বিশ্বজুড়ে ট্রিলিয়ন ডলারে বেড়েছে অনলাইন কেনাকাটা

১৫,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বজুড়ে অধিকাংশ ভোক্তা ঘরের বাইরে বের হননি। তাই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য থেকে শুরু করে বাগানের সব জিনিসপত্র অনলাইন থেকে তাদের কিনতে হয়েছে। ২০২০ সালে সারাবিশ্বে ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে অনলাইন কেনাকাটা। মহামারির কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য থেকে শুরু করে সবকিছুই ক্রেতারা কিনেছেন অনলাইন থেকে। গত বছর বিশ্বে অনলাইনে খুচরা বিক্রিতে বাড়তি ৯০ হাজার কোটি ডলার বা প্রায় এক ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করতে হয়েছে। মাস্টারকার্ডের রিকভারি ইনসাইটস প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। বাংলাদেশে মাস্টারকার্ডের পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। মাস্টারকার্ডের তথ্য অনুযায়ী, করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বজুড়ে ওয়েবসাইট ও অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে আগের চেয়ে কেনাকাটা বেড়েছে। এক্ষেত্রে ইতালি ও সৌদি আরবের মতো দেশের মানুষ ই-কমার্সের মাধ্যমে গড়ে ৩৩ শতাংশ বেশি কেনাকাটা করেছেন। এরপরই কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে রাশিয়া ও যুক্তরাজ্যের মতো দেশ। এ ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্রেও ইলেকট্রনিক পেমেন্ট বেড়েছে। মাস্টারকার্ডের তথ্য অনুযায়ী, করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বজুড়ে ওয়েবসাইট ও অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে আগের চেয়ে কেনাকাটা বেড়েছে। এক্ষেত্রে ইতালি ও সৌদি আরবের মতো দেশের বাসিন্দারা ই-কমার্সের মাধ্যমে গড়ে ৩৩ শতাংশ বেশি কেনাকাটা করেছেন। এরপরই কাছাকাছি অবস্থান রয়েছে রাশিয়া ও যুক্তরাজ্যের মতো দেশ। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে ইলেকট্রনিক পেমেন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। এদিকে মাস্টারকার্ডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন করে ডিজিটাল খাতে সম্পৃক্ত হওয়া ২০ থেকে ৩০ শতাংশ ব্যবস্থা স্থায়ী হতে পারে।...

বাঙালিদের বৈশাখী শুভেচ্ছা জানালেন জো বাইডেন

১৪,এপ্রিল,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাঙালি ও বাংলাদেশের মানুষদের পহেলা বৈশাখের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেন। বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভেরিফায়েড টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে এক টুইটে এ শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। টুইটে শুধু বাঙালিদেরই নয়, দক্ষিণ এবং দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন সম্প্রদায়ের যেসব মানুষ বৈশাখ, নবরাত্রি, সংক্রান বা এ সপ্তাহে অন্য নতুন বছর উদযাপন করবেন, তাদের সবাইকেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাইডেন দম্পতি। এদিন বাঙালি, কম্বোডিয়ান, লাও, বার্মিজ, নেপালি, সিংহলিজ, তামিল, থাই এবং ভিসু জনগোষ্ঠীকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তারা।...

করোনা শেষ হওয়ার এখনও অনেক বাকি : ডব্লিউএইচও

১৩,এপ্রিল,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলেছে, কোভিড-১৯ মোকাবিলায় দ্বিধা এবং জটিলতার অর্থ হলো এই মহামারি অবসান হওয়ার এখনও অনেক বাকি। তবে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার প্রমাণিত নিয়মগুলো অনুসরণ করা গেলে এই মহামারি কয়েক মাসের মধ্যে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব বলে মনে করে সংস্থাটি। সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেছেন ডব্লিউএইচওর প্রধান ড. টেড্রোস আডানোম গেব্রিয়াসিস। বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস সংক্রমিত দেশের তালিকায় ব্রাজিলকে ছাড়িয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে গেছে ভারত। যুক্তরাষ্ট্রের পর এখন ভারতেই সবচেয়ে বেশি মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়েছে। দেশটিতে এখন ব্যাপক আকারে সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ চলছে। প্রায় একশ ৪০ কোটি জনসংখ্যার দেশটিতে এখন পর্যন্ত দশ কোটি ৫০ লাখ ডোজ টিকা প্রদান করা গেছে। সোমবার ডব্লিউএইচওর প্রধান ড. টেড্রোস আডানোম গেব্রিয়াসিস বলেন, আমরাও সমাজ এবং অর্থনীতি পুনরায় খোলা দেখতে চাই। দেখতে চাই ভ্রমণ ও বাণিজ্য আবারও সচল হচ্ছে। কিন্তু এই মুহূর্তে বহু দেশে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রগুলো উপচে পড়ছে আর মানুষ মারা যাচ্ছে-আর এগুলো সম্পূর্ণভাবে এড়ানো সম্ভব। তিনি বলেন, কোভিড-১৯ মহামারি অবসানের এখনও অনেক বাকি। কিন্তু আমাদের আশাবাদী হওয়ার বহু কারণ রয়েছে। এই বছরের প্রথম দুই মাসে আক্রান্ত এবং মৃত্যুর পরিমাণ কমে যাওয়ার মধ্য দিয়ে প্রমাণ হয়েছে এই ভাইরাস এবং এর ভ্যারিয়েন্টগুলো থামানো সম্ভব। কোভিড-১৯ সংক্রান্ত ডব্লিউএইচও টিম লিডার মারিয়া ভান কেরকোভ ওই সংবাদ সম্মেলনে জানান মহামারি খুব বেশি পরিমাণে বাড়ছে। গত সপ্তাহে আক্রান্ত বেড়েছে নয় শতাংশ। আর বিগত টানা সাত সপ্তাহ ধরে আক্রান্তের পরিমাণ বাড়ছে। একই সময়ে মৃত্যু বেড়েছে পাঁচ শতাংশ। ড. টেড্রোস আডানোম গেব্রিয়াসিস বলেন কয়েকটি দেশে সংক্রমণ বাড়তে থাকলেও রেস্টুরেন্ট, নাইটক্লাবগুলো পূর্ণ থাকছে আর মার্কেটগুলোও খোলা থাকছে। আর এসব স্থানে সমাগম করা মানুষের খুব অল্প পরিমাণই সতর্কতা অবলম্বন করছে। তিনি বলেন, কেউ কেউ মনে করছে অপেক্ষাকৃত তরুণ হলে করোনায় সংক্রমিত হলেও তাদের কিছু হবে না।...

রমজানে নিত্যপণ্যের দাম কমালো মালয়েশিয়া

১২,এপ্রিল,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিয়াম সাধনা ও সংযমের মাস পবিত্র রমজান উপলক্ষে মালয়েশিয়ায় বিভিন্ন পণ্যের ওপর ছাড় দিয়েছে পাইকারি ও খুচরা বিপনীবিতানগুলো। প্রতি বছরের মতো এবারও রমজান উপলক্ষে রাজধানী কুয়ালালামপুরের প্রায় সব বিপনীবিতানগুলোতে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কমেছে। তেল, চাল, আলু থেকে শুরু করে মাছ, মাংসের দামও কমানো হয়েছে। ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে বর্তমান ও পূর্বের পণ্যের দামসহ ছাড়ের তালিকা প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ। টেসকো, জায়ান্ট, মাইডিন, এয়ন বিগ, এনএসকের মতো চেইন সুপারশপগুলো অনলাইনে রমজান উপলক্ষে ছাড়ের বিজ্ঞাপন প্রচার করছে নিয়মিত। শুধু নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস নয় পোশাক, প্রসাধনী থেকে শুরু করে অন্যান্য প্রায় সব জিনিসের উপরও মাসজুড়ে চলবে এ ছাড়। মালয়েশিয়া প্রবাসী রাশেদ বাদল বলেন, সারা বছরই পণ্যের মান ও দাম নিয়ন্ত্রণে কাজ করে মালয়েশিয়া সরকার। তবে রমজানে বিশেষভাবে তা পর্যবেক্ষণ করা হয়। বিশেষ করে চাল, চিনি, ময়দা, তেলের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম পর্যবেক্ষণে কঠোর নজরদারি রাখে সরকার। আর অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা এড়াতে সার্বক্ষণিক এগুলো দেখভাল করে সিটি কর্পোরেশন। শুধু কুয়ালালামপুর নয় এ চিত্র পুরো মালয়েশিয়া জুড়ে। প্রায় দুই যুগ ধরে মালয়েশিয়ায় আছেন এস এম আহমেদ। সিঙ্গাপুর সীমান্তবর্তী জোহর প্রদেশে বসবাস করা আহমেদ বলেন, রমজান আসলেই মালয়েশিয়ার চিত্র পরিবর্তন হয়ে যায়। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে রমজান পালন করতে ভালোবাসে মালয়েশিয়ানরা। জিনিসপত্রের দাম তো বাড়েই না বরং মাস জুড়ে থাকে ছাড়ের ছড়াছড়ি। করোনা মহামারির মধ্যে অনলাইনের জনপ্রিয়তাও বেশ তুঙ্গে। রমজান উপলক্ষে লাজাডা, শপির মতো অনলাইনও দিচ্ছে বিশেষ ছাড়। এছাড়া পুরো রমজান মাস জুড়ে বিভিন্ন মসজিদে বিনামূল্যে ইফতারি ও খাবারের ব্যবস্থা রাখা হয়। যদিও করোনা মহামারির কারণে এ বছর সবাই মসজিদে গিয়ে নামাজ আদায় করতে পারবেন না। বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারির মধ্যে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে দেশটিতে বিরতি দিয়ে লকডাউন চলছে। এই লকডাউনের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যবসা-বাণিজ্য খোলা রেখেছে মালয়েশিয়া সরকার। তবে বিধিনিষেধ রয়েছে পর্যটকদের মালয়েশিয়া প্রবেশের ক্ষেত্রে। ...

