বিজেপিকে নিয়ে মেয়ের পোস্ট ঘিরে বিতর্ক, মুখ খুললেন সৌরভ
১৯ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে উত্তাল গোটা ভারত। নিজের ইনস্টাগ্রামে ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট ও সাবেক ক্রিকেটার সৌরভ গাঙ্গুলীর মেয়ে সানা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে একটি পোস্ট করেন। যা নিয়ে রীতিমতো হইচই পড়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় সৌরভ গাঙ্গুলী আবেদন জানালেন, তার মেয়ে সানাকে এর মধ্যে না জড়াতে। সৌরভ-কন্যা সানা তার সেই পোস্টে লেখক খুশবন্ত সিংয়ের দ্য এন্ড অফ ইন্ডিয়া বইয়ের একটি অংশ তুলে ধরেন। সেখানে লেখা ছিল- যারা মনে করছেন আমরা তো মুসলিম বা খ্রিস্টান নই! তাই আমাদের চিন্তার কোনও কারণ নেই! তারা আসলে মূর্খের স্বর্গে বাস করছেন। পশ্চিমি সংস্কৃতি পছন্দ করা যুবসমাজ ও বামপন্থী ইতিহাসবিদদের আক্রমণ করতে শুরু করেছে সঙ্ঘ। ভবিষ্যতে ওদের নজর পড়বে স্কার্ট পরা মেয়ে, মাংস খাওয়া লোকজন, মদ্য পান করা, বিদেশি সিনেমা দেখা, বছরে একবার অন্তত তীর্থযাত্রায় না যাওয়া লোকজনদের উপর। ওদের নজর পড়বে মাজনের বদলে টুথপেস্ট ব্যবহার করা লোকজনের উপর। আমরা কেউ আর নিরাপদ নই। ভারতকে বাঁচাতে হলে এই সত্যিটা আমাদের বুঝতে হবে। পোস্ট করার কিছুক্ষণের মধ্যেই অবশ্য সানা সেটি ডিলিট করেন। ততক্ষণে অবশ্য সেই পোস্ট ভাইরাল হয়ে যায়। এদিকে, মেয়ের এই পোস্ট ঘিরে বিতর্কের আবহাওয়া তৈরি হওয়ায় টুইট করেন সৌরভ গাঙ্গুলী। সেখানে তিনি লেখেন, সানাকে এর মধ্যে জড়াবেন না...এই পোস্টটি সত্যি নয়। ও বড় ছোট এই সব রাজনীতি বোঝার মতো। সৌরভের দাবি, রাজনৈতিক বিষয়ে জানার মতো বয়স তার মেয়ের হয়নি। তাই সানাকে কোনও কিছুর মধ্যে না জড়ানোর আবেদন জানান। তবে সৌরভের এই পোস্ট নেটিজেনরা নাকি ভালোভাবে নেননি।
ভারতকে বড় ব্যবধানে হারাল ক্যারিবীয়রা
১৬ডিসেম্বর,সোমবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: টি-টোয়েন্টি সিরিজে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতলেও ওয়ানডে সিরিজে এসে প্রথম ম্যাচেই ৮ উইকেটে হেরেছে স্বাগতিক ভারত। ২৮৮ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ২ ওভার এক বল হাতে রেখেই জয় তুলে নিয়েছে ওয়েস্ট-ইন্ডিজ। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে চেন্নাইয়ের এমএ চিদম্বরম স্টেডিয়ামে টস জিতে স্বাগতিকদের ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় উইন্ডিজ অধিনায়ক কায়রন পোলার্ড। ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি ভারতীয় তিন টপ-অর্ডার। ওপেনার রোহিত শর্মা ২৩ রানে বিদায়ের আগে ৬ রানে বিদায় নেন আরেক ওপেনার লোকেশ রাহুল আর ভিরাট কোহলি ফেরেন ৪ রানে। এরপর ৭০ রানের ইনিংস খেলেন শ্রেয়াস আইয়ার আর ৭১ রানের ইনিংস খেলেন ঋষভ পন্থ। শেষদিকে উম্মেশ যাদবের ৪০ ও রবীন্দ্র জাদেযার ২১ রানে ভর করে ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৮৭ রান তুলে