রবিবার, মে ৯, ২০২১
শুধু বাইক চালানো দেখে সবাই আমার চরিত্রের সনদ দিয়ে দিল?
২৫আগস্ট,মঙ্গলবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নতুন কিছু দেখলে সবাই হুমড়ে পড়বে। ভাল খারাপ সবই বলবে৷ আমি ফারহানা আফরোজ বর্তমান ফেসবুকে খুব ভাইরাল হচ্ছে আমাকে নিয়ে। কিন্তু আমি কি বলেছি আমাকে ভাইরাল কর? আমি নিজে বাইক চালাই। ঢাকাতে থাকি, অহরহ ছেলেরা হলুদে বাইক নিয়ে এন্ট্রি দিচ্ছে ও মেয়েরা নেচে। আমি মেয়ে হয়ে বাইক চালাতে পারি। তাই ভাবলাম বাইক চালিয়েই এন্ট্রি দি। এখন করোনাকালীন সময়ে বিয়ের প্রোগ্রাম করতে থানা থেকে অনুমতির প্রয়োজন হয়। আমার ক্ষেত্রেও তার ভিন্নতা ছিল না। সকল অনুমতি নিয়েই আমার হলুদ ও বিয়ের প্রোগাম। সবই ঠিক থাকত। এত কথাও হত না, যদি বাইক নিয়ে পার্লার থেকে প্রোগ্রামে না যেতাম। কথা হল। ভাল, খারাপ সব হল। আমার ছবি আমার থেকে অনুমতি না নিয়ে গ্রুপে গ্রুপে বাজে পোস্ট করা হচ্ছে। আজ মেয়ে হয়ে বাইক চালিয়ে এন্ট্রি, তাই? আজ বাংলাদেশে কত মেয়ে বাইকার! তাহলে আমি যদি হলুদে বাইক চালিয়ে ঢুকি, কিছু মানুষের এত সমস্যা হচ্ছে যে গ্রুপে বাজে পোস্ট করা হচ্ছে। ইউটিউবেও ট্রোল হচ্ছে, এগুলো কি মেনে নেওয়া যায়? আমার সাথে এটা হয়েছে। আমি চাই না এরকম হেরাসমেন্ট আর কোন মেয়ে বা লেডি বাইকারের সাথে হোক। এমনিতেই সমাজে আমরা যারা বাইক চালাই তাদের অনেকের কথার সাথে লড়াই করতে হয়। ধীরে ধীরে এগুলো কমার কথা। তা না, বেড়ে ই চলেছে। আমাদের সাথে এই অত্যাচার আর কতদিন দেখব জানি না। যেখানে আমাদের প্রধানমন্ত্রী মেয়ে, স্পিকার মেয়ে, দেশ মেয়েরা চালায় সেখানে একটা মেয়ে যে বাইক চালানো জানে, তার বাইক চালানো কেন সমাজ ভাল ভাবে নিচ্ছে না? নিচ্ছে না, মানলাম। কিন্তু তার চরিত্র নিয়ে কথা আজে বাজে কথা কীভাবে সহ্য হয়? আমারও পরিবার আছে। বর আছে, শ্বশুরবাড়ি আছে। এভাবে একটা মেয়ের চরিত্র নিয়ে কথা বলতে হবে? শুধু বাইক চালানো ছবি দেখে সবাই আমার চরিত্রের সনদ দিয়ে দিল? এগুলির বিচার কি হবে?।- বিডি প্রতিদিন
পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই পর্দায় ফিরবেন অভিনেত্রী কুসুম
২৪আগস্ট,সোমবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দীর্ঘদিন ধরেই পর্দায় নেই জনপ্রিয় অভিনেত্রী কুসুম শিকদার। নিজ থেকেই কাজ করছেন না তিনি। অবশ্য একেবারেই বিদায় নেননি এ অভিনেত্রী। নতুন করে আবার ফিরবেন বলেই জানালেন কুসুম। তবে নাটকে নয়, চলচ্চিত্রের মাধ্যমেই ফিরতে চান তিনি। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই কাজে নিয়মিত হবেন এ তারকা। কুসুম বলেন, অভিনয় থেকে একেবারে বিদায় নেইনি। ব্যক্তিগত কিছু বিষয়ের জন্যই দূরে আছি। অভিনয় না করলেও এ অঙ্গনের সহকর্মী ও নির্মাতাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ আছে। কাজের বিরতি শুরুর পর আরো বেশি অভিনয়ের প্রস্তাব পেয়ে যাচ্ছি। করোনার কারণে সব বন্ধ হয়ে যাওয়ার মাঝেই মূলধারার একাধিক ছবির প্রস্তাব পেয়েছেন তিনি। এগুলোতে কাজ করার আগ্রহ থাকলেও করোনার কারণে ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। যদি করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে তখন শুটিং করার পরিকল্পনা আছে তার। কুসুম আরো বলেন, নাটকে তেমন আগ্রহ না থাকলেও ছবির কাজ নিয়ে ভাবছি। অভিনয় অঙ্গনে না থাকলেও ভক্ত-দর্শকরা ফেসবুকের মাধ্যমে আমাকে নিয়মিত উৎসাহ দিয়ে যাচ্ছেন। পরিবার থেকেও অভিনয়ে ফেরার বিষয়ে কোনো বিধিনিষেধ নেই। করোনাকাল অতিক্রম করার পরই অভিনয়ে ফিরবো। অভিনয়ে নেই তো কি হয়েছে। কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন কুসুম শিকদার। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত এ অভিনেত্রী আগেই লেখালেখিতে দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। ২০১৫ সালে তার লেখা নীল ক্যাফের কবি নামের একটি কবিতার বই প্রকাশ হয় একুশে গ্রন্থমেলায়। এই বই থেকে বেশ সাড়া পান কুসুম। এমনকি নতুন কবি হিসেবে পুরস্কারও অর্জন করেন এ অভিনেত্রী। এদিকে আগামী বইমেলাকে কেন্দ্র করে আরো একটি বই প্রকাশের পরিকল্পনা করেছেন কুসুম। করোনার এ ঘরবন্দি জীবনে দুটি ছোট গল্প লিখেছেন। শরতের জবা ও ছায়াকাল নামের দুটি গল্পের সঙ্গে আরেকটি গল্প জুড়ে দিয়ে একটি গল্পের বই প্রকাশের প্রস্তুতি নিচ্ছেন কুসুম। উল্লেখ্য, ২০০২ সালে তিনি লাক্স-আনন্দধারা ফটোজেনিক চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। ২০১০ সালে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম এর গহীনে শব্দ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় তার আগমন ঘটে। তার দ্বিতীয় চলচ্চিত্র লাল টিপ-এর জন্য তিনি মেরিল-প্রথম আলো শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেত্রীর পুরস্কার লাভ করেন। আর শঙ্খচিল-এর জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।
শুভ জন্মদিন ফজলুর রহমান বাবু
২৩আগস্ট,রবিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফজলুর রহমান বাবু। একাধারে তিনি অভিনেতা ও গায়ক। তবে নিজেকে তিনি অভিনেতা পরিচয় দিতেই বেশি স্বস্তিবোধ করেন। আজ এই তারকার জন্মদিন। ১৯৬০ সালের আজকের এই দিনে তিনি ফরিদপুরে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলার বেশিরভাগ সময় তার ফরিদপুরেই কেটেছে। ১৯৭৮ সালে ফরিদপুরের টাউন থিয়েটার দিয়ে তার অভিনয়ের সঙ্গে সখ্যতা। পরবর্তিতে বৈশাখী নাট্য গোষ্ঠীতে যোগদানের মধ্য দিয়ে তিনি তার অভিনয় জীবন শুরু করেন। ওই একই বছরে বাবু প্রথমবারের মত ন্যাশনাল ড্রামা ফেস্টিভাল-এ অভিনয় করেন। এরপর ১৯৮৩ সালে তিনি অগ্রণী ব্যাংক এ চাকরি নেন এবং ঢাকায় বদলি হয়ে চলে আসেন। ঢাকায় এসে তিনি আরন্যক নাট্যদলে যোগ দেন। এই থিয়েটারে তিনি বেশ কিছু মঞ্চ নাটক করে প্রশংসিত হন। যেমন- পালা, পাথর, ময়ূর সিংহাসন। বাবু তার টিভি নাটকে অভিনয় শুরু করেন কাজী নজরুল ইসলাম রচিত মৃত্যু ক্ষুধা (১৯৯১) নাটক দিয়ে, যা বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত হয়েছিল। তার অভিনীত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য নাটকগুলো হল- পাঞ্জাবীওয়ালা, ৫১বর্তী, ৬৯, দৈনিক তোলপাড়, রঙের মানুষ, ঘরকুটুম, ব্যস্ত ডাক্তার, ঘটক পাখিভাই, হাটকুড়া প্রভৃতি। ফজলুর রাহমান বাবুর অভিনীত চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে দারুচিনি দ্বীপ, মনপুরা, বিহঙ্গ, স্বপ্ন ডানায়, বৃত্তের বাইরে, শঙ্খনাদ, মেড ইন বাংলাদেশ, অজ্ঞাতনামা, ঢাকা ড্রিমস ইত্যাদি। ২০০৪ সালে ফজলুর রাহমান বাবু শঙ্খনাদ ছায়াছবির জন্য জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত হন। এ ছাড়াও তিনি একাধিকবার মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার, ডায়মন্ড-আরটিভি স্টার পুরস্কার, পদ্ম পুরস্কার এবং বাচসাস (বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি) পুরস্কার পেয়েছেন। মনপুরা সিনেমাতে একটি গান গাওয়ার মধ্য দিয়ে বাবু তার আরো একটি প্রতিভার জানান দেন। তিনি তার প্রথম একক মিউজিক অ্যালবাম ডুবাডুবি বের করেন ২০০৯ সালে। এছাড়াও ২০০৮ সালে মনচোরা নামক একটি মিক্সড অ্যালবামে তিনি চারটি গান গেয়েছেন। কৃষ্ণকুমারী তার অপর একটি মিক্সড অ্যালবাম।
করোনায় আক্রান্ত এস আই টুটুল
২১আগস্ট,শুক্রবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন জনপ্রিয় গায়ক, সুরকার-সঙ্গীত পরিচালক এস আই টুটুল। করোনা পজিটিভ হওয়ার বিষয়টি শিল্পী নিজেই জানিয়েছেন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে। আজ শুক্রবার এস আই টুটুল তার ব্যক্তিগত ভেরিফাইয়েড ফেসবুক পেজে লেখেন, তিন দিন আগে আমি করোনা টেস্ট করিয়েছি এবং টেস্ট এর রেজাল্ট পজিটিভ এসেছে। এখন বাসায় আইসোলেশন এ আছি। আল্লাহ পাকের এই পরীক্ষায় জানি না পাশ করবো কিনা? সবাই আমার জন্য একটু দোয়া করো। আমার জানা অজানা ভুল ত্রুটিগুলো ক্ষমা করে দিও। তিনি আরো লেখেন, তোমাদের সবার উপর মহান প্রতিপালক এর কাছ থেকে শান্তি ও রহমত নেমে আসুক। আমি আমার প্রতিটি নামাজে সবার জন্যেই দোয়া করি। সবাই ভালো থেকো, সুস্থ থেকো।
সেই ফাঁদে পা দিবেন না -আঁখি আলমগীর
১৯,আগস্ট,বুধবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আঁখি আলমগীর। বেশ কদিন ধরেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিয়ে বেশ বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হচ্ছে তাকে। বিষয়টি নিয়ে আইনি ব্যাবস্থা নেয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি। এ শিল্পীর নামে অসংখ্য ফেক ফেসবুক একাউন্ট রয়েছে। আর সেসব একাউন্ট থেকেই বিভিন্ন ধরনের প্রতারণা করা হচ্ছে। এমন প্রতারণা থেকে সম্প্রতি সবাইকে সাবধান করলেন আঁখি আলমগীর। এ শিল্পী বলেন, এটা খুবই বিব্রতকর ও বিরক্তিকর বিষয়। এর আগেও আমি এ ব্যাপারে সচেতন থাকতে বলেছি। কিন্ত প্রতারকরা তো থেমে নেই। আঁখি আরো বলেন, যারা শিল্পীদের ফেক অ্যাকাউন্ট চালায় তারা বিভিন্ন মানুষের কাছে মেসেঞ্জারের মাধ্যমে টাকা চাচ্ছে বা চায়। আমার নাম ব্যবহার করে অনেকের কাছে টাকা চাওয়া হচ্ছে বলে জানতে পারলাম। আমি আমার তরফ থেকে বলতে চাই, এরকম কেউ আমার নামে টেক্সট করে টাকা চাইলে বা আলো আঁধারের ভিডিও কলে আঁখি সেজে কথা বলে টাকা চাইলে সেই ফাঁদে পা দিবেন না। আমি সবাইকে সাবধান করে দিলাম। খুব শিগগির এর প্রতিরোধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, আসলে প্রতারকরা প্রতারণা চালিয়েই যাবে। কিন্তু সে ব্যাপারে সাধারণ মানুষকে সচেতন হতে হবে। এখন ফেক একাউন্ট বানানো কোনো বিষয় না। যে কেউ করতে পারে। তাই সবাইকে সাবধান ও সচেতন হতে হবে। এদিকে আঁখি আলমগীর চলচ্চিত্রের প্লেব্যাক ও নিয়মিত স্টেজ শো করে আসছিলেন। করোনার কারণে দীর্ঘ পাঁচ মাস ঘরবন্দি সময় কাটাচ্ছেন। অতি প্রয়োজন ছাড়া বের হচ্ছেন না তিনি। এ বিষয়ে আঁখি আলমগীর বলেন, করোনার কারণে বাসাতেই থাকছি বেশিরভাগ সময়। আর স্টেজ শো বন্ধ রয়েছে। নতুন গান রেকর্ডও তেমন করছি না। এই সময়ে পরিবার নিয়ে নিরাপদে থাকাটাই বড় বিষয়। কাজ পরেও করা যাবে। আর এই পরিস্থিতিতে আমাদের স্টেজ শো কবে নাগাদ শুরু হবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। সেদিক থেকে শিল্পী ও মিউজিশিয়ানরা ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বে। এরইমধ্যে প্রভাব পড়া শুরু করেছে কিন্তু। দোয়া করি যেন করোনা পরিস্থিতি দ্রুতই দূর হয়। সব যেন স্বাভাবিক হয় আগের মতো। আমরাও যেন যার যার কাজে ভালো ভাবে ফিরতে পারি।
প্রবীর মিত্রের জন্মদিন আজ
১৮,আগস্ট,মঙ্গলবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রঙিন নবাব সিরাজউদ্দৌলা তথা অভিনেতা প্রবীর মিত্রের জন্মদিন আজ। ১৯৪০ সালের ১৮ আগস্ট তিনি চাঁদপুর শহরে এক কায়স্থ পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। বংশপরম্পরায় পুরনো ঢাকার স্থায়ী বাসিন্দা তিনি। বর্ষীয়ান এই চলচ্চিত্র অভিনেতার সময় কাটছে অনেকটা নিরবে নিভৃতে। তাই আজকের জন্মদিনে নেই কোন উৎসব। নেই আলাদা কোন আয়োজন। প্রবীর মিত্র প্রথম জীবনে সেন্ট গ্রেগরি থেকে পোগজ স্কুলের গন্ডি পেরিয়ে জগন্নাথ কলেজ (বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। প্রবীর মিত্রের স্ত্রী অজন্তা মিত্র ২০০০ সালে মারা গেছেন। তার এক মেয়ে তিন ছেলে। ছোট ছেলে ২০১২ সালে ৭ মে মারা গেছেন। প্রবীর লালকুটি থিয়েটার গ্রুপে অভিনয়ের মাধ্যমে তার কর্মজীবন শুরু করেন। কর্মজীবনে তিনি সর্বক্ষেত্রে সফলতা অর্জন করেছেন। তিনি বহু চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। স্কুলে পড়া অবস্থায় জীবনে প্রথমবারের মতো নাটকে অভিনয় করেছিলেন তিনি। এটি ছিল রবীন্দ্রনাথের ডাকঘর। চরিত্র ছিল প্রহরী। এরপর পুরনো ঢাকার লালকুঠিতে শুরু হয় তার নাট্যচর্চা। পরিচালক এইচ আকবরের হাত ধরে জলছবি চলচ্চিত্রে তিনি প্রথম অভিনয় করেন। সিনেমার গল্প ও সংলাপ লিখেছিলেন তারই স্কুল জীবনের বন্ধু এটিএম শামসুজ্জামান। প্রথমদিকে নায়কের চরিত্রে অভিনয় করতেন এই অভিনেতা। তিতাস একটি নদীর নাম, চাবুকসহ বেশ কিছু সিনেমাতে নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। সর্বশেষ প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন রঙিন নবাব সিরাজউদ্দৌলা সিনেমাতে। পরবর্তী সময় নায়ক না হয়ে চরিত্রাভিনেতার দিকে মনোযোগী হয়ে ওঠেন তিনি। প্রবীর মিত্র ষাটের দশকে ঢাকা ফার্স্ট ডিভিশন ক্রিকেট খেলেছেন, ছিলেন ক্যাপ্টেইন, একই সময় তিনি ফার্স্ট ডিভিশন হকি খেলেছেন ফায়ার সার্ভিসের হয়ে। এছাড়া কামাল স্পোর্টিংয়ের হয়ে সেকেন্ড ডিভিশন ফুটবল খেলেছেন। প্রবীর মিত্রের উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে- ঋত্বিক ঘটকের তিতাস একটি নদীর নাম, জীবন তৃষ্ণা, চাবুক, সীমার, তীর ভাঙা ঢেউ, শেয়ানা, রঙ্গীন নবাব সিরাজউদ্দৌলা, মিন্টু আমার নাম, প্রতিজ্ঞা, অঙ্গার, পুত্রবধূ, নয়নের আলো, জয় পরাজয়, চাষীর মেয়ে, দুই পয়সার আলতা, আবদার ইত্যাদি। সারাদিন বাসায় বই, পত্রপত্রিকা আর টেলিভিশন দেখেই দিন কাটে তার। আগে সময় পেলে বিকেলে ছুটে যেতেন কাকরাইল ফিল্ম পাড়ায়। চা খেতেন, আড্ডা মেতে উঠতেন। সেসব এখন শুধুই স্মৃতি।
ভাঙছে কি পরীর সংসার?
১৭আগস্ট,সোমবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তিন টাকায়দেনমোহর নিয়ে বিয়ে করেছিলেন ঢাকাই ছবির আলোচিত নায়িকা পরীমনি। ঘটনাটি গেল মার্চ মাসের। নির্মাতা কামরুজ্জামান রনির সঙ্গে বিয়ের পর পাঁচ মাস কেটে গেলেও পরীমনির স্বামী বা সংসারের কোনো খবর নেই। এমনকি নানা সময়ে ফেসবুকে নিজের অনেক ছবি পোস্ট করলেও স্বামীর সঙ্গে কোনো ছবি শেয়ার করেননি পরীমনি। শুধু তাই নয়, স্বামী ও সংসার নিয়ে কিছু জানতে চাইলেও এড়িয়ে যাচ্ছেন তিনি। তবে কি তিন টাকা দেনমোহরের সেই বিয়ে ভেঙেই গেল? এ ব্যাপারে স্ত্রী পরীমনি বা দাম্পত্য জীবন নিয়ে কোনো কথা বলতে চাননি কামরুজ্জামান রনি। বিয়ে ভেঙে গেছে কি না, জানতে চাইলেও তিনি ছিলেন নিশ্চুপ। পরীমনির ঘনিষ্ঠ অনেকেই নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, পরীমনি আসলে হুজুগে বিয়েটা করেছেন। বিয়ের পর কয়েক দিন তাকে স্বামীর সঙ্গে দেখা গেছে। তারপর আর কোনো খবর নেই। ২০১৫ সালে ভালোবাসা সীমাহীন চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় পরীমনির। সে বছর রানা প্লাজা ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়ে আলোচনায় আসেন তিনি, যদিও এখনো মুক্তি পায়নি ছবিটি। পরীমনি অভিনীত অন্য ছবিগুলো হলো ভালোবাসব তোমায়, মহুয়া সুন্দরী, রক্ত ও স্বপ্নজাল।- বিনোদন২৪
বিষন্ন না হয়ে দ্রুত মাঠে নামলাম -জ্যোতিকা জ্যোতি
১৩আগস্ট,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জনপ্রিয় অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতি। টিভি ও চলচ্চিত্র এই দুই মাধ্যমে কাজ করেই পরিচিতি পেয়েছেন। তবে গত কয়েক বছর ধরেই তিনি ছোট পর্দায় কাজ কমিয়ে দিয়েছেন। গতানুগতিক ধারার বাইরে মনের মতো কিছু কাজ করতে তিনি মনযোগী হন চলচ্চিত্রে। তারই ধারাবাহিকতায় কলকাতার তার অভিনীত রাজলক্ষী শ্রীকান্ত ছবিটি বেশ প্রসংশা কুড়ায়। অন্যদিকে দেশে মাসুদ পথিক পরিচালিত সরকারি অনুদানের ছবি 'মায়া'র নাম ভূমিকায় কাজ করেও আলোচনায় আসেন। এদিকে করোনার কারণে কাজ বন্ধ রেখেছেন তিনি আপাতত। তবে নতুন এক কাজে মনোযোগ দিয়েছেন। আর তা হলো কৃষিকাজ। হ্যাঁ, অভিনেত্রী জ্যোতি কৃষিকাজ করছেন। অনেক দিন ধরে এই ইচ্ছে পুষে রেখেছিলেন তিনি। অবশেষে এই করোনাকালে সেটা শুরু করছেন তিনি। তবে অভিনয় ছেড়ে নয়, অভিনয়ের পাশাপাশি অ্যাগ্রো ফার্মের কাজ করবেন। জ্যোতির খামারের নাম রাখা হয়েছে খনার অর্গানিক। এ অভিনেত্রী বলেন, বিভিন্ন সময়ে আমি বলে এসেছি, কোনো একসময় কৃষিকাজে হাত দেবো। করোনার জন্য এ সুযোগ একটু আগেভাগেই ধরা দিল। ৪ আগস্ট অ্যাগ্রো ফার্মের কাজ শুরু করেছি। গত দুই বছর নানা রকম পরিকল্পনা মাথায় ছিলো। যান্ত্রিকতার বাইরে কী করা যায়, তা নিয়ে নিজের মতো করে একটু পড়াশোনা আর রিসার্চ করলাম। বর্তমানে বৈশ্বিক অর্থনীতির এবং আমার পেশাগত কাজের নড়বড়ে অবস্থায় বসে থেকে বিষণ্ন না হয়ে দ্রুত মাঠে নামলাম। এ জন্য দুই মাস নিজেকে প্রস্তুত করেছি। এদিকে এখন জ্যোতি ব্যস্ত আছেন একটি দক্ষ দল গঠন এবং উর্বর জমি তৈরি করতে। তিনি বলেন,বর্তমানে দেশের প্রেক্ষাপটে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত গ্রামের একজন তরুণের পক্ষে ভালো একটি চাকরি পাওয়া খুব কঠিন। এসব কারণেই তরুণদের কাজের জায়গাটা উন্মুক্ত রেখে তাদের সঙ্গে নিয়ে এগোচ্ছি। তার এই ফার্মে কেউ কর্মী হিসেবে কাজ করবে না, বরং সবাইকে উদ্যোক্তা হিসেবে উৎসাহিত করতে সহকর্মীদের অংশীদার হিসেবে যুক্ত করছি। এদিকে করোনাকালে জ্যোতিকা জ্যোতি অভিনীত অনিল বাগচীর একদিন ছবিটি একটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে। চলতি সময় ও অভিনয় নিয়ে জ্যোতি বলেন, করোনার এই সময়ে কাজ তেমন করছি না। কদিন আগে একটি সচেতনতামূলক তথ্যচিত্রে কাজ করেছি। দারুণ সাড়া মিলেছে। মনের মতো হলে এবং এই করোনায় নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করেই সামনে কাজ করবো।
করোনা নিয়ে গান- থ্যাঙ্ক ইউ বাংলাদেশ
১১আগস্ট,মঙ্গলবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসের ধাক্কায় সব কিছু স্থবির হয়ে গেছে। করোনার কালো মেঘে যেন সব ঢেকে যাচ্ছে। নেই সেই কাকডাকা ভোরে ফসলের আঁকাবাঁকা পথ ধরে হেঁটে যাওয়া বিদ্যালয়গামী শিক্ষার্থীদের দল। নেই সেই বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কর্মযজ্ঞে কেটে যাওয়া দিনগুলো। বাংলার মানুষ আজ হাফিয়ে উঠেছে। গৃহবন্দী হয়ে রয়েছে দিনের পর দিন। দিন দিন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর মিছিল। অনেকেই কাজ হারিয়ে দিশেহারা হচ্ছেন। এরই মাঝে বাংলার আবার সুদিন ফেরানোর জন্য একঝাঁক বাংলা মায়ের অদম্য সন্তানেরা নিরন্তর কাজ করে চলেছেন। তাঁরা পেশায় কেউ ডাক্তার, পুলিশ, সাংবাদিক, সামরিক বাহিনীর সদস্য অথবা সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী। মৃত্যুর ঝুঁকিকে তুচ্ছ করে, নিজ পরিবারের কথা চিন্তা না করে, শুধু বাংলার সুদিন ফেরার লক্ষ্য নিয়েই তাঁরা অবিরাম কাজ করে চলেছেন। ইতিমধ্যেই তাঁদের অনেকেই শহীদ হয়েছেন। ১৯৭১ সালে এই বাংলাদেশকে হানাদার মুক্ত করার জন্য যেমন জেগে উঠেছিলেন বাংলার সূর্য সন্তান মুক্তিযোদ্ধাগণ, তেমনি আজ তাঁরাও জেগে উঠেছেন বাংলার ক্রান্তি লগ্নে। তাঁদের প্রতি বাংলার প্রতিটি মানুষ আজীবন কৃতজ্ঞ থাকবে। আমারাও বিশ্বাস করি, আবারও বাংলা তার স্বরূপে খুব তাড়াতাড়ি ফিরবে। তাঁদের এই অসীম অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমাদের এর একটি ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। যার নাম Thank you Bangladesh। এই প্রজেক্টে চারটি দেশাত্ববোধক গানকে নতুনভাবে সাজনো হয়েছে। যেখানে প্রথম অংশে, করোনা পরিস্থিতির পূর্বে বাংলার চিরাচরিত অপরূপ সৌন্দর্য দেখানো হবে। দ্বিতীয় গানের দৃশ্যে করোনা পরিস্থিতিতে বাংলার অবস্থা চিত্রায়িত হবে। তৃতীয় গানের দৃশ্যে বাঙালীর করোনা মোকাবেলায় সম্মুক যোদ্ধাদের জেগে ওঠার চিত্র চিত্রায়িত হবে এবং শেষ অংশে বাংলা মা যেনো তার আবার আগের স্বরূপে ফিরে আসে খুব দ্রুত, এই আশাবাদ প্রস্ফুটিত হবে। গানটির সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন সাজেদুর সাহেদ এবং গানটির পরিকল্পনা ও ভিডিও পরিচালনা করেছেন এ,বি,এম, এহসানুজ্জামান অভি। গানটিতে অংশগ্রহণ করেছেন জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পীরা। এরা হচ্ছেন কুমার বিশ্বজিৎ, ফাহমিদা নবী, সামিনা চৌধুরী, দিলশাদ নাহার কাকলী, কাজী শুভ এবং মেজর মোঃ আশরাফুল আলম সুজন। গানটি প্রকাশ পেয়েছে একসঙ্গে টিভির পর্দায় এবং ইউটিউব চ্যানেলে।- একুশে টেলিভিশন