা হয়েছে। সবার মধ্যে আন্তরিকতা ছিল। সবাই ফুটবলে কাজ করতে এসেছে। নতুন-পুরাতন সবাই কাজের জন্য প্রস্তুত। আমরা কিছু কমিটির চেয়ারম্যান ঠিক করে দিয়েছি। কারণ, আমাদের খুব তাড়াতাড়ি কাজ শুরু করতে হবে। সিনিয়র সহসভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদীকে এবারও প্রফেশনাল লিগ কমিটি এবং ফিন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে। ন্যাশনাল টিমস কমিটির চেয়ারম্যান পদেও পুরনো মুখ কাজী নাবিল আহমেদ, মহিলা কমিটির চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ এবং স্কুল ফুটবল লিগ কমিটির চেয়ারম্যান বিজন বড়ুয়া। এর আগে ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন কাজী মো. সালাউদ্দিন। এবার সেই দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বাফুফেতে প্রথম সহসভাপতি নির্বাচিত হওয়া আতাউর রহমান ভুঁইয়া মানিককে। রেফারিজ কমিটির চেয়ারম্যান জাকির হোসেন চৌধুরী, গত বছর ঢাকা মহানগরী ফুটবল লিগ কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন হারুনুর রশীদ। এবার তাকে কম্পিটিশন কমিটির চেয়ারম্যান করে লিগ কমিটির চেয়ারম্যান মনোনীত করা হয়েছে আরেক নতু সহসভাপতি ইমরুল হাসানকে। লিগ্যাল কমিটির চেয়ারম্যান কাজী নাবিল আহমেদ, বিচ ফুটবল অ্যান্ড ফুটসাল কমিটি, এথিক্স অ্যান্ড ফেয়ার প্লে কমিটি আজমল হোসেন কিউসি, প্লেয়ার্স স্ট্যাটাস কমিটি আখতার হোসেন খান, ডিসিপ্লিনারি কমিটি মেজবাহ উদ্দিন, আপীল কমিটি আবদুল মুয়ীদ চৌধুরীকে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়েছে।
ছয় বছরে অষ্টমবার প্রশ্নবিদ্ধ হলো নারাইনের বোলিং অ্যাকশন
১১,অক্টোবর,রবিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শনিবার তার দুর্দান্ত বোলিংয়েই ২ রানে শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচ জিতেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের বিপক্ষে ম্যাচ জেতানো স্পেল করার দিনই প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে সুনীল নারাইনের বোলিং অ্যাকশন। তবে আইপিএলের নিয়ম অনুযায়ী বোলিং চালিয়ে যেতে পারবেন তিনি। তবে আম্পায়ারদের তীক্ষ্ণ নজরদারিতে থাকবেন এই ক্যারিবিয়ান স্পিনার। চলমান আসরে আরেকবার অ্যাকশন প্রশ্নবিদ্ধ হলে নিষিদ্ধ হবেন তিনি। তখন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের ছাড়পত্র পেলেই বোলিংয়ের সুযোগ পাবেন। সুনীল নারাইনের বোলিং অ্যাকশন প্রশ্নবিদ্ধ হওয়া নতুন নয়। ২০১৪ চ্যাম্পিয়ন্স লীগ টি-টোয়েন্টিতে দুইবার বোলিং অ্যাকশন প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ায় নিষিদ্ধ হন। অ্যাকশন নিয়ে কাজ করার জন্য ২০১৫ ওয়ানডে বিশ্বকাপের ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। তাতে লাভ হয়নি। ২০১৫ আইপিএলে দুবার অ্যাকশন প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে বোলিংয়ে নিষেধাজ্ঞা পান। অ্যাকশন পরীক্ষার পর তার অফস্পিন ডেলিভারি নিষিদ্ধ হয়। এরপর বোলিংয়ের অনুমতি পান। সে বছরের নভেম্বরে জাতীয় দলের হয়ে খেলার সময় তার অ্যাকশন নিয়ে আবারো প্রশ্ন তোলেন আম্পায়াররা। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে খেলার সময় অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর পরীক্ষায় উতরে যান। এরপর ২০১৮ সালে পাকিস্তান সুপার লীগে অ্যাকশন প্রশ্নবিদ্ধ হয়। পরীক্ষায় কোন ত্রুটি ধরা না পড়ায় মুক্তি পান। ২০১২ সাল থেকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের অপরিহার্য ক্রিকেটার সুনীল নারাইন। জাতীয় দলে নিয়মিত না খেললেও বিশ্বজুড়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে নারাইনের চাহিদা ব্যাপক। জাতীয় দলের হয়ে সর্বশেষ খেলেছেন গত বছরের আগস্টে।
পুত্র সন্তানের বাবা হলেন মিরাজ
১০,অক্টোবর,শনিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পুত্র সন্তানের বাবা হলেন ক্রিকেটার মেহেদী হাসান মিরাজ। শনিবার সকাল ১০টায় পুত্র সন্তানের জন্ম দিয়েছেন মিরাজের স্ত্রী রাবেয়া আক্তার প্রীতি। জানা যায়, মা ও ছেলে দুইজনই সুস্থ আছে। সন্তানের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন মিরাজ। শিশুটির নাম এখনো জানানো হয়নি। এ নিয়ে মিরাজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, আসসালামু আলাইকুম। আলহামদুলিল্লাহ, আনন্দের সহিত জানাচ্ছি যে, আজ আনুমানিক সকাল ১০টার সময় আমি পুত্র সন্তানের বাবা হয়েছি। আমার প্রথম সন্তানের জন্য সবাই দোয়া করবেন। সকল প্রশংসা মহান আল্লাহ তালার। প্রসঙ্গত, গত বছরের মার্চ মাসে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন মিরাজ। খুলনার মেয়ে রাবেয়া আক্তার প্রীতির সাথে ৬ বছর প্রেমের পর বিয়ে করেন তিনি। ঢাকঢোল না বাজিয়ে ঘরোয়া পরিবেশেই হঠাৎ করে শুভকাজটি সম্পন্ন করেছিলেন এই তরুণ ক্রিকেটার। গত বছর ওই সময়টাতে নিউজিল্যান্ড সফরের ধাক্কার পরে জাতীয় বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারই বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন। তাদের মধ্যে মিরাজও একজন। বিয়ের দেড় বছরের মাথায় প্রথম সন্তানের মুখ দেখলেন মিরাজ। রাজধানীর একটি হাসপাতালে শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ১০টা নাগাদ মিরাজের প্রথম সন্তান পৃথিবীতে এসেছে বলে নিশ্চিত করেছে তার ঘনিষ্ঠজন।