ভারত। ক্যারিবীয়দের হয়ে ২টি করে উইকেট নেন শেলডন কট্রেল, কেমো পল ও আলজারি জোশেপ। ১ উইকেট নেন কাইরন পোলার্ড। জবাবে ব্যাট করতে নেমে যেন টেস্ট খেললেন উইন্ডিজ ওপেনার শাই হোপ। আরেক ওপেনার সুনীল অ্যাম্ব্রিস ৯ রানে সাজঘরে ফিরলেও হোপ খেলেন ১৫১ বলে ১০২ রানের ইনিংস। অপরাজিতই থেকে যান শেষ পর্যন্ত। হোপ ছাড়াও শতক হাঁকান শিমরন হেটমেয়ার। ১০৬ বলে খেলেন ১৩৯ রানের ইনিংস। হেটমেয়ার আউট হয়ে গেলেও নিকোলাস পুরাণ অপরাজিত ২৯ রানে অপরাজিত থেকে ম্যাচ শেষ করেন হোপকে নিয়ে। ভারতের হয়ে একটি করে উইকেট নেন দ্বীপক চাহার ও মোহাম্মদ শামী। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ১৮ ডিসেম্বর ভিশাখাপত্থম স্টেডিয়ামে।
ফের পাকিস্তানের স্পিন বোলিং পরামর্শদাতা মুস্তাক আহমেদ
১৪ডিসেম্বর,শনিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাবেক লেগ-স্পিনার মুস্তাক আহমেদকে জাতীয় দলের স্পিন বোলিং পরামর্শদাতা হিসেবে নিয়োগ করল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। আগামী এক বছরের জন্য মুস্তাক এই দায়িত্বে থাকবেন। সূত্রের খবর, পাকিস্তান দলের লেগ-স্পিনার ইয়াসির শাহের বোলিং ধারালো করতে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেবেন মুস্তাক আহমেদ। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ৪ উইকেট নিয়েছেন ইয়াসির। পাকিস্তানের ঘরোয়া ক্রিকেটসহ অনূর্ধ্ব-১৬ ও অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বোলিং পরামর্শদাতা হিসেবেও তিনি কাজ করবেন। এর আগেও পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে কোচিং করানোর সুযোগ পেয়েছেন সাবেক লেগ-স্পিনার মুস্তাক আহমেদ। ২০১৪ সালের মে মাসে জাতীয় দলের স্পিন বোলিং পরামর্শদাতা হিসেবেই তাকে নিয়োগ করেছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। সেসময় পাক জাতীয় দলের প্রধান কোচ ছিলেন সাবেক কিংবদন্তি পেসার ওয়াকার ইউনিস। দেশের হয়ে ৫২টি টেস্ট ও ১৪৪টি ওয়ান ডে খেলা মুস্তাক ২০০৮ থেকে ইংল্যান্ডের স্পিনং কোচিংয়ের দায়িত্ব সামলেছেন। ১৯৯০ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত এই ১৩ বছর দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন ৷ ১৯৯২ পাকিস্তানের বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য ছিলেন তিনি ৷ টেস্টে ১৮৫টি এবং ওয়ানডেতে ১৬১টি উইকেট নেওয়া লেগ-স্পিনারের উপর আবার আস্থা দেখাল পিসিবি। আন্তর্জতিক স্তরে অভিজ্ঞতার কথা বিবেচনা করেই লেগ-স্পিনারকেই স্পিন বোলিংয়ের পরামর্শদাতা হিসেবে বেছে নেন পিসিবি কর্মকর্তারা।
ঢাকার বিপক্ষে রাজশাহীর বড় জয়
১২ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধু বিপিএলের তৃতীয় ম্যাচ এটি। গতকাল বুধবার উদ্বোধনী ম্যাচটাই হয়েছিল মোটামুটি হাই-স্কোরিং ম্যাচের। উত্তেজনাও ছিল সেই ম্যাচে। পরের ম্যাচটা ছিল একপেশে। বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিনের প্রথম ম্যাচে খেলেছে ঢাকা প্লাটুন ও রাজশাহী রয়্যালস। তারকা সমৃদ্ধ দু দলই উপহার দিয়েছে ম্যাডম্যাডে একটা ম্যাচ। টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন রাজশাহীর অধিনায়ক আন্দ্রে রাসেল। ব্যাটিংয়ে নেমে ঢাকার লম্বা ব্যাটিং লাইন-আপ নিমেষেই ভেঙ্গে যায় রাজশাহীর বোলারদের তোপে। ঢাকার ওপেনার তামিম ইকবাল ৫ রানে ফেরার পর এনামুল হক বিজয় ধীর ব্যাটিংয়ে কটা রান তোলেন। তবে বাকি ব্যাটসম্যানরা হতাশ করেই চলেন। হার্ড-হিটার শাহীদ আফ্রিদী তার চির চেনা ডাক দিয়ে শুরু করেন এবারের বিপিএল। বিজয়ের ৩৮ রানের পর শেষ দিকে মাশরাফি বিন মুর্তজার ১৮ আর ওহাব রিয়াজের ১৯ রানে ভর করে ৯ উইকেটে ১৩৪ রান তুলে ঢাকা প্লাটুন। রাজশাহীর হয়ে ২টি উইকেট নেন আবু জায়েদ। ১টি করে উইকেট পান তাইজুল ইসলাম, ফরহাদ রেজা, অলোক কাপালি ও রবি বোপারা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ঢাকার দেয়া ১৩৪ রান তুলতে রাজশাহীকে খরচ করতে হয় মাত্র ১টি উইকেট। লিটন দাস ২৭ বলে ৩৯ রানের ইনিংস খেলে সাজঘরে ফেরার পর হজরতুল্লাহ জাজাই তুলে নেন ৪৫ বলে অর্ধশত রান। আফগান ওপেনারের সঙ্গে শোয়েব মালিকও রান তুলতে থাকেন ব্যাটে-বলে সমান তালে। জাজাই শেষ পর্যন্ত ৪৭ বলে ৫৬ রানে অপরাজিত থেকে শেষ করেন ম্যাচ। ১০ বল হাতে রেখে ৯ উইকেটের জয় তুলে নেয় রাজশাহী রয়্যালস।
সিলেটকে হারিয়ে চট্টগ্রামের শুভ সূচনা
১১ডিসেম্বর,বুধবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আন্ডারডগ হিসেবে মাঠে নামবে সিলেট থান্ডার্স।এমনটাই বলেছিলেন সিলেটের প্রধান কোচ হার্শেল গিবস। দলটায় তেমন কোনও বড় নামও নেই। তাতেও দুর্দান্ত খেলেছে মোহাম্মদ মিঠুন-জনসন চার্লসরা। যদিও শেষ পর্যন্ত হারতে হয়েছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সদের বিপক্ষে।বঙ্গবন্ধু বিপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে দুপুরে টস জিতে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়ক রায়াদ এমরিত সিদ্ধান্ত নেন বোলিংয়ের। ব্যাটি করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে রুবেল হোসেনের বলে সিলেট ওপেনার রনি তালুকদার মাত্র ৫ রান করে ফেরেন সাজঘরে। এরপর ৪৭ রানের জুটি গড়েন মিঠুন-চার্লস। যদিও চার্লস ২৩ বলে ৩৫ রান করে ফেরেন সাজঘরে। কিন্তু একপ্রান্ত আগলে রাখেন মিঠুন। অপরাজিত থেকে খেলেন ৮৪ রানের লম্বা ইনিংস। তাতে ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৬২ রান তুলে সিলেট থান্ডার্স। দলের অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন করেন ২৯ রান। চট্টগ্রামের হয়ে ২ উইকেট নেন রুবেল হোসেন ও ১টি করে উইকেট নেন নাসুম আহমেদ ও রায়াদ এমরিত। সিলেটের দেয়া ১৬৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের চতুর্থ ওভারেই জুনাইদ সিদ্দিকীর উইকেট হারায় চট্টগ্রাম। নাজমুল ইসলামের করা একই ওভারের শেষ বলে নাসির হোসেনও সাজঘরে ফেরেন শূন্য রানে। তবে ওপেনার আভিষ্কা ফার্নান্দো ইমরুল কায়েসকে নিয়ে সচল রাখেন রানের চাকা। লঙ্কান ওপেনার করেন ৩৩ রান ২৬ বলে। মাঝে রায়ান বার্লকে ৩ রানে ফেরান মোসাদ্দেক। এরপর চাদউইক ওয়ালটনকে নিয়ে জুটি গড়েন ইমরুল। দুইজনের ৮৬ রানের জুটিতে জয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যায় চ্যালেঞ্জার্সরা। ইমরুল শেষ পর্যন্ত ৩৮ বলে ৬১ (৫ ছয়, ২ চার) রান করে ফেরেন এবাদত হোসেনের বলে ক্যাচ দিয়ে। শেষে দিকে ওয়ালটন ও নুরুল হাসানের ব্যাটে ভর করে ৫ উইকেটে আসরের প্রথম জয় তুলে নেয় চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। সিলেটের হয়ে ২ উইকেট নেন নাজমুল হাসান ও ১টি করে উইকেট নেন ক্রিস্টোফার সান্টোকি, এবাদত হোসেন এবং মোসাদ্দেক হোসেন।
শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে এবার ক্রিকেটে বাংলাদেশের স্বর্ণ জয়
০৯ডিসেম্বর,সোমবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এসএ গেমসে ক্রিকেটের ইভেন্টের ফাইনালে শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-১৯ দলকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে স্বর্ণ জিতেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। সোমবার নেপালের কির্তিপুর ত্রিভুবন ইউনিভার্সিটি ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট গ্রাউন্ডে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১২২ রান করে শ্রীলঙ্কা। জবাব দিতে নেমে ১২ বল আর ৭ উইকেট হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় লাল-সবুজের জার্সিধারীরা। এদিন, হারলেও ব্যাটিংয়ে শুরুটা ভালোই করেছিল লঙ্কানরা। উদ্বোধনী জুটিতেই তারা তুলে ফেলে ২৮ বলে ৩৬ রান। পঞ্চম ওভারে সুমন খানের বলে ওপেনার নিশান মধুশাঙ্কা ফার্নান্দো ১৬ রানে আউট হয়ে যান আফিফ হোসেন ধ্রুবর হাতে ক্যাচ দিয়ে। পাথুম নিসাঙ্কা আউট হন ২৪ বলে ২২ রান করে। সর্বোচ্চ ২৫ রান করেন মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান শাম্মু আসান। ১২ রান আসে অধিনায়ক চারিথ আসালঙ্কার ব্যাট থেকে। বাংলাদেশের হয়ে ৪ ওভারে ২০ রান খরচায় ৩টি উইকেট নেন হাসান মাহমুদ। তানভির ইসলাম নেন ২ উইকেট। আর ৪ ওভারে মাত্র ১৬ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন পেসার সুমন খান। জবাব দিতে নেমে সাইফ হাসানের সঙ্গে ৪৭ বলে ৪৪ রান উদ্বোধনী জুটি গড়েন সৌম্য সরকার। ২৮ বলে ৪ বাউন্ডারিতে ২৭ রান করে সৌম্য হন মেন্ডিসের শিকার। এরপর রানআউটের কবলে পড়েন ঝড়ো ব্যাটিং করতে থাকা সাইফ হাসান। ৩০ বলে ৩ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় ৩৩ রান করেন ডানহাতি এই ওপেনার। ঝড় তুলতে চেয়েছিলেন ইয়াসির শাহও। দলের রান একশ পার হবার পর ১৬ বলে ১টি করে চার ছক্কায় ১৯ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন তিনি। কিন্তু অধিনায়কের মতোই খেলেছেন শান্ত। দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দলকে একেবারে জয়ের বন্দর পর্যন্ত নিয়ে গেছেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। ২৮ বলে ২ বাউন্ডারি আর ১ ছক্কায় ৩৫ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। আফিফ হোসেন সঙ্গে ছিলেন ৫ রানে।