চট্টগ্রামে পুলিশের- ফ্রি ইফতার এন্ড সেহেরি শপ চালু

১৫,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পবিত্র রমজান উপলক্ষে চট্টগ্রামে নিম্ন আয়ের মানুষ ও হাসপাতালের রোগী এবং স্বজনদের জন্য ব্যতিক্রমী এক দোকান চালু করেছে পুলিশ। দোকান হলেও এখানে ইফতার ও সেহেরির জন্য কোন টাকা লাগবে না এবং বিনামূল্যে সরবরাহ করা হবে। ইফতার ও সেহেরির এ দোকানের নাম দেওয়া হয়েছে- ফ্রি ইফতার এন্ড সেহেরি শপ। চট্টগ্রামের ডবলমুরিং মডেল থানার উদ্যোগে আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালের দ্বিতীয় গেইট সংলগ্ন মাসব্যাপী এ আয়োজনের ব্যবস্থা করা হয়। বুধবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (পশ্চিম) আব্দুল ওয়ারীশ আনুষ্ঠানিকভাবে মাসব্যাপী এ শপের উদ্বোধন করেন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (পশ্চিম) পলাশ কান্তি নাথ, সহকারী কমিশনার শ্রীমা চাকমা, মা ও শিশু হাসপাতালের পরিচালনা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এস এম মোরশেদ হোসেন, দাতা সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মো. জাবেদ আবছার চৌধুরী, সদস্য এড. এম আহছান উল্লাহ, মো. সগীর, পরিচালক (প্রশাসন) ডা. নুরুল হক এবং উপ পরিচালক (প্রশাসন) ডা. এম আশরাফুল করিমসহ প্রমুখ। হাসপাতাল পরিচালনা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এস এম মোরশেদ হোসেন ডবলমুরিং মডেল থানার উদ্যোগে পুরো রমজান মাস ব্যাপী ফ্রি ইফতার এন্ড সেহেরি শপ চালু করার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং এই মহতী কর্মে সচ্ছল এবং বিত্তবানদের এগিয়ে আসার জন্য আহবান জানান। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (পশ্চিম) আব্দুল ওয়ারীশ বলেন, রোজায় হাসপাতালে রোগীর সাথে থাকা স্বজনরা ইফতার ও সেহেরির জন্য কষ্ট পান। আবার লকডাউনের কারণে নিম্ন আয়ের মানুষেরও কিছুটা কষ্ট হচ্ছে। তাদের কষ্ট কিছুটা লাঘবের চেষ্টায় এই উদ্যোগ। আমরা চাই আমাদের এই উদ্যোগে অন্যরাও উৎসাহিত হোক, এগিয়ে আসুক। ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মহসীন জানান, দুই পর্যায়ে কাজ করবে এই- ফ্রি ইফতার এন্ড সেহেরি শপ। প্রথম পর্যায়ে তৈরি ইফতার ও সেহেরি বিতরণ করা হচ্ছে। একই সময়ে দ্বিতীয় পর্যায়েরও প্রস্তুতি চলছে। এই পর্যায়ে ইফতার ও সেহেরি সামগ্রী বিনামূল্যে প্রদান করবে এই শপ। প্রাথমিক পর্যায়ে প্রতিদিন ৩০০ মানুষের ইফতার ও সেহেরির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী এটা আরও বাড়ানো হবে। ডবলমুরিং থানার এই উদ্যোগে অর্থায়ন করছে থানার কর্মকর্তারাই। তবে অন্য যে কেউ চাইলেই মাসব্যাপী এই উদ্যোগে অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন বলে জানিয়েছেন ওসি মহসীন।...

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘটনায় মামলার সংখ্যা বেড়ে ৫৫, গ্রেফতার ২৩৭

১৫,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: মার্চের শেষ দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের বিক্ষোভ চলাকালে হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় নতুন করে আরও ৪টি মামলা হয়েছে। এ নিয়ে মামলার সংখ্যা হলো ৫৫। এসব মামলায় আরও ৩০ জন হেফাজত কর্মী ও সমর্থককে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় পুলিশ বিভিন্ন এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে এদেরকে গ্রেফতার করে। পুলিশ জানায়, সহিংস ঘটনাসমূহের প্রাপ্ত স্থিরচিত্র ও ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হয়। এসব ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় নতুন করে আরও ৪টি সহ ৪৯টি, আশুগঞ্জ থানায় ৩টি ও সরাইল থানায় ২টি ও রেলওয়ে থানায় ১টিসহ মোট ৫৫টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় ৪১৪ জনকে এজাহারভুক্ত আসামীসহ অজ্ঞাতনামা ৩০-৩৫ হাজার মানুষকে আসামী করা হয়েছে। এই মামলায় এখন পর্যন্ত ২৩৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।...

সাতকানিয়ায় আওয়ামী লীগ নেতা আমিনুল ইসলামের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ

১৫,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,সাতকানিয়া প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় চলমান লকডাউনে সাতকানিয়া- লোহাগাড়ায় ঘরবন্দী হতদরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিনের উদ্যোগে প্রথম দফা ইফতার সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) বিকেল ৩ টায় সাতকানিয়া উপজেলার বারদোনাস্থ আমিনুল ইসলামের গ্রামের বাড়ীতে বারদোনা এলাকার ২০০ হতদরিদ্র মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণের মাধ্যমে এ কার্যক্রম শুরু হয়। ইফতার বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন আমিনুল ইসলামের চাচা সমাজসেবক আলহাজ্ব নুরুল কবির, সাতকানিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক এস.এম আজিজ, সাতকানিয়া সদর ইউপি সদস্য সেলিম উদ্দিন, আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল কবির, সাতকানিয়া ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি জিয়াবুল হক, ছাত্রলীগ নেতা মো : ফয়সাল, ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগ নেতা আ. ন. ম ইমরান, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা এরশাদুর রহমান ও জুনাঈদ প্রমুখ। এ সময় সাতকানিয়ার বারদোনা গ্রামের ২০০ ঘরবন্দী হতদরিদ্র প্রতি পরিবারকে ১৫ কেজি চাল, ২ কেজি চনা, ২ কেজি পিয়াজ, ১ কেজি সয়াবিন তৈল, ১ কেজি মসুর ডাল, ১ কেজি লবন, ১ কেজি চিনি ও ১ কেজি মুড়ি সহ মোট ২৪ কেজি খাদ্যপণ্য বিতরণ করা হয়। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা আমিনুল ইসলাম আমিন বলেন, দেশে দ্বিতীয় দফা করোনায় দিন দিন আক্রান্ত ও মৃত্যুর মিছিল বাড়ছে। করোনার সংক্রমণ মোকাবিলায় সরকার সারাদেশে লকডাউন ঘোষণা করেছে। চলমান এ লকডাউনে কর্মহীন হয়ে পড়া গ্রামের দিনমজুর, অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো নৈতিক দায়িত্ব বলে মনে করি। তাই পবিত্র এ রমজানে প্রথম দফায় গ্রামের ২০০ হতদরিদ্রদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম শুরু করলাম। পর্যায়ক্রমে সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার ঘরবন্দী হতদরিদ্রদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হবে।...

ঠাকুরগাঁওয়ে ভ্রাম্যমাণ গাড়িতে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রি শুরু

১৩,এপ্রিল,মঙ্গলবার,ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশব্যাপী করোনার মহামারী পরিস্থিতিতে জনসাধারণের প্রাণীজ প্রোটিন নিশ্চিতকরণে ঠাকুরগাঁওয়ের সীমান্তবর্তী হরিপুরে ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রে ন্যায্যমূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস মাংস বিক্রি শুরু হয়েছে। সোমবার দুপুরে উপজেলার কালিগঞ্জ বাজারে এমন একটি কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন, হরিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল করিম। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ গোলাম কিবরিয়া, প্রাণীসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সুবর্ণা রাণী চৌধুরীসহ দুগ্ধ, হাঁস ও মুরগীর খামারীগণ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এ কর্মসূচি প্রাথমিক ভাবে ৪৫ দিনের জন্য শুরু করা হয়েছে। প্রতিদিন ভ্রাম্যমাণ গাড়িটি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দুধ প্রতি লিটার ৫০ টাকা, ডিম প্রতিপিস ৬ টাকা ৫০ পয়সা ও সোনালী মুরগী প্রতি কেজি ২৫০ টাকা মুল্যে বিক্রি করবে। এর আগে রবিবার দুপুরে জেলা প্রশাসক ড. কার্যালয় চত্বরে একই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।...

প্রধানমন্ত্রী বরাবর বিএমএসএফ মাদারীপুর জেলার পক্ষ থেকে স্মারকলিপি

১২,এপ্রিল,সোমবার,মাদারীপুর প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: সারাদেশের ন্যায় মাদারীপুর জেলা ও উপজেলায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে জাতীয় গনমাধ্যম সপ্তাহ (১-৭ মে ) কে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর জেলা প্রশাসক ও ইউএন ও এর মাধ্যমে স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) মাদারীপুর জেলা ও উপজেলা শাখা। করোনা সংক্রমন বেড়ে যাওয়ার কারনে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে স্বল্প পরিষরে আজ ১২ এপ্রিল সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক ডঃ রহিমা খাতুন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুদ্দিন গিয়াস এর হাতে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) এর কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাবরিন জেরিন ও শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক গাউছ-উর রহমান, মাদারীপুর মৈত্রি মিডিয়া সেন্টারের সাধারন সম্পাদক এস.এম আরাফাত হাসান, আব্দুল্লাহ আল মামুন,আরিফুর রহমান,নাজমুল মোড়ল, বিধান মজুমদার প্রমুখ। স্মারকলিপি প্রদান শেষে বিএমএসএফ এর কেন্দ্রীয় কমিটি শিক্ষা সম্পাদক গাউছ-উর রহমান বলেন জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া আমাদের প্রাণের দাবি। এ দাবি মেনে নেওয়ার জন্য সংগঠনের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বিনয়ের সাথে অনুরোধ করছি। ...

