বাংলাদেশ গেমসে অংশ নিতে প্রস্তুত ওরা
১০,ফেব্রুয়ারী,বুধবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এক মাসের কঠোর অনুশীলন শেষ। পুরো সময়টা তারা মাঠে ঘাম ঝরিয়ে নিজেদের প্রস্তুত করেছেন। প্রত্যাশা আসন্ন বাংলাদেশ গেমসে অংশ নেয়া। কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার অনূর্ধ্ব-১৬ বছর বয়সী ২০ জন বালক এবং ২০ জন বালিকা অংশ নেন মাসব্যাপী হকি প্রশিক্ষণে। শেষ হয়েছে তাদের প্রশিক্ষণ। মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শহরের আরজত আতরজান উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে প্রশিক্ষণে অংশ নেয়া খেলোয়াড়দের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়। প্রশিক্ষণ শেষ করা খেলোয়াড়দের হাতে সনদপত্র তুলে দেন কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কিশোরগঞ্জ জেলা ক্রীড়া অফিসার আল-আমিন সবুজ। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা ক্রীড়া পরিদপ্তরের বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচির আওতায় কিশোরগঞ্জ জেলা ক্রীড়া অফিস এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করে। প্রশিক্ষণে কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কিশোরগঞ্জ জেলা হকি কোচ রিপেল হাসান। প্রশিক্ষণে অংশ নেয়া খেলোয়াড়দের নিয়ে আসন্ন বাংলাদেশ গেমসে কিশোরগঞ্জ নারী হকি দল গঠন করা হবে বলে জানান জেলা ক্রীড়া অফিসার আল আমিন। সার্টিফিকেট বিতরণ অনুষ্ঠানে আরজত আতরজান উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুবকর ছিদ্দিক, স্কুলের ক্রীড়া শিক্ষক মো. আবদুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, গত মাসের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) নির্বাহী কমিটির সভায় বাংলাদেশ গেমসের তারিখ চূড়ান্ত করা হয়েছে আগামী ১-১০ এপ্রিল। আগামী ২৭ মার্চ থেকে ৯ এপ্রিল মওলানা ভাসানী স্টেডিয়ামে হবে হকি ডিসিপ্লিনের খেলা।
বার্সাকে টপকে দুইয়ে রিয়াল
১০,ফেব্রুয়ারী,বুধবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: লা লিগায় বার্সেলোনাকে টপকে পয়েন্ট তালিকার দুইয়ে ফিরল শিরোপাধারীরা। এর আগে সমান পয়েন্ট থাকলেও গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় দুইয়ে ছিল বার্সা আর তিনে ছিল রিয়াল। এবার গেতাফের বিপক্ষে প্রত্যাশিত জয়ে ৩ পয়েন্টে এগিয়ে গেল রিয়াল মাদ্রিদ। মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে আলফ্রেদো দি স্তেফানো স্টেডিয়ামে গেতাফের বিপক্ষে ২-০ গোলে জিতেছে জিনেদিন জিদানের দল। করিম বেনজেমার গোলে দলটি এগিয়ে যাওয়ার পর ব্যবধান বাড়ান ফেরলঁদ মঁদি। লিগে এই প্রথম টানা দুটি জয় পেল রিয়াল। যদিও এই ম্যাচে একাদশ সাজাতে ওলট-পালট করতে হয়েছে কোচ জিদানকে। কেননা সের্হিও রামোস, এদেন আজার, ফেদে ভালভেরদেসহ আট জন চোটাক্রান্ত। হলুদ কার্ডের খাড়ায় নিষিদ্ধ টনি ক্রুস। নিয়মিতদের মধ্যে মাত্র ১২ জন সুস্থ খেলোয়াড়কে নিয়ে দল সাজান জিদান। তবে শুরু থেকেই আধিপত্য ধরে রাখে রিয়াল। কিন্তু আক্রমণে ছিল না তেমন ধার। তারপরও শুরুর দিকেই দারুণ দুটি সুযোগ পায় তারা। কিন্তু সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি। তাই প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকতে হয়েছে রিয়ালকে। দ্বিতীয়ার্ধে নেমেও আরও কয়েকটি ভালো সুযোগ নষ্ট হয় রিয়ালের। অবশেষে ৬০তম মিনিটে গোলের খড়া কাটে তাদের। ডান দিক থেকে ভিনিসিউস জুনিয়রের দারুণ ক্রসে লাফিয়ে নেওয়া হেডে দলকে এগিয়ে দেন বেনজেমা। এ নিয়ে আসরে তার গোল হলো ১১টি। এর ছয় মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করে মঁদি। বাঁ দিক থেকে মার্সেলোর বাড়ানো ক্রসে টোকা দিয়ে বল জালে পাঠান মঁদি। আসরে মার্সেলোর এটি প্রথম অ্যাসিস্ট, আর মঁদির প্রথম গোল। বাকী সময়ে কোন পক্ষই আর গোলের দেখা পায়নি। ফলে দুই গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে জিদানের শিষ্যরা। ২২ ম্যাচে ১৪ জয় ও চার ড্রয়ে রিয়ালের পয়েন্ট হলো ৪৬। এক ম্যাচ কম খেলা বার্সেলোনা ৩ পয়েন্ট কম নিয়ে নেমে গেছে তিন নম্বরে। আর ২০ ম্যাচে ৫১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ।
টাইগার যুবাদের বিশ্বকাপ জয়ের এক বছর
৯,ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ থেকে ঠিক এক বছর আগে বাংলাদেশ ক্রিকেটে নতুন এক ইতিহাস লেখা হয়েছিল। বিশ্ব ক্রিকেট মানচিত্রেও সামনের কাতারে স্থান পায় টাইগারা। ২০২০ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ আফ্রিকায় অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে শক্তিশালী ভারতকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় আকবর আলীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ। পচেফস্ট্রুমে স্নায়ুক্ষয়ী ফাইনালে চারবারের চ্যাম্পিয়ন ভারতকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ। ফাইনালে ভারতকে বৃষ্টি আইনে হারিয়ে ট্রফি জেতে যুবা টাইগাররা। ১৭৮ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ভারতীয় যুবাদের ৩ উইকেটে হারিয়েছে আকবর আলীর দল। প্রথমে ব্যাট করে ৪৭.২ ওভারে ১৭৭ রান করে অলআউট হয় ভারত। যেকোনো ধরনের ক্রিকেটে সেবারই প্রথম বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয় টাইগাররা। এর আগে জাতীয় দল হোক বা বয়সভিক্তিক, এমনকি মেয়েদের ক্রিকেটেও কখনো বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি বাংলাদেশ। ২০১৬ সালে ঘরের মাটিতে আয়োজিত অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো সেমিফাইনাল খেলেছিল বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ-উইন্ডিজ সিরিজ ২০২১: উপমহাদেশে রেকর্ড, মায়ার্সের সফলতার রহস্য
৭,ফেব্রুয়ারী,রবিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশকে বলতে গেলে একাই হারিয়ে দিয়েছেন কাইল মায়ার্স। অভিষেক টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েছেন এই ক্যারিবীয়। টেস্টে ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকানো তালিকায় মায়ার্স নাম লিখিয়েছেন ছয় নম্বরে। কতটা ঠাণ্ডা মাথায় ধৈর্য ধরে টিকে ছিলেন ম্যাচের শেষ পর্যন্ত। নিজের রেকর্ডেই শেষ নয়, উপমহাদেশে এত রান তাড়া করে আর কোনো দল জিততে পারেনি এতদিন। ২০১৭ সালে কলোম্বোতে জিম্বাবুয়ের দেয়া ৩৮৮ রানের দেয়া লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৪ উইকেট হাতে রেখেই জয় তুলে নেয় শ্রীলঙ্কা। সেই রেকর্ড পেছনে ফেলেছে সফরকারী জিম্বাবুয়ে। চট্টগ্রামে বাংলাদেশের দেয়া ৩৯৫ রান তাড়া করে জিতেছে ৩ উইকেটে। এর পেছনে যার অবদান সবচেয়ে বেশি তিনি অভিষিক্ত কাইল মায়ার্স। সঙ্গে ছিলেন এনক্রুমাহ বনার। এই দুজনের ২১৬ রানে জুটিতে ম্যাচ থেকে অনেকটা ছিটকে যায় বাংলাদেশ। বনারের ফেরার পরও নিজেকে সাবলীল রেখে ঠান্ডা মাথায় বাংলাদেশকে হারিয়ে দিয়েছেন কাইল মায়ার্স। ৩১০ বলে ২১০ রানে অপরাজিত থেকে রেকর্ড জয় এনে দেন দেশকে। ম্যাচ শেষে মায়ার্স জানিয়েছেন তার এমন সফলতার রহস্য নিয়ে। এই ক্যারিবীয় বলেছেন, তিনি সব সময় ইতিবাচক চিন্তা করেন। এই ইনিংস খেলার সময়ও ইতিবাচক ছিলেন। আমি সব সময় একজন ইতিবাচক ব্যক্তি। আমি সর্বদা আমার দক্ষতা এবং আমার দলের উপর বিশ্বাসী। আমরা কখনোই হাল ছাড়িনি। আমি ড্রেসিং রুমে বলেছিলাম, আমাদের লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। কাইল মায়ার্স শিকার করেছেন, চট্টগ্রামের মাঠে শুধু বোলারদের বিপক্ষেই লড়তে হয়নি, পিচের বিপক্ষেও লড়তে হয়েছে তাকে। কোচ এবং অধিনায়ক বলেছে, শুধু বোলারদের বিপক্ষে নয় পিচের বিপক্ষেই লড়তে হবে। শ্যানন গ্যাব্রিয়েল অনেক চেষ্টা করেছে এই ম্যাচে জেতার এবং সেটিই হয়েছে। এর জন্য আমার অবদান এবং ডাবল সেঞ্চুরি করতে পেরে গর্বিত মনে করছি নিজেকে। আমি আমার দল, সমর্থক এবং পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।
উইন্ডিজদের প্রয়োজন ২৮৫ রান, বাংলাদেশের ৭ উইকেট
৬,ফেব্রুয়ারী,শনিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রথম ইনিংসের সবচেয়ে সফলতম ব্যাটসম্যান ক্রেইগ ব্যার্থওয়েটকে থামিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তার আগে দলীয় ৩৯ রানে জন ক্যাম্পবেল ও ৫৯ রানে শায়নে মোসলেকে বিদায় করেন মিরাজ। শনিবার চট্টগ্রাম টেস্টের বাংলাদেশের দেয়া ৩৯৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। চতুর্থ দিন শেষে উইন্ডিজদের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১১০ রান। শেষ দিনে এই ম্যাচটি নিজের করে নিতে সফরকারীদের প্রয়োজন ২৮৫ রান। অন্যদিনে ৭ উইকেট নিলেই দুই ম্যাচের সিরিজে এগিয়ে যাবে টাইগাররা। দিন শেষে ৬৩ বল খেলে ১৫ রান করেছেন এনক্রুমা বোনার। তার সঙ্গে ক্রিজে আছেন ৫০ বলে ৩৭ রান করা কাইল মায়ের্স। আগের ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের অধিনায়ক ব্যার্থওয়েটের ব্যাট থেকে এসেছিল ৭৬ রানের ইনিংস। দ্বিতীয় ইনিংসে ৫৫ বলে ২০ রান করেন। মিরাজের বলে শর্ট লেগে থাকা বদলি ফিল্ডার ইয়াসির আলী দুর্দান্ত এক ক্যাচ ধরেন। এদিকে ৫০ বলে ২১ রান করা ক্যাম্পবেল এলবিডব্লিউ হন তিনি। তিন নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ২৪ বলে ১২ রানের ইনিংস খেলেন শায়ানে মোসলে। তার পরিণতি হয় একই রকম। এর আগে মুমিনুল হকের সেঞ্চুরিতে দ্বিতীয় ইনিংসে ৮ উইকেট হারিয়ে ২২৩ রান করে বাংলাদেশ। মুমিনুল হকের সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে ৩৯৫ রানের লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে টেস্টে দশটি সেঞ্চুরি করার কীর্তি গড়লেন মুমিনুল। পেছনে ফেলেছেন নয়টি সেঞ্চুরি করা তামিম ইকবালকে। ১৮২ বলে বাংলাদেশ অধিনায়কের ব্যাট থেকে আসে ১১৫ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ইনিংসটি আসে লিটন দাসের ব্যাট থেকে। ১১২ বলে ৬৯ রান করেন এই উইকেট রক্ষক ব্যাটসম্যান।সংক্ষিপ্ত স্কোর: বাংলাদেশ- ৪৩০ ও ২২৩/৮ (ইনিংস ঘোষণা)। ওয়েস্ট ইন্ডিজ- ২৫৯ ও ১১০/৩। লক্ষ্য- ৩৯৫
১২ হাজারি ক্লাবে মুশফিক
৫,ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তিন ফরম্যাটের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১২ হাজার রানের মালিকদের কাতারে নাম লেখালেন মুশফিকুর রহিম। এর আগে বাংলাদেশের জার্সিতে এই কীর্তির একমাত্র মালিক ছিলেন তামিম ইকবাল। শুক্রবার (৫ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চলতি প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিনে এই মাইলফলক অতিক্রম করেন মুশফিক। ৩৭৮তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নামা মুশফিকের পরের অবস্থানটি সাকিব আল হাসানের। তবে এই মাইলফলক স্পর্শ করতে এখনও ৭৭ রান করতে হবে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারকে। এর আগে ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে এই উইন্ডিজের বিপক্ষেই ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে অর্ধশতক হাঁকিয়ে প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে তিন ফরম্যাট মিলিয়ে ১২ হাজারি ক্লাবে প্রবেশ করেন তামিম। টাইগার ওপেনার ৩৪৫টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে এখন পর্যন্ত ১৩ হাজার ৪৭৫ রান করেছেন।
৮ গোলের থ্রিলার শেষে সেমিতে বার্সা
৪,ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ৯০ মিনিটে ম্যাচ শেষ হয়নি। ২-২ গোলে ড্র। এরপর খেলা গড়ালো অতিরিক্ত সময়ে। কারণ, সেমিফাইনালিস্ট বাছাই করে নিতে হবে। এই অতিরিক্ত সময়ে গোল হলো আরও ৪টি। মোট ৮ গোলের থ্রিলার। ১২০ মিনিট শেষে বিজয়ী দলের নাম বার্সেলোনা। ব্যবধান ৫-৩। প্রতিপক্ষের নাম গ্রানাডা। কিন্তু বার্সেলোনার ঘাম ছুটিয়ে দিয়েছে তারা। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে তো তারা বার্সাকে ২-০ গোলে হারিয়েই দিয়েছিল প্রায়। ৮৮ মিনিটে গ্রিজম্যান এবং ইনজুরি সময়ে যদি জর্দি আলবা গোলটি করতে না পারতেন, তাহলে ২-০ ব্যবধানে হেরেই কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হতো বার্সাকে। সব মিলিয়ে শ্বাসরূদ্ধকর একটি ম্যাচ ছিল বার্সা এবং গ্রানাডার মধ্যে। বার্সার জন্য ম্যাচটি ছিল অ্যাওয়ে। গ্রানাডার হোম ভেন্যু নুয়েভো লস কারামেন্সে। ঘরের মাঠে ম্যাচ হলেও পুরোপুরি আধিপত্য বিস্তার করে খেলেছিল বার্সেলোনা। কিন্তু ধারার বিপরীতে গোল দিয়ে বসে উল্টো স্বাগতিক গ্রানাডাই। ম্যাচের ৩৩ এবং ৪৭ মিনিটে এগিয়ে গিয়েছিল গ্রানাডাই। ৩৩ মিনিটে কেন্ডি এবং ৪৭ মিনিটে গোল করেন রবার্তো সোলদাদো। ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে যেন দিশেহারা অবস্থা বার্সার। একের পর এক চেষ্টা করেও গ্রানাডার জাল খুঁজে পাচ্ছিলেন না লিওনেল মেসিরা। তবে ম্যাচের চিত্র ভোজবাজির মত পাল্টে যায় নির্ধারিত সময়ের একেবারে শেষ মুহূর্তে। বার্সার মধ্যে যখন পরাজয়ের পুরো হতাশা ভর করছিল, গ্রানাডাও জয়ের আশা ম্যাচে অনেকটাই শিথিলতা তৈরি করেছিল, তখনই সুযোগটা গ্রহণ করে বার্সা। ৮৮ মিনিটে দুর্দান্ত এক গোল করেনে আন্তোনিও গ্রিজম্যান। ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজবে, ঠিক তার আগেই (৯০+৩ মিনিটে) গ্রানাডার জালে বল জড়িয়ে দিলেন জর্দি আলবা। তার আগেই অবশ্য মেসির একটি শট ফিরে আসে গ্রানাডার পোস্টে লেগে। ম্যাচ দাঁড়িয়ে গেলো ২-২ গোলের সমতায়। সুতরাং ম্যাচ গড়ালো অতিরিক্ত সময়ে। এই অর্ধটা কাটলো বার্সার আধিপত্যের মধ্য দিয়ে। ১০০তম মিনিটে গোল করে বার্সাকে প্রথমবার লিড এনে দেন আন্তোনিও গ্রিজম্যান। এটা তার দ্বিতীয় গোল। এর তিনি মিনিট পরই পেনাল্টি থেকে গোল করে গ্রানাডাকে সমতায় ফেরান ফেডে ভিকো। ম্যাচের ১০৮ মিনিটে বার্সাকে আবারও লিড এনে দিলেন ফ্রাঙ্কি ডি জং। ১১৩তম মিনিটে বার্সার জয় নিশ্চিত করা গোল করেন জর্দি আলবা। ম্যাচে এটা তার দ্বিতীয় গোল। ১২০ মিনিট শেষে ৫-৩ ব্যবধানে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে লিওনেল মেসির বার্সেলোনা।
সাউদাম্পটনকে গোল বন্যায় ভাসালো ম্যানইউ
৩,ফেব্রুয়ারী,বুধবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: টানা পয়েন্ট হারিয়ে শিরোপার দৌড় থেকে কিছুটা পিছিয়ে পড়েছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। এবার সাউদাম্পটনকে উড়িয়ে জয়ে ফিরলো রেড ডেভিলরা। মঙ্গলবার রাতে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ৯ জনের প্রতিপক্ষের জালে ৯ বার বল জড়িয়েছে ওলে গানার সুলশারের শিষ্যরা। জোড়া গোল করেন অঁতনি মার্শিয়াল। একটি করে গোল করেন অ্যারন ওয়ান-বিসাকা, মার্কাস রাশফোর্ড, এডিনসন কাভানি, স্কট ম্যাকটমিনে, ব্রুনো ফের্নান্দেস ও ড্যানিয়েল জেমস। অন্যটি আত্মঘাতী। ম্যাচের শুরু আর শেষ দিকে লাল কার্ড দেখেন সাউদাম্পটনের দুই খেলোয়াড়। ম্যাচ শুরু হওয়ার ৮২ সেকেন্ডে স্কট ম্যাকটোমিনেকে ফাউল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন প্রথমবার একাদশে সুযোগ পাওয়া সাউদাম্পটনের আলেক্সান্দ্রে জ্যাংকেউইজ। গোল উৎসবের শুরুটা করেন অ্যারন ওয়ান-বিসাকা। ম্যাচের ১৮তম মিনিটে লুক শর ক্রস থেকে দলকে এগিয়ে দেন তিনি। ৭ মিনিটের ব্যবধানে স্কোরলাইন ২-০ করেন রাশফোর্ড। ম্যাসন গ্রিনউডের অ্যাসিস্টে ২৫ মিনিটে সেইন্টস কিপার অ্যালেক্স ম্যাকক্যার্থিকে পরাস্ত করেন এই ইংলিশ স্ট্রাইকার। স্বাগতিকদের তৃতীয় গোলটি উপহার দেয় সাউদাম্পটন। রাশফোর্ডের ক্রস ঠেকাতে গিয়ে ৩৪তম মিনিটে নিজেদের জালে বল জড়ান জ্যান বেডনারেক। প্রথমার্ধের এক দম শেষ দিকে ব্যবধান ৪-০ করেন উরুগুইয়ান স্ট্রাইকার এডিনসন কাভানি। দ্বিতীয়ার্ধে কাভানিকে উঠিয়ে মাঠে নামানো হয় অঁতনি মার্শিয়ালকে। ৬৯তম মিনিটে দলের হয়ে পঞ্চম গোলটি করেন এই বদলি খেলোয়াড়। ষষ্ঠ গোলটি করেন ম্যাকটোমিনে। ৮৬তম মিনিটে বক্সের মধ্যে মার্শালকে ফাউলকে করে লাল কার্ড দেখেন সাউদাম্পটনের বেডনারেক। পেনাল্টি থেকে গোল করেন ব্রুনো ফের্নান্দেস। শেষ দুটি গোল করেন মার্শাল ও ড্যানিয়েল জেমস। প্রিমিয়ার লীগে এই নিয়ে তৃতীয়বার কোনো ৯-০ গোলে জিতল। ১৯৯৫ সালে ইপসউইচ টাউনের বিপক্ষে ম্যানইউ ৯-০ গোলে, ২০১৯ সালে সাউদাম্পটনের বিপক্ষে লেস্টার সিটি একই ব্যবধানে জিতেছিল। শীর্ষে থাকা ম্যানসিটির সমান ৪৪ পয়েন্ট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে ২২ ম্যাচ খেলা ম্যানইউ। দুটি ম্যাচ কম খেলে গোলব্যবধানে এগিয়ে থেকে তাদের উপরে পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা।
বিশ্বকাপের আগে আরেক বিশ্বকাপের আয়োজক কাতার
২,ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ২০২২ বিশ্বকাপের আয়োজক কাতার। ২০০২ সালের জাপান-দক্ষিণ কোরিয়ার পর আবারও বিশ্বকাপের আয়োজক হতে চলেছে এশিয়ান কোনও দেশ। তার আগে ক্লাব বিশ্বকাপও আয়োজন করবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। ২০২০ ক্লাব বিশ্বকাপের সাতটি ম্যাচ বসবে কাতারে। আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি বসবে দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্যাচ। কনকাকাফ চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ী ম্যাক্সিকান দল টাইগরেস ইউএসএলের খেলবে এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ী কোরিয়ান দল উলসানের বিপক্ষে। একই দিন আফ্রিকান চ্যাম্পিয়ন লিগ জয়ী আল দুহাইলের প্রতিপক্ষ আল আহলি। আসরটি গেল বছরের ডিসেম্বরে বসার কথা ছিল। আয়োজক হবার কথা ছিল নিউজিল্যান্ড। স্বাগতিক দল হিসেবে খেলার কথা ছিল দেশটির সর্বোচ্চ লিগের চ্যাম্পিয়ন অকল্যান্ড এফসি। যদিও মহামারীর কারণে আয়োজক হতে পারছে না কিউইরা। তাই কাতারে বসবে এবারের আসর। কাতারি লিগের চ্যাম্পিয়ন দল আহলি পেয়েছে খেলার সুযোগ। দ্বিতীয় রাউন্ডে জয়ী দুই দল লড়বে সেমিফাইনালে। টাইগরেস ইউএসএল বনাম উলসানের মধ্যকার জয়ী দলটি ৮ ফেব্রুয়ারি খেলবে কনমেবল অঞ্চলের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলিয়ান দল পালমেইরাসের সঙ্গে। ৯ ফেব্রুয়ারি উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ী বায়ার্ন মিউনিখের মুখোমুখি হবে আল দুহাইলের ও আল আহলির মধ্যে যেকোনও একটি দল। ১২ ফেব্রুয়ারি সেমিতে জয়ী দুই দল লড়বে শিরোপার জন্য। এদিকে সাত ফেব্রুয়ারি পঞ্চম ও ১১ ফেব্রুয়ারি তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ বসবে।