রবিবার, মে ৯, ২০২১
শেষ হলো- অরুপার গল্প
২১সেপ্টেম্বর,সোমবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অরুপার বিয়ে ঠিকঠাক। ছেলে কানাডা প্রবাসী। যদিও এ বিয়েতে তার একদমই মত নেই। তবুও বিয়ের দিন এগিয়ে আসতে থাকে। অরুপা তার হবু বরকে নিয়ে একদিন ঘুরতে বের হয়। ঢাকার একটু বাইরে, খুব সুন্দর একটি জায়গায়। হঠাৎ তাদের গাড়ি নষ্ট হয়ে যায়। আর সেখানে এসে উপস্থিত হয় একদল মাস্তান। অরুপাকে ফেলে পালিয়ে যায় তার হবু স্বামী! মূলত এখান থেকেই শুরু নাটকের মূল গল্পটা। অঞ্জন আইচের এমন গল্পে নাটকটি পরিচালনা করেছেন দিপু হাজরা। নাম অরুপার গল্প। শুটিং শেষ হয় সম্প্রতি। এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন ইরফান সাজ্জাদ, তাসনুভা তিশা, সমাপ্তি মাসউক, সূচনা আজাদ, মীর শহীদ, পিপুলী ইসলাম, ফকির মাহমুদ জাকির, সরকার আরিফুল ইসলাম, কাশেম প্রধান, আবুল হোসেন প্রমুখ। নির্মাতা জানান, বিটুআই ভিশনের প্রযোজনায় নির্মিত নাটকটি অক্টোবর মাসের শুরুতে একটি স্যাটেলাইট চ্যানেলে প্রচারের কথা রয়েছে।
জানি না কবে সিনেমা করবো: মেহজাবীন
২০সেপ্টেম্বর,রবিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অনেকদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিলো চলচ্চিত্রে আসছেন ছোট পর্দার সুপারস্টার মেহ্জাবীন চৌধুরী। বেশ কয়েকবারই হয়েছেন খবরের শিরোনাম। শেষ পর্যন্ত আর দেখা মিলেনি। তবে এখনই বড় পর্দায় তার অভিষেক ঘটছে না বলে জানান এই অভিনেত্রী। এরমধ্যে বেশকিছু গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে যে, চলচ্চিত্র করতে যাচ্ছেন মেহজাবীন। এই বিষয়ে জানতে এই অভিনেত্রির সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আসলে খবরে যেটা এসেছে সেটা সঠিক নয়। জায়া শিরোনামে যেই কাজটি করতে যাচ্ছি এটা আসলে চলচ্চিত্র না, টেলিফিল্ম। তিনি আরও বলেন, গল্পটার দৈর্ঘ্য প্রায় ৯০ মিনিট তাই এটাকে নাটকও বলা যাচ্ছে না। নাটক বলতে আমরা বুঝি ৪০ মিনিট দৈর্ঘ্যের কাজকে। আর জায়া নির্মিত হতে যাচ্ছে একটি ওটিটি প্ল্যাটফর্মের জন্য। শিগগিরই এটার শুটিং শুরু হবে। এখানে আমার বিপরীতে থাকছেন আফরান নিশো। এটি পরিচালনা করবেন শিহাব শাহীন। প্রায়ই সিনেমার খবরের শিরোনাম হচ্ছেন মেহজাবীন। কিন্তু মেহজাবীনকে সত্যিকারভাবে কবে বড় পর্দায় দেখতে পাওয়া যাবে, এমন প্রশ্নে এই নায়িকা বলেন, আসলে এখন যেই পরিস্থিতি; এই সময়ে সিনেমা করাও সম্ভব না। আর আমি নিজেও জানিনা আদৌ সিনেমা করবো কিনা! তবে ভালো গল্প পেলে অবশ্যই করবো। তিনি আরও বলেন, সিনেমা বলতে আমরা যেটা বুঝি নাচ,গান, ড্রামা সব মিলিয়ে একটা ফুল প্যাকেজ। নাটক আর সিনেমা দুইটাতে অনেক পার্থক্য। তবে এখন সিনেমার আয়োজনেও নাটক বা ওয়েব ফিল্ম হচ্ছে। যেগুলো অনেক ওটিটি প্লাটফর্মে যাচ্ছে। কিন্তু পর্দার ব্যাপারটাই অন্যরকম। যখন পছন্দমত কোন গল্প পাবো, যেখানে নিজেকে এক নতুনভাবে আবিষ্কার করা যাবে, যেভাবে আগে কেউ আমাকে দেখেনি; সেরকম হলে অবশ্যই সিনেমা করবো। তবে সেটা কবে, আমি নিজেও জানিনা। নাটকে নানামাত্রিক গল্পে,চরিত্রে কাজ করছি। সিনেমায় গিয়ে যদি ভিন্ন কিছু দেখাতে না পারি তাহলে তো সেটা করে লাভ নেই। সেরকম পছন্দমত গল্প হলে আর ভালো নির্মাতা হলে হয়তো আমাকে পর্দায় দেখা যাবে।
জোভান-তিশার তুমি কি আমারই
১৯সেপ্টেম্বর,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এর অগেও জোভান-তিশার রোমান্স দেখতে পেয়েছেন দর্শকরা। এবার এই জুটি আবারও নতুন একটি নাটকে একসঙ্গে কাজ করলেন। নাটকটির শিরোনাম তুমি কি আমারই। রোমান্টিক-কমেডি ধাঁচের নাটকটির গল্প লিখেছেন নির্মাতা মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ। পরিচালনা করেছেন তিনিই। সম্প্রতি ঢাকার উত্তরায় এর শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ বলেন, প্রেম ও হাস্যরসের মিশ্রণে নাটকটি বানিয়েছি। জোভান ও তানজিনা তিশার কেমিস্ট্রিটা ভালো মানিয়েছে। দর্শকরা উপভোগ করলেই আমাদের পরিশ্রম সার্থক হবে। জোভান, তানজিন তিশা ছাড়াও আছেন শহিদুজ্জামান সেলিম, রোজী সিদ্দিকিসহ অনেকে।
দাদার কথা ও সুরে নাতনির গান
১৫সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বরেণ্য গীতিকবি গাজী মাজহারুল আনোয়ার। বেশ কিছু দিন ধরে নতুন কোনো গানের সুর করছেন না তিনি। তবে এবার অনেক দিন পর সুর করলেন এই গীতিকবি। তবে কোনো খ্যাতিমান শিল্পী নয়, তার সুর করা গানটি রেকর্ড করা হয়েছে নাতনি আরশিয়ার কণ্ঠে। সারেগামাপাধা, আমার দাদি দাদা/ বানাতে চায় শিল্পী আমায় বড়/ ফুপি এসে বলে লক্ষ্মীসোনা এবার হারমোনিয়াম ধরো- এমন কথায় সাজানো গানটির কথাও লিখেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার নিজেই। সংগীতায়োজন করেছেন আহমেদ কিসলু। আট বছর বয়সী আরিশিয়ার কণ্ঠে নিজের লেখা ও সুর করা গান শুনে গাজী মাজহারুল আনোয়ার বলেন, আমার মেয়ে দিঠির বয়স যখন আট তখন তার গান লিখেছিলাম। বহু বছর পর এবার নাতনির জন্য কোনো গান তৈরি করলাম। গান গাওয়ার মুহূর্তে যে উচ্ছ্বাস আরশিয়ার মধ্যে দেখেছি, তা আমাকে মুগ্ধ করেছে। সে কেমন গাইলো সেই প্রশ্নে যাব না, বরং যারা জেনেবুঝে গান করেন, তাদের কাছে আরশিয়া অনুপ্রেরণা পাবেন- এটাই প্রত্যাশা। তিনি আরও বলেন, আমি মনে করি, আরশিয়ার মতো যারা গানের ভুবনে নতুন, তাদের অনুপ্রেরণা দিতে হবে যাতে করে গানের নতুন একটি প্রজন্ম তৈরি হয়। সেটা করতে পারলেই আমরা গানের ভুবনে ভালো কিছু শিল্পীর ওঠে আসা দেখতে পাব।
বর্ষীয়ান চলচ্চিত্র অভিনেতা সাদেক বাচ্চু আর নেই
১৪সেপ্টেম্বর,সোমবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বর্ষীয়ান চলচ্চিত্র অভিনেতা সাদেক বাচ্চু করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মহাখালীর ইউনিভার্সাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে লাইফ সাপোর্ট থাকা অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন। হাসপাতালটির চিকিৎসক ডা. আশিস চক্রবর্তী নিউজ একাত্তরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সাদেক বাচ্চু সাহেব শতভাগ লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। কিন্তু তার হৃদযন্ত্র কাজ করা বন্ধ করে দেয়। তার জন্য পাঁচ সদস্যের একটি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছিল। তিনি সকাল ১২টা ৫ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। গত ৬ সেপ্টেম্বর শ্বাসকষ্ট নিয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি হন সাদেক বাচ্চু। উপসর্গ থাকায় তার করোনা পরীক্ষা করা হলে রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তবে শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে তাকে সেখান থেকে মহাখালীর ইউনিভার্সাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সাদেক বাচ্চুর জন্ম ১৯৫৫ সালের ১ জানুয়ারি চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে। পাঁচ দশকের দীর্ঘ অভিনয় ক্যারিয়ারে মঞ্চে, বেতারে, টিভিতে, সিনেমায়, সর্বত্র দাপুটে বিচরণ ছিল তার। নব্বই দশকে এহতেশামের চাঁদনী সিনেমায় অভিনয়ের পর জনপ্রিয়তা পান খলনায়ক হিসেবে। এই পরিচয়েই দেশজুড়ে খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে গুণী এই অভিনেতার। ১৯৬৩ সালে খেলাঘরের মাধ্যমে রেডিওতে অভিনয় শুরু করেন সাদেক বাচ্চু। তার প্রথম থিয়েটার গণনাট্য পরিষদ। ১৯৭২-৭৩ সালে মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তী সময়ে যখন এদেশের সাংস্কৃতিক বলয় নতুনভাবে তৈরি হচ্ছিল, তখন যোগ দেন গ্রুপ থিয়েটারে। দীর্ঘ পথ পেরিয়ে ১৯৭৪ সালে প্রথম টেলিভিশন নাটকে অভিষিক্ত হন গুণী এই অভিনেতা। রামের সুমতির মাধ্যমে যাত্রা শুরুর পর বহু জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন তিনি। সাদেক বাচ্চুর উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে- জোর করে ভালোবাসা হয় না (২০১৩), জজ ব্যারিস্টার পুলিশ কমিশনার (২০১৩), জীবন নদীর তীরে (২০১৩), তোমার মাঝে আমি (২০১৩), ঢাকা টু বোম্বে (২০১৩), ভালোবাসা জিন্দাবাদ (২০১৩), এক জবান (২০১০), আমার স্বপ্ন আমার সংসার (২০১০), মন বসে না পড়ার টেবিলে (২০০৯), বধূবরণ (২০০৮), ময়দান (২০০৭), আমার প্রাণের স্বামী (২০০৭), আনন্দ অশ্রু (১৯৯৭), প্রিয়জন (১৯৯৬), সুজন সখি (১৯৯৪)। ২০১৮ সালের একটি সিনেমার গল্প চলচ্চিত্রে অভিনয় করে সেরা খল চরিত্রাভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন সাদেক বাচ্চু।
সিনেমাওয়ালার নতুন আকর্ষণ- ওসিডি
১৩সেপ্টেম্বর,রবিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অবসেসিভ কমপালসিভ ডিসঅর্ডার (ওসিডি) একটি রোগ। বাংলায় এটাকে বলা হয়ে থাকে শুচিবাই। ওসিডিতে আক্রান্ত ব্যক্তির মস্তিষ্ক একটি বিশেষ ধরনের চিন্তা বা তাড়নায় আটকে যায়। এ কারণে তিনি একই ধরনের কাজ বারবার করতে থাকেন। যেমন, দরজার তালা লক করেছেন কিনা ২০-৩০ বারের মতো মনে সন্দেহ জাগালে তখন তা উদ্বেগজনিত রোগ। সারাবিশ্বে প্রতি ৫০ জনে একজন জীবনের কোনও না কোনও সময় এই রোগে ভোগে। ওসিডি-আক্রান্তের অস্থিরতা বিভিন্ন রকমের হতে পারে। কখনও মনে হয় হাতটা ভালো করে ধোয়া হলো না, তখন বারবার হাত ধুতেই থাকেন। বাড়ির কাজের লোক ঘর মোছার পর মনে হবে মোছাটা ভালো হয়নি, তখন ঘরটা বারবার মুছতেই থাকেন। একবার টাকা গোনা হয়ে গেলে মনে হয় যেন ভালো করে গোনা হলো না, তখন বারবার গুনতেই থাকেন। এমনই একটি পরিবারকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে ওসিডি। জনপ্রিয় নির্মাতা মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সিনেমাওয়ালা উপহার দিতে যাচ্ছে নতুন নাটকটি। সম্প্রতি ঢাকার উত্তরায় এর শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। নাটকটিতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন শামীম হাসান সরকার, সারিকা সাবা, মনিরা মিঠু ও তাহসিন অপ্সরা। ওসিডির রচনা ও পরিচালনা করেছেন নির্মাতা রাজের সহকারী কেএম সোহাগ রানা। তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যানুযায়ী, ওসিডি খুবই মারাত্মক একটি রোগ এবং পৃথিবীর দশটা রোগের মধ্যে এর স্থান তৃতীয়। ওসিডি এতটাই যন্ত্রণা দেয় যে, মানুষের মধ্যে আত্মহত্যা করার প্রবণতার জন্ম হয়। তাই আমরা হাস্যরসের মাধ্যমে একটা বক্তব্য দিতে চেয়েছি। ওসিডি নাটকে রয়েছে ইয়ার্কি শিরোনামের একটি গান। এটি লিখেছেন জনি হক। গানটি গেয়েছেন আয়েশা মৌসুমী ও নূরনবী। সুর ও সংগীত পরিচালনায় আহমেদ সবুজ। সিনেমাওয়ালা ইউটিউব চ্যানেলে এ মাসেই মুক্তি পাবে ওসিডি।
সবসময় ভালো কাজের প্রতিনিধি হতে চেয়েছি: শাকিব খান
১২সেপ্টেম্বর,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের সব সঙ্কটের মধ্যেও সবচেয়ে বড় আশা-ভরসার নাম সুপারস্টার শাকিব খান। সম্প্রতি করোনাকালে স্থবির হয়ে পড়া চলচ্চিত্র অঙ্গনে আবারও প্রাণসঞ্চার করে শুটিং শুরু করেছেন ঢালিউডের- নবাব। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ৩০০ ফিট সড়কের পূর্বাচল এলাকায় ও বিএফডিসিতে নবাব এলএলবি সিনেমার শুটিংয়ে অংশ নেন শাকিব খান। করোনাকালে রুদ্ধ পরিস্থিতি থেকে সবকিছু স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরার অন্যতম অনুষঙ্গ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এই শুটিং। শাকিব খান তার ফেসবুক পেজে শুটিং শুরু করার অনুভূতি জানিয়েছেন ভক্তদের। তিনি বলেন, আমি সবসময়ই কাজ করি দেশের সাধারণ মানুষদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য। চেষ্টা করি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে বিশ্ব দরবারে পৌঁছে দেয়ার জন্য। শত প্রতিকূলতার পরেও আমার এই প্রচেষ্টা থেমে নেই। এরমধ্যে বৈশ্বিক করোনার কারণে আজ আমার ইন্ডাস্ট্রি ও দেশের সাধারণ মানুষ ভালো নেই। খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা, শিক্ষার পাশাপাশি দৈনন্দিন জীবনে বিনোদন সংস্কৃতিও ওতোপ্রোতভাবে জড়িত। এছাড়া এ মাধ্যম অনেকের জীবিকা নির্বাহের একমাত্র উৎস। মানুষগুলো এমন দুঃসময়েও ভালোবাসার টানে পড়ে আছেন এই ইন্ডাস্ট্রিতে। আমি তাদের জন্যও কাজ করে যাচ্ছি। আমার এই প্রচেষ্টা সবসময় অব্যাহত থাকবে। ঢালিউড কিং বলেন, আমার কাজ বিনোদন দেওয়া। যেহেতু আমি এ মাধ্যমের প্রতিনিধি, তাই আমার কাজের মাধ্যমে করোনা জর্জরিত সাধারণ মানুষদের মনে একটু হলেও যদি আনন্দ দিতে পারি, আমার ইন্ডাস্ট্রির মানুষের উপাজর্নের পথ সচল করতে পারি; এটাই হবে আমার বড় স্বার্থকতা। শাকিব খান আরও বলেন, আমি সবসময় ভালো কাজের প্রতিনিধি হতে চেয়েছি। শুরু থেকে সেই চেষ্টা করে আসছি, আগামীতেও করবো ইনশাআল্লাহ। এই সংকটকালে আজ থেকে 'নবাব এলএলবি' নামে নতুন সিনেমার শুটিং শুরু করেছি। আমাকে যারা শাকিব খান বানিয়েছেন দেশ-বিদেশের সেই কোটি মানুষদের দোয়া ও ভালোবাসা সঙ্গে নিয়ে সামনে এগোনোর চেষ্টায় থাকলাম। সবার জন্য ভালোবাসা।
বিয়ের পর অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ী হচ্ছেন নুসরাত ফারিয়া
১১সেপ্টেম্বর,শুক্রবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া মাজহার দীর্ঘ সাত বছরের প্রেম শেষে গেল মার্চে বাগদান সেরেছেন। প্রেমিক রনি রিয়াদ রশিদের সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন ডিসেম্বরের শেষের দিকে। এবার জানা গেল, বিয়ের পর এই চিত্রনায়িকা স্থায়ী হচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ায়। সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়াকে ফারিয়া বলেন, আমরা ডিসেম্বরের শেষের দিকে বিয়ে করব, আশা করি সেই সময়ের মধ্যে পরিস্থিতি আরো ভালো হয়ে উঠবে। আমরা তার পরে অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ী হওয়ার পরিকল্পনা করছি। ওই সাক্ষাৎকারে নুসরাত ফারিয়া আরো জানিয়েছেন, এবারের জন্মদিনে তাঁকে হবু স্বামী নীল হীরার আংটি উপহার দিয়েছেন। এ ছাড়া খুব দ্রুতই রাজা চন্দের ভয় সিনেমার শুটিংয়ে অংশ নিতে সড়কপথে দেশ ছাড়বেন এই অভিনেত্রী। দুই বাংলার জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া ১৯৯৩ সালের ৮ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। মিডিয়াতে ক্যারিয়ার শুরু করেন আরজে হিসেবে। তবে নজর কাড়েন ২০১২ সালে এনটিভির থার্টিফার্স্ট ধামাকা কক্সবাজার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। আলোচিত প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে পা রাখেন ফারিয়া। এরপর নিয়মিত মুখ হয়ে উঠেছেন ঢাকা ও কলকাতার সিনেমায়।
গঠিত হলো কণ্ঠশিল্পী পরিষদ বাংলাদেশ
০৮সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত দুই মাসের অক্লান্ত চেষ্টায় সংগীতাঙ্গনে এসেছে শুভ বারতা। ঐক্যহীন সংগীতাঙ্গনে কণ্ঠশিল্পীদের ন্যায্য ও নৈতিক-আর্থিক অধিকার সংরক্ষণ এবং সংগীতে নৈরাজ্য বন্ধে গীতিকবি সংঘ ও মিউজিক কম্পোজারস অ্যাসোসিয়েশনের পর এবার ঐক্যবদ্ধ হলেন কণ্ঠশিল্পীরাও। এ সংগঠনে আহবায়ক হিসেবে স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত দেশবরেণ্য সংগীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে একাধিকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত গুণী সংগীতশিল্পী কুমার বিশ্বজিত ও নন্দিত গায়ক হাসান আবিদুর রেজা জুয়েলের সমন্বয়ে একটি পূর্নাঙ্গ আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটির উপদেষ্টামন্ডলীতে আছেন দেশবরেণ্য কণ্ঠশিল্পী ও সংগীতের পুরোধা ব্যক্তিত্ব সৈয়দ আবদুল হাদী, নিয়াজ মোহাম্মদ চৌধুরী, খুরশীদ আলম, ইন্দ্রমোহন রাজবংশী, রফিকুল আলম, ফকির আলমগীর, লিনু বিল্লাহ, শাহীন সামাদ, পাপিয়া সারোয়ার, ফেরদৌস আরা, তপন মাহমুদ, ফাতেমা তুজ জোহরা, আবিদা সুলতানা ও ইয়াকুব আলী খান। নির্বাহী সদস্য হিসেবে আছেন ফাতেমা তুজ জোহরা, আবিদা সুলতানা, সাদি মহম্মদ,কিরণ চন্দ্র রায়, তপন চৌধুরী, ফাহমিদা নবী, সামিনা চৌধুরী, রুমানা মোরশেদ কনকচাঁপা, আসিফ আকবর, অদিতি মহসিন, খায়রুল আনাম শাকিল, শফি মন্ডল, রবি চৌধুরী, এস আই টুটুল, আগুন, আঁখি আলমগীর, চন্দন সিনহা, দিনাত জাহান মুন্নী, অনিমা রায়, প্রিয়াংকা গোপ, মঈদুল ইসলাম খান শুভ, জয় শাহরিয়ার, কিশোর দাস, সোমনূর মনির কোনাল, ইলিয়াস হোসাইন। এ প্রসঙ্গে সংগঠনটির নবনিযুক্ত আহবায়ক রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা বলেন, বাংলা গানের রয়েছে এক অভূতপূর্ব ক্ষমতা ও ঐতিহ্য। সংস্কৃতির সকল ধারার মধ্যে গান মুহুর্তেই ছুঁয়ে যেতে পারে কোটি হৃদয়, জাগিয়ে তুলতে পারে চেতনা। বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন থেকে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, বাঙালির মুক্তিসংগ্রাম, স্বাধীনতাসহ সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে উদ্দীপনা যুগিয়েছে সংগীত, গান। ২০২১ এ পালিত হবে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। এ দীর্ঘ ৫০ বছরেও অবহেলিত সংগীতাঙ্গনের মানুষদের জন্য কোনো সুষ্ঠ রুপকল্প বা নীতিমালা তৈরী করা যায়নি। সংস্কৃতির অন্য সব ধারায় আছে শক্তিশালী সংগঠন, ঐক্য। তারা সাংগঠনিকভাবে নিজেদের দাবি-দাওয়া আদায় করতে পারেন। আজ কণ্ঠশিল্পী সংস্থা বাংলাদেশ গঠিত হওয়ার মাধ্যমে সংগীতাঙ্গনে এক বৃহৎ ঐক্যের দুয়ার খুলে গেল। সময়ের প্রতিকূলতার কারণে অনেকের সঙ্গেই যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। আমরা এজন্যে কমিটিতে গুরুত্বপূর্ন কণ্ঠশিল্পীদের অন্তর্ভূক্তি উন্মুক্ত রেখেছি। যুগ্ম আহবায়ক কুমার বিশ্বজিত বলেন, বিগত দিনে আমরা সংগীতের অনেক গুণীজনকে হারিয়েছি। তাদের প্রতি আমাদের বিনম্র শ্রদ্ধা। করোনাকালে বছরের প্রায় অর্ধেক সময় কর্মহীন পার করে হাঁপিয়ে উঠেছেন শিল্পীসমাজ। কণ্ঠশিল্পীদের আয়ের প্রধান মাধ্যম স্টেজ, আর সে স্টেজ শো আজ বন্ধ। এ বাস্তবতা সংঘবদ্ধভাবেই মোকাবিলা করতে হবে। একথা সত্য আমাদের দেশের বরেণ্য শিল্পীরা গানকে ভালোবেসে সৃষ্টিতেই মগ্ন থাকেন। তারা অর্থের দিকে কখনোই ধাবিত হন নাই। কিন্তু নিজের সৃষ্টির প্রাপ্য অন্যের ঘরে দীর্ঘদিন ধরে চলে যাওয়ায়, তা বন্ধে ঐক্যের প্রয়োজন। একজন সৃষ্টিশীল মানুষের সৃষ্টি তার এবং তার পরবর্তী প্রজন্মের জন্যে একমাত্র সম্পদ। আর তা সংরক্ষণে আমরা বদ্ধপরিকর। শিল্পীরা চান তাদের সৃষ্টির যোগ্যতা নিয়ে স্বাবলম্বী হতে। এই স্বপ্নকে সামনে রেখে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী দেশের অগ্রজ এবং নবীন প্রগতিশীল কণ্ঠশিল্পীদের সংগঠিত করে আমরা সজ্ঞানে, সুচিন্তিত মতামতের ভিত্তিতে Singers Association of Bangladesh (কন্ঠশিল্পী পরিষদ বাংলাদেশ) গঠন করতে পারায় সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।