চলতি বছর গম উৎপাদন বাড়ছে মিসরের

২৮,মার্চ,রবিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ২৮,মার্চ,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলতি বছর নিজেদের ফসল উৎপাদন অঞ্চলের সম্প্রসারণ করেছে মিসর। এর মধ্য দিয়ে চলতি বছরে গম উৎপাদন বাড়ার সম্ভাবনা দেখছে দেশটি। ২০২০-২১ বিপণন বর্ষে মিসরের গম উৎপাদন বেড়ে ৯০ লাখ টনে দাঁড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি অধিদপ্তরের অধীন ফরেন কৃষি সার্ভিসের (এফএএস) এক প্রতিবেদনে এমনটাই উঠে এসেছে। চলতি বিপণন বর্ষে গম উৎপাদনে দেশটির ফসলি জমির পরিমাণ ১৪ লাখ হেক্টর। এর আগের বছর দেশটির গম চাষের জন্য নির্ধারিত জমির মোট পরিমাণ ছিল ১৩ লাখ ৯০ হাজার হেক্টর। গমের দেশীয় চাহিদা পূরণে আমদানির ওপর নির্ভর করতে হয় মিসরকে। তবে উৎপাদনের পরিমাণ সামান্য বাড়লেও আমদানির পরিমাণ কমছে না দেশটির। বরং বিভিন্ন খাতের চাহিদার কারণে চলতি বর্ষেও ১ দশমিক ৫৩ শতাংশ আমদানি বাড়াতে হচ্ছে তাদের। সে হিসেবে ২০২০-২১ বিপণন বর্ষে মিসরের গম আমদানির সম্ভাব্য পরিমাণ দাঁড়াবে ১ কোটি ৩২ লাখ টনে। খাদ্য, বীজ এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ব্যবহারের জন্য এগুলো আমদানি করা হয়। কায়রোতে কার্যক্রম পরিচালনকারী এফএএসের সংস্থাটির পূর্বাভাস বলছে, ২০২১-২২ বিপণন বর্ষে মিসরের গম ব্যবহারের পরিমাণ দাঁড়াবে ২ কোটি ১৩ লাখ টনে। ২০২০-২১ বিপণন বছরের তুলনায় যা প্রায় ২ দশমিক ৪ শতাংশ বাড়বে। এফএএস বলছে, মিসরের সরকারি, বেসরকারি ও আধাসরকারি খাতের ৪১০টিরও বেশি কারখানা রয়েছে।...

চিটাগং চেম্বারে- সাপ্লাই চেইন রেসিলিয়েন্স শীর্ষক কর্মশালার আয়োজন

২৩,মার্চ,মঙ্গলবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ সেন্টার অব এক্সিলেন্স, দ্য চিটাগং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ন্যাশনাল রেসিলিয়েন্স প্রোগ্রাম (এনআরপি) এবং ইউএনডিপির যৌথ উদ্যোগে চার দিনব্যাপী- সাপ্লাই চেইন রেসিলিয়েন্স শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি নগরীর ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে সমাপনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন চিটাগং চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম। অনুষ্ঠানে পরিকল্পনা কমিশনের কার্যক্রম বিভাগের প্রধান (অতিরিক্ত সচিব) খন্দকার আহসান হোসেন ও এনআরপির প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) ড. নুরুন নাহার উপস্থিত ছিলেন।- প্রেস বিজ্ঞপ্তি।...

এসএসসি পরীক্ষা: বিলম্ব ফি ছাড়াই ফরম পূরণের সময় বাড়ছে

৭,এপ্রিল,বুধবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলমান এসএসসি পরীক্ষায় বিলম্ব ফি ছাড়াই ফরম পূরণের সময় বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে নতুন সময়সূচি শিক্ষার্থীদের জানিয়ে দেওয়া হবে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এসএম আমিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক নির্দেশনা বুধবার (৭ এপ্রিল) জারি করা হয়েছে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ বিস্তারের কারণে বিলম্ব ফি ছাড়া এসএসসি পরীক্ষা ২০২১-এর ফরম পূরণের সময় বর্ধিত করে নতুন সময়সূচি জানিয়ে দেওয়া হবে। এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে বোর্ড নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা যাবে না। ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি আদায়ের কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। আন্তঃশিক্ষা সমন্বয়ক বোর্ডের সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমেদ জানান, লকডাউনের কারণে এসএসসির চলমান ফরম পূরণ স্থগিত রাখা হয়েছে। বর্তমানে করোনাভাইরাস একটি জাতীয় সমস্যা। তাই লকডাউন শেষে ফরম পূরণের সময় বাড়ানো হবে। বিলম্ব ফি ছাড়া পরীক্ষার্থীরা ফরম পূরণ করতে পারবেন। কোনো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ফি নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, এর আগে গত ১ এপ্রিল থেকে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের কার্যক্রম শুরু হয়। তবে দেশে করোনার সংক্রমণ রোধে চলমান বিধিনিষেধের কারণে ৫ এপ্রিল থেকে ফরমপূরণ স্থগিত করা হয়।...

ঈদের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কথা ভাবা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

২৫,মার্চ,বৃহস্পতিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, করোনার সংক্রমণের হার ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত থাকলে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের ছুটির সঙ্গে সমন্বয় করে ঈদের পর পর্যন্ত বাড়ানো হতে পারে। গণহত্যা দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আয়োজিত আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার করোনা বিষয়ক জাতীয় কারিগরি কমিটির সঙ্গে বৈঠকের পরে বিশেষ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং শুক্রবারের (২৬ মার্চ) মধ্যে তা জানিয়ে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকার এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না যাতে করে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সবারই ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। আমরা বিকেলে জাতীয় কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বসবো, করোনা সংক্রমণ নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বিষয়টি নিয়ে বিবেচনা করবো। যেহেতু করোনা সংক্রমণ সারা বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশেও বাড়ছে সে জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে মিল রেখে ঈদের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কথা ভাবা হচ্ছে।...

ড্র করে সেমিতে রিয়াল মাদ্রিদ

১৫,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: লিভারপুলের মাঠ অ্যানফিল্ডে দৃঢ়তা দেখাল রিয়াল মাদ্রিদ। লিভারপুলকে তাদেরই মাঠে গোলশূন্য ড্রতে রুখে দিয়ে চ্যাম্পিয়নস লীগের সেমিফাইনালে জিনেদিন জিদানের দল। প্রথম লেগে ৩-১ ব্যবধানে জেতে রিয়াল। সেমিতে রিয়ালের প্রতিপক্ষ চেলসি। প্রথম লেগে দুই গোলে পিছিয়ে থাকা লিভারপুলকে ঘরের মাঠে জিততে হতো অন্তত দুই গোলের ব্যবধানে। বুধবার রাতে সেই চেষ্টা ম্যাচের শুরু থেকেই করে গেল ইয়ূর্গেন ক্লপের দল। কিন্তু রিয়াল মাদ্রিদের জমাট রক্ষণের বিপক্ষে একটা গোলও আদায় করতে পারেননি মোহাম্মদ সালাহ, সাদিও মানেরা। লিভারপুল ঘরের মাঠে শুরু থেকেই গোলের উদ্দেশ্যে তেঁড়েফুঁড়ে ফুটবল খেলেছে। অপর দিকে গোলের চিন্তা বাদ দিয়ে রক্ষণে চীনের মহাপ্রাচীর গড়ে তুলতে চেয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ! ৫৬ শতাংশ বলের দখল ধরে রেখে লিভারপুল গোলবার লক্ষ্যে শট নিয়েছে ১১টি, অপর দিকে রিয়াল পুরো ম্যাচে শট নিয়েছে মাত্র ৩টি। তবুও জালের ঠিকানা খুঁজে পায়নি লিভারপুল। শেষ চার নিশ্চিত করার দিনে অচেনা এক স্বাদ পেয়েছেন জিদান। চ্যাম্পিয়নস লীগের নকআউট ম্যাচে তার দল সর্বশেষ গোলশূন্য ম্যাচ কাটিয়েছিল সেই ২০১৫-১৬ মৌসুমে, এরপর থেকে সব নকআউট ম্যাচেই কমপক্ষে একটি করে গোল করেছে তার দল, এমনকি বিদায় নেওয়ার সব ম্যাচেও। ২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত টানা তিনটি চ্যাম্পিয়নস লীগ জেতার পর গত দুই আসরে শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেয় রিয়াল। ওই দুর্দশা কাটিয়ে জিদানের অধীনে ফের শেষ চারে তারা। আর দুটি বাধা টপকে গেলে ধরা দেবে শিরোপা। অন্যদিকে লা লিগায় আট ম্যাচ হাতে রেখে শীর্ষ দল অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের চেয়ে কেবল এক পয়েন্ট পেছনে রিয়াল। এই দুটি ট্রফিতে চোখ জিদানের। ম্যাচ শেষে রিয়াল কোচ বলেছেন, আমরা সবাই একসঙ্গে দলকে টানছি এবং এই দল সবসময় তা করে এবং আরও বেশি চায়। আমরা এখনও কিছু জিতিনি। কিন্তু আমরা ইউরোপ ও লা লিগায় এখনও টিকে আছি। প্রতিযোগিতার ইতিহাসে অন্য যে কোনও ফরাসি কোচের চেয়ে বেশি চতুর্থবার সেমিফাইনালে উঠে আর্সেন ওয়েঙ্গারকে টপকালেন জিদান। তার অধীনে রিয়াল কেবল একবার সেমিফাইনালের আগে বিদায় নিয়েছিল, গত বছর শেষ ষোলোতে ম্যানসিটির কাছে হেরে।...

আইপিএলে গেইলের ৩৫০ ছক্কার রেকর্ড

১৩,এপ্রিল,মঙ্গলবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মাইলফলক ছুঁতে দরকার ছিল একটি ছক্কার। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে ইনিংসের অষ্টম ওভারে বেন স্টোকসের তৃতীয় বল গ্যালারিতে ফেলে মাইলস্টোন ছুঁয়ে ফেলেন ক্রিস গেইল। অফ-স্টাম্পের বাইরের বলে পুল করে ছক্কা হাঁকানোর সঙ্গে সঙ্গে আইপিএলে একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে ৩৫০টি ছক্কা মারার রেকর্ড গড়েন গেইল। পরের ওভারে রাহুল তেওয়াটিয়ার বলেও একটি ছক্কা মারেন গেইল। শেষমেশ ৪টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ২৮ বলে ৪০ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। এই দু'টি ছক্কার সুবাদে আইপিএলের ১৩৩ ম্যাচের ১৩২ ইনিংসে মোট ৩৫১টি ছক্কা মারলেন দ্য ইউনিভার্স বস। এই নিরিখে তাঁর ধারেকাছে কেউ নেই। এমনকি গেইল ছাড়া আইপিএলে আর কেউ ২৫০টি ছক্কার গণ্ডিও ছুঁতে পারেননি। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়র লিগে সবথেকে বেশি ছক্কা মারার রেকর্ড বেশ কিছুদিন ধরেই নিজের দখলে রেখেছেন ক্রিস গেইল। তাঁর পিছনে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন এবি ডি ভিলিয়ার্স। তিনি ১৭০টি ম্যাচের ১৫৭ ইনিংসে মেরেছেন ২৩৭টি ছক্কা। তালিকায় তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছেন যথাক্রমে মহেন্দ্র সিং ধোনি (২১৬) রোহিত শর্মা (২১৪) ও বিরাট কোহলি (২০১)।...

রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী মিতা হক আর নেই

১১,এপ্রিল,রবিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: একুশে পদকপ্রাপ্ত রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী মিতা হক আর নেই। রোববার (১১ এপ্রিল) সকাল ৬টা ২০ মিনিটে রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। মিতা হকের মেয়ে ফারহিন খান জয়িতা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এদিকে মিতা হকের জামাতা অভিনেতা মোস্তাফিজ শাহীন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লেখেন, মিতা হক সকাল ৬.২০ এ চলে গেলেন। চলেই গেলেন। সবাই ভালোবাসা আর প্রার্থনায় রাখবেন। জানা যায়, গত ২৫ মার্চ মিতা হকের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। বাসাতেই আইসোলেশনে ছিলেন। ৩১ মার্চ তাকে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ১১দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি সুস্থও হয়ে ওঠেন। ৯ এপ্রিল তাকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরদিন ১০ এপ্রিল (শনিবার) সকালের দিকে হার্ট অ্যাটাক করেন তিনি। এরপর তাকে আবার হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই আজ সকালে তিনি মারা যান। মিতা হক কিডনি রোগেও ভুগছিলেন। মিতা হক ১৯৬২ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি প্রয়াত অভিনেতা-পরিচালক খালেদ খানের সঙ্গে স্ত্রী। এই দম্পতির ফারহিন খান জয়িতা নামে এক কন্যাসন্তান রয়েছে। মিতা হক প্রথমে তার চাচা ওয়াহিদুল হক এবং পরে ওস্তাদ মোহাম্মদ হোসেন খান ও সনজীদা খাতুনের কাছে গান শেখেন। ১৯৭৪ সালে তিনি বার্লিন আন্তর্জাতিক যুব ফেস্টিভালে অংশ নেন। ১৯৭৬ সাল থেকে তিনি তবলাবাদক মোহাম্মদ হোসেন খানের কাছে সঙ্গীত শেখা শুরু করেন। ১৯৭৭ সাল থেকে নিয়মিত তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারে সঙ্গীত পরিবেশনা করছেন। তিনি সুরতীর্থ নামে একটি সঙ্গীতপ্রশিক্ষণ দল গঠন করেন যেখানে তিনি পরিচালক ও প্রশিক্ষকে হিসেবে কাজ করছেন। এছাড়া তিনি ছায়ানটের রবীন্দ্রসঙ্গীত বিভাগের প্রধান ছিলেন। তিনি রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মেলন পরিষদের সহ-সভাপতি ছিলেন। মিতা হক বাংলাদেশ বেতারের সর্বোচ্চ গ্রেডের তালিকাভুক্ত শিল্পী। তার এককভাবে মুক্তি পাওয়া মোট ২৪টি অ্যালবাম আছে। এর মধ্যে ১৪টি ভারত থেকে ও ১০টি বাংলাদেশ থেকে। তিনি ২০১৬ সালে শিল্পকলা পদক লাভ করেন। সঙ্গীতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ২০২০ সালে একুশে পদক প্রদান করে।...

গ্রন্থমেলায় হানিফ সংকেতের প্রকাশিত বই- সংগত প্রসঙ্গত অসংগত

৮,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রতিবারের মতো এবারো গ্রন্থমেলায় বিশিষ্ট গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও লেখক হানিফ সংকেতের বই প্রকাশ হয়েছে। বইটির নাম- সংগত প্রসঙ্গত অসংগত। গভীর পর্যবেক্ষণ, রমণীয় বর্ণনা, ক্ষুরধার বুদ্ধিবৃত্তি তার উপস্থাপিত বিষয়গুলোকে করে তোলে জীবন্ত। বিভিন্ন অসঙ্গতি তুলে ধরে সমাজকে পরিশুদ্ধ করতে তিনি যেমন নিরন্তন কাজ করে যাচ্ছেন তেমনি আমাদের নাগরিক সচেতনতা, কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধরে রাখতেও ভূমিকা রাখছেন আন্তরিকতার সঙ্গে। তার এবারের গ্রন্থে সেই বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। হানিফ সংকেত বলেন, মিডিয়াতে আমার শুরুটা লেখালেখি দিয়ে। সেটা সত্তর দশকের শুরুতে। দর্শকদের ভালোবাসার কারণে- ইত্যাদি নিয়ে বেশির ভাগ সময় ব্যস্ত থাকতে হয়, তাই ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও সবসময় লিখতে পারি না। কারণ গত ৩৩ বছর ধরেই আমাকে একটা শিডিউল মেনে চলতে হচ্ছে। তবে যত ব্যস্ত থাকি না কেন মনের ক্ষুধার তাড়নায় চেষ্টা করি সংখ্যায় বেশি না হলেও বছরে অন্তত একটি বই প্রকাশ করতে। সংগত প্রসঙ্গত অসংগত বইটি সম্পর্কে হানিফ সংকেত বলেন, আমাদের সমাজ জীবনে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ঘটনা ঘটে থাকে। যার কিছু সংগত, কিছু প্রসঙ্গত, কিছু অসংগত। যা মানুষকে হাসায়-কাঁদায়-ভাবায়, কখনো মানুষের দুশ্চিন্তা বাড়ায়, ক্ষোভ জন্মায়। এ থেকে সংগতভাবে মুক্তি চায় মানুষ। তাই সময় থাকতেই এসব বিষয়ে সঙ্গত কারণে দৃষ্টি দেয়া সঙ্গত। আর আমাদের বহমান জীবনে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নানান প্রসঙ্গ আবির্ভূত হয়। তার মধ্যে গুরুত্বের বিচারে সমসাময়িক প্রসঙ্গকে প্রসঙ্গতই গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন। কিন্তু নানা জটিলতা, কুটিলতার কারণে অসঙ্গতির প্রভাবে আমরা সময়ের কাজ সময়ে করি না। মৌসুমী ফলের মতো কিছু মৌসুমী চরিত্র বিভিন্ন মৌসুমে কর্মকাণ্ড নিয়ে হাজির হয় মানুষের কাছে। ধরা পড়া আর না পড়াতে দুর্নীতির গতি ও নীতির দুর্গতি অতিশয় ক্ষতির প্রভাব ফেলে সমাজের সর্বত্র। এই সংগত প্রসঙ্গত অসংগত বিষয়গুলো নিয়েই ২০২০ সালে দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত লেখার সংকলন নিয়েই আমার এই বইটি প্রকাশ করেছে প্রিয় বাংলা প্রকাশন। উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে বিভিন্ন প্রকাশনী থেকে উপন্যাসসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর হানিফ সংকেতের প্রায় অর্ধ শতাধিক গ্রন্থ প্রকাশ হয়েছে। ...

হাতিরঝিলে কিশোরদের উপদ্রব আটক ৫৫

২৮,জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,ক্রাইম প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঘিঞ্জি ঢাকায় একটু মুক্তভাবে হেঁটে বেড়ানোর জায়গা নেই বললেই চলে। তবে এই অভাবটা কিছুটা হলেও পূরণ করেছে হাতিরঝিল। কিন্তু দিন দিন সেটাও হয়ে পড়েছে অরক্ষিত। কোলাহল তো বেড়েছেই, সেই সঙ্গে বেড়াতে আসা মানুষকে নানাভাবে উত্যক্ত করছে কিশোরদের কয়েকটি দল। এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়ে ৫৫ জন কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশের (মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স) এআইজি মো. সোহেল রানা এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, হাতিরঝিলে বেড়াতে আসা একজন গতকাল (২৭ জানুয়ারি) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগে হয়রানির শিকার হওয়ার একটি অভিযোগ দেন। সেই পরিপ্রেক্ষিতে হাতিরঝিল লেক ও লেক সংলগ্ন পার্শ্ববর্তী এলাকায় বিকেল ৪টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ব্যাপক অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকায় ৫৫ জনকে আটক করা হয়। আটকদের মধ্যে ৩ জনের কাছে ৮ পিস, ১২ পিস ও ২৫ পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। এছাড়াও গণ-উপদ্রব ও অহেতুক হৈচৈ করার কারণে ১৬ জনের বিরুদ্ধে ডিএমপি অর্ডিন্যানস অনুযায়ী ব্যবস্থাও নেয়া হচ্ছে। অবশিষ্ট ৩৬ জনকে শর্তসাপেক্ষে অভিভাবকের জিম্মায় দেয়া হয়েছে। এআইজি আরো বলেন, সন্তান যেনো কোনো অপরাধে জড়িয়ে না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। দরকার পড়লে পুলিশের সহায়তা নিতে হবে। ...

অনিয়মের অভিযোগে চেয়ারম্যান কাউন্সিলর ও ইউপি সদস্যসহ ১১ জন বরখাস্ত

২জুন,মঙ্গলবার,ক্রাইম সোর্স প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ত্রাণ বিতরণসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে একদিনেই ১১ জনপ্রতিনিধিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। আজ মঙ্গলবার এ বিষয়ে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বিভাগটি। যাদের বরখাস্ত করা হয়েছে তাদের মধ্যে ৪জন ইউপি চেয়ারম্যান, একজন পৌরসভার কাউন্সিলর ও ৬জন ইউপি সদস্য রয়েছেন। কর্মস্থলে অনুপস্থিতি, দরিদ্র মানুষকে নগদ অর্থ সহায়তা ও ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগে আরও ১১ জনপ্রতিনিধিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। তাঁদের মধ্যে চারজন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও ছয়জন ইউপি সদস্য এবং একজন পৌর কাউন্সিলর রয়েছেন। বরখাস্ত হওয়া চেয়ারম্যানেরা হলেন কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার সিংপুর ইউপির মো. আনোয়ারুল হক, একই জেলার বাজিতপুর উপজেলার হালিমপুর ইউপির হাজী মো. কাজল ভূইয়া, বরগুনা সদর উপজেলার এম বালিয়াতলী ইউপির মো. শাহনেওয়াজ এবং নলটোনা ইউপির হুমায়ুন কবীর। বরখাস্তের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সিংপুর ইউপির চেয়ারম্যান করোনোভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সময় ত্রাণকাজে সহায়তা না করে সরকারি নির্দেশ অমান্য করে কর্মস্থলে অনুপস্থিত আছেন। বাজিতপুরের হালিমপুর ইউপি চেয়ারম্যানও দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত। এ ছাড়া করোনোভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়নে বিঘ্ন সৃষ্টি, এপ্রিল মাসের ভিজিডি খাদ্যশস্য বিতরণ না করা, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে দেওয়া নগদ অর্থ সহায়তা কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রণয়নে ব্যর্থ হওয়া এবং কারণ দর্শানোর পরিপ্রেক্ষিতে নিজে জবাব প্রদান না দিয়ে অন্যের মাধ্যমে জবাব দেওয়া। বরগুনার এম বালিয়াতলী ইউপির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নিয়মবহির্ভূতভাবে মৎস্য ভিজিএফের চাল ৮০ কেজির জায়গায় ৬০ কেজি দেওয়া এবং তালিকার বাইরেও অন্যদের চাল দেওয়ার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। নলটোনা ইউপির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জেলেদের তালিকা প্রণয়নে অনিয়ম, ভুয়া টিপসইয়ের মাধ্যমে চাল উত্তোলন করে আত্মসাৎ এবং ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। অন্যদিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত হওয়া ইউপি সদস্যরা হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপজেলার মজলিশপুর ইউপির ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হারিছ মিয়া এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হাছান মিয়া, বরগুনা জেলার সদর উপজেলাধীন নলটোনা ইউপির ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হারুন মিয়া, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হানিফ, ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য মোসা. রানী এবং ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য মোসা. ছাবিনা ইয়াসমিন। বরখাস্ত হওয়া পৌরসভার কাউন্সিলর হলেন চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. সোলাইমান বাবুল।...

কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের জন্য আজীবন সংগ্রমী মোস্তফা ভুঁইয়া

২২সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: মোঃ মোস্তফা ভুঁইয়া ১৯৫০ সালের মার্চ মাসের ৪ তারিখে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার বাস গ্রামে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম ডাঃ মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া, মাতার নাম মরহুমা রৌশনারা বেগম। তিনি তিন সন্তানের জনক। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, এক কন্যা, আত্মীয়স্বজন সহ অসংখ্য সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি একসময় খাদ্য অধিদপ্তরে সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ১৯৭০ সালে ২১ শে ফেব্রুয়ারিতে চাকুরিতে যোগদান করেন। তার চাকুরি জীবন শুরু হয় পাকিস্তানের করাচিতে। তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তান যা বর্তমানে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি পুনরায় খাদ্য অধিদপ্তরে যোগদান করেন। ২০০৮ সালে তিনি খাদ্য অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক হিসেবে অবসর গ্রহন করেন। তিনি প্রগতিশীল রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। ২০১১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী স্বদেশ পার্টিতে যাত্রা শুরু করেন। তিনি আমৃত্যু স্বদেশ পার্টির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সমাজসেবা, জনকল্যাণ, কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের অধিকার সংগ্রামে জড়িত ছিলেন। তিনি অন্যায়, অত্যাচার, শোষণ, নিপীড়ন, বঞ্চনা- লাঞ্ছনার বিরুদ্ধে একজন বলিষ্ট প্রতিবাদী ছিলেন। তিনি গত ২০২০ সালের ৮ আগস্ট জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে সবাইকে ছেড়ে না ফেরার দেশে পারি জমান। তার অসংখ্য রাজনৈতিক, সামাজিক, সহকর্মী শোকাহিত হৃদয়ে তাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছে। তার অভাব পূরণ হবার নয়। তার কর্মীরা এক মূহূর্তের জন্য তাকে ভুলতে পারে না। আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত, শান্তি, এবং জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করছি। ...

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে আকুল আবেদন

২০সেপ্টেম্বর,রবিবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: সকল শিক্ষারর্থীদের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিশ্চিত করার আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হতে বিরত থাকুন। মার্চ ২০২০ হতে কোভিড-১৯ (করোনা) সংক্রমণ শুরু হয়। পর্যবেক্ষণ দেখা যায় শীত প্রধান অঞ্চলে কোভিড-১৯ সংক্রমণ অধিক। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতে সংক্রমণ বেড়েই চলছে। আমাদের দেশ ঘনবসতি পূর্ণ জনবহুল দেশ। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারি বেসরকারি ব্যাক্তি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের প্রচার প্রচারণায় দেশবাসী সচেতন হয়েছে। দেশের মানুষ সতর্ক হয়েছে। স্বাস্থ্য সুরক্ষাবিধি মেনে চলছে। যার ফল আমরা প্রত্যক্ষ করছি। সামনে শীত মৌসুম। এ অবস্থায় কোভিড-১৯ সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা একেবাড়ে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। বিভিন্ন মহল বিশিষের দাবীর মুখে একাধিক ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জানা যায় সদাসয় সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শ্রেণির পরিক্ষা ও ক্লাস শুরু করার তথ্য। অবশ্যই এই উদ্যেগ ভাল। কিন্তু এ মুহূর্তে তা কতটুকু যুক্তিযুক্ত। কোভিড-১৯ একটি সংক্রামক ও ছোঁয়াছে রোগ। এর চিকিৎসা ও প্রতিরোধ ব্যাবস্থা অত্যন্ত জটিল। তাই এর সংক্রমণ ঠেকাতে আমাদের দেশের সরকার শত চেষ্ঠার পর সম্পূর্ণ সফল হতে পারেনি। অবশ্য আংশিক সফলতা, যথাপোযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য অবশ্যই সরকারের সাধুবাদ। ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য। কৃতজ্ঞতাচিত্তে ধন্যবাদ জানাচ্ছিও। আমাদের দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিটি শ্রেণিতে ছাত্র-ছাত্রী অনেক। এ অবস্থায় স্বাস্থ্য বিধি মেনে ক্লাস করা কোন অবস্থাতেই সম্ভব নয়। তাই সকল দিকে বিবেচনা করে, প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীর কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিশ্চিত না করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ক্লাস শুরু না করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।- ...

করোনার বিরুদ্ধে ঘরে ঘরে সচেতনতার দুর্গ গড়ে তুলুন: ওবায়দুল কাদের

১৪,এপ্রিল,বুধবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অদৃশ্য শত্রু করোনার বিরুদ্ধে ঘরে ঘরে সচেতনতার দুর্গ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। একই সঙ্গে তিনি সবাইকে বাংলা নববর্ষ ও রমজানের শুভেচ্ছা জানান। বুধবার (১৪ এপ্রিল) সকালে ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবন থেকে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ আহ্বান জানান। ওবায়দুল কাদের আওয়ামী লীগের পক্ষে দেশের সর্বস্তরের জনগণকে বাংলা নববর্ষ ও রমজানের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, করোনাকবলিত বাংলাদেশে আবার এসেছে বাঙালির উৎসবের সবচেয়ে প্রাণবন্ত দিন পহেলা বৈশাখ। এবারকার বৈশাখ এসেছে প্রাণহীন এক বৈরী পরিবেশে, জীবনের এক নিষ্ঠুর বাতাবরণে। চিরচেনা পহেলা বৈশাখকে আজ চেনাই যায় না। এই দিনের সব রূপ-রস-গন্ধ হারিয়ে গেছে। হারিয়ে গেছে হাসি আনন্দের চিরচেনা বাঁশির সুর। ওবায়দুল কাদের বলেন, তবুও নতুন আশার মালা গেঁথে বাঙালির বেঁচে থাকার নিরন্তর লড়াই চলছে। সম্মিলিত শক্তি দিয়ে প্রতিহত ও পরাজিত করতে হবে প্রাণঘাতী করোনাকে। ওবায়দুল কাদের আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, সময়ের সাহসী কাণ্ডারি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিজয়ী হই করোনার বিরুদ্ধে, বিজয়ী হই বৈশাখীর চেতনার শত্রু সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে।...

পহেলা বৈশাখ আমাদের এক পথে চলতে সাহসী করে: জিএম কাদের

১৪,এপ্রিল,বুধবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলা নববর্ষ ১৪২৮ উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থানরত বাংলা ভাষাভাষীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের। বুধবার (১৪ এপ্রিল) এক বাণীতে সকল বাংলাভাষীর জন্য অফুরান শুভকামনা প্রকাশ করেছেন তিনি। জিএম কাদের বলেন, পুরনো, জরাজীর্ণ এবং অশুভকে পেছনে ফেলে নতুন উদ্যমে সামনে এগিয়ে চলতে পহেলা বৈশাখ আমাদের অনুপ্রেরণা যোগায়। ব্যর্থতার গ্লানী মুছে সাফল্যের সিঁড়ি বেয়ে উজ্জ্বল আলোর রথে চলতে শেখায় পহেলা বৈশাখ। বাংলা নববর্ষ ১৪২৮ উপলক্ষে দেয়া বাণীতে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান আরও বলেন, পহেলা বৈশাখ হচ্ছে বঙ্গাব্দের প্রথম দিন বা বাংলা নববর্ষ। পহেলা বৈশাখ বাঙালির মহা ঐক্যের দিন। ধর্ম, বর্ণ, জাত বা গোত্রের সীমারেখা ভেঙে পহেলা বৈশাখের উৎসব আয়োজন আমাদের এক পথে চলতে সাহসী করে। সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি, সুন্দর ও কল্যাণের জয়গানে শুভ পহেলা বৈশাখকে স্বাগত জানাতে আমরা প্রস্তুত। জিএম কাদের বলেন, মুঘল সম্রাট আকবরের আমলে কর বা রাজস্ব আদায়ের জন্য বাংলা সন গণনা শুরু হলেও, পহেলা বৈশাখ দিনে দিনে বাঙালি সংস্কৃতি লালন ও বিকাশের অসাধারণ অধ্যায়ে পরিণত হয়েছে। জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান বলেন, এবার পহেলা বৈশাখ এমন একটি সময়ে আমাদের সামনে হাজির, যখন করোনাভাইরাস মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে সারাবিশ্বে। মৃত্যু আতঙ্ক বিশ্বের প্রতিটি মানুষের অন্তরে। তাই, এই আতঙ্কময় কোভিড-১৯ এর কবল থেকে বাঁচতে প্রত্যেকে নিজ ঘরে থেকেই মহান স্রষ্টার অনুগ্রহ প্রার্থনা করুন। ঘরে থাকুন, নিরাপদে থাকুন। এই দুর্যোগ কেটে গেলে আমরা আবারো মিলবো প্রাণের উৎসবে।...

চাঁদ দেখা গেছে, রোজা বুধবার

১৩,এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের আকাশে মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) চাঁদ গেছে। বুধবার (১৪ এপ্রিল) থেকে ১৪৪২ হিজরি সালের রমজান মাস শুরু হবে। মঙ্গলবার রাতে তারাবি নামাজ আদায় ও শেষ রাতে সেহরি খেয়ে বুধবার প্রথম দিনের রোজা পালন করবেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি ফরিদুল হক খান সভাপতিত্ব করেন। সভা থেকে ঘোষণা করা হয় ১৪৪২ হিজরি সালের রমজান মাস ও লাইলাতুল কদরের তারিখ। এদিকে মালয়েশিয়া, সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের আকাশে গত সোমবার (১২ এপ্রিল) পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে দেশগুলোতে মঙ্গলবার থেকে রোজা শুরু হয়েছে। ইসলামিক বিধান অনুযায়ী রমজানের চাঁদ দেখা যাওয়ায় গত সোমবার দিনগত রাতে সেহরি খেয়ে মঙ্গলবার রোজা রাখছেন ওইসব দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর একদিন পর বাংলাদেশের আকাশে চাঁদ দেখা যায়। ওইসব দেশের পরদিনই বাংলাদেশে রোজা ও ঈদ পালন করা হয়। সে হিসাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে চাঁদ দেখা যাবে বলে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা আগে থেকে রোজা পালন ও তারাবি নামাজের প্রস্তুতি নিয়েছেন। ...

রান্নায় স্বাদ বাড়ায়, ডায়াবেটিসও কমায় ধনে পাতা

২৩,মার্চ,মঙ্গলবার,স্বাস্থ্য ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাজারে সবসময় পাওয়া যায় ধনেপাতা। অনেকেই তরকারির স্বাদ বাড়াতে ধনেপাতা ব্যবহার করেন। আবার ভর্তায়ও জায়গা করে নেয় এই সুগন্ধি পাতা। এতো গেল রসনাবিলাসের কথা। কিন্তু জানেন কি, খাবারে স্বাদ বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ধনেপাতার রয়েছে একগুচ্ছ ঔষধি গুণ। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ধনেপাতা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অনেক উপকারী। ফ্লোরিডা রিসার্চ ইনস্টিটিউট জানাচ্ছে, ধনেপাতা কিংবা বীজ রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ফলে ডায়াবেটিসও নিয়ন্ত্রণে থাকে। ধনেপাতা বীজের মধ্যে থাকে ইথানল। যা ব্লাড সুগার লেভেল কমাতে সাহায্য করে। প্যানক্রিয়াসের বিটা সেল থেকে ইনসুলিন নিঃসরণের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তাছাড়া ধনেপাতা হজম শক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে। খাদ্যাভ্যাসের দরুণ আমাদের শরীরে রোজ তিলে তিলে জমা হতে থাকে বেশ কিছু ভারী ধাতু এবং বিষাক্ত দূষণকারী পদার্থ। এর থেকে শরীরে বহু দূরারোগ্য অসুখ যেমন ক্যান্সার, হৃদরোগ, মস্তিষ্কের বিভ্রাট, মানসিক রোগ, কিডনি ও ফুসফুসের অসুখ এবং হাড়ের দুর্বলতা তৈরি হতে পারে। ধনেপাতা রক্তপ্রবাহ থেকে এই সমস্ত ক্ষতিকর উপাদান দূর করে শরীরকে সুস্থ ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে। ধনেপাতায় রয়েছে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, লোহা ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো বেশ কয়েকটি উপকারী খনিজ। এছাড়া ভিটামিন এ এবং ভিটামিন কে'র জোগান দেয় এই পাতা। শুধু তাই নয়, এই উদ্ভিদ অ্যান্টিসেপ্টিক, অ্যান্টিফাংগাল এবং যে কোনও চুলকানি ও চামড়ার জ্বলনে অব্যর্থ ওষুধ। দিল্লির এইমস-এর গবেষণাগারে রিউম্যাটিক আর্থারাইটিস রোগে আক্রান্ত ইঁদুরের পায়ে ধনেপাতার রস প্রবেশ করালে তার শরীরের জ্বলন ও ফোলা ভাব দূর হতে দেখা গিয়েছে। ...

সুস্থ থাকতে আঁশযুক্ত খাবার খান

২,ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,স্বাস্থ্য ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আঁশযুক্ত খাবার এমন একটি খাদ্য উপাদান যা দেহের নানা কাজ সুষ্ঠুভাবে করতে সাহায্য করে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমানে আঁশযুক্ত খাবার খেলে তুলনামুলকভাবে বেশিদিন সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকা যায়। আর খাবারে এই উপাদানের ঘাটতি হলে শরীরে নানা ধরনের বিপত্তি ঘটে। ভুট্টা, শিম, বাঁধাকপি, জাম, ওট, ব্রকলি,আপেল, কলা, কমলা, বাদাম ইত্যাদি খাবারে প্রচুর পরিমানে আঁশ পাওয়া যায়। আঁশযুক্ত খাবার খেলে অল্পতেই পেট ভরে যায়। একারণে ঘন ঘন খাবার প্রবণতা কমে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত আঁশযুক্ত খাবার খান তাদের ওজন নিয়ন্ত্রণে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখে। গবেষকরা বলছেন, যারা প্রতিদিন ২৬ গ্রামের বেশি আঁশযুক্ত খাবার খান তাদের ডায়বেটিস হওয়ার সম্ভাবনা অন্যদের তুলনায় কম। আরেক গবেষণায় এটা প্রমানিত হয়েছে, যারা প্রতিদিন ৭ গ্রাম আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ করেন তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় কিছুটা হলেও কমে যায়। প্রতিদিন ১০ গ্রাম আঁশযুক্ত খাবার বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের সম্ভাবনা ১০ ভাগ কমিয়ে দেয় এবং স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি শতকরা ৫ ভাগ কমাতে সাহায্য করে। গবেষণায় এটাও দেখা গেছে, যারা আঁশসমৃদ্ধ শস্যজাতীয় খাবার গ্রহণ করেন তারা অন্যদের তুলনায় দীর্ঘায়ু হন। যেকোন ধরনের কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে আঁশযুক্ত খাবার দারুন কার্যকরী। এছাড়া শরীর থেকে অপ্রয়োজনীয় টক্সিন বের করতে প্রাকৃতিভাবেই কাজ করে এই জাতীয় খাবার। কিছু কিছু আঁশযুক্ত খাবার শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করতে সাহায্য করে। ফলে হাড় মজবুত থাকে। ...

কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের জন্য আজীবন সংগ্রমী মোস্তফা ভুঁইয়া

২২সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: মোঃ মোস্তফা ভুঁইয়া ১৯৫০ সালের মার্চ মাসের ৪ তারিখে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার বাস গ্রামে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম ডাঃ মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া, মাতার নাম মরহুমা রৌশনারা বেগম। তিনি তিন সন্তানের জনক। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, এক কন্যা, আত্মীয়স্বজন সহ অসংখ্য সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি একসময় খাদ্য অধিদপ্তরে সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ১৯৭০ সালে ২১ শে ফেব্রুয়ারিতে চাকুরিতে যোগদান করেন। তার চাকুরি জীবন শুরু হয় পাকিস্তানের করাচিতে। তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তান যা বর্তমানে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি পুনরায় খাদ্য অধিদপ্তরে যোগদান করেন। ২০০৮ সালে তিনি খাদ্য অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক হিসেবে অবসর গ্রহন করেন। তিনি প্রগতিশীল রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। ২০১১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী স্বদেশ পার্টিতে যাত্রা শুরু করেন। তিনি আমৃত্যু স্বদেশ পার্টির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সমাজসেবা, জনকল্যাণ, কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের অধিকার সংগ্রামে জড়িত ছিলেন। তিনি অন্যায়, অত্যাচার, শোষণ, নিপীড়ন, বঞ্চনা- লাঞ্ছনার বিরুদ্ধে একজন বলিষ্ট প্রতিবাদী ছিলেন। তিনি গত ২০২০ সালের ৮ আগস্ট জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে সবাইকে ছেড়ে না ফেরার দেশে পারি জমান। তার অসংখ্য রাজনৈতিক, সামাজিক, সহকর্মী শোকাহিত হৃদয়ে তাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছে। তার অভাব পূরণ হবার নয়। তার কর্মীরা এক মূহূর্তের জন্য তাকে ভুলতে পারে না। আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত, শান্তি, এবং জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করছি।


রান্নায় স্বাদ বাড়ায়, ডায়াবেটিসও কমায় ধনে পাতা

২৩,মার্চ,মঙ্গলবার,স্বাস্থ্য ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাজারে সবসময় পাওয়া যায় ধনেপাতা। অনেকেই তরকারির স্বাদ বাড়াতে ধনেপাতা ব্যবহার করেন। আবার ভর্তায়ও জায়গা করে নেয় এই সুগন্ধি পাতা। এতো গেল রসনাবিলাসের কথা। কিন্তু জানেন কি, খাবারে স্বাদ বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ধনেপাতার রয়েছে একগুচ্ছ ঔষধি গুণ। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ধনেপাতা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অনেক উপকারী। ফ্লোরিডা রিসার্চ ইনস্টিটিউট জানাচ্ছে, ধনেপাতা কিংবা বীজ রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ফলে ডায়াবেটিসও নিয়ন্ত্রণে থাকে। ধনেপাতা বীজের মধ্যে থাকে ইথানল। যা ব্লাড সুগার লেভেল কমাতে সাহায্য করে। প্যানক্রিয়াসের বিটা সেল থেকে ইনসুলিন নিঃসরণের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তাছাড়া ধনেপাতা হজম শক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে। খাদ্যাভ্যাসের দরুণ আমাদের শরীরে রোজ তিলে তিলে জমা হতে থাকে বেশ কিছু ভারী ধাতু এবং বিষাক্ত দূষণকারী পদার্থ। এর থেকে শরীরে বহু দূরারোগ্য অসুখ যেমন ক্যান্সার, হৃদরোগ, মস্তিষ্কের বিভ্রাট, মানসিক রোগ, কিডনি ও ফুসফুসের অসুখ এবং হাড়ের দুর্বলতা তৈরি হতে পারে। ধনেপাতা রক্তপ্রবাহ থেকে এই সমস্ত ক্ষতিকর উপাদান দূর করে শরীরকে সুস্থ ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে। ধনেপাতায় রয়েছে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, লোহা ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো বেশ কয়েকটি উপকারী খনিজ। এছাড়া ভিটামিন এ এবং ভিটামিন কে'র জোগান দেয় এই পাতা। শুধু তাই নয়, এই উদ্ভিদ অ্যান্টিসেপ্টিক, অ্যান্টিফাংগাল এবং যে কোনও চুলকানি ও চামড়ার জ্বলনে অব্যর্থ ওষুধ। দিল্লির এইমস-এর গবেষণাগারে রিউম্যাটিক আর্থারাইটিস রোগে আক্রান্ত ইঁদুরের পায়ে ধনেপাতার রস প্রবেশ করালে তার শরীরের জ্বলন ও ফোলা ভাব দূর হতে দেখা গিয়েছে।

ভাষাসৈনিক ডঃ মাহাফুজুল হক চট্রলা তথা বাংলাদেশের অমুল্য সম্পদ ছিলেন

১১,এপ্রিল,রবিবার,নিউজ একাত্তর ডট কম: বীর পটিয়া তথা চট্রলা নয় বাংলাদেশের আদর্শিক ও মেধাবী সংগঠক ছিলেন ভাষাবিদ ডঃ মাহাফুজুল হক। বাল্যকাল থেকে অত্যন্ত মেধাবী ও দক্ষ সংগঠক হিসাবে স্কুল,কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে তার কর্মকাণ্ডে পরিচয় বহন করে।১৯৩১সালের ১লা এপ্রিল চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা জিরি ইউনিয়নে কৈয়গ্রাম গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা এলাকায় শিক্ষাবিদ ও পোষ্টমাষ্টার নামে খ্যাত ছিলেন এস আহমদ হোসেন ও মাতা মোছাম্মৎ চেমন খাতুন। পিতার আদর্শে বিশ্বাসী হয়ে শিক্ষার মশাল জ্বালানোর জন্য স্কুল জীবন থেকে অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ডঃ মাহাফুজুল হক। শৈশব,কৈশোর ও জীবনের বেশিরভাগ সময় ব্যয় করেন চট্রগ্রাম ফিরীঙ্গাবাজার এলাকায়।আলকরণ স্কুল থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ চুকিয়ে চট্রগ্রাম মুসলিম হাই স্কুলে থেকে এসএসসি ও চট্রগ্রাম কলেজ থেকে আইএসসি ও বিএতে ভর্তি হয়ে ডিষ্টিংশন নিয়ে বিএ ডিগ্রি অর্জন করেন।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএ ও একই সাথে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৫৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন।১৯৬১ সালে ৯ সেপ্টেম্বর এডওয়ার্ড ডব্লিউ হাজেন বৃত্তি নিয়ে আমেরিকা যান এবং নিউইয়র্কে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের উপর পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। শিক্ষার সাথে সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক পরিসরে তার অবাধ বিচরন ছিল অসাধারণ। বীর চট্রলার ছিলেন বিপ্লবের সূতিকাগার,স্বাধীনতা জন্মভূমি,মাষ্টার দা সূর্য সেন,প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার ও মনিরুজ্জামান ইসলামবাদী,বার আউলিয়ার পুন্যভুমি নামে খ্যাত।এই চট্রগ্রামে বহু প্রতিভা ও সুর্য সন্তান জন্মগ্রহণ করেন তার মধ্যে অন্যতম প্রতিভার অধিকারী ছিলেন ভাষাবিদ ডঃ মাহাফুজুল হক। ইতিহাসে তার নাম আজীবন স্মরণ হয়ে থাকবে ভাষাসৈনিক হিসাবে।যা বিরল ঘটনা ও ইতিহাসের অংশ। রাষ্ট্র ভাষা আন্দোলনে তার অগ্রনী ভুমিকা অতুলনীয়। মা,মাতৃভুমি ও মাতৃভাষা হল আমাদের প্রাণ। আর মায়ের ভাষা প্রতিষ্ঠা করার জন্য আন্দোলন সংগ্রামে নিজেকে জড়িয়ে রেখেছে এমনকি বাংলা ভাষার প্রচলন সমিতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। ছাত্র অবস্থায় ছাত্র রাজনীতির সাথে নিজেকে জড়িয়ে রেখেছে বিধায় তিনি নিখিল বঙ্গ ছাত্রলীগের চট্রগ্রাম জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পাকিস্তানের বৈষম্যের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে নেতত্বে দিয়েছেন। ডঃ মাহাফুজুল হক ঐতিহাসিক তমুদ্দন মজলিশের চট্রগ্রামের অন্যতম ব্যক্তি ছিলেন বলে পাকিস্তান তমুদ্দিন মজলিসের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। এসময় তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য মুকুল ফৌজ নামক সংগঠনের প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন যা যুগান্তকারী ঘটনা। ১৯৫৪ সালের ঐতিহাসিক সাধারণ নির্বাচনে চট্রগ্রাম যুক্তফ্রন্টের কর্মী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখেছে। তার অসম্ভব দুরদর্শিতা,সুষ্ঠু পরিকল্পনা,দক্ষতা ও পরিশ্রমের কারণে যুক্তফ্রন্ট নিরংকুশ জয়লাভ করেন এবং মুসলিম লীগের ভরাডুবি হয়েছে। অসম্ভব মেধাবী,সুবক্তা,সাংগঠনিক দক্ষতা ও কর্মদক্ষতার জন্য অল্প বয়সে চট্রগ্রামে রাজনৈতিক অঙ্গনে জনপ্রিয়,মানুষের ভালবাসা ও কারিসম্যাটিক নেতা হিসেবে সুপরিচিত লাভ করেন।চট্রগ্রামে তার কথা সব জায়গায় আলোচনা করেন পরবর্তীতে তিনি সবার শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন। যা বীর চট্রলার মানুষ তাকে আপন হিসেবে খুব ভালবাসত। ১৯৫১ সালে ১৯ ফ্রেব্রুয়ারীতে মেডিকেল ছাত্র-ছাত্রীদের এমবিবিএস পড়ার সুযোগ দানের জন্য সারা বাংলাদেশে যে সংগ্রাম কমিটি গঠিত হয়েছিল তার চট্রগ্রাম কমিটির প্রধান ছিলেন ডঃ মাহাফুজুল হক। তার নেতত্বে চট্রগ্রামে আন্দোলন,ধর্মঘট ও সংগ্রামে অনুষ্ঠিত হয়।এর মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে পাই যা ইতিহাসের মাইলফলক। ১৯৫২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাকালে ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন।বিভিন্ন সময় আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে বহুবার পাকিস্তানের জান্তা বাহিনী পুলিশ কতৃর্ক হয় এমনকি পুলিশের গুলিতে তার মৃত্যুর সংবাদ প্রচার হয় যা পরবর্তীতে ভুল ছিল বলে প্রমাণ হয়।সেসময় চট্রগ্রামে শোকের ছায়া নেমে আসে। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পরিমণ্ডলের বাইরে সাহিত্য সাধনায় তার অবাধ বিচরন ছিল অসাধারণ।তার সাহিত্যে সাধনার বহু ফসল ততকালের পত্র-পত্রিকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। আমাদের সাহিত্যে ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের এবং ভাষা ও সাহিত্যের বিকাশ,বাঙালী জাতির সংস্কৃতির সত্যিকারের রুপায়ন ও সর্বোপরি মাতভাষা বাংলার রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও প্রতিষ্ঠাই ছিল এ মহান সাধকের অভীষ্ট লক্ষ্য ছিল। ১৯৫৬ সালে তার লেখা সাংস্কৃতিক পুর্নগঠন শীর্ষক এক সুদীর্ঘ প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়।যা বাঙালী জাতির জন্য এক অমুল্য সম্পদ।তার প্রবন্ধে বলেছিলেন রাজনৈতিক স্বাধীনতা জাতীয় জীবনে মূল্যহীন হয়ে পড়ে যদি তার সঙ্গে সাংস্কৃতিক আজাদী ও অর্থনৈতিক মুক্তি সম্ভব না হয়।কারণ শিল্পী ও সাহিত্যিকরা শুধু সমাজে নিরপেক্ষ ব্যক্তি নন বরঞ্চ তারাই সমাজের সচেতন প্রতিনিধি। ১৯৬৫ সালে পুর্ব পাকিস্তান বাংলা প্রচলন সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। এসব সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বাইরে তিনি পত্রিকার সম্পাদক কাজেও জড়িত ছিলেন। তার সম্পাদিত উল্লেখযোগ্য পত্রিকা হচ্ছেউ সাপ্তাহিক ইঙ্গিত, দ্যুতি ও সাপ্তাহিক সৈনিক। এগুলোর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের তথা বাংলা ভাষার প্রচলন করে দেশের জন্য কাজ করেছেন।যা আমাদের অমুল্য সম্পদ বললে চলে।তার কর্মদক্ষতা ছিল বলে তিনি জ্ঞান গরিমার মাধ্যমে আলোকিত মানুষ হিসাবে বাংলা ভাষার প্রতি অনুরাগী ছিলেন বলে আজ আমরা গর্বিত। রাজনৈতিক জীবনে তিনি বাংলার বাঘ খ্যাত শেরে বাংলা একে ফজলুল হক,গণতন্ত্রের মানস পুত্র হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর স্নেহধন্য উত্তরসুরী হিসাবে কাজ করেছেন।তাদের আদর্শ বাস্তবায়নে এগিয়ে নেওয়ার জন্য বাংলার পথ প্রান্তরে প্রতিটি এলাকায় কাজ করেছেন। ছাত্র অবস্থায় তিনি চট্রগ্রামের দক্ষ সংগঠক হিসাবে স্কুল, কলেজ ছাত্র রাজনীতির করেছেন যা তার কর্মে পরিচয় বহন করে। তিনি আজীবন মৃত্যুঞ্জয়ী অকুতোভয় দুঃসাহসীক ছাত্রনেতা ছিলেন।নেতার আদর্শ বাস্তবায়নে করতে জীবনের মুল্যবান সময় ব্যয় করে কাজ করেছেন। সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের কল্যাণে রাজনীতি করেছেন বিধায় আজীবন মানুষের মণিকোঠায় তার নাম স্থান করে নিয়েছে। তার কর্ম গুনে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।তন্মধ্যে ডঃ মাহাফুজুল হক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট সদস্য,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একাডেমিক কাউন্সিল সদস্য,পাকিস্তান লেখক সংঘের সাধারণ সম্পাদক,পাকিস্তান রাইটার্স গিল্ট ও কিশোর মজলিসের কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম উপদেষ্টা সহ বিভিন্ন জায়গায় দায়িত্ব পালন করেছেন। এসব দায়িত্ব পালনে তার চতুর্মুখী প্রতিভার স্বাক্ষর বহন করে এমনকি তিনি মেধা মনন ও কর্মদক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। আজীবন বাংলা আর বাঙালী জাতির জন্য তিনি নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে বিশ্বে বাংলা ভাষাকে মর্যাদার আসীন করে চট্রলা তথা বাংলাদেশকে মর্যাদার আসীন করেছে। তার তীক্ষ্ণ লেখনীতে সব কিছু ফুটিয়ে তুলে বাংলার মর্যাদা বীরোচিত ও পাঠকপ্রিয় হিসাবে গড়ে তুলতে সচেষ্ট হয়েছে। মানুষ মানুষের জন্য একথাটি মনে রেখে বাংলা ভাষার জন্য নিজের জীবন বিলিয়ে দিতে সর্বশক্তি দিয়ে মিছিল মিটিংয়ের অগ্রভাগে থেকে প্রতিটি লড়াই সংগ্রাম করে যাওয়া নাম পটিয়ার সূর্য সন্তান ডঃ মাহাফুজুল হক। সেদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে আহত হয় যা মায়ের ভাষা আন্দোলনের পুরোধা ছিলেন বলে তা সম্ভব হয়।আজীবন মানুষের কল্যাণে রাজনীতি করে যাওয়া হল আসল কাজ সেটি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতেন।রাজনৈতিক জীবনে চট্রগ্রাম থেকে উঠে আসা যোদ্ধা সর্বশেষ ঢাকায় এসে নেতৃত্ব দেয়।তারুণ্যের বাধ ভাঙা উচ্ছ্বাস নিয়ে ছাত্র জীবনে ছিল তার জন্য উপযুক্ত সময় বলে দেশপ্রেমের কারণে সব জায়গায় কাজ করেছে। কোন কিছুর ভয় তাকে আটকাতে পারিনি। সব জায়গায় সফল মানুষ হিসাবে দেশপ্রেমিক লোক হিসাবে আজ প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। তিনি মাত্র ৩৫ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।আর সাহিত্য সংস্কৃতির যবনিকাপাত হয় অল্প সময়ে। তিনি যদি আরও বেচে থাকত তাহলে আরও উপরে আসনে অধিষ্ঠিত হত আর বাঙালী জাতী লাভবান হত।পরিবার পেত সন্তান আর আমরা পেতাম একজন মেধাবী সাহিত্য সংস্কৃতির লোক।১৯৬৬ সালে ২ ফ্রেব্রুয়ারী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাস কনফারেন্স অংশগ্রহণ করতে গিয়ে ফরিদপুরে হেলিকপ্টার বিধ্বংস হয়ে অকালে ঝরে গেল পটিয়া,চট্রলা তথা বাংলাদেশের অমুল্য সম্পদ সাহিত্যিক,ভাষাবিদ ডঃ মাহাফুজুল হক। তার অকাল মৃত্যুতে দেশ হারাল অমুল্য সম্পদ আর পরিবার হারাল মেধাবী সন্তান। অকাল মৃত্যুতে দেশে কালো ছায়া নেমে আসে।চট্রগ্রামের শোকের মাতম হয় যা বর্ননাতীত।আজীবন চট্রলার মানুষ আপনাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে রাখবে।আপনার কর্ম গুনে আপনি মানুষের মণিকোঠায় স্থান করে নিয়েছ।আপনার হারানোর শোক আজও আমাদেরকে আন্দোলিত করে। আপনি ভুলবার নয় তবুও আল্লাহর ডাকে সবাইকে চলে যেতে হবে তেমনি আপনিও।আপনি সম্পক্তি নয় দেশ জাতির শ্রেষ্ঠ সম্পদ ছিলেন। বাঙালী তথা বীর চট্রলাবাসী শ্রদ্ধায় অবনত করে আপনাকে শ্রদ্ধা করে। স্যালুট বীর চট্রলার বীর সন্তান ডঃ মাহাফুজুল হক,স্যালুট বীর পটিয়ার গর্বিত সন্তান ডঃ মাহাফুজুল হক।- লেখক - তসলিম উদ্দিন রানা,কলামিস্ট ও রাজনৈতিক নেতা।

আজকের মোট পাঠক

38127

নিউজ একাত্তর ডট কম

সম্পাদক : মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী

নির্বাহী সম্পাদক : আহাম্মদ হোসেন ভুইয়া

একটি পপুলার মিডিয়া পাবলিকেশন এর প্রকাশনা | রেজি নং: চ-১২৪২৭/১৭

ই-মেইল : newsekattor@gmail.com, editorekattor@gmail.com, কপিরাইট ©newsekattor.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত