৪২ বছরে পা রাখলেন সুন্দরীতমা শাবনূর
১৭ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নব্বই পরবর্তী বাংলা চলচ্চিত্রের সফল নায়িকাদের মধ্যে অন্যতম শাবনূর। স্নিগ্ধ চেহারা, মায়াবী হাসি, চিরায়ত বাঙালি নারীর মধুমাখা চাহনি আর প্রাণবন্ত অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি খুব দ্রুতই চলচ্চিত্রে স্থায়ী আসন করে নেন। একটা সময় ছিলো শাবনূর মানেই সুপারহিট চলচ্চিত্র। শাবনূর মানেই দর্শকের সেরা পছন্দ। ভালোবেসে অনেকেই তাই শাবনূরকে ঢাকাই ছবির রানী বলে ডাকেন। বর্তমানে চলচ্চিত্র থেকে দূরে থাকলেও বাংলা চলচ্চিত্রে এখনো শাবনূর মানে দর্শকের কাছে বাড়তি উন্মাদনা, মাদকতা ছড়ানো প্রেম। আজ এই লাস্যময়ী অভিনেত্রীর জন্মদিন। এবারে তিনি ৪১ বছর পূর্ণ করলেন। পা রেখেছেন ৪২ বছরে। জীবনের এই বিশেষ দিনটিতে ভক্তদের শুভেচ্ছায় ভাসছেন তিনি। পারিবারিক আয়োজনে অস্ট্রেলিয়াতে কাটছে শাবনূরের জন্মদিন। সঙ্গী একমাত্র পুত্র আইজান নিহান, বোন ও ভাইয়ের পরিবারের সদস্যরা। ১৯৭৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর যশোর জেলার শার্শা উপজেলার নাভারণে জন্মগ্রহণ করেন শাবনূর। তার পর্দার পেছনের নাম নূপুর। তার প্রথম চলচ্চিত্র কিংবদন্তি পরিচালক এহতেশামের- চাঁদনী রাতে। ১৯৯৩ সালের ১৫ অক্টোবর ছবিটি মুক্তি পায়। সাব্বিরের বিপরীতে অভিনীত চলচ্চিত্রটি ব্যবসায়িকভাবে ব্যর্থ হয়। তবে শাবনূরের মুগ্ধতার ইতিহাস শুরু ১৯৯৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত জহিরুল হক পরিচালিত- তুমি আমার ছবিটি দিয়ে। সালমান শাহের সঙ্গে জুটি বেঁধে এই নায়িকা ১৪টি ছবি করেন। তার সবগুলোই রেকর্ড সংখ্যকভাবে ব্যবসায়িক সাফল্য পায়। এটি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে সফল জুটিগুলোর অন্যতম। বলা হয়ে থাকে সালমান-শাবনূর জুটি ইন্ডাস্ট্রির মিথ। পরবর্তীতে এদের আদর্শ মেনেই এখানে নায়ক-নায়িকার জুটি গড়ে উঠেছে। তবে সালমানের যুগে ওমর সানী, অমিত হাসান, আমিন খান, বাপ্পারাজদের সঙ্গেও অভিনয় করে সফলতা পান শাবনূর। সালমান মৃত্যু পরবর্তী সময়ে রিয়াজের সঙ্গে জুটি গড়ে আকাশ ছোঁয়া সাফল্যের দেখা পান শাবনূর। রিয়াজের সঙ্গে প্রায় অর্ধশত চলচ্চিত্রে জুটি বাঁধেন তিনি এবং প্রায় সব ছবিই ছিলো ব্যবসায়িকভাবে সফল এবং আলোচিত। বলা হয়ে থাকে, রিয়াজ-শাবনূর জুটির পর ঢাকাই চলচ্চিত্রে সবশ্রেণির দর্শকের কাছে জনপ্রিয় সুপারহিট আর কোনো জুটি আসেনি। এই জুটির- শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ, মোল্লাবাড়ির বউ, প্রেমের তাজমহল, বুক ভরা ভালোবাসা, ও প্রিয়া তুমি কোথায়, এ বাঁধন যাবে না ছিড়ে, মন মানে না ইত্যাদি ছবিগুলো মাইলফলক হয়ে আছে এদেশীয় চলচ্চিত্রে ব্যবসায়িক সাফল্যের ইতিহাসে। তাদের বহু সিনেমা সুপারহিট হয়েছে। এছাড়াও ফেরদৌসের সঙ্গেও শাবনূর ছিলেন অনবদ্য। মান্নার সঙ্গেও কিছু ব্যবসা সফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন শাবনূর। এ নায়িকার ক্যারিয়ারটি অনেক নায়কের জন্যও সৌভাগ্যের। তার সঙ্গে জুটি বেঁধে উত্থান হয়েছে অনেকের। তাদের মধ্যে অন্যতম আজকের শীর্ষ নায়ক শাকিব খান। মূলত রিয়াজ, মান্না, ফেরদৌসদের স্বর্ণযুগে শাকিব নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার সুযোগ পেয়েছিলেন শাবনূরের শক্ত সমর্থনেই। তাই শাকিবের নায়ক হওয়ার গল্পের নায়িকাও বলা যায় শাবনূরকে। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে শাবনূরের আরও একটি বড় অর্জন ভক্ত-দর্শকের ভালোবাসা। পাশাপাশি অভিনয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ মোস্তাফিজুর রহমান মানিক পরিচালিত- দুই নয়নের আলো চলচ্চিত্রের জন্য পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। এছাড়া পেয়েছেন বাচসাস পুরস্কার ও সর্বাধিক ১০বার মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার। ব্যক্তি জীবনে ২০১১ সালের ৬ ডিসেম্বর ব্যবসায়ী অনিক মাহমুদের সঙ্গে শাবনূরের আংটি বদল হয় এবং ২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর তাকে বিয়ে করেন। তিনি অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস শুরু করেন ও নাগরিকত্ব লাভ করেন। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর তিনি ছেলে সন্তানের মা হন। তার ছেলের নাম আইজান নিহান। এদিকে মোস্তাফিজুর রহমান মানিক পরিচালিত- এতো প্রেম এতো মায়া ছবিতে শিক্ষকের চরিত্রে অভিনয়ের জন্য কথা দিয়েছিলেন শাবনূর। তারপর কেটে গেছে প্রায় চার বছর। কিন্তু সিনেমায় আর ফেরা হয়নি এই গুণি অভিনেত্রীর। অতিরিক্ত মুটিয়ে যাওয়াসহ কিছু শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন তিনি অনেকদিন ধরে। সেই সমস্যা কাটিয়ে উঠে তারপর আবার সিনেমায় আসবেন বলে গেল বছরের একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন তিনি। সেজন্য নিজেকে ফিট করার মিশনেও নেমেছেন বলে জানা যায়।
স্বপ্নদ্রষ্টা আমাদের বঙ্গবন্ধুর- মোড়ক উন্মোচন
১২,ডিসেম্বর,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মুজিব শতবর্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে উৎসর্গ করে বিশিষ্ট গীতিকবি ও গিটার শিল্পী নাহার আহমেদের- স্বপ্নদ্রষ্টা আমাদের বঙ্গবন্ধু শীর্ষক গানের অ্যালবামের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। অ্যালবামটি প্রকাশ করেছে- দীপনস প্লানেট। বিশিষ্ট উচ্চাঙ্গ যন্ত্র সংগীত শিল্পী দীপন সরকারের সার্বিক তত্ত্বাবধান এবং সংগীত পরিচালনায় দ্বৈত গানের এই অ্যালবামে কণ্ঠ দিয়েছেন রাশনা রফিক এবং বিপ্লব সরকার। গান দুটির শিরোনাম স্বপ্নদ্রষ্টা ও আমাদের বঙ্গবন্ধু। শিরোনাম দুটি এক করেই অ্যালবামের নামকরণ করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রে অ্যালবামটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়। অনলাইনে অ্যালবামটির মোড়ক উন্মোচন করেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. মুরাদ হাসান। অ্যালবামটি সম্পর্কে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর নির্মম পাশবিক হত্যাকাণ্ড স্মৃতিকে স্মরণ করে তরুণ প্রজন্মের কাছে পৌঁছানোর যে প্রয়াস নিয়েছে এর জন্য কৃতজ্ঞতা জানাই। গানটির রচয়িতা নাহার আহমেদ বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হৃদয়ে লালন করে তার হত্যাকাণ্ড নিয়ে আমি গান রচনা করতে পেরে গর্বিত। শুধু আমার নয় বাঙালি জাতির বুকে ক্ষত সৃষ্টি করেছে তার হত্যাকাণ্ড। এই ঘটনা তরুণ প্রজন্মের সকলের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে আমার এই গান। গানের মোড়ক উন্মোচনের পূর্বে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী ড. বায়তুন নাহার, রোকেয়া হাসিনা ও সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক লিয়াকত আলীসহ আরো অনেকে।
বাবু খাইছো- গানের জন্য মামলা খেলেন হিরো আলম
১১ডিসেম্বর,শুক্রবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: হিরো আলমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন সোলস ব্যান্ডের অন্যতম সদস্য ও সংগীত পরিচালক মীর মাসুম। আলোচিত বাবু খাইছো গানের শিরোনাম, কথা, সুর চুরি ও বিকৃত করার অভিযোগে হিরো আলমের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেছেন তিনি। গত ৬ ডিসেম্বর ডিজিটাল সুরক্ষা আইনের ২২-২৩-২৪ ধারায় হিরো আলমের বিরুদ্ধে সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালে বাদী মীর মাসুমের পক্ষে মামলাটি দায়ের করেন আইনজীবী দিদার-উস-সালাম। এ আইনজীবী জানান, মামলাটি তদন্তের জন্য আদালত সিআইডিতে পাঠিয়েছেন। মীর মাসুম বলেন, আমার সৃষ্টিকে চুরি ও বিকৃত হতে দেখলাম। আবার বিকৃত করে তা দিয়ে অর্থ উপার্জনও করছে হিরো আলম। এটাকে চুরি বলাও ঠিক হবে না, বরং এটি ডাকাতি। আমার সঙ্গে যা ঘটেছে তা যেকোনো শিল্পীর জন্য অপমানজনক। আমি তারই বিচার চাই আইন ও রাষ্ট্রের কাছে। আশা করছি, সুবিচার পাবো। তবে হিরো আলম বলছেন, ওরা যে গানটি ছেড়েছে তা নিয়েই প্রচুর সমালোচনা হয়েছে। ওটা কোনো গানের ক্লাসের মধ্যেই পড়ে না। তারপরেও তারা গানটি করেছে। বাবু খাইছো শব্দটা ফেসবুকে প্রচলিত শব্দ। সবাই বলে লেখে। ওরা গানের মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়েছে বলে ওদের হয়ে গেল? সবার আগে আমার কথা হলো আমি কোনো গায়ক না, আমি শখে গেয়েছি। এতে কারো ক্ষতি হবার কথা না। গত ১১ সেপ্টেম্বর ইউটিউবে মুক্তি পায় একক নাটক- বাবু খাইছো?। মুক্তির দুই মাসের মধ্যে নাটকটির ভিউ ১ কোটি ছাড়িয়েছে। মূলত এই নাটকের শিরোনাম সংগীত তুমুল আলোচনার জন্ম দেয়। বাবু খাইছো- শিরোনামের গানটির কথা ও কণ্ঠ দেন মীর মারুফ। এদিকে এই গানের সূত্র ধরে হিরো আলমও একটি গান গেয়েছেন।
ফের উপস্থাপনায় তারিন
১০ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তারিন জাহান। অভিনয়ের পাশাপাশি বিশেষ অনুষ্ঠানও উপস্থাপনা করেন তিনি। তারই ধারাবাহিকতায় মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কুইজ শো- আমাদের মুক্তিযুদ্ধ নামক নতুন একটি অনুষ্ঠান নিয়ে দর্শকের সামনে হাজির হচ্ছেন তিনি। তবে এই অনুষ্ঠানটি বেশ অন্যরকম। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে এবারই প্রথম সরাসরি কোনো কুইজ শো উপস্থাপনা করবেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণ জয়ন্তী এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত এই কুইজ শো প্রতি শুক্র ও শনিবার রাত সাড়ে ৭টায় মাছরাঙা টেলিভিশনের স্টুডিও থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। তারিন জাহান বলেন, আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আমরা অনেক কিছু যেমন জানি, আবার এমন অনেক তথ্য রয়েছে যা আমাদের অজানা রয়ে গেছে। সেই তথ্যগুলো কুইজ শোর আকারে দর্শকের সঙ্গে ভাগাভাগি করার আনন্দটাই অন্যরকম হবে বলে আমার বিশ্বাস। অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা শুনেই ভীষণভাবে আন্দোলিত হয়েছি। কারণ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এ রকম একটি কুইজ শো নিশ্চয়ই টিভি সেটের সামনে সব শ্রেণির দর্শকদের একাত্ম করবে। বাড়ির দর্শকের সঙ্গে বিভিন্ন রাউন্ডে কুইজের ফাঁকে তারিন মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আলোচনা করবেন মুক্তিযুদ্ধ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে। প্রথম পর্বে অতিথি হয়ে আসছেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দ সৈনিক, বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী তিমির নন্দী। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ- প্রযোজনা করবেন স্বীকৃতি প্রসাদ বড়ুয়া ও অজয় পোদ্দার। এদিকে ছোট পর্দার বাইরে চলতি বছরের শুরুতে ওপার বাংলায় একটি ছবির শুটিং শেষ করেন তারিন। এটা আমাদের গল্প- শিরোনামের ছবিটি এখন মুক্তির অপেক্ষায় আছে।
সালমানের বোনের দাবাংগিরি!
০৮ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সালমানের বোন অর্পিতা খানের দাবাংগিরি! রেস্তরাঁয় একের পর এক প্লেট ভাঙছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, মহা মূল্যবান প্লেট হাতে ধরছেন আর মাটিতে আছড়ে ফেলছেন। মুখে মায়া কিংবা দয়ার লেশমাত্র নেই। তার বদলে রয়েছে হাসি। কখনও বসে একের পর এক প্লেট ভেঙে চলেছেন, কখনও আবার সালমানের সিনেমার গানের ছন্দে নেচে নেচে প্লেট ভাঙছেন। কিন্তু কেন এমন কাজ করছেন অর্পিতা? তাও আবার সালমান খানের গানের ছন্দে নেচে নেচে? ভাইরাল হওয়া ভিডিওর ক্যাপশনে খেয়াল করলে কেউ কেউ এর কারণ আঁচ করতে পারলেও পারতে পারেন। দুবাইয়ের এক গ্রিক রেস্তরাঁয় গিয়েছিলেন অর্পিতা। আসলে এটি একটি প্রাচীন গ্রিক প্রথা। যাতে প্লেট ভাঙার মাধ্যমে সমস্ত দুষ্ট শক্তি প্রভাব এবং জীবনের দুঃখের কারণগুলিকে ধ্বংস করে ফেলা হয়। সেই যুক্তিতেই এভাবে প্লেট ভাঙা চলে। আর তার জেরেই অর্পিতা নিজের বন্ধুদের সঙ্গে এই কাণ্ড ঘটিয়েছিলেন।
ওয়েব সিরিজের শুটিং শুরু করলেন আরিফিন শুভ
০৭ডিসেম্বর,সোমবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলতি বছরের জানুয়ারিতেই জানা গিয়েছিলো খবরটি। অনলাইন স্ট্রিমিং প্লাটফর্ম প্রযোজিত একটি ওয়েব সিরিজে অভিনয় করতে যাচ্ছেন ঢাকাই সিনেমার অভিনেতা আরিফিন শুভ। তার নাম- কন্ট্রাক্ট। অবশেষে সেই সিরিজটির শুটিং শুরু হয়েছে। সেখানে যোগ দিয়েছেন শুভ। এর মধ্য দিয়েই করোনা পরবর্তী শুটিং শুরু করলেন ঢাকা অ্যাটাক খ্যাত এ নায়ক। শুভ বললেন, এ বছর যে কয়টা সিনেমার কথা জেনেছেন বা শুনেছেন তার থেকেও বড় ক্যানভাসের সিনেমার কাজ সামনের বছর আসছে। সেগুলো নিয়ে এখনই কিছু বলতে চাচ্ছি না। আগ্রহটা থাক। তবে প্রথমবারের মতো কোনো অনলাইন প্লাটফর্মের জন্য অভিনয় করছি। এটা একটা নতুন অভিজ্ঞতা। আশা করা যায় একটি ভালো মানের কাজ দর্শক উপহার পাবেন। জানা গেছে, কন্ট্রাক্ট নামের ওয়েব সিরিজটি ছয় পর্বে গিয়ে শেষ হবে। এরইমধ্যে ৭ দিনের শুটিংও হয়ে গেছে। এখানে দুই দেশ থেকেই শিল্পী হিসেবে অনেক চমক থাকবে। এটি নির্মাণ করছেন কৃষ্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায় ও তানিম নূর।
প্রশংসার দরকার নেই, ভুলটা ধরিয়ে দিন -সিয়াম আহমেদ
০৪ডিসেম্বর,শুক্রবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনার ধকল কাটিয়ে আবারও পুরোদমে সিনেমার শুটিংয়ে ফিরেছেন চিত্রনায়ক সিয়াম আহমেদ। বর্তমানে তিনি সৈয়দপুরে রায়হান রাফি পরিচালিত দামাল সিনেমার শুটিংয়ে ব্যস্ত। শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে সিয়াম বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময়কার স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের গল্প নিয়েই এই সিনেমা। অনেক চ্যালেঞ্জিং মনে হচ্ছে। ওই সময়ের একটা চরিত্র ধারণ করাটা একটু কঠিনই। চেষ্টা করছি। সিয়াম ছাড়া দামাল সিনেমায় অভিনয় করছেন বিদ্যা সিহনা মীম, শরিফুল রাজ, রাশেদ অপু, সুমিত সেন গুপ্ত প্রমুখ। এদিকে, ১১ই ডিসেম্বর মুক্তি পাচ্ছে সিয়াম অভিনীত- বিশ্বসুন্দরী সিনেমা। এটি নিয়ে তার প্রত্যাশা কেমন? সিয়াম বলেন, পুরো পরিবার নিয়ে দেখার মতো চলচ্চিত্র হচ্ছে- বিশ্বসুন্দরী । একটা সুন্দর গল্প আছে এখানে। যারা দেখবে বুঝতে পারবে। তবে সত্যি কথা বলতে সিনেমাটি নিয়ে আমি কোনো প্রত্যাশা রাখছি না। কারণ দর্শক কীভাবে নিবে তা বুঝতে পারছি না। তবে কাউকে না কাউকে তো এগিয়ে আসতে হবেই। আসলে অনেক সিনেমা তো পাইপলাইনে জমে গেছে। সিনেমা হলের অবস্থাও ভালো না। প্রথমে একটা সিনেমা ব্যবসা করা দরকার যেটা একটা উদাহরণ সৃষ্টি করবে, প্রযোজকরা সাহস পাবে। এই সময়ে- বিশ্বসুন্দরীর প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ঝুঁকি নিয়েছে। অনেকে ছবিটির ট্রেলার দেখে হতাশা ব্যক্ত করেছেন। এ ব্যাপারে আপনার মন্তব্য কী? সিয়াম উত্তরে বলেন, প্রত্যেকটা কাজের পর দর্শকদের দিকে তাকিয়ে থাকি। দর্শকদের ওপর সম্মান রেখেই বলছি, প্রশংসার দরকার নেই। ভুলটা ধরিয়ে দিন। হলে আসুন। সংশোধন করেও নিজেকে উপস্থাপন করতে পারি। আসলে আমি তো শিল্পী। আমার কাজ পারফরম করা। শুটিংয়ের সময় সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করেছি। ট্রেলার তো পরিচালক বানিয়েছেন। আমার হাত নেই। এই সময়ে দর্শকদের হলে যাওয়া উচিত বলে মনে করেন? সিয়াম বলেন, মানুষ রেস্টুরেন্টে যাচ্ছে, শপিং মল ও বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যাচ্ছে। সবই সচল। তাহলে সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি কেন থমকে থাকবে। আমাদের সিনেমাটি যে হলগুলোতে মুক্তি পাচ্ছে সেগুলো সতর্কতা নিশ্চিত করেছে। দর্শকদের কাছে অনুরোধ থাকবে সতর্ক থেকে হলে আসবেন। এই ক্রান্তিকালে আমাদের পাশে থাকবেন। বর্তমান সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে আপনার মতামত কী? সিয়াম বলেন, এই বছর যে সিনেমাগুলো ছিল মুক্তি পেলে ইন্ডাস্ট্রির মোড় ঘুরে যেতো। তবে আমি হতাশ নই। নতুন বছরে নতুনভাবে শুরু হবে সব, এই আশা রাখছি। এদিকে সিয়াম অভিনীত- শান, অপারেশন সুন্দরবন, অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন, পাপ পূণ্য ছবিগুলো মুক্তির অপেক্ষায় আছে।
করোনায় আক্রান্ত সানি দেওল
০২নভেম্বর,বুধবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলিউড অভিনেতা এবং বিজেপির সাংসদ সানি দেওল। আজ নিজের টুইটার হ্যান্ডল থেকে কোভিড-১৯ পজিটিভ হওয়ার কথা জানিয়েছেন সানি নিজেই। পাশাপাশি সাম্প্রতিককালে তার কাছাকাছি যারা এসেছিলেন তাদেরও আইসোলেশনে থাকার জন্য অনুরোধ করেছেন এই তারকা সাংসদ। টুইটে সানি লিখেছেন, করোনাভাইরাস পরীক্ষা করেছিলাম। রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। সম্প্রতি আমার সংস্পর্শে যারা এসেছিলেন তাদের অনুরোধ করছি আইসোলেশনে থাকার এবং পরীক্ষা করানোর। পাঞ্জাবের গুরুদাসপুরের এই বিজেপি সাংসদ গত কয়েক দিন ধরে হিমাচল প্রদেশের মানালির কাছে বন্ধুদের সঙ্গে একটি ফার্মহাউসে ছিলেন। সেখান থেকে তারা মুম্বই ফেরার পরিকল্পনা করেন। ফেরার আগে করা করোনা টেস্টেই রিপোর্ট পজিটিভ এল। কিছু দিন আগে মুম্বইয়ের হাসপাতালে কাঁধে অস্ত্রোপচার হয়েছিল ৬৪ বছরের এই সাংসদের। তারপর মানালিতে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন তিনি। সেখানেই করোনায় আক্রান্ত হলেন সানি।
বিশ্বসুন্দরী- মুক্তি পাবে ১১ ডিসেম্বর
৩০নভেম্বর,সোমবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অবশেষে চূড়ান্ত হলো বহুল প্রতীক্ষিত চলচ্চিত্র- বিশ্বসুন্দরী মুক্তির দিন-ক্ষণ। সবকিছু ঠিক থাকলে আসছে ১১ ডিসেম্বরই মুক্তি পাবে সান মিউজিক এন্ড মোশন পিকচার্স লিমিটেড প্রযোজিত চলচ্চিত্র- বিশ্বসুন্দরী। এই প্রযোজনা সংস্থার নির্বাহী প্রযোজক অজয় কুমার কুন্ডু বলেন, করোনার প্রকোপ এখনো বিদ্যমান। তবে আমরা মনে করি, সিনেমা হল বাঁচিয়ে রাখার স্বার্থে এ মুহূর্তে সবাইকেই নিজেদের অবস্থান থেকে এগিয়ে আসতে হবে। আমরা এ সময়ে বড় বাজেটের ছবিটি মুক্তি দেয়ার সাহস করছি। আশা করছি অন্য প্রযোজকরাও এগিয়ে আসবেন। তিনি আরো বলেন, দর্শকদের উদ্দেশ্যে শুধু একটি অনুরোধই করবো-আপনারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে সিনেমা হলে আসুন। যেসব প্রেক্ষাগৃহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে সিনেমা প্রদর্শন করছে, শুধুমাত্র তাদেরকেই আমাদের ছবিটি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এ ব্যাপারে আমরা নিজেরাও সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করবো। ছোট পর্দার গুণী নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরীর প্রথম চলচ্চিত্র বিশ্বসুন্দরী ছবিতে প্রথমবার দেখা যাবে পরীমনি-সিয়াম জুটিকে। এছাড়াও অভিনয় করেছেন আলমগীর, চম্পা, ফজলুর রহমান বাবু, মনিরা মিঠু, আনন্দ খালেদ, হীরা, সুজন, সীমান্ত সহ আরো অনেকে। চয়নিকা চৌধুরী বলেন, মানবপ্রেম ও দেশপ্রেমকে ঘিরে বিশ্বসুন্দরী ছবির গল্প। আশা করছি সব শ্রেণীর দর্শক পরিবার নিয়ে উপভোগ করার মতো একটি চলচ্চিত্র দেখতে পাবেন। ছবির কাহিনী, চিত্রনাট্য, সংলাপ লিখেছেন রুম্মান রশীদ খান। তিনি বলেন, এর আগে স্বাধীনতা দিবসের সপ্তাহে মুক্তির কথা থাকলেও দেশব্যাপী লকডাউন শুরু হবার কারণে ছবিটি মুক্তি দেয়া সম্ভব হয়নি। এবার তাই আমরা চাইছি, বিজয় দিবসের সপ্তাহে দর্শক স্বাস্থ্যবিধি মেনে ছবিটি দেখতে আসুক। জুঁই নিবেদিত বিশ্বসুন্দরী ছবির গান ইতিমধ্যেই শ্রোতাপ্রিয় হয়েছে। তুই কি আমার হবি রে, গানটি ইতিমধ্যেই ইউটিউবে দেখা হয়েছে ৩ কোটির বেশি সংখ্যকবার। বিশ্বসুন্দরী- দেশব্যাপী পরিবেশনা করবে জাজ মাল্টিমিডিয়া। ছবির সম্প্রচার সহযোগী মাছরাঙা টেলিভিশন।