মালদ্বীপ ৬ রানে অলআউট, বাংলাদেশের বিশাল জয়
০৫ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দক্ষিণ এশিয়ান গেমসের (এসএ গেমস) টি-টোয়েন্টিতে মালদ্বীপকে ৬ রানে অলআউট করেছে বাংলাদেশ নারী দল। এতে ২৪৯ রানের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে বাংলাদেশ দল। বৃহস্পতিবার প্রথমে ব্যাট করে নিগার সুলতানা ও ফারজানা হকের জোড়া শতকে ২ উইকেটে ২৫৫ রানের সংগ্রহ করে টাইগ্রেসরা। দুই ওপেনার শামিমা সুলতানা ৫ ও সানজিদা ইসলাম ৭ রান করে বিদায় নেন। নিগার ও ফারজানা ২৩৬ রানের জুটি গড়েন। ৬৫ বলে ১১৩ রানে অপরাজিত ছিলেন নিগার। ১৪টি চার ও তিনটি ছয় হাঁকিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে ৫৩ বলে ১১০ রানের ইনিংস খেলতে ২০টি চার দিয়ে ইনিংস সাজান ফারজানা। বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই গুটিয়ে যায় দুর্বল মালদ্বীপ। বাংলাদেশের হয়ে রিতু ইসলাম তিনটি উইকেট শিকার করেন। দুটি উইকেট তুলেছেন সালমা ইসলাম। দক্ষিণ এশিয়ার অলিম্পিক খ্যাত এই আয়োজনে নিজেদের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৭ উইকেটের জয় পায় সালমার দল। দ্বিতীয় ম্যাচে স্বাগতিক নেপালকে ১০ উইকেটে হারিয়ে দেয় লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
এশিয়ান গেমসে মালদ্বীপকে হারিয়েছে সৌম্যরা
০৪ডিসেম্বর,বুধবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অভিষেক না হওয়া মালদ্বীপকে উড়িয়ে দেয়াটাই স্বাভাবিক। এশিয়ান গেমস ছেলেদের ক্রিকেটে বাংলাদেশ দলে আছে জাতীয় দলের সৌম্য সরকার, আফিফ হোসেন ধ্রুব, নাঈম শেখরা। সেখানে বড় জয় না পাওয়াটাই অস্বাভাবিক বলা যায়। সকালে ত্রি-ভুবন ইউনিভার্সিটি ক্রিকেট মাঠে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল অধিনায়ক নাজমুল হাসান শান্ত। ব্যাটিংয়ে নেমে মালদ্বীপের বোলারদের তুলো ধুনো করলেও বলা যায় ব্যর্থ হয়েছেন ব্যক্তিগতভাবে। নাঈম, সৌম্য, আফিফরা খেলতে পারেনি বড় ইনিংস। নাঈমের ৩৮, সৌম্যর ৪৬ আর নাজমুল হাসান শান্তর ৪৯ রানে ভর করে ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৭৪ রান তোলে বাংলাদেশ। মালদ্বীপের হয়ে ১টি করে উইকেট নেন ইব্রাহীম হাসান, আযায়ান ফারাথ ও মোহাম্মদ মাহফুজ। বাংলাদেশের দেয়া ১৭৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শেষ ওভার পর্যন্ত খেলে মালদ্বীপের ব্যাটাররা। যদিও দুই ওপেনার আহমেদ হাসানের ১০ আর আলী ইভানের ১২ রান ছাড়া বাকি ৯ ব্যাটসম্যানের কেউই পার করতে পারেনি দশ রানের কোটা। তাতে ১০৯ রানে হেরে যায় মালদ্বীপ। স্পিনার তানভিরুল ইসলাম ৪ ওভারে ১৯ রান দিয়ে নেন ৫ উইকেট। এছাড়া মিনহাজুল আবেদীন আফ্রিদি ও আফিফ হোসেন ধ্রুব নেন ২টি করে উইকেট, ১ উইকেট নেন সৌম্য সরকার। আগামী ৬ ডিসেম্বর ভুটানের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ।