মঙ্গলবার, জুন ২২, ২০২১
সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে পরীমনির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: ডিবি
১৭,জুন,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চিত্রনায়িকা পরীমনির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার। তিনি বলেন, কমিউনিটি ক্লাবের ঘটনাটি আমাদের গুলশান টিমের এলাকায়। আমরা বিষয়টি নিয়ে অবশ্যই আলোচনা করব। এ বিষয়ে যেকোনো ধরনের অভিযোগ পেলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে। হাফিজ আক্তার বলেন, আমরা জেনেছি ৮ জুন রাতে পরীমনি ওই ক্লাবে গিয়েছেন। ৯৯৯-এর একটি ফোনে ওখানকার ঘটনাটি জানতে পারে পুলিশ। তবে পরবর্তীতে এটা নিয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আমরা এটা নিয়ে কাজ করব। বোট ক্লাবের ঘটনায় পরীমনিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, একটি মামলা হয়েছে ঢাকা জেলাতে। যেহেতু মামলাগুলো চলমান, পরীমনি অবশ্যই প্রয়োজনে সব বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আসবে। জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্ত শেষে বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলা যাবে। এদিকে আলোচিত ইসলামী বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানসহ চারজন ৮ দিন ধরে নিখোঁজের ঘটনায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ কাজ করছে বলেও জানান হাফিজ আক্তার। তিনি বলেন, এ বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি হয়েছে রংপুরে। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সঙ্গে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশও এ বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে।
কখনই অন্য কারও মতো হতে চাইনি- ফেরদৌস
০৭,জুন,সোমবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকাই চলচ্চিত্রের দর্শকপ্রিয় নায়ক ফেরদৌস আহমেদ। ১৯৯৮ সালে হঠাৎ বৃষ্টি ছবিতে তিনি প্রথম অভিনয় করেন। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। অসংখ্য ছবিতে অভিনয় করে দর্শকদের মনে জায়গা করে নেন। আজ এই তারকার জন্মদিন। জন্মদিন কারো কাছে বিশেষ আবার কারও কাছে সাধারন দিনের মতোই। আপনার কাছে দিনটি কেমন? ফেরদৌস বলেন, মানুষ হিসেবে আমরা তো নিজেকে অনেক ভালোবাসি। এই দিনে পৃথিবীতে এসেছি। অবশ্যই আমার কাছে জন্মদিন বিশেষ দিন। কীভাবে কাটছে দিনটি? ফেরদৌস বলেন, শোবিজে ২০/২২ বছর ধরে কাজ করছি। আজ পর্যন্ত কখনই ঘটা করে জন্মদিন পালন করিনি। এ বছরও ব্যতিক্রম হচ্ছে না। সাধারণত কাছের মানুষদের আবদার, অনুরোধে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যেতে হয়। তবে এবার কোনো অনুষ্ঠানে অংশ নিচ্ছি না। কারণ এই মূহুর্তে আমরা খুব দুঃসময় পার করছি। তাই একদম ঘরোয়াভাবে দিনটি কাটাচ্ছি। দুই মেয়ে, স্ত্রী, মাসহ পরিবারের সঙ্গেই আছি। সামনে জীবনকে কীভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে চান? ফেরদৌস বলেন, প্রত্যেকটা বয়সের আলাদা সৌন্দর্য্য আছে। যখন বন্ধু-বান্ধব নিয়ে ঘুরার সময় তখন ঘুরেছি। আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে যখন সময় কাটানো দরকার তখন কাটিয়েছি। সবসময় চেয়েছি নিজের মতো করে জীবনটাকে যাপন করতে। কখনই অন্য কারও মতো হতে চাইনি। চেয়েছি একটা স্বতন্ত্র ধারা তৈরি করতে। একটা আলাদা উদাহরণ হতে। তবে অনেকের আদর্শে আমি আদর্শিত। যেমন মহানবীর আদর্শ মুসলমান হিসেবে পছন্দ করি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ রাজনৈতিকভাবে ভীষণ পছন্দ। আমি আমার বাবার আদর্শ ধারণ ও লালন করার চেষ্টা করি। কর্ম দিয়ে পৃথিবীতে একটা চিহ্ন এঁকে দিতে পারি যেন এটাই চাই। মৃত্যুর পরও বছরের পর বছর মানুষ যাতে মনে রাখে। সে হিসেবেই চলচ্চিত্র অঙ্গনে আসা। পাশাপাশি মেয়ে দুইটাকে খুব ভালোভাবে মানুষ করতে চাই। তাদের মধ্যে মানবিক গুণাবলি ঢুকিয়ে দিতে চাই। এই ম্যাকানিকাল যুগেও যাতে মনুষ্যত্ব বোধ জেগে থাকে অন্তরে, সেটা ভীষণভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছি। তাদেরকে মানুষ করলে পারলে জীবন পুরোপুরি স্বার্থক হবে। চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে কোনো অতৃপ্তি আছে? ফেরদৌস বলেন, একটা অতৃপ্তি আছে এখনও। আন্তজার্তিক স্বীকৃতি পাওয়ার মতো একটা কাজ করতে চাই। যে কাজ আমাকে আজীবন মানুষের অন্তরে বাঁচিয়ে রাখবে। গড্ডালিকায় গা ভাসিয়ে সিনেমার সংখ্যা বাড়াতে চাই না আর। একটু অন্য প্রসঙ্গে আসি। সম্প্রতি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় একটি নীতিমালা দিয়েছে। যেখানে বিদেশে শুটিং, বিদেশিদের নিয়ে শুটিং দুটোতেই অনুমতি লাগবে। এ নীতিমালা কতটুকু ফলপ্রসূ হবে বলে মনে হয়? ফেরদৌস বলেন, আমাদের শিল্প সংস্কৃতির জন্য ইতিবাচক একটা পদক্ষেপ এটি। তথ্য মন্ত্রণালয়কে অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। প্রচুর বিদেশি বিজ্ঞাপন চালানো হচ্ছে। বাইরের শিল্পীদের দিয়ে বিজ্ঞাপন তৈরি করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে নীতি নির্ধারণের দরকার আছে। এখন বিজ্ঞাপন বানালে কর দিতে হবে। বাইরের দেশ থেকে শিল্পীরা এসে পারফরম্যান্স করলে কর দিতে হবে। আমরা যখন দেশের বাইরে যাই তখন কর দিতে হয়। তো আমাদের দেশে এসে বাইরের শিল্পীরা কর দিবে না কেন? উল্লেখ্য, সর্বশেষ হৃদি হকের পরিচালনায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সিনেমা ১৯৭১ সেইসব দিন - এর শুটিং করেন ফেরদৌস। সামনে জুলাই মাসে তার ‘মানিকের লাল কাঁকড়া’ সিনেমার কাজ করার কথা আছে।
ছয় শিল্পীকে নিয়ে বাপ্পার নতুন প্রজেক্ট
০৬,জুন,রবিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পছন্দের ছয়জন নারী গায়িকাকে নিয়ে নতুন এক প্রজেক্ট গ্রহণ করেছেন দেশের জনপ্রিয় শিল্পী বাপ্পা মজুমদার। এতে নিজের শ্রদ্ধাভাজন ও প্রীতিভাজন কয়েকজন নারী শিল্পীর গানের সুর ও সংগীতায়োজন করবেন এই শিল্পী ও সংগীত পরিচালক। বাপ্পার পছন্দের এই তালিকায় রয়েছেন শিল্পী সামিনা চৌধুরী, আলিফ আলাউদ্দীন, দিলশাদ নাহার কনা, এলিটা করিম, সোমনূর মনির কোনাল, ফারহিন খান জয়িতা প্রমুখ। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে মন ভালো- শিরোনামে কনার একটি গান করেছেন বাপ্পা। গানটির কথা লিখেছেন শাহান কবন্ধ। বর্তমানে চলছে গানটির ভিডিওর পরিকল্পনা। ভিডিও হয়ে গেলেই নিজের ইউটিউব চ্যানেলে গানটি প্রকাশ করবেন বলে জানিয়েছেন বাপ্পা। বাপ্পা মজুমদার গণমাধ্যমকে বলেন, অনেকদিন ধরে আমার পছন্দের এই শিল্পীদের জন্য গানের পরিকল্পনা করে আসছিলাম। এবার কাজ শুরু করেছি। ভালো লাগছে। নতুন কিছু ভাবনা ও পরিকল্পনার বাস্তবায়ন দেখতে পাবেন শ্রোতারা।
হুমায়ুন ফরীদির জন্মদিন আজ
২৯,মে,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ প্রয়াত অভিনেতা হুমায়ুন ফরীদির জন্মদিন। বেঁচে থাকলে আজ তার বয়স হতো ৬৯ বছর। ১৯৫২ সালের ২৯ মে ঢাকার নারিন্দায় জন্মেছিলেন তিনি। তার বাবার নাম এটিএম নুরুল ইসলাম, মায়ের নাম বেগম ফরিদা ইসলাম। চার ভাই-বোনের মধ্যে ফরীদি ছিলেন দ্বিতীয়। নাটক, চলচ্চিত্র কিংবা মঞ্চ- সবখানেই ছিল তার অবাধ বিচরণ। ঢাকা থিয়েটারের শকুন্তলা, মুনতাসীর ফ্যান্টাসি, কীর্তনখোলা, কেরামত মঙ্গল-এর মতো মঞ্চনাটকে অভিনয় করে নিজেকে প্রস্তুত করেছিলেন। আদায় করে নেন দর্শকের ভালোবাসা। মঞ্চের গণ্ডি পেরিয়ে টিভি নাটক আর চলচ্চিত্রেও স্বতন্ত্র অবস্থান গড়ে নেন এই অভিনেতা। ১৯৮০ সালে নিখোঁজ সংবাদ-এর মাধ্যমে টেলিভিশন নাটকে অভিষেক হয় তার। তার অভিনীত ধারাবাহিক নাটক সংশপ্তক আজও দর্শকের স্মৃতির পাতায় ভাস্বর। এতে কানকাটা রমজান চরিত্রে অভিনয় করে নিজেকে অন্য এক উচ্চতায় নিয়ে যান তিনি। তার অন্য নাটকগুলোর মধ্যে আছে ভাঙনের শব্দ শুনি, বকুলপুর কতদূর, দুই ভুবনের দুই বাসিন্দা, একটি লাল শাড়ি, মহুয়ার মন, সাত আসমানের সিঁড়ি, একদিন হঠাৎ, অযাত্রা, পাথর সময়, দুই ভাই, শীতের পাখি, কোথাও কেউ নেই, তিনি একজন, চন্দ্রগ্রস্ত, কাছের মানুষ, মোহনা, শৃঙ্খল, প্রিয়জন নিবাস। তানভীর মোকাম্মেলের হুলিয়া তার অভিনীত প্রথম ছবি। নব্বই দশকে বাণিজ্যিক ছবির পরিচালক শহীদুল ইসলাম খোকনের সন্ত্রাস, দিনমজুর, বীরপুরুষ ও লড়াকু ছবিতে নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। এর পরই দেশীয় চলচ্চিত্রে খলনায়কের চরিত্র পায় এক অন্যমাত্রা। অবস্থা এমনই দাঁড়িয়েছিল যে, নায়কের পরিবর্তে তাকে দেখার জন্যই সিনেমা হলে দর্শক যেত। পরিচালক শহীদুল ইসলাম খোকন বিশ্বপ্রেমিক, দুঃসাহস সহ ২৮টি ছবির মধ্যে ২৫টিতেই রাখেন ফরীদিকে। তালিকায় আরও আছে দহন, একাত্তরের যীশু, দূরত্ব, ব্যাচেলর, জয়যাত্রা, শ্যামল ছায়া, মায়ের অধিকার, অধিকার চাই, ত্যাগ, মায়ের মর্যাদা, মাতৃত্ব ও আহা!র মতো ছবি। তার অভিনয়ে চলচ্চিত্রাঙ্গনে এক উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসে। ২০০৪ সালে মাতৃত্ব ছবির জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তিনি। ২০১২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন এই কিংবদন্তি। কিন্তু তার সৃষ্টি ও কর্মের মধ্যে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন।
ইত্যাদির পুনঃপ্রচার আজ
২১,মে,শুক্রবার,বিনোদন প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রতি বছর ঈদ উপলক্ষে প্রচার হয়ে আসছে ঈদের বিশেষ ইত্যাদি এবং প্রতি ঈদেই গ্যালারি উপচে পড়া হাজার হাজার দর্শকের মুখরিত মঞ্চে হানিফ সংকেত দর্শকদের জানান ঈদ মোবারক এবং সাদর সম্ভাষণ। তবে এবার সেই চিত্রে কিছুটা ব্যতিক্রম ঘটেছে। কারণ করোনা নামক অদৃশ্য ভাইরাসের কারণে সবকিছুর মতো থমকে গেছে ইত্যাদিও। তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবার চিরাচরিত নিয়মে স্টেডিয়ামে ইত্যাদি ধারণ করা হয়নি। ইতিপূর্বে প্রচারিত কয়েকটি ঈদ ইত্যাদির বেশ কয়েকটি পর্ব সংকলন করে ভিন্ন আঙ্গিকে সাজানো হয়েছে এবারের ইত্যাদি। যা সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। সংকলিত অনুষ্ঠান হিসেবে ঘোষণা দেয়া হলেও হানিফ সংকেতের দুর্দান্ত ছন্দময় গ্রন্থনায় এবারের অনুষ্ঠানটি করোনাকালে ঘরবন্দি মানুষের বিষণ্ন মনে এনেছে প্রশান্তি। শুধু টিভির দর্শকই নয়, এবারের ইত্যাদি প্রচারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ঝড় তুলেছে ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফরমেও। অত্যন্ত উপভোগ্য একটি ইত্যাদি উপহার পেয়ে দর্শকরা যে খুশি হয়েছেন তার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে, দর্শকদের উচ্ছ্বসিত প্রশংসায়। এবারের ঈদ পর্বটি একযোগে প্রচার হবে বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ড-এ আজ রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর। ইত্যাদি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। নির্মাণ করেছে ফাগুন অডিও ভিশন, স্পন্সর করেছে কেয়া কস্মেটিকস লিমিটেড।
সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের পাশে তারকারাও
১৮,মে,মঙ্গলবার,বিনোদন প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রথম আলোর সিনিয়র রিপোর্টার রোজিনা ইসলামকে হেনস্তার প্রতিবাদে এবং মুক্তির দাবিতে উত্তাল সরব নেট দুনিয়ার বাসিন্দারা। যার যার অবস্থান থেকে এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন সংবাদকর্মীরাও। নেট দুনিয়ায় #FreeRozina এবং #JournalismIsNotACrime লিখে রোজিনার পাশে দাঁড়িয়েছেন অনেকেই। শোবিজ তারকাদের অনেকেই আছেন সে তালিকায়। রোজিনার জন্য আওয়াজ তুলে নিজেদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। তালিকায় চঞ্চল চৌধুরী থেকে শুরু করে সঙ্গীতশিল্পী কোনাল আছেন। চঞ্চল চৌধুরী লিখেছেন, করোনার কারণে আমরা যে মুখোশ পরা শুরু করেছি সে অভ্যাসটা চলমান থাক। কিন্তু আসুন, আসল মুখোশটা খুলে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াই। দৃপ্ত কন্ঠে আওয়াজ তুলি, রোজিনা ইসলামের মুক্তি চাই। জয়া আহসান লিখেছেন, রোজিনা সাংবাদিকতার দায়িত্ব পালন করতে গিয়েছিলেন, সিঁধ কাটতে নয়। দেখতে পেলাম হেনস্তার শিকার হয়ে তিনি মাটিতে পড়ে যাচ্ছেন। এই আমাদের আচরণ! এই আমাদের সভ্যতা! রোজিনার গলার ওপর চেপে বসা আঙুলগুলো গভীর অর্থময় এক প্রতীকের মতো লাগছে। মনে হচ্ছে, আঙুলগুলো কোনো ব্যক্তির গলায় নয়, বরং বাংলাদেশের বাকস্বাধীনতার কণ্ঠনালিতে চেপে বসেছে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতেই এমন অশুভ একটি ঘটনা আমাদের দেখতে হলো? রোজিনাকে তার পরিবারের কাছে দ্রুত ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। সাংবাদিক রোজিনাকে সাহসিনী বলে উল্লেখ করেছেন মেহের আফরোজ শাওন। তিনি লিখেছেন, অথচ তিনি নায়িকাদের ঈদ ফ্যাশন কিংবা সেলিব্রেটিদের প্রিয় রান্নার খবর ছেপে সেলফিময় ফেসবুক চালিয়ে যেতে পারতেন! কিন্তু এই সাহসিনী বেছে নিয়েছিলেন অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা। আর তাই আজকের এই পুরষ্কার! নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী লিখেছেন, কালকের ঘটনাটার মাঝে এক ধরনের মাস্তানির ভাব আছে! সাংবাদিক সমাজের উচিত এই বাড়াবাড়ি বা মাস্তানির ঘটনায় যারা জড়িত তাদের সবার বিচার নিশ্চিত করতে সোচ্চার থাকা! এবং রুটিন করে আগামী এক মাস স্বাস্হ্য মন্ত্রনালয়ের সব পর্যায়ের দুর্নীতি নিয়ে আরো বেশি বেশি রিপোর্ট করা! যা তারা থামাতে চেয়েছে, তাকেই আরো জ্বালিয়ে দেয়াটাই হবে আসল উত্তর! সঙ্গীতশিল্পী এলিটা করিম নিজের প্রোফাইল পরিবর্তন করেছেন। রোজিনাকে নিয়ে কণ্ঠে প্রতিবাদী গান তুলেছেন সঙ্গীতশিল্পী কোনাল। গানের নাম- সত্য কন্যা রোজিনা। কণ্ঠ দেয়ার পাশাপাশি কথা ও সুর করেছেন কোনাল নিজেই। কোনাল লিখেছেন, আমার মা বলেছে, রোজিনাদের কলম কোনোদিন থামবে না! জয় বাংলা! রোজিনাকে মুক্ত করতে হবে। আর একটি কথাও শুনব না!
কোটির ঘরে- বিনোদিনী রাই
১৭,মে,সোমবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের সাব্বির নাসির এবং কলকাতার সম্পা বিশ্বাসের গাওয়া- বিনোদিনী রাই গানটি অল্প সময়ে কোটি মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছে। গানটির কথা সাজিয়েছেন প্লাবন কোরেশী। সিলেটের ধামাইল আঙ্গিকে করা এই গানটির নতুন সুরও সাজিয়েছেন তিনি। সংগীতায়োজনে ছিলেন রিয়েল আশিক। দ্রুততম সময়ে সাফল্য পাওয়া এই গানটি নিয়ে সাব্বির নাসির বলেন, করোনার এই বিপন্ন সময়ে আমার গাওয়া গানটি কোটি মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছে, এটি আমার কাছে অত্যন্ত আনন্দের এবং প্রেরণার। প্লাবন ভাই পরীক্ষিত গানযোদ্ধা। অত্যন্ত দরদ নিয়ে তিনি কাজটি করেছেন। গানটির সাফল্য প্রমাণ করে, বাংলাদেশের মানুষ এখনো ভালো গান শুনতে চায়। দুই বাংলায় গানটির ব্যাপক সাফল্যে আমি অনেক বেশি মানসিক শক্তি পাচ্ছি। সুর তো আসলে বিধাতা, উপরওয়ালার কাছ থেকে আসা এক শুদ্ধ পাণ। চেষ্টা থাকবে এই যন্ত্রটাকে পরিষ্কার রাখার যাতে ঐ শুদ্ধ স্বর ধারণ করতে পারি। সম্পা বিশ্বাস ও প্লাবন কোরেশীর সাথে আমার প্রথম কাজ এটি। আশা করি, ভবিষ্যতে আরো সুন্দরকাজ হবে। সম্পা বিশ্বাস বলেন, বিনোদিনী রাই' গানটি নিয়ে যাই বলি কম বলা হয়ে যাবে। গানের গীতিকার ও সুরকার প্লাবন দা এবং সাব্বির ভাইয়ের সঙ্গে এটি ছিল আমার প্রথম কাজ। গানটি রেকর্ডের সময় গায়ক সাব্বির ভাইয়ের সঙ্গে পরিচয় হলো। ভীষণ ভালো একজন মানুষ তিনি। গানটি প্রকাশের পর থেকে যে সাড়া পাচ্ছি সেটা আপনাদের ভালোবাসার জন্য সম্ভব হয়েছে। আগামীতেও প্লাবন দা এবং সাব্বির ভাইয়ের সঙ্গে সুন্দর সুন্দর কাজ করতে চাই।
অসহায়দের পাশে তোরসার- দ্য স্মাইল ফাউন্ডেশন
২৬,এপ্রিল,সোমবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বন্দর নগরী চট্টগ্রামের মেয়ে রাফাহ্ নানজীবা তোরসা। মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ-২০১৯ মুকুট জয় করেন এবং প্রচলিত রীতি ভেঙে ২০১৯ এবং ২০২০ দুবছর ওনার টাইটেল ধরে আছেন। লন্ডনে অনুষ্ঠিত মিস ওয়ার্ল্ডের মূলপর্বে বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন এবং হেড টু হেড রাউন্ডে আনেন সাফল্য। বিউটি পেজেন্ট থেকে বেরিয়ে যেখানে সুন্দরীরা শোবিজ অঙ্গনে নিজেদের ক্যারিয়ার গড়তে ব্যস্ত থাকেন সেখানে ব্যতিক্রম তোরসা। সংস্কৃতি চর্চার পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়ন ও বিভিন্ন সচেতনতা মূলক কাজে নিজে জড়িত রেখেছেন তোরসা। দ্য স্মাইল ফাউন্ডেশন নামে নিজের একটি সংগঠন আছে তার। বরাবরের মতো এবারও তিনি তার- দ্য স্মাইল ফাউন্ডেশন দেশের কোভিড পরিস্থিতিতে অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছে। এবার তাদের কর্মসূচীর স্লোগান আসুন মায়া ছড়াই।সারাদেশে তাদের এই কর্মসূচী চলছে। এবারের কোভিড সময়ে রমজান মাসে মানুষদের সেহরী করাচ্ছেন এবং ছোট ছোট এতিম বাচ্চাদের ইফতার করাচ্ছেন। রাফাহ্ নানজীবা তোরসা বলেন, এবারের কার্যক্রম একটু অন্যরকম। কারণ, সচরাচর ইফতার যেখানে কম বেশী সবাই পায় সেখানে সেহরী দেওয়াটাই আমাদের মূল লক্ষ্য এবং রোজার শুরু থেকে আমরা তাই করছি। যদিও আমরা ইফতার ও বিতরণ করি শহর এবং শহর থেকে অনেক দূরে যেখানে ছোট্ট বাচ্চাগুলো ঠিক মতো খেতেই পায়না। এর মাঝে রাস্তায় প্রতি রাতে, বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে আমাদের কার্যক্রম চলছে। আমরা দুটো এতিম খানায় আজকের ইফতার বিতরণ করি। এই মায়া ছড়ানোর কাজ অব্যাহত রাখতে চাই সবার সহযোগীতা। পুরো দেশজুড়ে আমাদের এই কার্যক্রম চলছে। সামনে আমরা ৩০০ পরিবারকে এক মাসের পুরো বাজার করে দিবো পরিকল্পনা করছি। আমি চাই মানুষের কাছে এই ম্যাসেজটা পৌঁছে যাক। আমাদের যে প্রজেক্ট- আসুন মায়া ছড়াই এটা শুধু মাত্র কোভিডের সময় না, সবসময় মানুষের প্রতি মায়াটা থাকে, ভালোবাসাটা থাকে এটাই মূল কথা। এই মায়ার জায়গা থেকে যে যেভাবে সম্ভব যেভাবে পারে ডোনেশন দিয়ে পাশে থাকে। প্রসঙ্গত, গেলো বছর চট্টগ্রাম এবং ঢাকায় বেশ কিছু এলাকায় নিজ উদ্যোগে ৬০০ এর অধিক পরিবার'কে সাহায্যএবং এলাকায় রাস্তায় পশুপ্রাণীদের খাওয়ানোর দায়িত্ব নিয়েছিলেন।এবং প্রশাসনের মাধ্যমে অনেক পরিবারের কাছে খাদ্য পৌঁছে দেন।তাদের দ্য স্মাইল ফাউন্ডেশন মূলত তিনটি বিষয়কে ফোকাস করে। ভ্যালু বেজড এডুকেশন,মানসিক স্বাস্থ্য ও পরিবেশ। উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক বিষয়ের ছাত্রী রাফাহ্ নানজীবা তোরসা বহু গুণের অধিকারিনী। অভিনয়,নৃত্য,আবৃত্তি,অংকন,বিতর্ক ও উপস্থাপনায় বেশ পারদর্শী। ৩ বছর বয়স থেকেই তিনি সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নিজেকে সম্পৃক্ত করেছেন। ২০১০ সালে জাতীয় শিশু প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পুরষ্কার গ্রহণ করেন। একই বছরে মার্কস অলরাউন্ডার্স প্রতিযোগিতায় ১০লক্ষ প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে রানার্সআপ হয়ে ছিলেন। ২০০৯ ভরতনাট্যম নাচে স্বর্ণপদক অর্জন করেছিলেন।