রোনালদোর জোড়া গোল, জয়ে ফিরলো জুভেন্টাস
২০ডিসেম্বর,রবিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইতালিয়ান সিরি লিগে বড় জয় পেয়েছে জুভেন্টাস। তারা ৪-০ গোলে হারিয়েছে পার্মাকে। এমন জয়ে জোড়া গোল করেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। এর মধ্য দিয়ে জয়ে ফিরল জুভেন্টাস। আগের ম্যাচে নিজেদের মাঠে আতালান্তার বিপক্ষে ড্র করেছিল শিরোপাধারীরা। শনিবার রাতে প্রতিপক্ষের মাঠে রোনালদোর জোড়া গোল ছাড়াও গোলের দেখা পেয়েছেন আলভারো মোরাতা ও দিজান ক্লুসেভেস্কি। ম্যাচের ২৩তম মিনিটে এগিয়ে যায় জুভেন্টাস। বাঁ দিক থেকে মোরাতার নিখুঁত আড়াআড়ি ক্রস পায় ক্লুসেভস্কি। প্রথম ছোঁয়ায় বাঁ পায়ের শটে জাল খুঁজে নেন এই সুইডিশ মিডফিল্ডার। এর রেশ কাটতে না কাটতেই ২৬তম মিনিটে মোরাতার উঁচু ক্রসে হেডে লক্ষ্যভেদ করেন আগের ম্যাচে আতালান্তার বিপক্ষে পেনাল্টি মিস করা রোনালদো। তাতে ২-০ ব্যবধান এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় আন্দ্রেয়া পিরলোর দল। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ব্যবধান বাড়ান রোনালদো। র‌্যামজির পাস ধরে কোনাকুনি শটে দূরের পোস্ট দিয়ে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি। চলতি মৌসুমে তারকা এই ফরোয়ার্ডের গোল হলো ১২টি। যা তিনি করেছেন মাত্র ৯ ম্যাচে। পাশাপাশি ৩৫ বছর বয়সী এই পর্তুগীজ তারকা দারুণ ফর্মে থাকা ইন্টার মিলানের রোমেলু লুকাকু ও এসি মিলানের ইব্রাহিমোভিচকেও পেছনে ফেলেছেন। ইব্রা ও লুকাকু করেছেন ১০ গোল। ম্যাচের ৮২তম মিনিটে রোনালদোকে তুলে ফেদেরিকো চিয়েসাকে নামান জুভেন্টাস কোচ। তিন মিনিট পর ফেদেরিকো বের্নারদেস্কির ক্রসে মোরাতা হেডে প্রতিপক্ষের জালে পাঠান বল। অবশ্য তাদের পাশাপাশি দারুণ খেলেছেন জুভেন্টাসের ৪৫ বছর বয়সী গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি বুফন। তিনি দারুণ দক্ষতায় পার্মার বেশ কয়েকটি নিশ্চিত গোলের সুযোগ নসাৎ করে দিয়েছেন। তাতে ৪-০ ব্যবধানের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আন্দ্রেয়া পিরলোর শিষ্যরা। এই জয়ে পয়েন্ট টেবিলের তৃতীয় স্থানে উঠে এসে জুভেন্টাস। ১৩ ম্যাচ থেকে তাদের সংগ্রহ ২৭ পয়েন্ট। ১২ ম্যাচ থেকে ২৮ পয়েন্ট নিয়ে এসি মিলান রয়েছে শীর্ষে।
ব্রাদার্সকে বাফুফের শোকজ
১৯ডিসেম্বর,শনিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নির্ধারিত সময়ে দলবদল না করায় ব্রাদার্স ইউনিয়নকে কারণ দর্শানো নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। নিয়ম ভঙ্গ করায় কেন তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, এই মর্মে কারণ দর্শাতে রোববার দুপুর ১২টা পর্যন্ত ক্লাবটিকে সময় বেঁধে দিয়েছে বাফুফে। ব্রাদার্স ইউনিয়নের জবাব পাওয়ার পরই বাফুফের প্লেয়ার্স স্ট্যাটাস কমিটি রোববার বিকেলে সভায় বসে সিদ্ধান্ত নেবে বলে বাফুফে সূত্রে জানা গেছে। গত ১৫ ডিসেম্বর শেষ হয়েছে নতুন ফুটবল মৌসুমের দলবদল। ব্রাদার্স খেলোয়াড় তালিকা জমা দিয়েছে তার দুই দিন পর ১৭ ডিসেম্বর। এদিকে ফেডারেশন কাপে খেলার জন্য অন্য ১২ ক্লাব অংশগ্রহণে সম্মতির জন্য যে ফরম পূরণ করে দিয়েছে, বাফুফের প্রফেশনাল লিগ কমিটিতে ব্রাদার্স তাও দেয়নি। ১ ডিসেম্বর ছিল ফরম জমা দেয়ার শেষ দিন। বাফুফে একবার তাগাদা দেয়ার পরও ব্রাদার্স জমা দেয়নি বলে জানা গেছে। কারণ দর্শানো চিঠি পাওয়ার কথা স্বীকার করে ব্রাদার্স ইউনিয়নের ফুটবল ম্যানেজার আমের খান বলেছেন, হ্যাঁ, বাফুফে থেকে চিঠি পেয়েছি। আমরা সময়মতো জবাব দেব।
শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে চট্টগ্রামকে হারিয়ে শিরোপা খুলনার
১৮ডিসেম্বর,শুক্রবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শহিদুল ইসলামের করা টুর্নামেন্টের শেষ বলটিকে বাউন্ডারির ওপারে পাঠিয়ে দিলেন নাহিদুল ইসলাম। কিন্তু সেই ছক্কায় আর কোনো লাভ হলো না গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের। ৫ রানে হেরে যেতে হলো পুরো টুর্নামেন্টে দাপটের সঙ্গে খেলা দলটিকে। উল্টো জয় হলো অভিজ্ঞতার। চট্টগ্রামকে হারিয়ে বঙ্গবন্ধু কাপ টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টের প্রথম আসরের শিরোপা জিতে নিলো জেমকন খুলনা। খুলনার করা ১৫৫ রানের জবাবে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৫০ রানে থেমে যেতে হলো মোহাম্মদ মিঠুনের চট্টগ্রামকে। ৫ রানের জয়ে শিরোপা উল্লাসে মেতে উঠলো মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ এবং মাশরাফি বিন মর্তুজার খুলনা। টুর্নামেন্টের শুরু থেকে অপ্রতিরোধ্য থাকলেও শেষ পর্যন্ত আর অভিজ্ঞতার সঙ্গে পেরে উঠল না গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম। প্রথম রাউন্ডে আট ম্যাচের মধ্যে সাতটিতে জেতা চট্টগ্রাম, প্লে-অফ পর্বে খেই হারিয়ে খোয়াল শিরোপাও। প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচের পর ফাইনালেও তারা হারল জেমকন খুলনার কাছে। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচটিতে টস জিতে খুলনাকে ব্যাট করতে পাঠায় চট্টগ্রাম অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহর ৪৮ বলে ৭০ রানের ইনিংসের কল্যাণে ১৫৫ রানের লড়াকু সংগ্রহ দাঁড় করায় খুলনা। ফর্মে থাকা চট্টগ্রামের ব্যাটিং লাইনআপের জন্য এটি খুব বড় ছিল না। কিন্তু খুলনার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের বিপক্ষে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৬ উইকেটে ১৫০ রানের বেশি করতে পারেনি চট্টগ্রাম, খুলনা ম্যাচ জিতে নিয়েছে ৫ রানে। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৬ রান প্রয়োজন ছিল চট্টগ্রামের। প্রথম পাঁচ বলে কোনো বাউন্ডারি হাঁকাতে পারেনি তারা, উল্টো হারায় দুইটি উইকেট। শেষ বলে ছক্কা হাঁকান নাহিদুল ইসলাম। কিন্তু এটি শুধুমাত্র পরাজয়ের ব্যবধান কমানো ছাড়া আর কোনও কাজেই আসেনি। ১৫৬ রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা বেশ ভালোই করেছিলেন দুই ওপেনার লিটন দাস ও সৌম্য সরকার। শুভাগত হোমের করা দ্বিতীয় ওভারে মাত্র ২ রান হলেও, মাশরাফি বিন মর্তুজার প্রথম ও তৃতীয় ওভার থেকে মোট ২১ রান তুলে নেন চট্টগ্রামের দুই ওপেনার। তবে ইনিংসের চতুর্থ ওভারেই সৌম্যকে সোজা বোল্ড করে দেন শুভাগত, আউট হওয়ার আগে ১০ বলে ১২ রান করেন সৌম্য। উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পর চাপে পড়ে যায় চট্টগ্রাম। পরের ওভারেই আল আমিন হোসেনের বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন অধিনায়ক মিঠুন (৫ বলে ৭)। শুরু থেকে ইতিবাচক ব্যাটিং করছিলেন লিটন। তিনি আউট হন দুর্ভাগ্যজনকভাবে। শহীদুল ইসলামের নিজের বোলিংয়েই দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ে রানআউটে কাটা পড়েন ২৩ বলে ২৩ রান করা লিটন। চতুর্থ উইকেট জুটিতে ডুবতে থাকা দলকে আশার আলো দেখান সৈকত আলি ও শামসুর রহমান শুভ। দুজন মিলে গড়েন ৩৪ বলে ৪৫ রানের জুটি। ইনিংসের প্রথম টাইম আউটের সময় চট্টগ্রামের সংগ্রহ ছিল ৩ উইকেটে ৫১ রান। পরের ৪ ওভার থেকে সৈকত ও শামসুর মিলে তুলে নেন ৪২ রান। ফলে শেষ ৭ ওভারে বাকি থাকে ৬৩ রান। তখন ১৪তম ওভারে মাত্র ৩ রান দেন আলআমিন, চাপ বাড়ে চট্টগ্রামের। ইনিংসের ১৫তম ওভারে ভাঙে শামসুর-সৈকত জুটি। হাসান মাহমুদের বলে ছক্কা মারতে গিয়ে লংঅনে শুভাগত হোমের হাতে ধরা পড়েন ২১ বলে ২৩ রান করা শামসুর। ম্যাচ জিততে সমীকরণ তখন ৩৪ বলে ৬০ রান। মনে হচ্ছিল, ম্যাচ চলে যাচ্ছে খুলনার দিকে। কিন্তু সেটি সহজেই মেনে নিতে রাজি ছিলেন সৈকত, সঙ্গী হিসেবে পেয়ে যান মোসাদ্দেক সৈকতকে। শেষ তিন ওভারে তাদের বাকি ছিল ৪০ রান। শহীদুল ইসলামের করা ১৮তম ওভারের প্রথম বলেই ছক্কা মেরে দেন সৈকত, পরের পাঁচ বল থেকে আসে একটি করে সিঙ্গেল, সমীকরণ নেমে আসে ১২ বলে ২৯ রানে। ততক্ষণে ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি তুলে নেন সৈকত। হাসান মাহমুদ আসেন ১৯তম ওভার নিয়ে। দ্বিতীয় বলে মিসফিল্ডিংয়ে বাউন্ডারি ছেড়ে দেন শুভাগত, শেষ বলে ছক্কা মেরে দেন মোসাদ্দেক, সেই ওভারে আসে ১৩ রান। ম্যাচের দুই ইনিংস মিলে ৩৯ ওভার শেষে শিরোপার সমীকরণ নেমে আসে ৬ বলে ১৬ রান। খুলনার পক্ষে এ দায়িত্ব বর্তায় শহীদুলের কাঁধে। প্রথম বলে মিড উইকেটে মেরে সিঙ্গেল নেন সৈকত। পরের বলে মিডঅফ-লংঅফের মাঝামাঝিতে রেখে দুই রান নিয়ে নেন মোসাদ্দেক। সমীকরণ দাঁড়ায় ৪ বলে ১৩ রানে। লো ফুলটস পেয়েও তৃতীয় বলটি সীমানাছাড়া করতে পারেননি তিনি, আউট হয়ে যান লংঅনে থাকা শুভাগতর হাতে ধরা পড়ে। তার ব্যাট থেকে আসে ১৪ বলে ১৯ রান। পরের বলে হাফসেঞ্চুরিয়ান সৈকত আলিকে (৪৫ বলে ৫৩) সোজা বোল্ড করে দেন শহীদুল। মূলত তখনই নিশ্চিত হয়ে যায় খুলনার জয়। হ্যাটট্রিক বলে ১ রান নেন নাদিফ। শেষ বলে ছক্কা মেরে পরাজয়ের ব্যবধানটা ৫ রানে নামান নাহিদুল ইসলাম। খুলনার পক্ষে বল হাতে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন শহীদুল। এছাড়া ১টি করে উইকেট যায় শুভাগত, আলআমিন ও হাসান মাহমুদের ঝুলিতে। এর আগে শিরোপা নির্ধারণী এই ম্যাচে টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন চট্টগ্রাম অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। টুর্নামেন্টের অন্যান্য ম্যাচগুলোর মতোই প্রথম ওভার তিনি তুলে দেন অফস্পিনার নাহিদুল ইসলামের হাতে। অধিনায়কের মুখে হাসি ফোটাতে একটি বলও নষ্ট করেননি নাহিদুল। প্রথম বলেই হাওয়ায় ভাসিয়ে খেলেন জহুরুল। মিড অফ থেকে খানিক পেছনে দৌড়ে গিয়ে তার ক্যাচ তালুবন্দী করেন মোসাদ্দেক সৈকত। আগের দুই ম্যাচে যথাক্রমে ৫৩ ও ৮০ রানের ইনিংস খেললেও ফাইনালে এসে ব্যর্থ হলেন জহুরুল। প্রথম বলেই ওপেনারকে হারানোর পরেও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করতে পিছপা হননি জাকির হাসান। নাহিদুলের প্রথম ওভারে আসে ২ রান। শরীফুল ইসলামের করা পরের ওভারের চতুর্থ বলে কাট করে পয়েন্ট দিয়ে চার মারেন জাকির। শেষ বলে টপ এজে কিপারের মাথার ওপর দিয়ে ছক্কা পেয়ে যান ইমরুল। তৃতীয় ওভারের প্রথম বলে উইকেট ছেড়ে বেরিয়ে এসে লংঅন দিয়ে দৃষ্টিনন্দন এক ছক্কা হাঁকান জাকির। শুরুর চাপটা কাটিয়ে ওঠার আভাস দিতে থাকে খুলনা। কিন্তু সে ওভারেই চতুর্থ বলে ছক্কা হাঁকানোর চেষ্টায় লংঅফে সৌম্য সরকারের হাতে ধরা পড়েন ইমরুল। আউট হওয়ার আগে ইমরুল করেন ৮ বলে ৮ রান। চমক হিসেবে চার নম্বরে নামানো হয় আরিফুল হককে। খুলনার চাপ আরও বাড়তে পারত চতুর্থ ওভারে। প্রথমবারের মতো আক্রমণে আসা রাকিবুল হাসানের করা ওভারের চতুর্থ বলটি ছিল খানিক শর্ট পিচড, সপাটে পুল করেন জাকির, তবে জোর পাননি তেমন; অবশ্য কপাল ভাল ছিল তার, মিডউইকেটে ঝাপিয়েও বলটি তালুবন্দী করতে পারেননি চট্টগ্রাম অধিনায়ক মিঠুন। তখন ১১ রানে খেলছিলেন জাকির। নাহিদুলের পরের ওভারে জোড়া বাউন্ডারি হাঁকিয়ে চট্টগ্রামের হতাশা বাড়ান এ বাঁহাতি ওপেনার। তবে বেশিদূর যেতে পারেননি তিনি। পাওয়ার প্লে'তে খুলনা করে ২ উইকেটে ৪২ রান। সপ্তম ওভারে ফের চট্টগ্রামকে আনন্দে ভাসান মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। তার প্রথম ওভারের তৃতীয় বলে ডিপ মিডউইকেটে মাহমুদুল হাসান জয়ের হাতে ক্যাচ তুলে দেন জাকির। তার ব্যাট থেকে আসে ৩ চার ও ১ ছয়ের ২০ বলে ২৫ রান। দলীয় পঞ্চাশের আগেই ৩ উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে যায় খুলনা, যেতে পারত চতুর্থ উইকেটও। ইনিংসের অষ্টম ওভারের দ্বিতীয় বলে মাহমুদউল্লাহকে লেগ বিফোর আউট দেন আম্পায়ার। রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান খুলনা অধিনায়ক। পরে চতুর্থ উইকেটে রয়েসয়ে খেলতে শুরু করেন মাহমুদউল্লাহ ও আরিফুল। এরই মাঝে মোসাদ্দেকের করা ১১তম ওভারে পরপর দুই বলে ছয় ও চার মেরে রানরেট সাতে তোলেন মাহমুদউল্লাহ। যখন চাপ কাটিয়ে বড় সংগ্রহের পথে এগুনোর দিকে মন দিচ্ছিল খুলনা, তখনই তারা হারায় আরিফুলের উইকেট। শরীফুলের বোলিংয়ে দুর্দান্ত এক স্ট্রেইট ড্রাইভে চার মারার পরের বলেই উইকেটের পেছনে লিটন দাসের দুর্দান্ত ক্যাচে সাজঘরের পথ ধরেন ২৩ বলে ২১ রান করা আরিফুল। তার বিদায়ে উইকেটে আসেন শুভাগত, মুখোমুখি পঞ্চম বলে হাঁকান ছক্কা। কিন্তু তিনিও পারেননি বেশিক্ষণ থাকতে। ইনিংসের ১৬তম ওভারে শুভাগত ফেরেন ১২ বলে ১৫ রান করে। অন্যপ্রান্তে অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ হয়ে যান নিঃসঙ্গ যোদ্ধা। এরই মাঝে নিজের মুখোমুখি প্রথম বলেই ভুল বোঝাবুঝিতে রানআউট হন তরুণ শামীম পাটোয়ারি। শহীদুল ইসলামের আগে নামিয়ে দেয়া হয় মাশরাফিকে। তিনি এক চারের মারে ৫ রান করে আউট হয়ে যান। মাশরাফি ফিরে যাওয়ার পরের বলেই চার মারেন মাহমুদউল্লাহ, পৌঁছে যান ব্যক্তিগত পঞ্চাশে। মোস্তাফিজের করা ১৯তম ওভারটিতে আসে ৭ রান। শেষ ওভারে বোলিংয়ে আনা হয় সৌম্য সরকারকে। প্রথম বল ডট গেলেও, পরের চার বলে যথাক্রমে ২, ৪, ৬ ও ৪ মেরে দেন মাহমুদউল্লাহ। শেষ বলেও চেষ্টা করেছিলেন বাউন্ডারির, আসে ১ রান। সবমিলিয়ে শেষ ওভারে ১৭ রান তুলে দলীয় সংগ্রহটা ৭ উইকেটে ১৫৫ রানে পৌঁছে দেন খুলনা অধিনায়ক। তিনি শেষপর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৮ চার ও ২ ছয়ের মারে ৪৮ বলে ৭০ রান করে। বল হাতে চট্টগ্রামের পক্ষে ২টি করে উইকেট নেন নাহিদুল ইসলাম ও শরীফুল ইসলাম। এছাড়া মোসাদ্দেক ও মোস্তাফিজুর নেন ১টি করে উইকেট। সবমিলিয়ে টুর্নামেন্টের উইকেটসংখ্যা দাঁড়াল ২২। সূত্র: জাগো নিউজ
পিছিয়ে পড়েও জিতলো বার্সেলোনা
১৭ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্প্যানিশ লা লিগার ম্যাচে প্রথমে পিছিয়ে পড়ার পর ঘুরে দাঁড়িয়ে দারুণ এক জয় তুলে নিয়েছে বার্সেলোনা। ঘরের মাঠে রিয়াল সোসিয়েদাদকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছে কাতালান ক্লাবটি। এই জয়ে পয়েন্ট টেবিলেও উন্নতি হয়েছে কোম্যানের দলের। বুধবার রাতে ক্যাম্প ন্যুয়ে প্রথমে উইলিয়ান জোসের গোলে এগিয়ে যায় অতিথি দল। পরে স্বাগতিকদের সমতায় টানেন জর্ডি আলবা। আর জয়সূচক গোলটি করেন ফ্রেংকি ডি ইয়ং। বার্সেলোনার মাঠে ম্যাচের ২৭তম মিনিটে প্রথম কর্নার পায় সোসিয়েদাদ। তা থেকেই এগিয়ে যায় তারা। বক্সের ডান দিক থেকে পোর্তুর গোলমুখে বাড়ানো বল অনায়াসে জালে পাঠান জোসে। তবে তাদের বেশিক্ষণ এগিয়ে থাকতে দেয়নি বার্সা। ৩১ মিনিটের মাথায় দারুণ বোঝাপোড়ায় দুর্বল ডান পায়ের শটে বক্সর বাইরে থেকে বল জালে জড়ান জর্ডি আলবা। তাতে সমতায় ফেরে স্বাগতিকরা। বিরতিতে যাওয়ার আগে বার্সেলোনাকে এগিয়ে নেন ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং। ৪৩ মিনিটে বাঁ দিক থেকে আলবার ক্রস ছয় গজ বক্সের মুখে ফাঁকায় পেয়ে অনায়াসে ডান পায়ের টোকায় লক্ষ্যভেদ করেন ডি ইয়ং। শুরুতে অবশ্য অফসাইডের পতাকা উঠেছিল, তবে ভিএআরের সাহায্যে গোলের বাঁশি বাজান রেফারি। তাতে ২-১ গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় কাতালানরা। দ্বিতীয়ার্ধের দশম মিনিটে মুহূর্তের ব্যবধানে দুটি সুযোগ নষ্ট হয় বার্সেলোনার। ডান দিকের দুরূহ কোণ থেকে মেসির শট গোলরক্ষক ঠেকানোর পর ওই আক্রমণেই বাঁ দিক থেকে আলবার ক্রস গোলমুখে পেয়েও জালে বল পাঠাতে ব্যর্থ গ্রিজমান। ৩০ সেকেন্ড পর বাঁ দিক দিয়ে ওঠা আক্রমণে আবারও সুবর্ণ সুযোগ পান ফরাসি এই ফরোয়ার্ড; কিন্তু গোলরক্ষককে একা পেয়েও তার বরাবর শট নেন তিনি। বাকি সময়ে অবশ্য আর কোনো গোল হয়নি। জয়ের জন্য আর কোনো গোলের প্রয়োজনও হয়নি অবশ্য মেসি-গ্রিজমানদের। পুরো ম্যাচে বল দখল ও আক্রমণে একটু এগিয়ে বার্সেলোনা। লক্ষ্যে শট নেওয়ায় অবশ্য সোসিয়েদাদ এগিয়ে; তারা ৫টি, বার্সেলোনা ৪টি। তবে, নিশ্চিত সুযোগের হিসেবে বার্সেলোনা অনেক এগিয়ে ছিল। এই জয়ে ১১ ম্যাচ থেকে ২০ পয়েন্ট সংগ্রহ করে বার্সেলোনা উঠে এসেছে পয়েন্ট টেবিলের পঞ্চম স্থানে। অন্যদিকে এই হারে শীর্ষস্থান খুইয়েছে সোসিয়েদাদ। তাদের সমান ২৬ পয়েন্ট নিয়েই গোল ব্যবধানে এগিয়ে উপরে অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদ।
বিজয় দিবসে ক্রিকেটারদের স্ট্যাটাস
১৬,ডিসেম্বর,বুধবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহান বিজয়ের ৪৯ বছর পূর্ণ হলো আজ। বাঙালি জাতির গৌরবের দিন। জাতি আজ গভীর শ্রদ্ধা আর ভালবাসায় স্মরণ করছে সেইসব শহীদদের, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে প্রিয় স্বাধীনতা, লাল-সবুজের পতাকা। বিজয় দিবসের স্মরণে পিছিয়ে নেই ক্রিকেটাররাও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পেজে শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন সাকিব আল-হাসান, টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম এবং জাতীয় দলের সাবেক সফল অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। মাশরাফি জাতীয় পতাকার একটি ছবি পোস্ট করে লিখেন, এটা আমার কাছে শুধু একটি পতাকাই না আমার অস্তিত্ব আমার অনুভূতি, আমার ভালোবাসা। আমি মরেও বারবার চাইবো এ পতাকা তলে আসতে। আমি গর্বিত আমি একজন বাংলাদেশি। ৭১ এর সাহসী সকল শহিদদের প্রতি রইলো বিনম্র শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা। যে মাটির চির মমতা আমার অঙ্গে মাখা। সবাইকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছো। যোগ করেন মাশরাফি। সাকিব আল হাসান ফেসবুকে লিখেন, ১৬ই ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবস। আজকের দিনেই বিশ্ব মানচিত্রে আমরা পেয়েছিলাম স্থান। পৃথিবী জেনেছিল আমাদের নতুন পরিচয়। বিজয় দিবসের এই মুহূর্তে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি পরম আরাধ্য এই বিজয় আনতে শেষ রক্তবিন্দুতে লড়ে যাওয়া প্রত্যেক সূর্যসন্তানকে। সবাইকে জানাচ্ছি মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ লিখেন, ১৯৭১ সালের আজকের এ দিনেই লাখো মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বিশ্ব মানচিত্রে জায়গা করে নেয় বাংলাদেশ, এ দেশের মানুষ পরাধীনতা থেকে পায় মুক্তি। যাদের রক্তের বিনিময়ে, ত্যাগের বিনিময়ে আজ লাল-সবুজের জার্সি গায়ে জড়াতে পেরেছি তাদের সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করছি। সবাইকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা । মুশফিকুর রহিম লিখেন, মাঠে আমরা জয় পাই, উৎসব করি। কিন্তু এটা সম্ভব হতো না যদি না এই দিনটা আসতো। ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১। আমি প্রতিটি বল মোকাবিলা করার সময়, রান নেয়ার সময় গর্ব বোধ করি কারণ আমি আমার দেশের প্রতিনিধিত্ব করছি। গর্ব নিয়ে নিজ দেশের পতাকা উড়াতে পারি, বলতে পারি আমি গর্বিত বাংলাদেশী। মাতৃভূমির বিজয় দিবসে সবাইকে শুভেচ্ছা। সকল মুক্তিযোদ্ধাকে সশ্রদ্ধ সালাম।
নেইমারের চোট গুরুতর নয়
১৫,ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: লিগ ওয়ানের ম্যাচে রোববার রাতে লিওঁর বিপক্ষে পায়ে চোট পেয়ে কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছেড়েছিলেন নেইমার। প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডার থিয়াগো মেন্দেসের ভয়ঙ্কর ট্যাকলে গোড়ালির অসহ্য যন্ত্রণা নিয়ে স্ট্রেচারে করে তাকে মাঠের বাইরে যেতে হয়। তবে তার চোট নিয়ে স্ক্যান রিপোর্টে স্বস্তির খবর মিলেছে। পিএসজি মেডিক্যাল স্টাফরা যতটা ভয় পেয়েছিলেন, ততটা গুরুতর নয় নেইমারের চোট। পিএসজি নিশ্চিত করেছে, গুরুতর চোট এড়িয়ে যেতে পেরেছেন নেইমার। কোনও ধরনের চিড় দেখা যায়নি তার গোড়ালিতে। সর্বশেষ স্ক্যানে কেবল তার বাঁ পায়ের গোড়ালি মচকানো দেখা গেছে। পিএসজি সোমবার সন্ধ্যায় তাদের ওয়েবসাইটে একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে দিয়েছে। বিবৃতিতে বলেছে,নেইমার জুনিয়রের চোট নিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর আশ্বস্ত করা হচ্ছে যে লিওঁর বিপক্ষে রোববারের ম্যাচে তার গোড়ালি মচকে গেছে। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আরও পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হবে। কিন্তু আগামীকাল বুধবার লরিয়েঁর বিপক্ষে যে নেইমার থাকবেন না তা নিশ্চিত। কিন্তু সমর্থকদের বিশ্বাস পূর্ণ ফিটনেস ফিরে পেয়ে চার দিন পর লিঁলের বিপক্ষে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডকে দেখা যাবে। এদিকে সোমবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ষোলোর ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। যেখানে বার্সেলোনর সঙ্গী হয়েছে পিএসজি। নেইমারের চোটের বিষয়ে তাই সবার কৌতূহল আরো বেড়ে যায়। কারণ চোট গুরুতর হলে লিওনেল মেসির মুখোমুখি হয়তো হওয়া হবে না তার। তবে প্রাথমিক যে ফল পাওয়া গেছে, তাতে বার্সেলোনার বিপক্ষে ম্যাচের আগেই মাঠে ফেরার কথা ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ১৬ ফেব্রুয়ারি ন্যু ক্যাম্পে ও ১০ মার্চ পার্ক দে প্রিন্সেসে মুখোমুখি হবে বার্সা ও পিএসজি।
চেলসিকে ফের হারিয়ে দিল এভারটন
১৩,ডিসেম্বর,রবিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে এভারটনের কাছে আরেকবার হারল চেলসি। গুডিসন পার্কে গিলফি সিগুর্দসনের একমাত্র গোলে চেলসির বিপক্ষে জয় পায় কার্লো আনচেলত্তির দল। এই মাঠে লিগে এ নিয়ে টানা তিন ম্যাচে হারল চেলসি। শনিবার রাতে নিজেদের মাঠে ১-০ গোলে জিতেছে এভারটন। ২ হাজার সমর্থকদের সামনে খেলতে নেমেছিল এভারটন। ম্যাচটি তারা স্মরণীয়ও করে রাখল জয়ে। অন্যদিকে এ নিয়ে লিগে ৯ ম্যাচ পর হার দেখলো ফ্রাঙ্ক ল্যাম্পার্ডের দল। যদিও ম্যাচের শুরু থেকে বল দখলে চেলসি আধিপত্য দেখালেও প্রথম সুযোগটি পায় এভারটন। ম্যাচের ২২তম মিনিটে ডমিনিক কালভার্ট-লেউইনকে চেলসি গোলরক্ষক এডোয়ার্ড মেন্ডি ফাউল করে বসলে পেনাল্টি পায় এভারটন। স্পট-কিক থেকে টফিজদের এগিয়ে দেন গিলফি সিগার্ডসন। এরপরই জেগে ওঠে ল্যাম্পার্ডের দল। তবে দুর্দান্ত তিনটি সেভ করে চেলসিকে হতাশ করেন জর্ডান পিকফোর্ড। ২৫তম মিনিটে রিস জেমসের ফ্রি-কিক বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে কর্নারের বিনিময়ে ফেরান এভারটনের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড। পরের মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে জেমসের নিচু শট পিকফোর্ডের হাত ছুঁয়ে পোস্টে লাগে। ৬৩তম মিনিটে ক্যালভার্ট-লুইনকে বেন চিলওয়েল ডি-বক্সে ফেলে দিলে এভারটনকে আবার পেনাল্টি দিয়েছিলেন রেফারি। তবে ভিএআরের সাহায্যে ক্যালভার্ট-লুইন অফসাইডে থাকায় তা বাতিল করা হয়। অবশ্য রিচ জেমসের শট এভারটনের গোল পোস্টে না লাগলে সমতায় ফিরতে পারত ব্লুজরা। এরপর ৮১তম মিনিটে ম্যাসন মাউন্টের শটেরও বাধা হয়ে দাঁড়ায় গোলপোস্ট। ভালো সুযোগ পেয়েছিল এভারটনও। রিচার্লিসনের দুটি শট এবং ইয়ারি মিনার দুটি হেড মিস হয়েছে। তবে চোটে পড়া হামেস রদ্রিগেজকে ছাড়াই শেষ পর্যন্ত তিন পয়েন্ট আদায় করে মাঠ ছাড়ে তারা। এ জয়ে ১২ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট নিয়ে সাতে ওঠে এসেছে এভারটন। সমান ম্যাচে তাদের চেয়ে ২ পয়েন্ট বেশি নিয়ে তৃতীয় স্থান ধরে রেখেছে চেলসি। ২৪ পয়েন্ট নিয়ে লিভারপুল দুইয়ে ও টটেনহ্যাম হটস্পার আছে শীর্ষে।
চট্টগ্রামের কাছে হেরে প্লে অফ কঠিন করে ফেলল রাজশাহী
১২,ডিসেম্বর,শনিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপে প্রথম দুই ম্যাচে জিতে বেশ ভালো সূচনা করেছিল মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী। তবে পরের ছয় ম্যাচে টানা পরাজয়ে প্লে অফে খেলা কঠিন করে ফেলেছে পদ্মাপাড়ের দলটি। শনিবার (১২ ডিসেম্বর) লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের কাছে ৩৬ রানে হেরেছে রাজশাহী। ফলে প্লে ফলে খেলতে হলে রাজশাহীকে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচ বেক্সিমকো ঢাকা-ফরচুন বরিশাল ম্যাচের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে। দ্বিতীয় ম্যাচে ঢাকাকে যদি বরিশাল হারিয়ে দেয় তবে বরিশাল চতুর্থ দল হিসেবে প্লে অফ নিশ্চিত করবে। আর যদি বরিশাল হেরে যায় তবে রাজশাহী ও বরিশালের সমান চার পয়েন্ট হওয়ায় রান রেটের হিসেব নিকেশ করতে হবে। তখন রাজশাহীর প্লে অফের খেলার সুযোগ তৈরি হতে পারে। বরিশাল হারলেই রাজশাহীর সুযোগ থাকবে প্লে অফে খেলার। মিরপুরে আগে ব্যাট করে লিটন দাস ও সৌম্য সরকারের অর্শতকে ৪ উইকেটে ১৭৫ রান করে গাজী গ্রুপ চট্টগ্রাম। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৮ উইকেটে ১৩৯ রানে থেমে যায় রাজশাহীর ইনিংস। ফলে ৩৬ রানের সহজ জয় পায় চট্টগ্রাম। ১৭৬ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ৩৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে শুরুতেই চাপে পড়ে যায় রাজশাহী। সেই চাপ আর পরে ব্যাটসম্যানরা কেউ সেই চাপ সামাল দিতে পারেনি। চট্টগ্রামের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে রান রেট বাড়াতে থাকে। শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেটে ১৩৯ রানে থেমে যায় রাজশাহীর ইনিংস। ফলে ৩৬ রানের সহজ জয় পায় চট্টগ্রাম। রাজশাহীর নুরুল হাসান সোহান ২৮ ও শেখ মেহেদি হাসান ২৬ রান করেন। চট্টগ্রামের নাহিদুল ইসলাম ৩টি, জিয়াউর রহমান ২টি এবং মোস্তাফিজুর রহমান, শরফুল ইসলাম ও রাকিবুল হাসান ১টি করে উইকেট নেন। এর আগে মিরপুরে টস হেরে ব্যাট করেত নেমে চট্টগ্রামকে ভাল সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার লিটন দাস ও সৌম্য সরকার। রাজশাহীর বোলারদের বেশ ভালো ভাবেই খেলতে থাকেন তারা। শতরানের জুটি গড়েন লিটন-সৌম্য। দুজনেই তুলে নেন অর্ধশতক। প্রথমে ৪০ বলে অর্ধশতক তুলে নেন সৌম্য। এরপর ৩৮ বল অর্ধশতক তুলে নেন। দলীয় ১২২ রানের মাথায় সৌম্য ৪৮ বলে ৬৩ রান করে আউট হন। ৩টি চার ও ৩টি ছয়ে মারে সাজানো ছিল সৌম্যের ইনিংস। এরপর দলীয় ১২৬ রানের মাথায় লিটন ৪৩ বলে ৫৫ রানে আউট হন। । লিটনের ইনিংস ৫টি চার ও ১টি ছয়ের মারে সাজানো ছিল। এরপর আর কোনো ব্যাটসম্যান রানের দেখা পায়নি। শামসুর রহমানের অপরাজিত ১৭ বলে ২৯ রানের ইনিংসের কল্যাণে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৭৫ রান করে চট্টগ্রাম। রাজশাহীর আনিসুল ইসলাম ইমন ২টি এবং মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও রেজাউর রহমান রাজা ১টি করে উইকেট নেন।
মিতউইলানের বিপক্ষে পয়েন্ট হারাল লিভারপুল
১০ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গ্রুপের পয়েন্ট তালিকার তলানিতে থাকা মিতউইলানের বিপক্ষে পয়েন্ট হারিয়েছে লিভারপুল। যদিও ম্যাচের প্রথম মিনিটেই মোহামেদ সালাহর গোলে এগিয়ে যায় ইয়ুর্গেন ক্লপের দলটি। তবে ঘরের মাঠে ঘুরে দাঁড়ায় ডেনিশ চ্যাম্পিয়নরা। এদিন পয়েন্ট হারালেও গ্রুপের শীর্ষ স্থানে রয়েছে প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়নরাই। বুধবার রাতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ডি গ্রুপের শেষ রাউন্ডের ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র করেছে লিভারপুল। প্রথম পর্বে অ্যানফিল্ডে মিতউইলানের বিপক্ষে ২-০ গোলে জিতেছিল ইয়ুর্গেন ক্লপের দল। ম্যাচের ১ মিনিটেই গোল আদায় করেন সালাহ। প্রতিপক্ষের দুর্বল ব্যাক-পাসে বল পেয়ে ডি-বক্সে ঢুকে এগিয়ে আসা গোলরক্ষককে ফাঁকি দেন সালাহ। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে লিভারপুলের দ্রুততম গোল এটিই। প্রথমার্ধের এটিই ছিল একমাত্র গোল। বিরতির পর ম্যাচের ৬২ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করেন মিতউইলানের শোলজ। আন্দের্স দ্রায়েরকে লিভারপুলের গোলরক্ষক কুইভিন কেলেহার ফাউল করলে ভিএআরের সাহায্যে পেনাল্টির বাঁশি বাজিয়েছিলেন রেফারি। বাকি সময়ে কোন দলই আর গোল করতে পারেনি। এই গ্রুপ থেকে এদিন দ্বিতীয় দল হিসেবে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে আতালান্তা। একই সময়ে শুরু হওয়া ম্যাচে আয়াক্সের বিপক্ষে ১-০ গোলে জয় তুলে নেয় দলটি। ছয় ম্যাচে চার জয় ও এক ড্রয়ে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ পর্ব শেষ করল লিভারপুল। তিন জয় ও দুই ড্রয়ে আতালান্তার পয়েন্ট ১১। আয়াক্সের ৭ ও মিতউইলানের ২ পয়েন্ট।